Month: December 2025

  • নির্বাচনে পুলিশের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    নির্বাচনে পুলিশের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের কর্মকর্তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে ৬৪ জেলার পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।

    ড. ইউনূস বলেন, এই নির্বাচন হবে নতুন বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এটি কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়, বরং গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী প্রগাঢ় ও ঐতিহাসিক নির্বাচন। তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা শহিদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মূল্যায়ন হবে, তাই পুলিশ কর্মকর্তাদের চাই মনোভাবের পরিবর্তন।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য যেন কোনোরকম পক্ষপাতিত্ব না থাকে। নিজের দায়িত্বে নিখুঁত থাকতে হবে, কারণ পক্ষপাতিত্বের সুযোগ কখনই থাকা উচিত নয়। এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ নতুন এক দিক দিয়ে এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এ নির্বাচন হবে এমন এক নজির, যেখানে বিদেশি পর্যবেক্ষকরা বলবেন—এমন দুর্দান্ত নির্বাচন ভারতের মতো দেশের জন্য উপমা। তিনি উল্লেখ করেন, এটি মোটেই সাধারণ নির্বাচন নয়, এটি গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী এক স্বপ্নের বাস্তবায়নের ক্যু। সেই স্বপ্নের প্রতিফলন এই নির্বাচনে দেখতে চান সকল নেতৃস্থানীয়রা।

    তিনি বলেন, শহিদদের স্বপ্ন যেন অপূর্ণই থেকে যায় না। সেই স্বপ্নের বাস্তবায়নে এই নির্বাচন একটি মূল মাইলফলক হবে। পুলিশকে সৎ, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে, যেন তারা জনস্বার্থে এগিয়ে যান এবং দেশের ভবিষ্যত গড়ে তুলতে সহায়তা করেন।

  • গভর্নর: এক চাঁদাবাজি দল সরে গেলে আরও এক দল দখল করে রাখছে

    গভর্নর: এক চাঁদাবাজি দল সরে গেলে আরও এক দল দখল করে রাখছে

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, এক দলে চাঁদাবাজি থেকে সরে গেলেও অন্য একটি দল সেখানে দখল করে নিচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তির জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে, দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করার লক্ষ্যে বিডিএ (বাংলাদেশ ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশন) এবং ইউএনডিপির (জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি) যৌথ আয়োজিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    গভর্নর ড. আহসান আরও বলেন, খেলাপি ঋণ আদায়ে অর্থ ঋণ আইনের পরিবর্তনের প্রস্তাব এসেছে। তিনি জানায়, ব্যাংক খাতের সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ ৭০ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে। এ অর্থের মাধ্যমে ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের মার্চের মধ্যে খেলাপি ঋণের হার ৩০ শতাংশের নিচে নামানোর লক্ষ্য রয়েছে। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক ঋণ সংস্থার (আইএমএফ) পরিবর্তে বাংলাদেশের নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী রিজার্ভ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডিসেম্বরের শেষে মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশের নিচে নামবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেন।

    গভর্নর বলেন, প্রতিষ্ঠানের মূল্য অনেকের জন্য দেশese-এ বড় সম্পদ। কোনও ব্যক্তিগত স্বার্থে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা যায় না কারণ এগুলো দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্ব রাখে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। তবে, আইনি نوعে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ব্যক্তির বিরুদ্ধে, আর আইনের প্রয়োগে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না—এটা আমাদের মূল নীতি।

    ঋण আদায় করার জন্য প্রস্তাবিত অর্থ ঋণ আইনের মাধ্যমে ৭০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে ৩৫ হাজার কোটি টাকা অর্থবছরের বাজেট থেকে নেওয়া হবে।

    প্রসঙ্গত, দেশের ব্যাংক খাতের মধ্যে নানা ক্ষুদ্র ও লিলিপুট ব্যাংক থাকলেও আন্তর্জাতিক মানের কোনও ব্যাংক নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে, বিশেষ প্রচেষ্টায় আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংক আন্তর্জাতিক মানের ব্যাংকে পরিণত হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তবে, এ লক্ষ্য পূরণের জন্য আরও কমপক্ষে ২০ বছর সময় লাগবে বলেও মনে করেন তিনি।

  • বাংলাদেশে আসছেন জোবাইদা রহমান, খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেয়া হচ্ছে প্রস্তুত

    বাংলাদেশে আসছেন জোবাইদা রহমান, খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেয়া হচ্ছে প্রস্তুত

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমান ঢাকার উদ্দেশে লন্ডন থেকে রওনা হয়েছেন। সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিএনপির বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বিবিসিকে। বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর জোবাইদা রহমান খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে তাকে লন্ডন যান। অন্যদিকে, কাতার জানিয়েছে, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে চাইলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া প্রস্তুত। ইতিমধ্যে, শুক্রবার জুমার নামাজের পর দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মোনাজাতের অনুরোধ জানানো হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে। গত বুধবার পর্যন্ত খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসকরা, এবং সেটিকে স্থিতিশীল হিসেবে দেখা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মেডিকেল সংশ্লিষ্টতার জন্য রবিবার যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রিচার্ড বিল ঢাকায় পৌঁছেছেন, যারা খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় অংশ নেন। গত নভেম্বরের ২৩ তারিখে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণের কারণে ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় তাকে ঢাকা এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার কিডনি, হৃদরোগ এবং নিউমোনিয়া দেখা দেয়, এবং তিনি এখনও সেখানে চিকিৎসাধীন। জানানো হয়, তার শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় পহেলা ডিসেম্বর তাকে ভেন্টিলেশনে নেওয়া হয়। চিকিৎসায় দেশি ও বিদেশি আরও বিশেষজ্ঞরা সহায়তা দিচ্ছেন, যেখানে অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার নেতৃত্বে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ডে বুধবার যুক্তরাজ্য ও চীন থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা যোগ দিয়েছেন।

  • বিজিবির সংবর্ধনায় সীমান্তে সাহসি কৃষক বাবুল আলী

    বিজিবির সংবর্ধনায় সীমান্তে সাহসি কৃষক বাবুল আলী

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের চৌকা সীমান্তে ভারতের বেআইনি কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টাকে বাধা দিয়ে সাহসিকতার পরিচয় দেন স্থানীয় কৃষক বাবুল আলী। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলার ৫৯ ব্যাটালিয়নের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাকে উপজেলা সদর দপ্তরে সম্মাননা জানানো হয়।

    জানা যায়, এই বছর জানুয়ারি মাসে চৌকা সীমান্তে বিএসএফের অবৈধ বেড়া নির্মাণের চেষ্টা শুরু হলে বিজিবি দ্রুত বাধা দেয়। তখন, মাটি খননের জন্য ব্যবহৃত বাঙ্কার থেকে অবস্থান নেয়া বিজিবি সদস্যদের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন কৃষক বাবুল আলী, হাতে কাস্তে। তার এই সাহসী ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাবুল আলী সাংবাদিকদের বলেন, এটা খুবই ভালো লাগছে। জানুয়ারিতে যেমন সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসন রুখে গেছি, তেমনি ভবিষ্যতেও দেশের সীমান্ত রক্ষা করার জন্য আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন, দেশের মাটিকে কেউ দখল করতে পারবে না। প্রয়োজনে প্রাণ দিতে মনে অন্য কোন সংকোচ হবে না।

    অতীতে সীমান্ত রক্ষা ও দেশের সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সহায়তায় এই সাহসী কিশোরের দেশপ্রেম খুবই প্রশংসিত হয়েছে। ৫৯ বিজিবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা, মধ্যাহ্নভোজ এবং দোয়া মাহফিলে বিজিবির রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার কর্নেল কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। তিনি সীমান্তবর্তী জনগণের সাহসী ভূমিকা প্রশংসা করেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন মাসুদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ৫৯ বিজিবির উপঅধিনায়ক আব্দুল্লাহ আল আসিফ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদসহ বিভিন্ন সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তারা।

  • চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় চুক্তি নিয়ে হাইকোর্ট বিভক্ত রায়

    চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় চুক্তি নিয়ে হাইকোর্ট বিভক্ত রায়

    চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিদেশি কম্পানির সঙ্গে চুক্তি নিয়ে চলমান প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্ট দ্বৈত রায় দিয়েছেন। বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ফাতেমা নজীব চুক্তি প্রক্রিয়াকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন, অপর দিকে জুনিয়র বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার চুক্তির প্রক্রিয়াকে বৈধ বলে রায় দেন।

    বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুই বিচারপতির আলাদা আলাদা রায়ে এই বিভক্তি প্রকাশ পায়। এই বিষয়ে এখন প্রধান বিচারপতি একটি নতুন বেঞ্চ গঠন করে সিদ্ধান্ত নেবেন।

    আদালতে এই বিষয়ে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সহ অন্য আদালত স্বজনরা। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।

    উল্লেখ্য, গত ২৫ নভেম্বর শুনানি শেষে এই রুলের ওপর মতবিনিময় শেষে সিদ্ধান্তের জন্য ধাপে ধাপে দিন ধার্য করা হয়। এর আগে, ৩০ জুলাই এই চুক্তির বৈধতা ও চলমান প্রক্রিয়ার উপযুক্ততা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে রুল জারি করে হাইকোর্ট।

    চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে ষষ্ঠবারের মতো এই রুল ভাইরাল হয়। হাইকোর্টের গঠিত বেঞ্চ প্রথমে এই প্রক্রিয়াকে আইনবহির্ভূত বলে ঘোষণা করার জন্য নির্দেশ দেয়। এরপর বিভিন্ন পক্ষের আপত্তির মুখে এই বিষয়ে দ্বৈত রায় আসে।

    এই রুলের মধ্যে বলা হয়, কোনও অপারেটরকে এই টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার আগে যথাযথ আইনি ও নীতিগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে, যেন ন্যায্য ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র বিডিং নিশ্চিত হয়। ফলে, এ পরিস্থিতিতে এই প্রক্রিয়ার বৈধতা ও ন্যায্যতা নিয়ে যথাযথ তদন্ত ও সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

  • সরকার ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়টিতে ব্যবস্থা নেবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

    সরকার ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়টিতে ব্যবস্থা নেবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

    বাজারে কোম্পানিগুলোর একতরফা সিদ্ধান্তে ভোক্তারা আরও বেশি দামে ভোজ্যতেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কোনো সরকারি অনুমোদন নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধির জন্য কোম্পানিগুলোর কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি। আমি মাত্র আধা ঘণ্টা আগে এই তথ্য জানতে পেরেছি। তেলের দাম বাড়ানোর কোনও যৌক্তিক কারণ দেখা যায় না। এই বিষয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে সম্প্রতি আমদানিকারক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভোক্তার কাছ থেকে সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৯ টাকা বাড়িয়েছে। তবে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান জানান, কোম্পানিগুলোর তেলের দাম বৃদ্ধির জন্য আবেদন করলেও সরকার তা অনুমোদন করেনি। এর মধ্যে নীরবে এবং অনুমোদনহীনভাবে এই দাম বাড়ানোর ঘটনা ঘটেছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা।

    আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১২টায় এক আলোচনা সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কোম্পানিগুলোকে ডেকেছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোক্তা অধিকার সংগঠনের নেতারাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বললেন, সরকার অনুমোদন না করে তেলের দাম বাড়ানো একেবারেই অন্যায়, এতে আইনের লঙ্ঘন হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকারের উচিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যের ওপর মনিটরিং আরও কঠোর করা।

    উল্লেখ্য, গত অক্টোবর মাসেও অনুমোদন ছাড়াই ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছিল কোম্পানিগুলো। তখন সরকার স্পষ্ট করে বলেছিল, এভাবে দাম বাড়ানোর অনুমতি নেই। শেষ পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। এ ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে এবারও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

  • আগামীকাল এভারকেয়ার এলাকায় হেলিকপ্টার মহড়া চালাবে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী

    আগামীকাল এভারকেয়ার এলাকায় হেলিকপ্টার মহড়া চালাবে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী

    রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের আশপাশে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনী একটি পরীক্ষামূলক হেলিকপ্টার অবতরণ এবং উড্ডয়ন মহড়া পরিচালনা করবে। এই কার্যক্রমের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ)-এর নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী, সকাল ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত হাসপাতালের কাছাকাছি দুটি উন্মুক্ত মাঠে নিয়মিত এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়। এসএসএফ জানিয়েছে, এটি পূর্বনির্ধারিত একটি মহড়া এবং দেশের নিরাপত্তা প্রস্তুতির অংশ। এ জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ কোথাও যদি কোনো গুজব বা অপপ্রচার ছড়িয়ে পড়ে, তবে সবাইকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংস্থাটি আরও বলেছে, মহড়ার সময় কোনো আতঙ্ক বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার মত অবস্থা তৈরি না করতে সবাইকে সর্তক থাকতে হবে।

  • জেডআই খান পান্না তলবের ১০ মিনিটের মধ্যে হাজির, নিঃশর্ত ক্ষমা চান

    জেডআই খান পান্না তলবের ১০ মিনিটের মধ্যে হাজির, নিঃশর্ত ক্ষমা চান

    আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সময়ের শাসনামলে র্যাবের টিএফআই সেলে বিরোধী মতাদর্শের লোকদের গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আরও ১৬ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি চলছিল। তবে, পলাতক থাকায় শেখ হাসিনার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত জেডআই খান পান্না আদালতে হাজির হননি, এজন্য ট্রাইব্যুনাল তাকে তলব করে।

    আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারপanar সঙগে এই শুনানি শুরু হয়।

    প্রথমে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। শুনানির সময় স্টেটের পক্ষ থেকে জেডআই খান পান্নাকে ফোন করে আসতে বলা হয়। এরপর, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে হুইলচেয়ার করে অন্য আইনজীবীদের সঙ্গে উপস্থিত হন পান্না।

    তখন, ট্রাইব্যুনাল তার কাছে তাকে শুনতে চায়, কারণ তিনি সুস্থ আছেন কিনা, এবং কেন তিনি আদালতে আসছেন না। ট্রাইব্যুনাল জানায়, আপনাকে শেখ হাসিনার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আপনি না থাকায় আজ শুনানি করতে হয়েছে। আপনার আগ্রহ থাকলে আবারও আসতে পারেন।

    জেডআই খান পান্না উত্তরে বলেন, আমি শারীরিক অসুস্থ, তাই আমি এই মামলায় আদালতে উপস্থিত হতে পারছিনা। আমি রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে এ বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

    প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আপনার ক্লায়েন্ট আদালতে হাজির থাকবেন না। আপনি নিজেও আসেননি। আপনি আইনি লড়াইয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন, এজন্য ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দিয়েছে। আপনি যদি উপস্থিত না হতে চান, তাহলে আপনাকে সেটাই জানাতে হবে। এছাড়া, আপনি একটি ভিডিও বার্তায় মন্তব্য করেছেন যে, আপনার ক্লায়েন্ট এই আদালত মানেন না। ট্রাইব্যুনাল এটিকে গ্রহণযোগ্য মনে করে না। আমরা কি এই বিষয়টি আপনার কাছে পরিষ্কার?

    জেডআই খান পান্না বলেন, আমি ক্ষমা চাচ্ছি। আমি মৌখিকভাবে আনকনডিশনালি apologise করছি।

    পরে, মামলায় কে একজন আইনজীবী হবেন তা নিয়ে আবার জিজ্ঞেস করলে তিনি কিছু বলতে পারেননি। এ সময় ট্রাইব্যুনাল বলেন, আমরা আশা করবো আপনাদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাবো। তবে, এখানে কারো পরিবর্তে নতুন আইনি উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়েও চিন্তা করছি। কোন নাম না বললেও, মো. আমির হোসেনের নাম নেওয়া হয়, যিনি এর আগে শেখ হাসিনার পক্ষে আইনি লড়াই করেছেন।

    এর আগে, ২৩ নভেম্বর এই মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানির দিন ধার্য ছিল। তখন, শেখ হাসিনার পক্ষে এ মামলায় দাঁড়ানোর জন্য জেডআই খান পান্নাকে বলা হয়, এবং তাকে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

    এই মামলায় গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন, যারা র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসরপ্রাপ্ত), র্যাবের সাবেক গোয়েন্দা শাখার পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

    অন্যদিকে, পলাতক রয়েছেন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভিযুক্ত, যার মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমদ, র্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ও র্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।

  • সেনা কর্মকর্তাদের সশরীর হাজিরা বাধ্যতামূলক ধারা প্রত্যাখ্যান

    সেনা কর্মকর্তাদের সশরীর হাজিরা বাধ্যতামূলক ধারা প্রত্যাখ্যান

    আওয়ামী লীগ সরকারের টানা একদশক ক্ষমতায় থাকা সময়ে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তাকে আজ শুক্রবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাদের সশরীর উপস্থিতির বদলে ভার্চুয়ালি শুনানি করার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। এর ফলে আগামী শুনানির দিন থেকে সেনা কর্মকর্তাাদের ট্রাইব্যুনালে সরাসরি উপস্থিত থাকতে হবে৷

    বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন। অন্য দুই সদস্য হচ্ছেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    আদেশের সময় আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তোবারক হোসেন এবং প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। দুই পক্ষের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এই আবেদনটি খারিজ করে দেন। উল্লেখ্য, ২৩ নভেম্বর এ আবেদনটি করা হয়েছিল এবং সেই অনুযায়ী আজকের শুনানির দিন ধার্য হয়।

    ট্রাইব্যুনাল আরো জানায়, বিভিন্ন মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি কারাগারে থাকলেও তিনি সশরীরে হাজির হচ্ছেন এবং বেশীরভাগ সাবেক মন্ত্রীও নিয়মিত আদালতে উপস্থিত থাকছেন। এটা প্রমাণ করে, দেশের আইনি প্রতিষ্ঠানগুলো সকলের জন্য সমান এবং সব পক্ষকেই যাতে সুবিচার পায়, সেটাই সরকার কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করছে।

    এই মামলায় গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তা হলো— র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসরপ্রাপ্ত), র‍্যাবের সাবেক ডিরেক্টর কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

    অপরদিকে, পলাতক থাকছেন— সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।

    প্রসঙ্গত, গত ২২ অক্টোবর এই মামলার ১০ কর্মকর্তা সেনা হেফাজতে থাকা অবস্থায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করেছিলেন, যেখানে শুনানি শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। পরবর্তীতে পলাতকদের জন্য সাত দিনের মধ্যে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত তারিখে তারা হাজির না হওয়ায় তাদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ করেন আদালত। এ মামলায় ৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হয়, তারপর থেকেই তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল।

  • রিজভীর দাবি, হাসিনার কারণেই খালেদা জিয়ার অসুস্থতা

    রিজভীর দাবি, হাসিনার কারণেই খালেদা জিয়ার অসুস্থতা

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, খালেদা জিয়ার অসুস্থতা এবং মুমূর্ষু পরিস্থিতির জন্য প্রধানত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই দায়ী করা যাবে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) নয়াপল্টনে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    রিজভী বলেন, “যিনি নিজের মাটি, দেশ, জনগণ এবং স্বাধীনতার সঙ্গে আপস করেননি, তার প্রতি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অটুট থাকবে। এই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ আজ প্রত্যক্ষভাবে দেখাই যাচ্ছে।”

    তিনি যোগ করেন, “খালেদা জিয়ার এই শারীরিক অবস্থা ও রোগাক্রান্ত অবস্থা এর জন্য মূলত হাসিনার দোষ। তবে দেশপ্রেমের কারণে ও দেশের স্বার্থে তিনি নানা কষ্টের মধ্যেও সবকিছু সহ্য করে গেছেন। এর পাশাপাশি, দেশের জনগণের হৃদয়ে তার জন্য যে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আবেগ কাজ করছে, তা অমূল্য।”

    রিজভী আরো বলেন, “যারা ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করেছিলেন, তারাই এখন ক্ষমতায় এসে সেই ব্যবস্থাটিকেই বাতিল করেছেন। হাসিনার ক্ষমতা দখলের জন্য তারা নিজের ইচ্ছামতো দেশ চালিয়েছেন। এর আগে, ১৯৯৫-৯৬ সালে বাস-ট্রাক পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করে, সেই সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তুলেছিলেন শেখ হাসিনা।”

    তিনি বলেন, কখনো কখনো অন্যায় আবদার তুলে দেশের স্বার্থে আপস করেছেন শেখ হাসিনা। ১৯৯৬ সালে সেদিনের পরিস্থিতি যেমন, তাতে দেশের অশান্তি রোধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য গণতান্ত্রিক উপায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়েছিল, যাতে যেন আর কখনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

    রিজভী উপদেশ দিয়ে বলেন, জনগণের কষ্ট যেন আরও বাড়ে, এমন কর্মকাণ্ড এড়ানোর জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি ঐকমত্য প্রকাশ করা দরকার। তিনি আশা ব্যক্ত করেন যে, সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের স্বার্থে কাজ করবেন এবং অসুস্থতার সময়ে খালেদা জিয়ার পাশে থাকবেন।