Month: December 2025

  • সোনার দাম আবারও বেড়েছে

    সোনার দাম আবারও বেড়েছে

    বাংলাদেশের বাজারে একবারের মতো আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতিটি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ১৫৭৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, যার ফলস্বরূপ ভালো মানের সোনার দাম দুই লাখ ১২ হাজার টাকাকে ছাড়িয়ে গেছে।

    শনিবার (১ ডিসেম্বর) বাজুসের একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন দাম ২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ানোর কারণ হলো বিশ্ববাজারে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম এখন ৪ হাজার ২২২ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এই বৈশ্বিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের কেজি দাম ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকা।

    তবে, অন্যদিকে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা অবস্থানে রয়েছে।

  • নভেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩৫ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স

    নভেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩৫ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স

    প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রবাহ এভাবেই অব্যাহত রয়েছে। সদ্য বিদায় নেওয়া নভেম্বর মাসে দেশে প্রবাসীদের পাঠানো মোট রেমিট্যান্স পৌঁছেছে প্রায় ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশের আর্থিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রবণতা নির্দেশ করে। এই পরিমাণ রেমিট্যান্সের মান বাংলাদেশী মুদ্রায় দাঁড়ায় প্রায় ৩৫ হাজার ২৫০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেব করে), যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৬৯ কোটি ডলার বা ৮ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা বেশি।

  • সোনার দাম কিছুটা কমেছে, তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত

    সোনার দাম কিছুটা কমেছে, তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত

    দেশের বাজারে কয়েক দফা দাম বৃদ্ধির পরে এখন কিছুটা কমেছে সোনার মূল্য। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এখন থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম হবে ২ লাখ ১১ হাজার ৯৫ টাকা, যা এর আগে ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা।

    মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাতে এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাজুস, যা বুধবার থেকে কার্যকর হবে। এর ফলে স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার মূল্য কমে গেছে। এ পরিবর্তনের মাধ্যমে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আগে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা। পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে এক ভরি সোনার দাম ছিল ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকা। এর আগে ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য ছিল ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ১ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭২ হাজার ২৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রির সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরিতে পার্থক্য হতে পারে।

    অপরদিকে, রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।

  • আগামীকাল আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    আগামীকাল আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    নতুন নকশার ৫০০ টাকার ব্যাংকনোট আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাজারে প্রবেশ করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রথমে মতিঝিল অফিস থেকে এই নোট ইস্যু করা হবে এবং পরে অন্যান্য ব্যাংক শাখাগুলিতেও পাওয়া যাবে। নতুন নোটের ডিজাইন খুবই আকর্ষণীয় ও আধুনিক। এর সামনের অংশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি রয়েছে, মাঝখানে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুল শাপলা এবং তার পাশে পাতার নকশা। পেছনে দেখা যাবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রতিকৃতি। নোটের জলছাপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, যার নিচে ইলেকট্রো টাইপে লেখা রয়েছে ‘৫০০’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম। পুরো নোটের রঙে সবুজের আধিক্য রয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এই নতুন ৫০০ টাকা নোট ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ এই শীর্ষক সিরিজের অংশ। এই সিরিজে প্রথমবারের মতো এ ধরনের নোট মুদ্রণ করা হচ্ছে। এতে স্বাক্ষর হিসেবে থাকছে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের। অন্যান্য নতুন সিরিজের মতো এই সিরিজে ১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ এবং ২ টাকার নোটের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ১০০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট বাজারে এসে গেছে। এবার আসছে ৫০০ টাকার নোট।

    নতুন এই নোটে নিরাপত্তার জন্য ১০ ধরনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যোগ किया হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রঙ পরিবর্তনশীল কালি, যা নোটটি নাড়ালে ডান পাশে থাকা ‘৫০০’ লেখা সবুজ থেকে নীল রঙে বদলে যায়। এ ছাড়া লাল ও স্বর্ণালী রঙের পেঁচানো নিরাপত্তা সুতা রয়েছে, যা আলোতে ধরলে ‘৫০০ টাকা’ লেখা স্পষ্ট দেখা যায়।

    অতিরিক্তভাবে, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য নোটের ডান দিকের নিচে পাঁচটি উঁচু বৃত্ত যোগ করা হয়েছে। নোটের শহীদ মিনার, মূল্যমানের কিছু অংশ স্পর্শে উঁচু মনে হবে। কিছু গোপন বিষয় যেমন ‘৫০০’ লেখা নির্দিষ্ট কোণে দেখা যায়। কাগজে লাল, নীল ও সবুজ তন্তু যোগ করে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে, যা আলোর আলাদা রঙে দেখা যায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়ে, নতুন এই ৫০০ টাকার নোট চালু হলেও পুরনো কাগজের নোট ও কয়েনগুলো এখনও চালু থাকবে। এছাড়া মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ নমুনা (অবিনিময়যোগ্য) ৫০০ টাকার নোটও ছাপা হয়েছে, যা টাকা জাদুঘর ও মিরপুরে নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।

  • প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর নতুন উদ্যোগ

    প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর নতুন উদ্যোগ

    বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের খরচ কমাতে এবং এই প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে নতুন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন প্রবাসীদের পাঠানো প্রতিটি রেমিট্যান্সের বিস্তারিত তথ্য অত্যন্ত সঠিক এবং সময়মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠায়। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে এই উদ্যোগ লক্ষ্য করা হয়েছে।

    প্রবাসীদের বিদেশ থেকে এক্সচেঞ্জ হাউস বা অন্য কোনো মাধ্যমে পাঠানো প্রতিটি লেনদেনের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পৌঁছাতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক দুটি আলাদা ফর্ম বা ছক নির্ধারণ করেছে, যেখানে প্রতিদিনের লেনদেনের বিস্তারিত ১২টার মধ্যে পাঠাতে হবে।

    বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই নির্দেশনা সার্কুলার আকারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পাঠানো হয়েছে, যা আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এর উদ্দেশ্য হলো, বর্তমানে বিশ্বব্যাংকের মতামত ও তথ্যের ভিত্তিতে দেশটির রেমিট্যান্স প্রবাহের খরচ ও সার্বিক অবস্থা বোঝা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা নিয়ন্ত্রণে আনা।

    বিশেষ করে দেখা গেছে, দেশগুলোতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের উপর বিভিন্ন ব্যাংক বা এজেন্সি বিভিন্ন ধরনের ফি আরোপ করছে। তার পাশাপাশি কর বা ভ্যাটও জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। এসব ব্যবস্থায় দেশের প্রবাসীদের জন্য রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ বৃদ্ধি পায়।

    সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিদিনের রেমিট্যান্সের বিস্তারিত তথ্য যেন দেশের সময়ের অনুযায়ী পরবর্তী দিনের দুপুর ১২টার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো হয়। এই তথ্যের মধ্যে থাকবে- রেমিট্যান্স প্রেরণকারী ব্যাংক বা এরচেঞ্জ হাউসের নাম, লেনদেনের উপকরণ ও পদ্ধতি, রেমিট্যান্সের পরিমাণ, রেমিট্যান্স ফি, বিনিময় হার, ভ্যাট ও অন্যান্য খরচ। পাশাপাশি, কোন মুদ্রায় রেমিট্যান্স পাঠানো হচ্ছে, টাকায় সম্ভাব্য খরচ ও ডলারে রেমিট্যান্সের হিসাবও বিস্তারিতভাবে জানানো প্রয়োজন।

    প্রথমত, এই উদ্যোগের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রেরণে আর্থিক খরচ কমানোর উপায় খুঁজে বের করবে। বর্তমানে দেশে প্রবাসীরা যখন তাদের রেমিট্যান্স পাঠায়, তখন ব্যাংকগুলো কোনো ফি নেয় না। তবে বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো মাঝে মধ্যে বিনিময় হার পারিপার্শ্বিকতা ও বড় ফি আরোপ করে থাকেন। এই অনিশ্চয়তা কমানোর জন্যও এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যেন সব পক্ষের জন্য ফেয়ার ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা হয়।

  • তারেক রহমান শীঘ্রই দেশে ফিরছেন: সালাহউদ্দিন আহমদ

    তারেক রহমান শীঘ্রই দেশে ফিরছেন: সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শীঘ্রই দেশে ফেরার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি আজ বুধবার (১ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

    বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য বিষয়ক পর্যালোচনা করা হয়।

    সালাহউদ্দিন আহমদ আরো বলেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনই জানাবেন। এভাবে দলের অভ্যন্তরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে।

  • খালেদা জিয়া কোনো দলের নয়, সমগ্র মানুষের নেত্রী: ডাঃ তাহের

    খালেদা জিয়া কোনো দলের নয়, সমগ্র মানুষের নেত্রী: ডাঃ তাহের

    জামায়াতের পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন দলটির নায়েবে আমির ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের। তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়া কোনো রাজনৈতিক দলের নেত্রী নন, বরং তিনি সব মানুষের বিরোধী নেত্রী ও সর্বজনীন নেতা।

    সোমবার বিকেলে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে হার্টের চিকিৎসা শেষে নিজের বাসায় ফেরার সময় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন ডাঃ তাহের। এ সময় তিনি সঙ্গে ছিলেন ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াতের প্রার্থী ডাঃ এস এম খালিদুজ্জামানসহ অন্যান্য দলীয় নেতা-কর্মীরা।

    তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের জন্য বৃহৎ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আরও বেশি সমঝোতা, বোঝাপড়া ও নীতিগত ঐক্য প্রয়োজন। এর মাধ্যমে দেশকে প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা ধরে রাখা সম্ভব হবে। তিনি দেশের নেতা-কর্মী, রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা যেন ধৈর্য ও প্রজ্ঞার সঙ্গে দেশের উন্নয়ন ও শান্তি নিশ্চিত করতে কাজ করি।

    নিজের চিকিৎসা সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ডাঃ তাহের জানান, তার হার্টে একটি ব্লক ছিল। কুমিল্লায় একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর ব্যথা অনুভব করেন, তখনই ঢাকায় এসে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে বিখ্যাত কার্ডিওলজিস্ট মনিরুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত আন্তরিকতা, যোগ্যতা ও দ্রুততার সঙ্গে চিকিৎসা চালিয়ে যান।

    তিনি বলেন, তার হার্টের ব্লকটি পাথরের মতো শক্ত ছিল, যা চিকিৎসকদের জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করে। কিছু চিকিৎসক সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন, কিন্তু তিনি এখানে রয়েছে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়াই পছন্দ করেন। অবশেষে, চিকিৎসকরা সফলভাবে তার সুচিকিৎসা সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি সুস্থ থাকলেও, পরিবারের পরামর্শে কিছুদিন বিশ্রামে থাকার প্রয়োজন রয়েছে।

    বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বিষয়েও আলোকপাত করে ডাঃ তাহের বলেন, আমি উদ্বেগ প্রকাশ করছি তার দ্রুত সুস্থতার জন্য। তিনি একাধারে দলীয় নেত্রী ও গণতান্ত্রিক নেত্রী—তার আপসহীন নেতৃত্বে এইদেশ সাড়ে ১৫ বছর ভারতীয় আধিপত্যের কাছে মাথানত করেনি। তিনি কোনো দলের নেত্রী নহে, বরং তিনি সমগ্র মানুষের নেত্রী। জামায়াতের পক্ষ থেকে আমরা তার আশু সুস্থতা এবং দীর্ঘ আয়ু কামনা করছি।

  • তারেক রহমানের জিয়া পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সহমর্মিতা

    তারেক রহমানের জিয়া পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সহমর্মিতা

    শারীরিক বিভিন্ন জটিলতার কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার সুস্থতার জন্য দেশবাসী ও বিভিন্ন দেশের সহযোগিতা ও শুভকামনা জানানোয় তারেক রহমান আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করেছেন।

    আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর), তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি বার্তা পোস্ট করেন। এই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থানরত নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক এবং বন্ধুরা যেভাবে খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সহযোগিতা ও শুভকামনা জানাচ্ছেন, তার জন্য আমরা জিয়া পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। দেশের নেতারা, বন্ধুরা এবং সাধারণ মানুষের জমা হওয়া ধ্বনি ও দোয়া আমাদের আবেগে গভীর প্রভাব ফেলছে।’

    তিনি আরো লিখেছেন, ‘দেশবাসীর সার্বজনীন সমর্থনই আমাদের পরিবারের জন্য একান্ত শক্তি ও আশার আলো। মমতাময়ী দেশনেত্রীর দ্রুত সুস্থতার জন্য সবাই অটুট দোয়া চালিয়ে যাচ্ছেন। এই কঠিন সময়ে সকলের ঐক্য, সহমর্মিতা ও সংহতি আমাদের জন্য অমূল্য।’

    গত ২৩ নভেম্বর গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা খালেদা জিয়ার লিভারজনিত সমস্যা, কিডনির কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। এর ফলে তার চিকিৎসা আরও জটিল হয়ে ওঠে। গত কয়েক দিনে তার অবস্থা আরও অবনতি হওয়ায় তাকে আইসিইউ-সমমানের হাইডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) রাখা হয়। রোববার ভোরে তাকে এইচডিইউ থেকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

  • শাপলা কলি প্রতীকে নিবন্ধন পেল এনসিপি, আরপিও সংশোধনী নিয়ে রিটের নিন্দা

    শাপলা কলি প্রতীকে নিবন্ধন পেল এনসিপি, আরপিও সংশোধনী নিয়ে রিটের নিন্দা

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর নিবন্ধন সার্টিফিকেট দিয়েছে। দলের পক্ষে এই সনদ গ্রহণ করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তাদের জন্য বরাদ্দ করা প্রতীক হলো ‘শাপলা কলি’।

    বুধবার (৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বিকেলে অনুষ্ঠিত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে এক বৈঠকের শেষে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। নাহিদ ইসলাম এই সময় নির্বাচন সংক্রান্ত আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) সংশোধনীকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি ও আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার উদ্যোগের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

    নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল নেতারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন বলে জানিয়েছেন এনসিপি নেতা নাহিদ। নির্বাচন কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে অবশেষে আমাদের প্রতীক বরাদ্দ হয়েছে। এবার ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের মাধ্যমে এনসিপি এই নির্বাচনে অংশ নেবে।

    নাহিদ উল্লেখ করেন, প্রত্যেক দলকে স্ব স্ব প্রতীকে নির্বাচন করার প্রস্তাবনা থেকে নির্বাচন কমিশন যেন সরে না আসে, সে জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, একটি বিশেষ দল সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে চাপ দিয়ে বলে যাচ্ছে ‘এক মার্কায় নির্বাচনের জন্য’, এবং আদালতকে ব্যবহার করে এই সংস্কার প্রস্তাবনা বাতিল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এনসিপি এই ব্যাপারে ইসিকে শক্ত অবস্থানে থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

    এছাড়া, নির্বাচনে অর্থ ও ক্ষমতার প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নাহিদ বলেন, হলফনামায় প্রার্থীর তথ্য যাচাই-বাছাই করতে ইসিকে সতর্ক করা হয়েছে। অর্থব্যয় সম্পর্কে ইসিকে কঠোর কর্মপন্থা গ্রহণের আর্জি জানানো হয়েছে, যাতে কালো টাকা হাসিলকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    ডিসি ও এসপি বদলির ওপর গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব পদে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে নির্বাচন প্রভাবিত হতে পারে। সেজন্য সতর্ক থাকতে বলেছি।

    গণভোটের বিষয়ে যেন সঠিক ও নির্ভুল প্রচার হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে ইসিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। নাহিদ বলেন, ভুল বা অপতথ্য প্রচার হলে জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছবে না। তাই, নির্বাচনকে শক্তিশালীভাবে পরিচালনা করতে অপতথ্য বা বিভ্রান্তি রোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্যের জন্য মসজিদে দোয়া ও প্রার্থনা বিএনপির আহ্বান

    খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্যের জন্য মসজিদে দোয়া ও প্রার্থনা বিএনপির আহ্বান

    আজ বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর), বিএনপি জনগণের গভীর আস্থা ও ভালোবাসার নেত্রী খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে সারাদেশে বিভিন্ন মসজিদে দোয়া ও মাহফিলের আয়োজন করেছে। এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক সংবাদ সম্মেলনে। তিনি বলেন, আগামীকাল শুক্রবার প্রতিটি মসজিদে, মন্দিরে ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া, প্রার্থনা ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে জনসাধারণের অংশগ্রহণ অনুরোধ করা হয়েছে। এর সাথে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যেমন মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়ে সবার উদ্দেশ্যে সৃষ্টিকর্তার কাছে খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে প্রার্থনা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতারা, जैसे ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, মহানগর বিএনপি উত্তরের আহ্বায়ক আমিনুল হক, যুব দলের সভাপতি এম মনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানি, কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন, ওলামা দলের আহ্বায়ক কাজী মো. সেলিম রেজা, ঢাকা জেলা সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী প্রমুখ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিএনপি নেতৃবৃন্দ দেশনেত্রীর দ্রুত স্বস্তি ও সুস্থতা কামনা করছেন।