Month: December 2025

  • ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথম বার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথম বার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    বলিউডের দাদাজি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের স্বাভাবিক মৃত্যুতে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন তার স্ত্রী এবং সহ-অভিনেত্রী হেমা মালিনী। বর্ষীয়ান এই অভিনেতা ৮৯ বছর বয়সে ২৪ নভেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কিছুদিন ধরে তার শারীরিক অবস্থার নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছিল। মৃত্যুর দিন তার জুহু বাসভবনের সামনের রাস্তার পাশে অ্যাম্বুলেন্স দেখা গেলে চারদিকে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে নিশ্চিত হয়, ধর্মেন্দ্র আর জীবিত নেই। মুম্বাইয়ের পওন হানস শ্মশানে তার শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের অনেক তারকা—অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানসহ অন্যান্য শিল্পীদের দল।

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু নিয়ে এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কোনো প্রকাশ্যে মন্তব্য করেনি, তবে অবশেষে নীরবতা ভেঙে পড়লেন হেমা মালিনী। তিনি সামাজিক মাধ্যমে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) তার স্বামীকে নিয়ে এক আবেগঘন বার্তা প্রকাশ করেন, সঙ্গে তাদের জীবনের অনেক ছবি শেয়ার করেন।

    হেমা লিখেছেন, ধর্মজি ছিলেন তার জীবনের এক উজ্জ্বল অধ্যায়—স্নেহশীল স্বামী, দুই কন্যা ঈশা ও অহনার আদর্শ বাবা, বন্ধু, দার্শনিক, পথপ্রদর্শক, কবি এবং সঙ্কটের সময় ভরসার উৎস। তিনি আরও জানিয়ে বলেন, ধর্মেন্দ্র সবসময় পরিবারের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে চলতেন।

    হেমা আরও বলছেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেও ধর্মেন্দ্রর প্রতিভা, জনপ্রিয়তা, বিনয় ও সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা তাকে কিংবদন্তির মধ্যেও আলাদা করে তোলে। তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে। ব্যক্তিগতভাবে এই ক্ষতি তার জন্য ভাষায় প্রকাশের বাইরে, এই শূন্যতা সারাজীবন বহন করতে হবে। এত দিনের সঙ্গে থাকায়, এখন শুধু স্মৃতিগুলোর মধ্যে থেকে তাকে খুঁজে নেওয়া নয়, বরং সেই স্মৃতিগুলোর жарыয়েই জীবন চালিয়ে যেতে হবে।

    প্রসঙ্গত, বলিউডের কিংবদন্তি জুটি হেমা মালিনী এবং ধর্মেন্দ্রর প্রেমকাহিনী এবং বিবাহবাহ্যিক জীবনের আলোচনা সিনেমা জগতে এতদিন আলোচিত। ধর্মেন্দ্র প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরকে বিয়ে করে চার সন্তান—সানি, ববি, বিজেতা ও অজিতা দেওল—들을 জন্ম দেন। সিনেমায় কাজের সূত্রে ধর্মেন্দ্র এবং হেমার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে, যা পরে পরিণতি পায়।

    ১৯৮০ সালে হেমা এবং ধর্মেন্দ্র বিবাহ করেন। এই বিবাহ তখন ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব বিতর্ক কেটে যায়। তাদের সংসারে দুটি কন্যা—ঈশা ও অহনা—জন্ম নেয়। চার দশক ধরে তাদের দাম্পত্যে ছিল অটুট ভালোবাসা ও গভীর বন্ধন। ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী একসঙ্গে কাজ করেছেন ৪০টির বেশি চলচ্চিত্রে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছবি হলো ‘শোলে’, ‘নসীব’, ‘আলিবাবা অউর ৪০ চোর’, ‘ছোট্ট সি বাত’, ‘তুম হ্যাঁসিন ম্যায় জওয়ান’ ইত্যাদি।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • নায়িকা পপি বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালেন তারেক আহমেদ চৌধুরী

    নায়িকা পপি বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালেন তারেক আহমেদ চৌধুরী

    চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি বিরুদ্ধে মানহানি ও মিথ্যা বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে তার চাচাতো বোন ও জামাই মো. তারেক আহমেদ চৌধুরী একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। বুধবার (২৬ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবীর মাধ্যমে খুলনা ও ঢাকায় রেজিস্টারড ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠানো হয়। এই খবর নিশ্চিত করেছেন তারেক আহমেদ চৌধুরী নিজেই।

    তিনি বলেন, আমার স্ত্রীর সঙ্গে সাদিকা পারভিন পপি সম্পর্কের ভিত্তিতে নানা সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও আপত্তিকর তথ্য প্রচার করে যাচ্ছেন, যা সত্যিই দুঃখজনক। যদি তার কোন অভিযোগ থাকে, তাহলে বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধান করা উচিত অথবা আইনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তিনি সাহস করে পারবেন। কিন্তু তিনি তা না করে বিভিন্ন মাধ্যমে আমার নামে মিথ্যা ও বানোয়াট খবর ছড়াচ্ছেন, যা আমি মানতে পারছি না। আমি এই ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছি।

    পূর্বেও তিনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে খবর প্রচার করেছিলেন, যার ফলে আমি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি।

    আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডল বলেন, তার মূল মক্কেল ঢাকায় একটি বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে থাকেন। সাদিকা পারভিন পপি তার প্রয়াত চাচা মিয়া কবির হোসেনের জামাই, আর তিনি তারেক আহমেদ চৌধুরীর স্বামী ও তার পরিবারের সম্পর্কের অংশ।

    আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয় যে, একটি পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। উক্ত সম্পত্তি তারেক আহমেদ চৌধুরীর স্ত্রীর পরিবারের মালিকানাধীন ছিল, যা বৈধ হেবা দলিলের মাধ্যমে তাদের উপহার হিসেবে দেয়া হয়। এজন্য তারা আইনি মালিকানা অর্জন করেন। আমার মক্খেল সংসর্গে উক্ত সম্পত্তির কোনো মালিকানা বা দখল নেই, কারণ এটি হেবা দলিল ও উত্তরাধিকারের নিয়ম অনুযায়ী হস্তান্তর হয়।

    তবুও, গত ২১ নভেম্বর তিনি একটি টিভি অনুষ্ঠানে আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ প্রচার করেন। এইভাবে তিনি অবমাননাকর ও ভিত্তিহীন বক্তব্য ও অভিযোগ প্রকাশ করেছেন, যা আমি সম্পূর্ণ অস্বীকার করছি এবং আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছি।

  • প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    নব্বই দশকের পরিচিত এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন (জন্ম গালীব আহসান মেহদী) গত শুক্রবার বিকেলে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই খবর নিশ্চিত করেছেন শিল্পীর ঘনিষ্ঠজন ঈশা খান।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বিকেলে হঠাৎ করে তাঁর বুকে তীব্র ব্যথা শুরু হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন চিকিৎসকরা। শুনানিতে জানা যায়, তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ার আগে দুপুরে হঠাৎ করে অ্যাধ্যব্য ব্যথা অনুভব করেছিলেন।

    জেনস সুমন জনপ্রিয়তা পান ১৯৯০-এর দশকে, যখন প্রকাশিত হয় তার অসাধারণ গান ‘একটা চাদর হবে’। এই গানটি ইথুন বাবুর কথা, সুর ও সংগীতে গাওয়া হয়, এবং তা তাকে রাতারাতি জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এরপর তিনি একের পর এক মিক্সড এ্যালবাম এবং গান প্রকাশ করে শ্রোতাদের মন জয় করেন। দীর্ঘ এক যুগের বিরতির পর তিনি আবার সংগীতে ফিরে আসেন।

    সম্প্রতি তার গাওয়া ‘আমি চাইব না’ গানটি প্রকাশিত হয়, যেখানে তিনি বলেছিলেন, আরো নতুন কিছু গান নিয়ে ফিরছেন। কিন্তু তার আগেই তিনি চলে যান এই বিশ্ব থেকে।

    জেনস সুমনের প্রথম একক এ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে। এরপর আরও বেশ কিছু জনপ্রিয় এ্যালবাম প্রকাশিত হয়, যেমন ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’। ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় তার শেষ এ্যালবাম ‘মন চলো রূপের নগরে’। এই শিল্পীর অমূল্য অবদান বাংলা সংগীত জগতে আজও স্মরণীয় ও প্রয়োজনে অম্লান।

  • শাকিবের ‘পাইলট’ লুকে ঝড় সোশ্যাল মিডিয়ায়

    শাকিবের ‘পাইলট’ লুকে ঝড় সোশ্যাল মিডিয়ায়

    ঢালিউডের অন্যতম বড় তারকা শাকিব খান এই সময়ে আলোচিত ব্যক্তিত্ব। তার অভিনয়, লুক এবং বিভিন্ন পোশাকের স্টাইল প্রতিনিয়ত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে উঠে। সিনেমার শুটিং হোক কিংবা বিজ্ঞাপন—শাকিবের প্রতিটি উপস্থিতিই দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। সম্প্রতি তিনি এক বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেন, যা বেশ দ্রুতই সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে জনপ্রিয়তা লাভ করে। সেই বিজ্ঞাপনের জন্যই তিনি একটি পাইলটের লুকের ছবি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেন, যা নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে।

  • শুটিং শেষে সালমানের নতুন লুক দেখে অবাক ভক্তরা

    শুটিং শেষে সালমানের নতুন লুক দেখে অবাক ভক্তরা

    বলিউডের জনপ্রিয় তারকা সালমান খান সর্বদা তার স্বতন্ত্র ও নির্দিষ্ট স্টাইলের জন্য আলোচনায় থাকেন। সম্প্রতি তিনি মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত হলে তার ভক্তরা একেবারেই চমকে উঠেছেন। দীর্ঘদিন ধরে গোঁফ ও কিছু বিশেষ স্টাইল ধরে রাখার পর তিনি সম্প্রতি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি চেহারা নিয়ে জনসমক্ষে হাজির হয়েছেন, যা সামাজিক মাধ্যমে ঝড় তোলছে।

    সূত্রের খবর, সালমান খান তারআর আসন্ন সিনেমা ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’-এর শুটিং শেষ করেছেন। এই সিনেমার জন্য দীর্ঘ সময় তিনি গোঁফ ও অন্য একটি নির্দিষ্ট লুক ধরে রেখেছিলেন। তবে লাদাখের কঠিন পরিবেশে শুটিং শেষে তিনি নিজের চেহারা পাল্টে ফেলেছেন। বিমানবন্দরে তাকে কালো টি-শার্ট, ডেনিম জিন্স এবং জ্যাকেট পরা অবস্থায় দেখা গেছে, তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তার পরিষ্কার ও ক্লিন শেভড চেহারা।

    ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ সিনেমার শুটিং হয়েছে লাদাখের চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে, যেখানে তীব্র ঠাণ্ডা ও অক্সিজেনের অভাব ছিল। এই কঠিন শিডিউল শেষে সালমানের এই নতুন লুক অনেককে তার স্বাভাবিক ফ্যাশনের ফিরতি সংকেত হিসেবে মনে করছেন। সাধারণত ‘দাবাং’ সিনেমার চরিত্র দুর্বার চোর ও গোঁফে মানিয়ে নেওয়া দর্শকদের জন্য এটি ছিল এক নতুন ও চমকপ্রদ পরিবর্তন।

    বলেন এক ঘনিষ্ঠ সূত্র, বহুদিনের শুটিং শেষে সালমান এখন কিছুটা বিশ্রাম নিচ্ছেন। এরপর তিনি মুম্বাইতে নতুন কাজের দিকে মনোযোগ দেবেন। এই বয়সে এসে তার এই চেহারা পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করে দিচ্ছেন যে, তার গ্ল্যামার তো হারায়নি, বরং আরও জোরালো এসেছে। সামাজিক মাধ্যমগুলোতে তার নতুন চেহারার ছবি ভাইরাল হতেই ভক্তরা প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। এখন তার পরবর্তী প্রজেক্টের জন্য সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

  • অবিশ্বাস্য ড্র: গ্রিভসের দ্বিশতক ও হোপের সেঞ্চুরিতে নাটকীয় সমাপ্তি ওয়েস্ট ইন্ডিজের

    অবিশ্বাস্য ড্র: গ্রিভসের দ্বিশতক ও হোপের সেঞ্চুরিতে নাটকীয় সমাপ্তি ওয়েস্ট ইন্ডিজের

    ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজের উত্তাপের মধ্যে গতকাল ক্রাইস্টচার্চে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের একটি আকর্ষণীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিউজিল্যান্ড বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচটি ছিল অনেকের জন্য বেশ দারুণ এক চমক। এই ম্যাচটি শুরুতে একটু আড়ালেই থেকে যায় যেন, তবে দিন শেষে এটি হয়ে ওঠে টেস্ট ক্রিকেটের এক অনন্য ম্যাচের উদাহরণ। নানা কারণেই এই ম্যাচ হঠাৎ করে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনোযোগ কেড়ে নেয়।

    প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৬৭ রানে অলআউট হওয়া ক্যারিবীয়রা দ্বিতীয় ইনিংসে চমক দেখিয়ে ৫৩১ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড় করায়। এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম দুই দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রতিপক্ষ থেকে চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখানোর জন্য তারা প্রেরণা পান। অচিরেইই বোঝা গেল, এই ম্যাচটি কেবল নির্দিষ্ট দিক থেকে না, বরং পুরো ক্রিকেট বিশ্বকে লোভনীয় করে তুলবে।

    দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যারিবীয়রা ৬ উইকেটে ৪৫৭ রান সংগ্রহ করে। এই ইনিংসটি ছিল টেস্ট ক্রিকেটের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের দৃষ্টান্ত, যা প্রচুর উৎসাহ ও উন্মাদনার জন্ম দেয়। শাই হোপ ১৪০ রান করে দলের নেতৃত্ব দেন এবং তার পরই জাস্টিন গ্রিভসের ব্যাট থেকে এক চমৎকার ২০২ রানের ইনিংস আসে। তিনি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৩৮৮ বলের মোকাবিলায়। তার সাথে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন টেলএন্ডার কেমার রোচ, যিনি ৫৩ রানে টিকে থাকেন এবং বলখেলেছেন ২৩৩টি।

    প্রতিপক্ষের কাছ থেকে জেতার জন্য শেষ কথাটা বলার খুব কাছেই থাকলেও দিনের শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি অমীমাংসিত থাকল। কিছুটা সময় থাকলে হয়তো এই ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত। ক্যারিবীয়দের ডাগআউটে ড্যারেন সামিদের উচ্ছ্বাস দেখে বোঝা গেল, তারা আসলে জয়ই চাইছিল। এই ড্র ছিল ক্রিকেটের জন্য যেন এক চমৎকার নাটক, যা দর্শকদের মনোযোগ কেড়ে নিল।

    এই প্রথম টেস্টে, ক্রাইস্টচার্চে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ২৩১ রান করে, আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ১৬৭ রানে। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে দলটির প্রধান খেলোয়াড়রা অসাধারণ অবদান রাখতে সক্ষম হন। অধিনায়ক টম লাথামের ১৪৫ এবং রাচিন রবীন্দ্রর ১৭৬ রানের ইনিংস যেখানে দলের বড় সংগ্রহের ভিত্তি হয়, সেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রতিপক্ষকে আসল চাপে ফেলে দেয়।

    প্রথমে বড় রান তাড়া করতে নেমে সফরকারীরা শুরুতেই বেশ জনপ্রিয় উইকেট হারান। ২৪ রানে শুরু করে ৭২ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের মাধ্যমে বিপদে পড়ে যায়। জন ক্যাম্পবেল ১৫, ত্যাগনারায়ান চন্দরপল ৬, অ্যালিক আথানাজে ৫ এবং অধিনায়ক রোস্টন চেজ ৪ রানে আউট হন। তবে শেষ মুহূর্তে শাই হোপ এবং জাস্টিন গ্রিভসের দৃঢ়তা সেই পরিস্থিতি বদলে দেয়। শতরানের জুটি গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পুনরাই লড়াইয়ে ফিরিয়ে আনেন তারা। এই পর্যায়ে নিউজিল্যান্ডের হয়ে জাম্বেক ডাফি সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন।

    সবশেষে, এই নাটকীয় ও উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটি সমাপ্তির পথে থাকলেও ফলাফল নির্ধারিত হয়নি। এইসময় যদি আরও কিছু সময় থাকত, হয়তো এই ম্যাচের ফলাফল অন্যরকম হতে পারত। তবে ক্যারিবীয়দের আত্মবিশ্বাস আর দৃঢ়তা স্পষ্ট দেখিয়েছে, এই ড্রও কেবল এক অর্জন নয়, এটি সত্যিই ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক ছোট আনন্দের ব্যাপার।

  • মিরাজ-শান্তদের নেতৃত্বে খেলবেন আকবর, সোহান, সাকলাইনরা

    মিরাজ-শান্তদের নেতৃত্বে খেলবেন আকবর, সোহান, সাকলাইনরা

    বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রতি বছরই মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রদর্শনী ম্যাচ আয়োজন করা হয়। এই জনপ্রিয় আয়োজনে এবারও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তত্ত্বাবধানে ১৬ ডিসেম্বর দুটি দল উঠে খেলবেন। পাশাপাশি, একই দিনে বিকেলে জাতীয় দলের বর্তমান ক্রিকেটাররাও অংশ নেবেন এই আনন্দমুখর ম্যাচে।

    ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) উদ্যোগে মিরপুরে বিকেলে দুটি দল পরিস্থিতি তৈরি করেছে। অদম্য নামে দলের নেতৃত্বে থাকবেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, আর অপরাজেয় দলের অধিনায়ক হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশের টেস্ট দলের অবিসংবাদিত নেতা নাজমুল হোসেন শান্ত। এই দুই দলের স্কোয়াডে রয়েছে বাংলাদেশের তরুণ ও উজ্জ্বল ক্রিকেটাররা, যারা বর্তমানে জাতীয় দলের সঙ্গে খেলছেন বা ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ পারফর্ম করছেন।

    উল্লেখ্য, বর্তমানে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা এক্সট্রা ছুটিতে থাকায় আরেকটু সহজে এই আয়োজন। তবে, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদরা ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টি খেলতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকায় তাদের স্কোয়াডে রাখা হয়নি। তবুও চোটমুক্ত ক্রিকেটাররাই এই ম্যাচে অংশ নেবেন। লিটন দাসের নাম না থাকলেও, জাতীয় দলের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটের বেশ কিছু তারকা ক্রিকেটাররাও দলে আছেন।

    সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটে দুর্দান্ত পারফর্ম করে আলোচিত খেলোয়াড় হাবিবুর রহমান সোহান এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সে ব্যাট হাতে নিজের প্রতিভা দেখিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি করার কীর্তি গড়েছেন। বিপিএল নিলামে নোয়াখালী এক্সপ্রেস হিসেবে ৫০ লাখ টাকায় নিলামে ওঠেন। অদম্য স্কোয়াডে তার সঙ্গে থাকবেন তরুণ ওপেনার আকবর আলী, যিনি সম্প্রতি ব্যাটিংয়ে উজ্জ্বল ছিলেন। এই দলটিতে আরও থাকছেন জাতীয় দলে থাকা ও ঘরোয়া ক্রিকেটে আলো ছড়ানোর জেসমিনরা।

    অপরাজেয় দলের নেতৃত্বে থাকছেন শান্তর নেতৃত্বে কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। এতে থাকছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, who is the captain, এবং গত এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান করা মাহমুদুল হাসান জয়। এ ছাড়াও থাকছেন দলে স্লোয়ার ডেলিভারি ও ডেথ ওভারে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য পরিচিত আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

    সংক্ষিপ্ত স্কোয়াডগুলো হল:

    অদম্য: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), হাবিবুর রহমান সোহান, তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, তাওহীদ হৃদয়, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, আফিফ হোসেন ধ্রুব, আকবর আলী, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, হাসান মাহমুদ, তানভির ইসলাম এবং শরিফুল ইসলাম।

    অপরাজেয়: পারভেজ হোসেন ইমন, মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মাহমুদুল হাসান জয়, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, নাসুম আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব, নাহিদ রানা এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

  • ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পূর্ণ সূচি প্রকাশ: কবে কোথায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ

    ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পূর্ণ সূচি প্রকাশ: কবে কোথায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ

    অবশেষে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পুরো সূচি প্রকাশিত হলো। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসির জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টস ভেন্যুতে বিশ্বকাপের বিস্তারিত রূপে ঘোষণা করেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনো। এ সময় তার পাশে উপস্থিত ছিলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদো নাজারিও।

    আগামী বছরের ১১ জুন শুরু হবে এই বিশাল প্রতিযোগিতা, যা হবে ত্রৈমাসিক দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিবে ৪৮ দল, যা প্রথমবারের মতো ১২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। আগের ৩২ দলের পরিবর্তে এবার গ্রুপের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং প্রতিটি গ্রুপে থাকবে চারটি দল। উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকো সিটিতে, ঐতিহ্যবাহী আজতেকা স্টেডিয়ামে।

    প্রথম দিন অর্থাৎ ১২ জুন থেকে শুরু হবে গোলের উন্মাদনা কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে। গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে ২৭ জুন পর্যন্ত চলবে। এরপর ২৮ জুন শুরু হবে নক আউট পর্বের প্রথম রাউন্ড—রাউন্ড অফ ৩২। সেখান থেকে প্রতিটি ধাপে প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকবে, যেমন: ৪ জুলাই হবে গোলের মহাযুদ্ধ রাউন্ড অফ ১৬, ৯ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনাল, ১৪-১৫ জুলাই সেমিফাইনাল এবং ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ফুটবলের মহা ফাইনাল।

    বিশ্বকাপের গ্রুপ বিন্যাস অনুযায়ী, বেশ কিছু গ্রুপের দলগুলো হলো:
    – গ্রুপ ‘এ’: মেক্সিকো, দক্ষিন কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইউরোপিয়ান প্লে-অফের বিজয়ী—ডেনমার্ক, চেক রিপাবলিক, বা নর্দার্ন আইর‌্যান্ড।
    – গ্রুপ ‘বি’: কানাডা, কাতার, সুইজারল্যান্ড এবং ইউরোপিয়ান প্লে-অফের বিজয়ী—ইতালি, ওয়েলস, বা বসনিয়া-হার্জেগোভিনা।
    – গ্রুপ ‘সি’: ব্রাজিল, মরক্কো, স্কটল্যান্ড ও হাইতি।
    – গ্রুপ ‘ডি’: যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, প্যারাগুয়ে এবং ইউরোপিয়ান প্লে-অফের বিজয়ী—তুরস্ক, স্লোভাকিয়া, কসোভো বা রোমানিয়া।
    – এছাড়াও রয়েছে জার্মানি, ইকুয়েডর, কোস্টা রিকা ও ক্যারিবিয়ান দলের গ্রুপ ‘ই’, নেদারল্যান্ডস, জাপান, তিউনিসিয়া ও চতুর্থ দল, ইউরোপিয়ান প্লে-অফের বিজয়ী—ইউক্রেন, পোল্যান্ড, আলবেনিয়া বা সুইডেন, ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, পানামা ও ঘানা, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া ও জর্ডান, পর্তুগাল, কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান ও অন্যান্য দল।

    বিশেষ করে বললে, আর্জেন্টিনার ম্যাচের সময়সমূহ হলো:
    – ১৬ জুন রাত ৯টা: আর্জেন্টিনা বনাম আলজেরিয়া
    – ২২ জুন দুপুর ১টা: আর্জেন্টিনা বনাম অস্ট্রিয়া
    – ২৭ জুন রাত ১০টা: আর্জেন্টিনা বনাম জর্ডন।

    ব্রাজিলের ম্যাচের সময়সূচি:
    – ১৩ জুন বিকাল ৬টা: ব্রাজিল বনাম মরক্কো
    – ১৯ জুন রাত ৯টা: ব্রাজিল বনাম হাইতি
    – ২৪ জুন সন্ধ্যা ৬টা: ব্রাজিল বনাম স্কটল্যান্ড।

    অন্য দেশগুলোর দিকে তাকালে, স্পেনের জন্য রয়েছে ১৫ জুন দুপুর ১২টা, উদাহরণস্বরূপ, ইংল্যান্ডের ম্যাচ যথাক্রমে ১৭ জুন বিকাল ৪টা এবং ২৩ জুন বিকাল ৪টা। এই সময়সূচিগুলো আমেরিকার সময় অনুসারে ঠিক করা হয়েছে।

    সর্বশেষ, এই বিশ্বকাপে ফুটবল প্রেমীদের জন্য এবারের প্রতিযোগিতা হবে অনেক বেশি উত্তেজনাপূর্ণ, কারণ প্রথমবারের মতো এত বেশি দল অংশ নিচ্ছে। এছাড়া, প্রতিটি ম্যাচের দিন, সময় এবং ভেন্যু বিস্তারিত জানা থাকায় দর্শকরা নিজেদের পছন্দের ম্যাচগুলো উপভোগ করার জন্য অপেক্ষা করতে পারেন।

  • মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে এবার মায়ামিকে সর্বোচ্চ শিরোপা

    মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে এবার মায়ামিকে সর্বোচ্চ শিরোপা

    ফুটবল বিশ্বে গত কয়েক মৌসুমে অপ্রচলিত মনে হওয়া মার্কিন লিগ এমএলএস এখন কীভাবে বদলে যেতে শুরু করেছে, তার অন্যতম কারণ হল লিওনেল মেসির আগমন। তার স্��র্শে রাতারাতি এসপুট স্পন্দিত হয়ে উঠেছে এই লিগের প্রতিযোগিতা। সম্প্রতি সেখানকার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ট্রফি, এমএলএস কাপ, প্রথমবারের মতো জয়ী হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ইন্টার মায়ামি। এই সাফল্য মেসির জোড়া অ্যাসিস্টের কৃতিত্বে সম্ভব হয়েছে, যা দলের জন্য এক মহান অর্জন।

    বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জিতে ক্যারিয়ারে এক বিশেষ অধ্যায় সম্পন্ন করেছেন। তারপরও পেশাদার ফুটবল চালিয়ে যেতে হবে, এই চ্যালেঞ্জ তিনি গ্রহণ করেছেন। সেই চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে, রীতিমতো আনকোরা দলের মধ্যেও এক নতুন জয়ের স্বপ্ন দেখাতে থাকেন মেসি। দল গঠনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, যেখানে মূল প্রেরণা ছিলেন মেসি নিজেই। রদ্রিগো ডি পলের মতো খেলোয়াড়দের দলে আনা, বুসকেটস, সুয়ারেজের উপস্থিতি—সবই ছিল দলের সাম্প্রতিক সফলতার মূল ভিত্তি।

    দলের সাথে একসঙ্গে অনেক ট্রফি জয় করেছেন মেসি। এবার তিনি এমএলএস কাপে নিজের জয়ের সংখ্যাও ৪৮–এ নিয়ে গেছেন। এই কাপের ফাইনাল ম্যাচটি দুই কনফারেন্সের শীর্ষ দলগুলির মুখোমুখি হয়। উদ্বোধনী থেকে শুরু করে, শীর্ষে থাকা মায়ামি ইস্টার্ন কনফারেন্সের ট্রফি জিতেছে। এর মাধ্যমে তারা পুরো এমএলএসের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট মাথায় তুলে নিয়েছে। গত শনিবার ফোর্ট লডারডেল-এর চেজ স্টেডিয়ামে এই ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মায়ামি ও ভ্যাঙ্কুভার সমান লড়াই করেছে।

    ম্যাচের প্রথমার্ধে মাত্র ৮ মিনিটের মধ্যেই এডিয়ার ওকাম্পোর আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে ভ্যাঙ্কুভার। এরপর তাদের জন্য ম্যাচে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৬০ মিনিট পর্যন্ত। আলি আহমেদের গোল তাদের অনুপ্রেরণা যোগায়, তবে পরবর্তী সময়ে রদ্রিগো ডি পলের গোল লিড প্রদান করে মায়ামিকে। শেষমেষ, যোগ করা সময়ে তাদেও আলেন্দের গোল ম্যাচের জয় নিশ্চিত করে।

    মেসি দুটি গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্টও করেছেন, যা এই জয়ের মূল চাবিকাঠি। এই জয়ের কৃতিত্বকে স্মরণ করে মেসি বলেন, ‘গত বছর আমাদের জন্য মৌসুমটা খুব হতাশাজনক ছিল, শুরুতেই বিদায় নিতে হয়েছিল। তবে এই বছর আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল এমএলএস জয়। দল শ্রম ও পরিশ্রমের মাধ্যমে এ লক্ষ্য সফল করেছে। বছরটি ছিল অনেক দীর্ঘ, অনেক ম্যাচ খেলতে হয়েছে, কিন্তু চূড়ান্তভাবে আমরা সফল।’

    ১২ বছর আগে ডেভিড বেকহ্যাম দলটির মালিকানা গ্রহণের পর, ২০২০ সালে খেলোয়াড় হিসেবে দলটির যাত্রা শুরু হয়। তিন বছর পর মেসি যোগ দেন, আর তখন থেকেই দলটির ভাগ্য বদলে যেতে শুরু করে। বেকহ্যাম বলেন, ‘এটা এক অবিশ্বাস্য যাত্রা। মেসি শুধু উপভোগ করতে আসেনি, তার পরিবারও এই শহরকে ভালোবাসে। তবে তার আসলে জেতারই মনোভাব ছিল। সে সবসময় দলের প্রতি আন্তরিক ও নিবেদিত। লিও একজন প্রকৃত বিজয়ী।’

  • সালাহউদ্দিনের মতে, টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি হয়েছেন

    সালাহউদ্দিনের মতে, টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি হয়েছেন

    সালাহউদ্দিন মনে করেন, এ বছর খেলোয়াড়রা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের কৌশল বেশ ভালোভাবে উপলব্ধি করেছে। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, খেলোয়াড়রা টি-টোয়েন্টি সম্পর্কে ভালো ধারণা অর্জন করেছে। এখন তারা জানে কিভাবে খেলতে হবে। এটিই এই বছরকের সবচেয়ে বড় অর্জন। ব্যাটাররা নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে। এর আগে অনেক সময় পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন হত না, এখন সবাই নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে ভালোভাবে সচেতন।’