Blog

  • আইপিএল ও পিএসএল আবারও একই দিনে শুরু হচ্ছে, দুটির সূচী সংঘর্ষস্থাপনা

    আইপিএল ও পিএসএল আবারও একই দিনে শুরু হচ্ছে, দুটির সূচী সংঘর্ষস্থাপনা

    আবারও দেখা যাচ্ছে, ভারতীয় লিগ আইপিএল এবং পাকিস্তানের পিএসএল একই সময়ে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে। টানা দ্বিতীয় বছর হিসেবে, এই দুই দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি লিগের সূচি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য একে অপরের সাথে সংঘর্ষে шашানুপূর্ন হবে।

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) সোমবার নিশ্চিত করেছে, পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) আসর ২০২৬ সালের ২৬ মার্চ শুরু হবে। এই টুর্নামেন্টটি এক মাসের বেশি সময় ধরে চলবে, এবং এর ফাইনাল হবে ৩ মে। এছাড়াও, নতুন দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি যোগ হওয়ায়, ২০২৬ সালের পিএসএল হবে মোট আট দলের। নিলাম অনুষ্ঠিত হবে ৮ জানুয়ারি ইসলামাবাদে।

    এদিকে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) জানিয়েছে, আইপিএল ২০২৬ শুরু হবে ২৬ মার্চ এবং চলবে ৩১ মে পর্যন্ত। এই সূচি জানানো হয় সোমবার আবু ধাবিতে ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রতিনিধিদের ও আইপিএল কর্তৃপক্ষের বৈঠকে। সূচি অনুযায়ী, এবারের আইপিএলের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে আজ, আবু ধাবিতেই।

    আইপিএলের প্রধান নির্বাহী হেমাঙ্গ আমিন ব্রিফিংয়ে এই সূচির বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। সাধারণত, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলের শহরেই উদ্বোধনী ম্যাচ হয়। তবে, এই বছর বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচ হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

    গত বছর, আইপিএল শুরু হয়েছিল ২২ মার্চ। এরপর প্রায় ২০ দিন পর, ১১ এপ্রিল থেকে শুরু হয় পিএসএল, যা চলে_ROOM_END_ দিয়ে ২৫ মে। সেই সময়, ভারতের পাকিস্তানসহ সামরিক উত্তেজনার কারণে কয়েকদিন খেলা বন্ধ ছিল। এবারও, একই সময়ে আইপিএল ও পিএসএল হওয়ার ফলে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সূচি, সম্প্রচার এবং খেলোয়াড়ের প্রাপ্যতা নিয়ে নতুন কিছু আলোচনা শুরু হয়েছে।

  • পাকিস্তানে বিশাল তেল ও গ্যাসের মজুত আবিষ্কৃত

    পাকিস্তানে বিশাল তেল ও গ্যাসের মজুত আবিষ্কৃত

    পাকistan ভারতের সমুদ্রসীমায় এক বিশাল পরিমাণ পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত পাওয়া গেছে। এই মজুত এত বড় যে এর সঠিক ব্যবহার দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতকে এক বড় পরিবর্তনের পথে নিয়ে যেতে পারে। ডন নিউজ টিভিকে এক উচ্চপদস্ত নিরাপত্তা কর্মকর্তা এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানিয়েছেন, এই সম্পদের সন্ধানে তিন বছরের একটি জরিপ চালানো হয়, যা একটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সহযোগিতায় পরিচালিত। এই ভৌগোলিক জরিপের মাধ্যমে পাকিস্তান সফলভাবে তেল ও গ্যাসের অবস্থান নির্ণয় করতে সক্ষম হয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারের কাছে এই পাওয়া মজুতের তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

    নিরাপত্তা কর্মকর্তা আরও বলেছেন, এই উদ্যোগ অর্থনীতির সুনীল ক্ষেত্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। দরপত্র ও অনুসন্ধানের জন্য প্রস্তাবনা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং শিগগিরই অনুসন্ধান কাজ শুরু হবে। তবে তিনি সর্তক করে বলেছেন, কূপ খনন ও তেল উত্তোলন করতে বেশ কিছু সময় লাগতে পারে।

    অন্যদিকে, পাকিস্তানি কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই সমুদ্রসম্পদ শুধু তেল ও গ্যাস নয়, আরওও অনেক মূল্যবান খনিজ ও উপাদান এখানে পাওয়া যেতে পারে। দ্রুত উদ্যোগ নিলে এবং পরিকল্পনাগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করলে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে।

    বিশ্লেষকদের আশংকা, এই আবিষ্কৃত সম্পদ বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম তেল ও গ্যাস মজুত হিসেবে স্থান পেতে পারে। বর্তমানে শীর্ষে রয়েছে ভেনেজুয়েলা, যেখানে প্রায় ৩.৪ বিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুত রয়েছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে বৃহৎ পরিমাণ অপরিশোধিত শেল তেল পাওয়া যায়। সৌদি আরব, ইরান, কানাডা এবং ইরাক এই শীর্ষ তালিকায় পরবর্তী স্থানগুলো দখল করে।

    ডন নিউজ টিভিকে এক সাক্ষাৎকারে ওগরা এর সাবেক সদস্য মুহাম্মদ আরিফ বলেন, এই ধরনের আবিষ্কার অনেক সম্ভাবনার দরজা খোলে, তবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয় যে সবই প্রত্যাশিত পরিমাণে পাওয়া যাবে। তিনি বলেছেন, এটি দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে—এটি উৎপাদনের পরিমাণ ও উত্তোলনের হার নির্ভর করবে। যদি গ্যাসের মজুদ হয়, তবে এটি এলএনজি আমদানির বিকল্প হতে পারে। আর যদি তেলের মজুত হয়, তবে আমদানির উপর নির্ভরশীলতা কমাতে পারবে।

    তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই সম্ভাবনা বাস্তবায়ন হবে যখন জলযান ড্রিলিং শুরু হবে এবং মজুতের সঠিক বিশ্লেষণ সম্পন্ন হবে। এই কাজে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে এবং কাজ শেষ হতে TIME লাগবে চার থেকে পাঁচ বছর।

  • অং সান সু চির মৃত্যু নিয়ে আশঙ্কা জাতির মধ্যে

    অং সান সু চির মৃত্যু নিয়ে আশঙ্কা জাতির মধ্যে

    মিয়ানমারের কারাবন্দী ও শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নেত্রী অং সান সু চি শিগগিরই মারা যেতে পারেন—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তার কনিষ্ঠ পুত্র কিম অ্যারিস। ২০২১ সালে দেশের ক্ষমতা জোরপূর্বক নিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে সু চি-কে আড়ালে রাখা হয়েছে। আদালতের কার্যক্রম চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে তার ছবিগুলো প্রকাশ হলেও, তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। এই পরিস্থিতিতে জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিম অ্যারিস বলেন, তিনি তার ৮০ বছর বয়সী মায়ের সঙ্গে বেশ কয়েক বছর ধরে যোগাযোগ করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, ২০২১ সালে তার মা আটকের পর থেকে সু চির হৃদপিণ্ড, হাড়, এবং মস্তিষ্কের কিছু তথ্য পান তিনি, যা এই নেত্রীর স্বাস্থ্য সম্পর্কিত উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কিম অ্যারিস দাবি করেন, ‘তার (সুচির) স্বাস্থ্যগত সমস্যা চলমান। দু’বছর ধরে কেউ তাঁকে দেখেনি। এমনকি আইনি পরামর্শদাতাদের সঙ্গেও যোগাযোগের অনুমতিও দেয়া হয়নি। আমি সন্দেহ করি—তিনি ইতোমধ্যে মারা গেছেন।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমার ধারণা, মিন অং হ্লাইংয়ের (মিয়ানমারের জান্তা নেতা) মায়ের জন্য নিজস্ব একটা এজেন্ডা রয়েছে। তিনি চাইবেন—সরকারের গৃহবন্দী বা মুক্তি দিতে, এভাবে জনমত নিয়ন্ত্রণ করতে। আমি মনে করি, সু চির মুক্তির জন্য এই অচলাবস্থা ব্যবহৃত হচ্ছে।’ কিম অ্যারিস বলেন, তাঁর ধারণা, রাজধানী নেপিদোতে সু চি আটকে রয়েছেন এবং শেষবারের মতো তার কাছ থেকে পাওয়া চিঠিতে তিনি গরম এবং ঠাণ্ডার মধ্যে তার কক্ষের তাপমাত্রার বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন। বিশ্বজুড়ে সংঘাত বাড়তে থাকায় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায়, তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, সামরিক বাহিনী নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করছে—যা সম্পূর্ণ অন্যায়। তিনি বিদেশীয় সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, যেন তারা আরও জোরদার মনোভাব নিয়ে জান্তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং মায়ের মুক্তির জন্য উদ্যোগ নেয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, মিয়ানমারের একজন সরকারী মুখপাত্র এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ফোন করেছেন—কিন্তু সাড়া পাননি। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের নির্বাচনে ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি ব্যাপক জয়লাভ করলেও, জালিয়াতির অভিযোগ তুলে ২০২১ সালে সেনাবাহিনী কোনও নির্বাচন না কাড়ে অং সান সু চির সরকারকে উৎখাত করে। এরপর থেকে তাকে আটক রাখার পাশাপাশি, নির্বাচনী জালিয়াতি, রাষ্ট্রদ্রোহ, ঘুষচুরির মতো বিভিন্ন অভিযোগে তাকে ২৭ বছরের কারাদণ্ডের মুখোমুখি করা হয়েছে। তবে, অং সান সু চি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

  • সৌদি আরবে এক বছরে রেকর্ড ৩৪০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    সৌদি আরবে এক বছরে রেকর্ড ৩৪০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    সৌদি আরব এক বছরে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপি’র তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত দেশটিতে ৩৪০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার আরও তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার খবর জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই খবর প্রথম প্রকাশ করে দুবাই থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি। এটি দ্বিতীয় বছর লাগাতার সৌদি আরবের মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা বৃদ্ধির ঘটনা, যা অতীতে কখনো ঘটে নি। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাব অনুযায়ী, ১৯৯০-এর দশকের পর থেকে মৃত্যুদণ্ডের এই সংখ্যা সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে দেশটিতে ৩৩৮ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল যেখানে বর্তমানে সংখ্যা তা ছাড়িয়ে গেছে।

  • বিজয় দিবসে মোদির পোষ্টে বাংলাদেশের নাম লেখা হয়নি

    বিজয় দিবসে মোদির পোষ্টে বাংলাদেশের নাম লেখা হয়নি

    বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে নয় মাসের লড়াইয়ের মাধ্যমে। এই যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ভারতের সেনাবাহিনীও যোগ দেয়, যার ফলে ১৬ ডিসেম্বর ভারতের জন্যও একটি বিজয় দিবস হিসেবে রূপ নেয়। তবে মূল বিজয় ছিল বাংলাদেশের, কারণ এ দিনেই বাংলাদেশের জনগণ তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা লাভ করে।

    আজ ১৬ ডিসেম্বর, বাংলাদেশের বিজয় দিবসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় দিবসের কথা উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি এটি যেন শুধুমাত্র ভারতের বিজয়ের দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার পোস্টে একবারও বাংলাদেশের নাম আসে না। মোদি লিখেছেন, “বিজয় দিবসে আমরা আমাদের সাহসী সেনাদের স্মরণ করছি, যারা ১৯৭১ সালে তাদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে ভারতের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেছিলেন। তাদের দৃঢ় মনোবল ও নিস্বার্থ সেবা আমাদের দেশের রক্ষা করেছে এবং আমাদের ইতিহাসে গর্বের মুহূর্ত সৃষ্টি করেছে। এই দিনটি তাদের সাহসকে সম্মান জানায় এবং তাদের অসাধারণ মনোবলকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এই বীরোচিত কর্মকাণ্ড ভারতীয় প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকে।”

    এর আগে ভারতের সেনাবাহিনীও বিজয় দিবসের পক্ষে একটি পোস্ট দেন, যেখানে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, “বিজয় দিবস শুধু একটি তারিখ নয়— এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধের ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ও চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।”

    সেনারা আরও বলেন, “এটি ছিল সেই বিজয় যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা ও ভারতীয় সেনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। এই বিজয় শুধু সামরিকই নয়, এটি ইতিহাসের ঐতিহাসিক গৌরবের একটি অংশ। ভারতের এই জয় বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূচনায় জাতিকে নতুন করে স্ববিরোধী করে তুলেছে এবং দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রে নতুন এক সূচনাকে চিহ্নিত করেছে।

    ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও উল্লেখ করে, “পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে নানা নৃশংসতা, অত্যাচার ও নিষ্ঠুরতা চালিয়েছিল, এই যুদ্ধ সেই সমস্ত অবসান ঘটিয়েছে।”

  • নির্যাতনের শিকার নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদি বিশ্রামে যান

    নির্যাতনের শিকার নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদি বিশ্রামে যান

    ইরানের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী নার্গেস মোহাম্মাদিকে গত সপ্তাহে গ্রেপ্তার করার পর মারধরের ঘটনা ঘটেছে, যার ছবি ও খবর তার পরিবার নিশ্চিত করেছে। ৫৩ বছর বয়সী এই মানবাধিকার কর্মী, যিনি ইতিমধ্যে এক দশকের বেশি সময় কারাগারে থাকেন, গত সপ্তাহে মাশাদ শহরে একটি স্মরণসভায় অংশ নেওয়ার সময় স্বাভাবিক পোশাক পরে ছিলেন। তখনই সাদামাটা পোশাকধারী এজেন্টরা তাকে ঘিরে ধরে মাথা ও ঘাড়ে একের পর এক আঘাত করে। এর ফলে মোহাম্মাদিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে তার পরিবার জানান। এই ঘটনায় আরও দুইজন মানবাধিকার কর্মীও আক্রান্ত হন বলে জানা গেছে।

    নার্গেস মোহাম্মাদি ইরানের ডিফেন্ডারস অব হিউম্যান রাইটস সেন্টারের উপ-সভাপতি এবং ২০২৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত। তিনি ১৩ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন, যা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রায় ১৫ জন এজেন্ট তাকে মারধর করে এবং একই সময়ে আরও কিছু মানবাধিকার কর্মীকেও আঘাত করা হয়।

    অভিযোগ করা হয়েছে যে, মোহাম্মাদির উস্কানিমূলক মন্তব্য ছিল এবং তিনি ইসরায়েলি সরকারের সঙ্গে সংযোগের অভিযোগে অভিযুক্ত। তবে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অফিসিয়াল কোনো সরকারি ঘোষণা জানানো হয়নি।

    নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি, চলচ্চিত্রকার জাফার পনাহি, মোহাম্মদ রাসুলফ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থা এই মারধরের ঘটনাকে কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে। তারা মোহাম্মাদির অবিলম্বে মুক্তির দাবি তুলেছেন এবং ইরানে মানুষের স্বাধীনতা ও সরকারের জবাবদিহিতার অভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

  • খুলনায় পরওয়ার ও বকুলসহ ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন সংগ্রহ শুরু

    খুলনায় পরওয়ার ও বকুলসহ ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন সংগ্রহ শুরু

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনায় মনোনয়নপত্র বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জেলা নির্বাচন অফিসের সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত খুলনার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) খুলনা জেলা রিটার্নিং কার্যালয় থেকে প্রার্থীরা বা তাদের প্রতিনিধিরা এসব মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন।

    জেলা রিটার্নিং অফিসের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা-৩, খুলনা-৪, খুলনা-৫ ও খুলনা-৬ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তবে এই সময়ে খুলনা-১ ও খুলনা-২ আসনে কেউ মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি।

    খুলনা-৪ আসনে, যেখানে তেরখাদা, দিঘলিয়া ও রূপসা উপজেলা অন্তর্ভুক্ত, এখন পর্যন্ত দুজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তারা হলেন ইসলামী আন্দোলনের হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর মো. কফিলুল ইসলাম।

    এছাড়াও, খুলনা-৩ আসনে দুজন মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন। তারা হলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) শেখ আরমান হোসেন।

    খুলনা-৫ আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তার পক্ষে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) এই মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন খুলনা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মিয়া গোলাম কুদ্দুস।

    খুলনা-৬ আসনে, যা কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত, এখন পর্যন্ত দুজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তারা হলেন বিএনপির এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী এবং জামায়াতে ইসলামীর মো. আবুল কালাম আজাদ।

    নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীরা আগামী ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন। মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ২০ জানুয়ারি। এর পরে, তারা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন। নির্বাচনের দিন নির্ধারিত হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি।

  • বিজয় দিবসে শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ নূর মোহাম্মদ শেখের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া

    বিজয় দিবসে শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ নূর মোহাম্মদ শেখের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শার্শা উপজেলায় যথাযথ মর্যাদায় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পন ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিজিবি।วันนี้, মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৯টার দিকে, মহান বিজয় দিবসের উদ্বোধনে, বিজিবি’র কাশিপুর বিওপি’র এলাকায় অবস্থিত এই স্মৃতিসৌধে মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) ব্যবস্থাপনায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এর রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ এবং বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর ব্যাটালিয়নের উপ অধিনায়ক মেজর নূর উদ্দিন আহমাদ, বীরশ্রেষ্ঠের পরিবারবর্গ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এর অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে, যেন চিরস্মরণীয় হয়, সে জন্য প্রতিবছরের মতো এবারও যথাযথ মর্যাদায় এই কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এভাবেই বিজয় দিবসের তাৎপর্য ও জাতীয় গৌরব উদযাপন করছে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ।

  • বিজয় দিবস উপলক্ষে চিতলমারীতে জামায়াতের র‌্যালি, আলোচনা ও দোয়া

    বিজয় দিবস উপলক্ষে চিতলমারীতে জামায়াতের র‌্যালি, আলোচনা ও দোয়া

    মহান বিজয় দিবসের মহান শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে চিতলমারী উপজেলা জামায়াত ইসলামি। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ভোর ৮টায় উপজেলা মোড়ে প্রতিষ্ঠিত দলীয় কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত বাগেরহাট-১ আসনের প্রার্থী, কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য, বাগেরহাট জেলা শাখার সাবেক আমীর ও বর্তমান জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত কেয়ারটেকার অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খান।

    উপজেলা জামায়াতে ইসলামির সভাপতি মাওলানা গাজী মুনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জাহিদুজ্জামান নান্নার সঞ্চালনায় এ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসেবে চিতলমারী উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি, একজন ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও জামায়াতের মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম এবং মাওলানা গাজী আনিসুর রহমানসহ العديدে অনুসারী।

    আলোচনা সভার শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া শেষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। এ পুরো অনুষ্ঠান ছিল দেশপ্রেম ও একতা প্রদর্শনের একটি সুন্দর আয়োজন, যা দেশপ্রেমীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সঞ্চার করে।

  • চিতলমারীতে মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন

    চিতলমারীতে মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে মহান বিজয় দিবস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে উদযাপিত হয়েছে। একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রামে নি:শ্বাস হারানো শহীদদের স্মরণে এই দিবসটির গুরুত্ব অপরিসীম। এই দিনটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সব বয়সের মানুষ অংশগ্রহণ করে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।

    ১৬ ডিসেম্বর, সঙ্গীতের সূচনা হয় সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে। এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয়, যা পালন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম। এই শ্রদ্ধা নিবেদনে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা, বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, পেশাজীবী এবং সাধারণ মানুষ। শহীদ মিনার চত্বরে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যেখানে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সরকারের বিভিন্ন বিভাগীয় ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

    সকালে ৯টার দিকে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক পতাকা উত্তোলন, শিক্ষার্থীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে, লাঠিখেলা ও পুরস্কার বিতরণ। এরপর সকাল ১০টায় মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যগণকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং আলোচনা সভা হয়।

    দুপুরে বাদ যোহর মোনাজাত ও প্রার্থনা, হাসপাতাল ও এতিমখানায় উন্নত মানের খাবার পরিবেশন, বিকেলে বিজয় মেলার উদ্বোধন ও প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    এম্বেসিডিং, উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও সচেতন সাধারণ মানুষ। এসব কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান, সমবায় কর্মকর্তা মোল্লা সাইফুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সড়ক কমিটির সদস্য ও প্রার্থী, জেলা দলের সাবেক আমীর ও বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত কেয়ারটেকার অধ্যক্ষ মোঃ মশিউর রহমান খান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিনুল হক টুলু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হাসান অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. ফজলুল হক, জামায়াতে ইসলামী নেতা গাজী মুনিরুজ্জামান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জাহিদুজ্জামান নান্না, সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম ও উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি, ব্যবসায়ী ও জামায়াত মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামরুল ইসলামসহ আরও অনেক ব্যক্তি ও সংগঠন। এই দিনটি ইতিহাসের গভীর স্মৃতি ও জাতির শৃঙ্খলা, ঐক্য ও স্বাধীনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধার প্রতীক হয়ে থাকে।