Month: January 2026

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার কমানোর সিদ্ধান্ত সরকার বাতিল করে আগের হারে পুনঃস্থাপন করেছে। রোববার, এই বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থমন্ত্রী কার্যালয়, যা ভবিষ্যত ছয় মাসের জন্য সেই একই হার বহাল রাখে। এর ফলে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেসব সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার নির্ধারিত ছিল, আগামী ছয় মাসেও তা অপরিবর্তীত থাকবে। গত বৃহস্পিতবার সরকার প্রথমে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর প্রস্তাব দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল, কিন্তু এ সিদ্ধান্ত তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে। উল্লেখ্য, মধ্যবিত্ত শ্রেণী, বিশেষ করে অবসরে যাওয়া ব্যক্তিরা এই সঞ্চয়পত্রের উপর নির্ভরশীল, তাই এই হারে পরিবর্তন বেশ চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

    জানা যায়, রোববার অফিস খোলার পর উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় এই প্রজ্ঞাপন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং আগের হারই বজায় রাখতে সম্মত হয়। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুমোদন নিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যেখানে আগের মতোই হার নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন ধরণের সঞ্চয়পত্র এবং পোস্ট অফিসের ফিক্সড ডিপোজিট স্কিম রয়েছে। এই স্কিমে এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে সাড়ে সাত লাখ পর্যন্ত বিনিয়োগ করলে বা এর বেশি হলে আলাদা আলাদা মুনাফা দেওয়া হয়। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, কিছুটা কম মুনাফা দেওয়া হয়। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত এই সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। মেয়াদ শেষে বা ভাঙালে, নির্ধারিত হারে মুনাফা দেওয়া হয়। একইভাবে, পরিবারের জন্য বিশেষ সঞ্চয়পত্রে সাড়ে সাত লাখ টাকার নিচে বিনিয়োগের জন্য পাঁচ বছরের মেয়াদে মুনাফার হার ছিল ১১.৯৩ শতাংশ, যা নতুন প্রজ্ঞাপনে আগের মতোই রক্ষা পেয়েছে। সাড়ে সাত লাখের বেশি বিনিয়োগে হার ১১.৮০ থেকে ১০.৪১ শতাংশে নামানো হয়েছিল, তবে এখন সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের জন্য পুরনো হারই চালু থাকবে।

    গত বছর জানুয়ারি থেকে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ট্রেজারি বন্ডের সঙ্গে সমন্বয়ে নির্ধারিত হয়, যেখানে ৫ ও ২ বছরের ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদ হার অনুযায়ী এই হার নির্ধারিত হয়। সম্প্রতি, ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহার কমার কারণে, গত বৃহস্পতিবার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে হার কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়, যা ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন কেনা সঞ্চয়পত্রে কার্যকর হবে।

    সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এই সঞ্চয়পত্রের সবচেয়ে বড় গ্রাহক। দুর্যোগ বা জরুরি মুহূর্তে এই সঞ্চয়পত্র ভেঙে অর্থ সংগ্রহ করেন তারা। পাশাপাশি, প্রতিমাসে খরচ চালাতে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে অর্থ আসে। বর্তমানে, দেশের উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে, দুই বছর বা তার বেশি সময় ধরে মূল্যবৃদ্ধি চলমান থাকায়, এই হার কমানোর সিদ্ধান্ত চাইলেও মালিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অর্থনীতিবিদরাও এ বিষয়ে বিশেষ বিবেচনার পর, কম আয়ের মানুষজনের জন্য এই হার কমানো উচিত নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন।

  • একদিনে ফের সোনার দামে বড় উর্ধ্বগতি

    একদিনে ফের সোনার দামে বড় উর্ধ্বগতি

    বাংলাদেশের বাজারে একদিনের ব্যবধানে ফের সোনার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে দেশীয় জুয়েলার্স সমিতি, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২৯১৬ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে মানসম্পন্ন সোনার দাম এখন দুই লাখ ২৭ হাজার ৮০০ টাকার ওপরে পৌঁছেছে।

    বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন দামের কার্যকরী তারিখ ৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে শুরু হবে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দামের বৃদ্ধি মূল কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে, যার প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে।

    বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইসডটওআরজি সূত্রে জানা গেছে, এ সময়ের জন্য স্বর্ণের দাম বেড়ে বর্তমানে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৪৫ ডলার।

    নতুন দামে স্বর্ণের ভরি মূল্য হিসেবে দেখা যায়, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন প্রথায় গোনা হলে ভরি দামে স্বর্ণের মূল্য ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা।

    তার পাশাপাশি, রুপার দামেরও বৃদ্ধি হয়েছে। ২২ ক্যারেটের ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৮৪১ টাকা ও সনাতন পদ্ধতিতে ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা। এই দাম বৃদ্ধির ফলে বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম এখন আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

  • ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে উদ্বেগ

    ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে উদ্বেগ

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা এক চতুরতা করে গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভার চারদিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, যারা ধারণা করেছিলেন যে এলপিজির দাম বাড়বে, তাদের জন্য বোঝা যাচ্ছে বিইআরসি ৫৩ টাকা বা তার বেশি দামে তা নির্ধারণ করেছে। এ ব্যাপারে অনেক ব্যবসায়ী এই সুযোগ নেওয়ার চেষ্ঠা করছে। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে জেলা পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং কেবিনেট সেক্রেটারিকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে এই অস্বাভাবিক দাম বাড়ানোর পেছনে কারসাজির বিষয়টি উঠে এসেছে। তিনি বলেন, এই অপ্রত্যাশিত দাম বেড়ে যাওয়ার পেছনে মূলত খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধভাবে যুক্ত। সরকারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ এই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে এবং কারসাজি করার অভিযোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বিপদের মোকাবেলা না করলে বিএনপি ব্যবস্থা নেবে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে

    বিপদের মোকাবেলা না করলে বিএনপি ব্যবস্থা নেবে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, দলের মধ্যে বিদ্রোহীরা যদি তফসিল ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করেন, তাহলে দল কঠোর ব্যবস্থা নেবে। শুক্রবার বিকেলে শেরেবাংলা নগরে দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ওপর একটি চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘দলের মধ্যে যারা সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হয়েছেন, দল সেটি নজরে রাখছে। আমাদের এত বড় দলের জন্য প্রচুর যোগ্য প্রার্থী রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, যদি তাদের মনোনয়ন দেওয়া হতো, তাহলে আরও ভালো হতো। তারা এ জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যাহারের সময় এখনও শেষ হয়নি। আমরা তাদের অনুরোধ জানিয়েছি যে, দয়া করে দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করুন। আমরা আশাবাদী, তারা এই আহ্বান মানবেন। ইতোমধ্যে অনেকেই প্রত্যাহার করার বিষয়টি জানিয়েছেন। আশা করি, সময়ের মধ্যে সবাই নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবেন, Otherwise, দল সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে।’ শক্তিশালী মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে, বিএনপির কার্যক্রমের অংশ হিসেবে, শেরে বাংলা নগরে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান নিহত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জীবনের নানা দিকের উপর আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। তিনি বহুবার দলের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য তারেক রহমানের নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া তার সন্তানজনৈক জনাব তারেক রহমানকে রেখে গেছেন, যিনি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী নেতা। মানুষ তার মাধ্যমে বাংলাদেশের পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে। তিনি তার পিতা শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং মা বেগম খালেদা জিয়ার দর্শন ধরে এগিয়ে যাবেন।’ তিনি যোগ করেছেন, ‘আমরা আশা করি, দেশ ও দেশের মানুষের জন্য, দেশের স্বার্থে, এই সংগ্রামের নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান।’ নির্বাচনের পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা বিবেচনায় নজরুল ইসলাম খান উল্লেখ করেন যে, গত ফেব্রুয়ারি বিএনপির অঙ্গসংগঠনের একজন নেতাকে গুলি করে হত্যা করার বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘গণতন্ত্রের পথে সব বাধা ও শত্রু থাকতেই পারে। এই হত্যাযজ্ঞ ও অপ্রতিকূলতা দেশের স্বার্থে কাজ করার পথে বাধা নয়। দেশের জন্য যারা আত্মবিশ্বাসী ও দেশপ্রেমিক, তারা এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেই।’ তিনি বলেন, ‘সরকারকে আরও কৌশলী হতে হবে। যাতে সুষ্ঠ নির্বাচন প্রায় সম্ভব হয়, তার জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। সবাই জানে, এই সময়ে যারা নির্বাচন চায় না, বা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়, তারা বিভিন্ন চালাকিপনা ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তবে আমরা বিশ্বাস করি, সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে এবং পরিস্থিতি উন্নত হবে।’ নির্বাচনী ইশতেহার প্রসঙ্গে তিনি জানান, একটি কমিটি দ্রুতই এর প্রস্তুতি সম্পন্ন করবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্বাচনের ফলাফল বিষয়ে তিনি বলেন, অনেক বছর ধরে ছাত্র সংগঠনগুলো ঠিকঠাক কাজ করতে পারেনি। বর্তমানে সফল সংগঠনগুলো মূলত গোপনভাবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংযোগ রেখে কাজ করছে, যা আমাদের পছন্দ নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘এমন কৌশল ভবিষ্যতে ফলপ্রসূ হবে না। তবে, আমরা আমাদের কার্যক্রম ও পরিকল্পনার উপর বিশ্বাস রাখি, যা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচনের ফলাফল ও দেশের স্বার্থের উপর নির্ভর করবে।’ অবশেষে, তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন শেষ নয়। এটি একটি ট্রানজিশনাল, অর্থাৎ পরিবর্তনের জন্য প্রাথমিক ধাপ। যখন স্থিতিশীলতা আসবে, তখন আমরা মনে করি ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের আধুনিক ও বৈচিত্র্যময় চিন্তা-ভাবনা দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।’ শেষে, বিএনপি চেয়ারপারসনের কবর জিয়ারত করতে গিয়ে, নজরুল ইসলাম খান খালেদা জিয়ার জীবন শ্রমের সাথে সম্পর্কিত নানা দিকের ওপর আলোকপাত করেন ও দেশের জন্য তাঁর অবদান স্মরণ করেন।

  • দলমত নির্বিশেষে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জামায়াতের আমিরের আহ্বান

    দলমত নির্বিশেষে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জামায়াতের আমিরের আহ্বান

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশের ও জাতির স্বার্থে সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আসন্ন গণভোটে তিনি সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। তিনি বলছেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও আলোকজ্জ্বল বাংলাদেশ নিশ্চিত করা। শনিবার (১০ জানুয়ারি) জামায়াতের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেছেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজ আমরা ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছি। গণভোটের মাধ্যমে জনগণের সরাসরি মতামত নেওয়া হয়, অর্থাৎ জনগণই নিয়ন্ত্রক। এ ভোটের মাধ্যমে আমরা অন্যায়, স্বৈরাচার ও জুলুমের বিপরীতে লড়াই করে ন্যায়, ইনসাফ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ পাই।’

    তিনি আরও বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে পরিবর্তনের পক্ষে দাঁড়ানো, জুলাই সনদকে সমর্থন করা, ন্যায়বিচার ভিত্তিক একটি রাষ্ট্র গড়ার জন্য এগিয়ে যাওয়া এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ নিশ্চিত করার প্রতিজ্ঞা।

    জামায়াতের এই আমির সকল রাজনৈতিক দল ও মতের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে ভোটদান করার। তিনি বলেন, ‘একটি মাত্র ভোটও হতে পারে সত্য ও ন্যায়ের বিজয়ের মূল হাতিয়ার।’ সব মিলিয়ে, তিনি বলছেন, দেশের স্বার্থে সকলে একত্রে এসে এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নেওয়ার জন্য।

  • জামায়াতের প্রার্থী হামিদুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

    জামায়াতের প্রার্থী হামিদুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

    কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়নপত্রকে অবশেষে বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রাথমিকভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে মনোনয়নপত্র বাতিলের পর, বিরোধীরা এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করলে, এর শুনানি শেষে কমিশন অনুমোদন দেয়।

    অভিযোগ ও অনুযোগের মধ্যে, ব্যারিস্টার মাহমুদ আল মামুন হিমু জানান, ২ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা আপিল করেছেন, যা আজ শুনানি শেষে অনুমোদন পেয়েছে। ২ জানুয়ারি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আ. মান্নান মামলার জটিলতা ও মামলার প্রেক্ষাপট দেখিয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। তখন আযাদের আইনজীবী মো. আরিফ বলেছিলেন, মামলাটি ছিল ‘একটি আদালত অবমাননার মামলা’, যা কোনও সুনির্দিষ্ট অপরাধের ওপর ভিত্তি করে নয়। তারা বলেছিলেন, কোনো কথা না শুনে রিটার্নিং কর্মকর্তা একতরফাভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    আযাদ তার হলফনামায় ৭০টি মামলার তথ্য দিয়েছে, যার অধিকাংশই প্রত্যাহার বা খালাস পেয়েছে। তবে একটি মামলার সাম্প্রতিক আপিল বিভাগে বিচার চলছে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে তিনি গোরাদণ্ড ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, অবমাননাকর বক্তব্য ও ‘গৃহযুদ্ধের হুমকি’ দেয়ার অভিযোগে মামলার শিকার হন।

    এনওকার্রর মতে, মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। শনিবার থেকে শুরু হওয়া শুনানি চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে হবে ২১০টি আপিলের রায়ের অনুলিপি।

  • ৫ অগাস্টের আগের পরিস্থিতিতে ফেরার ইচ্ছে নেই: তারেক রহমান

    ৫ অগাস্টের আগের পরিস্থিতিতে ফেরার ইচ্ছে নেই: তারেক রহমান

    বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠন করলে দেশের মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করার আশা প্রকাশ করেছেন দলের নতুন চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, আমাদের সমস্যাগুলো এখনো বিদ্যমান এবং থাকছে। তিনি বলেন, আমি কোনোভাবেই ৫ অগাস্টের আগে ফিরে যেতে চাই না। আমার সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে তিনটি শোকের আলাদা আলাদা দৃশ্যপট—১৯৮১ সালের জানাজা, যেখানে আমার এক পাশে ছিল তার হারানো প্রিয়জনের বিদায়; ২০২৫ সালের জানাজা, যেখানে আমি আবার একটি বড় শোকের মাঝে; আর অন্যান্যটি হলো ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের ঘটে যাওয়া ঘটনার স্মৃতি। এই তিনটি ঘটনা একযোগে স্থির করে দেয়, আমাদের জন্য এখনো ফিরে যাওয়ার বা অতীতের সঙ্গে ফিরে যাবার কোনো কারণ নেই। শনিবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকায় একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি বলেন, হিংসা, প্রতিশোধ ও শত্রুতা—একজন ব্যক্তি, দল বা দেশের জন্য ক্ষতিকর। ৫ অগাস্টের ঘটনার পরিণতি দেখে আমরা অনুধাবন করেছি এর ভয়াবহতা। তাঁর আরও বলেন, সকলের মধ্যে মতবৈচিত্র্য থাকা স্বাভাবিক; কিন্তু সেটি যেন বিভেদে না পরিণত হয়, সেটি আমাদের সচেতন থাকতে হবে। বিভিন্ন মতের মধ্যকার পার্থক্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করা সম্ভব, তবে তা যেন বিভক্তি বা সংঘাতের রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যে অনেক হতাশা থাকলেও ভবিষ্যতের জন্য আশার আলো বর্তমান। যুক্তরাজ্য থেকে দেড় যুগের নির্বাসন শেষে গত ২৫ ডিসেম্বর স্ত্রী-সন্তানসহ দেশে ফিরে আসেন তিনি। কিছুদিনের মধ্যেই তার মৃত্যু ঘটে, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিএনপির সর্বোচ্চ নেতা খালেদা জিয়া মারা যান। এরপর ১০ দিন পার না হতেই শনিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তারেক রহমানকে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়। এর পরদিন, অর্থাৎ রবিবার, তিনি প্রথমবারের মতো সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এক সাংবাদিকের কাছে তিনি বলিউডের মাননীয় উপাধি ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করলেন, তিনি জানান, আমি চাই না আমার নামের আগে ‘মাননীয়’ বলতে। তিনি বলেন, দেশে ফিরে আসার পর আমি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থান ভ্রমণ করেছি, যেমন সাভার ও অন্যান্য এলাকায়। তিনি বলেন, মনে হয়েছে, নতুন প্রজন্মের জন্য একটি আশা, একটি গাইডেন্স দরকার। তার মতে, প্রত্যেক প্রজন্মই কিছু একটা পথচলার নির্দেশনা চায়। রাজনীতিবিদদের মধ্যে অনেক প্রত্যাশা থাকে, তবে সব প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব নয়। তবে, যদি আমরা ১৯৭১ সাল, ১৯৯০ সাল ও ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের ঘটনাগুলোকে সামনে রেখে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য কাজ করি, তাহলে আমি নিশ্চিত যে, আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে দেশকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে পারব ও আমাদের দেশের উন্নতি সাধন করতে সক্ষম হব।

  • তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত: মির্জা ফখরুল

    তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত: মির্জা ফখরুল

    নির্বাচন কমিশনারের অনুরোধে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর এখন স্থগিত হয়েছে। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তথ্য জানান বৃহস্পতিবার রাতে গুলশানে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে।

    মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গতকাল দলের স্থায়ী কমিটির সভা হয়। সভায় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি মনোযোগ দিয়ে দেখা হয় ও দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এটি স্বীকৃতি পাওয়ায় সবাই সন্তুষ্ট। এছাড়া, দলের নেতারা ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী দিনগুলোতে দলকে সফল করতে নানা পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং সকলের জন্য صحة ও শান্তির জন্য দোয়া করেন।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত করা হয়েছে। এই সফর originally ছিলো ১১ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত, যেখানে তিনি উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় গিয়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, নেতাকর্মীদের সাথে সাক্ষাত, মার্চের আন্দোলনের শহীদদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করার পরিকল্পনা করেছিলেন। এই জেলাগুলোর মধ্যে ছিলো টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট।

    মির্জা ফখরুল বলেছেন, বিএনপি মনে করছে যে, আসন্ন সাধারণ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে জনগণ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার মিশনে কিছু চক্রান্ত চলছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই চক্রান্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হত্যার ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকেও হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডগুলোর তীব্র নিন্দা জানিয়ে, দ্রুত খুনিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

    এদিকে, বিএনপি মনে করছে, কিছু পক্ষ আসন্ন নির্বাচনে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছে এবং নানা প্রকার হুমকি-ধামকি দিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে চাইছে। সবমিলিয়ে, দলের পক্ষ থেকে সূচীত কর্মসূচিগুলো প্রশ্নের মুখে পড়েছে এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

  • ইসিতে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন তাসনিম জারা

    ইসিতে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন তাসনিম জারা

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় দফার জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আবারও অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন ডা. তাসনিম জারা। গত ৩ জানুয়ারি তার মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘোষণা দেয় রিটার্নিং অফিসার। তবে তিনি এর বিরুদ্ধেঅভিযোগ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আপিল করেন। চলতি মাসের ১০ জানুয়ারি, শনিবার, নির্বাচন কমিশনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন কমিশন। অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, ৫ জানুয়ারি বিকেলে তিনি নির্বাচন কমিশনে গিয়ে নিজের মনোনয়নপত্রের বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করেন। এর ফলে, ঢাকা-৯ আসনের নির্বাচনে তার প্রার্থিতা পুনরায় নিশ্চিত হলো। এই আপিল প্রক্রিয়া চলাকালে, আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে যাতে সকল প্রার্থীর জন্য সহজে আবেদন করতে পারেন, সেজন্য অঞ্চল ভিত্তিক ১০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। প্রার্থী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি সেবাদানকারী সংস্থা বা সংশ্লিষ্ট ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি আগামী ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে এই আপিল করতে পারবেন। এই ধাপে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করার উদ্যোগ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

  • জনগণ কঠিন সময়ে তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে আছেন: মির্জা ফখরুল

    জনগণ কঠিন সময়ে তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে আছেন: মির্জা ফখরুল

    দেশের অশান্ত ও সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশবাসী তাঁর দিকে আশা ও প্রত্যাশার গুাহর চোখে তাকিয়ে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে বনানীর হোটেল শেরাটনের এক অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময়কালের শুরুতে তিনি এ কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান খুব কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে আমাদের দেশ। এই সময়ে আমাদের নেতা তারেক রহমান বিদেশ থেকে দেশে পৌঁছেছেন। সবাই তাঁর দিকে আশাবাদী চোখে তাকিয়ে আছে, যেন এই সংকটকালে নতুন এক স্বর্ণদ্বার খুলে যায়। তিনি ইতিমধ্যে দূর থেকে ডিজিটাল মাধ্যমে জাতির সামনে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন, যা দেশের জনগণকে আরও আশাবাদী করেছে। এটি সত্যিই আমাদের জন্য এক বড় সুযোগ, যা দিয়ে আমরা এক সত্যিকার অর্থে একটি উদারপন্থি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারব।

    অনুষ্ঠানের শুরুতেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মির্জা ফখরুল। এর পাশাপাশি তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা, মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও ১৯৭১ সালের ষষ্ঠষ্ঠ ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণ করেন। তিনি বলেন, আমরা এমন ছেলেমেয়েদের নিয়ে গর্ব করি যাদের স্বপ্ন ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণের, আর তারা ২০২৪ সালে সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য আমাদের এক নতুন সম্ভাবনা এনে দিয়েছেন। তাদের প্রতি আমরা সম্মান জানাই।

    গত ২৫ ডিসেম্বর দেড় যুগের নির্বাসন শেষে তারেক রহমান সপরিবারে দেশে ফিরেছেন। এরপর ৩০ ডিসেম্বর তার মা, অবিসংবাদিত নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া প্রয়াত হন। ঐ দিন থেকে মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে শনিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তারেক রহমানকে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়। এরপর তিনি প্রথমবারের মতো সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে গিয়ে বিএনপি নেতা তারেক রহমান সাংবাদিক ও সম্পাদকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন কারণে দলের প্রধানের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সরাসরি দেখা বা শুভেচ্ছা বিনিময় খুব কম হয়েছে। এ কারণেই দলের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, যাতে সবাই একসঙ্গে দেখা ও কথা বলতে পারেন।