Blog

  • প্রতারণার মামলায় গায়ক নোবেলের জামিন বাতিল, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

    প্রতারণার মামলায় গায়ক নোবেলের জামিন বাতিল, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

    ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত প্রতারণা ও হেনস্তার অভিযোগে ‘সা রে গা মা পা’খ্যাত গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দুপুরে বিচারক রাজু আহমেদের আদালতে এ আদেশ দেওয়া হয়।

    বাদীর পক্ষে মামলা চলাচলকারী আইনজীবী নাসিদুস জামান নিশান (প্রিন্স) বলেন, আসামি জামিনের আপসের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। আদালতে আপসের মাধ্যমে বিয়ে করার শর্ত থাকা সত্ত্বেও জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি না বিয়ে করে দিয়েছেন, ন্যায্য টাকাও ফেরত দেননি। এসব কারণ দেখিয়ে আমরা জামিন বাতিলের দাবি জানাই এবং শুনানি শেষে আদালত আমাদের আবেদন মেনে নেন।

    এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি একই আদালত আপসের শর্তে নোবেলকে জামিন দেন। নোবেলকে প্রথম গ্রেপ্তার করা হয়েছিল গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে। পরে পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করলে আদালত সাবধানে শুনানি করে সেখানে জামিন মঞ্জুর করেন, যা পরে বাতিল করা হয়েছে।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী আনাননিয়া শবনম রোজ (অনন্যা) গত বছরের ১৩ আগস্ট নোবেল, তার মা নাজমা হোসেন, স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, নোবেলের পরিচিত ছোট ভাই মাসুদ রানা ও অ্যাসিস্ট্যান্ট মুনেম শাহ সৌমিকের বিরুদ্ধে মামলা করে। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

    পিবিআই তদন্তের অংশ হিসেবে উপ-পরিদর্শক নুরুজ্জামান ৭ জানুয়ারি আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে অনুযায়ী অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এরপর ২ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, নোবেল বাদীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছেন এবং বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ওই বছরের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময় মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। একই সঙ্গে বাদীকে কিছু সময় আটকে রেখে হেনস্থা করা হয় এবং আপত্তিকর ছবি তৈরি করার চেষ্টা করা হয়, যাতে অপর আসামিরাও সহায়তা করেন।

    নোবেলের জামিন বাতিল ও তার কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত মামলার ভবিষ্যৎ তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে নতুন মোড় এনে দিয়েছে। আদালত ও তদন্তকারী সংস্থা মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ও প্রমাণ-প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

  • এপ্রিলে বঙ্গোপসাগলে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা; তীব্র কালবৈশাখী ও তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    এপ্রিলে বঙ্গোপসাগলে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা; তীব্র কালবৈশাখী ও তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি এপ্রিলে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থার দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের মতে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে তীব্র কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টিও দেখা দিতে পারে। একাধিক দফায় তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার ফলে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।

    সাধারণত চলতি এপ্রিলে দেশের মোট বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক থাকার সম্ভাবনা থাকলেও বঙ্গোপসাগরে ১-২টি লঘুচাপ গঠন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে; এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নাও নিতে পারে। এ মাসে বিক্ষিপ্তভাবে ৫–৭ দিন হালকা বা মাঝারি মাত্রার শিলাবৃষ্টি হতে পারে এবং অন্তত ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখীসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    তাপপ্রবাহ সম্পর্কেও আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্ক করেছে — এপ্রিলে ২–৪ বার মৃদু (৩৬–৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা মাঝারি (৩৮–৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে ১–২ বার তীব্র তাপপ্রবাহ (৪০–৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) দেখা দিতে পারে।

    অফিসটি আরও জানায়, এ মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীর প্রবাহ সাধারণত স্বাভাবিক থাকবে। দৈনিক গড় বাষ্পীভবন প্রায় ৩–৫ মিলিমিটার এবং গড় সূর্যকিরণকাল ৫.৫–৭.৫ ঘণ্টা থাকার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে; উপকূলীয় এলাকা ও মৎস্যজীবী, কৃষক ও সাধারণ জনগণকে আবহাওয়ার হালনাগাদ দেখার এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে।

  • জামায়াত-নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ঢাকায় বিক্ষোভ-সমাবেশের ডাক

    জামায়াত-নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ঢাকায় বিক্ষোভ-সমাবেশের ডাক

    জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও ‘জুলাই সনদ’ আদেশ নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে শনিবার বিকেলে ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন।

    আযাদ বলেন, সরকার সংসদ পরিচালনায় ব্যর্থ হয়ে পড়েছে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান শাসনব্যবস্থা ‘ফ্যাসিবাদী পথে’ এগিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, সরকার প্রকৃত সংস্কারকে গলাগলি দিয়ে সীমিতভাবে শুধু কিছু সংশোধনী আনার চেষ্টা করছে। তাই তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালানোই ১১ দলের একমাত্র উপায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    হামিদুর রহমান আযাদ জানান, শনিবারের সমাবেশ বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ৭ এপ্রিল ১১ দলের শীর্ষনেতাদের বৈঠকও করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রকাশ্যে বলেন, গণভোটের রায় প্রসঙ্গে সরকারি দলের আচরণে তারা হতবাক, আঘাতপ্রাপ্ত ও মর্মাহত।

    সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধীদল বৈঠক ত্যাগ করে। দীর্ঘ আলোচনার পর মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে বিতর্কের এক পর্যায়ে ‘জুলাই সনদ’ আদেশ জারি না করা এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে মিসকোড করার অভিযোগ তুলে বিকেলে সাতটার আগেই বিরোধীরাও মঞ্চ ত্যাগ করেন।

    স্পিকারের উদ্দেশে বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান জানান যে তারা প্রতিকার চাইছিলেন এবং বিষয়টি কোনো একদলীয় স্বার্থ নিয়ে নয়; নির্বাচনকালীন সময়ে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে যেসব সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেগুলোর প্রয়োগের দাবি করেছিলেন তারা। কিন্তু প্রতিকার না পেলে জনগণের রায়ের যথাযথ প্রতিফলন হবে না—এই উদ্বেগ থেকেই বিরোধীদলের এই প্রতিবাদ এবং পরবর্তীকালে ওয়াকআউট।

    জোটের এই ঘোষণার পর রাজধানীতে শনিবারের বিক্ষোভ কতটা বড় হবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা কেমন হবে—এ নিয়ে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির দিক থেকে নজর রাখা হবে।

  • গণরায়কে অবজ্ঞা করলে জনগণেই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    গণরায়কে অবজ্ঞা করলে জনগণেই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, গণরায়কে উপেক্ষা করে সরকার এগোতে চাইলে জনগণ তা মেনে নেবে না। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মনোভাব ব্যক্ত করেন।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস সামনে রেখে দেখা যায়—যে শাসকরা গণরায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, তারা দীর্ঘমেয়াদে রাজনীতির মঞ্চ থেকে হারিয়ে গেছে। ‘‘অনেকেই খুব শক্তিশালী মনে হয়েছিল, কিন্তু গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে ইতিহাস তাদের মুছে দিয়েছে,’’ তিনি বলেন।

    তিনি ১৯৭০ সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, নির্বাচনে জনগণের রায় পাওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল। একইভাবে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচ্যকে কুহক করে গণআন্দোলনের মাধ্যমে পরিবর্তন এসেছে। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছরের দমনপীড়নের পরও যদি জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে শাসন কায়েমের চেষ্টা করা হয়, শেষ পর্যন্ত তা টেকেনা—এই অভিজ্ঞতাই দেশের আছে।

    সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি আরও বলেছেন, ‘‘এখনও যদি গণরায় ও গণভোটের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয় এবং তা উপেক্ষা করে সরকার এগোতে চায়, তাহলে জনগণ তা সহ্য করবে না।’’

    গণভোটে বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেছে, এত রক্তের বিনিময়ে অর্জিত সংস্কার ও নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন—যা শহীদদের পরিবার, বাবা-মা ও আহত মুক্তিযোদ্ধারা দেখেছেন—সেগুলো বাস্তবায়ন করা বাধ্যতামূলক। তিনি বলেন, ‘‘যদি এই জনরায় বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে যে ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’তে ভোট দিয়েছেন, তারা রাস্তায় নামতে দ্বিতীয়বারও দ্বিধা করবে না।’’

    তিনি সংবাদিকদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘‘জনগণের পাশে দাঁড়ান, যাতে আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। যদি জনগণের বিপক্ষে যাওয়া হয়, তাহলে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আবারও মাঠে নামতেই হবে।’’

  • মার্চে রপ্তানি আয় ১৮.০৭% কমে ৩ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার

    মার্চে রপ্তানি আয় ১৮.০৭% কমে ৩ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার

    বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের পতন মার্চেও চলেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) বৃহস্পতিবার জানায়, মার্চে রপ্তানি আয় ১৮.০৭ শতাংশ কমে ৩ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যেখানে গত বছরের একই সময় এটি ছিল ৪ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার।

    চলতি অর্থবছর ২০২৫-২৬ সালের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট রপ্তানি আয় ৪.৮৫ শতাংশ কমে ৩৫ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে; গত অর্থবছরের একই সময় এই আয় ছিল ৩৭ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার। এ নিয়ে টানা আট মাস রপ্তানি আয়ে নিম্নগতি দেখা গেল।

    রপ্তানির প্রধান খাত তৈরি পোশাকেও নেতিবাচক প্রবণতা বজায় রয়েছে। এই খাতে আয় ৫.৫১ শতাংশ কমে ২৮ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে, যেখানে গত বছর একই সময়ে আয় ছিল ৩০ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার।

    ইপিবি বলছে, চলতি অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় দেশের বেশিরভাগ প্রধান রপ্তানি খাতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। যদিও কিছু খাতে ইতিবাচক ফল পাওয়া গিয়েছে—হিমায়িত ও জীবিত মাছ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং প্রকৌশল পণ্য থেকে ভালো রপ্তানি এসেছে, যা সামগ্রিকভাবে কিছুটা ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করেছে।

    সংস্থাটি আরও উল্লেখ করেছে যে বৈশ্বিক বাইরের প্রভাব রপ্তানিকে চাপে রেখেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সংবলিত ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে দিয়েছে, ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মতো মূল রপ্তানি গন্তব্যে ক্রয়ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    ইপিবি জানায়, এসব কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা কমে যাচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে রপ্তানি আদেশ স্থগিত বা বাতিল হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধিকে নেতিবাচক প্রভাবিত করেছে। সংস্থা বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাজার পর্যবেক্ষণ ও কৌশলগত সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে।

  • খেলাপি ঋণসহ ঝুঁকি শনাক্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশ

    খেলাপি ঋণসহ ঝুঁকি শনাক্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশ

    বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন আর্থিক ঝুঁকি আগেভাগেই শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ জোরদার করেছে। তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন (interim audit report) জমা দিতে বলা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে একটি সার্কুলার জারি করে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘ব্যাংক-কোম্পানি বহিঃনিরীক্ষণ বিধিমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী নিরীক্ষা বছরের নবম মাসভিত্তিক একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তা নিরীক্ষা বছরের শেষ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ২০২৫ সালভিত্তিক এবং পরবর্তী সব প্রতিবেদনও একই নিয়মে দাখিল করতে হবে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতের তদারকি আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী উন্নীত করতে সুপারভিশন কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঝুঁকিভিত্তিক সুপারভিশন (রিস্ক-বেইজড সুপারভিশন বা আরবিএস) চালু করা হয়েছে।

    প্রতিষ্ঠানটির অভিভাবকরা বলছেন, নতুন ব্যবস্থায় সব ব্যাংক একসঙ্গে না দেখে ঝুঁকি বেশি যেখানে সেখানে নজরদারি বাড়ানো হবে। এতে সম্ভাব্য আর্থিক দুর্বলতা, অনিয়ম এবং খেলাপি ঋণের প্রবণতা আগে থেকেই ধরা পড়ার সুযোগ বাড়বে। ফলে ব্যাংকগুলোর ঋণঝুঁকি ও আর্থিক পরিস্থিতি আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

    বিশ্বস্ত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে এই উদ্যোগ খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে এবং সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে góp করবে। সার্কুলারে বিধির সঠিক প্রয়োগ এবং নিয়মিত রিপোর্টিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

  • হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ঝুঁকিতে — ইউএনসিটিএডি

    হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ঝুঁকিতে — ইউএনসিটিএডি

    কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বর্তমানে কার্যত অবরুদ্ধ বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (ইউএনসিটিএডি)। বুধবার সংস্থাটির প্রকাশিত মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিস্থিতি বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপ আরও বাড়াচ্ছে।

    প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে যে, বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যে এক প্রধান সঞ্চালন পথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবিরের সীমায় চলে এসেছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে এখানে দৈনিক গড়ে প্রায় ১৩০টি জাহাজ চলাচল করত, কিন্তু মার্চে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬টিতে। অর্থাৎ এক মাসের মধ্যে জাহাজ চলাচলে প্রায় ৯৫ শতাংশ হ্রাস দেখা গেছে।

    ইউএনসিটিএডি বলেছে, এই ‘প্রতিবন্ধকতা’ মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের আঘাত সৃষ্টি করেছে। সরবরাহে বিঘ্ন পড়ায় সরাসরি প্রভাব পড়ছে উৎপাদন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভোক্তা চাহিদায়। এর পাশাপাশি সমুদ্রপথে বন্যায়নের কারণে বিমান কার্গো, বন্দর লজিস্টিক্স ও অন্যান্য পরিবহন ব্যবস্থাও প্রতিকূলভাবে প্রভাবিত হচ্ছে।

    সংস্থাটির সতর্কবার্তা অনুযায়ী, যদি এই অবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হয় বা আরও অবনতি ঘটে এবং জ্বালানি অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে জ্বালানির দাম দীর্ঘসময় ধরে বাড়তে পারে। এর ফলেও বিশ্বজুড়ে স্থায়ী মুদ্রাস্ফীতির চাপ জেগে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে, যা সাধারণ মানুষ ও ব্যবসার জন্য দামী জীবনের সূচনা করতে পারে।

    প্রতিবেদনে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়া ও ইউরোপের মতো অঞ্চলগুলো—যারা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির ওপর বেশি নির্ভরশীল—তারা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক ঝুঁকির সম্মুখীন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কৌশলগত পদক্ষেপ না নিলে আন্তর্জাতিক বাজার ও অঞ্চলের স্থিতিশীলতা আরও দুর্বল হতে পারে।

    সূত্র: সিএমজি।

  • হাদি হত্যাকাণ্ডে তিন আসামিকে ফের ১৪ দিনের রিমান্ড

    হাদি হত্যাকাণ্ডে তিন আসামিকে ফের ১৪ দিনের রিমান্ড

    ওসমান হাতি হত্যার মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ, তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেন এবং অভিযুক্তদের দেশ ছেড়ে পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে অভিযুক্ত ফিলিপ সাংমাকে কলকাতার আদালত ফের ১৪ দিনের জেল রিমান্ডে পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওই রিমান্ড শেষে তাদের কলকাতার বিধাননগর মহকুমা আদালতে ভার্চুয়ালি হাজির করা হয়।

    কলকাতার বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) অবৈধ অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত চলমান মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক নথি আদালতে জমা দেয়। তবে মূল দুই অভিযুক্ত—ফয়সাল এবং আলমগীর—দিল্লিতে পৃথক ইউএপিএ মামলায় এনআইএর হেফাজতে থাকায় তাদের সরাসরি আদালতে হাজির করা যায়নি। ফিলিপ সাংমাকে দমদম সেন্ট্রাল জেল থেকে এবং ফয়সাল ও আলমগীরকে দিল্লিতে এনআইএর হেফাজত থেকে ভার্চুয়ালি আদালতে তোলা হয়।

    বিচারকের নির্দেশে পরবর্তী শুনানির তারিখ হিসেবে ১৬ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে। সূত্রে জানা যায়, গত ২২ মার্চ তারা বিধাননগর আদালতে তোলা হয় এবং আদালতের অনুমতিতে ২৩ মার্চ এনআইএ তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যায়; এরপর থেকেই তারা দিল্লিতেই রয়েছেন।

  • যশোরে ৬ কোটি ৬২ লাখ টাকার হীরক খণ্ড জব্দ, ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার

    যশোরে ৬ কোটি ৬২ লাখ টাকার হীরক খণ্ড জব্দ, ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার

    যশোরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অভিযানে সাড়ে ছয় কোটি টাকার বেশি মূল্যমানের হীরক খন্ড ও বড় পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে। বৃহস্পতিবার (তারিখ অনুযায়ী) যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নতুনহাট বাজার এলাকায় চালানো অভিযানে এই সফলতা আসে—বিজিবি বলছে, এটি যশোরে প্রথমবারের মতো বড় ধরনের হীরক চালান জব্দের রেকর্ড।

    বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হীরার একটি বড় চালান বেনাপোল সীমান্ত হয়ে ভারতে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছে—এই খবরের পর সকালে সকাল ৮টার দিকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি বিশেষ দল মহাসড়কের কৌশলগত স্থানে অবস্থান নেয়। সেখানে সন্দেহভাজন হিসেবে সুজাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক তল্লাশিতে কিছু না পাওয়া গেলেও জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভেঙে পড়েন এবং নিজের বিরুদ্ধে সত্য কথা বলেন।

    সুজাউদ্দিনের কাছ থেকে ১৫৫.৬৭ গ্রাম ওজনের হীরক খণ্ডসহ বাংলাদেশি ৫ হাজার ৫৩০ টাকা, ৫ হাজার ৮৮০ ভারতীয় রুপি, ৫৫০ মার্কিন ডলার, ২০০ থাই বাথ, একটি মোবাইল ফোন ও একটি ঘড়ি জব্দ করা হয়। বিজিবি জানিয়েছে জব্দকৃত সামগ্রীর মোট বাজার মূল্য ৬ কোটি ৬২ লাখ ৬৫ হাজার ১৬১ টাকা।

    পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে যে সুজাউদ্দিন এই হীরাগুলো ঢাকা থেকে সংগ্রহ করে যশোর হয়ে বেনাপোল সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পাচারের চেষ্টা করছিলেন। তার পাসপোর্ট ও ভ্রমণ ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা গেছে, তিনি পেশাদার চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যুক্ত এবং এর আগেও বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় সন্দেহজনক সফর করেছেন। তার বাসভূমি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য, এবং তিনি আবু বক্করের ছেলে বলে জানানো হয়েছে।

    গ্রেফতারকৃত সুজাউদ্দিনকে চোরাচালানদমন আইনের কঠোর ধারায় দায়ের করে যশোর কোতোয়ালি থানা에 হস্তান্তর করা হয়েছে। জব্দ হওয়া হীরক খণ্ড ও বৈদেশিক মুদ্রা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখন চালানের পেছনে থাকা সম্ভাব্য সহযোগী ও গ্যাং খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে।

  • তারেক রহমানের সরকারের ট্যাক্স কর্মকর্তা হবে জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয়

    তারেক রহমানের সরকারের ট্যাক্স কর্মকর্তা হবে জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয়

    খুলনায় নতুন নির্মিত আধুনিক কর ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক জমকালো অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল ভবনের ফলক উন্মোচন করে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

    অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর নীতি) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী এবং সদস্য (কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) আহসান হাবিব। খুলনার কর কমিশনার শ্রাবণী চাকমা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন।

    উদ্বোধনী বক্তব্যে হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, আয়কর ব্যবস্থা দেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে জনগণের করই বড় ভূমিকা রাখে। সেই কারণে কর ব্যবস্থাকে কার্যকর, স্বচ্ছ ও ব্যবহারবান্ধব করা জরুরি; পাশাপাশি কর ফাঁকি রোধ করাও প্রয়োজন।

    তিনি জানালেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনও টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট করানো নিয়ে ভয় কাজ করে—অনেকে মনে করেন করদাতার পরিচয় দিলে কর্মকর্তাদের মাধ্যমে হয়রানির শিকার হবেন। অতিউৎসাহী বা অসৎ কর্মকর্তাদের আচরণ নতুন করদাতাকে লজ্জিত ও বিচলিত করে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য শুভ সংকেত নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    বকুল আরও বলেন, বিএনপি সরকারের প্রধান এজেন্ডা করের হার বাড়ানো নয়, বরং করদাতার সংখ্যা বাড়ানো। তিনি জানান, বর্তমান সরকার মাত্র ২২ দিনের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড চালু, কৃষি ঋণ মওকুফ, ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা এবং খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা কার্যক্রম শুরু করে তার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। পহেলা বৈশাখ থেকে কৃষক কার্ড বিতরণও শুরু হবে বলে তিনি জানান।

    তিনি স্পষ্ট করেন যে এসব সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির তহবিল রাজস্ব খাত থেকে আসবে; অতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি করার জন্য নতুন টাকা ছাপানোর প্রয়োজন হবে না, তাই মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি নেই।

    কর প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে কথা বলার সময় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে বড় ব্যবসায়ীরা কর ফাঁকি দিয়ে বাঁচছে, অথচ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ওপর অনিয়ম ও অবিচার হচ্ছে—এই বৈষম্য জটিলতা দূর করতে হবে।

    কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, তারেক রহমানের সরকারের সময় ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু হবে; জনগণের ভয়ে বা আতঙ্কের জায়গা হবে না। করদাতাদের বোঝাতে হবে ট্যাক্স থেকে কীভাবে বাজেট ব্যয় করা হচ্ছে, সহজ ভাষায় সচেতনতা বাড়াতে ক্যাম্পেইন করতে হবে এবং কর দানে উৎসাহ দিতে করদাতাদের পুরস্কৃত করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

    খুলনার আঞ্চলিক অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বকুল বলেন, শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত এই শহরের শিল্প এখন ধ্বংসের পথে, বিশেষ করে মৎস্য শিল্প হুমকির মুখে। তিনি কুটির শিল্প থেকে শুরু করে বৃহৎ শিল্পকারখানা পুনরায় গড়ে তোলার মাধ্যমে অঞ্চলটির অর্থনীতি সচল করার এবং একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও জনবান্ধব কর ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    সমাপ্তিতে তিনি সবাইকে আহ্বান জানান—কর সম্পর্কে প্রচলিত ভয়ভীতি ভুলে দেশের উন্নয়নে সরকারের সাথে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করার জন্য।