Month: January 2026

  • ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের পরিবারের তিনজন নিহত

    ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের পরিবারের তিনজন নিহত

    মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। তিনি দুপুরে সালালাহ থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে, হঠাৎ করে এক উট সড়কে চলে আসলে প্রাইভেটকারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে এই মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় পরিবারের আরও তিন জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    শনিবার (৯ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে সালালাহর তাম্বেত এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—ফটিকছড়ি উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ছোট ছিলোনিয়া গ্রামের ওমান প্রবাসী মো. শফিউর আলমের স্ত্রী বিলকিস আক্তার, তার একমাত্র ছেলে মুহাম্মদ সাকিবুল হাসান (সবুজ) এবং বিলকিসের মেয়ের জামাই মুহাম্মদ দিদার।

    আহতরা হলেন, একই গাড়িতে থাকা সাকিবের বোন, তার স্ত্রী ও তাদের ছোট কন্যা। তাদের উদ্ধার করে সালালাহর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্বজনেরা জানিয়েছেন, আহতদের শারীরিক অবস্থা পরিস্থিতির অপেক্ষায় রয়েছে, তারা আশঙ্কাজনক বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ওমানে থাকা নিহত সাকিবের চাচা মো. জাহাঙ্গীর বলেন, কিছু দিন আগে তারা মাস্কাট থেকে হজরত আইয়ুব (আ.)–এর মাজার জিয়ারত ও ভ্রমণের উদ্দেশ্যে সালালাহ যান। পরিবারের সবাই সেখানে সময় কাটাচ্ছিলেন। শুক্রবার রাতে ঘোরাঘুরি শেষে ফেরার পথে হঠাৎ একটি উট গাড়ির পথে চলে আসলে, প্রাইভেটকারটি ধাক্কা খায় এবং ব্যাপক ক্ষতি হয়।

    তিনি বলেন, আমার ভাবি, ভাতিজা এবং মেয়ের জামাই একসঙ্গে এভাবে চলে যাবে—কল্পনাও করিনি। এটা মেনে নেওয়া সত্যিই খুব কষ্টের।

    সুন্দরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শহিদুল আজম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ফটিকছড়ির ছোট ছিলোনিয়া গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই পরিবারের তিনজনের এই মর্মান্তিক মৃত্যু পুরো এলাকাকে শোকস্তব্ধ করে দিয়েছে। সবাই শোকাহত ও মনখারাপের মধ্য দিয়ে এই দুঃখের ঘটনাকে সকলে মনে রাখবেন।

  • নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন: বাংলাদেশের সঙ্গে আমার গভীর পরিচিতি

    নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন: বাংলাদেশের সঙ্গে আমার গভীর পরিচিতি

    বাংলাদেশের সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত বলে বলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে পূর্বে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই মার্কিন কর্মকর্তা নিজের নতুন দায়িত্বে ফিরে এসে অত্যন্ত আনন্দিত বলে জানান। শুক্রবার (৯ জানুয়ারির) স্থানীয় সময় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    ঢাকার মার্কিন দূতাবাস নতুন রাষ্ট্রদূতকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে। দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে স্বাগত জানাতে পেরে তারা বড় খুশি। তিনি বলেন, আমি ঢাকার দূতাবাসের আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত শক্তিশালী দলকে নেতৃত্ব দিতে পেরে গর্বিত। আমার লক্ষ্য হলো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সাবলীলভাবে একসঙ্গে কাজ করে সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনা অনুসারে আমি নিরলসভাবে কাজ করে থাকব, যেন আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ করা যায়।

    নিউ বছরেই বাংলাদেশে উপস্থিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। ১২ জানুয়ারি তিনি ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের মনোভাবানুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এই দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি ঢাকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন একজন সিনিয়র মার্কিন পররাষ্ট্র কর্মকর্তা। তার prior অভিজ্ঞতা রয়েছে, কারণ তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে কাজ করেছেন।

    যদিও তিনি এখন নতুন করে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন, তবে এর আগে তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

    আগের বাংলাদেশের মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন পিটার হাস। তিনি ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

  • আইন উপদেষ্টার মন্তব্য: আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের জামিনের দায় বিচারপতিদের

    আইন উপদেষ্টার মন্তব্য: আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের জামিনের দায় বিচারপতিদের

    আওয়ামী লীগের কিছু সন্ত্রাসীর জামিন হতে থাকায় আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল তাদের জন্য বিচারপতিদের দায়ী করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব ছিল এই সন্ত্রাসীদের অপসারণ করা। বিএনপি আমলে যখন প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে সমালোচনা চলেছিল, তখন আমরা এই বিষয়ে কড়া প্রশ্ন তুলেছিলাম। কিন্তু এখন কেন সেই প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে কথা বলা হয় না, তা বুঝতে পারছি না।

    শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত একটি সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন, যেখানে রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার সংস্থা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের বিষয়ে আলোচনা হয়।

    আইন উপদেষ্টার তথ্যমতে, হাইকোর্টে দেওয়া আসামিদের জামিনের জন্য অনেকের মধ্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তিনি উল্লেখ করেন, যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় বাতিল হয়েছিল, তখন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক বা আইনমন্ত্রীকে দোষ দেওয়া হয়েছিল। আবার শামসুদ্দিন মানিকের অপকর্মের জন্যও কেউ কখনো আইনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল। এখন কেন এই দোষারোপের ধারাবাহিকতা চলমান, বুঝতে পারা যাচ্ছে না। কারণ, এই সব ক্ষেত্রে আইনমন্ত্রীর কোনো সম্পর্ক নেই বলে মনে করেন তিনি।

    অভিযোগের পেছনে দুটি কারণ রয়েছে— প্রথমত, রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ভিউ চমৎকার হয়, ব্যবসার কাজ স্বাভাবিক হয়, মনিটাইজেশনের সুযোগ থাকে। আরেকটি কারণ, বক্তব্যের মাধ্যমে এক ধরনের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়। তিনি বলেন, আমাকে দুর্বল করে দিলে বিশেষ কিছু রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন সহজ হয়।

    এছাড়াও, কয়েকজন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদত্যাগের ইচ্ছার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, এসব অস্থির পরিস্থিতিতে অবিচল থাকতে হয়। প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এটা একটা দল, যখন একজন পদত্যাগ করে, তখন অন্যজনের মনোবল কমে যেতে পারে। তাই আমরা বরাবরের মতো কাজ করে যাচ্ছি— যতদিন বাংলাদেশে থাকব, সব কিছু মোকাবিলা করে যাব। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি সব পরিস্থিতির উত্তর দেবেন।

  • প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    অতঃপ্রত্যাশিত ওমরাহ হজ পালন চলাকালীন সৌদি আরবে থাকলেও দেশের মাটিতে প্রবল_danger__তার জন্য অপেক্ষা করছে দুঃসংবাদ। জনপ্রিয় TikTok তারকা প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে, যার কারণ হলো তাকে আদালতে হাজির না হওয়া ও নারীর নিরাপত্তার জন্য হুমকি দেওয়ার অভিযোগ। এই খবর রবিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এই আদেশ দিয়েছেন।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরবে থাকায় মামুন আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম সময়ের আবেদন করলেও, বাদী লায়লা আখতার ফরহাদ আদালতে হাজির হয়ে মামুনের জামিন বাতিলের আবেদন জানান। শুনানি শেষে আদালত মামুনের জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে দ্রুত বিচার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দেন। পরবর্তী শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৫ মার্চ তারিখ ধার্য্য করা হয়েছে।

    মামলার বিস্তারিত অনুযায়ী, প্রিন্স মামুনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে লায়লার পরিচয় ঘটে। ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মামুন ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএস এলাকায় লায়লার বাসায় যান। সেখানে গিয়ে তিনি লায়লার আগের মামলা ও জিডি তুলে নিতে হুমকি দেন। লায়লা অস্বীকৃতি জানালে মামুন ফেসবুক লাইভে গিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ করেন। এরপর লাইভ বন্ধ করে চিৎকার চেচামেচি শুরু করেন, এবং ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টা চালান। লায়লা হামলার সময় হাত দিয়ে আঘাত রোধ করেন, এতে তিনি আহত হন। ওই দিনই তিনি ক্যান্টনমেন্ট থানায় অভিযোগ করেন। তদন্তে অভিযুক্ত প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান সৈকত অভিযোগপত্র দাখিল করেন, যেখানে মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই অভিযোগের জের ধরে মামুন এখন আদালতের নজরে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে দুই বলিউড শিল্পীর উপর হামলা

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে দুই বলিউড শিল্পীর উপর হামলা

    বর্ষবরণের রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত টাণ্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে ভক্তদের উন্মাদনা এতটাই বেড়ে যায় যে, পরিস্থিতি অরাজকতায় পৌঁছে যায়। অল্পের জন্য তাঁরা প্রাণে বেঁচে গেলেও, তাদের পরিবহনের গাড়িটি ভেঙচুর হয় উত্তেজিত ভক্তদের গুলির কারণে।

    নতুন বছরের শুরুতে বালুরঘাটে এক জমকালো কনসার্টে অংশ নিয়েছিলেন এই দম্পতি। কনসার্টের পর ফেরার পথে ঘটে বিপত্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শিল্পীদের গাড়িটিকে ঘিরে রেখেছে শত শত ভক্ত। তারা এতটাই উন্মত্ত হয়ে ওঠে যে, চলন্ত গাড়ির উপর কিল-ঘুষি মারতে আরম্ভ করে।

    পাশে থাকা ক্যামেরায় দেখা যায়, এক পর্যায়ে গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে যায়। ভিডিওতে থেকে সাচেতকে বলে উঠতে শোনা যায়, ‘ওহ শিট’। অন্যদিকে, পরম্পরা আতঙ্কিত হয়ে ভক্তদের শান্ত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানান, ‘গাইজ রিল্যাক্স, শান্ত থাকো।’ কিন্তু উত্তেজিত জনতার হাত থেকে রক্ষা পায়নি তাঁদের গাড়ি।

    এই আকস্মিক হামলার ঘটনায় শিল্পী জুটি হতভম্ব হলেও তারা এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিবৃতি দেননি। তবে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের শুভেচ্ছা ও ভিডিও পোস্ট করেছেন।

    এই ঘটনা দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই বিভিন্ন নেটিজেনরা সমালোচনা শুরু করেন। অনেকে বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের এই ঘটনার মাধ্যমে ভারতের আইনশৃঙ্খলা ও শিল্পীদের নিরাপত্তার বিষয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। এ ধরনের ‘মব কালচার’ সম্প্রতি নানা প্রান্তে সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে। কিছুদিন আগে কুখ্যাত শিল্পী কৈলাস খেরের কনসার্টেও এমন উন্মত্ত জনতার তাণ্ডবের ঘটনা ঘটেছিল। পরে মঞ্চ ত্যাগ করে অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য হন শিল্পীরা।

  • বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    বিশিষ্ট Bangla চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু (৮৪) আজ সোমবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে মৃত্যু বরণ করেন। তিনি রাজধানী ধানমন্ডির এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    চলচ্চিত্র পরিচালকের বন্ধু এবং দুইজনের সহকর্মী কবিরুল ইসলাম রানা নিশ্চিত করেছেন, শুক্রবার বিকেলেও তার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। রোববার দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যুর খবর পৌঁছায়।

    কবিরুল ইসলাম রানা আরও জানিয়েছেন, কয়েক মাস আগে তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়েছিল চিকিৎসার জন্য। সেখানে তিনি সফল চিকিৎসা নিয়ে ফিরে এসেছিলেন এবং সুস্থ ছিলেন।

    আবদুল লতিফ বাচ্চু ১৯৪২ সালের ৯ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি বাংলার চলচ্চিত্রে অসংখ্য কাজ করেছেন। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন ছেলের জনক, যারা সবই এখন আমেরিকায় থাকেন।

  • ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল আসছে!

    ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল আসছে!

    নতুন বছর উপলক্ষে বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক করণ জোহর একের পর এক চমক নিয়ে ফিরছেন দর্শকদের জন্য। প্রথমে জানা গিয়েছিল, তিনি একটি পারিবারিক ছবি নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন, যা মূলত একটি আবেগপূর্ণ ফ্যামিলি ড্রামা। কিন্তু ভক্তরা ধারণা করেননি যে, এই সিনেমার মধ্যে থাকবে জনপ্রিয় সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল।

    পিঙ্কভিলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, করণ জোহর এখন তার পরবর্তী সিনেমার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা তার রক্ষণমুক্ত রোমান্টিক কমেডি ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’র পরবর্তী প্রজেক্ট। নতুন ছবি ধর্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত হবে এবং প্রি-প্রোডাকশনের কাজ ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হবে। শুটিংয়ের কাজ শেষ হবে এই বছরের শেষের দিকেই বলে জানা গেছে।

    এছাড়াও, সিনেমাটির কাস্টিং প্রক্রিয়া খুব দ্রুত শুরু হবে যেখানে দুজন নায়ক ও দুজন নায়িকা থাকবেন। কাস্টিংয়ের ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে শিগগিরই এ ব্যাপারে ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

    প্রতিবেদনটি আরও জানিয়েছে যে, এই নতুন সিনেমার নাম ‘কাভি খুশি কভি গাম ২’ হতে পারে, তবে এই বিষয়ে কিছু অফিসিয়াল নিশ্চিতকরণ এখনো হয়নি। করণ জোহর বা ধর্ম প্রোডাকশনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা যায়নি।

    প্রায় ২৫ বছর আগে, অর্থাৎ ২০০১ সালে, করণের সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ মুক্তি পায় এবং তা তার ক্যারিয়ারে একেবারে সুপারহিট হয়ে ওঠে। এখন সেই হিট সিনেমার দ্বিতীয় অংশের কাজ শুরু বা তার সম্ভাব্য সূচনা নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    এছাড়াও, করণের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলির মধ্যে রয়েছে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কভি খুশি কাভি গাম’, ‘কভি আলবিদা না কেহনা’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’, ‘বোম্বে টকিজ’, ‘আয়ে দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’ এবং ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহিনী’।

  • ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি সংরণের জন্য আলাদা স্মরণসভা কেন, জেলা জানালেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি সংরণের জন্য আলাদা স্মরণসভা কেন, জেলা জানালেন হেমা মালিনী

    প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর স্মরণে দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী পৃথক একটি স্মরণসভা আয়োজন করেছেন। এর কারণে ভারতের 娱乐 জগতে বিভিন্ন জল্পনা বাড়তে থাকলেও হেমা মালিনী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই আলাদা আয়োজনের পেছনে কোনো পারিবারিক বিভেদ বা দ্বন্দ্ব নেই। তিনি বলেছেন, এটি একান্ত পারিবারিক বিষয় নয়, বরং তার নিজের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী বলেন, আমি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলেই বলিউডের বাইরেও আমার আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের জন্য আলাদাভাবে এই স্মরণসভা করি। বিশেষ করে, আমার নির্বাচনি এলাকা মথুরায় মানুষের আবেগ ও অনুভূতির কথা ভেবে সেখানে আমি আলাদা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরিবারে কোনো ধরনের ভাঙন বা মনোমালিন্য হয়নি এবং সবাই নিজ নিজ রীতিনীতি অনুসারে ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।

    প্রসঙ্গত, গত বছর ২৪ নভেম্বর বলিউডের ‘হিম্যান’ খ্যাত অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই। তাঁর মৃত্যুর পর ৩ ডিসেম্বর হরিদ্বারে মরদেহের অস্থি বিসর্জন সম্পন্ন হয়। তবে, এই দাফন ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে দেখা যায়নি, যা ঘিরে বেশ কিছু গুঞ্জন দেখা যায় বলিউড মহলে।

    হেমা মালিনী এই গুঞ্জনগুলোকে نাকেশ করেছেন এবং বলেছেন, ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি সংরক্ষণে সানি দেওল বড় পরিকল্পনা নিচ্ছেন। তিনি জানিয়েছেন, মুম্বাইয়ের লোনাভেলায় অবস্থিত ধর্মেন্দ্রর ১০০ একর জমির ওপর নির্মিত ফার্মহাউসটিকে ভবিষ্যতে একটি জাদুঘর বা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। হেমা মালিনী আরও বলেন, এই উদ্যোগটি ধর্মেন্দ্রর ভক্ত ও অনুরাগীদের জন্য একটি বড় উপহার হবে এবং তার স্মৃতি চিরদিন অম্লান থাকবে।

  • অ্যাশেজের শেষ দিনে রোমাঞ্চ, বিদায়ী টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়

    অ্যাশেজের শেষ দিনে রোমাঞ্চ, বিদায়ী টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়

    অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের প্রিয় তারকা উসমান খাজার একক বৈচিত্র্যপূর্ণ ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে গেল সিডনিতে। চলতি ঐতিহাসিক অ্যাশেজের শেষ দিনটি ছিল রোমাঞ্চের แอড়াও। ১৫ বছর আগে সিডনিতে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু হওয়ার পর, অবশেষে তিনি শেষ ম্যাচটিও খেললেন এই ঐতিহাসিক মঞ্চে। যদিও ব্যাট হাতে তিনি ম্যাচের রূপ বদলে দিতে পারলেন না, তবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য এ ছিল এক দারুণ স্মৃতি। স্বাগতিক দল ৫ উইকেটের জয়ে সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে জিতে নিলো এই প্রতিবাদী সিরিজের আয়োজনে নতুন ইতিহাস গড়ে।

    অ্যাশেজের ফল আগেই নির্ধারিত ছিল কারণ অস্ট্রেলিয়ার টানা তিন ম্যাচ জয়ে সিরিজের ভাগ্য দৃঢ়ভাবে তাদের পক্ষে গড়ে উঠেছিল। মেলবোর্নের চতুর্থ টেস্ট জিতে ইংল্যান্ড কনট্রাক্ট হোয়াইটওয়াশের হাত থেকে রক্ষা পেল। এই চতুর্থ ম্যাচটি বিশেষ হয়ে উঠেছিল খাজার কারণে। এছাড়াও ছিল সহজ বাড়তি আগ্রহ কি এই ম্যাচটি আর পঞ্চম দিন পর্যন্ত গড়াতে পারবে কি না, কারণ আগের চারটি টেস্ট ১৩ দিনে শেষ হওয়ায় আয়ের ক্ষতি ও উইকেটের সংকট তৈরি হয়েছিল। সিরিজের সমাপ্তি এই উদ্বেগের কিছুটা হলেও মিটিয়ে দিল।

    সিডনি টেস্টের প্রথম চার দিনই দেখিয়েছিল ইংল্যান্ডের হার খুব কাছাকাছি। দিন শেষে তাদের লিড ছিল মাত্র ১১৯ রান, যেখানে ২ উইকেট হাতে রেখে ব্যাট করছিলেন সেঞ্চুরিয়ান জ্যাকব বেথেল। আশা ছিল, তার ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ তৈরি হবে। কিন্তু বিয়ের দিন শেষ করে ইংল্যান্ডের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ১৬০ রানে। এর মধ্যে ৬২ রানের ওপেনিং জুটিতে ট্রাভিস হেড ও জ্যাক ওয়েদারল্ড পাওয়া গেলো স্বস্তির সূচনা। এরপর ম্যাচে নাটকতা ফিরে এলো যখন অস্ট্রেলিয়া ৫৫ রানের ব্যবধানে তাদের ৫ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লো। এরপর ধৈর্য্য ও সামনের দিনগুলো সুসংহত ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়া সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে গেল।

    অংলীগের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই ফুটে ওঠে আরও উত্তেজনা। জ্যাকব বেথেল শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন ১২ রানে, আর বেশ কিছু তারকা ব্যাটসম্যানদের ব্যাট এসবের মধ্যে ভর করেছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ দিনে তাদের জয়ের জন্য দরকার ছিল সামান্য খানেক। দলটির জন্য ছিল উদযাপনের দিন, যখন খাজার বিদায়ের স্মৃতি তিনি অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুললেন। ৩৯ বছর বয়সী এই বাঁ-হাতি ক্রিকেটারকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। সবুজ গালিচায় গিয়ে মাথা নোয়ে বিদায় জানানো, কোলাহলপূর্ণ গ্যালারির করতালিতে তিনি বিদায়ের স্বীকৃতি পেলেন।

    অস্ট্রেলিয়ায় তিনি খেলেছেন মোট ৮৮টি টেস্ট, ৪০টি ওয়ানডে এবং ৯টি টি-টোয়েন্টি। ক্যারিয়ারে তিনি ডাবল সেঞ্চুরি, ১৮টি সেঞ্চুরি এবং ৪১টি হাফসেঞ্চুরি সহ মোট রান করেছেন ৮০২৪। তার এই অবদান ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরজাগরুক হয়ে থাকবে। এই ম্যাচের মাধ্যমে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনের অবসান ঘটলো, যেখানে তিনি স্মৃতি হয়ে রইলেন সকলের জন্য।

  • উসমান খাজার বিদায়: শেষবার মাঠে সিজদায় অবনত

    উসমান খাজার বিদায়: শেষবার মাঠে সিজদায় অবনত

    সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে উসমান খাজার বিদায় অনুষ্ঠান ছিল আবেগপ্রবণ ও স্মরণীয় এক মুহূর্ত। তার এই শেষ টেস্টে দর্শকেরা চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি, đặcově তার স্ত্রীর চোখেও বিন্দু বিন্দু অশ্রু ঝরে পড়ে। ক্যামেরায় ধরা সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা সকলের হৃদয় স্পর্শ করে। ফুটে ওঠে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের শেষ পর্বে থাকা এক ক্রিকেটারের ত্যাগ, সংগ্রাম এবং প্রেমের গল্প।

    খেলার শেষ ইনিংসের শুরু ছিল আশাব্যঞ্জক। উইল জ্যাকসের ঘূর্ণি বলের ওপর দিয়ে সুন্দর একটি ফ্লিক করে চার মারেন খাজা, রানের খাতা খোলার জন্য। কিন্তু এরপর খুব বেশি দূর যায়নি গল্প। জশ টাংয়ের বলের চপ ডাইন হয়ে তিনি মাত্র ১৭ রান করে ফিরে যান।

    তবে মাঠ ছাড়ার সময় দর্শকরা তাকে সম্মান ও ভালবাসা জানাতে কুপোকাত ছিলেন। দাঁড়িয়ে করতালিতে ভাসিয়ে দেন তাঁকে। মাঠে হাঁটু গেড়ে চুমু খান ও ধন্যবাদ জানান সৃষ্টিকর্তাকে। বিদায়ের মুহূর্তে স্টেডিয়াম ভেসে ওঠে আবেগে। গ্যালারিতে দাঁড়িয়ে থাকা র‌্যাচেল খাজার চোখের জলও ঝরতে দেখা যায়।

    খেলা শেষে নিজের শেষ টেস্ট ইনিংসের অনুভূতি প্রকাশ করেন খাজা। হতাশা, কৃতজ্ঞতা ও প্রেমের মিশ্র ভাষায় তিনি বলেন, “চপড অন হওয়ার কারণে একটু বিরক্তি হয়েছিল। সবসময় রূপকথার মতো শেষ হয় না। তবে কিছুক্ষণ পরে সেটা ভুলে গেলাম। তখন আমি তাকালাম র‌্যাচেলের দিকে ও ওর সাথে কিছু মুহূর্ত ভাগ করলাম। পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিল, ওদের দিকে চুমু দিয়ে আমি ধন্যবাদ জানাই।”

    স্ত্রীর অবদান স্বীকার করে তিনি বলেন, “ও না থাকলে আমি আজ এখানে থাকতাম না। মানসিক, আবেগিক ও ব্যক্তিগতভাবে ও আমার সবচেয়ে বড় ভরসা। এই শেষবার মাঠ ছাড়ার মুহূর্তে ওর কাছে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের সবচেয়ে স্পেশাল মুহূর্ত ছিল এটি।” ৩৯ বছর বয়সী খাজা তার টেস্ট ক্যারিয়ার ৬,২২৯ রান করে শেষ করেছেন, গড় ৪৩.২৫। অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় তিনি আছেন ১৪ নম্বরে।

    সিডনি মাঠে ক্যারিয়ার শেষ করার মধ্যে দিয়ে তার জন্য ছিল বিশেষ এক মুহূর্ত। এই মাঠই ছিল তার টেস্ট অভিষেকের স্থান, ২০১০-১১ অ্যাশেজ সিরিজে। ঐ ম্যাচে তিনি প্রথম ইনিংসে ৩৭ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২১ রান করেছিলেন। তার শান্ত, ধীরস্থির ব্যাটিং style পরবর্তীতে তার পরিচয় হয়ে ওঠে। ইসলামাবাদে জন্ম নেওয়া এই ক্রিকেটার ছোটবেলায় পাড়ি জমান অস্ট্রেলিয়ায়, যেখানে তিনি হয়ে ওঠেন অস্ট্রেলিয়ার প্রথম পাকিস্তান-জন্ম নেওয়া ও প্রথম মুসলিম টেস্ট ক্রিকেটার।

    অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মোট ৮৮টি টেস্টে ১৬টি সেঞ্চুরিসহ তিনি ছিলেন দলের মূল ভরসা। পাশাপাশি খেলেছেন ৪০টি ওয়ানডে ও ৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। মাঠের বাইরের জীবনেও তার আধ্যাত্মিকতা এবং ক্রিকেটে অবদান নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।