Blog

  • পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা চলছে, রুখে দেব: আসিফ মাহমুদ

    পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা চলছে, রুখে দেব: আসিফ মাহমুদ

    আপাতদৃষ্টিতে আরেকটি পাতানো নির্বাচনের পরিকল্পনা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন। আসিফ মাহমুদ বলেন, সরকার ও প্রশাসনের কিছু পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ড চোখে পড়ছে। নির্বাচনের আগে একটি বিশেষ দলের প্রতি সরকারী কর্মকর্তাদের অশোভন অংশগ্রহণ এবং এক দলের নেতাদের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকার বাংলাদেশে গণতন্ত্রের জন্য বেশ চিন্তার বিষয়। তিনি আরও জানান, যদি কোনো পুরানো সেটেলমেন্টের পথে হাঁটা হয়, তবে তা কঠোরভাবে রুখে দিতে প্রস্তুত থাকবেন তারা। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবে না দলটি। এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন, একবারের জন্য নয়, মাঝে মধ্যে জাতীয় সুরক্ষা সংস্থার (এনএসআই) কর্মকর্তাদের একটি দলের সঙ্গে বৈঠক করতে গিয়ে কিছু নির্বাচনী প্রচারমূলক কার্যকলাপের জন্য দলটি সমালোচিত হয়েছে। ভোটের পরিবেশের ব্যাপারে তিনি বলেন, কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের জেলে না পাঠানো পর্যন্ত সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এনসিপি পুরোপুরি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এই অবস্থায় নির্বাচন হবে কি না, তা নিয়েও তারা শঙ্কিত। তিনি বলেন, মনোনয়নের ফাইলে নিরপেক্ষতা রক্ষা হয়নি; বড় দলের পক্ষে রিটার্নিং অফিসার কাজ করেছেন বলে অভিযোগ। আপিলের ক্ষেত্রে ইসির পক্ষপাতিত্ব থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি, আসিফ মাহমুদ এও সতর্ক করে দেন, যেন জাতীয় পার্টি (জাপা) নির্বাচন থেকে বের করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা না হয়। তিনি বলেন, ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে (জাপা) বাইরে রাখার জন্য নির্বাচনী কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে। দলটি বলেছে, বিগত শাসনতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী সরকারের সহযোগী হিসেবে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে না। আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘জাতীয় পার্টি বিগত ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলোর সঙ্গে ছিল। আমরা চাই না তারা নির্বাচনে অংশ নাক, এ বিষয়ে আমরা স্পষ্টভাবে ইসিকে জানিয়ে দিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য তারা যেন নির্বাচন থেকে প্রত্যাহার হয় বা পুনর্বাসিত না হয়।’ এই দাবির প্রেক্ষাপটে, নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কমিশন আমাদের কথা শুনেছে ও জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দেখা গেছে, দলটির ২৪৪ প্রার্থী মধ্যে ৫৭ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বর্তমানে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭।

  • উত্তরাঞ্চলের ৯ জেলায় যাচ্ছেন তারেক রহমান, নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য চিঠি

    উত্তরাঞ্চলের ৯ জেলায় যাচ্ছেন তারেক রহমান, নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য চিঠি

    প্রায় ১৭ বছর পর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই প্রথমবারের মতো তিনি ঢাকা বাইরে সফরে যাচ্ছেন। তার প্রথম সফরটি হবে উত্তরাঞ্চলের চারটি জেলায়, যা ১১ থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে। সফরকালে নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য বিএনপি সরকারের কাছে বিস্তারিত চিঠি দিয়েছে।

    বৈঠক, দোয়া ও কর্মসূচির মধ্যে এই সফরটি নির্ধারিত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সফরটির মূল লক্ষ্য হলো শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত শহীদদের কবর জিয়ারত ও তাদের আত্মার শান্তির জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করা। অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্যও সুন্দর দোয়া করা হবে।

    সফরের সময় তিনি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নির্বাচনি আদর্শ ও আচরণবিধি পুরোপুরি মেনে চলবেন এবং কোনভাবেই এই নিয়ম লঙ্ঘন করবেন না বলে জানানো হয়।

    প্রথম দিন, অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি, ঢাকায় বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে তিনি গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এরপর তিনি বগুড়া পৌঁছাবেন।

    ১২ জানুয়ারি, ওই দিন থেকেই সফর শুরু হয়ে রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলায় দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। একই দিন দুপুরে রংপুরে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করার কর্মসূচিও রয়েছে।

    ১৩ জানুয়ারি তিনি পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক ও মতবিনিময়ে অংশ নেবেন।

    সফরের শেষ দিন, অর্থাৎ ১৪ জানুয়ারি, তিনি রংপুর ও বগুড়ায় কিছু আরও কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ঢাকায় ফিরবেন।

    সফরকালে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কবরে শ্রদ্ধা জানাবেন, যেমন—মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ এবং তৈয়বা মজুমদার। এছাড়া নিহত অন্য নেতাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন। এই সফরের মাধ্যমে তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

  • পাতানো নির্বাচনে ফলাফল ভালো হবে না, হুঁশিয়ারি তাহেরের

    পাতানো নির্বাচনে ফলাফল ভালো হবে না, হুঁশিয়ারি তাহেরের

    সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে যে প্রশাসনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে জনমনে গভীর শংকা সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের এই শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যদি ভবিষ্যতেও পাতানো বা নকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে এর ফলাফল সুস্থ ও গ্রহণযোগ্য হবে না। উল্টো দেশের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়বে।

    বুধবার (৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনির সাথে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকগণ। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে berlangsung এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দেশের ভবিষ্যত নির্বাচন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

    বেলা ১০:৩০ মিনিটের পর দলীয় নেতারা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য প্রদান করেন। সেখানে তাহের বলেন, দেশের একাধিক রাজনৈতিক সংকটের মূল কারণ হলো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা না থাকা। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি ভবিষ্যতে আবারও পাতানো বা লুকানোভাবে নির্বাচন হয়, তবে দেশের সাধারণ জনগণ আরও বেশি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে এবং দেশের অস্থিতিশীলতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

    তাহের অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের সহকারী কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ দেশের মূল গণতান্ত্রিক আদর্শে আঘাত হেনেছে। এর ফলে জনমনে নানা শঙ্কা ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই শঙ্কা যদি কাটানো না যায়, তবে দেশের জনগণ রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে।

    অতএব, ভবিষ্যত নির্বাচনগুলোকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য সরকার ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের উচিত সতর্কতা অবলম্বন করা। এ বিষয়ে আরও আলোচনা ও সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য মতবিনিময় চলমান রয়েছে।

  • ঢাবি শিবিরের নতুন সভাপতি মহিউদ্দিন, আশিক সেক্রেটারি

    ঢাবি শিবিরের নতুন সভাপতি মহিউদ্দিন, আশিক সেক্রেটারি

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০২৬ সেশনের জন্য নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মুহা. মহিউদ্দিন। তাদের সাথে সার্বিক নেতৃত্বে অংশ নেওয়ার জন্য আশিকুর রহমানকে সেক্রেটারি ও মু. সাজ্জাদ হোসাইন খাঁনকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এই নির্বাচন কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন সদস্যের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মাহবুবুর রহমান অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই সদস্য সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম, এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম।

    উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় এইচআরএম সম্পাদক সাইদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এই সমাবেশে নতুন নেতৃত্বের জন্য ব্যালট পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনার পর কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত মুহা. মহিউদ্দিন খানকে শিবিরের নতুন সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন এবং তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।

    নির্বাচিত সভাপতি নির্বাচনের পর সদস্যদের পরামর্শ নিয়ে তাকে শাখার সেক্রেটারি হিসেবে আশিকুর রহমান (কাজী আশিক) এবং সংগঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদে মু. সাজ্জাদ হোসাইন খাঁনকে মনোনীত করা হয়। এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া শেষে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে সভা সম্পন্ন হয়।

  • দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার জিয়াউল আহসান, কারাগারে পাঠানো হলো

    দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার জিয়াউল আহসান, কারাগারে পাঠানো হলো

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক এবং সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত তার গ্রেপ্তার দাবি গ্রহণ করেন। সংশ্লিষ্ট আদালত জানায়, দুদকের উপপরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম আদালতে এই আবেদন করেন। পরে, আদালত এই আবেদন মঞ্জুর করে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ২৩ জানুয়ারি, দুদকের পক্ষ থেকে মামলার এই অভিযোগ দায়ের করা হয়। মামলার বিবরণে জানানো হয়, সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর জিয়াউল আহসান নিজ নামে অস্বাভাবিক ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকা সম্পদ অর্জন করেছেন। এই সম্পদ তার বৈধ আয়ের উৎসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, ফোরেন এক্সচেঞ্জ ট্রাঞ্জেকশন (এফইপিডি) সার্কুলার-২০১৮ ও ২০২০ সালের আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে তিনি ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দেন। তার বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করে, স্ত্রীর সহযোগিতা ও যোগসাজশে অন্য ব্যক্তির নামে অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেন। শুধু নিজ নামে, মোট ৮টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের পরিমাণ পাওয়া গেছে।

    উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হিসেবে নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি দুর্নীতি দমন আইনের বিভিন্ন ধারায় অপরাধ করেছেন। এই ঘটনায় তাকে আদালত দ্বারা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট, হাইকোর্টের শুনতে অনীহার সিদ্ধান্ত

    একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট, হাইকোর্টের শুনতে অনীহার সিদ্ধান্ত

    আজ ৭ জানুয়ারি বুধবার, দেশের ঐতিহাসিক এক ঘটনা ঘটেছে যখন একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল। তবে এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে একটি রিট দায়ের করা হয়েছিল। এতদিন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিতর্ক চলছিল, কিন্তু আজ হাইকোর্টের বেঞ্চের পক্ষ থেকে আশ্চর্যজনক ঘোষণা আসে। বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই মামলার শুনানিতে অংশ নেন। তবে তারা আবেদনটি শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এই সিদ্ধান্তের পর, রিটকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ বলেন, বেঞ্চের এই সিদ্ধান্তের কারণে তারা এখন বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন অন্য এক বেঞ্চে এই বিষয়ে শুনানি চালিয়ে যাবেন। উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের অন্য এক আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিটটি হাইকোর্টে দাখিল করেছিলেন। রিটে উল্লেখ করা হয়, ১১ ডিসেম্বর প্রকাশিত একযোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিলের বিজ্ঞপ্তি স্থগিতের জন্য আবেদন জানানো হয়। পাশাপাশি, রিটে সুপারিশ করা হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা উচিত। এই আবেদনটির বিবাদী হিসেবে ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা। ইউনুছ আলী আকন্দের যুক্তি ছিল, সংবিধানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিষয়ক কোনও বিধান নেই। তিনি বলেন, শুধু তত্ত্বাবধায়ক বা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে পারে, কোনও সরকারের অধীনে নয়। এই মামলার নীতিগত বিষয়গুলো এখনো ধীরেধীরে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, তবে এই ঘটনার ফলে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন এক দিকপ্রাপ্ত হয়ে উঠেছে।

  • ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা এবারের প্রধান চ্যালেঞ্জ: ইসি সানাউল্লাহ

    ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা এবারের প্রধান চ্যালেঞ্জ: ইসি সানাউল্লাহ

    নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ মন্তব্য করেছেন, ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা এই সময়ের सबसे বড় পরীক্ষা। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া নির্বাচনি ব্যবস্থা আবার গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে। এ জন্য ন্যূনতম সংস্কার এবং কার্যকর ব্যবস্থা অনুসরণ করে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেবে নির্বাচন কমিশন।

    বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে ৮১টি সংস্থার উদ্যোগে ‘অ্যলাইন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি: এএফইডি’ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

    নির্বাচনি ব্যবস্থার অবস্থা ও সংস্কার প্রসঙ্গে বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনকে আমি যদি রূপকভাবে বলি—এটা অনেকটা লাইনচ্যুত একটি ট্রেনকে আবার ট্রাকে ফিরিয়ে আনার মতো। এটি দরকার ন্যূনতম মেরামত ও কিছু যন্ত্রাংশ বদল। এভাবেই গতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। যদি এই কাজগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হয়, সেটিই প্রধান সাফল্য হবে।

    ইসি সানাউল্লাহ আরও বলেন, পর্যবেক্ষকদের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। তারা তৃতীয় নজর। তাদের পর্যবেক্ষণ মানসম্মত হওয়া আবশ্যক। মৌলিক বিষয়াদি যেন বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

    তিনি জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে সকল ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ অনুষ্ঠানে ডেমোক্রেসি ওয়াচের চেয়ারম্যান তালেয়া রহমান, খান ফাউন্ডেশন এর কো-চেয়ার রোকসানা খন্দকারসহ সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • হাদি হত্যা: আসামি ফয়সালের ৬৫ লাখ টাকা ব্যাংক ফ্রিজ

    হাদি হত্যা: আসামি ফয়সালের ৬৫ লাখ টাকা ব্যাংক ফ্রিজ

    ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র, হাদিকে গুলি করে হত্যার মামলায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ৫৩টি ব্যাংক হিসাব থেকে ৬৫ লাখ ৫০ হাজার ২৪৬ টাকা ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ করার জন্য আদালতের নির্দেশ জারি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দিয়েছেন, সিআইডি পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে। বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বলেন, ব্যাংক হিসাবগুলো বিশ্লেষণ করে সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়ায় এই অবরুদ্ধকরণ আদেশ দেওয়া হয়েছে। অ্যারপোর্টে তদন্তের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, মূল অভিযুক্তের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গের অর্থনৈতিক লেনদেনের আনুসঙ্গিকতা শনাক্ত করা। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে খুন, সন্ত্রাস, নে¤র-সন্ত্রাসে অর্থ জোগান, মানিলন্ডারিং এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এসব হিসাবের অর্থ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা আবশ্যক, যাতে ধরনের অর্থ বেহাত হওয়ার ঝুঁকি এড়ানো যায়। অন্যদিকে, হাদি হত্যা মামলার তদন্তে ঠিকা হয়েছে আরও ১৭ জনের বিরুদ্ধে। গোয়েন্দা পুলিশের রিপোর্টে দেখা গেছে, পুলিশ এদের মধ্যে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা. হাসি বেগম, তার স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বন্ধু মারিয়া আক্তার লিমা, শ্বশুর ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, ব্যবসায়ী মোফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, তার সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালানোর সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম, কাউন্সিলর বাপ্পির বোন জামাই আমিনুল ইসলাম রাজু এবং সিপুর ঘনিষ্ঠ মো. ফয়সাল। অপরদিকে, পলাতক রয়েছেন- বাপ্পি, ফয়সাল, আলমগীর, ফিলিপ, জেসমিন ও তার স্বামী মুফতি মাহমুদ। উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারনা শেষ করেন শহীদ ওসমান হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে তাকে বহনকারী অটোরিকশার ওপর হামলা চালায় দুষ্কৃতকারীরা, যারা মোটরসাইকেলে এসে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসকরা পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। ১৫ ডিসেম্বর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয় এবং ১৮ ডিসেম্বর সেখানে মৃত্যুবরণ করেন। এ ব্যাপারে, ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১২ ডিসেম্বরের ঘটনা উল্লেখ করে, হত্যাচেষ্টার জন্য নির্ভুল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

  • নতুন মামলায় ফের গ্রেফতার সালমান, আনিসুল ও দীপু মনির

    নতুন মামলায় ফের গ্রেফতার সালমান, আনিসুল ও দীপু মনির

    জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ঢাকার বাড্ডা থানায় অস্ত্রসহ হত্যাচেষ্টা মামলায় তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তি আবারও গ্রেফতার হয়েছেন। তারা হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। জানা গেছে, তারা আগে থেকেই বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন, তবে এই মামলায় তারা এজাহারনামীয় আসামি।

    এদিন সকালে তাদের বিকেল সাড়ে ১০টাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালত হাজির করা হয়। এরপর আদালতের এজলেসে বিষয়টি শুনানি হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক মো. গোলাম কিবরিয়া খান তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. শামসুদ্দোহা সুমন এই বিষয়ে শুনানি পরিচালনা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছর জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ২০ জুলাই মধ্যবাড্ডা এলাকায় বিশিষ্ট ভুক্তভোগী মো. দুর্জয় আহমেদ অংশ নেন। সেই সময় মিছিলে রাস্তায় অবস্থানকালের মধ্যে আন্দোলন দমনকারী দলের শীর্ষ নেতাদের সরাসরি ও পরোক্ষ নির্দেশনায় অনুসারীরা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করতে শুরু করে। গুরুতর আহত হন দুর্জয়, যার মাথা ও পেছনে গুলির আঘাত লাগে।

    চিকিৎসার জন্য তিনি জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি হন। দুর্জয়ের দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনার পর ২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর ভুক্তভোগী দুর্জয় আহমেদ বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আরও ৯০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও 人শ্রেণী মামলা দায়ের করেন।

  • প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    আন্তর্জাতিক ওমরাহ হজ পালন করতে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন টিকটক তারকা আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি পরিচিত প্রিন্স মামুন নামে। তবে দেশের মাটিতে তার জন্য অপেক্ষা করছে একটি দুঃসংবাদ। লায়লা আখতার ফরহাদ নামে এক নারী তার বাসায় ঢুকে মারধর ও হুমকির অভিযোগে মামলার আসামি হিসেবে তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের পর গেল বৃহস্পতিবার তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

    গত বৃহস্পতিবার, মামলার অভিযোগ গঠন এবং সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিন ছিল। ওই অনিবার্য কারণবশত, মামুন ওমরাহ পালনের জন্য আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম সময়ের আবেদন জানান, কিন্তু বাদী লায়লা আখতার ফরহাদ আদালতে হাজির হয়ে মামলা পরিচালনা করেন এবং মামুনের জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করেন।

    বাদীর আইনজীবী সরকার সাব্বির হোসেন (ফয়সাল) বলেন, আসামির বিরুদ্ধে অন্য একটি ধর্ষণের মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মামুন তার বাসায় গিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা ও জিডি তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেন। যখন লায়লা অস্বীকৃতি জানান, তখন সে ফেসবুক লাইভে গিয়ে লায়লা ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ করেন ও মারধর শুরু করেন। এমনকি ছুরি দিয়ে হত্যার প্রচেষ্টা চালান, যা মোকাবিলায় লায়লা আহত হন। এরপরই ক্যান্টনমেন্ট থানায় তিনি একটি মামলা করেন।

    তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান সৈকত গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তে অভিযুক্ত মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত সেই সময় তার জামিন বাতিল করে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। এছাড়া, আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়। আগামী ৫ মার্চ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

    অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, লায়লার সঙ্গে প্রিন্স মামুনের ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় ঘটে। ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মামুন ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএস-এর বাসায় গিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে বলে, আগের মামলা ও জিডি তুলে নাও। তবে লায়লা তা স্বীকার না করায় মামুন ফেসবুক লাইভে গিয়ে গালিগালাজ ও মারধর করেন, এমনকি ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টাও চালান। এই ঘটনায় ওই দিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলার অভিযোগ করা হয়। তদন্ত শেষে গত সেপ্টেম্বর মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল হয় এবং আদালত তার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।