Blog

  • তেহরানের শতবর্ষী পাস্তুর ইনস্টিটিউট-এ হামলা, ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত

    তেহরানের শতবর্ষী পাস্তুর ইনস্টিটিউট-এ হামলা, ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত

    ইরানের রাজধানী তেহরানে স্থাপিত শতবর্ষী চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্র ‘পাস্তুর ইনস্টিটিউট অব ইরান’—এ হামলা চালানো হয়েছে এবং সেখানে ব্যাপক ধ্বংস ও ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে। এখনো নিশ্চিত কোনও পক্ষ এই হামলার দায় স্বীকার করেনি; যুক্তরাষ্ট্র না ইসরায়েল—কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা স্পষ্ট নয়।

    ইরান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হোসেন কেরমানপুর বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্টে জানিয়েছেন, ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই গবেষণা কেন্দ্রটি শত্রুদের আক্রমণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পোস্টে তিনি কেন্দ্রটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশের ছবি শেয়ার করেছেন, যেখানে ভবনটির অনেক অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং ভিতরের অবকাঠামোও বহুলাংশে নষ্ট দেখা গেছে।

    কেরমানপুর ইনস্টিটিউটটিকে ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অন্যতম স্তম্ভ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এই হামলা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেছেন, পাস্তুর ইনস্টিটিউট অব ইরানের ওপর এই আগ্রাসন জেনেভা কনভেনশন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অভূতপূর্ব লঙ্ঘন।

    ইরানি কর্তৃপক্ষের দিক থেকে অভিযুক্ত পক্ষ সম্পর্কে স্পষ্ট দাবি না জানানো হলেও, ঘটনার ছবি ও ক্ষতির পরিমাণ দেখিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে যে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ও গবেষণার অবকাঠামোয় বড় ধরনের আঘাত এসেছে।

    একই সময়ে, ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তথ্যে বলা হয়েছে, চলমান সংঘাতের এক মাসে ইরানে ১ লাখ ১৩ হাজারেরও বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে ৯০,০৬৩টি আবাসিক ভবন, ২১,০৫৯টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং ৭৬০টি শিক্ষাকেন্দ্র।

    ইরানের সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জানায়, ৫৬টি জাদুঘর ও ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভসহ দেশটির বহু ঐতিহ্যবাহী স্থানও হামলার শিকার হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য— ইসফাহানের সাতদশ শতকের চেহেল সোতুন প্রাসাদ এবং ইরানের প্রাচীনতম জুমা মসজিদ ‘মাসজিদ-ই জামে’।

    সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী রেজা সালেহি আমিরি বলেন, এই ধরনের হামলা কোনো আইনি ভিত্তি ছাড়াই ইরানি পরিচয় ও ঐতিহ্যের ওপর ‘পরিকল্পিত ও ইচ্ছাকৃত আক্রমণ’। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ‘আজ আমরা সেই নৈতিক ও আইনি নিয়মগুলোর সম্পূর্ণ পতন দেখছি, যা আগে সংঘাতগুলোকে সীমিত করত।’

    ঘটনাস্থল ও আক্রমণের মিলিত প্রভাব সম্পর্কে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে, বিশেষত গবেষণা ও জনস্বাস্থ্যের সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর এ ধরনের আক্রমণ বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মানবিক আইনকে কৌশলগতভাবে ঝুঁকির মুখে ফেলে।

    সূত্র: আলজাজিরা

  • ইরানের অবরোধে উপসাগরে আটকা পড়েছে ২,১৯০ জাহাজ

    ইরানের অবরোধে উপসাগরে আটকা পড়েছে ২,১৯০ জাহাজ

    হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপের ফলে আরব উপসাগরে অন্তত ২,১৯০টি বাণিজ্যিক জাহাজ আটকা পড়েছে। বুধবারের এই পরিস্থিতিতে আটকা পড়া জাহাজগুলোর মধ্যে ৩২০টিরও বেশি তেল ও গ্যাস ট্যাংকার রয়েছে।

    নৌ পরিবহন বিশ্লেষকরা বলছেন, আটকা পড়া জাহাজগুলোর মধ্যে ১২টি অত্যন্ত বড় গ্যাসবাহী জাহাজ এবং ৫০টি বড় অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজও আছে। সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা কেপলার জানিয়েছে, মঙ্গলবার ও বুধবার মিলিয়ে মাত্র ছয়টি জাহাজ প্রণালীটি অতিক্রম করতে পেরেছে — সাধারণত এই পথে একদিনে প্রায় ১২০টি জাহাজ চলাচল করে।

    যেগুলোকে চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়েছে, সেগুলোকে ইরানের উপকূলের কাছে লারাক দ্বীপের একটি নির্ধারিত করিডোর দিয়ে পাঠানো হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে অন্তত ৪৮টি জাহাজ ওই করিডোর ব্যবহার করেছে; ওইগুলোর বেশিরভাগ ইরান বা তেহরানের মিত্র দেশগুলোর সম্পদ বলে জানানো হয়েছে।

    ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পরে ইরান এই নৌ পথে কঠোর নিয়ন্ত্রণ চালু করেছে — পার্থক্য এই পথের মাধ্যমে বিশ্বের আনুমানিক ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হয়। যেসব জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেয়া হচ্ছে তাদের থেকে ইরান ২০ লাখ ডলার (প্রায় ২ মিলিয়ন ডলার) পর্যন্ত শুল্ক আদায় করছে — এটাই আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ‘তেহরান টোল বুথ’ হিসেবে পরিচিত। যদিও তেহরান মালয়েশিয়া ও কিছু মিত্র দেশের জাহাজের ক্ষেত্রে এই মাশুল মওকুফ করার কথা ইঙ্গিত দিয়েছেন।

    মালয়েশিয়া জানিয়েছে, পেট্রোনাস, সাপারা এনার্জি এবং এমআইএসসি-র মালিকানাধীন কয়েকটি ট্যাংকার চলাচলের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে। কুয়ালালামপুরকে তেহরান আশ্বস্ত করেছে যে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থাকা স্বত্ত্বেও তাদের জাহাজে টোল আরোপ করা হবে না, তবে বৈধতার অপেক্ষায় নোঙর করে থাকা জাহাজের সংখ্যা বেশি হওয়ায় বিলম্ব ঘটতে পারে।

    চীন জানিয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট পক্ষদের সঙ্গে সমন্বয়ের পর তাদের অন্তত তিনটি জাহাজ প্রণালী অতিক্রম করতে পেরেছে। জাহাজ-ট্র্যাকিং ডেটায় দেখা গেছে, দুইটি কন্টেইনার জাহাজ উপসাগর ছেড়েছে—বিশ্লেষকরা বলছেন, সংঘাত শুরু হওয়ার পর এটি প্রথমবার কোনো ইরানি নয় এমন কন্টেইনার জাহাজের প্রস্থান।

    আরও কিছু জাহাজ বের হতে পেরেছে; এর মধ্যে রয়েছে ভারতের হয়ে চলাচলকারী একটি গ্রিক পরিচালিত অপরিশোধিত তেল ট্যাঙ্কার এবং জরুরি সরবরাহ বহনকারী কয়েকটি ভারতীয় পতাকাবাহী এলপিজি ট্যাংকার। তবে মাইন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ঝুঁকি মোকাবিলায় অনেক নাবিক রাতে জাহাজ চালানো বা ট্র্যাকিং ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করার মতো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

    ইরানের এই বিরোধের কারণে সৌদি আরব ও কাতারসহ প্রধান জ্বালানি উৎপাদকদের রফতানি কার্যত স্থবির রয়েছে; শত শত জাহাজ ও আনুমানিক ২০,০০০ নাবিক উপসাগরে বা তার আশেপাশে আটকে আছেন। পাকিস্তানের একটি তেলবাহী জাহাজ প্রণালী অতিক্রম করে করাচিতে পৌঁছেছে এবং আরেকটি বিকল্প পথে বন্দরে এসেছে; দেশটির কর্মকর্তারা বলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও চালান আসার আশা রয়েছে।

    এই সংকট আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাড়িয়েছে। ব্রিটেন প্রায় ৩৫টি দেশের সঙ্গে নৌ চলাচল অব্যাহত রাখার উপায় নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে চীন ও পাকিস্তান অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে এবং সব পক্ষকে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপদ পথ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করেছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার তেহরানকে অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং না মানলে কড়া সামরিক পদক্ষেপের সতর্কতা দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন কৌশলগত এই জলপথে বাণিজ্য সচল রাখতে কূটনৈতিক ও নিরাপত্তামূলক সমাধান খুঁজছে।

  • ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে তেলের তীব্র সংকটে বিক্রয়প্রতিনিধিরা ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে তেলের তীব্র সংকটে বিক্রয়প্রতিনিধিরা ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে তীব্র জ্বালানি সংকটের প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে কয়েকশো বিক্রয়প্রতিনিধি ও মোটরসাইকেল চালক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ঘেরাও করেন। এস আর সমিতির নেতাকর্মীরা প্রায় দুই শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

    স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বেশিরভাগ পেট্রোল পাম্পে পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ কমে গেছে বা সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। অনেক পাম্পে জ্বালানি না থাকায় যানবাহন চালকরা কার্যত স্তব্ধ অবস্থায় পড়েছেন। খোলা পাম্পগুলোতেও ভোর থেকেই দীর্ঘ সারি—ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকেই জীবনের অতিরিক্ত প্রয়োজনীয় জ্বালানি পাননি।

    এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালক ও বিক্রয়প্রতিনিধিরা। তাদের কাজের স্বভাবেই দ্রুত চলাচল করতে হয়; জ্বালানি না পেয়ে সময় এবং অর্থ—উভয়ই নষ্ট হচ্ছে। অনেককে দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে ফাঁকা হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে, যার ফলে পরিবার-জীবন ও জীবিকা দুই ক্ষেত্রেই ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।

    বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ জনজীবনে স্থবিরতা এনেছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে এলাকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা আরও বড় অসুবিধার সম্মুখীন হবে—এমন উদ্বেগ থেকেই তারা যথাযথ কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

    বিক্ষোভের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ এবং উপজেলা পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শিপলু জামান বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তারা দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে উপজেলা কার্যালয় ছেড়ে দেন।

  • খুলনায় প্রথম নারী জেলা প্রশাসক—মিজ হুরে জান্নাত দায়িত্বগ্রহণ করলেন

    খুলনায় প্রথম নারী জেলা প্রশাসক—মিজ হুরে জান্নাত দায়িত্বগ্রহণ করলেন

    খুলনায় প্রথমবারের মতো নারী জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেছেন মিজ হুরে জান্নাত। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) সকালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলনা জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বিদায়ী জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামসেদ খোন্দকারকে স্থলাভিষিক্ত করে দায়িত্ব নেওয়ার খবর নিশ্চিত হয়।

    মিজ হুরে জান্নাত বিসিএস (প্রশাসন) ২৭তম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা। তার আগের কর্মস্থল ছিল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, যেখানে তিনি উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নিজ জেলা দিনাজপুর।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গত রোববার তার এই নিয়োগ আদেশ জারি করা হয়। সরকারি আদেশে একই সাথে দেশের আরও ১০টি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগের খবরে জানানো হয়।

    ঐতিহাসিকভাবে খুলনা এলাকার প্রশাসনিক গঠন শুরু হয় ১৮৪২ সালে, যখন এটি যশোর জেলার একটি মহকুমা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। রূপসা নদীর তীরে দ্রুত বর্ধিত ভূগোল ও ব্যবসায়িক গুরুত্ব বিবেচনায় এনে ১৮৮১ সালে খুলনাকে স্বতন্ত্র জেলার মর্যাদা দেওয়া হয়। পরে অবকাঠামো整ানের পর ১৮৮২ সালে সাতক্ষীরা মহকুমাকে নতুন গঠিত খুলনা জেলায় সংযোজিত করে খুলনা জেলা আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

    খুলনায় প্রথম নারী জেলা প্রশাসকের পদে মিজ হুরে জান্নাতের এই নিয়োগকে অনেকেই মহিলা ক্ষমতায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।

  • মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক: আইপিএল চেয়ারম্যান

    মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক: আইপিএল চেয়ারম্যান

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) চেয়ারম্যান অরুণ সিং ধুমাল মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে হঠাৎ করে বাদ দেওয়ার ঘটনা সম্পর্কে মুখ খুলেছেন এবং সেটিকে ‘‘দুর্ভাগ্যজনক’’ বলে অভিহিত করেছেন।

    ধুমাল এই মন্তব্যটি ‘ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমি শুধু বলব, এটি দুর্ভাগ্যজনক। এর বাইরে আমার কাছে খুব বেশি তথ্য নেই।’’

    পটভূমি—গত ডিসেম্বরে নিলামে কেকেআর মুস্তাফিজুর রহমানকে ৯ কোটি ৫ লাখ রুপিতে দলে নিয়েছিল। তবে দলে নেওয়ার পর থেকেই এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নানা চাপ দেখা দেয়। ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-স্বত্তাধিকারী শাহরুখ খানের ওপরও এই নিয়ে চাপ পড়ে এবং পরবর্তীতে কেকেআরকে তাকে স্কোয়াড থেকে রিলিজ করতে হয়।

    সংবাদে বলা হয়েছে, মুস্তাফিজকে নিয়ে ওই টানাপোড়েনে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডকে রাখা হয়েছে—এমন খবরের পরিপ্রেক্ষিতেও বিষয়টি আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

    কেকেআর তাদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, মুস্তাফিজকে রিলিজ করার সিদ্ধান্ত তাদের নিজের ইচ্ছায় নয়। জানুয়ারিতে প্রকাশিত সেই বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ‘‘বিসিসিআই/আইপিএল নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে আসন্ন মৌসুমের আগে মুস্তাফিজুর রহমানকে স্কোয়াড থেকে রিলিজ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।’’

    বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া সেই নির্দেশনার কথা জানানোর পর কেকেআর সেই নির্দেশ কার্যকর করে। কেকেআর জানিয়েছে যে, বিসিসিআই-এর নির্দেশনার অধীনে যথাযথ প্রক্রিয়া ও আলোচনা করে রিলিজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী কেকেআরকে মুস্তাফিজের পরিবর্তে অন্য একজন খেলোয়াড় নেওয়ারও অনুমতি দেওয়া হবে।

    প্রশ্ন করা হলে, আইপিএলে রাজনৈতিক প্রভাব আছে কি না—এ সম্পর্কে ধুমাল স্মরণ করান যে ২০০৯ সাল থেকে পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা আইপিএলে অংশ নিতে পারছে না। তিনি বলেন, ‘‘আমি মনে করি না ক্রিকেটের প্রতিদিনের কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সরকারের কোনও সরাসরি হস্তক্ষেপ আছে। সরকার ক্রিকেটের ব্যাপারে আন্তরিক। কিন্তু মাঝে মাঝে যে ঘটনা ঘটে সেগুলো দুঃখজনক এবং কিছু বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রেক্ষাপট তৈরি করে। আমি আশা করছি ভবিষ্যতে সচেতনতা বাড়বে এবং এ ধরনের ঘটনা না ঘটার উপায় খুঁজে নেওয়া হবে।’’

    এই বিতর্কের খবরটি বিভিন্ন মিডিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে তোলা হয়েছে। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও টাইমস অব ইন্ডিয়া।

  • বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল, সাঁতার ও অ্যাথলেটিক্স মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

    বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল, সাঁতার ও অ্যাথলেটিক্স মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

    বাগেরহাট জেলা ক্রীড়া অফিস আয়োজিত অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল, সাঁতার ও অ্যাথলেটিক্সের মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। জেলা ক্রীড়া অফিসার হুসাইন আহমাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন।

    প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী বিপিএম ও উপ-পরিচালক (জেলা তথ্য অফিস) মাঈনুল ইসলাম। মোট তিনটি খেলায় এই প্রশিক্ষণে প্রায় ১২০ জন ক্ষুদে খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করবে। এগুলোতে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক ও কোচরা অংশগ্রহণকারীদেরকে মৌলিক দক্ষতা, ক্রীড়া শৃঙ্খলা ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে কাজ করবেন।

    অনুষ্ঠানে ঘোষণা করা হয় যে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় প্রতিভাদের শনাক্ত করে ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বৈঠকে অংশগ্রহণের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। অভিভাবক ও বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকরাও এতে অংশ নিয়ে প্রশিক্ষণের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তৃত ধারণা পেয়েছেন।

    এছাড়া ২০-২২ মার্চ ২০২৬ নেপালে অনুষ্ঠিত নেকোস আন্তর্জাতিক জুডো প্রতিযোগিতায় বাগেরহাটের মেয়ে ফাবিহা বুশরা স্বর্ণপদক জেতার পাশাপাশি টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়ার জন্য তাকে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা বাগেরহাটের পক্ষ থেকে বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এই সম্মাননা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কোচবৃন্দ।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেন, উদ্যোক্তারা দক্ষ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় স্তর থেকে ক্রীড়াবিদ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এই ধরনের প্রশিক্ষণ এলাকার ক্রীড়াবৃত্তি ও যুবসংস্কৃতিকে বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • ইডেন শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গায়ক জাহিদ অন্তুকে জামিন

    ইডেন শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গায়ক জাহিদ অন্তুকে জামিন

    রাজধানীর গুলশান এলাকায় ইডেন কলেজের এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গায়ক আবু জাহিদ ওরফে জাহিদ অন্তুকে আদালত আজ বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম এই জামিন দেন বলে প্রসিকিউশন বিভাগের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই তাহমিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত তাকে আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত জামিন দিয়েছেন।

    জাহিদ অন্তুকে আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। গতকাল বুধবার তাকে আদালতে হাজির করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন; এরপর এক দিনের মাথায় আজ তিনি জামিন পান। পুলিশ জানিয়েছে, ওই দিন সকালে গুলশান অ্যাভিনিউ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

    পুলিশি অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর বর্ণনায় জানা যায়, গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে গিটার ক্লাস চলাকালীন সময়ে অভিযুক্ত জাহিদের সঙ্গে ওই ইডেন কলেজের শিক্ষার্থীর পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিছু সময় পর সম্পর্ক ভেঙে গেলে দু’জনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

    অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় একটি পণ্যের ফটোশুটের কথা বলে জাহিদ ঐ শিক্ষার্থীকে তার গুলশানের বাসায় যেতে বলেন। সেখানে পৌঁছালে, ভুক্তভোগীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে যৌন নিপীড়ন ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। বাধা দিলে তাকে মারধর করা হয়; এতে তার মুখ, গলা ও মাথায় আঘাত লাগে। পরে তিনি কৌশলে বাড়ি থেকে বের হয়ে স্বজনদের সহায়তায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।

    ঘটনায় ভুক্তভোগী ৩০ মার্চ গুলশান থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং আদালতে প্রতিব্যক্তি প্রদান করা হচ্ছে।

    জাহিদ অন্তু একজন তরুণ গায়ক, সুরকার ও গীতিকার। তিনি কলকাতার পিবি অ্যাকাডেমিক স্কুলে ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ বাছাই পর্বে অংশ নিয়ে প্রথমদিকে নজরে আসেন এবং মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাওয়া গান ও ভিডিও প্রকাশ করে পরিচিতি লাভ করেছেন।

  • প্রতারণা মামলায় ‘সা রে গা মা পা’ খ্যাত নোবেলের জামিন বাতিল, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

    প্রতারণা মামলায় ‘সা রে গা মা পা’ খ্যাত নোবেলের জামিন বাতিল, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

    বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাত ও হেনস্তার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ‘সা রে গা মা পা’ খ্যাত গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে বিচারক রাজু আহমেদ এই আদেশ দেন।

    বাদীর আইনজীবী নাসিদুস জামান নিশান (প্রিন্স) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামি জামিনের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি বহাল রেখে আসামি ওই বিয়ে করেননি এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে নেয়া টাকা ফেরতও দেননি — এজন্য আমরা আদালতকে জামিন বাতিলের আবেদন করি। শুনানির পর আদালত তাদের আবেদন মঞ্জুর করে নোবেলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে ২৪ ফেব্রুয়ারি একই আদালত আপসের শর্তে তাকে জামিন দেন।

    নোবেলকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়; পরে আদালত মামলার পরবর্তী তারিখ ২ এপ্রিল পর্যন্ত তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

    মামলা দায়ের করেন আনাননিয়া শবনম রোজ (অনন্যা)। গত বছরের ১৩ আগস্ট তিনি নোবেল, তার মা নাজমা হোসেন, স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, পরিচিত ভাই মাসুদ রানা এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট মুনেম শাহ সৌমিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। আদালত মামলাটি পিবিআইতে তদন্তের নির্দেশ দেন; তথ্য অনুসন্ধানে অভিযোগের যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়ার পর পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক নুরুজ্জামান ৭ জানুয়ারি পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর ২ ফেব্রুয়ারি আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, নোবেল অভিযোগকারিণীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট থেকে গত বছরের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া তাকে আটকে রেখে হেনস্তা করেছেন এবং আপত্তিকর ছবি তৈরি করার চেষ্টা চালিয়েছেন; এই ঘটনার সঙ্গে অপর আসামিরা সহযোগিতা করেছেন বলে বাদী অভিযোগ করেছেন।

  • আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি পুনর্বিবেচনার পথে সরকার

    আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি পুনর্বিবেচনার পথে সরকার

    সরকার ২০১৭ সালের আলোচিত বিদ্যুত্ ক্রয় চুক্তি পুনর্বিবেচনা করার চিন্তা করছে, যা আদানি পাওয়ার (ঝাড়খণ্ড) লিমিটেডের সঙ্গে করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সংসদে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেন জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

    মন্ত্রী জানান, চুক্তিতে অস্বাভাবিকভাবে উচ্চ মূল্য ও অনুকূলে না থাকা শর্তাদি প্রকাশ পাওয়ার পর সরকার এটি নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। চুক্তিটি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তখনকার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় বিদ্যুতের মূল্য অনেক বেশি ধার্য করা হয়েছিল।

    সরকারি পর্যায়ে এই চুক্তি পর্যালোচনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছিল। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ, আইনজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ কমিটি চুক্তির প্রতিটি দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেছে এবং আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের মতামতও গ্রহণ করা হয়েছে।

    কমিটির প্রতিবেদন ও পর্যালোচনার সারসংক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘অস্বাভাবিক শর্ত ও উচ্চমূল্যের কারণে এই চুক্তি এখন দেশের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বর্তমানে দুইটি পথ বিবেচনা করছে — আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে (আর্বিট্রেশন) বিষয়টি নিয়ে যাওয়া বা সরাসরি আদানি পাওয়ারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির শর্ত সংশোধন করে বিদ্যুতের দাম কমিয়ে আনা।

    মন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় কমিটির সুপারিশের আলোকে দেশের স্বার্থ রক্ষায় যে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য চুক্তির বিতর্কিত শর্ত ঠিক করা ও ভোক্তা ও জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষা করা।

    উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে স্বাক্ষরিত ওই চুক্তি ২৫ বছরের মেয়াদের এবং ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানির কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে। শুরু থেকেই চুক্তিটি স্বচ্ছতা ও মূল্য নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন ও সমালোচনার জন্ম দেয়। সরকার এখন সেই সমালোচনার প্রেক্ষিতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইনি ও কৌশলগত বিকল্পগুলো যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেবে।

  • মো. সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহকে প্রধানমন্ত্রীর যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিযুক্ত

    মো. সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহকে প্রধানমন্ত্রীর যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিযুক্ত

    প্রধানমন্ত্রীর যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহ। বিস্তারিত জানায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মো. সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহকে চুক্তিভিত্তিক গ্রেড-২ পদের মাধ্যমে ওই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের শর্ত হিসেবে তাকে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা বা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি কোনও প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে থাকা কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

    নিয়োগ কার্যকর হবে যোগদানের তারিখ থেকে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল বা প্রধানমন্ত্রীর সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) তিনি এই পদে থাকবেন। নিয়োগ সংক্রান্ত অন্যান্য শর্তাবলী চুক্তিপত্রে নির্ধারিত হবে।