Blog

  • হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলল, জাহাজ চলাচল শুরু

    হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলল, জাহাজ চলাচল শুরু

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পর গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। শনিবারের বদলে বুধবার (৮ এপ্রিল) দুই দেশের মধ্যকার সমঝোতার পরেই প্রথম দুটি জাহাজ প্রণালীটি অতিক্রম করে।

    বার্তাসংস্থা এএফপির সূত্রে মেরিন ট্রাফিক (MarineTraffic) এই খবর নিশ্চিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে জানিয়েছে, গ্রিসের পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ ‘এনজে আর্থ’ আন্তর্জাতিক মান সময় সকাল ৮টা ৪৪ মিনিটে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। অন্যদিকে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘ডেটোনা বিচ’ বরাদ্দ সময় অনুযায়ী ভোর ৫টা ২৮ মিনিটে বন্দর আব্বাস থেকে রওনা হওয়ার পরে সকাল ৬টা ৫৯ মিনিটে প্রণালী পার হয়েছে।

    ইরান ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমুখী হামলার পর হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছিল। যুদ্ধবিরতি হওয়ার আগে ওই প্রণালীকে আন্তর্জাতিক জলসীমা হিসেবে ধরা হতো এবং সাধারণত সেখান দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলি কোনো দেশকে টোল দিতে হতো না। তবে ইরান যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ দিয়ে চলাচলের জন্য জাহাজ থেকে টোল নেওয়ার ঘোষণাও করেছিল।

    প্রাথমিকভাবে তেহরান বলেছিল, হরমুজে প্রবেশদ্বারের দেশ ওমানও টোল নেবে — কিন্তু পরে ওমান জানায়, তারা এমন কোনো অর্থ আদায় করবে না। পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার জন্য দক্ষ সমন্বয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

    এফএপি সূত্রে এই প্রতিবেদনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

  • খুলনা সিটি গ্রীন, ক্লিন ও ধুলামুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    খুলনা সিটি গ্রীন, ক্লিন ও ধুলামুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    খুলনায় ‘‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসী ও অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি শক্তিশালীকরণ’’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক বুধবার (৮ এপ্রিল) খুলনা কারিতাস আঞ্চলিক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, খুলনা সিটিকে গ্রীন, ক্লিন ও ধুলামুক্ত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা জরুরি। শহরের জলাবদ্ধতা নির্মূলের জন্য পরিকল্পিত কাজ করা হচ্ছে এবং বস্তিবাসীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য আলাদা একটি প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা শুধু সভা-সেমিনার করে সমাধান হবে না, এর মোকাবিলায় সবাইকে মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে হবে।

    তিনি আরও প্রতিক্রিয়া দেন যে, শহরে ইজিবাইকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ চলছে। পাশাপাশি সাইক্লোন ও নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য পরিকল্পনা গঠন করা দরকার। তিনি জানান, খুলনার উন্নয়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু করা হয়েছে।

    গোলটেবিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহম্মেদ। স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা কারিতাসের আঞ্চলিক পরিচালক আলবিনো নাথ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (কুয়েট)-এর সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। অনুষ্ঠানে কারিতাসের টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ ইম্মানুয়েল চয়ন বিশ্বাসও বক্তৃতা করেন।

    বৈঠকে এও উঠে আসে যে, বাংলাদেশে দুর্ঘটনা ঝুঁকি হ্রাস (DRR) ও জলবায়ু অভিযোজন (CCA) সংক্রান্ত বিভিন্ন নীতিমালা ও পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষায় সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির ঘাটতি রয়েছে। তাই এই গোলটেবিলের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকার, উন্নয়ন সংস্থা, গবেষক ও নাগরিক সমাজের মধ্যে নীতিগত সংলাপ সৃষ্টি করা, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনা ও তা সম্প্রসারণের উপায় চিহ্নিত করা, জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা এবং DRR-CCA-Social Protection ক্ষেত্রে সমন্বয় বৃদ্ধির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল সামাজিক সুরক্ষার জন্য সুপারিশমালা তৈরি করা।

    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা, গণমাধ্যমকর্মী, এনজিও প্রতিনিধিসহ স্থানীয় কমিউনিটি লিডাররা অংশ নেন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন।

  • চিতলমারীতে মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত

    চিতলমারীতে মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া রহমানীয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪৫)কে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাদ্রাসার অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

    আহতকে সহকর্মীরা উদ্ধার করে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। বর্তমানে তিনি ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তৃতীয় তলায় ১ নং বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটির পর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মাশুকুর রহমান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে মৈজোড়া গ্রামের আবুল কালাম শেখের ছেলে মোঃ রাসেল শেখকে বিবাদী করা হয়েছে।

    অধ্যক্ষ মোঃ মাশুকুর রহমান জানান, ‘মৈজোড়া গ্রামের আবুল কালাম শেখের ছেলে মোঃ রাসেল শেখ দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসার অস্থাবর জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাকে নিষেধ করলেও সে হুমকি দিত। বুধবার অফিস কক্ষে ঢুকে মাদ্রাসার কাগজপত্র ও মালামাল এলোমেলো করতে থাকে। তাকে বাধা দিলে রাসেল হাতে থাকা হাতুড়ি দিয়ে সহকারী অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলামকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এগিয়ে আসলে সে হুমকি দিয়ে চলে যায়।’

    অভিযোগের বিপরীতে রাসেল শেখের বাবা আবুল কালাম শেখ হাতুড়ি পেটার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সম্প্রতি মাদ্রাসায় কয়েকটি পদে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আমার ছেলের সঙ্গে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে অফিস কক্ষে তর্কবিতর্ক হয়েছে, কিন্তু ছেলেকে হাতুড়ি দিয়ে মারার কথা সত্য নয়।’

    চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • মাঠ থেকে নেতৃত্বে: বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ফেরানোই প্রধান লক্ষ্য — তামিম

    মাঠ থেকে নেতৃত্বে: বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ফেরানোই প্রধান লক্ষ্য — তামিম

    ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুর মুখে পড়েছিলেন তামিম ইকবাল। সেই সময় সংবাদমাধ্যম ও ভক্তরাও তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য উদ্বিগ্ন ছিলেন। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠা সেই সংবাদই সকলের জন্য স্বস্তির ছিল।

    এক বছর পর আবার এপ্রিল। কিন্তু এখন মাঠ নয়, প্রশাসনের শীর্ষদলেই দেখা গেল তাঁকে—বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া তামিম ইকবাল। জাতীয় দলের তৃতীয় অধিনায়ক হিসেবে দীর্ঘ খেলোয়াড়ি জীবনের পর বোর্ডের সর্বোচ্চ পদে আসা এই দিনটি হয়তো তাঁর জন্য আরও বিশেষ হয়ে থাকবে।

    প্রধানমন্ত্রীর মানবিকতায় নয়—জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ঘোষণার পর—মঙ্গলবার বিকেলের পরই দায়িত্ব গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দায়িত্ব নেওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যে বিসিবি কার্যালয়ে হাজির হয়ে পরিচিতি-বৈঠক ও অ্যাডহক কমিটির সদস্যদের সঙ্গে প্রথম বোর্ড সভা করেন তিনি। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তামিম তাঁর অগ্রাধিকার ঘোষণা করেন: ‘‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের ক্ষতিগ্রস্থ ভাবমূর্তিটা ফেরাতে হবে, সেটাই আমাদের প্রথম কাজ।’’

    তামিম বলেন, গত এক-দেড় বছরে ক্রিকেটের ভাবমূর্তিতে যে নষ্ট হওয়া অংশ দেখা গেছে, তা ঠিক করা তাদের সবচেয়ে জরুরি কাজ। সেটা শুধুমাত্র কথায় নয়—কাজ করে প্রমাণ করতে হবে। ‘‘আমরা সবাই মিলে উপলব্ধি করছি যে প্রথমেই আমাদের এটি মোকাবিলা করতে হবে।’’

    অ্যাডহক কমিটির ১১ সদস্যের মূল বাধ্যবাধকতা তিন মাসের মধ্যে বোর্ডের সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন আয়োজন করা। তামিম জানান, তারা সেই দায়িত্ব নেবে সততা ও দ্রুততায়—একই সঙ্গে দৈনন্দিন কার্যক্রমও মসৃণভাবে চালিয়ে নেবে। তিনি বলেন, ‘‘ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন আয়োজন করা আমাদের দেওয়া দায়িত্ব; আমরা যতটা সততা ও যতটা দ্রুততা করা সম্ভব, সেটাই করব। পাশাপাশি যে সকল কর্মকাণ্ড ইতোমধ্যে করা হয়েছে—বিশ্বকাপ ইস্যু সহ সবকিছু—তার সঠিক সমাধান করাও আমাদের কাজ।’’

    নতুন বোর্ড প্রধান হিসেবে তামিম বারবার জোর দেন যে ক্রিকেটকে আবার গর্বের জায়গায় নিয়ে আসাই তাদের চিরকাজ। তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘বিগত সময়গুলিতে যে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে, সেটি শোধরাতে আমাদের সবাইকে মিলেমিশে কাজ করতে হবে। সমালোচনা থাকবে, ভুলও হবে—কিন্তু আমরা ভুল থেকে শিখব এবং তাদের শুধরে উন্নতি করব।’’

    তিনি আরও বলেন, বিসিবিতে যারা কাজ করেছেন, তারা বাইরে গিয়েও গর্ব করে বলতেন ‘‘আমি বিসিবিতে কাজ করি’’—এটা আবার ফিরিয়ে আনাই হবে তাদের লক্ষ্য। ক্রিকেটারদের সম্মান নিশ্চিত করা এবং সব স্টেকহোল্ডারকে সম্মান দেখানোও তাঁদের অগ্রাধিক্য।

    সংবাদ সম্মেলনে তামিম জানান, অ্যাডহক কমিটির সদস‍্য তানজিল চৌধুরীকে বোর্ডের মুখপাত্র মনোনীত করা হয়েছে; তিনি ভবিষ্যতে বিসিবির বিভিন্ন সিদ্ধান্ত সংবাদমাধ্যমের কাছে পৌঁছে দেবেন।

    সাবেক অধিনায়ক ও সফল ওপেনার হিসেবে তামিম বার্তা দিয়েছেন—কথার বাইরে থেকে কাজ করে পরিবর্তন আনবেন তারা। ‘‘আমরা বদল আনব; কথার জন্য বলছি না, কাজ করব। ভুল হবে তো হবে—কিন্তু আমরা ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার চেষ্টা করব।’’

    নতুন দায়িত্বে তামিমের এই ঘোষণাগুলোকে মাঠ ও প্রশাসনের এক নতুন অধ্যায়ের শুরু হিসেবে দেখছেন অনেকে। এখন প্রত্যাশা থাকবে—দাবি মোতাবেক দ্রুত বাস্তবায়ন ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গিয়ে কতটা খেলাধুলার স্বচ্ছতা ও গৌরব ফিরিয়ে আনতে পারে।

  • তামিমের নেতৃত্বাধীন এডহক কমিটি ‘অবৈধ’ দাবি বুলবুলের, আইসিসির হস্তক্ষেপ চান

    তামিমের নেতৃত্বাধীন এডহক কমিটি ‘অবৈধ’ দাবি বুলবুলের, আইসিসির হস্তক্ষেপ চান

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) যে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট স্বাধীন তদন্ত কমিটির রিপোর্টে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) শেষ নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্বলতা দেখেছে—তার পরিপ্রেক্ষিতে এনএসসি অভিভাবক হিসেবে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের পরিচালনা পর্ষদকে ভেঙে ১১ সদস্যের একটি এডহক কমিটি গঠন করেছে। তবে সেই কমিটিকে অবৈধ দাবি করেছেন বিসিবির সাবেক সভাপতি বুলবুল, এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)কে হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানিয়ে দিয়েছেন যাতে নতুন এডহক কমিটি কার্যক্রম শুরু করতে না পারে।

    বুলবুল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে সরকারি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে, যা বিসিবির সংবিধান এবং আইসিসির নিয়মের পরিপন্থী। তিনি বলেন, এনএসসিতে ৫ এপ্রিল জমা হওয়া তদন্ত প্রতিবেদনটি পূরণকর্তৃত্বহীন এবং অনভিপ্রেত; তাই তিনি সেটি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ খণ্ডন করেছেন।

    তদন্ত কমিটি ২০২৫ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ‘অনিয়ম ও কারসাজি’সহ বহু দূর্বলতা পেয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করেছে—তবে বুলবুল সে সব অভিযোগ নাকচ করে দাবি করেছেন, নির্বাচন স্বচ্ছ ও সুষ্ঠভাবে হয়েছে। তিনি তদন্ত প্রতিবেদনের আইনগত ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন; প্রতিবেদনের উপসংহারকে ত্রুটিপূর্ণ, খামখেয়ালি ও ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছেন।

    বুলবুলের তর্ক, নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন সংবিধান মেনে কাজ করেছে। সেই কমিশনে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজিপি ও সিআইডি প্রধান সিবগাত উল্লাহ এবং এনএসসির নির্বাহী পরিচালক। বুলবুল দাবি করেছেন, তামিম ও জড়িতদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠেছিল—ক্লাব কাউন্সিলরপদ সংক্রান্ত ১৫টি বিষয়—তেগুলোও আংশিক বিচারিক শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানিয়েছেন, বিসিবি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হওয়ায় তার নির্বাচনী প্রক্রিয়া তদন্ত করার সাবলীলতা এনএসসির নেই। আইসিসির নিয়ম অনুসারে কোনো ক্রিকেট বোর্ডে সরকারি হস্তক্ষেপ থাকা বারণ—এটি তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের উদ্যোগে যে তদন্ত প্রক্রিয়া চালানো হয়েছে, তাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক বলে অভিহিত করেছেন।

    এনএসসি যখন বুলবুলের বোর্ড ভেঙে নতুন এডহক কমিটি গঠন করে, সে তথ্য তারা আইসিসিকে ইমেইলে পাঠিয়ে নিশ্চিত করেছে বলেও জানানো হয়। 이에 বুলবুল ওই এডহক কমিটিকে ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ ও ‘ভুয়া সংস্থা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন এবং বলেছেন, এটি বিসিবির সংবিধান ভঙ্গ করার পাশাপাশি আইসিসির সরকারি হস্তক্ষেপ সম্পর্কিত নিয়মও লঙ্ঘন করছে।

    বুলবুল আইসিসিকে অনুরোধ করেছেন বিষয়টি খতিয়ে দেখে এবং নতুন এডহক কমিটিকে কাজ করতে না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন, এনএসসির এ ধরনের পদক্ষেপ বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে এবং সরকারি হস্তক্ষেপের ফলে তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।

    শেষে বুলবুল পুনরায় দাবি করেছেন—এডহক কমিটি ও তদন্ত প্রতিবেদন দুটোই অবৈধ, এবং হাইকোর্ট কোনো ভিন্ন রায় না দেওয়া পর্যন্ত তিনি নিজেই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি বলেই থাকবেন। তিনি চেয়েছেন দ্রুত আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দেখে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিক।

  • হত্যাচেষ্টার মামলায় আরএস ফাহিমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে

    হত্যাচেষ্টার মামলায় আরএস ফাহিমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমকে হত্যাচেষ্টা মামলায় আজ সোমবার (তারিখ অনুযায়ী) ঢাকার একটি আদালত গ্রেপ্তার দেখেছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা ওই হত্যা-চেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন।

    আদালতে আসামি ফাহিমকে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন। শুনানির পর আদালত তাকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানো ও আদালতের হাজতখানায় নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

    ঘটনার আগে রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে জনতা ও একদল শিক্ষার্থী তাকে আটক করে। পরে তারা তাকে শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে; এরপর তাকে গুলশান থানায় পাঠানো হয়। ৩০ মার্চ গুলশান থানা তাকে মো. ইমরান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায়।

    ব্যবস্থাপনা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুর বছিলা এলাকায় র‌্যাব কোয়ার্টারের সামনে মিছিল চলাকালীন বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মিছিলে গুলিবর্ষণ হয়। এতে একজন নাগরিক মাসুদ হোসাইন আহত হন ও হাসপাতালে ভর্তি হন; পরে বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তার অপারেশনও হয়।

    গত বছরের ২৪ আগস্টও আলোচনায় এসেছিলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিম; তখন বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে আটক করে যাত্রাবাড়ীর এক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর খবর উঠে আসে। সেই ঘটনাসহ গত বছরের জুলাইয়ে আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের প্রতি তার অবস্থানের কারণে ফাহিমের নাম বিভিন্নবার আলোচনা ও বিতর্কে এসেছে।

  • পানমশলা বিজ্ঞাপনের মামলায় সাময়িক রেহাই পেলেন সালমান খান

    পানমশলা বিজ্ঞাপনের মামলায় সাময়িক রেহাই পেলেন সালমান খান

    পানমশলা বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই চলা মামলায় সম্প্রতি সাময়িক রেহাই পেলেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। একের পর এক শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় আদালত আগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলেও এখন রাজস্থান হাই কোর্টের স্থগিতাদেশে তিনি নির্দিষ্ট একটি হাজিরা থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল জয়পুর জেলা উপভোক্তা কমিশন-২-এর কাছে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ ছিল সালমানের। ওই নির্দেশের ওপর রাজস্থান হাই কোর্ট স্থগিতাদেশ জারি করেছে, ফলে সে দিনের জন্য তাকে হাজিরা দেয়ার বাধ্যবাধকতা উঠেছে।

    এই মামলা দায়ের করেছিলেন যোগেন্দ্র সিংহ বাদিয়াল। বাদিয়ালের অভিযোগ, একটি পানমশলা বিজ্ঞাপনে কাজ করার ফলে পণ্যগুলোকে ‘জাফরান বা তবক মিশ্রিত এলাচ’ ও ‘জাফরান মিশ্রিত পানমশলা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, অথচ বাস্তবে তা নয়—ফলশ্রুতিতে ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বিজ্ঞাপন।

    অভিযোগের ভিত্তিতে বছরের শুরুতে উপভোক্তা কমিশন ওই পণ্যের প্রচারে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। এরপরও পরে জয়পুর ও কোটার মতো শহরে বিলবোর্ডসহ বিজ্ঞাপন দেখা যাওয়ার পর কমিশন মনে করে তাদের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে, এবং সেই কারণেই মামলাটি হয়ে ওঠে তীব্র। কখনও শুনানিতে তার অনুপস্থিতি, কখনও বিজ্ঞাপনের প্রচার—এসব মিলিয়ে আদালত রেকর্ডে কড়া পদক্ষেপও নিয়েছিল।

    এদিকে খবরটি আসার সময়ে সালমান তাঁর নতুন সিনেমা ‘মাতৃভূমি’ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন; শুটিং ইতোমধ্যেই শেষ বলে জানা গেছে। পুলিশি নির্দেশনা ও আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হবে, সেটাই এখন নজরকাড়া বিষয়।

  • কুয়াকাটা সাবমেরিন ক্যাবল রক্ষণাবেক্ষণে চার দিন ইন্টারনেট ধীরগতি বা বিঘ্নের সতর্কতা

    কুয়াকাটা সাবমেরিন ক্যাবল রক্ষণাবেক্ষণে চার দিন ইন্টারনেট ধীরগতি বা বিঘ্নের সতর্কতা

    আগামী বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত ১০টা থেকে সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভোর ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে ইন্টারনেট সেবাতে ধীরগতি বা আংশিক বিঘ্ন ঘটতে পারে। এ নিয়ে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কুয়াকাটায় স্থাপিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল SEA-ME-WE-5 (SMW5)-এর কনসোর্টিয়াম ‘S.1.5.1 Shunt Fault Repair’ শীর্ষক একটি রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এর ফলে ওই ক্যাবলের মাধ্যমে সিঙ্গাপুরমুখী সার্কিটগুলো সাময়িকভাবে প্রভাবিত হবে।

    বিএসসিসিএলের ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমটি ৯ এপ্রিল রাত ১০টা থেকে ১৩ এপ্রিল ভোর ৬টা পর্যন্ত মোট ৩ দিন ৮ ঘণ্টা চলবে। এটি Traffic Affecting হওয়ায় সাধারণ গ্রাহকরা ইন্টারনেটের ধীরগতি বা আংশিক সেবা বিঘ্নের মুখোমুখি হতে পারেন।

    তবে বিএসসিসিএল নিশ্চিত করেছে যে, অন্য সাবমেরিন ক্যাবল SEA-ME-WE-4 (SMW4)-এর মাধ্যমে সেবা আগের মতোই অব্যাহত থাকবে এবং কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বাভাবিক সেবা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।

    গ্রাহকরা প্রয়োজনবোধে তাদের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) সাথে যোগাযোগ করতে পারেন এবং সম্ভাব্য ব্যাহত পরিষেবার জন্য ধৈর্য ধরা অনুরোধ করা হচ্ছে।

  • শিক্ষামন্ত্রী: সারা দেশে ২ হাজার ৮৩৯টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই

    শিক্ষামন্ত্রী: সারা দেশে ২ হাজার ৮৩৯টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই

    শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সারা দেশে মোট ২ হাজার ৮৩৯টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। এসব গ্রামে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষা নেওয়ার উপযোগী শিশুদের সংখ্যা প্রায় পৌনে তিন লাখ—সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী এটি ২৭৬,৫১৩ জন।

    আজ জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন (ফেনী-২) যে প্রশ্নটি করেছেন, তার উত্তর দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই এবং সমস্যা সারা দেশ জুড়ে বিস্তৃত।

    বিভাগভিত্তিক বিবরণে মন্ত্রী জানিয়েছেন, ঢাকায় ৭১৭টি গ্রামে, চট্টগ্রামে ৮১৮টি, রাজশাহী বিভাগে ৩৫৫টি, রংপুরে ৩৭টি, খুলনায় ৩৪১টি, বরিশালে ৪৫টি, সিলেটে ২৬০টি এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ২৬৬টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই।

    একই সংসদী পর্বে জামায়াতে ইসলামী দলীয় সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাভুক্ত মোট ২৪ হাজার ৩২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪ হাজার ৫৯টি প্রতিষ্ঠানে এখনও সরকারি অর্থায়নে ভবন নির্মাণ করা হয়নি। তিনি জানান, সরকার ধাপে ধাপে সুবিধাবঞ্চিত এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ বাস্তবায়ন করছে।

    মন্ত্রী এসব তথ্য উপস্থাপন করে বললেন যে, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিদ্যালয় বিস্তারের মাধ্যমে গ্রাম পর্যায়ে শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোই তাদের প্রধান লক্ষ্য। সরকারের উদ্যোগ ও বাস্তবিক পরিকল্পনা কত দ্রুত ফল দেবে—এটি সময়ের সঙ্গে স্পষ্ট হবে।

  • মির্জা ফখরুলের সতর্কবার্তা: কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন ছড়াতে চাইছে

    মির্জা ফখরুলের সতর্কবার্তা: কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন ছড়াতে চাইছে

    বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সমাজে বিভাজন ও বিদ্বেষকে ফেরার পথ দেখতে দেওয়া যাবে না; পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধের ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। তিনি বিশেষভাবে সতর্ক করে বলেন, কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং তা রুখে দিতে সবাইকে মনোযোগী হতে হবে।

    রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানি অ্যাভিনিউয়ে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব ‘ইস্টার সানডে’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। অনুষ্ঠানে তিনি সমাজ থেকে ‘ঘৃণা’ শব্দটিকে চিরতরে ত্যাগ করার আহ্বান জানান এবং মত দেন, ঘৃণা নয়—মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যই হওয়া উচিত আমাদের চলার মূল শক্তি।

    ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষকে ধারণ করার এক অনন্য উদাহরণ। এখানে ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বী, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধধর্মের অনুসারীরাও মিশে আছে এবং দীর্ঘকাল ধরে এই ভূখণ্ডে সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে এসেছে। অতীতেও ধর্মভিত্তিক বিভাজন প্রচেষ্টা দেখেছে দেশ; সেসব থেকে সবাইকে উঠেপড়ে পরিত্রাণ পেতে হবে বলেও তিনি জোর দিয়ে মন্তব্য করেন।

    খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, তাদের সমর্থন ও সহযোগিতায় আগামীতে একটি সমৃদ্ধ সরকার গঠন করতে চান—and বলেন যে দেশের উন্নয়নের জন্য সামনে অনেক কাজ রয়েছে, সেগুলো সফল করতে সবাইকে একভাবে এগিয়ে যেতে হবে।