Blog

  • দেশের জন্য বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন বিপাশা হায়াত

    দেশের জন্য বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন বিপাশা হায়াত

    বিপাশা হায়াত—নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী, গুণী চিত্রশিল্পী ও নাট্যকার। মঞ্চ থেকে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র—যে কোনো মাধ্যমেই দর্শকদের মন জয় করেছেন তিনি।

    সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে এক পডকাস্টে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিপাশা। আলাপচারিতায় শিল্পজীবন, চলচ্চিত্র ও অভিনয়ের নানা স্মৃতি শেয়ার করার পাশাপাশি তিনি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তগুলো নিয়েও কথা বলেছেন।

    সঞ্চালক যখন ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ জাতীয় প্রস্তাব এবং বলিউডের অফারের বিষয়ে জানতে চান, তখন বিপাশা জানান যে বলিউডের যেটা প্রস্তাব এসেছিল সেটি এত পুরনো সময়ের নয়—ভিন্ন সময়ে এসেছে। তিনি খুলে বলেন, বলিউডের এক ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেতেন। ছবির নাম মনে না থাকলেও যে ব্যক্তি ফোন করেছিলেন তার নম্বর এখনও তার ফোনে সেভ আছে এবং তাদের সঙ্গে কয়েকবার কথাও হয়েছে বলে তিনি জানান।

    বিপাশা অভিযোগ করেননি, বরং প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পেছনে তার নৈতিক ও আবেগীয় কারণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘‘আমার মনে হতো আমি যদি সেখানে গিয়ে ছোটো কোনো চরিত্র করে আসি, তাহলে হয়তো আমার দেশের মানুষকে আমি ছোট করে দেখাব। আমার দর্শকরা আমাকে যেভাবে গ্রহণ করেছেন, তাদের সম্মান আমি রাখবই।’’

    তিনি আরও বলেন, তিনি নিজেকে কেবল একজন তারকা হিসেবে দেখেন না, বরং একটি পাবলিক ফিগার হিসেবে নিজের দায়িত্বও মেনে চলতে চান। ‘‘পাবলিক ফিগার হওয়ার একটা বড় দায়িত্ব আছে—প্রতিটি কাজের মাধ্যমে সেই দায়িত্ববোধটা বহন করা উচিত,’’ বললেন তিনি। বিপাশা ও বলতে ছাড়েননি যে মানুষের ভালোবাসা তার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান—এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস এবং অনেক সংঘাতের পিছনে ভালোবাসার অভাবই দায়ী। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই তিনি মনে করেছিলেন বিদেশে গিয়ে কোনো অপ্রাসঙ্গিক কাজ করে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা নষ্ট করতে চাইবেন না।

    আলোচনার শেষে বিপাশা তাঁর দর্শক ও দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, সেই সম্মান আর ভালোবাসাই তাঁর কর্মজীবনের মূল প্রেরণা।

  • শাকিব খানের আইডিয়ায় তৈরি হচ্ছে ‘রকস্টার’; নায়িকা সাবিলা নূর নিশ্চিত

    শাকিব খানের আইডিয়ায় তৈরি হচ্ছে ‘রকস্টার’; নায়িকা সাবিলা নূর নিশ্চিত

    ‘তাণ্ডব’র পর আবারও জুটি বাঁধছেন শাকিব খান ও সাবিলা নূর। সেট থেকে ফাঁস হওয়া কিছু ভিডিও ও গুঞ্জনের পর এবার পরিচালক আজমান রুশো رسمیভাবে জানালেন, ‘রকস্টার’ সিনেমার নায়িকা হচ্ছেন সাবিলা নূর। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শাকিব খানের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়েছে এবং শাকিবই কেশনে সম্মতি দিয়েছেন।

    আজমান রুশো বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে রকস্টার চরিত্রে সাবিলা খুব ভালো লাগবে। শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি—সাবিলা এই চরিত্রের জন্য একদম পারফেক্ট।’ তিনি যোগ করেন, শুধুই কাস্টিং নয়, সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোও শাকিবের সঙ্গে আলোচনা করেই নেয়া হয়েছে।

    রুশো বলেন, ‘এই সিনেমা মূলত শাকিবের আইডিয়ায় নির্মিত হচ্ছে। তিনি নিজে এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন, তারপর থেকেই রকস্টারের গল্প লেখা শুরু করি।’ পরিচালক আরও জানান, অভিনেতা হওয়ার আগেই তিনি মিউজিশিয়ান ছিলেন এবং মিউজিশিয়ানদের জীবন-ঘটনা নিয়ে দীর্ঘ সময় গবেষণা করেছিলেন—এটাই শেষ পর্যন্ত এই ছবির অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    তিনি স্মৃতিময়ভাবে উল্লেখ করেন, ‘শাকিব ভাই যখন প্রথম বললেন তিনি পর্দায় রকস্টার হতে চান, সেটা শুনে মনে হয়েছিল যেন স্বপ্ন সত্যি হয়ে গেল। মিউজিশিয়ানদের জীবন থেকে পাওয়া নানা অভিজ্ঞতা এখন পর্দায় দেখানোর সুযোগ পাচ্ছি।’

    ছবির নাম ও পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই চলেছে গুঞ্জন, বিশেষ করে ইমতিয়াজ আলির ‘রকস্টার’ ছবির সঙ্গে কোনো মিল আছে কি না। এ প্রসঙ্গে রুশো বলেছেন, ‘ইমতিয়াজ আলীর রকস্টার আমারও খুব পছন্দের। তবু বলতে চাই, আমার সিনেমার নাম একই হলেও এটি কোন পুরনো ছবির অনুকরণ নয়। রকস্টার নামে আরও বেশ কিছু চলচ্চিত্র আছে, আমাদের কাজ একেবারেই আলাদা।’

    রকস্টারের গল্প সম্পর্কে তিনি জানালেন, ‘এটি এক রকস্টারের জীবন কাহিনী—এখানে আছে পরিবার, ভালোবাসা, ট্র্যাজেডি। সারমর্মে এটি জীবনের এক গল্প।’

    রকস্টার প্রযোজনা করছে সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড। চিত্রনাট্য লিখেছেন আয়মান আসিব স্বাধীন। ছবির আনুষ্ঠানিক চরিত্রভবন, শুটিং শিডিউল ও অন্যান্য বিস্তারিত আগামী ঘোষণা করা হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

  • সন্ধ্যা ৬টার পর সিনেমার শো বন্ধ ঘোষণা

    সন্ধ্যা ৬টার পর সিনেমার শো বন্ধ ঘোষণা

    ঈদের আনন্দের মধ্যেই প্রেক্ষাগৃহ প্রেমীদের জন্য একটি হতাশাজনক খবর ছড়িয়ে পড়েছে। রাজধানীর জনপ্রিয় মাল্টিপ্লেক্স চেইন ব্লকবাস্টার সিনেমাস শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ৫ এপ্রিল থেকে তারা প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টার পর সকল সিনেমার শো বন্ধ রাখবে। এই সিদ্ধান্ত অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য কার্যকর থাকবে বলে আসছে কর্তৃপক্ষের ঘোষণা।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের সর্বশেষ জরুরি নির্দেশনা অনুযায়ী, সন্ধ্যার পর দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধের নিয়ম চালু থাকায় তারা এই সাময়িক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর ফলে সাধারণত সবচেয়ে বেশি দর্শক আগের সময়ের শোগুলোর জন্য অপেক্ষা করে থাকেন, যা দর্শকদের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশার সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে যারা ঈদের ছুটিতে সিনেমা দেখার পরিকল্পনা করেছিলেন, তাদের জন্য এই খবর বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে।

    একইসঙ্গে, প্রেক্ষাগৃহের তরফে জানানো হয়েছে, ৫ এপ্রিল থেকে সন্ধ্যার পরের শোয়ের জন্য নেওয়া আগাম টিকিট থাকলে, তা ফেরত দেওয়া হবে নিয়ম মেনে।

    অন্যদিকে, দেশের সবচেয়ে বড় মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সও একই সিদ্ধান্ত নিয়ে চলছে। সেখানে জানানো হয়েছে, তারা সরকারি নির্দেশনা পর্যালোচনা করছে এবং ৫ ও ৬ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টার পরের সব শো স্থগিত রাখা হয়েছে। ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে updates জানানো হবে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে।

    সিনেমা হলে আগাম টিকিট না বিক্রি করায় দর্শকদের রিফান্ডে কোনো জটিলতা হচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    বিশ্লেষকদের মতে, শুধু বড় মাল্টিপ্লেক্স নয়, অন্যান্য প্রেক্ষাগৃহগুলোও এ ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। এ পরিস্থিতি চলতি সিনেমা বাজারের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। এই সিদ্ধান্তের ফলে দর্শকদের সিনেমা দেখার অনলাইন বা মাল্টিপ্লেক্সে আসার সুযোগ খুবই সীমিত হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • ধুরন্ধর ২: ১৭ দিনে কত আয় করল বলিউডের স্পাই থ্রিলার

    ধুরন্ধর ২: ১৭ দিনে কত আয় করল বলিউডের স্পাই থ্রিলার

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রণবীর সিংয়ের স্পাই থ্রিলার চলচ্চিত্র ধুরন্ধর ২ মুক্তির ১৭ দিন পরেও বক্স অফিসে শক্তিশালীভাবে আয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। স্যাকনিল্কের terbaru পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ছবিটি মুক্তির তৃতীয় শনিবার প্রায় ২৫.৬৫ কোটি টাকা আয় করেছে।

    অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ ছবির প্রথম সপ্তাহে সংগ্রহের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬৭৪.১৭ কোটি টাকা। দ্বিতীয় সপ্তাহে এ সংগ্রহ আরও যোগ হয় ২৬৩.৬৫ কোটি টাকা। মোট মিলিয়ে ভারতে এ চলচ্চিত্রের আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ কোটি টাকা, যা দর্শকদের মধ্যেও বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

    প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চলচ্চিত্রটি ১,০০০ কোটি টাকার ক্লাবের মধ্যে ঢুকে যাবে। ইতোমধ্যেই এটি জনপ্রিয় ব্লকবাস্টার সিনেমা like আরআরআর, কল্কি ২৯১৮ এডি, কেজিএফ: চ্যাপ্টার ২, জওয়ান, পাঠান, স্ত্রী ২ এবং অ্যানিমেল-এর উপর কালেকশন তুলনায় এগিয়ে গেছে। তবে শীর্ষে থাকতে অন্য বড় বড় ছবির রেকর্ড ভাঙতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশন ও পুষ্পা ২: দ্য রাইজ। ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম কিস্তি বিশ্বজুড়ে ১৩০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছিল।

    এর আগে, প্রথম কিস্তিতে রণবীর সিং হামজা নামের এক ভারতীয় গুপ্তচরের চরিত্রে অভিনয় করেছিল। এখনকার কিস্তিতে দেখানো হয় জাসকিরাত সিং রাঙ্গির উত্থানের গল্প এবং কিভাবে সে দুর্ধর্ষ গুপ্তচর হামজা আলি মাজারিতে রূপান্তরিত হয়।

    আদিত্য ধর পরিচালিত এই স্পাই অ্যাকশন থ্রিলারে রণবীর সিং ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্জুন রামপাল, মাধবন, সঞ্জয় দত্ত, রাকেশ বেদী ও সারা অর্জুন। এ ছাড়াও এতে উপস্থিত রয়েছেন দানিশ পান্ডো, উদয়বীর সান্ধু এবং মূলত ক্রমশরণে একটি বিশেষ চমক হিসেবে রয়েছে পরিচালক আদিত্য ধরের স্ত্রী অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমের ক্যামিও। এই সিনেমা দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে এবং সিনেমার ব্যবসায়িক সম্ভবনাও বিশাল।

  • হত্যাচেষ্টা মামলায় আরএস ফাহিমের গ্রেপ্তার

    হত্যাচেষ্টা মামলায় আরএস ফাহিমের গ্রেপ্তার

    হত্যাচেষ্টা মামলায় আরএস ফাহিম নামে পরিচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রে থাকা রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার এক হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

    আদালতে আজ আসামি ফাহিমকে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম তার গ্রেফতারির আবেদন জানান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন মোহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন, যারা তার গ্রেফতারি প্রত্যাখ্যান করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ প্রহরায় তাকে আদালতের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    এর আগে, রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল চারটার দিকে রাজধানীর মিরপুরে চিড়িয়াখানার সামনে থেকে জনতা ও শিক্ষার্থীদের একটি দল তাকে আটক করে। পরে তাদের কাছে তিনি গুলশান থানায় হস্তান্তর করেন। পরে, ৩০ মার্চ, গুলশান থানায় জড়িত অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং কারাগারে পাঠানো হয়।

    সূত্রমতে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় র‌্যাবের কোয়ার্টারের সামনে মিছিল চলাকালে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় পুলিশি হামলায় আহত হয়েছিলেন মাসুদ হোসাইন, যিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে বুকে ইনফেকশন ধরা পড়ে। তার চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে তার বুকে অপারেশন হয়।

    অতীতে, গত বছরের ২৪ আগস্ট, আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও একটি বেসরকারী টেলিভিশনের মালিক নাসির উদ্দিন সাথীর ছেলে তৌহিদ আফ্রিদিকে বরিশাল থেকে আটক করার পরে তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ী থানার আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারি হয়। এরপর, তরুণ যুগের স্টান্ট রাইডার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমের নাম আলোচিত হয়। গত বছর জুলাই মাসে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে তার নাম আলোচনায় আসে; এটি তরুণ সমাজের মধ্যে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে।

  • মামলা থেকে মুক্তি পেলেন সালমান খান

    মামলা থেকে মুক্তি পেলেন সালমান খান

    ঘাড়ের ওপর পানমশলা বিজ্ঞাপনের মামলা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঝামেলায় ছিলেন সালমান খান। এ মামলায় একের পর এক শুনানিতে অনুপস্থিত থাকার কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। তবে সম্প্রতি কিছু সুখবর মিলেছে, তাকে সাময়িকভাবে राहत দেওয়া হয়েছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুসারে, ১৩ এপ্রিল জয়পুর জেলা উপভোক্তা কমিশনে সালমানকে হাজিরার নির্দেশ ছিল। কিন্তু এই নির্দেশের বিষয়ে স্থগিতাদেশ দেন রাজস্থান হাই কোর্ট। ফলে, নির্দিষ্ট দিনে তিনি যেসব শুনানিতে হাজির হওয়ার কথা ছিল, তার সংবিধান ও দায়িত্ব থেকে রেহাই পেলেন।

    সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন যোগেন্দ্র সিংহ বাদিয়াল, যিনি দাবি করেছিলেন, একজন পান মশলার বিজ্ঞাপনে কাজ করার জন্য সালমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ পেশ করা হয়েছে।

    অভিযোগে তিনি বলেন, পণ্যগুলোকে ‘জাফরান বা তবক মিশ্রিত এলাচ’ এবং ‘জাফরান মিশ্রিত পানমশলা’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও আদতে তা নয়। এই মিথ্যা দাবি ক্রেতাদের বিভ্রান্তির জন্য করা হয়েছে, যেন ক্রেতারা বিশ্বাস করে, এই পণ্যগুলো নিরাপদ।

    অভিযোগের ভিত্তিতে বছরের শুরুতে উপভোক্তা কমিশন এই পণ্যগুলোর প্রচারে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরে, জয়পুর ও কোটা শহরে বিলবোর্ড ও বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখা যায়, যা দেখে komisন মনে করেন, এর মানে তাদের আদেশ অমান্য করা হয়েছে।

    বর্তমানে সালমান খান তার নতুন ছবি ‘মাতৃভূমি’ এর শুটিং ব্যস্ত। এই ছবির নামের পরিবর্তনের আগে এটি ‘ব্যাটেল অব গলওয়ান’ নামে পরিচিত ছিল। তিনি এরই মধ্যে শুটিং সম্পন্ন করেছেন এবং নতুন ছবির জন্য আপ্লুত তার দর্শকরা।

  • অভিনেত্রী বিপাশা বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন

    অভিনেত্রী বিপাশা বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন

    জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী, প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও নাট্যকার বিপাশা হায়াত। তিনি নব্বই দশকের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী। মঞ্চ, টিভি এবং চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের মন জয় করেছেন। সম্প্রতি তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন। দেশে ফিরে তিনি একটি পডকাস্টে তার অভিজ্ঞতা ও জীবনের নানা দিক নিয়ে কথোপকথন করেন। এই আলোচনায় তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় ও ক্যারিয়ারের নানা ঘটনার কথা জানান।

    সঞ্চালক জানতে চান, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার প্রস্তাবের পাশাপাশি যখন বলিউড থেকে প্রস্তাব এসেছিল, তার বিষয়ে তিনি কি বলেছেন। জবাবে বিপাশা জানান, বলিউডের প্রস্তাবটি তেমন আগে নয়, বরং কিছুদিন পরে এসেছিল।

    তিনি আরো বলেছিলেন, বলিউডের সিনেমায় তাকে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সিনেমার নাম মনে করতে না পারলেও, যে লোক ফোন করেছিলেন, তার নম্বর এখনো তার ফোনে সেভ করে আছে। তিনি জানান, তাদের মধ্যে কয়েক বার কথাও হয়েছে।

    বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে বিপাশা বলেন, তখন তিনি মনে করেছিলেন, তিনি যেনতেন চরিত্রে অভিনয় করে নিজ দেশের মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান কমাতে চান না। তিনি মনে করেছেন, দেশের দর্শক তাকে এইভাবে গ্রহণ করেছে। ওখানে গিয়ে এমন কিছু করতে চাননি, যা তাদের ভাবনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

    বিপাশা আরো ব্যাখ্যা করেন, তিনি নিজেকে তারকা নয়, বরং একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে দেখতে চান। এই দায়িত্বটা বেশ গুরুতর এবং প্রত্যেক কাজের মাধ্যমে এই দায়িত্ব পালন করাটা তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের ভালোবাসাই তার জন্য সবচেয়ে মূল্যবান। তিনি মনে করেন, পৃথিবীতে যত ভয়, দ্বন্দ্ব ও হানাহানি হয় সবই আসলে ভালোবাসার অভাব বা অভাবের কারণে। সেই কারণেই বলে, মানুষের ভালোবাসা পৃথিবীতে সবথেকে বড় সম্পদ। এই মূল্যবান ভালোবাসা পেতে ও দেয়ার ক্ষেত্রে তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশ ছেড়ে অন্য কোথাও গিয়ে আরও ভালো কিছু অর্জন সম্ভব নয়।

  • টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে দলসংখ্যা ও সূচির পরিবর্তন আসছে

    টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে দলসংখ্যা ও সূচির পরিবর্তন আসছে

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (ডব্লিউটিসি) এর ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের চিন্তা করছে। এক সদ্যপ্রস্তাবিত পরিকল্পনায় আগামী চক্রে একক ম্যাচের টেস্ট (ওয়ান-অফ টেস্ট) অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। এর পাশাপাশি, দলসংখ্যা বাড়িয়ে ১২টি করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

    আইসিসির একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ, যার নেতৃত্বে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার রজার টউস, এই পরিবর্তনগুলো নিয়ে কাজ করছে। আশা করা যাচ্ছে, চলতি মাসের শেষ কিংবা মে মাসের শুরুতে এই সুপারিশগুলো বোর্ডের সভায় উপস্থাপন হবে।

    বর্তমানে, সূচি বিভ্রান্তি ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের প্রভাবের কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সমস্যায় রয়েছে আইসিসি। এর সমাধানে এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে, দুই-স্তরের (টু-ডিভিশন) ডব্লিউটিসি মডেল প্রস্তাব করা হলেও বিভিন্ন পূর্ণ সদস্য দেশের আপত্তিতে তা বাতিল হয়ে যায়।

    নতুন পরিকল্পনায় জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের মত দেশগুলো এই চক্রের অংশ হতে পারে। ২০১৯ সালে ডব্লিউটিসি চালুর সময় পূর্ণ সদস্য হিসেবে থাকা সত্ত্বেও এই তিনটি দলকে এইমধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। যার ফলে, তারা নিয়মিত টেস্ট খেললেও বড় দলের বিপক্ষে সুযো​গগুলো খুবই সীমিত।

    বর্তমানে, ডব্লিউটিসির প্রতিটি সিরিজে অন্তত দুই টেস্ট থাকতেই হয়। কিন্তু অনেক বড় বোর্ডের জন্য এই ধরনের সিরিজ আয়োজন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক নয়। তাই, ছোট দলগুলোর সঙ্গে এক ম্যাচের টেস্টের ব্যবস্থাপনাকে পয়েন্ট কাঠামোর মধ্যে আনার প্রস্তাব তোলে হয়েছে, যা এই সমস্যা সমাধানের দিকে একটি পদক্ষেপ।

    এই পরিবর্তনের ফলে, জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের মতো দলগুলো সহজেই সূচিতে জায়গা পাবে। যেমন, কোনও দল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়ার পথে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে একটি টেস্ট খেলতে পারে, বা ইংল্যান্ডের মতো দেশ তাদের গ্রীষ্মকালীন ব্যস্ত সূচির মধ্যে একটি ওয়ান-অফ টেস্ট আয়োজন করতে পারবে।

    কিন্তু এই পরিকল্পনা কার্যকর করতে হলে দুটি বড় বিষয় বিবেচনা করতে হবে। প্রথমত, ওয়ান-অফ টেস্টকে ডব্লিউটিসির অংশ হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া কি সম্ভব, এবং দ্বিতীয়ত, এই তিন দলের জন্য দুই বছর ধরে বাড়তি টেস্ট খেলা আর্থিকভাবে টেকসই হবে কি না।

    এছাড়া, আইসিসির পরবর্তী বোর্ড সভার আয়োজনও এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে। পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের সংকটের কারণে পূর্বের বৈঠকটি স্থগিত হয়, এবং নতুন বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও সময় ও ভেন্যু এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

  • এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে শুরু হতে পারে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)

    এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে শুরু হতে পারে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আলোচনায় নতুন দিকনির্দেশনায় ঢাকার ক্লাব সংগঠকদের সঙ্গে আলোচনা শেষে জানা গেছে, এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে ডিপিএল শুরু হতে পারে। এই সিদ্ধান্ত আসতে পারে ১৩ এপ্রিল, যেখানে চূড়ান্ত অনুমোদন সম্ভব। অচলাবস্থার মাঝখানে, যেখানে আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজের কারণে মে মাসে খেলতে চায় ক্লাবগণ, সেখানে বিসিবি ২২ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে লিগ শুরুর পরিকল্পনা করেছে। তবে ক্লাবগুলো চাইছে, মে মাসের 5 তারিখের আগে ডিপিএল শুরু করা।

    গত কয়েক মাসে, আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডের অধীন সব ধরণের ক্রিকেট বর্জন করে আন্দোলনের মুখে ছিল ঢাকার ক্লাব সংগঠকরা। বোর্ডের অবস্থা অস্থির থাকায় মাঠে গড়ায়নি সূচনাশীন এর ব্যাপারটি। পূর্বে, নির্বাচনের সময় অবৈধ অনিয়ম ও দুর্বলতার কারণে এনএসসি তাদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিয়ে বোর্ড ভেঙে দেয়। এখন, তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন ১১ সদস্যবিশিষ্ট এডহক কমিটি এই দায়িত্ব নিয়েছে। কমিটির প্রথম দিনই, বিসিবি কর্তৃপক্ষ ক্লাব প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে আলোচনা চালিয়ে যায়।

    উপস্থিত ছিলেন আবাহনী ও মোহামেডানের প্রতিনিধিরা, তবে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ও ব্রাদার্স ইউনিয়নের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এরপরেও, বেশ কয়েকটি ক্লাবের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা সফল হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ডিপিএল ২২ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে শুরু হবে, তবে ক্লাব পর্যায়ে এর পক্ষে মতামত প্রকাশ করেছেন তারা, যেখানে তারা চাচ্ছে টুর্নামেন্টটি 5 মে থেকে শুরু হোক।

    নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ সফর চলাকালীন, এই মাসের মধ্যে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে নিউজিল্যান্ড। সিরিজ শেষ হবে 2 মে, ফলে লিগের সময় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি উঠে আসছে। জানা গেছে, ১৩ এপ্রিল এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এবারের ডিপিএল দুই লেগে নয়, বরং সিঙ্গেল লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। সময়ের অপচয় রোধে, বিসিবি সুপার লিগ ছেড়ে দিয়েছে। প্রতিটি ক্লাব একটি করে ম্যাচ খেলবে, মোট ১১ রাউন্ড। সেই শেষে, পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান থাকা দলটি চ্যাম্পিয়ন হবে।

    হান্নান সরকার বলেন, ‘এটি একটি বড় সিদ্ধান্ত, যে আমরা একমত হয়েছি। সাধারণত ডিপিএলের চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণের জন্য সুপার লিগ হয়, কিন্তু এবার তা পরিবর্তন করে সিঙ্গেল লিগে নিয়ে আসা হয়েছে, যাতে মৌসুমের প্রবাহ ঠিক থাকে।’

    এছাড়া, এই মৌসুমে ভেন্যুর সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। গত বছরগুলোতে ঢাকা স্টেডিয়াম ও বিকেএসপিতে খেলা হয়েছে। এই বছর, ছয়টি ভেন্যুতে খেলার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে নতুন ভেন্যু হিসেবে পিকেএসপি, বসুন্ধরা, ক্রিকেটার্স একাডেমি ও সিলিকন ভ্যালি যুক্ত হতে পারে। তবে, কোন ভেন্যুতে খেলা হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

    ধানমন্ডি ক্লাবের প্রতিনিধি আর মল্লিক রনি বললেন, ‘আমরা চাই, সবাই একসাথে ছয়টি মাঠে খেলো, যাতে একসাথে ম্যাচ হয় এবং রিজার্ভ ডে থাকে। ফলে, ম্যাচের ব্যস্ততার পরেও কোয়ালিটি ম্যাচ দেখা যাবে।’

    বৃষ্টির মৌসুমে রিজার্ভ ডে রাখার পরিকল্পনা করছে বিসিবি। গরমের কারণে মাঠে আইসিইউ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা সংস্থান রাখা হবে। এছাড়া, বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ এ বছর অনিশ্চিত, কারণ ডলার সংকট ও ক্লাবের চাওয়া অনুযায়ী, গত মৌসুমে দেখা যায়নি বিদেশি ক্রিকেটারদের। এই বিষয়েও আপাতত কিছু সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বিসিবি।

  • নাটকীয় প্রবেশ: জাতীয় ক্রিকেটাররা হজ্জ এজেন্সিতে যুক্ত

    নাটকীয় প্রবেশ: জাতীয় ক্রিকেটাররা হজ্জ এজেন্সিতে যুক্ত

    হজ্জের জন্য যাতায়াতের জন্য এজেন্সি ব্যবসায় অনেক আগে থেকেই নাম লিখিয়েছেন অনেকেই। তবে এবার এটি বৃহৎ পরিসরে উদ্যোগের সঙ্গে যাত্রা শুরু করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় যশোরের আরএন রোডে ‘ফ্লাই রিহলার’ নামে নতুন হজ্জ এজেন্সির প্রধান কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের দুই খ্যাতনামা ফাস্ট বোলার – তানজিম হাসান সাকিব ও মোহাম্মদ মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। এর পাশাপাশি যোগ দেন আরও একজন খ্যাতনামা ফাস্ট বোলার, এবাদাত হোসেন। দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করেন যশোরের দারুল আরকাম মাদরাসার মুহতামিম ও শাইখুল হাদীস মাওলানা আব্দুল মান্নান কাসেমী।

    ‘ফ্লাই রিহলার’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ক্রিকেটার তানজিম হাসান সাকিব বলেন, হজ্জ ও ওমরা শুধু সফরের জন্য নয়; এটা মানুষের অন্তর্দৃষ্টির এক গভীর আকাক্সক্ষা। আল্লাহর ঘরে যাওয়ার বাসনা সকল মুসলিমের স্বপ্ন। একজন ক্রিকেটার হয়েও আমি বিভিন্ন ব্যবসায় যুক্ত থাকতে পারতাম, কিন্তু মানুষের স্বপ্ন পূরণের জন্য এই ব্যবসায় প্রবেশ করেছি। এটি কেবল ব্যবসা নয়, বরং দাওয়াতের এক দিক। আমি মনে করি, আমাদের মাধ্যমে মানুষ তার স্বপ্নের জায়গায় পৌঁছাতে পারবে—এটা আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

    অন্য একজন ফাস্ট বোলার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী জানান, হজ্জ এজেন্সিগুলোর দীর্ঘদিনের অনিয়ম, প্রতারণা, বাড়ি ভাড়া সমস্যা ও ভিসা জটিলতার কারণে হাজার হাজার হজযাত্রী বছরব্যাপী দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার শিকার হন। তাই ‘ফ্লাই রিহলার’ শুরু হয়েছে মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করার জন্য। ইতোমধ্যে ঢাকা, যশোর ও ঝিনাইদহে শাখা চালু করা হয়েছে। শীঘ্রই সিলেটসহ বাংলাদেশের সব জেলায় এই সেবা পৌঁছে দেয়া হবে।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জমিয়তুল মুদেররেসীন সহ-সভাপতি মাওলানা নুরুল ইসলাম, যশোর মহিলা আলিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মতিন, ইসলামী ব্যাংকের যশোর শাখার ম্যানেজার জামিনুর রহমান, আল ফিকহ ও আকিদা বিভাগের লেকচারার, আসসুন্নাহ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক খালিদ আব্দুল্লাহ মাদানি-সহ অন্যান্য অতিথি।