Blog

  • গণভোট সংবিধানের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ: বিরোধীদলের নেতা

    গণভোট সংবিধানের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ: বিরোধীদলের নেতা

    বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বললেন, গণভোট সংবಿಧানের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি দেশের সর্বোচ্চ অবস্থানে। তিনি আরও জানান, সংবিধান সংস্কারের জন্য গণভোটের দাবি উঠেছে। এ কথা শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে একটি দলীয় দায়িত্বশীল সমাবেশে তিনি ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের উদ্দেশে, বিএনপি জনগণের কাছে দেওয়া তাদের প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করেছে। তারা বলছে, সংবিধানে গণভোট নেই। প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশে প্রথম গণভোট আয়োজন কারা করেছিল? তখন কি সংবিধানে এটি ছিল? সত্যি বলতে, গণভোটের গুরুত্ব ও প্রভাব সংবিধানের চেয়েও বেশি, কারণ এটি দেশের মূল সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত।

    ডা. শফিকুর আরও বলেন, তিনি নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত গণভোটের পক্ষে ছিলেন। কিন্তু যখন দেখলেন, ভোটের দুই-তৃতীয়াংশ নম্বরের মাধ্যমে জয় অর্জন করেছেন, তখন তারা ঘুরে যান। তিনি বলেন, যদি সত্যিই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, তাহলে সবাই একযোগে গণভোটের জন্য উত্থিত হোন।

    বিরোধীদলীয় নেতা আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি জোট ভেতরে ভেতরে গণভোটের বিরুদ্ধে থাকলেও, বাইরে এসে তারা একে স্বীকার করছে। তিনি বলেন, সংসদে আমরা তাদের কাছে জানতে চাই, একটি জান্নাতের টিকিট চাইব। এরপর দেখা যাবে সেটি কেমন। মিডিয়ায় এখনকার পরিস্থিতি দেখলে প্রশ্ন করেন, কারা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে?

    গণভোটের ফল কার্যকর করার জন্য কর্মসূচি সফল করতে তিনি জনগণের রায়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জনগণের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করা ফ্যাসিবাদের সূচনা। তিনি বলছেন, জুলাইয়ে যেমন আন্দোলনে নেমেছিলেন, আবারেও নামবেন একই লক্ষ্য নিয়ে। জনগণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত থাকবে।

    ডা. শফিকুর আহ্বান জানিয়েছেন, সবাই আবার জুলুমের বিরুদ্ধে এক pvc হয়। জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। আগামীকাল ঢাকায় প্রথম কর্মসূচি বাস্তবায়ন হবে।

  • জোনায়েদ সাকি দলীয় পদ থেকে সরে যাচ্ছেন

    জোনায়েদ সাকি দলীয় পদ থেকে সরে যাচ্ছেন

    গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ থেকে সরে যাচ্ছেন সংগঠনটির শীর্ষ নেতা জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। শুক্রবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে, এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করতে শনিবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ঢাকার হাতিরপুলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সংস্থার পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব অপসারণ বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য এ সংবাদ সম্মেলন। এই অনুষ্ঠানে জোনায়েদ সাকি নিজে উপস্থিত থাকবেন এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত থাকবেন নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশিদ নীলু, মনির উদ্দিন পাপ্পু, ফিরোজ আহমেদ, তাসলিমা আখতার, হাসান মারুফ রুমীসহ বেশ কয়েকজন নেতা। উল্লেখ্য, গত বছর ৩ নভেম্বরের ঢাকার সাভারে সংগঠনটির পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে নির্বাচিত হন। সেই সম্মেলনে ৫৫ সদস্যের নতুন নির্বাহী কমিটিও গঠন করা হয়।

  • গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী পদত্যাগ করলেন জোনায়েদ সাকি

    গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী পদত্যাগ করলেন জোনায়েদ সাকি

    গণসংহতি আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ নেতা জোনায়েদ সাকি তার প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব ছেড়েছেন। তাঁর স্থলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলুকে। এই সিদ্ধান্ত মূলত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর হাতিরপুলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজেই এই ঘোষণা দেন জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, ‘রাজনীতি ও সরকারকে আলাদা করতে আমি দলীয় প্রধানের দায়িত্ব ছেড়েছি।’

    জোনায়েদ সাকি আরও জানান, জুলাই মাসে জাতীয় সনদ ইস্যু নিয়ে আলোচনায় তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়টি এখন বিতর্কের কেন্দ্রে। তবে, বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মতামত বেশি গুরুত্ব পাবে।’

    উল্লেখ্য, গত বছর ৩ নভেম্বর সাভারে দলের ৫ম জাতীয় সম্মেলনে তিনি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। দীর্ঘ দুই দশকের রাজনীতির মাধ্যমে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গণসংহতি আন্দোলন নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন লাভ করে। এই বছর ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের শরিক হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জোনায়েদ সাকি।

    বর্তমানে তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। এর আগে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন, পরে পুনঃসংগঠনের মাধ্যমে শুধুমাত্র পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। এই গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকাকালীন দলীয় প্রধানের দায়িত্বের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে করে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, দলীয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

  • অন্য কোনো দল সরকারে এলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া উপায় ছিল না: চিফ হুইপ

    অন্য কোনো দল সরকারে এলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া উপায় ছিল না: চিফ হুইপ

    অন্য কোনো দল সরকারে এলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোই একমাত্র সম্ভব ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের সরকারি দলের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারে আইন শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক নীতিমালা সংলাপে এসব কথা বলেন।

    চিফ হুইপ বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছেন, কিন্তু বাংলাদেশে তা এখনও বাড়ানো হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, যদি অন্য কোনো দল সরকারে আসে, তাহলে এই পরিস্থিতিতে দাম বাড়ানোর ছাড়া উপায় ছিল না।

    প্রয়োজনের দ্বিগুণ জ্বালানি সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি, ‘প্রায় দুই লক্ষ মেট্রিক টন তেল মজুত রয়েছে, আসছে আরও দুই লক্ষ টেল। তবে পত্রিকা খুললেই ৯০ শতাংশ খবর নেতিবাচক। কোনও ইতিবাচক খবর নেই।’

    ধূমপান নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে নুরুল ইসলাম বলেন, ‘একজন ধূমপান করলে ১০ জন মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ে। মানব সম্পদ ছাড়া আমাদের আর কোনও সম্পদ নেই, তাই মানুষকে রক্ষায় সিগারেটের ব্যবহার কমাতে হবে।

    ই-সিগারেটের বিষয়েও তিনি বলেন, নেতিবাচক প্রচারণার মাধ্যমে এর বিস্তার বাড়ানো হচ্ছে। এজন্য দায়িত্বশীলদের কাছে বার্তা পৌঁছে দ্রুত কার্যকর সমাধান করতে হবে।

    তিনি আরো বলেন, বিএনপি সরকারের সময় তামাক নির্ধারিত প্রচার ও বিপণন বন্ধে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল। এটাই এই খাতে সরকারের সফলতা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

  • মালয়েশিয়া থেকে এসেছে ৩৪ হাজার টন ডিজেল

    মালয়েশিয়া থেকে এসেছে ৩৪ হাজার টন ডিজেল

    চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে মালয়েশিয়া রপ্তানি করা ৩৪ হাজার টন ডিজেল ভর্তি একটি জাহাজ। এই খবর নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম। তিনি জানান, ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ নামে এই চীনা পতাকাবাহী জাহাজটি বুধবার (০৩ এপ্রিল) রাতে বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেলে পৌঁছায়।

    জাহাজটি গত ২৯ মার্চ মালয়েশিয়া থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়। এর স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস। এর ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম বলেন, জাহাজে মোট ৩৪ হাজার টনের বেশি ডিজেল রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার টন ডিজেল ছোট জাহাজে লাইটারিং করে খালাস করতে হবে, যা অন্তত দু’বার অপারেশন চালানোর প্রয়োজন হবে।

    নজরুল ইসলাম আরও জানান, সব কিছু ঠিক থাকলে রোববার (৫ এপ্রিল) জাহাজটি পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে ভিড়তে পারে। এর আগে, একই দিন দুপুর ২টার দিকে সিঙ্গাপুর থেকে আসা আরেকটি জাহাজ ‘ইয়ান জিং হে’ ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে পদ্মা অয়েলের ডলফিন জেটিতে খালাসের কাজ শুরু করে। এই জাহাজটিও রোববার বন্দর ত্যাগ করবে। এর স্থানীয় এজেন্টও প্রাইড শিপিংই।

    চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং দেওয়া হচ্ছে।

    বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো দশম ডিজেল জাহাজ। দেশের জ্বালানি আবর সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে, পাইপলাইনের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য উৎস থেকে পর্যাপ্ত জ্বালানি আমদানির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ, শতাধিক আহত

    ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ, শতাধিক আহত

    ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে একের পরে এক সংঘর্ষে পুরো এলাকা এখনও রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষ শনিবার সকাল পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে, এতে পুলিশসহ কমপক্ষে শতাধিক লোক গুরুতর আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ও পুলিশ কর্মকর্তারা।

    বিস্তারিত জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার সকালে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদি ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ বাজারে ফের সংঘর্ষ শুরু হয়। এই সংঘর্ষে দুটি পক্ষ—একদিকে মুনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন এবং অন্যদিকে খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিংগাড়িয়া গ্রামের লোকজন—যুক্ত হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই বিরোধের জেরেই মূলত এই সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে জানা গেছে।

    প্রথম দফায় শুক্রবার সন্ধ্যার পর এই এলাকার তিন যুবককে আখের রস খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। এর জের ধরে প্রথম দফার দাঙ্গা দুই ঘণ্টা চালার পর রাত্রিযাপন করে অবসর নেন উভয়পক্ষ। কিন্তু সকালে সঙ্গবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তারা। যারা এই সংঘর্ষের সময় বিল্ডিংয়ের ছাদে, বাসা বাড়ির ছাদে, দোকানের ছাদে, টিনের চালসহ বিভিন্ন আড়ালে থেকে ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকেন। এতে উভয় পক্ষের শতাধিক সমর্থক আহত হন।

    আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই অস্থিতিশীল যে, পুলিশ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সতর্ক করে দিয়েছেন, এভাবেই চলতে থাকলে বড় ধরনের হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে। তারা দাঙ্গা থামানোর জন্য দ্রুত পুলিশি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

    আঞ্চলিক পুলিশ কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেজওয়ান দীপু বলেন, ‘শুক্রবার এক দফা সংঘর্ষের পর আজ ভোরে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। আমরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। আপাতত কিছুটা কমলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। এখনো অনেক আহত হয়েছে যারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।’ তিনি আরো জানান, সংঘর্ষ চলাকালীন মশিউর রহমান নামে একজন পুলিশ কনস্টেবলও আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি যতক্ষণ না সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসবে, তখনই হতাহতের চূড়ান্ত সংখ্যা বলা সম্ভব নয়।

  • মার্চে ৬১৯ নিহত, ১৫৪৮ আহত সড়ক দুর্ঘটনা: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

    মার্চে ৬১৯ নিহত, ১৫৪৮ আহত সড়ক দুর্ঘটনা: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

    দেশে মার্চ মাসে মোট ৬১৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬১৯ জন নিহত এবং ১,৫৪৮ জন আহত হয়েছেন। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগ যেখানে ১৬০টি দুর্ঘটনায় ১৭০ জন নিহত ও ৩২০ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, বরিশাল বিভাগের দুর্ঘটনা সংখ্যা সবচেয়ে কম। একই সময়ে মোট ৯৭৫টি যানবাহনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২১ দশমিক ৬৪ শতাংশ ট্রাক, পিকআপ, কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ বাস, ১৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ নছিমন-করিমন, মাহিন্দ্রা, ট্রাক্টর ও লেগুনা এবং ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ কার, জিপ ও মাইক্রোবাস।

    বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট দুর্ঘটনার ৩৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩২ দশমিক ৪৬ শতাংশ গাড়িচাপা বা ধাক্কা, ২১ দশমিক ৪২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, এছাড়া অন্যান্য কারণেও দুর্ঘটনা ঘটে। স্থান অনুযায়ী দেখা গেছে যে এসব দুর্ঘটনার ৪০ দশমিক ৯০ শতাংশ ঘটে জাতীয় মহাসড়কে, ৩০ দশমিক ০৩ শতাংশ আঞ্চלিক মহাসড়কে, এবং ২২ দশমিক ০৭ শতাংশ ফিডার রোডে। এছাড়া ঢাকায় ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ, চট্টগ্রামে ০ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং রেলক্রসিংয়ে ০৯৭ শতাংশ দুর্ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে।

    সংগঠনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে দুর্ঘটনার বড় কারণগুলো হলো মোটরসাইকেল, রিকশা, অটোরিকশার অবাধ চলাচল, মহাসড়ক ও রেলক্রসিংয়ে সুরক্ষা সংক্রান্ত কমতি, ট্রাফিক আইন অমান্য, নির্মাণ ত্রুটি, চালকদের অদক্ষতা, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ও অদক্ষ চালক। এসব কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে এবং ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে।

    সংগঠনটি দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বিভিন্ন সুপারিশ উপস্থাপন করেছে, যেমন সড়কে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, স্মার্ট ভাড়া ব্যবস্থা, নীতিনির্ধারণে মানোন্নয়ন, সড়ক আলোকসজ্জা, লাইসেন্সের দক্ষতা পরীক্ষা, ডিজিটাল ফিটনেস ব্যবস্থা, ট্রাফিক আইন পালন ও সড়কের উন্নয়ন। এছাড়াও ঈদযাত্রায় নিরাপদ পরিবহন নিশ্চিত করতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, ঢাকাসহ বড় শহরগুলোর জনসংখ্যার চাপ কমানো এবং সব পর্যায়ে ট্রাফিক নিয়মকানুন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি।

  • ১০ মাস পর দেশে ফিরলেন বিএসএফের হাতে জীবনদায়ী নির্যাতন সই করে নিহত আজিজুরের লাশ

    ১০ মাস পর দেশে ফিরলেন বিএসএফের হাতে জীবনদায়ী নির্যাতন সই করে নিহত আজিজুরের লাশ

    সীমান্তে ঘাস কাটতে গিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক আটক হয়েছিলেন আজিজুর রহমান (৫০)। এরপর শুরু হয় নির্যাতনের brutal উপাখ্যান। বেধড়ক মারধরে গুরুতর আহত হন তিনি, এরপর তাকে ভারতে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ সাড়ে ১০ মাস পরে, একঝলক বেদনা নিয়ে আজিজুরের লাশ দেশে ফেরত আসে। শুক্রবার বিকেল তিনটায় পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে লাশ হস্তান্তর করা হয়। এ সময় তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি রাশেদুল ইসলাম, বাংলাবান্ধা বিওপির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার ইউনুস, ভারতের কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশি উপহাই কমিশনারের প্রতিনিধি, এবং আজিজুরের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়, যার মাধ্যমে আজিজুরের স্বজনরা পায় গভীর শোক।

  • অন্য কেউ সরকারে এলে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়: চিফ হুইপ

    অন্য কেউ সরকারে এলে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়: চিফ হুইপ

    জাতীয় সংসদের সরকারি দলের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে অন্য কোনো দল সরকারে এলেও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না। তিনি শনিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকা শহরের সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারে আইন শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক একটি নীতি সংলাপে এই মন্তব্য করেন।

    চিফ হুইপ আরো বলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশে এ ক্ষেত্রে দাম বাড়ানো হয়নি। যদি অন্য কেউ সরকারে থাকত, তবেও এই পরিস্থিতিতে দাম বাড়ানোই সম্ভব হত, কারণ পরিস্থিতি এরই মধ্যে অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়োজনের চেয়েও দ্বিগুণ জ্বালানি সরবরাহ সত্ত্বেও বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না সরকার; বর্তমানে দুই লাখ মেট্রিকটন তেল মজুত রয়েছে এবং আরো দুই লাখ তেল আসছে। তবে পত্রিকা খুললে বেশিরভাগ সংবাদই নেতিবাচক খবর দেখা যায়, আর তেমনি ইতিবাচক কিছু পাওয়া যায় না।

    ধূমপান নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে নুরুল ইসলাম বলেন, একজন ধূমপান করলে অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হন। মানব সম্পদ ছাড়া আমাদের দেশে অন্য কোনো মূলধন নেই, তাই মানুষকে রক্ষা করতে হলে সিগারেটের ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করতে হবে। তিনি ই-সিগারেটের বিষয়েও বলেন, এর নেতিবাচক প্রচারণা বা ভুল খবরের মাধ্যমে বিস্তার বাড়ানো হচ্ছে। দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের উচিত এই বিষয়গুলো নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করে সমাধানে এগিয়ে আসা।

    চিফ হুইপ আরো উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকার আগেই তামাকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে বেশ কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে, যেখানে প্রচার ও বিপণন বন্ধে অগ্রগতির বেশ ভাল ফলাফল দেখা গেছে।

  • মালয়েশিয়া থেকে আসে ৩৪ হাজার টন ডিজেল

    মালয়েশিয়া থেকে আসে ৩৪ হাজার টন ডিজেল

    চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে মালয়েশিয়া থেকে আসা ৩৪ হাজার টন ডিজেল ভর্তি চীনের পতাকাবাহী জাহাজ ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’। আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই জাহাজটি গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেল মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের বাইরে পৌঁছেছে।

    জাহাজটি ২৯ মার্চ মালয়েশিয়া থেকে রওনা দিয়েছিল। এর আঞ্চলিক এজেন্ট হলো প্রাইড শিপিং লাইনস। মূল পার্টনার নজরুল ইসলাম জানান, জাহাজে মোট ৩৪ হাজার টনের বেশি ডিজেল রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার টন ডিজেল আলাদা ছোট জাহাজে খালাস (লাইটারিং) করতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে অন্তত দুই দফায় অপারেশন প্রয়োজন হবে।

    তিনি আরও জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার (৫ এপ্রিল) এই জাহাজটি পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে ভিড়তে পারে।

    এর আগে, গতকাল দুপুর ২টার দিকে সিঙ্গাপুর থেকে আসা ‘ইয়ান জিং হে’ নামে আরেকটি জাহাজ ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে পদ্মা অয়েলের ডলফিন জেটি-৬ এ খালাস কার্যক্রম শুরু করে। এই জাহাজটি রোববার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বন্দর ত্যাগ করবে। এর স্থানীয় এজেন্টও প্রাইড শিপিং।

    চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং দেয়া হচ্ছে।

    বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, এই নিয়ে মাঝ পথে পৌঁছানো হলো চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো দশম ডিজেল জাহাজ। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য পাইপলাইন সরবরাহের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে অন্য উৎস থেকে পর্যাপ্ত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।