Blog

  • প্রধানমন্ত্রীর চার বিশেষ সহকারী নিয়োগের ঘোষণা

    প্রধানমন্ত্রীর চার বিশেষ সহকারী নিয়োগের ঘোষণা

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চারজন বিশেষ সহকারী নিয়োগের আদেশ জারি করেছেন। তাঁদের মধ্যে দুজনকে প্রতিবন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছে, একজনকে সচিব পদে ও অন্যজনকে গ্রেড-২ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই চারজনের মধ্যে দুইজনই পূর্বে সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন। আরও জানানো হয়, সাবেক একজন আমলা বিজন কান্তি সরকারকে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একইসাথে তানভীর গনি পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগ বিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, এই দুইজনের নিয়োগ ও দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানায়। এছাড়াও মোঃ শাকিরুল ইসলাম খানকে সচিব পদমর্যাদায়, তিনি এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক দায়িত্বে থাকবেন, এবং মোঃ সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহকে গ্রেড-২ পদে, যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা সবাইচুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন, এ সম্পর্কিত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

  • সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

    সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

    জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ একে অপরের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়েছেন। বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সত্যের পরিবর্তে মিথ্যাকে সুন্দরভাবে পরিবেশন করছেন। তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেকে খুব দক্ষ হিসেবে দাবি করে বলেন, তিনি সত্য ও মিথ্যাকে এমনভাবে পরিবেশন করতে পারেন যেন দর্শকদের মন বদলাতে পারেন। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ ক্ষমতা ও দক্ষতা মূল্যায়ন করতেও কোনও সংকোচ প্রকাশ করেননি।

  • আমাকে কুৎসিত ভাষায় ওয়াজ করেছেন: রুমিন ফারহানা বিচার চান

    আমাকে কুৎসিত ভাষায় ওয়াজ করেছেন: রুমিন ফারহানা বিচার চান

    নারী সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে অশোভন ও কুৎসিত ভাষায় বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে উঠে এই বক্তব্য দেন। রুমিন ফারহানা বলেন, ‘‘আমার ইমিডিয়েট আগে আমার একজন সহকর্মী সংসদে এই ধরনের কথা বলেছিলেন, যা বেশ দুঃখজনক।’’ এরপর তিনি একটি ইংরেজি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন উল্লেখ করে বলেন, ‘‘স্পিকার, আমি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, এই সংসদে উপস্থিত আমি ও আরও দুজন নারী সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অপমানজনক ভাষায় ওয়াজ মাহফিলের বিষয়টি ঘটেছে। যা কুৎসিত ভাষায় বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, আমি এই বিষয়টি প্রতিকার ও বিচার দাবী করছি। আপনাকে অনুরোধ করব যে, এই বিষয়টি দেখবেন।’’’ তবে স্পিকার রুমিন ফারহানা’s অভিযোগের জবাবে বলেন, ‘‘সংসদ সদস্য, আপনি রুলস অব প্রসিডিউর পড়লে জানবেন যে, সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে পয়েন্ট অব অর্ডার হয় না।’’

  • এপ্রিলে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কা বৃদ্ধি

    এপ্রিলে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কা বৃদ্ধি

    চলমান এপ্রিল মাসে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে, যা আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব ফেলতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আসন্ন এপ্রিলে ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে দেখা দিতে পারে তীব্র কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি। এছাড়াও, বিভিন্ন দফায় তাপপ্রবাহ দেখা যেতে পারে, যার ফলে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠে যেতে পারে।

    অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, এই মাসে সাধারণত স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এ মাসে অন্তত ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখীসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে, পাশাপাশি কয়েক দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

    প্রেডিকশনে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ২-৪টি মৃদু বা মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ হতে পারে, যার তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর মধ্যে থাকতে পারে। তদ্ব্যতীত, কিছু জায়গায় ১-২টি তীব্র তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে, যেখানে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, এ মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর প্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে। এছাড়াও, দেশের গড় বাষ্পীভবনের পরিমাণ থাকবে ৩ থেকে ৫ মিঃ মিঃ এবং সূর্য কিরণের গড় দৈনিক মেয়াদ থাকবে ৫.৫ থেকে ৭.৫ ঘণ্টার মধ্যে।

  • অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা; দোকান-মার্কেট বন্ধ হবে সন্ধ্যা ৬টায়

    অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা; দোকান-মার্কেট বন্ধ হবে সন্ধ্যা ৬টায়

    বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট মোকাবিলার প্রেক্ষিতে সরকার অফিস ও বাণিজ্যিক সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নির্দেশে সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলো সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে; বর্তমানে এসব অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলছে।

    সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের সব দোকানপাট, বাণিজ্যিক বিতান ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করে দিতে হবে।

    এই সিদ্ধান্তগুলো থাকবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদিত। বৈঠকটি বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে শুরু হয়, প্রধানমন্ত্রীর ঐ সভায় সভাপতিত্বে চলে এবং প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে; পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ব্রিফিংয়ে এসব সিদ্ধান্ত জানান।

    এর আগে সকালে বাংলাদেশ দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতি দেশের সব দোকানপাট, শপিং মল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল। তবে হোটেল, ফার্মেসি ও জরুরি পরিষেবা সংক্রান্ত দোকান এবং কাঁচাবাজার এসব বিধির আওতায় থাকবে না।

  • সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহকে প্রধানমন্ত্রীর যুব কর্মসংস্থানের বিশেষ সহকারী নিয়োগ

    সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহকে প্রধানমন্ত্রীর যুব কর্মসংস্থানের বিশেষ সহকারী নিয়োগ

    প্রধানমন্ত্রীর যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহ। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করে তাকে চুক্তিভিত্তিকভাবে ওই পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই নিয়োগ গ্রেড-২ পদের আওতায় করা হয়েছে এবং প্রার্থীকে চুক্তির শর্তে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক ত্যাগ করতে হবে।

    নিয়োগটি যোগদানের তারিখ থেকেই কার্যকর হবে। এছাড়া, প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ আছে যে, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ অথবা প্রধানমন্ত্রীর সন্তুষ্টি (যেটি আগে ঘটে) পর্যন্ত এই নিয়োগ বহাল থাকবে। নিয়োগের আনুষ্ঠানিক অন্যান্য শর্তাবলী চুক্তিপত্রে নির্ধারণ করা হবে।

    নিয়োগ সংক্রান্ত এই পদক্ষেপটি যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক নীতি ও প্রোগ্রাম বাস্তবায়নে নতুন দায়িত্বশীলতা ও সমন্বয় বাড়াতে নেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

  • গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ

    গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, গণরায়কে উপেক্ষা করে সরকার এগোতে চাইলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না এবং জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি এই মন্তব্য করেন বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘‘বাংলাদেশের ইতিহাসে বহু সময় শক্তিশালী বলে বিবেচিত সরকারও ছিল, কিন্তু যখন তারা গণরায়ের বিরুদ্ধে গিয়েছে, তখনই ইতিহাসের পাতা থেকে লোপ পেয়ে গেছে।’’ তিনি স্মরণ করান যে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকা তৈরি হয়েছিল, এবং ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে আবার পরিবর্তন এসেছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘‘দীর্ঘ ১৭ বছরের দমন-পীড়নের পরও যদি কেউ জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে শাসন কায়েমের চেষ্টা করে, শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টা টেকেনি।’’ সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি সতর্ক করেন যে এখনও যদি গণরায় ও গণভোটের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয় এবং তা উপেক্ষা করে সরকারের চলার চেষ্টা করা হয়, জনগণ তা মেনে নেবে না।

    আসিফ মাহমুদ উল্লেখ করেন যে গণভোটে বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘এত রক্তের বিনিময়ে যে সংস্কার ও নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন শহীদদের পরিবার, বাবা-মাতা এবং আহত মুক্তিযোদ্ধারা দেখেছেন, সেটা বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি জনরায় বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে যেই প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন, তাঁরা রাস্তায় নামতে দ্বিতীয়বারো ভাববেন না।’’

    তিনি শেষ করেন, ‘‘অতএব সরকারের কাছে অনুরোধ—জনগণের পক্ষে আসুন যাতে আমরা সবাই মিলে সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে পারি। যদি জনগণের বিরুদ্ধে এগোতে থাকেন, তাহলে স্বাধীনতা রক্ষায় জনগণকে নিয়ে আবার মাঠে নামতে হতে পারে।’’

  • জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ঢাকায় বিক্ষোভে ডাক দিয়েছে

    জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ঢাকায় বিক্ষোভে ডাক দিয়েছে

    জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট শনিবার বিকেলে রাজধানীতে সমাবেশ ও মিছিল করে সংবিধান সংশোধন ও ‘জুলাই সনদ আদেশ’ সংক্রান্ত প্রতিবাদ জানাবে।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ১১ দলের লিঁয়াজো কমিটির বৈঠকের পর জামায়াতের সহকারী মহাসচিব হামিদুর রহমান আযাদ এ কথা বলেন। তিনি প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, সরকার সংসদ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে এবং দেশ চলমান রাজনীতিকে স্থবির করতে সংস্কারমূলক দাবি ও প্রস্তাবকে দমন করছে। আযাদ অভিযোগ করেন, সরকার সংবিধান পরিবর্তনকে রোধ করে শুধুমাত্র সীমিত সংশোধনী আনার চেষ্টা করছে, তাই রাজপথেই তাদের সংগ্রামের পথ খুঁজতে হবে।

    তিনি জানান, সমাবেশটি বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আগামী ৭ এপ্রিল ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের একটি বৈঠকও হবে বলেও তিনি জানান।

    পটভূমি হিসেবে—গত বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা সোয়া সাড়ে সাতটায় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গণভোটের ফলের পর সরকারি দলের কর্মকাণ্ডে তারা বিস্মিত ও আহত বোধ করেছেন। সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধীদল ওয়াকআউট করে। মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শেষে, জুলাই সনদ আদেশ জারি না করার বিষয় ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘মিসকোড’ করার অভিযোগ তুলে বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে বিরোধীদলীয় সদস্যরা সংসদ চেয়ার থেকে বেরিয়ে যান।

    স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ডা. শফিকুর বলেন, তারা প্রতিকার চেয়েছিলেন—এটা কোনো দলের নয়, এতে সবাই একমত ছিল এবং নির্বাচনের আগে বিষয়টি নিয়ে প্রচারণাও করা হয়েছিল। কিন্তু তারা যে প্রতিকার পায়নি, তা দেশের মানুষের রায়ের প্রতিফলন নয়। এই অবমূল্যায়ন সহ্য করা হবে না—এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিরোধীদল সিদ্ধান্তে ওয়াকআউট করেছে।

  • এখন থেকে সারাবছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে: এনবিআর

    এখন থেকে সারাবছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে: এনবিআর

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান জানিয়েছেন, এ থেকে সারাবছরই আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি এবং জানান, যারা আগে রিটার্ন জমা দেবেন তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হবে।

    এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আয়কর রিটার্ন জমার প্রক্রিয়াটি চারটি ধাপে ভাগ করে নেওয়া হবে। এই ধাঁচে কাজ করলে দায়িত্বরত কার্যালয়গুলোতে চাপ কমবে এবং করদাতাদের সেবা আরও দ্রুত ও সুসংগতভাবে দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

    চেয়ারম্যান আরও বলেন, চলতি অর্থবছরে এনবিআর লক্ষ্যমাত্রা পূরণের প্রত্যাশা করছে। আগামী তিন মাসে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে এবং তার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    সাধারণত প্রতি অর্থবছর (জুন শেষে) পরবর্তী বছরের নভেম্বরে আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময় নির্ধারিত থাকে। তবে চলতি বছরে সময় বৃদ্ধি করে রিটার্ন জমানোর শেষ সীমা বাড়িয়ে ৩১ মার্চ করা হয়েছে।

    এনবিআরের এই নতুন নীতি ও ধাপভিত্তিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা ও সময়সীমা সম্পর্কে করদাতাদের জন্য অচিরেই বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশিকা জারি করা হবে। তাই করদাতাদের আগে জমা দিলে সুবিধা মিলবে—এ বিষয়ে আশ্বস্ত করে এনবিআর সবাইকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।

  • মার্চে একক মাসে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স: ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার

    মার্চে একক মাসে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স: ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার

    সদ্য শেষ হওয়া মার্চ মাসে বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী Bangladeshিরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৩.৭৫৫ বিলিয়ন)। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ রিপোর্টে বলা হয়েছে, এটি একক মাস হিসেবে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স।

    রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্চে এসেছে মোট ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা গত ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি। একইভাবে, গত বছরের ওই সময়ে (মার্চ ২০২৫) রেমিট্যান্স ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার—এবার সেই সংখ্যার তুলনায় প্রায় ৪৬ কোটি ডলার বেশি পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স ছিল ৩০২ কোটি ডলার।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নথিতে বলা হয়েছে, এর আগের সর্বোচ্চ একক মাসের রেকর্ড ছিল গত বছরের মার্চে, তখন প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন মোট ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার (প্রায় ৩.২৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। ডিসেম্বরে আসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার এবং জানুয়ারিতে ছিল তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩১৭ কোটি ডলার।

    সেক্টর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চে ঈদ উপলক্ষে টাকা পাঠানোর চাহিদা বেড়ে যায়; পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোতে কর্মসংস্থান পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকায় এবং বেকারত্ব ব্যাপকভাবে না বাড়ায় প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর সক্ষমতা বজায় রয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয়ও হঠাৎ করে বাড়েনি—এসব কারণ মিলিয়ে প্রবাসীরা বেশি পাঠিয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

    ব্যাংকভিত্তিক প্রবাহের মধ্যে দেখা যায়, রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৪ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে সর্বোচ্চ ২৬৪ কোটি ডলার। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে প্রায় এক কোটি ২০ হাজর ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এই হিসাব ও খাত বিশ্লেষকদের মন্তব্য অনুযায়ী, রেমিট্যান্স প্রবাহ বজায় থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থাও দৃঢ় থাকবে এবং গুরুত্বপূর্ন সামাজিক-অর্থনৈতিক সহায়তা হবে।