Blog

  • ক্রিকেটে নতুন কেলেঙ্কারি: বিশ্বকাপে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে ভারতীয় গ্যাংস্টারের সম্পৃক্ততা

    ক্রিকেটে নতুন কেলেঙ্কারি: বিশ্বকাপে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে ভারতীয় গ্যাংস্টারের সম্পৃক্ততা

    চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি-مار্চে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় কানাডা জাতীয় দলের বিরুদ্ধে ঘটে যাওয়া ফিক্সিং কেলেঙ্কারির তদন্তে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পরিসরে বিস্তৃত এই তদন্তের মধ্যে নতুন করে বেশ কয়েকটি চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ টেলিভিশন এবং সংবাদ মাধ্যমের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইর নেতৃত্বে একটি গ্যাং বিশ্বকাপের কানাডা ও নিউজিল্যান্ডের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে সরাসরি ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা আইসিসি বর্তমানে এই গ্যাংয়ের সঙ্গে কানাডার অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়ার সংশ্লিষ্টতা নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম সন্দেহের জন্ম হয়েছিল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে গ্রুপ ম্যাচে বাজওয়ার অস্বাভাবিক ও ব্যয়বহুল একটি ওভার দেখানোর পর। এর পরই তাকে জিজ্ঞাসাবাদে ডাকার পাশাপাশি তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করা হয়। কানাডিয়ান জাতীয় সম্প্রচার কেন্দ্র সিবিসির এক রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে যে, লরেন্স বিষ্ণোইর গ্যাংয়ের সঙ্গে তার যোগসাজশের স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এই গ্যাং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত এবং এর বিরুদ্ধে সিধু মুসেওয়ালা হত্যার অভিযোগও রয়েছে।

    প্রতিবেদন আরও জানিয়েছে, বাজওয়ার অকালশন অধিনায়ক হওয়ার পেছনে এই গ্যাংয়ের মূল ভূমিকা ছিল। বলাবাহুল্য, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারে শহরের এক রেস্টুরেন্টে প্রায় ২৫ জন ক্রিকেটার জড়ো হয়েছিলেন, যেখানে এক সাংবাদিকতা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, দুই ব্যক্তি নিজেকে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে হুমকি দিয়েছিলেন — যদি দিলপ্রীত বাজওয়া ও অন্য একজন তরুণ ক্রিকেটারের উন্নতিতে বাধা দেওয়া হয়, তবে তাদের পরিবার ভয়ানক পরিণতিতে পতিত হবে।

    এছাড়াও ‘নোয়া’ নামে এক ব্যক্তি এই অপপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে মনে করা হচ্ছে, এই সিন্ডিকেট সরকারি কর্তৃপক্ষ ও ক্রিকেট দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিজের পছন্দের লোক বসানোর জন্য হুমকি-ধমকি চালাচ্ছিল। বিশেষ করে, বাজওয়াকে বিশ্বকাপের কয়েক সপ্তাহ আগে অধিনায়ক পদে বসানোর সিদ্ধান্ত ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে; অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তের জন্য হুমকি দিয়েই তাকে দলে নেওয়া হয়েছে এবং নেতৃত্বে বসানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে প্রকাশ, ‘নোয়া’ বলেছেন, “আমি এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলাম। ৪০ মিনিটের মধ্যে একই নম্বর থেকে একটি মেসেজ পাই, যেখানে একটি ছবি ছিল, যা আমাকে আতঙ্কিত করে তোলে।” সিবিসি প্রতিবেদনে কানাডার ক্রিকেটের বর্তমান সভাপতি অরবিন্দর খোসার নামও উঠে এসেছে। তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এ সব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচেষ্টা তাঁর সুনাম নষ্ট করার জন্য।

    তদন্তে জানা গেছে, তিনি সাবেক সভাপতি আমজাদ বাজওয়ার সঙ্গে রেস্টুরেন্টে একটি ঘটনায় আলোচনা করেছিলেন, যদিও আমজাদ বিষয়টি অজানা থাকার দাবি করেন। এ ছাড়াও বলা হয়েছে, তিনি ওই সময় বাজওয়াকে অধিনায়ক করার প্রস্তাবের একজন মূল উপদেষ্টা ছিলেন। ‘নোয়া’ বলছেন, “আমার মনে হয় তারা ম্যাচ ফিক্সিং করে অর্থ উপার্জনের জন্য এই পরিকল্পনা করেছিল। অন্যথায়, এত দূর এগিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ কী?”

    আরও জানা যায়, কানাডার সাবেক কোচ খুররম চোহান ও অন্যান্য উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ম্যাচের কিছু অংশ ফিক্সিংয়ের জন্য তদ্বির চালানো হয়েছিল। উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে বিভিন্ন সহিংস ঘটনা ও চাঁদাবাজির পর কানাডার সরকার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংকে আনুষ্ঠানিকভাবে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে।

  • পিএসএলে এক বছর জন্য নিষিদ্ধ শানাকা

    পিএসএলে এক বছর জন্য নিষিদ্ধ শানাকা

    জিম্বাবুয়ের ব্লেসিং মুজারাবানির পর এবার শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার দাসুন শানাকা أيضًا পাকিস্তান সুপার লিগ থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এই সিদ্ধান্ত নেয় যখন তিনি চলতি মৌসুমে পিএসএল থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) এর রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে যুক্ত হন। এই পরিবর্তনের জন্য সোমবার তার উপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

    পিএসএল এবং আইপিএল প্রায় একই সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ায়, পিএসএল ছেড়ে ভারতীয় লিগে যোগ দেয়ার জন্য প্রথমে মুজারাবানির ওপর দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এরপর শানাকার ক্ষেত্রেও এই জটিলতা দেখা দেয়, যিনি ছিলেন একজন অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার এবং এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার অধিনায়কত্বও করেছেন।

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ৩৪ বছর বয়সী শানাকা গত মাসে একতরফাভাবে পিএসএল থেকে নাম প্রত্যাহার করেছিলেন, যা তাদের তদন্তে বেঙ্গুতর হলো। তদন্তে দেখা গেছে, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান চুক্তির শর্তাবলীর আওতায় না থাকা কিছু অজুহাত ব্যবহার করা হয়েছে।

    এবারের আইপিএল মৌসুমে রাজস্থান রয়্যালসের জন্য মাঠে নামার অপেক্ষায় থাকা শানাকা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তার এই সিদ্ধান্তে তিনি গভীরভাবে অনুতপ্ত। তিনি বলেন, যখন তিনি পিএসএল থেকে সরে দাঁড়ান, তখন তার অন্য কোনো টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল না। তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে নতুন উদ্যমে এবং ভক্তদের আস্থা নিয়ে পিএসএলে ফিরবেন।

    উল্লেখ্য, এই নিষেধাজ্ঞা আগামী আসরের জন্য কার্যকর হবে। মাঠের বাইরেও আইনি জটিলতা থাকলেও, বর্তমানে তিনি আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

  • ভারতের একেবারে চরম ঝুঁকিপূর্ণ ডোপিং পরিস্থিতি

    ভারতের একেবারে চরম ঝুঁকিপূর্ণ ডোপিং পরিস্থিতি

    ভারত বর্তমানে ডোপিং পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে বলে জানিয়েছে অ্যাথলেটিক্স ইন্টег্রিটি ইউনিট (এআইইউ)। গতকাল এই সংস্থাটি একটি নতুন রিপোর্ট প্রকাশ করে, যেখানে দেখা গেছে এশিয়ার দেশটি এখন দেশটির অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনকে (এএফআই) ক্যাটাগরি ‘বি’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করেছে। এর অর্থ হলো, ভারতীয় অ্যাথলেটরা এখন থেকে আরও কঠোর ডোপিং পরীক্ষা ও নিয়মতান্ত্রিক নজরদারির মধ্য দিয়ে যেতে বাধ্য হবে। গত ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে, অ্যাথলেটিক্সে ডোপিং লঙ্ঘনের ঘটনায় ভারত দ্বিতীয় স্থানে থাকায় এই সতর্কতাটা এসেছে বলে এআইইউর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে এই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে ভারত। এআইইউর চেয়ারম্যান ডেভিড হাউম্যান বিবৃতিতে বলেন, “ভারতে ডোপিং পরিস্থিতি অনেক দিন ধরেই বেশ চরম ঝুঁকিপূর্ণ। যদিও এএফআই ডোপিংরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছিল, কিন্তু তা বাস্তবে পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।” এআইইউ একটি স্বনির্ধারিত সংগঠন, যার কাজ অ্যাথলেটিক্সে দুর্নীতি, অনিয়ম ও ডোপিং প্রতিরোধ করা। এখন ‘এ’ ক্যাটাগরিতে থাকা দেশগুলোর তালিকায় ভারত যুক্ত হয়েছে, যেখানে রয়েছে রাশিয়া, বেলারুশ, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, নাইজেরিয়া ও ইউক্রেনের মতো দেশগুলোও। ভারত ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজন করতে যাচ্ছে, যা এই প্রতিবেদনকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। তবে এটিই সত্যি যে, অ্যাথলেটিক্সে ডোপিং কেলেঙ্কারির শেষ নয়। সম্প্রতি এশিয়ান গেমসের স্বর্ণপদক জয়ী ভারতীয় তীরন্দাজ প্রথমেশ জয়কর দু’বছরের জন্য নিষিদ্ধ হওয়ায় দেশটির জন্য এটা একটি বড় অস্বস্তির বিষয়।

  • ইরানে যুদ্ধ চান না সাবেক মার্কিন সেনারা, বিক্ষোভে আটক ৬০

    ইরানে যুদ্ধ চান না সাবেক মার্কিন সেনারা, বিক্ষোভে আটক ৬০

    যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সেনা সদস্যরা ইরানে নতুন করে যুদ্ধের পক্ষে কোনো সমর্থন দিচ্ছেন না। এই অভিমত প্রকাশের জন্য তারা ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন কংগ্রেস ভবনের সামনে এক বিক্ষোভে অংশ নেন। সোমবারের এই কর্মসূচিতে তারা দৃঢ়ভাবে দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক ফিরিয়ে আনতে যথাসম্ভব যুদ্ধ এড়াতে হবে। বিক্ষোভের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, ফলে পুলিশ দ্রুত বাধ্য করে অনেককে সেখান থেকে চলে যেতে। তবে তাদের মধ্যে বেশ 일부 অবস্থান ধরে থাকায় পুলিশ তারাও ব্যাপকভাবে লাঠিচার্জ ও বলপ্রয়োগ করে। অবশেষে অন্তত ৬০ জন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়।

    এবং এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয় ‘অ্যাবাউট ফেস’ নামের একটি সংগঠনের মাধ্যমে, যেখানে ওয়াশিংটনের ক্যানন হাউস অফিস বিল্ডিংয়ের সামনে বিভিন্ন সাবেক সেনাসদস্য কেন্দ্রীভূত ছিলেন। মূলত, তারা দাবি করেন, বর্তমান মার্কিন সরকারের যুদ্ধের নীতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং এই সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে কংগ্রেসের হাতে থাকা উচিত। তাদের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধংদেহী নীতির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের শক্তিশালী ভূমিকা থাকা জরুরি।

    বক্তারা আরো বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ মনে করছেন, যেনো তারা অসহায়ভাবে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে বাধ্য হচ্ছেন। তারা স্মরণ করিয়ে দেন, ইরাক যুদ্ধের সময়ের মতোই এখন মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা থাকার বৈধতা নিয়ে নানা অজুহাত ও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, যা অতীতে যুদ্ধের কারণ হয়েছিল। তারা মনে করেন, দ্রুত আরেকটি রাজনৈতিক সমাধান না হলে আরও প্রাণহানি ঘটতে পারে।

    বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সাবেক সেনাসদস্যদের পাশাপাশি বর্তমানে দায়িত্বে থাকা সেনাদের পরিবারের সদস্যরাও যে এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে, তাঁদের মতামত প্রকাশ করেন। তারা বলছেন, এই যুদ্ধ অপ্রয়োজনীয় এবং অনেক ঝুঁকি নিয়েই চালানো হচ্ছে। তারা আশংকা প্রকাশ করেন যে, পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আরও বেশি প্রাণহানি হতে পারে।

    নিরাপত্তার কারণে কংগ্রেস ভবনের ভেতরে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এড়ানো যায়।

  • অস্ত্রের বাজারে প্রবেশের পথে জাপান, চীনের উদ্বেগ বেড়ে যায়

    অস্ত্রের বাজারে প্রবেশের পথে জাপান, চীনের উদ্বেগ বেড়ে যায়

    জাপান কয়েক দশকের পুরনো অস্ত্র রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ঘোষণা দিয়েছে, যা তাদের লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী অস্ত্রের বাজারে প্রবেশ করা। মঙ্গলবার জাপানের সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিলো। এই নতুন পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশটি নিজেদের প্রতিরক্ষা ক্ষমতা জোরদার করতে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে চাচ্ছে। এশিয়া অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক ক্ষমতা, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তা হুমকি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে টোকিও এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তবে এই সিদ্ধান্তের প্রত্যক্ষ প্রতিক্রিয়া হিসেবে বেইজিং দ্রুতেই কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখানোর ঘোষণা দিয়েছে।

    প্রথমে, সোমবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সাংবাদিকদের বলেন, নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। তিনি মনে করেন, এখন আর কোনো দেশ একা শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে পারছে না। এ কারণে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার গুরুত্ব বেড়ে গেছে। তিনি বললেন, শান্তিপূর্ণ জাতি হিসেবে জাপানের মূলনীতি এবং ইতিহাসে কোনো পরিবর্তন আসবে না।

    তবে, এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে চীন কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, এটি একটি ‘বেপরোয়া সামরিকীকরণ’ উদ্যোগ। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন বলেন, এই পরিবর্তন বেইজিংকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে এবং তারা জাপানের এই নতুন সামরিকীকরণের বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

    অস্ত্র রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা: জাপান ১৯৭৬ সালে অস্ত্রের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর পর থেকে দেশটি মূলত অনুসন্ধান ও উদ্ধার, সতর্ক সংকেত, নজরদারি, মাইন অপসারণ এবং পরিবহন সংক্রান্ত সরঞ্জাম রপ্তানি করত। তবে, সদ্য সংশোধিত নিয়মে বলা হয়েছে এখন থেকে সব ধরনের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম স্থানান্তর সম্ভব হবে।

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জাপান শুধু সেই সব দেশে অস্ত্র রপ্তানি করবে যেগুলো জাতিসংঘের উচ্চমানের সনদ মেনে সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দেবে। তবে, এই পরিবর্তন দেশটির নাগরিকদের মধ্যে কিছু অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে। জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা এনএইচকের মার্চ মাসের জরিপে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের ৫৩ শতাংশ এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করছে, যেখানে ৩২ শতাংশ সমর্থন জ্ঞাপন করেছেন। শান্তি কর্মীরা সারাদেশে মিছিল-মিটিং করেছেন, তাদের আশঙ্কা গভীর, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি তাকাইচির প্রকাশ্য সমর্থন জাপানকে বিভিন্ন সংঘাতে জড়িয়ে ফেলতে পারে।

    প্রবীণ অধিকারকর্মী কোজি সুগিহারা এএফপিকে বলেন, জাপানের শান্তিপূর্ণ ভাবমূর্তি দেশের কূটনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্কের ভিত্তি হিসাবে কাজ করেছে। এখন এই পরিবর্তন একটি ঐতিহাসিক মোড়, যা দেশের শান্তিপূর্ণ পরিচিতির জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। তিনি বলেন, এখানে কেউ চায় না যে, জাপানে তৈরি অস্ত্রগুলো মানুষ হত্যার কাজে ব্যবহৃত হোক।

  • ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ালেন ট্রাম্প

    ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ালেন ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আবারও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, কূটনৈতিক সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরিকল্পিত সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখবে। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে অবরোধ অব্যাহত রাখতে নির্দেশ দেন এবং উল্লেখ করেন, ইরান প্রস্তাব না দেওয়া পর্যন্ত এবং আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি বজায় থাকবে। এই ঘোষণা এর কয়েক ঘণ্টা আগে পর্যন্ত ট্রাম্প ছিলেন এর বিপক্ষে, যেখানে তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, তবে হঠাৎ করে এই অবস্থান পরিবর্তন নানাবিধ আলোচনার জন্ম দিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। অন্যদিকে, ইরান এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, তেহরানের অবস্থান পরে সম্মতিপূর্ণভাবে জানানো হবে। খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, এই সিদ্ধান্তের পরই উত্তেজনা বাড়তে শুরু করে, যেখানে ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌবাহিনী অবরোধ চালাতে থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই অবরোধকে যুদ্ধকালীন পদক্ষেপ বলে আখ্যা দিয়ে এটিকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে মন্তব্য করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ বন্ধ করতে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন চালু রাখতে ও আঞ্চলিক মিত্রদের প্রতি সমর্থন সীমিত করতে চাচ্ছে, কিন্তু তেহরান তাদের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অধিকার থেকে সরে আসতে নারাজ। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো মূলত কূটনৈতিক চাপ সামাল দেওয়ার একটি কৌশল। স্টিমসন সেন্টারের বিশ্লেষক বারবারা স্লাভিন বলেন, পরিস্থিতি প্রত্যাশামতো এগোচ্ছে না; ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবনা পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন হতে পারে। সব মিলিয়ে, যদিও যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালি ও অন্যান্য কৌশলগত ইস্যুতে মতবিরোধ রয়ে যাওয়ায় পুরোপুরি পরিস্থিতির সমাধান আসেনি। এখন নজর রয়েছে সম্ভাব্য আলোচনায় যেখানে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে।

  • ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক বোমা হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন ট্রাম্প!

    ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক বোমা হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন ট্রাম্প!

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত এক দাবি উঠেছে, যেখানে বলা হয়েছে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক কোড ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেছিলেন। এই খবর অনুসারে, সিআইএ বিশ্লেষক ল্যারি জনসনের এক পডকাস্টে উল্লেখ করা হয়, হোয়াইট হাউসের এক জরুরি বৈঠকে ট্রাম্প পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের জন্য সংকেত দেন, কিন্তু তখন জেনারেল ড্যান কেইন, যা জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান, তৎক্ষণাৎ তার এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেন। এই পরিস্থিতিকে জনসন ‘বড় ধরনের উত্তেজনাপূর্ণ সংঘর্ষ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ওই বৈঠকের এক পর্যায়ে ট্রাম্প পারমাণবিক কোড সক্রিয় করার প্রস্তুতি নেন, কিন্তু জেনারেল কেইন সরাসরি ‘না’ বলে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করেন এবং সামরিক বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তবে এই দাবির সত্যতা নিয়ে অনেক বিশ্লেষক সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কারণ, মার্কিন আইনে প্রেসিডেন্টের একার পক্ষে সরাসরি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়; এ জন্য ক্যাপ্টেন, সেনাপতি বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষের সম্মতি জরুরি। অন্যদিকে, সিএনএনের খবর অনুযায়ী, ১৮ এপ্রিল হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে জেনারেল কেইনসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, এবং তার উপস্থিতি বিভিন্ন ফুটেজে দেখা গেছে যে, তিনি দ্রুত ভবন থেকে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প ও কেইনের মধ্যে ইরান সম্পর্কিত মতবিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল। ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কেইন মনে করেন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান ‘সহজেই জেতা সম্ভব’, তবে বাস্তবে মিত্রদের তথ্য বলছে, কেইনের পরামর্শ ছিল ভিন্ন। এছাড়াও, অন্যান্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে আটকে পড়া মার্কিন বিমানসেনাদের উদ্ধার অভিযানের সময় ট্রাম্পকে ‘সিচুয়েশন রুম’ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল, কারণ তিনি অত্যন্ত উত্তেজিত ছিলেন এবং সহকারীদের ওপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা চিৎকার করছিলেন। এসব পরিস্থিতিতে, ট্রাম্পের পারমাণবিক হামলার স্পষ্ট কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি, তবে তার সাম্প্রতিক কট্টর রণনীতি এবং সামরিক নেতৃত্বের অবস্থানের মধ্যে থাকা বিস্তৃত ভিন্নতা এই দাবি আরও উসকে দিয়েছে।

  • পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতির জন্য ইসরায়েল যৌন নির্যাতনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে

    পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতির জন্য ইসরায়েল যৌন নির্যাতনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে

    অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা ও হয়রানি ব্যবহার করে বাস্তুচ্যুতির চাল চালানোর জন্য বিভিন্ন ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, যেখানে আহত ও ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দা, নারী, যুবক ও কমিউনিটি নেতাদের মত মানুষরা অংশ নিয়েছেন। তবে এই গবেষণার ফলাফল পুরো পশ্চিম তীরের জনসংখ্যাকে প্রতিনিধিত্ব করে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • সাবেক কাউন্সিলর শফিকুল আলম শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি

    সাবেক কাউন্সিলর শফিকুল আলম শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং দক্ষ শ্রমিক নেতা শফিকুল আলম নতুন আলোর মুখ দেখেছেন। তিনি সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ত্রৈমাসিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও কার্যকরী নির্বাহী পরিষদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৪ এপ্রিল ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, যেখানে দেশের শীর্ষ শ্রমিক সংগঠনটির নতুন নেতৃত্বের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সংগঠনটির নতুন কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এডভোকেট আতিকুর রহমান, এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন লস্কর মোঃ তসলিম।

    শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের এই নতুন নেতৃত্বের নির্বাচনকে ঘিরে খুলনা অঞ্চলের শ্রমিক নেতারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। নির্বাচনের পর শ্রমিক নেতারা বার্তা পাঠিয়ে শফিকুল আলমের এই অর্জনকে স্বাগত জানান এবং তাকে অভিনন্দন জানান। তারা বলেন, এই পদে থাকার মধ্য দিয়ে তিনি শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের সুযোগ পাবেন।

    অতিরিক্ত হিসাবে, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার শ্রমিক নেতারা এবং সংগঠনের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা শফিকুল আলমের এই সফলতাকে সম্মাননা জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, এই নতুন তিনি শ্রমিকের স্বার্থে আরও বেশি কাজ করবেন এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবেন।

  • দিঘলিয়ায় মহানবী (সাঃ)-কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে যুবকের বিরুদ্ধে মামলা ও আটক

    দিঘলিয়ায় মহানবী (সাঃ)-কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে যুবকের বিরুদ্ধে মামলা ও আটক

    দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে শ্যামল গাইন (৩০) নামের এক যুবককে পুলিশ আটক করেছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার, উত্তেজিত জনতা ওই যুবককে গণপিটুনি দেয় এবং পুলিশে সোপর্দ করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শ্যামল গাইন সোশ্যাল মিডিয়ায় মহানবী (সাঃ)-কে অবমাননাকর মন্তব্য করার কারণে ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকার মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ গভীর ক্ষোভের সৃষ্টি করেন। এরপর জনতা উত্তেজিত হয়ে তাকে আটক করে এবং গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে দিঘলিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, অভিযুক্তকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং প্রাথমিক চিকিৎসা করে। জানা গেছে, শ্যামল গাইন প্রায় পাঁচ বছর ধরে তার পরিবারসহ দিঘলিয়া উপজেলার একটি বন্ধপ্রেস জুট মিলের কোয়ার্টারে ভাড়া বাসায় রয়েছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়। থানার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত যুবক বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত চলছে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে, ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে জানিয়েছে প্রশাসন। কোনও অপ্রয়োজনীয় ঘটনা রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সকলকে আহ্বান জানানো হয়েছে, আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার। অন্যদিকে, সমস্ত ধর্মভিন্ন দলগুলো বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় উপজেলা চৌরাস্তায় প্রতিবাদ সভা ও অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছে, যেখানে সকলের উপস্থিতি মুসল্লি ও ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য ইমানী দায়িত্ব বলে উল্লেখ করা হয়েছে।