Month: January 2026

  • নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য পথপ্রদর্শক নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য পথপ্রদর্শক নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু (৮৪) আজ আর আমাদের মাঝে নেই। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে তিনি ধানমন্ডির এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র পরিচালক কবিরুল ইসলাম রানা। তিনি জানান, গতকালই বিকেলে তাঁর সাথে ফোনে কথা হয়েছিল। আজ দুপুর ১২টার দিকে জানানো হয়, তিনি আর নন।

    কবি রুল ইসলাম রানা আরও বলেন, কয়েক মাস আগে আবদুল লতিফ বাচ্চু নিউমোনিয়া আক্রান্ত হন এবং তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই সময় তাঁর পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হলে, তাকে বিশেষ চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা গ্রহণের পর তিনি সুস্থ হয়ে দেশে ফিরেছিলেন।

    আবদুল লতিফ বাচ্চু ১৯৪২ সালের ৯ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। শেষ দিকে তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন সন্তানের জনক, যাদের সবাই আমেরিকা প্রবাসী। 그의 অকাল মৃত্যু বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সমাজে শোকের ছায়া ফেলেছে এবং তার কর্মমুখর জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

  • ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    নতুন বছরকে নিয়ে বলিউডে একের পর এক চমক আসছে এবং এরই মধ্যে তাদের মধ্যে অন্যতম হলো জনপ্রিয় ছবির সিক্যুয়েল নির্মাণের ঘোষণা। বলিউডের প্রখ্যাত পরিচালক করণ জোহর আবারও সিনেমা জগতে ফিরছেন, আর এ যাওয়া নতুন ছবিটি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ বাড়ছে। এর আগে ফ্যামিলি ড্রামা এবং পারিবারিক বিষয়ক সিনেমার জন্য পরিচিত এই এই সিনেমার মধ্যে রয়েছে অসাধারণ আবেগের গল্প, যা দর্শকদের মন ছুঁয়ে ছিল। তবে কারো ধারণা ছিল না যে, এই নতুন প্রকল্পটি ধীরে ধীরে ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল হতে যাচ্ছে।

    পিঙ্কভিলা সূত্রে জানা গেছে, করণ জোহর এই মুহূর্তে তার পরবর্তী ছবির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যেখানে মূল প্রাধান্য থাকবে পারিবারিক মানসিকতা ও সম্পর্কের আবেগের উত্তাল চিত্র। এই ছবিটি ধর্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত হবে এবং ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে এর প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শুরু হবে। শুটিং শিগগিরই শুরু হয়ে বছরের শেষের দিকে শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে। ছবিটিতে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী নায়িকা থাকবেন, এবং কাস্টিং প্রক্রিয়াও দ্রুত এগিয়ে চলছে।

    এছাড়াও, অনুমান করা হচ্ছে ছবির নাম হয়তো ‘কাভি খুশি কভি গাম ২’ হতে পারে, তবে এসব বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। করণ জোহর বা ধর্ম প্রোডাকশনের পক্ষ থেকেও এ ব্যাপারে কিছু নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ হয়নি।

    ২০০১ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই সিনেমার ব্লকবাস্টার হিট অবদান, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, যা দর্শকদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী স্থান করে নিয়েছিল। এই ট্রেন্ডটা পুনরায় শুরু হওয়ার গুঞ্জন এখন প্রবল।

    উল্লেখ্য, করণ জোহর তার বর্তমান কর্মজীবনে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘কাভি আলবিদা না কেহনা’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’, ‘বোম্বে টকিজ’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’, এবং সর্বশেষ ‘রকি এবং রানি কি প্রেম কাহিনী’ ছবিগুলোর পরিচালনা করেছেন।

  • ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা কেন আলাদা, হেমা মালিনী জানালেন

    ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা কেন আলাদা, হেমা মালিনী জানালেন

    প্রয়াত বলিউড তারকা ধর্মেন্দ্রর স্মরণে দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী আলাদা একটি স্মরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করেছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেওল পরিবারে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। ধর্মেন্দ্রর দুই ছেলে সানি এবং ববি দেওল হেমা মালিনীর স্মরণসভার পাশাপাশি নিজেরাও আলাদা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এই বিপরীতমুখী আয়োজনের কারণ কী সে বিষয়ে এবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী বললেন, এটি একটি পারিবারিক ব্যক্তিগত বিষয়, যার মধ্যে খুব বেশি কিছু নয়। তিনি আরও বলছেন, তাঁর পরিবারের মধ্যে কোনও বিভক্তি বা ভাঙন ঘটেনি। বিষয়টি শুধুই তাঁদের কাছের মানুষজনের মধ্যে একটি স্মরণসভার আয়োজন। তিনি জানান, তাঁর রাজনীতি জীবনের কারণে দিল্লিতে আলাদা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হয়। এছাড়া, তাঁর নির্বাচনী এলাকা মথুরার মানুষের আবেগের কথা ভেবে সেখানে আলাদা আয়োজন করেন।

    হেমা মালিনী আরও বলেন, ধর্মেন্দ্রর প্রতি তাঁদের সম্মান ও শ্রদ্ধা কমেনি। পরিবারের সবাই নিজের মত করে প্রিয় অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

    ৮ নভেম্বর ২০২৩ সালে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্র প্রয়াত হন। এরপর ৩ ডিসেম্বর হরিদ্বারে সানি ও ববি দেওল তার অস্থি বিসর্জন করেন। তবে, শেষকৃত্য ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে অংশ নেননি বলে খবর রটেছিল। এই গুঞ্জনকে উড়িয়ে দিয়ে হেমা মালিনী জানিয়েছেন, ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি ধরে রাখতে সানি দেওল বড় পরিকল্পনা নিয়েছেন। তিনি বলছেন, মুম্বাইয়ের লোনাভেলায় অবস্থিত ধর্মেন্দ্রর ১০০ একর জমির ওপর নির্মিত ফার্মহাউসটি একটি সংগ্রহশালা বা জাদুঘরে রূপান্তর করার পরিকল্পনা চলছে। এই উদ্যোগকে তিনি সমর্থন জানিয়ে বলেন, এটি ধর্মেন্দ্রর অনুরাগীদের জন্য একটি বিশেষ উপহার হবে।

  • ভারত যেন বাদ দিতে চায় মাশরাফিকেও, দাবি বিসিবি সভাপতি

    ভারত যেন বাদ দিতে চায় মাশরাফিকেও, দাবি বিসিবি সভাপতি

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাঙ্গণে একটা ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে যখন ভারত পক্ষ থেকে সম্প্রতি মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশি এই পেসারকে নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কলকাতা নাইট রাইডার্সে সুযোগ পেলেও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশনায় তাকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এই সিদ্ধান্তের কারণে প্রতিবেশী এই দুই দেশ—বাংলাদেশ ও পাকিস্তান—উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, এবং এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের গতিপথে বিতর্কের জন্ম দেয়।

    এদিকে, মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার ফলস্বরূপ আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচিতে পরিবর্তন আসার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ এই টুর্নামেন্টে ভারতের হয়ে খেলার অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, ফলে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরিত হতে পারে। একই সঙ্গে, বাংলাদেশ সরকার আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশও দিয়েছে।

    ভারতের এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষক ও সমর্থক। বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের মধ্যে একটি অদ্ভুত ব্যাপার হলো, পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটার জুনায়েদ খান এই পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, মাশরাফি বিন মর্তুজার আইপিএল খেলার বিষয়টি অনেকেরই জানা, কারণ আইপিএলের লোগোতে দেখা ব্যাটিং শটের অবয়বটি তৎকালীন বাংলাদেশের এই অধিনায়কেরই আইকনিক শট থেকে অনুপ্রাণিত। একদিকে ভারত ও আইপিএল কর্তৃপক্ষ এটি কখনো স্বীকার না করলেও, অনেকেরই ধারণা, এই লোগোতে যে শটটির ছবি রয়েছে, সেটি মাশরাফির ব্যাটিং স্টাইলেরই আরেকটি প্রতীক।

    গতকাল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও শেয়ার করেন জুনায়েদ খান। সেখানে দেখা যায়, সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া বলছেন, ‘অবশ্যই বেশির ভাগ মানুষ মনে করেন, আইপিএলের এই ব্যাটিং শটটি এবি ডি ভিলিয়ার্সের, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেটি মাশরাফি বিন মর্তুজার ব্যাটিং স্টাইলেরই অনুবাদ।’

    এই ভিডিও শেয়ার করে জুনায়েদ মন্তব্য করেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড যেভাবে মুস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়েছে, তাতে আমার ধারণা এখন গোপনীয়তা নিয়েই হয়তো তারা লোগো পরিবর্তন করবে, যেখানে তিনি (মাশরাফি) হয়তো আবারও ফিরে আসবেন।’ উল্লেখ্য, মাশরাফি আইপিএলে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছেন, সেটিও ২০০৯ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে। এই বিষয়টি শুধু ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্যই নয়, বরং পুরো ক্রিকেট বিশ্বে এক অদ্ভুত রহস্যের মতো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • নাসুমের দুর্দান্ত স্পেল, সিলেটের জয়, নোয়াখালী হেরেছে

    নাসুমের দুর্দান্ত স্পেল, সিলেটের জয়, নোয়াখালী হেরেছে

    নোয়াখালীর বিপক্ষে দুর্দান্ত বাজি ধরে সিলেটের জয় conseguimos। এই ম্যাচে শুরু থেকেই নিজের চমৎকার বলিং দক্ষতা দেখান নাসুম আহমেদ। সৌম্য সরকারকে ফিরিয়ে শুরু করেন উজ্জ্বল উপস্থিতি, এরপর ধারাবাহিকভাবে হায়দার আলী, মেহেদী হাসান রানা, জহির খান এবং বিলাল সামিকে ফেরান তিনি। নিজের শেষ ওভারেই তিনি তিনটি উইকেট তুলে নেন, চার ওভারে মাত্র ৭ রান খরচায় ৫টি উইকেট নিয়ে নোয়াখালীকে মাত্র ৬১ রানে গুছিয়ে দেন। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তাদের সহজ জেতার পথে মূল বাধাটিই ভেঙে যায়। ফলে, লক্ষ্য ছিল মাত্র ৬২ রানের, যা আদৌ সহজ ছিল। সিলেটের শুরুটা হলো খুব ভালো, প্রথম ওভারেই উইকেট হারিয়ে শুরু হয় বিপর্যয়। ওপেনিংয়ে নামা পারভেজ হোসেন ইমন প্রথমবারের মতো বিপিএলে ওপেন করতে এসে ব্যর্থ হন, যার আগেই শেষ হয়ে যায় তার আভরণ। মূলত আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে চার নম্বর পজিশনে ৬৫ রান করে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন তিনি। এরপর বাংলাদেশ প্রিমিয়র লিগে নোয়াখালীর বিপক্ষে ৬০ রান করেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের সঙ্গে তিনি ৪৪ রানের ইনিংস খেলেছেন, তবে পরের ম্যাচগুলোতে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি। শ্রীলঙ্কার সিরিজের জন্য সাইম আইয়ুব লিগ থেকে ছুটি নেওয়ায় সিলেটের ওপেনিংয়ে সুযোগ পান ইমন। তবে এই ইনিংস ছিল খুব দ্রুত শেষ—৫ বলে ১ রান করে আউট হন তিনি। পেসার বিলাল সামির অফ স্টাম্পের বাইরে থাকা বল ভেতরে ঢোকায় তাকে বোল্ড করেন। এরপর তৌফিক খান দ্রুত রান তোলার জন্য ঝাঁপিয়ে যান। পাওয়ার প্লে’য় বেশ কিছু বাউন্ডারি মারতে থাকেন, কিন্তু প্রথম ছয় ওভারে পারভেজের আউটের পর বিপর্যয় শুরু হয়। ১৮ বলে ৩২ রান করে আউট হন তৌফিক। এরপর আফিফ হোসেন ধ্রুব ৫ বলে ২ রানে আউট হন। একই ওভারে ২৩ বলে ২৪ রান করে জাকির হাসান আউট হন। শেষ মুহূর্তে ম্যাচ জেতাতে মঈন আলী এক সিঙ্গেল নিয়েছেন। নোয়াখালীর হয়ে তিনটি উইকেট পান জহির খান। বিপিএল চলাকালীন অনেক দলই টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও, নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার আলী টস জিতে ব্যাটিং নেওয়ায় সবাইকে চমকে দেন। দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও সৌম্য মিলে ভালো শুরুর আশ্বাস দেন, কিন্তু চতুর্থ ওভারেই সৌম্য ফিরে যান। এরপরই ছন্দপতন ঘটে; মুনিম শাহরিয়ার রান আউট হন, এরপর ১৬ বলে ১৮ রান করা সোহানও আউট হন। বাকিদের মধ্যে অঙ্কন চেষ্টা করেন এক আসা-যাওয়া ব্যাটিং বাঁচানোর, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২৫ রানে তিনি ফিরে যান। নোয়াখালীর হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে মোহাম্মদ নবি কেবল ১০ বলে এক রান করে আউট হন। দুর্দান্ত ব্যাটিং না থাকায় দল মাত্র ৬১ রানে গুটিয়ে যায়। অন্যদিকে, সিলেটের হয়ে একাই ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মূল নায়ক হন নাসুম আহমেদ। তার দুর্দান্ত বলিং পারফরম্যান্সের কারণে সিলেটের সহজ জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।

  • বাগেরহাটে ২৮ দলের মাদকবিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

    বাগেরহাটে ২৮ দলের মাদকবিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

    বাগেরহাটে ‘মাদককে না বলুন’ শপথের মাধ্যমে মাদকবিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। রোববার অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় মোট ২৮টি দল অংশগ্রহণ করে। দেড় দিন ব্যাপী এ প্রতিযোগিতার পরের দিন বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও প্রাইজমানি বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা ক্রীড়া অফিসার হুসাইন আহমাদ সঞ্চালনা করেন, এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের পক্ষে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস्ट्रেট লাবন্য ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আবু রাসেল এবং যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ঝিমি মন্ডল। প্রতিযোগিতায় বগেরহাটের ফয়সল হাবিব ও অয়ন জুটি দল চ্যাম্পিয়ন হয়, আর মঈনুল ইসলাম ও সাবিত জুটিদল রানার্স আপ। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি লাবন্য ইসলাম বলেন, তরুণ প্রজন্মকে ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করতে এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি করতে হবে। স্বাগত বক্তব্যে উপপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান উল্লেখ করেন, সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে বাগেরহাটের তরুণ প্রজন্মকে সব ধরনের নেশা থেকে দূরে রাখতে আমরা নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করি, যার ধারাবাহিকতায় এই ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ৭ জানুয়ারি আয়োজন করা হবে আট দলের ভলিবল প্রতিযোগিতা। বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু রাসেল বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হবে। অধ্যক্ষ ঝিমি মন্ডল বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে ছাত্রজীবন সুষ্ঠভাবে বিকশিত হয়।

  • বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত, নিরাপত্তাই আগে: রমিজ রাজা

    বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত, নিরাপত্তাই আগে: রমিজ রাজা

    বাংলাদেশ এবং ভারতীয় ক্রিকেটের মাঠের বাইরে এখন রাজনৈতিক উত্তেজনার মুহূর্ত। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল ২০২৬ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচনায় এসেছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) তাকে ৯.২ কোটি রুপিতে দলে নেওয়ার পরবর্তী সময়ে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তাকে ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের পেছনে বলা হচ্ছে ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতি’, যা মূলত বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনায় প্রতিফলিত হচ্ছে।

    এর জের ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসিকে চিঠি দিয়ে জানায়, নিরাপত্তার অভাবে তারা আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচগুলো ভারত নয়, শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করতে চায়। তাদের যুক্তি, দেশে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও মর্যাদা সবার আগে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল স্পষ্টভাবে বলেন, “খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও মর্যাদা আমাদের জন্য শীর্ষ অগ্রাধিকার।”

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ সরকার দেশটিতে আইপিএলের সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছে, দাবি করে এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য এক ধরনের আঘাত। এর ফলে বোঝা যাচ্ছে, আইসিসি নতুন সূচি তৈরি করতে শুরু করেছে। ম্যাচগুলো যদি সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে বিসিসিআইয়ের আর্থিক ক্ষতি হবে বিপুল পরিমাণ।

    এদিকে, পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার রমিজ রাজা, যিনি বর্তমানে বিপিএলে ধারাভাষ্য দিচ্ছেন, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন। একটি বেসরকারি টেলিভিশনে তিনি বলেছেন, ‘আমার মতে বাংলাদেশ তাদের যথার্থ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারণ প্লেয়ারদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে।’

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘এর আগে এশিয়া কাপে ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তান সফর বাতিলের ঘটনা ঘটেছিল নিরাপত্তার অজুহাতে। আজকের পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ঘটনার জন্য সত্যিই দুঃখ প্রকাশ করছি।’

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যদি অংশ নেয় না, তাহলে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হবে বিসিসিআইয়ের। এছাড়া, এই সংকটের কারণে ভারত বাংলাদেশ দলের জন্য ‘রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা’ নিশ্চিত করার প্রস্তাব দিয়েছে—একটি অপ্রত্যাশিত ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।

  • বিনা আলাপ-আলোচনা মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিল ভারতীয় বোর্ড

    বিনা আলাপ-আলোচনা মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিল ভারতীয় বোর্ড

    তিন দিন পেরিয়ে গেলেও মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়, এর পেছনের আসল কারণ ও সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া নিয়ে মানুষের মাঝে নানা আলোচনা চলছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, বিসিসিআই, এই সিদ্ধান্তের পেছনে কোনও প্রকার আলাপ-আলোচনা বা আলোচনা সমঝোতা হয়নি বলে জানা গেছে। বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ক্রিকেটাররা এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক বিশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বোর্ডের উচ্চ পর্যায় থেকে এসেছে, যেখানে কোনও অন্তর্বর্তী আলোচনা বা মতবিনিময় হয়নি। ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, বিসিসিআই এর এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোনও ধরণের আলোচনা বা পরামর্শ নেয়নি। এ ব্যাপারে এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, মোস্তাফিজের অবস্থা সম্পর্কে বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি, বরং তারা সরাসরি সিদ্ধান্ত নেন। এখন পর্যন্ত তিনি ভারতের পাঁচটি বড় ফ্রাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন— সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, দিল্লি ক্যাপিটালস, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস এবং চেন্নাই সুপার কিংস। আইপিএলে তার মোট খেলার সংখ্যা ৬০, এবং ইকোনমিতে ৮.১৩ গড়ে তিনি ৬৫ উইকেট নিয়েছেন। ২০২৪ সালে চেন্নাই সুপার কিংস তাকে সামাজিক মাধ্যমেও প্রশংসিত করেছে। গতবার জেক ফ্রেজার না খেলায় দিল্লি ক্যাপিটালস মোস্তাফিজকে মাঝপথে আনেন। তবে এবারে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের জটিলতা তাকে আইপিএল খেলতে বাধা দেয়। ১৬ ডিসেম্বর আবুধাবিতে আইপিএল নিলামে তাকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে (প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা) কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বাংলাদেশের ক্রিকেটারের মধ্যে এইই ছিল সর্বোচ্চ দর। তবে বিসিসিআই-এর সচিব দেবজিত সাইকিয়া শুক্রবার এক প্রভাবশালী বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছেন, মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ তারা কলকাতা নাইট রাইডার্সকে দিয়েছেন। সেই নির্দেশনার কিছু ঘণ্টার মধ্যেই মোস্তাফিজকে দলে থেকে বাদ দেওয়া হয়। এর ফলে কলকাতার সোশ্যাল মিডিয়ার ফলোয়ার কমে যাচ্ছে, পোস্টে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও রিঅ্যাকশন বাড়ছে। অন্যদিকে, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারতের থেকে আইসিসিকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসি এখন বিশ্বকাপের নতুন সূচি তৈরির কাজ করছে, আর মোস্তাফিজের এই ইস্যুতে বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, যেখানে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনা পুরোপুরি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবিরোধের জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছে, যেখানে মোস্তাফিজের as স্থান ও ভবিষ্যত এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

  • আমি এখনও প্রেসিডেন্ট, আমাকে অপহরণ করা হয়েছে: মাদুরো আদালতকক্ষে বলেন

    আমি এখনও প্রেসিডেন্ট, আমাকে অপহরণ করা হয়েছে: মাদুরো আদালতকক্ষে বলেন

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে ম্যানহাটন আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজের পরিচয় জোর দিয়ে বললেন ভেনেজুয়েলার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। সোমবার আদালতে হাজির হয়ে তিনি স্পষ্ট করে বললেন, আমি নির্দোষ। আমাকে ভেনেজুয়েলার কারাকাসে আমার বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে এসেছে। আমি একজন সম্মানজ্ঞান ব্যক্তি, আমার দেশের প্রেসিডেন্ট। আমাকে বেআইনিভাবে ধরে আনা হয়েছে, যা আমি কোনওভাবেই মানি না।

    নিজেকে ‘যুদ্ধবন্দি’ বলে উল্লেখ করেন মাদুরো, এবং আদালতে পড়ে শোনানো অভিযোগগুলোতেও দোষ স্বীকার না করে দোষ অস্বীকার করেন। একইভাবে, তার স্ত্রীরাও—ভেনেজুয়েলার ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেস—নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। দোভাষীর মাধ্যমে তিনি স্প্যানিশ ভাষায় বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোতেই তাদের দোষ নেই।

    গত শনিবার, ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে তার সস্ত্রীক অপহরণ করে নিয়ে আসে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। এই নাটকীয় ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বৈশ্বিক স্তম্ভিত হয়েছিল বিশ্ব। বেশ কিছু দেশ এই ঘটনাকে নিন্দার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

    মাদুরোর বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নানা অভিযোগ আনা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে মাদক-সন্ত্রাস, কোকেন আমদানির জালিয়াতি, এবং ক্ষতিসাধনকারী ডিভাইস ও মেশিনগান রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, মাদুরো ক্যানসার মোকাবেলায় ব্যবহার করে বেশি দূর এগোতে পারেনি, বরং মেক্সিকো ও কলম্বিয়ার গ্যাংগুলির সঙ্গে মিলে কোকেন পাচারচক্র চালাচ্ছে।

    মাদুরো ও তার স্ত্রী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তাদের আইনজীবীরা বলছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই তার নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মামলাগুলো করছে।

    ঐদিন তারা ব্রুকলিনের আটক কেন্দ্রে থাকাকালীন, সোমবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাদেরকে হেলিকপ্টার ও সাঁজোয়া গাড়ি যোগে আদালতে উপস্থিত করা হয়। জেলে থাকাকালীন আদালতে হাজির করার সময়, তারা স্প্যানিশ ভাষায় দোভাষীর মাধ্যমে কথা বলেন। এসময় তাদেরকে দেখতে ব্যাপক jumlah মোড়ক উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে, আন্দোলনের পাশাপাশি সমর্থকদেরাও জমায়েত হয়েছিল।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মামলাকে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে নজিরবিহীন বলে মনে করা হয়, কারণ এটি প্রথম কোনও বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ ধরণের ফৌজদারি মামলা।

    তবে, মাদুরো এসবের মুখে হার মানেননি। আদালত চলাকালীন তার মুখে আতঙ্ক বা ভয়ের চিহ্ন দেখা যায়নি। বরং তিনি জেদি ও দৃঢ় কথা বলে স্পষ্ট করে বললেন, আমাকে জোরপূর্বক ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে আনা হয়েছে এবং আমি অপহৃত একজন প্রেসিডেন্ট। তার এই দৃঢ়তা দেখে অনেকেই তার নেতৃত্বের শক্তি অনুভব করেছেন।

    ভেনেজুয়েলার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি এদিন তার পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা গভীরভাবে দাবি করেছে, এই অপহরণ একটিকে ‘বর্বরোচিত ও বিশ্বাসঘাতক’ আক্রমণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    অভিযোগের শুনানি শেষ হয়ে, আগামী ১৭ মার্চ পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেছে আদালত। ওই দিনটিতে আবারও তাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র: বিডিনিউজ।

  • ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলায় নিহতের সংখ্যা ৮০ ছাড়ালো

    ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলায় নিহতের সংখ্যা ৮০ ছাড়ালো

    ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন সেনাদের হামলার ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। গত শনিবার মধ্যরাতে দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যাপক আক্রমণ চালায় মার্কিন সেনারা, যা দেশটির জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের মতে, ভেনেজুয়েলার একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার সূত্রে জানা গেছে, এই হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮০ এ পৌঁছেছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই সেনা সদস্য হলেও বেসামরিক নাগরিকরাও এতে হতাহত হয়েছেন। মার্কিন বিমানবাহিনী ওই সময় বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক অগ্রসর বোমা হামলা চালায়, যেখানে তারা ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের জন্য এই আক্রমণ চালায়।

    ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ বলেছেন, সব কিছু পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়েছে, যেখানে ইহুদিবাদী শক্তিগুলোর পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে। এদিকে, মাদুরোকে আটকের সময় মার্কিন সেনারা কিউবার সশস্ত্র বাহিনী ও গোয়েন্দাদের এলোচিত করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিউবার ৩২ জন সেনা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা এই হামলায় নিহত হন। এই হামলার সময় মার্কিন ডেল্টা ফোর্সের বিশিষ্ট সদস্যরা মাদুরো ও তার পরিবারের সদস্যদের আটকের জন্য অভিযান চালায়। দুই দিন ধরে কিউবা এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করে রাষ্ট্রীয় শোকের ঘোষণা দেয়।

    কিউবার সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা দেশের স্বার্থে দায়িত্বশীল ও সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, নিহত সব কর্মকর্তা তাদের দেশপ্রেমের প্রমাণ। যদিও, কিউবার সেনা ও গোয়েন্দাদের কতজন এই অভিযানে নিহত হয়েছেন, এই ব্যাপারে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলাফল প্রকাশ্যে আসার আগে, নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, অন্তত ৪০ জন মার্কিন সেনা-নিহত হয়েছে যার মধ্যে অনেক বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন। এখনো পর্যন্ত ভেনেজুয়েলা আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে আন্তর্জাতিক সূত্রগুলো বলছে, এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা তার চেয়ে বেশি হতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মহল বিভিন্ন মন্তব্য ও তদন্ত শুরু করেছে।