Month: December 2025

  • অচিরেই আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    অচিরেই আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন ডিজাইনের ৫০০ টাকার নোট ইস্যু করবে। এই নোটটি প্রথমে মতিঝিল অফিস থেকে প্রচলন শুরু হবে এবং পরে অন্যান্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শাখাগুলোতেও পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    নতুন নোটটির ডিজাইন সাধারণের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। এর সামনের অংশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এবং মাঝে পাতা, কলি ও শাপলা ফুলের ছবি রয়েছে, যা বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও জাতীয় চেতনার প্রতীক। পেছনে রাখা হয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক ছবি।

    নোটের জলছাপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, যার নিচে ইলেকট্রো টাইপে লেখা রয়েছে ‘৫০০’। পুরো নোটটিতে সবুজ রঙের আধিক্য দেখা যায়, যা বাংলাদেশের প্রকৃতি ও সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করে।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এই নোটটি বাংলাদেশের ‘ঐতিহাসিক ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন সিরিজের অংশ। এটি প্রথমবারের মতো ইস্যু করা হচ্ছে এবং এতে স্বাক্ষর হিসেবে থাকছে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের। উল্লেখ্য, এই সিরিজের আওতায় ১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ এবং ২ টাকার নতুন নোট মুদ্রণের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ১০০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট বাজারে এসেছে। এবার আসছে ৫০০ টাকার নোট।

    নতুন নোটের নিরাপত্তার জন্য আরও উন্নত বৈশিষ্ট্য সংযোজিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রঙ পরিবর্তনশীল কালি, যা নোট নাড়ালে ডান পাশে থাকা ‘৫০০’ লেখা প্রথমে সবুজ দেখায়, পরে নীল রঙে বদলে যায়। এছাড়া গায়ে লাল ও স্বর্ণালী রঙের পেঁচানো নিরাপত্তা সুতা রয়েছে, যা আলোতে ধরলে ‘৫০০ টাকা’ লেখা দেখা যায়।

    দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য নোটের ডান দিকের নিচে পাঁচটি উঁচু বৃত্ত সৃষ্টি করা হয়েছে, যা স্পর্শে অনুভূত হয়। পাশাপাশি, শহীদ মিনার, মূল্যমানসহ কিছু অংশ ইন্টাগ্লিও প্রিন্টে করা, যা স্পর্শে উঁচু মনে হবে। গোপনে ‘৫০০’ লেখা রয়েছে, যা নির্দিষ্ট কোণে দেখলে স্পষ্ট হয়। নোটের কাগজে লাল, নীল ও সবুজ তন্তু যোগ করা হয়েছে, যা বিশেষ আলোর কাছে দেখা যায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এই নতুন ৫০০ টাকার নোট চালু হলেও পুরনো নোট ও কয়েনগুলো আগের মতোই প্রচলিত থাকবে। পাশাপাশি, মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ অনুমোদিত নোট জাদুঘর ও মিরপুরে নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহের জন্য উপলব্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

  • রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর জন্য নতুন উদ্যোগ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

    রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর জন্য নতুন উদ্যোগ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

    বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রবাহ বাড়ানোর পাশাপাশি রেমিট্যান্স পাঠানোর সঙ্গে যুক্ত খরচগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুরোপুরি ট্র্যাক রাখবে যে, দেশের প্রবাসীরা কিভাবে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন এবং এর সাথে জড়িত বিভিন্ন খরচের বিষয়গুলো।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সকল বাণিজ্যিক ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোকে প্রতিটি রেমিট্যান্স লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, প্রেরণের তারিখ, ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউসের নাম, লেনদেনের উপকরণ, রেমিট্যান্সের অর্থের সংগ্রহের পদ্ধতি, টাকায় রেমিট্যান্সের পরিমাণ ও প্রণোদনার হিসাব, ডলারের বিপরীতে বিনিময় হার, দান্দলা থেকে প্রেরিত ডলার রেমিট্যান্সের পরিমাণ, রেমিট্যান্স পাঠানোর মুদ্রা, ফি, ভ্যাট বা কর ও অন্যান্য খরচ, পাশাপাশি মোট খরচের বিবরণ।

    এই তথ্যগুলো প্রতিদিনের ভিত্তিতে পরবর্তী দিন সকাল ১২টার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানোর নিয়ম রয়েছে। এ ব্যাপারে কংক্রিট নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের তরফে সম্প্রতি একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে, যা আগামী ১ জানুয়ারির মধ্যে কার্যকর হবে।

    বিশ্বব্যাংকও বর্তমানে বিভিন্ন দেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের খরচ মনিটরিং করছে। দেখা গেছে, খরচ বেড়ে যাচ্ছে, যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক এটি করছে। বিভিন্ন দেশের ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো রেমিট্যান্সের উপর বিভিন্ন ধরনের ফি আরোপ করছে, আর কিছু ক্ষেত্রে করও দিতে হয়। দেশের ব্যাংকগুলোও নানা সার্ভিস চার্জ আদায় করে থাকেন। এসব কারণে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ বাড়ছে, যা কমানোর জন্য এই উদ্যোগ।

    ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোকে প্রতি লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে, যাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারে। এর ফলে প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের খরচ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এছাড়া, বর্তমানে দেশে প্রবাসীদের কাছ থেকে রেমিট্যান্স গ্রহণে ব্যাংকগুলো কোনো ফি নিচ্ছে না, যা কিছুটা খরচ কমাতে সহায়ক। পাশাপাশি, বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো রেমিট্যান্সের বিনিময় হার নির্ধারণে একষট্টির মতো পার্থক্য করছে, যা সমতা আনার দিকে এগিয়ে নেওয়া হবে। এই সব পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রবাসীদের জন্য রেমিট্যান্স পাঠানো আরো সুবিধাজনক এবং খরচ কমানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

  • পেঁয়াজের বাজার অস্থির, আমদানির অনুমতি দিচ্ছে সরকার

    পেঁয়াজের বাজার অস্থির, আমদানির অনুমতি দিচ্ছে সরকার

    বাজারের অস্থিরতা কমানোর লক্ষ্যে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রোববার থেকে সীমিত আকারে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে। প্রতিদিন ৫০টি করে আইপি (আমদানি অনুমতি) ইস্যু করা হবে, যার মধ্যে প্রতি আইপিতে সর্বোচ্চ ৩০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন থাকবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখতে এবং দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ জাকির হোসেনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, চলতি বছরের ১ আগস্ট থেকে যারা আমদানির জন্য আবেদন করেছেন, তারা কেবলই পুনরায় আবেদন করতে পারবেন। একবারের জন্য একজন আমদানিকারক এই সুযোগ পাবেন। সরকারের এই সিদ্ধান্ত পর্যায়ক্রমে কার্যকর থাকবে যতক্ষণ না বাজারে স্থিতিশীলতা আসে। গত এক মাসের বেশি সময় ধরে পেঁয়াজের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। শুধু চার-পাঁচ দিনের ব্যবধানে এর দাম প্রায় ৪০ টাকা বেড়ে যায়। কেজির দাম উঠে দাঁড়ায় ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়। এরপর সরকারের সিদ্ধান্তে আমদানি অনুমতি মিললে দাম কিছুটা কমে গিয়ে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় নেমে আসে। গত সপ্তাহে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নতুন পেঁয়াজ শিগগিরই বাজারে আসবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ ছিল কৃষকের স্বার্থ রক্ষা এবং বাজারে অতিরিক্ত আমদানি না করা। তবে এর ফলস্বরূপ মজুতদার ব্যবসায়ীরা সুবিধা নিচ্ছেন, ফলে আবার দাম বাড়ছে। বুধবার রাজধানীর খুচরা বাজারে খুচরা বিক্রেতারা প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়, যা এক সপ্তাহের মধ্যে ১০ টাকার বৃদ্ধি। তবে টিসিবির হিসাব বলছে, গত বছরের তুলনায় এখনও পেঁয়াজের দাম ১০ শতাংশ কম। নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ না এলেও পাতাযুক্ত পেঁয়াজ এসেছে, যার দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকায় কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আমদানি ব্যবস্থা বন্ধের খবর বাজারে দাম বাড়ানোর কারণ। মজুতদার এবং কৃষকদের মধ্যে দাম বাড়ার ফলে পাইকারি ও খুচরা বাজারে প্রভাব পড়ছে। এর আগে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছিলেন, চার-পাঁচ দিনের মধ্যে দাম না কমলে সরকার আমদানির অনুমোদন দেবে। তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ‘আমরা বাজারের ওপর তীক্ষè নজর রাখছি। দেশে প্রচুর পেঁয়াজের মজুত রয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন পেঁয়াজ উঠবে, তবে যদি এই সময়ের মধ্যে দাম না কমে, তবে আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেছিলেন, ‘বর্তমানে সরকারের কাছে ২৮০০-এর বেশি আবেদন রয়েছে পেঁয়াজ আমদানির। এর দশ-শতাংশ অনুমোদন হলে দেশে পেঁয়াজের সরবরাহ বেশি হয়ে যাবে, কিন্তু দাম কমে গেলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন, তাই সরকার সতর্কভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।’

  • নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    অক্টোবর মাসে কিছুটা কমে যাওয়ার পর, নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি আবার বেড়ে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর আগে অক্টোবর দেখেছিলাম ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ, আর গত বছরের নভেম্বরের হার ছিল ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) আজ রোববার (৭ নভেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

    বিবিএসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, নভেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত ক্ষেত্রে এই হার হয়েছে ৯ দশমিক ০৮ শতাংশ। অর্থাৎ, দুই মাস ধরেই মূলত খাদ্য সামগ্রীর দাম কিছুটা বাড়ছে।

    গত তিন বছরে দেশে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির সমস্যা চলছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি হার ছিল ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।

    বিবিএস আরও জানিয়েছে, গত নভেম্বরে দেশের গড় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ, যা মূলত মূল্যস্ফীতির তুলনায় কম। এর মানে হচ্ছে, শ্রমিকের মজুরি একটু বেশি বাড়লেও, এই বৃদ্ধি পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি বাজারে মূল্যের বৃদ্ধিতে।

    মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানে এই নয় যে, জিনিসপত্রের দাম পুরোপুরি কমে গেছে। এর মানে হলো এই ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় সাময়িকভাবে কিছু কিছু পণ্যের দাম কিছুটা কমেছে বা উঠানামা করেছে।

    দীর্ঘদিন ধরে, অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে মূল্যস্ফীতির নিয়ন্ত্রণ। নানা নীতিমালা এবং পদক্ষেপের মাধ্যমে এই সমস্যা মোকাবেলা করার চেষ্টা করা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সুদের হার বাড়ানোর পাশাপাশি, বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে শুল্ক-কর কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এর ফলে বাজারে তেল, আলু, পেঁয়াজ, ডিমসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি সহজতর হয় এবং মূল্য স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চালানো হয়।

  • তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৭৩৪ জন

    তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৭৩৪ জন

    দেশের ব্যাংকখাতে কোটিপতি গ্রাহকদের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের শেষে যেখানে মোট কোটিপতি আমানতকারী ছিল ১২১,৩৬২ জন, সেখানে এই সংখ্যা জুনে বেড়ে দাঁড়ায় ১২৬,৫০৬ জন। এরপর সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ৭৩৪ জন নতুন কোটিপতি হিসাব খুলেছেন। এ সময়ে ব্যাংকে মোট অ্যাকাউন্টের সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়ে মোট ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টিতে পৌঁছায়, যা মার্চের তুলনায় ৫৫ লাখের বেশি। এছাড়া, আমানত সক্রিয়ভাবে বেড়েছে, যেখানে জুনে মোট জমার পরিমাণ ছিল ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা, September শেষে তা বৃদ্ধি পেয়ে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকায় পৌঁছায়। ফলে, এই তিন মাসে ব্যাংকে মোট ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা বাড়ে।

    অন্যদিকে, কোটিপতি হিসাবের সংখ্যাও ক্রমশ বেড়েছে। জুনে এই ধরনের অ্যাকাউন্ট ছিল ১২৭,৩৩৬টি, যা সেপ্টেম্বরের মধ্যে বেড়ে ১২৮,৭০৫টিতে পৌঁছায়। অর্থাৎ, তিন মাসে নতুন কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা ৭৩৪টি বৃদ্ধি পায়। আগের বছর মার্চে এই সংখ্যাটা ছিল মাত্র ১২১,৩৬২টি। অল্প সময়ের মধ্যে এই ধরণের অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকিং খাতের এই প্রবণতা পর্যবেক্ষকদের মনোযোগে এসেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কোটিপতি হিসাব মানে ব্যক্তিগত অর্থনীতির অংশ হলেও, এতে অনেক বেসরকারি, সরকারি ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত। এক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান একাধিক হিসাব রাখতে পারে। এছাড়াও, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টগুলোও এই তালিকায় ধরা হয়।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭২ সালে মাত্র ৫ জন কোটিপতি আমানতকারী ছিল। পরে সময়ের সাথে সাথে এই সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। ১৯৭৫ সালে ৪৭ জন, ১৯৮০ সালে ৯৮টি, ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪টি, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭টি, ২০০৮ সালে ১৯ হাজার ১৬৩টি এবং ২০১০ সালের মধ্যে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৪৩ হাজারের বেশি হয়।

    বর্তমানে, সা¤প্রতিক বছরগুলোতেও কোটিপতি আমানতকারীদের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। ২০২০ সালে এই ধরনের অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ৯৩,৮৯০টি, ২০২১ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬টি, ২০২২ সালে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪৬টি, ২০২৩ সালে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮৫টি এবং ২০২৪ সালে তা আরো বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টি। এই বৃদ্ধির ধারায় ব্যাংকিং খাতের এই গুরুত্বপূর্ণ শাখাটি যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়ে চলেছে।

  • নির্বাচনের তপশিল এই সপ্তাহেই ঘোষণা হতে পারে সালাহউদ্দিনের দৃষ্টিতে

    নির্বাচনের তপশিল এই সপ্তাহেই ঘোষণা হতে পারে সালাহউদ্দিনের দৃষ্টিতে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তপশিল ঘোষণার কাজ এই সপ্তাহের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে বলে আশা করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দেশের ইতিহাসে নতুন ও পরিবর্তনশীল এক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—যেটি মানে হবে দেশের গণতন্ত্রের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

    শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ইসলামনগর শহীদ হোছাইন চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সালাহউদ্দিন বলেন, জাতীয় নির্বাচন কেবল বিজয়ীদের নির্ধারণের জন্য নয়, বরং এটি এমন একটি ভোট প্রক্রিয়া হবে যা আন্তর্জাতিক মানে স্বীকৃতি ও প্রশংসা পাথেয় করবে। তিনি যোগ করেন, জনগণ নিজেই তাদের ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে—আর কারো সেখানে হস্তক্ষেপের প্রয়োজন পড়বে না।

    তিনি এও উল্লেখ করেন যে, গত ১৬-১৭ বছর ধরে দেশবাসী আওয়ামী লীগ সরকারের ‘ফ্যাসিবাদী শাসনের’ কারণে নিজেদের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল।

    সালাহউদ্দিনের অভিযোগ, শেখ হাসিনা কার্যত একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা কখনোই দেশের মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল ছিলেন না, বরং তিনি চেয়েছেন দেশের সম্পদ লুটপাট ও অন্য দেশগুলোর প্রভাবাধীন করা।

    তার দাবি, জনগণের ‘গণভোটসদৃশ প্রত্যাখ্যানের’ পর নিজেই দেশের বাইরে চলে গেছেন শেখ হাসিনা, যা বোঝায় তিনি জনগণের প্রতিনিধি নন।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদ, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    বিকেলে তিনি ধারাবাহিকভাবে চকরিয়া এলাকার ফাঁসিয়াখালী, কাকারা, লক্ষ্যারচর ও বরইতলী ইউনিয়নে গণসংযোগ ও একাধিক পথসভা করবেন।

  • ফ্যাসিজমের কালো ছায়া এখনও কাটেনি: ডা. শফিক

    ফ্যাসিজমের কালো ছায়া এখনও কাটেনি: ডা. শফিক

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিস্টরা দেশ থেকে পালালেও ফ্যাসিজমের কালো ছায়া এখনও কাটেনি। তিনি বলেন, কিছু অপকর্মের জন্য যেমন একদল অপলোক করছে, অন্যরা সেই দায় নিয়ে নানা অপরাধে লিপ্ত থাকছে। একদিকে চাঁদাবাজি করে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে একই কাজ আরও বেশি শক্তি ও দম্ভের সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে সিলেটের আলিয়া মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত ইসলামী ও সমমনা আট দলের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান lament করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে দেশের সম্পদ যথেষ্ট ছিল, কিন্তু স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের মানুষ সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি। কারণ, বর্গীরা চলে যাবার সময় দেশের ভিতরে ক্ষত সৃষ্টি করে গেছে। দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে বাইরে পাচার করেছে, দেশের প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে ‘বেগম পাড়া’ গড়ে তুলেছে।

    তিনি আরও বলেন, কিছু মানুষ পালানোর জন্য খালে ও বিলে আশ্রয় নিয়েছে, আবার কেউ কেউ কলাপাতা দিয়ে ধরা পড়েছে। এভাবেই অপকর্মের দায়ে ফ্যাসিস্টরা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গেছে। কিন্তু ফ্যাসিজমের ছায়া এখনও দেশের ওপর বিদ্যমান। একদল দখলদার হয়ে জনগণের ঘৃণা কুড়িয়েছে, অন্য দল তখনো দখল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের, আলেম-ওলামাদের জেল, নির্যাতন, ফাঁসির চক্রে ঢোকানো এবং দেশ থেকে বিতাড়নের প্রবণতা এখনও অব্যাহত।

    জামায়াতের আমির সতর্ক করে বলেন, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে নির্বাচনকে মাস্তুলে ফেলার কালো সূর্য ডুবে গেছে। এই সূর্য আর বাংলাদেশে উঠবে না। নতুন সূর্য উদয় হবে, তারআলোয় দেশ এগিয়ে যাবে।

    তিনি বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, জনগণ তাদেরকে আগামী নির্বাচনে লাল কার্ড দেখানোর প্রস্তুতি নিয়ে আছে। যদি কেউ এই নির্বাচনের পরিবেশ ভেঙে ভণ্ডুলের চেষ্টা করে, তবে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বলছি, দেশের সংগ্রামী জনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র সবই ভণ্ডুল করে দেওয়া হবে।

    তিনি যোগ করেন, তাঁরা কোনো সংস্কার মানতে রাজি নয়, সনদ বাস্তবায়নে অস্বীকৃতি জানায় এবং গণভোটের জন্য প্রথমে দ্বিধায় ছিল। তবে এখন তারা বুঝতে পেরেছে, এই নির্বাচনই একমাত্র পথ। কিছু শরিক দল এখন নির্বাচনের দাউদাউ আগুনের মতো অবস্থান থেকে ভিন্ন সুরে কথা বলছে, যা ইতিবাচক লক্ষণ। তারা বুঝতে পেরেছে, জনগণ তাদের প্রতারণা চেনে এবং অচিরেই সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়।

    জোটের বাইরে থাকা ইসলামি দলকে তিনি অনুরোধ করেন, সকল বিভ্রান্তি কেটে নিজের আঙিনায় ফিরে আসার। বলেন, এখন যেখানে আছেন, 그것াও আপনারা নয়। যারা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে না, তাদের জন্য এটা উপযুক্ত স্থান নয়। সবাই নিজ ঘরে ফিরে যান, আমরা আপনাদের আন্তরিক歓迎 ও শুভেচ্ছা জানাবো।

    সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম, পীর সাহেব চরমোনাই, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা মামুনুল হক, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি–জাগপার কেন্দ্রীয় সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁনসহ অন্যান্য নেতারা।

  • ফখরুলের মত, ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করতে চায় কি দলের কেউ?

    ফখরুলের মত, ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করতে চায় কি দলের কেউ?

    বাংলাদেশে বড় ধরনের বিভাজনের পথ তৈরি করার চেষ্টার অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠী বা মহল ধর্মের নাম করে দেশের মধ্যে বিভাজন তৈরি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। রোববার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর খামারবাড়িতে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ এক কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    ফখরুল অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ দুঃশাসন ও বর্বর আচরণের মাধ্যমে দেশের সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে নতুন করে সব প্রতিষ্ঠানকে গঠন ও পুনর্বহাল করতে জরুরি হয়ে পড়েছে।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ সব সময় ধর্মভীরু। আমরা অবশ্যই ধর্মকে মানি, কিন্তু ধর্মের নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা আমাদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি ছিল সবার জন্য স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

    বিএনপিকে এগিয়ে নিতে বাধা দেয়ার অপপ্রয়াসের বিরুদ্ধে তিনি দৃঢ়ভাবে বলছেন, সব অপপ্রয়াস পরাজিত করে আমাদের দল ও দেশের জন্য কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

    তরুণ সমাজের মনোভাব পরিবর্তনের বিষয়ে ফখরুল মন্তব্য করেন, সবাই পরিবর্তন চায়। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন এখন অনেকের মধ্যে। পুরনো রাষ্ট্রীয় কাঠামো আর টেকসই নয়, তাই আমাদের ভাবনায় পরিবর্তন আনা আবশ্যক। তিনি নিজ দলকে নতুন চিন্তাধারায় গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    ছাত্রদলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচিকে গ্রাম ও শহরে ব্যাপকভাবে পৌঁছে দিতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র দলের সংগঠন আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। উল্লেখ করেন, শিক্ষাখাতে তাদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি দরকার, যাতে বিগত নির্বাচনে ফলপ্রসূ ফল পাওয়া যায়।

    খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। বলেন, তার চিকিৎসার জন্য সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তারেক রহমান নিজে তার চিকিৎসা তদারকি করছেন। দেশের ও দেশের বাইরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা তার যত্ন নেওয়া হচ্ছে। ওইসব দোয়া ও প্রার্থনার মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তা যেন তার সুস্থতা কামনা করেন, সেটাই প্রত্যাশা বিএনপির।

  • ২০ দল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ

    ২০ দল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ

    আজ ৮ ডিসেম্বর, সোমবার, রাজধানীর গুলশানে ইমানুয়েল পার্টি সেন্টারে সম্পন্ন হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘোষণা। সেখানে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (জাপা) ও জাতীয় পার্টি (জেপি) একত্রিত হয়ে নতুন একটি জোট, called জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ), এর আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করেছেন। এই নতুন জোটে আরও বেশ কিছু রাজনৈতিক দল যুক্ত হয়েছে, যেমন: জনতা পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জাতীয় ইসলামিক মহাজোট, জাতীয় সংস্কার জোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, স্বাধীন পার্টি, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি, বাংলাদেশ সর্বজনীন দল, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি, অ্যাপ্লায়েড ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং বাংলাদেশ জাতীয় লীগ।

  • খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যানের তথ্য ‘অনুমান ভিত্তিক’: বিএনপি মিডিয়া সেল

    খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যানের তথ্য ‘অনুমান ভিত্তিক’: বিএনপি মিডিয়া সেল

    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা হিসেবে সিটিস্ক্যান করানো হয়েছে—এমন খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। তবে বিএনপি মিডিয়া সেল এ ধরনের খবর প্রকাশের ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে। রোববার বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, চিকিৎসা সম্পর্কিত কোনো খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা থাকা জরুরি।

    তিনি আরও বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার চিকিৎসক বোর্ডের প্রধান ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন বহুবার গণমাধ্যমকে অনুরোধ করেছেন, অনুমান বা অসতর্ক তথ্যের ভিত্তিতে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিষয়ে সংবাদ না করার জন্য। কারণ, এমন খবর বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে অপ্র_REQUIRED অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে।

    শায়রুল কবির খান আরও যোগ করেছেন, মেডিকেল বোর্ডের সরকারি সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ছাড়া এ ধরনের তথ্য প্রচার বা প্রকাশ করা ঠিক হবে না। তিনি সকল সংবাদকর্মী এবং গণমাধ্যমকে পরামর্শ দিয়েছেন, নিশ্চিত ও যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে খবর প্রকাশ করতে। এটি মাধ্যমে বিভ্রান্তি কমবে এবং সত্যতা নিশ্চিত হবে।