নোয়াখালীর বিপক্ষে দুর্দান্ত বাজি ধরে সিলেটের জয় conseguimos। এই ম্যাচে শুরু থেকেই নিজের চমৎকার বলিং দক্ষতা দেখান নাসুম আহমেদ। সৌম্য সরকারকে ফিরিয়ে শুরু করেন উজ্জ্বল উপস্থিতি, এরপর ধারাবাহিকভাবে হায়দার আলী, মেহেদী হাসান রানা, জহির খান এবং বিলাল সামিকে ফেরান তিনি। নিজের শেষ ওভারেই তিনি তিনটি উইকেট তুলে নেন, চার ওভারে মাত্র ৭ রান খরচায় ৫টি উইকেট নিয়ে নোয়াখালীকে মাত্র ৬১ রানে গুছিয়ে দেন। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তাদের সহজ জেতার পথে মূল বাধাটিই ভেঙে যায়। ফলে, লক্ষ্য ছিল মাত্র ৬২ রানের, যা আদৌ সহজ ছিল। সিলেটের শুরুটা হলো খুব ভালো, প্রথম ওভারেই উইকেট হারিয়ে শুরু হয় বিপর্যয়। ওপেনিংয়ে নামা পারভেজ হোসেন ইমন প্রথমবারের মতো বিপিএলে ওপেন করতে এসে ব্যর্থ হন, যার আগেই শেষ হয়ে যায় তার আভরণ। মূলত আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে চার নম্বর পজিশনে ৬৫ রান করে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন তিনি। এরপর বাংলাদেশ প্রিমিয়র লিগে নোয়াখালীর বিপক্ষে ৬০ রান করেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের সঙ্গে তিনি ৪৪ রানের ইনিংস খেলেছেন, তবে পরের ম্যাচগুলোতে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি। শ্রীলঙ্কার সিরিজের জন্য সাইম আইয়ুব লিগ থেকে ছুটি নেওয়ায় সিলেটের ওপেনিংয়ে সুযোগ পান ইমন। তবে এই ইনিংস ছিল খুব দ্রুত শেষ—৫ বলে ১ রান করে আউট হন তিনি। পেসার বিলাল সামির অফ স্টাম্পের বাইরে থাকা বল ভেতরে ঢোকায় তাকে বোল্ড করেন। এরপর তৌফিক খান দ্রুত রান তোলার জন্য ঝাঁপিয়ে যান। পাওয়ার প্লে’য় বেশ কিছু বাউন্ডারি মারতে থাকেন, কিন্তু প্রথম ছয় ওভারে পারভেজের আউটের পর বিপর্যয় শুরু হয়। ১৮ বলে ৩২ রান করে আউট হন তৌফিক। এরপর আফিফ হোসেন ধ্রুব ৫ বলে ২ রানে আউট হন। একই ওভারে ২৩ বলে ২৪ রান করে জাকির হাসান আউট হন। শেষ মুহূর্তে ম্যাচ জেতাতে মঈন আলী এক সিঙ্গেল নিয়েছেন। নোয়াখালীর হয়ে তিনটি উইকেট পান জহির খান। বিপিএল চলাকালীন অনেক দলই টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও, নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার আলী টস জিতে ব্যাটিং নেওয়ায় সবাইকে চমকে দেন। দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও সৌম্য মিলে ভালো শুরুর আশ্বাস দেন, কিন্তু চতুর্থ ওভারেই সৌম্য ফিরে যান। এরপরই ছন্দপতন ঘটে; মুনিম শাহরিয়ার রান আউট হন, এরপর ১৬ বলে ১৮ রান করা সোহানও আউট হন। বাকিদের মধ্যে অঙ্কন চেষ্টা করেন এক আসা-যাওয়া ব্যাটিং বাঁচানোর, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২৫ রানে তিনি ফিরে যান। নোয়াখালীর হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে মোহাম্মদ নবি কেবল ১০ বলে এক রান করে আউট হন। দুর্দান্ত ব্যাটিং না থাকায় দল মাত্র ৬১ রানে গুটিয়ে যায়। অন্যদিকে, সিলেটের হয়ে একাই ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মূল নায়ক হন নাসুম আহমেদ। তার দুর্দান্ত বলিং পারফরম্যান্সের কারণে সিলেটের সহজ জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।
Leave a Reply