Blog

  • সন্তানসহ জামিনে মুক্তি পেলেন যুব মহিলা লীগ নেতা্রী শিল্পী বেগম

    সন্তানসহ জামিনে মুক্তি পেলেন যুব মহিলা লীগ নেতা্রী শিল্পী বেগম

    তেজগাঁও থানায় করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া যুব মহিলা লীগ নেতা্রী শিল্পী বেগম এবং তার দেড় মাস বয়সী কন্যাসন্তান কাইফা ইসলাম সিমরান বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার শিরিন আক্তার তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত আটটায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন। ওই সিদ্ধান্তের পর বুধবার সকাল থেকেই তার সহকর্মীরা কাশিমপুর কারাগার ফটকে উপস্থিত থেকে তাকে নেবার অপেক্ষা করেন।

    তেজগাঁও এলাকার শ্রমিক লীগ নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘‘তিনি আমাদের বড় বোন, দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে রাজনীতি করেছি। তার সঙ্গে যা অন্যায় ঘটেছে, সেটি মিডিয়ায় প্রচারের পর মানবিক কারণ বিবেচনা করে আদালত জামিন মঞ্জুর করেছেন বলে আমরা মনে করি। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’’

    কারা ফটকে মুক্তির পর শিল্পী বেগম বলেন, ‘‘পুলিশ আমাকে ধরতে চায়নি, বিএনপির লোকজন আমাকে ধরিয়ে দিয়েছে। আমি আওয়ামী লীগ করি কিন্তু কোনো পদ-পদবি নেই। আমাকে মুক্তি দেওয়ায় আমি আইনের প্রতি কৃতজ্ঞ।’’

    উল্লেখ্য, গত সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে মঙ্গলবার রাতে তিনি এবং তার নবজাতক কন্যা কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। মামলার পরবর্তী কার্যক্রমে আদালত জামিন মঞ্জুর করলে তারা মুক্তি পান।

  • বিএপি সংরক্ষিত নারী আসনে সংখ্যালঘু চার নারীকে মনোনয়ন দিয়েছে

    বিএপি সংরক্ষিত নারী আসনে সংখ্যালঘু চার নারীকে মনোনয়ন দিয়েছে

    বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চার নারীকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে। সোমবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় নাম ঘোষণা করেন সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    মনোনয়ন পাওয়া চারজন হলেন নিপুণ রায় চৌধুরী, আন্না মিনজ, সুবর্ণা শিকদার ঠাকুর ও মাধবী মারমা। দল বলছে, এই তালিকায় সামাজিক ও সম্প্রদায়িক প্রতিনিধিত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    আন্না মিনজ ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম)। তিনি উন্নয়নকর্মী হিসেবে পরিচিত এবং নিজে খ্রিস্টান ও বিভিন্ন ক্ষুদ্রজাতি/আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করার দাবিদার। তিনি জানান, তিনি সুবিধাবঞ্চিত সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কণ্ঠ হয়ে কাজ করবেন। তার স্বামী জন গোমেজ বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক।

    সুবর্ণা শিকদার ঠাকুর গোপালগঞ্জ থেকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। তিনি শিক্ষক ও মথুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোটের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু দাবি উঠেছে যে তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ কমিটিতে রয়েছেন; সেই প্রশ্নের জবাবে সুবর্ণা গণমাধ্যমকে বলেন, “আমি বিএনপি’র একজন সমর্থক, কোনো কমিটিতে নেই।” তার স্বামী পদ্মনাভ ঠাকুর একসময় যুবদলের নেতা ছিলেন।

    মাধবী মারমা বান্দরবান থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি বান্দরবান জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং দলীয় মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন।

    দলীয় শীর্ষ নেতারা বলছেন, সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়াই এই মনোনয়নের লক্ষ্য। দল কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই সিদ্ধান্ত দেশের নানা পটভূমি থেকে নারীদের রাজনৈতিকভাবে সুসংগঠিত করে তুলবে।

  • সরকার ভুল করলে নারী এমপিরাও সোচ্চার হবেন: হামিদুর রহমান আযাদ

    সরকার ভুল করলে নারী এমপিরাও সোচ্চার হবেন: হামিদুর রহমান আযাদ

    জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, সরকার যদি ভুল পথে চলে বা জনবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নেয় তবে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরাও বিরোধীদলের অন্য নেতাদের মতো সমানভাবে সোচ্চার হবেন। তিনি মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনে জামায়াত জোটের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর আয়োজন করা সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান।

    আযাদ বলেন, ‘‘আমরা একটি কম্বাইন তালিকা সাবমিট করেছি। এই তালিকায় ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকার সম্ভাবনা নেই। প্রত্যাশা করি এই ১৩ জনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন।’’ তিনি বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গেও আলাপ হয়েছে এবং তারা আশ্বস্ত করেছে যে—প্রক্রিয়াটি সময়মতো এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। কমিশন যেন কোনো ভিন্ন পরিস্থিতি তৈরি না করে, সেটাই তারা প্রত্যাশা করে।

    আযাদ বলেন, পার্লামেন্ট বর্তমানে কার্যকর থাকায় যদি মনোনীত নারী সদস্যরা সময়মতো সদস্যপদ গ্রহণ করতে পারেন তবে নারী প্রতিনিধিত্বের প্রত্যাশা পূরণ হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, মনোনীত ১৩ জন নারী ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষে পার্লামেন্টে নারী প্রতিনিধি হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

    তিনি আরো বলেন, ‘‘নারীরা দেশের স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণে আইনপ্রণয়ন ও সংসদীয় কাজকর্মে সম্পূর্ণভাবে অংশ নেবে; সংবিধান তাদের সেই অধিকার দিয়েছে। তারা বিরোধী দলের কাতারে বসে দেশের গঠন ও জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’’

    জামায়াতের নীতিসমূহের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, দল সর্বদা ন্যায়সংগত ও জনকল্যাণমূলক বিষয়ে জনগণের সাথে ইতিবাচক ভূমিকা নেবে। আছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এই নীতিই ঘোষণা করেছেন।

    সরকারি ভুল বা জনবিরোধী সিদ্ধান্ত হলে বিরোধীদলের অন্যান্য সদস্যদের মতোই নারী সদস্যরাও প্রতিবাদে যোগ দেবেন—এবিষয়ে আযাদ বলেন, ‘‘৭৭ জন বিরোধীদলীয় সদস্যের সাথে ১৩ জন নারী সদস্য যুক্ত হয়ে মোট ৯০ জন বিরোধীদলীয় সদস্য একসঙ্গে ভূমিকা পালন করবে—এই প্রত্যাশা আমাদের আছে।’’

    গণভোটের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘গণভোটের রায় অনুযায়ী সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ গঠন হওয়ার কথা ছিল। সেটি না হওয়ায় আমরা পার্লামেন্টে এবং পার্লামেন্টের বাইরেও সরকার ও জনরায় উপেক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি এবং করবো।’’

    মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি জানান, জামায়াতে এমন নীতিই আছে যে একই পরিবারের দুই সদস্য সংসদে থাকবেন না; এজন্য আমিরের সহধর্মিণীকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। এই আসনে শহীদের পরিবারের একজন মাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে এবং সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারদেরও মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    এনসিপির প্রার্থী মুনিরা শারমিনকে নিয়ে ওঠা সরকারি চাকরি থেকে অবসর সংক্রান্ত বিতর্কে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সংসদীয় আইন অনুযায়ী যারা তিন বছর পূর্ণ না করেছেন তাদের বিষয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল হবে বলে তিনি আশা করেন না।

    নির্বাচন তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল দাখিলের শেষ দিন ২৬ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ এপ্রিল, প্রতীকের বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ নির্ধারিত আছে ১২ মে।

  • রেমিট্যান্সের জোয়ার: প্রথম ১৯ দিনে দেশে এল ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    রেমিট্যান্সের জোয়ার: প্রথম ১৯ দিনে দেশে এল ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন বা ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। এতে দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার বলে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান।

    সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে দেশের কাছে এসেছিল ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সে হিসাবে বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ কড়া বৃদ্ধিই দেখা গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানও বলছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার — যা আগের বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

    একক মাস হিসেবে গত মার্চে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ। এর আগে ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ডিসেম্বর ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ; নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ; অক্টোবর ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।

    বিশ্বব্যাপী, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা বৈদেশিক মুদ্রার বাজারকে প্রভাবিত করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বাড়ার ফলে স্থানীয় মুদ্রার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার বেড়ে গেছে, ফলত প্রবাসীরা যখন টাকা পাঠাচ্ছেন তাতে দেশে পৌঁছানো টাকার পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হচ্ছে—এটিই রেমিট্যান্স বাড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলে বিশ্লেষকরা জানান।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘায়িত হয় তবে এর প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থায় রাখার উপর জোর দিয়েছেন। রেমিট্যান্সের এই সংগ্রহশীল বৃদ্ধি ছন্দ ধরে রাখার পাশাপাশি আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

  • সংসদে জানালেন অর্থমন্ত্রী: বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

    সংসদে জানালেন অর্থমন্ত্রী: বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

    অর্থমন্ত্রী অ্যামির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি বর্তমানে ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি এই তথ্য বলেন মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে।

    রুমিন ফারহানা জানতে চেয়েছিলেন বর্তমানে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ কত এবং ঋণ পরিশোধে এখন পর্যন্ত সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে; পাশাপাশি বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে কোনো ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে কি না।

    জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী সরকারের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য। তিনি আরও বলেন, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) পালন করে।

    অর্থমন্ত্রী জানান, প্রতি অর্থবছর ইআরডি ঋণের মূল ও সুদ মিলিয়ে পরিশোধের সম্ভাব্য মোট ব্যয়ের একটি প্রক্ষেপণ প্রস্তুত করে। সেই হিসাব অনুযায়ী বাজেটে ঋণ পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয় এবং বরাদ্দ ব্যবহার করে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সারা বছর ঋণ পরিশোধ করা হয়।

    অতিরিক্তভাবে তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।

    সংসদে দেওয়া এই বিবরণে অর্থমন্ত্রী ঋণ ব্যবস্থাপনা ও বাজেট বরাদ্দের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং ঋণ পরিশোধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারের নিয়মিত পদক্ষেপগুলোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

  • ইরান মেরামত করেছে যুদ্ধবিধ্বস্ত ৭৭৫টি স্কুল: শিক্ষামন্ত্রী জানালেন

    ইরান মেরামত করেছে যুদ্ধবিধ্বস্ত ৭৭৫টি স্কুল: শিক্ষামন্ত্রী জানালেন

    ইরানের শিক্ষামন্ত্রী আলিরেজা কাজেমি জানিয়েছেন, মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় দেশজুড়ে মোট ১,৩০০টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এদের মধ্যে বর্তমান পর্যন্ত ৭৭৫টি স্কুল মেরামত সম্পন্ন করা হয়েছে বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে।

    কাজেমি বলেন, প্রায় ২০টি স্কুল সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে তেহরান, কেরমানশাহ, ইসফাহান ও হরমোজগান প্রদেশে। তিনি উল্লেখ করেন যে যেসব স্কুলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে, সেগুলোর মেরামত কাজ অক্টোবর মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

    অপরদিকে, হামলার মধ্যেই শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়নি বলে শিক্ষামন্ত্রী জানান। সরাসরি ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন শিক্ষা এবং টেলিভিশন-আধারিত স্কুল কার্যক্রম চালু রেখেই পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের মানসিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাউন্সেলিং সেবা চালু করা হয়েছে বলে কাজেমি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এমন সহায়তা শিক্ষার্থীদের আঘাত সমাধান এবং নিয়মিত পাঠক্রমে ফিরে যেতে সাহায্য করবে।

    এছাড়াও, মিনাবের শাজারেহ তাইয়েবেহ বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৭০ জনের স্মরণে দেশের বিভিন্ন স্কুলে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন ছাত্রী ও তাঁদের শিক্ষক।

    কাজেমি জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ ও শিক্ষার্থীদের মানসিক-শারীরিক কল্যাণ নিশ্চিত করার কাজে সরকার মনোযোগ দেবে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শিক্ষাব্যবস্থা দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

  • ইরান নাগরিকদের সামনে শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন

    ইরান নাগরিকদের সামনে শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে তীব্র উত্তেজনার মধ্যে ইরান সামরিক ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তেহরানসহ দেশটির বেশ কয়েকটি বড় শহরে অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শনের কর্মসূচি চালানো হয়েছে।

    তেহরানের একটি প্রধান চত্বরে ‘ঘদর’ নামের ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি জনসম্মুখে প্রদর্শন করা হয়। তখন সেখানে বড় সংখ্যক সাধারণ লোক জড়ো ছিলেন এবং উপস্থিতরা স্লোগান দিয়ে वातावरणকে উজ্জীবিত করেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেউ কেউ ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার মজিদ মৌসাভির কাছে তেল আবিবে হামলার আহ্বানও জানান।

    ঐ সময়ে তেহরানের অন্য একটি চত্বরে ‘খোররামশাহর-৪’ নামক আরেকটি উচ্চ ক্ষমতার ক্ষেপণাস্ত্রও প্রদর্শিত হয়। নজর করছে যে, ওই ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর কাতারের একটি গ্যাস কোম্পানির লোগো বা চিত্র লক্ষ্য হিসেবে জড়ানো ছিল, যা আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

    এই ধরনের প্রদর্শনী কেবল রাজধানীতেই সিমাবদ্ধ ছিল না। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের শিরাজ, উত্তর-পশ্চিমের তাবরিজ এবং মধ্যাঞ্চলের অন্যান্য শহরগুলোতেও ক্ষেপণাস্ত্র দেখানো হয়েছে এবং সাধারন মানুষকে এগুলো নিকট থেকে দেখতে দেওয়া হয়েছে।

    সরকারি টেলিভিশন ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সূত্র জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর থেকে সরকার জনগণকে এই ধরনের সমাবেশে যোগ দিতে উৎসাহিত করছে। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন বিভিন্ন চত্বরে জমায়েত হয়ে দেশীয় প্রতিরক্ষা খাতের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শনী মূলত মনস্তাত্ত্বিক কৌশল—অভ্যন্তরীণ ঐক্য দেখানো এবং বহিরাগত প্রতিপক্ষকে সতর্ক করা। এর মাধ্যমে ইরান তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ একতা উভয়ই প্রচার করতে চায়।

    বিবিসির প্রতিবেদনে বিষয়টি আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিত ও ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে, তবে ইরানের এই কর্মসূচি মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে সতর্কীকরণও আছে।

    সংক্ষেপে—বর্তমান কূটনীতি ও নিরাপত্তা সংকটের প্রেক্ষাপটে ইরান নিজের সামরিক শক্তি জনসম্মুখে তুলে ধরে একটি দৃশ্যমান বার্তা দিচ্ছে: দেশ অভ্যন্তরীণভাবে ঐক্যবদ্ধ এবং পরিস্কারভাবে প্রতিরক্ষাক্ষম।

  • যশোরে শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করে বস্তায় ফেলে রাখার অভিযোগ, পুত্রবধূ গ্রেপ্তার

    যশোরে শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করে বস্তায় ফেলে রাখার অভিযোগ, পুত্রবধূ গ্রেপ্তার

    যশোরে পারিবারিক বিরোধের জেরে শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে বাড়ির সামনে ফেলে রাখার অভিযোগে ২০ বছরের পুত্রবধূ মরিয়ম বেগম গ্রেপ্তার হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে ব্যবহৃত দেশীয় চাপাতিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বুধবার (২২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাসার জানান, পুলিশের কাছে মঙ্গলবার গভীর রাতে বেজপাড়া এলাকার ওই বাড়ির সামনে বস্তাবন্দি একটি মরদেহ আছে—এর সংবাদ আসে। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। মৃতার নাম সকিনা বেগম (৬০), তিনি লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী এবং বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার বাসিন্দা।

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকিনা বেগমের ছেলে শহিদুল মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে দোকানে যান। যাওয়ার আগে তার স্ত্রী মরিয়ম জানান যে বাসায় রান্না হয়নি, বাইরে খেয়ে নেবে। শহিদুল মাকে খুঁজলে বাড়ির লোক বলেন তিনি বাইরে তালিমে গেছেন।

    রাত প্রায় ১০টার দিকে শহিদুল বাড়ি ফেরেন; মা বাড়িতে না দেখে আবার খোঁজখবর নেন। তখন তার স্ত্রী জানান সকিনা বাসায় ফেরেননি। সন্দেহজনক হলে শহিদুল থানায় যোগাযোগ করেন। পরে সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির সামনে বস্তার মধ্যে একটি লাশ দেখতে পান তিনি। শহিদুল ও তার বোন শাহিদা বেগম লাশটি সকিনা বেগম হিসেবে শনাক্ত করেন।

    ডিবি ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের যৌথ দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে আলামত সংগ্রহ করে। সন্দেহজনক আচরণ থাকার কারণে মরিয়মকে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়।

    জিজ্ঞাসাবাদে মরিয়ম হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই শাশুড়ির সঙ্গে পারিবারিক নানা বিষয়ে বিরোধ ছিল। ঘটনার দিন পুনরায় বকাবকি হওয়ায় রেগে বাড়ির থাকা একটি চাপাতি দিয়ে তিনি শাশুড়িকে কুপিয়ে হত্যা করেন, পরে মরদেহ বস্তাবন্দি করে বাড়ির সামনে রেখে দেন এবং হত্যার অস্ত্রটি ওয়্যারড্রোবে লুকিয়ে রাখেন।

    পরে অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর ঘর থেকে হত্যায় ব্যবহৃত দেশীয় চাপাতি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার স্বীকারোক্তি ও আলামত মিলেছে, আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনা প্রেসক্লাব: ৩০ এপ্রিল নির্বাচন, ১৫ পদে ২৭ প্রার্থী

    খুলনা প্রেসক্লাব: ৩০ এপ্রিল নির্বাচন, ১৫ পদে ২৭ প্রার্থী

    খুলনা প্রেসক্লাবের বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ এপ্রিল। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী মোট ১৫টি পদে ২৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক খুলনা গেজেটের চিফ রিপোর্টার মোহাম্মদ মিলন।

    প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী সভাপতি পদে লড়বেন মোস্তফা সরোয়ার, মোহাম্মদ আবু তৈয়ব ও মোঃ মিজানুর রহমান মিল্টন। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হলেন শেখ কামরুল ইসলাম, মোঃ তরিকুল ইসলাম ও মোঃ হেদায়েত হোসেন মোলা।

    কোষাধ্যক্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এম এ হাসান ও বিমল সাহা। তিনটি সহ-সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন — মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সোহরাব হোসেন, আতিয়ার পারভেজ ও কাজী শামীম আহমেদ।

    যুগ্ম-সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শেখ মাহমুদ হাসান ও মোঃ বেল্লাল হোসেন সজল। পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বশির হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম ও মোঃ রবিউল গাজী (উজ্জ্বল)।

    ছয়টি নির্বাহী সদস্য পদে মোট নয়জন প্রার্থী হয়েছেন — শেখ লিয়াকত হোসেন, সোহেল মাহমুদ, মহেন্দ্রনাথ সেন, মোঃ মেহেদী মাসুদ খান, রাজু আহমেদ, কাজী মোতাহার রহমান, মোঃ আনিস উদ্দিন, মোঃ মাকসুদুর রহমান (মাকসুদ) ও কে এম জিয়াউস সাদাত।

    সোমবার (২০ এপ্রিল) খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ আরিফুল ইসলাম এবং সদস্য, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান স্বাক্ষরিত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

  • পিএসএল থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন দাসুন শানাকা

    পিএসএল থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন দাসুন শানাকা

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার দাসুন শানাকাকে এক বছরের জন্য পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) থেকে নিষিদ্ধ করেছে। পিসিবি জানায়, চলতি বছরের পিএসএল থেকে একতরফাভাবে নাম প্রত্যাহার করে পরে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) রাজস্থান রয়্যালসে যোগ দেওয়ার ঘটনায় সোমবার এই শাস্তি আরোপ করা হয়।

    এর আগে জিম্বাবুয়ের পেসার ব্লেসিং মুজারাবানিকে একই অপরাধে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। পিএসএল ও আইপিএল প্রায় একই সময়ে হওয়ায় পিএসএল ছেড়ে অন্য লিগে যোগ দেওয়ার কারণে শাস্তি হওয়ার এটাই দ্বিতীয় ঘটনা।

    পিসিবি জানিয়েছে, ৩৪ বছর বয়সী শানাকা—যিনি সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার নেতৃত্বও করেছেন—গত মাসে পিএসএল থেকে একতরফাভাবে সরে গিয়েছিলেন। পিসিবি বলেছে, তদন্তে দেখা গেছে তিনি ‘‘বিদ্যমান চুক্তিভিত্তিক কাঠামোর মধ্যে স্বীকৃত নয় এমন অজুহাতে’’ নাম প্রত্যাহার করেছেন।

    শানাকা এক বিবৃতিতে তাঁর সিদ্ধান্তের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছেন যে, পিএসএল থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় অন্য কোনো টুর্নামেন্টে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা তাঁর ছিল না। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে ভবিষ্যতে নতুন উদ্যম ও ভক্তদের আস্থা নিয়ে পিএসএলে ফিরে আসার সুযোগ পাবেন।

    পিসিবি জানিয়েছে শানাকার ওপর ধার্য এই এক বছরের নিষেধাজ্ঞা আগামী আসরের জন্য কার্যকর থাকবে। মাঠের বাইরের এসব আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার মধ্যেও শানাকা বর্তমানে আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালস শিবিরে আছেন, যদিও এখনও কোনো ম্যাচে নামেননি।