ইরানে চলমান ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারো হুঁশিয়ার করেছেন যে তিনি ক্রমশই সামরিক হস্তক্ষেপের পরিকল্পনা করছে বেশ কিছু পরিস্থিতির জন্য। তিনি সতর্ক করে বলছেন, দেশটি এখন ‘বড় বিপদে’ রয়েছে এবং সরকারবিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ার ভিডিও ও সম্প্রতি ইন্টারনেট বন্ধ করার ঘটনাগুলোর কারণে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকা এখনো আগের মতো জোরালোভাবে হামলা চালানোর নির্দেশ দেয়নি, তবে অচিরেই করেন could করতে পারেন বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
Month: January 2026
-

পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ‘তুরস্কের যোগদান আগ্রহ’
পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির মধ্যে এবার অন্তর্ভুক্ত হতে আগ্রহ দেখাচ্ছে তুরস্ক। এই খবর বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যসহ আরও ব্যাপক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও সামরিক শক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ত্রিপক্ষীয় জোটে তুরস্কের যোগদান হলে এটি একটি নতুন সুরক্ষা গঠনে অবদান রাখবে এবং এর ফলে অঞ্চলগুলোতে শক্তির ভারসাম্য বদলে যেতে পারে, এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে রিয়াদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ ও সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান একত্রে স্বাক্ষর করেন একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তিতে, যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয় যে, এই চুক্তি লঙ্ঘন হলে তা অন্যদিকে আঘাত হিসেবেই গণ্য হবে।
সূত্র বলছে, তুরস্কের আগ্রহের বিষয়টি এখন বেশ এগিয়ে গেছে এবং আলোচনা অনেকটাই এগিয়ে এসেছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তি পাকা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
এখন পর্যন্ত, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শক্তি এই অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতি রাখছে। তবে, এই নতুন মৈত্রী গঠনের ফলে রিয়াদ, ইসলামাবাদ ও আঙ্কারার মধ্যে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই জোটের ফলে তেল-সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকায় শক্তির স্থানান্তর ঘটবে, যা নতুন করে অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও নিরাপত্তা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। বিশ্ব শক্তিগুলোর মধ্যে স্বার্থের সংঘাতের জটিল পরিস্থিতিতে এই পরিবর্তন ভবিষ্যতের জন্য কতটা প্রতিক্রিয়াশীল হবে, তা দেখার বিষয়।
প্রতিষ্ঠানগুলো এখনই এই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য ও আঞ্চলিক ব্যাপক রাজনীতির জন্য একটি নতুন দিক নির্দেশ করতে পারে।
-

ইরানের রাজধানীতে গুলিতে ২০০ থেকে বেশি বিক্ষোভকারী নিহত
ইরানে চলমান বিক্ষোভের ঘটনায় মাত্র এক রাতে তেহরানে ২০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে, এই তথ্য জোরেশোরে প্রকাশ করে মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন। গত বৃহস্পতিবার রাতে আন্দোলন আরও তীব্র হয়, এ সময় বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে উঠলে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক গুলি চালাতে শুরু করে।
টাইম ম্যাগাজিন শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জানিয়েছে, নাম গোপন রাখার শর্তে তেহরানের এক চিকিৎসক তাদের বলেছেন, শুধুমাত্র তেহরানের ছয়টি হাসপাতালে এই রাতে ২০৬ জনের মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। বেশিরভাগেরই গুলিতে প্রাণ গেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক এই তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদমাধ্যমটি বলছে, যদি মৃত্যুর সংখ্যাগুলো নিশ্চিত হয়, তাহলে বোঝা যায় ইরান সরকার বিক্ষোভ দমন করতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কতা উপেক্ষা করা হয়নি, যিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যদি ইরান বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে তাহলে খামেনি সরকারের জন্য কঠোর মূল্য দিতে হবে।
২০১৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখনো ৩১টি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবারের রাতে ওই তীব্র আন্দোলনের পর বৃহস্পতিবার রাতে হাজার হাজার মানুষ তেহরানসহ অন্যান্য শহরে জড়ো হয়েছেন।
একটি সাক্ষাৎকারে ওই চিকিৎসক জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে হাসপাতাল থেকে মরদেহগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলছেন, উত্তর তেহরানের একটি পুলিশ স্টেশনের বাইরে বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্রাশফায়ার চালানো হয়, যেখানে অন্তত ৩০ জন গুলিবিদ্ধ হন। উল্লেখ্য, নিহতদের বেশিরভাগই তরুণ বলে জানা গেছে।
তবে, এই হতাহতের সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে না পারলেও, টাইম ম্যাগাজিন সতর্ক করে বলেছে, এ সংখ্যা নিশ্চিত হলে বোঝা যাবে ইরান সরকার কঠোর এবং দমনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
-

দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না কোনো শক্তি বা পরাশক্তি
জনগণ ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে তারা একটি শক্তিশালী এবং সত্যিকার অর্থে ধ্রুপদী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চায়, যেখানে বৈষম্য থাকবে না এবং সব কল্যাণের সমান সুযোগ থাকবে। খুলনা-২ আসনে নির্বাচনী প্রচার করার সময় ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায় যেখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত থাকবে, সুবিচার নিশ্চিত হবে এবং সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কোনো আপস করেননি, তার অকুণ্ঠ ত্যাগ এবং আপোষহীনতার জন্যই বিএনপির নেতাকর্মীরা এতটা সাহসী। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক চেতনা এখন তারেক রহমানের হাতে সুদৃढ़ভাবে প্রতিষ্ঠিত। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, কোনো শক্তি বা পরাশক্তিই দেশের স্বাভাবিক রাজনীতিকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না। শুক্রবার বাদ আসর, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের যৌথ আয়োজনে হাসনা হেনার সভাপতিত্বে, শাহানা রহমানের পরিচালনায় ও মহিলাদের দক্ষীন সভায় এসব কথা বলেন তিনি। পরে, মরহুম নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫ টায় খুলনা রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় খুলনা সদর থানা শ্রমিক দলের আয়োজনে মরহুম নেত্রীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও আলোচনা সভা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। একই দিন আসর বাদ, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন মঞ্জু। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওলানা মামুনুর রহমান। এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, এড. গোলাম মওলা, এস এম শাহজাহান, আনোয়ার হোসেন, শের আলম সান্টু, মাহবুব হাসান পিয়ারু, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা, রবিউল ইসলাম রবি, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শফিকুল ইসলাম শফি, এড. হালিমা খাতুন, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, হাসান মেহেদী রিজভী, মহিবুল্লাহ শামিম, শরিফুল ইসলাম বাবু, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, আব্দুল জব্বার, মেহেদী হাসান সোহাগ, মেশকাত আলী, মহিউদ্দিন টারজান, আবু সাঈদ শেখ, শামীম খান, আবু বক্কর, মাজেদা খাতুন, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, কামাল উদ্দিন, সুলতান মাহমুদ সুমন, শরিফুল ইসলাম সাগর এবং আল আমিন তালুকদার প্রমুখ।
-

খুলনা-২ আসনে ভোটের জন্য বিএনপির প্রস্তুতি: নতুন ১০১ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন
খুলনা বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য সংগঠিতভাবে মাঠে সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন গুরুত্বপূর্ণ। ভোটারদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং যেকোনো অনিয়ম, বাধা বা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও সতর্ক থাকতে হবে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় কেডি ঘোষ রোডের বিএনপি কার্যালয়ে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুরের নির্বাচনী কার্যক্রমের জন্য একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত হয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। এই সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপি প্রেসিডেন্ট এড. শফিকুল আলম মনি, এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন সঞ্চালনা করেন। নেতৃবৃন্দ নির্বাচন কমিশনের প্রতি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতের জন্য জোর দাবি জানান, পাশাপাশি প্রশাসনের নিরপেক্ষ, পেশাদার ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করেন, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
বক্তারা মনে করেন, দীর্ঘদিন ধরে জনগণের ভোটাধিকার হরণের ফলে গণতন্ত্র হরণ হয়ে এসেছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষের বিপক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে। এর জন্য নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্য বলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সিটি মেয়র মনিরুজ্জামান মনিকে। পাশাপাশি উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সেকেন্দার জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু, মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ, কাজী মোঃ রাশেদ, বেগম রেহানা ঈসা,আরিফুজ্জামান অপু, হাফিজুর রহমান মনির, কে এম হুমায়ুন কবির, মাহবুব কায়সার, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মোল্লা ফরিদ আহম্মেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, মজিবর রহমান, আব্দুল আজিজ সুমন, আক্তারুজ্জামান সজীব তালুকদার, মিরাজুর রহমান মিরাজ, মিজানুর রহমান মিলটন, আজিজা খানম এলিজা, শফিকুল ইসলাম শফি, ইশতিয়াক আহম্মেদ ইস্তি, এড. হালিমা আক্তার খানম, শেখ মোহাম্মাদ আদনান, ইউসুফ হারুন মজনু, কে এম এ জলিল, জাকির ইকবাল বাপ্পি, মোঃ নাসির উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম বাবু, নজরুল ইসলাম বাবু, জামাল হোসেন তালুকদার, আবু সাঈদ শেখ, আল আমিন শেখসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনিকে আহবায়ক, সেকেন্দার জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু ও শফিকুল আলম তুহিনকে সমন্বয়ক এবং মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ ও বেগম রেহানা ঈসাকে সদস্য করে মোট ১০১ সদস্যের এই নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। নেতৃবৃন্দ আশা ব্যক্ত করেন, গঠিত এসব কমিটি একসাথে কাজ করে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
-

ফকিরহাটে গাছ থেকে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ফকিরহাটে শুকুরণ বেগম (৩২) নামে এক নারী গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলায় কাটাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি বাগানে, যেখানে গাছে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। নিহত শুকুরণ বেগম উপজেলার লখপুর পঁচাখাল এলাকার শ্রমিক মাহবুব নিকারীর স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার (10 জানুয়ারি) সকাল 9টার দিকে স্থানীয় লোকজন এক মাঠে গাছের ঘের কাটার সময় গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় শুকুরণ বেগমের মরদেহ দেখতে পান। এলাকায় সংকেত ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত চালিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।
ওসি (তদন্ত) মো: আলমগীর হোসেন জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সঠিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
অপরদিকে, এই হত্যা কি না বা এটি আত্মহত্যা কি না — তা নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। স্থানীয়রা এই ঘটনার তদন্ত ও যথাযথ বিচারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, যাতে প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হয়।
-

মোংলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন সাবেক কাউন্সিলর ইমান হোসেন রিপন
মোংলা পৌর যুবদলের নতুন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর ও যুবদল নেতা ইমান হোসেন রিপন। তিনি সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন এবং এর আগে মোংলা পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয় কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের সম্মতিতে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ইমান হোসেন রিপন বলেন, দল আমাকে যে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেছে, আমি তা সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে পালন করব। আমি মোংলা পৌর যুবদলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করে গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে কাজ করব।
তার এই নতুন দায়িত্ব পেয়ে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন পৌর বিএনপির সভাপতি জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মানিক, মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহজালাল সাব্বির ও সদস্য সচিব নুরুদ্দিন টুটুলসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অতীতে ইমান হোসেন রিপন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ছিলেন। তিনি সাবেক পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বাধা-প্রতিকূলতার সম্মুখীন হলেও তিনি দলের জন্য অবদান রেখে এসেছেন। তার এই নতুন দায়িত্ব পাওয়াকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দলের জন্য এক ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
বিনা প্রত্যাশিত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, সংগঠনটির আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করা। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নতুন করে জেলা, উপজেলা এবং পৌর কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেন। তবে মোংলা পৌর এলাকায় ওয়ার্ড কমিটি গঠনের সময় কিছু নেতাকর্মী ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি চেষ্টা করেন, যার কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ পুরনো কমিটির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। এই ঘটনার কিছুদিনের মধ্যেই পৌর যুবদলের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ পদ থেকে সরে দাঁড়ান। তার স্থানে ইমান হোসেন রিপনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
-

খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক উন্নয়ন অপরিহার্য: সমাজকল্যাণ সচিব
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ বলেছেন, সাংস্কৃতিক বিনোদনের পাশাপাশি খেলাধুলার গুরুত্ব শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশে অনেক বেশি। তিনি মনে করেন, তরুণদের মধ্যে খেলাধুলাকে জনপ্রিয় করে তুললে মাদকের মতো মারাত্মক সমস্যা দূর করা সম্ভব, যা সমাজের জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জ।
আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালকে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো সমাজসেবা অধিদপ্তরাধীন খুলনা বিভাগের আবাসিক প্রতিষ্ঠানসমূহের নিবাসীদের দুই দিনব্যাপী বিভাগীয় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।
আফিসে বক্তৃতা করেন ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, তিনি বলেন, সরকারের ৯৬টি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মধ্যে ২৯টি সরাসরি সমাজসেবা অধিদপ্তর দ্বারা বাস্তবায়িত হচ্ছে, যার উপকারভোগীর সংখ্যা প্রায় এক কোটি ২৩ লক্ষ। প্রতিবারের মতো এ বারও সমাজসেবা অধিদপ্তর আয়োজন করে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, যেখানে শিশুরা খুবই আগ্রহের সাথে অংশগ্রহণ করে।
সচিব আরও বলেন, এই শিশুদের জন্য প্রাপ্ত সুবিধাগুলো এখনও পর্যাপ্ত নয়, তাই এর পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা চলমান। তিনি উল্লেখ করেন, তাদের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, কিন্তু শুধুমাত্র লেখাপড়া হয়ে গেলে হবে না, মনের খোরাক পূরণে খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা আরো বেড়ে যায়। আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কিছুটা হলেও শিশুদেরকে স্কুলের বাইরে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে, যা তাদের মনোভাব বিকাশে সহায়ক।
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: মোখতার আহমেদ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: কামাল উদ্দিন বিশ্বাস, খুলনা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো: মনজুর আলম ও জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন খুলনা বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়।
দুই দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ১৫টি শিশু পরিবার অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে শিশুদের কুচকাওয়াজ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ মহেশ্বরপাশা ছোটমনি নিবাস পরিদর্শন করেন, যেখানে তিনি শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আরও উন্নতির জন্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
-

ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ঐতিহাসিক ৩৯ হাজার কোটি টাকা
দিন দিন দেশের প্রবাসী আয়ের প্রবাহ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন করে আরও স্পষ্ট হলো ডিসেম্বর মাসে দেশের বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন মোট ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশিরা তাদের পরিশ্রমের ফল হিসেবে দেশে পাঠিয়েছেন। দেশের মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে গণনা করা হয়েছে)। এটি গত নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। এর আগে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এ পরিমাণে ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার এই খতিয়ন প্রকাশ করে এ তথ্য জানিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, এই অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৬২৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। অতীতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের শীতলতা লক্ষণ দেখিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের হুন্ডি প্রতিরোধে নেওয়া কৌশল, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতি, প্রণোদনা ও নিয়ন্ত্রণে থাকা নানা উদ্যোগের কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি এসেছে।
অর্থবছরে প্রতি মাসে প্রবাসীরা কোন পরিমাণে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, তা যদি প্রতিটি মাসের হিসাব দেখি, তবে জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, এবং নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। এই প্রবাহের ধারাবাহিকতায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স ছিল ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।
-

শেষদিকে সোনার দাম ভরিতে কমল ১৪৫৮ টাকা, রুপার দামও কমেছে
নতুন বছর শুরু হওয়ার সাথে সাথে দেশের বাজারে আবারও সোনার মূল্যে পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে, দেশের সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমে গেছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা। ফলে এখন একটি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা ২২ ক্যারেটের সোনার দাম কমে যাওয়ার পর নতুন দাম ঘোষণা করা হয়েছে। এই দাম কার্যকর হবে আজ, শুক্রবার ২ জানুয়ারি থেকে।
বাজুস বলেছে, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি সংগঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এবং প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে সোনার দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে, এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যা সংগঠনের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের স্বাক্ষরিত।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির গ্রাহকদের জন্য প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে, গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির পার্থক্য থাকতে পারে।
উল্লেখ্য, গত বছর ৩১ ডিসেম্বর দেশের বাজারে শেষবারের মতো সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ৭৪১ টাকা কমিয়ে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ধার্য করা হয় ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। অন্যান্য ক্যাটেগরির দাম ছিল, ২১ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা। এ দাম কার্যকর হয়েছিল ১ জানুয়ারি থেকে।
২০২৫ সালে, মোট ৯৩ বার সোনার দাম দেশের বাজারে সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছিল ৬৪ বার, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
সাম্প্রতিক সময়ে, রুপার দামও কমানো হয়েছে। ভরিতে ৫২৫ টাকা হ্রাস পেয়ে, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। অন্যান্য ক্যারেট অনুসারে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।
এটি দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো রুপার দামের সমন্বয়। গত বছর, রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম বেড়েছে ১০ বার এবং হ্রাস পেয়েছে মাত্র ৩ বার।
