Blog

  • পাকিস্তানের সাবেক গোয়েন্দা প্রধানের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

    পাকিস্তানের সাবেক গোয়েন্দা প্রধানের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

    পাকিস্তানের শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিস ইন্টেলিজেন্সের (আইএসআই) সাবেক প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) ফাইজ হামিদকে দেশের একটি সামরিক আদালত ইতোমধ্যে ১৪ বছর কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি বৃহস্পতিবার অধিক্ষেত্রে নিশ্চিত করেছে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

    বিবৃতিতে জানানো হয়, বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মোট চারটি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্বার্থের ক্ষতিসাধনের জন্য সরকারি সিক্রেট আইন লঙ্ঘন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ, সরকারি সম্পদ ও কর্তৃত্বের অপব্যবহার। এই মামলা চলাকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী আইনের প্রতি מלאה সম্মান দেখিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

    প্রায় ১৫ মাস ধরে চলা এই বিচার প্রক্রিয়া শেষে সামরিক আদালত আজ এই রায় প্রদান করে। রায় ঘোষণার সময় অভিযুক্তকে সব ধরনের আইনি সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার দেওয়া হয়। পাশাপাশি তিনি উচ্চতর আদালতের মাধ্যমে আপিলের সুযোগও পাবেন বলে জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এই বিচারে ফাইজ হামিদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার চেষ্টা, ভূ-খণ্ড দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অভিযানের নামে মূল্যবান সম্পদ চুরির অভিযোগও আনা হয়েছে। তবে এই অভিযোগগুলো এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।

    ফাইজ হামিদ ২০১৯ সালে আইএসআইয়ের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০২১ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। তবে, ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। বিশেষ করে, ২০১৭ সালে তার সম্পত্তিতে অভিযান চালানোর সময় সোনা, হীরা, নগদ অর্থ ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র জব্দ করে সেনাবাহিনী। এরপর ২০২৩ সালের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলাটি চলতে শুরু করে। আগস্ট ২০২৪’র শুরুর দিকেই তাকে গ্রেফতার করে আদালত।

    এই খবরের সূত্র হিসেবে দিয়েছে ডন ও জিও টিভি।

  • অস্ট্রিয়ায় স্কুলে হিজাব পরা নিষিদ্ধ ঘোষণা

    অস্ট্রিয়ায় স্কুলে হিজাব পরা নিষিদ্ধ ঘোষণা

    অস্ট্রিয়া এই প্রস্তাব অনুমোদনের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে স্কুলের প্রাথমিক স্তরে ১৪ বছরের কম বয়সী মেয়েদের হিজাব পরা নিষিদ্ধ থাকবে। সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপ মেয়েদের নিপীড়ন এড়াতে সাহায্য করবে। তবে এরকম সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দল গ্রিন পার্টি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো গভীর সমালোচনা করেছে, তারা বলছে এটি বৈষম্যমূলক এবং সংবিধান বিরোধী।

  • শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নগর বিএনপি’র বিভিন্ন কর্মসূচি

    শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নগর বিএনপি’র বিভিন্ন কর্মসূচি

    খুলনা মহানগর বিএনপি মহান বিজয় দিবস এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই দর্শনীয় অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সভা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিশদ পরিকল্পনা আলোচনা ও ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ১৩ ডিসেম্বর রাত ১২টায় গল্লামারি বধ্যভূমির স্মৃতিসৌধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, যা শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে শ্রদ্ধার্ঘ্য ও অর্পণ করা হবে। এছাড়া ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় দলীয় কার্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে দোয়া মাহফিল হবে। মহান বিজয় দিবসের পালনে ১৬ ডিসেম্বর সূর্যোদয়ের সাথে সাথে গল্লামারি স্মৃতিসৌধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। দুপুর আড়াইটায় দলীয় কার্যালয় থেকে বিজয় র‌্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করবে।

    মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে এই প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল আলম তুহিন, মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, সেখ হাফিজুর রহমান মনি, মুর্শিদ কামাল, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, শেখ আব্দুল আজিজ সুমন, রবিউল ইসলাম রুবেল, সৈয়দা নর্গিস আলী, ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু, কে এম এ জলিল, আখতারুজ্জামান তালুকদার সজীব, শেখ আদনান ইসলাম দীপ, ইস্তিয়াক আহম্মেদ ইস্তি, আবু সাঈদ শেখ, মোঃ আবু নাঈম কাঝী, হাফেজ মোঃ আল-আমিন, মোঃ জুবির রহমান, মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি, জাকির ইকবাল বাপ্পী, মোঃ নাসিরউদ্দিন ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • বিএনপি কখনোই সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন মানে না

    বিএনপি কখনোই সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন মানে না

    খুলনা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে সনাতনী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশ একটি একটি მრავალধর্মবিশ্বাসী দেশ, যেখানে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলেই সমান অধিকার享 করে থাকেন। বিএনপি কখনোই সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন স্বীকার করবে না।

    তিনি উল্লেখ করেন, বিগত সময়ে যেসব দুঃসময় সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর পতিত হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে তার পুনরাবৃত্তি আর কখনো হতে দেওয়া হবে না। মন্দির, আশ্রম ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার কোনও অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

    অতিরিক্ত তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যদি আশেপাশের ভোটের মাধ্যমে সংসদে প্রতিনিধিত্ব লাভ করতে পারেন, তাহলে এলাকায় পানিবৈষম্য দূরীকরণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন, পাশাপাশি নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি করাই তার লক্ষ্য। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, উপজেলার প্রতিটি মানুষ যেন নিরাপদ, অর্থাৎ ভয় ও শঙ্কা মুক্তভাবে চলাফেরা করতে পারে, সেই জন্য চাঁদাবাজমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত একটি সমৃদ্ধ উপজেলা গড়ে তোলাই হবে তার প্রধান উদ্দেশ্য।

    গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে, ঘাটভোগ ইউনিয়নের ডোবা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রূপসা উপজেলার সনাতনী সমাজ আয়োজিত এক সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন নেতাকর্মী ও ধর্মীয় নেতা গণও উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ছিলেন খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ, খুলনা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জল কুমার সাহা, রূপসা উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তিলক কুদীর, বটতলা শ্মশানকালী মন্দিরের সভাপতি বিকাশ মিত্র, রূপসা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক নির্মল চন্দ্র সরদার এবং সঞ্চালন দেন রূপসা পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেন। শেষে বিভিন্ন অতিথি ও নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক, প্রধান শিক্ষিকা ও ধর্মীয় নেতারা। অনুষ্ঠানটি ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

  • সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে

    সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে

    জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তফসিল ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বিএনপিকে আঙ্গুল তুলে চলে বলেন, সব দলের সম অধিকার নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সৃষ্টি করতে হবে, যেখানে সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ থাকবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কর্মকর্তা যেন কোন দলের প্রার্থীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য কাজ না করেন, সেজন্য সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে সব কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনের অধীনে চলে যান। ফলে প্রশাসন যেন কোন দলের প্রার্থীকে সুবিধা দিতে না পারেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তবে, পিয়ার ও পাঁচ দফার আন্দোলনে জড়িত ৮টি দল দেশের ও জনসাধারণের স্বার্থে এই আন্দোলন চালাচ্ছে, যাতে কোনো সংঘাত বা রক্তক্ষয় হয়, তা তিনি চান না। এ কারণে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় গেলে সবাইকে নিয়ে সরকার গঠন করে এই দাবিটি বাস্তবায়ন করবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা-৫ আসনের জিরোপয়েন্ট এলাকায় গণসংযোগের শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। এর আগে দুপুরে ডুমুরিয়া উপজেলার কুলবাড়িয়া আজিজুর ইসলামের আল্লারদান ইট ভাটায় মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন তিনি। সভায় উপস্থিত ছিলেন অন্যান্যের মধ্যে খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, ডুমুরিয়া উপজেলার আমির মাওলানা মোক্তার হোসেন, নায়েবে আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, গাজী সাইফুল্লাহ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সভাপতি মাওলানা ওমর আলী, খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আবু সাঈদ আহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মুফতি আবদুল কাইয়ুম জমাদ্দার, ইসলামী আন্দোলন নেতা মুফতি আবদুস সালাম ও মুফতি মাহবুবুর রহমান, উপজেলা হিন্দু কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ নন্দী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ দেবপ্রসাদ, ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন সরদার, সহ-সম্পাদক আজিজুল ইসলাম মোড়ল, ভাটা মালিক আবিন উদ্দিন ও বাহার উদ্দিন সহ আরও অনেকে। এর পাশাপাশি সকালে কাঁঠালতলা বাজারে জনসংযোগ ও মঠবাড়ীয়া কওমি মাদরাসা শিক্ষক মন্ডলী, ছাত্র ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

  • বিএনপি নেতাকর্মীদের শক্তি ও মনোভাবের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান

    বিএনপি নেতাকর্মীদের শক্তি ও মনোভাবের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান

    ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের অগ্রগতিতে এগিয়ে যেতে হবে এবং জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে বলেও গুরুত্ব দিয়েছেন বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করে বিএনপি-কে শক্তিশালী করার জন্য সকল নেতাকর্মীদের অহংকার ও মনোভাব নিয়ে সামনে এগোতে হবে। মঞ্জু আরও বলেন, অনেক বাধা ও বিপত্তি আসবে, তবে সবকিছু কাটিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে। বিএনপি কখনোই পরাজিত হয়নি এবং পরাজিতও হবে না—কারণ এটি দেশের মানুষ এবং মুক্তিযুদ্ধের দলের প্রতীক। দেশের উন্নয়ন ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে অটুট থাকতে পারলেই বিএনপি সফল হবে। এই সাফল্য অর্জনে ইস্পাত দৃঢ় ঐক্য ও সার্বজনীন জাতীয়তাবাদী দর্শন অপরিহার্য। দেশকে পিছনে টেনে নেয়ার অপপ্রয়াসের বিরুদ্ধে বিএনপির নেতাকর্মীদের সাহসিকতা ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। সব মিলিয়ে, তাদের মনোবল ও শক্তি নিয়ে সামনে এগোতে হবে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু জাতীয় নেত্রীর রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলের পাশাপাশি এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা মাথায় রেখে নিরলস কাজ করে যাব। এরপর, দুপুর ১টায় তিনি ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম টুটপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও কর্মচারীদের সঙ্গে সাক্ষাত ও মতবিনিময় করেন। বিকেলে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মাগরিবের পরে সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার বাইতুল্লাহ জামে মসজিদে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে প্রার্থনা করা হয়, যেখানে বলেও যায়, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার দ্রুত স্বাস্থ্যের উন্নতি ও সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা, যেমন কাজী রাশেদ, ডাঃ জাফরউল্লাহ, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, আনোয়ার হোসেন, সাদিকুর রহমান সবুজ, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মজিবর রহমান ফয়েজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, ইশহাক তালুকদার, সুলতান মাস্টার, রবিউল ইসলাম রবি, ওহেদুর রহমান দিপু, খায়রুল ইসলাম লাল, রিয়াজুর রহমান, আসাদুজ্জামান, মোস্তফা কামাল, জিএম রফিকুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন, মাওলানা আব্দুল গফ্ফার, আলমগীর হোসেন আলম, মোহাম্মাদ আলী, কামরুল ইসলাম, খন্দকার আকারুল ইসলাম, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, সুলতান মাহমুদ সুমন, আব্দুল হাকিম, মাসুদ খান বাদল, জামাল মোড়ল, এড. ওমর ফারুক, মাজেদা খাতুন, এ আর রহমান, ডাঃ ফারুক হোসেন, শেখ মাসুদ হোসেন, মিজানুর রহমান, করিম হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, হেমায়েত হোসেন, জাহিদুল ইসলাম খোকন, নাদির উদ্দিন, খান আবু দাউদ, শেখ আমির হোসেন বাচ্চু, মুশফিকুর রহমান অভি, সেলিম বড় মিয়া, শেখ আবুল কাশেম, শেখ বাবুল হোসেন, শামীম রেজা, ইমরান হোসেন, এড. নাহিদ, আনিছুর রহমান সেলিম, আরিফুল ইসলাম, মীর মোহাম্মদ বাবু, আরিফুল হক, শেখ জাকির হোসেন, লাভলী আক্তার, শফিউদ্দিন আহমেদ, জুয়েল রহমান, ইমতিয়াজ সেজান, তরিকুল ইসলাম, মৌসুমী খাতুন, মামুনুর রহমান রাসেল, মঈনউদ্দিন, মোল্লা কবির হোসেন, খান মারুফ হোসেন, শেখ রবিউল ইসলাম, হাফিজুর রহমান টুটুল, ডাঃ ফেরদৌস হোসেন, ডাঃ হাসান, হারুন মোল্লা, পারভেজ মোড়ল, মোঃ বাদল, আরিফিন আক্তার, তারিন আক্তার, লাকি আক্তার এবং নাজমা বেগম প্রমুখ।

  • খুলনা-৩ আসনকে বৈষম্যহীন ও আধুনিক জনপদে রূপান্তর করতে চাই

    খুলনা-৩ আসনকে বৈষম্যহীন ও আধুনিক জনপদে রূপান্তর করতে চাই

    খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, মানুষের সেবা করতে গিয়ে কখনো দল বা মতের পার্থক্য বিবেচনা করেননি। করোনাকালীন সময়ে যখন কেউ দাফন-কাফনে এগোতে সাহস পায়নি, তখন তিনি ঘরে ঘরে অক্সিজেন, খাবার এবং চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করেছেন। তিনি বলেন, এখানে কখনো দলীয় শত্রুতা বা বিভেদ ভাবেননি, বরং মানুষের জন্য সবসময় কাজ করে যাব। ভবিষ্যতেও খুলনা-৩ আসনকে বৈষম্যহীন, আধুনিক ও উন্নত জনপদে রূপান্তর করতে তিনি দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর মহাশ্বরপাশা ১নং ওয়ার্ডের সুধী সমাজ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    বকুল আরো বলেন, তিনি খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানায় নিযুক্ত হয়ে মানুষের পাশে থাকতে পেরে গর্ববোধ করেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবন কালে কোন ধরনের অনিয়ম, চাঁদাবাজি বা অবৈধ সম্পদ অর্জনের কথা কেউ বলতে পারবে না। তিনি বলেন, টাকার অভাবে কেউ চিকিৎসা বা শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হোক, এটা তিনি কখনো মেনে নেবেন না। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের জন্য মুক্তির সনদ হিসেবে দেখা হয়, ট্র্যাক রেহমান ঘোষিত ৩১ দফা, যা নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য মুক্তির পথ। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ঠিক আগে এই মূলনীতি ঘোষণা করা হয়। তিনি বলেন, আমরা বিভেদ-পরিহারী রাজনীতি চাই, যা ধর্ম-বর্ণ বা নির্বিশেষে সকলের জন্য নিরাপদ, মানবিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

    খুলনা-৩ এর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বকুল বলন, শহরটি আজ এক গভীর অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে। ২৬টির বেশি জুট মিল ও কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে হাজারো শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রয়েছেন। যদি এই আসনে নির্বাচিত হয়, তাহলে বন্ধ কারখানা আবার চালু করার জন্য উদ্যোগ নেবেন। সাথে ১০ লক্ষের বেশি মানুষ বসবাস করে এমন এই অঞ্চলে এক আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

    আরো তিনি জানিয়ে দেন, দ্রুত একটি মহিলা ক্যাডেট কলেজ স্থাপন করা হবে। চরেরহাটের মাঠকে মিনি স্টেডিয়ামে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও ইভটিজিংমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতেই তার লক্ষ্য। সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শরিফুল ইসলাম, কুয়েটের সাবেক প্রো-ভিসি শেখ আবসালাম, মুক্তিযোদ্ধা চান মিয়া হাওলাদার, জিয়াউল ইসলাম মিঠু, শ্যামল কুমার দাস, ডাঃ কাজী নেছার উদ্দিন আহমেদ মন্টু, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোবহান শরীফ, যশোর বোর্ডের সাবেক কন্ট্রোলার অধ্যাপক সাধন চন্দ্র রুদ্র, মোঃ সিরাজ মোল্লা, সৈয়দ কামরুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার শেখ শাহির হোসেন জামু, মোঃ সেলিম রেজা ও অধ্যাপক শফিকুল আলম মুন্সী। সভার সভাপতিত্ব করেন বিজেএ’র সাবেক সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান শরীফ এবং সঞ্চালনায় ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সাবেক জাতীয় ফুটবলার কাজী নাসিবুল হাসান সান্নু। এই সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • কাল আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    কাল আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন ডিজাইনের ৫০০ টাকার নোট বাজারে আনছে। এই নতুন নোট প্রথমে মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা হবে, এরপর আলাদা আলাদা ব্যাংক অফিসের মাধ্যমে সাধারণের হাতে পৌঁছাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    নতুন এই ৫০০ টাকার নোটের ডিজাইনে রয়েছে অনেক অভিজাত ও তাৎপর্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। নোটের সামনের দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি ফুটে উঠেছে, মাঝখানে পাতা ও কলির সঙ্গে জাতীয় ফুল শাপলার ছবি রয়েছে। অন্যদিকে, নোটের পেছনে দেখা যাবে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রতিচ্ছবি। এই নোটের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হিসেবে জলছাপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, যার নিচে ইলেকট্রো টাইপে লেখা ‘৫০০’ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম। পুরো নোটে সবুজ রঙের আধিক্য দেখা যাবে, যা বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপত্যের একটি অংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শিরোনামের নতুন সিরিজের অংশ হিসেবে এ নোট প্রথমবারের জন্য ইস্যু করা হচ্ছে। এই সিরিজের অন্যান্য নোটের মধ্যে রয়েছে ১০০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ ও ২ টাকার নোট, যার কিছু আল্টিমেট এখনও বাজারে এসেছে। এবার আসছে ৫০০ টাকার নোটটিও।

    নতুন নোটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্ত করা হয়েছে দশটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এর মধ্যে অন্যতম হলো, রঙ পরিবর্তনশীল কালি। নোটটি নাড়ালে ডান পাশে থাকা ‘৫০০’ লেখা সবুজ থেকে নীল রঙে পরিবর্তিত হয়। এছাড়াও, লাল ও স্বর্ণালী রঙের পেঁচানো নিরাপত্তা সুতা ব্যবহৃত হয়েছে, যা আলোতে দেখা যায় ‘৫০০ টাকা’ লেখা।

    এছাড়াও দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য নোটের ডান কোণে পাঁচটি উঁচু বৃত্ত যুক্ত করা হয়েছে। শহীদ মিনার, মূল্যমানসহ কিছু অংশ স্পর্শে উঁচু মনে হবে। বিশেষ নিরাপত্তার জন্য, গোপনে ‘৫০০’ লেখা ছাপা হয়েছে যা নির্দিষ্ট কোণে দেখলে স্পষ্ট বোধগম্য হয়। নোটের কার্নিশে লাল, নীল ও সবুজ তন্তু যোগ করা হয়েছে, যা বিশেষ আলোর আলো পড়লে দৃশ্যমান হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন ৫০০ টাকার নোট চালু হলেও বর্তমানে চলমান পুরনো কাগজের নোট ও কয়েনের চালু ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া, মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ কিছু নমুনা (অবিনিময়যোগ্য) ৫০০ টাকার নোটও মুদ্রণ করা হয়েছে। এগুলো টাকা জাদুঘরে, মিরপুরে নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।

  • প্রবাসীদের রেমিট্যান্সে খরচ কমানোর নতুন উদ্যোগ

    প্রবাসীদের রেমিট্যান্সে খরচ কমানোর নতুন উদ্যোগ

    বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমাতে ও প্রবাহ বৃদ্ধি করতে একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে দেশের প্রবাসীরা বিদেশে থেকে পাঠানো রেমিট্যান্সের সার্বিক খরচের তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, যাতে তারা প্রবাসীদের মাধ্যমে যেসব রেমিট্যান্স পাঠানো হয়, সেই সব লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য নিয়মিতভাবে সংগ্রহ ও যোগায়।

    প্রবাসীরা বিদেশের এক্সচেঞ্জ হাউস বা অন্যান্য মাধ্যমে যে রেমিট্যান্স পাঠান, সেসব সব লেনদেনের তথ্য-উপাত্ত আগামী দিনে দুপুর ১২টার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে এই নির্দেশনা জারি করেছে, যা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা বিভিন্ন দেশের রেমিট্যান্সের খরচের বিষয়টি মনিটর করে এবং ইতিমধ্যে দেখা গেছে, বাংলাদেশের জন্য এই খরচ কিছুটা বেড়ে গেছে। ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস চার্জ আরোপ করে থাকায় এই খরচ বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো, প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ নিয়ন্ত্রণ করা ও কমিয়ে আনা।

    আশা করা হয়, এই তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে ব্যাংকগুলো কার্যকর উদ্যোগ নেবে, যাতে রেমিট্যান্সের খরচ কমানো সম্ভব হয়। বর্তমানে দেশের ব্যাংকগুলো কোনও ফি আদায় না করলেও, বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো বিভিন্ন হারে বিনিময় হার নির্ধারণ করছে। এই পরিমাণ ও হার সমানতালে আনতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

    সংক্ষেপে, এই নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ও প্রবাসীদের জন্য সুবিধাজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, যেখানে খরচ নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং রেমিট্যান্সের পর্যাপ্ত প্রবাহ নিশ্চিত হবে।

  • বাজার অস্থির, পেঁয়াজ আমদানি শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো

    বাজার অস্থির, পেঁয়াজ আমদানি শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো

    অস্থির হয়ে পড়া পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার রোববার থেকে সীমিত আকারে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে। প্রতিদিন ৫০টি করে আমদানি অনুমতি (আইপি) ইস্যু করা হবে, যেখানে প্রত্যেক আইপিতে সর্বোচ্চ ৩০ টন পেঁয়াজের অনুমোদন দেওয়া হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ জাকির হোসেনের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, চলতি বছরের ১ আগস্ট থেকে যেসব আমদাতা পেঁয়াজ আমদানির জন্য আবেদন করেছেন, তারা কেবল পুনরায় আবেদন করতে পারবে। একজন আমদানিকারক একবারের জন্যই এই সুযোগ পাবেন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক রাখতে এ কার্যক্রম until নতুন নির্দেশনা আসে, ততক্ষণ অব্যাহত থাকবে। মাসখানেক আগে হঠাৎ করে পেঁয়াজের মূল্য ভয়াবহভাবে বাড়তে শুরু করে। মাত্র কয়েকদিনে এটি ৪০ টাকা বেড়ে গিয়ে কেজিতে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা দাঁড়ায়। তবে সরকার আমদানি অনুমতি দেওয়ার পর দাম কিছুটা কমে আসে, ধীরেধীরে তা ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় নামতে শুরু করে। গত সপ্তাহে সরকার জানায়, দেশে পর্যাপ্ত পণ্যমজুত রয়েছে এবং নতুন পেঁয়াজ শিগগিরই বাজারে আসবে। সেই সঙ্গে, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় আপাতত আবার আমদানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও মজুতদার ব্যবসায়ীরা সুবিধা নেয়ার সুযোগ নিচ্ছেন, ফলে আবার দাম বাড়ছে। বুধবার রাজধানীর খুচরা বাজারে কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে থেকে অন্তত ১০ টাকা বেশি। টিসিবির হিসাব অনুযায়ী, এই দামে এখনও গত বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ কম। যদিও বাজারে নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ না এলেও পাতাযুক্ত পেঁয়াজ আসছে, যার কেজি দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আমদানি বন্ধ হবে – এ খবর শুনে দাম বেড়েছে। মজুতদার ও কৃষক পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির কারণে পাইকারি ও খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ছে। এর আগে, ৯ নভেম্বর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছিলেন, চার-পাঁচ দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম যদি না কমে, তা হলে আবার আমদানি অনুমোদন দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “আমরা বাজারের দৃষ্টি রাখছি। দেশে প্রচুর পেঁয়াজের মজুত আছে। শিগগিরই নতুন পেঁয়াজ উঠবে। তবে, যদি এই সময়ের মধ্যে দাম না কমে, তাহলে আমদানি অনুমতি নেওয়া হবে।” এছাড়া, তিনি জানান, সরকারের কাছে প্রাথমিকভাবে ২ হাজার ৮০০টির বেশি পেঁয়াজ আমদানির আবেদন রয়েছে। এর ১০ শতাংশ অনুমোদন দিলে দেশে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়ে যাবে, তবে দাম দ্রুত কমে যাবে না, যাতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে জন্য সরকারের পর্যবেক্ষণ চলছে।