Month: December 2025

  • বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল

    বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল

    বিজয় দিবসের স্মরণে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মানুষের আগমন ছিল ব্যাপক ও উল্লাসপূর্ণ। আজ দেশের জন্য আত্মোৎসर्गকারী বীর শহীদদের স্মরণে সর্বস্তরের জনগণ ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকাল থেকেই কাকচক্ষা, ফুলেল আনুষ্ঠানিকতা ও দেশপ্রেমের উচ্ছ্বাসে মুখরিত হয়ে উঠে এই মহান স্মৃতিসৌধের পরিবেশ।

    মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রথমে স্বশরীরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর থেকে সাধারণ জনগণের জন্য স্মৃতিসৌধের দ্বার উন্মুক্ত করা হয়, যেখানে হাজারো মানুষ অংশ নিয়েছেন।

    প্রায় এক মাস ধরে প্রস্তুতির পর, রেওয়াজ অনুসারে, গত চার দিন স্মৃতিসৌধে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও আজ সব বাধা দূরে সরিয়ে বহু দর্শনার্থী এসে ফুল দিয়ে বীর শহীদদের স্মৃতি স্মরণ করেন। ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, শিশু-কিশোর, বয়োবৃদ্ধসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ দেশপ্রেমের ধারায় এসেছেন।

    সকাল ৬টা ৩৩ মিনিটে রাষ্ট্রপতি প্রথম প্রহরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির বীর শহীদদের স্মৃতিতে সম্মান জানান। এরপর সকাল ৬টা ৫৭ মিনিটে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান উপদেষ্টা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি কিছুক্ষণ নিরবতা পালন করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতিতে সম্মান জানান।

    এসময় সেনা, নৌ, ও বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ দল রাষ্ট্রীয় সালাম দেয়। বিউগলের করুণ সুরে মন ভিজে যায় শ্রদ্ধা জানানো মানুষের মনে। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান উপদেষ্টা স্মৃতিসৌধে থাকা দর্শনার্থী বইতে স্বাক্ষর করেন।

    ওই সময় আন্তঃবাহিনী প্রধান, বিচারপতি, কূটনীতিক, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতি অম্লান রাখতে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে আজ বিজয় দিবস পালন করছে দেশ। সরকার, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই মহান দিনে দেশের স্বাধীনতা ও স্বপ্নের সূর্যস্তরকে স্মরণ করছে।

  • ৫৪ জন প্যারাট্রুপার একসঙ্গে পতাকা হাতে বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন

    ৫৪ জন প্যারাট্রুপার একসঙ্গে পতাকা হাতে বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন

    মহান বিজয় দিবসের ৫৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘টিম বাংলাদেশ’ এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার একসঙ্গে আকাশে অবতরণ করে জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করেন। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে তারা বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন, যা বিশ্বের সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করার রেকর্ড।

  • সিঙ্গাপুরে ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থার উন্নতি

    সিঙ্গাপুরে ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থার উন্নতি

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তিনি বর্তমানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার বড় ভাই ওমর ফারুক এ খবর জানান।

    আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে, সিঙ্গাপুর থেকে ওমর ফারুক বলেছেন, চিকিৎসকরা তাকে জানিয়েছেন যে হাদির শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দন এখন স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। আগের তুলনায় তার হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতাও বেড়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, তার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল।

    সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরে নেওয়ার সময় ওসমান হাদির শ্বাস-প্রশ্বাস ও হার্টবিট বেড়ে যাওয়ায় তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। পরে দ্রুত তাকে বিমানবন্দর থেকে অতি দ্রুত সিঙ্গাপুরের জেনারাল হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু করা হয়।

    ওমর ফারুক জানান, চিকিৎসকরা তার শরীরে স্যালাইন দিয়ে বেশ কিছু ওষুধ পুশ করেন এবং দুই ঘণ্টার জন্য তার পর্যবেক্ষণ শুরু করেন। এরপর ধীরে ধীরে হাদির শারীরিক অবস্থার উন্নতি দেখা যায়। তার শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রিত হতে শুরু করে এবং হার্টবিট স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে, পাশাপাশি হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতাও বাড়তে শুরু করে।

    তিনি আরও বলেন, যখন ওসমান হাদির অবস্থা স্থিতিশীল হয়, তখন medical পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এই পরীক্ষা-নিরীক্ষাগুলো রাতের মধ্যে (গত রাত বাংলাদেশ সময় প্রায় রাত ২টার মধ্যে) সম্পন্ন করা হয়েছে। তাকে বিশেষায়িত আইসিইউতেই রাখা হয়েছে। আজ রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত চিকিৎসকরা তার ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালাবেন।

    এর আগে, বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে, ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

  • ১৬ ডিসেম্বরের প্রতিশ্রুতির পরই জুলাই গণঅভ্যুত্থান: আসিফ নজরুল

    ১৬ ডিসেম্বরের প্রতিশ্রুতির পরই জুলাই গণঅভ্যুত্থান: আসিফ নজরুল

    আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, ১৬ ডিসেম্বরের প্রতিশ্রুতি ছিল আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই প্রত্যয় থেকেই আমরা ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশকে পুনর্গঠনের জন্য একটি নতুন সুযোগ তৈরি করতে পেরেছি। আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর), বিজয় দিবসের সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় উদ্যাপন শেষে আসিফ নজরুল এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৬ ডিসেম্বর আমাদের জন্য একেবারে আলাদা একটি দিন, দেশপ্রেমিক জাতির জন্য বড় একটি গর্বের ক্ষণ। এই দিনে দেশের মানুষের মনোযোগ স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে উঠে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথা, দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান ও দেশের পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতির প্রতি। আসিফ নজরুল আরও বলেন, যেখানে আমি থাকি, সেখানে এসে মনে হয় দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করতে। শহিদ মুক্তিযোদ্ধারা, আহত মুক্তিযোদ্ধারা, যারা নানা আত্মত্যাগের মাধ্যমে এই বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন, তাদের প্রতি এই দিনটি বিশেষ গুরুত্ব রাখে। এই অনুভূতি সব সময় মনকে স্পর্শ করে, দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় মন ভরে ওঠে।

  • রিজওয়ানা হাসানের মন্তব্য: স্বাধীনতার পর থেকেই গড়ে তোলার প্রত্যাশা ছিল গণতান্ত্রিক সমাজের

    রিজওয়ানা হাসানের মন্তব্য: স্বাধীনতার পর থেকেই গড়ে তোলার প্রত্যাশা ছিল গণতান্ত্রিক সমাজের

    স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক, শোষণমুক্ত এবং বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ছিল বলে উল্লেখ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীত্ব এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় দিবসের স্মরণসভায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া বীর সন্তানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    রিজওয়ানা হাসান বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে দেশের সাধারণ মানুষ অবচেতনভাবে প্রত্যাশা করতেন একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কালের স্বর্ণযুগের সেই আশা পূরণ হয়নি, যা একটি বড় ব্যর্থতা। এই ব্যর্থতার জন্যই দেশে গণঅভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে এক নতুন দিকনির্দেশনা গ্রহণের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, এখন বাংলাদেশ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে পুরোনো শাসনব্যবস্থাকে পেছনে ফেলে নতুনভাবে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাওয়া জরুরি। আসন্ন ফেব্রুয়ারি মাসে রাষ্ট্রের নির্বাচন ও গণভোটের মধ্য দিয়ে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক অগ্রগতি শুরু হবে সেই আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

    রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিষয়ে রিজওয়ানা হাসান বলেন, শক্তির ওপর ভর করে প্রবঞ্চনা বা দমন করার প্রথা দীর্ঘদিনের। তবে নতুন বাংলাদেশে এমন কোনো সংস্কৃতি স্থান পাবে না যেখানে জনগণের মুখোমুখি হতে হয়। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ক্ষমতা প্রদর্শনের প্রধান মাধ্যম হবে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ।

    দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সংক্রান্ত প্রশ্নে তিনি জানান, সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত, তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষের সংগঠিত ও গোপন আঘাত মোকাবিলায় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে।

    সরকারের অর্জন ও ব্যর্থতা নিয়ে তিনি বলেন, দেশের বর্তমান অবস্থা ছিল ভেঙে পড়া এবং অকার্যকর। সেই অস্থির অবস্থা থেকে দেশকে আবার কার্যকর পথে ফিরিয়ে আনাই ছিল মূল লক্ষ্য। সুষ্ঠু নির্বাচন, বিচার ব্যবস্থা সংস্কার ও কাঠামো উন্নয়ন—এই তিনটি লক্ষ্য সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে সরকার সফল হিসেবে বিবেচিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    আরও বলেন, সরকারের মূল প্রচেষ্টা হলো এমন একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা যেখানে সাধারণ জনগণ তাদের ভোটাধিকার স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রয়োগ করতে পারবেন। তবে এই প্রক্রিয়া বিঘ্নিত করতে কিছু গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে, যাদের প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

  • শাকিবের ‘পাইলট’ লুকে নেট মাধ্যমে শোরগোল

    শাকিবের ‘পাইলট’ লুকে নেট মাধ্যমে শোরগোল

    মেগাস্টার শাকিব খান বর্তমানে ঢালিউডের সবচেয়ে আলোচিত তারকা। তার প্রতিটি নতুন ছবি, লুক বা পোশাক সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়, যা তাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলছে। নতুন সিনেমা বা বিজ্ঞাপনের জন্য তার এই অ্যাকশন যেন অবিরাম চলমান।

    সম্প্রতি, শাকিব খান একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশ নিয়েছেন, যা প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সেই বিজ্ঞাপনটির জন্য তোলা তার পাইলটের লুকের কিছু ছবি তিনি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন। এই ছবিগুলোতে দেখা যায়, তিনি একটি নেভি ব্লু ক্যাপ্টেন ইউনিফর্ম পরে গম্ভীর, পরিশ্রমী ও আত্মবিশ্বাসে ভরে গেছে। ডালা চোখে সানগ্লাস আর পরিচ্ছন্ন গোঁফে তিনি যেন এক নতুন শাকিব খান, যা নিঃসন্দেহে ভক্তদের মুগ্ধ করে তুলেছে। ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আকাশটা সীমা নয়, এটি শুরু করার স্থান!’

    এই ছবি প্রকাশের কিছু ঘণ্টার মধ্যেই তা ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। ভক্তরা বিভিন্ন মন্তব্যে তাকে প্রশংসা করছেন, বিশেষ করে কেউ লিখেছেন, “এটাই আমাদের ক্যাপ্টেন শাকিব!” ও অন্য একজন বলছেন, “চলচ্চিত্রের প্রকৃত পাইলট।”

    কিন্তু কিছু নেটিজেন দাবি করেছেন যে এই ছবি সম্ভবত আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) দ্বারা তৈরি, যদিও মেটা এআই বা চ্যাটজিপিটি এই ছবিগুলিকে এআই-জেনারেটেড বলে নিশ্চিত করেনি।

    অতীতে এমনকি শাকিবের আসন্ন সিনেমা ‘সোলজার’ নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। এটি সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স প্রযোজিত, যেখানে তাকে একজন দেশপ্রেমিক চরিত্রে দেখা যাবে। ছবির গল্পে তিনি একাই লড়াই করবেন দুর্নীতি, সিন্ডিকেট এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে, যা দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণীয়।

  • শুটিং শেষে চেনা যাচ্ছে না সালমান খান, দর্শকদের বিস্ময়

    শুটিং শেষে চেনা যাচ্ছে না সালমান খান, দর্শকদের বিস্ময়

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খান তার অনন্য লুকের জন্য সবসময় আলোচনায় থাকেন। সম্প্রতি মুম্বাই বিমানবন্দরে তার দেখায় ভক্তরা ব্যাপক চমকিত হয়েছেন। দীর্ঘদিন গোঁফ রেখে অন্যরকম লুকের মাধ্যমে জনসম্মুখে আসার পর, তিনি এবার সম্পূর্ণ স্পষ্ট ও ক্লিন শেভড চেহারায় উপস্থিত হয়েছেন। এই পরিবর্তনে অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছে, কি কারণে এই বদল।

    খোঁজ নেওয়া গেছে, সালমান খান তার আসন্ন সিনেমা ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’-এর শুটিং শেষ করে ফিরে এসেছেন। এই সিনেমার চরিত্রের আখ্যান ও প্রয়োজন অনুযায়ী তার দীর্ঘদিন ধরে গোঁফে থাকতেন তিনি। তবে লাদাখের কঠিন আবহাওয়ায় শুটিং শেষে, তিনি তার চেহারায় পরিবর্তন এনেছেন। বিমানবন্দরে যেহেতু তাকে কালো টি-শার্ট, ডেনিম জিনস ও জ্যাকেট পরে দেখা গেছে, তবে দর্শকদের চোখ কেড়ে নিয়েছিল তার মসৃণ ও পরিষ্কার শেভড মুখাবয়ব।

    ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ শুটিং হয়েছিল লাদাখের চরম পরিবেশে, যেখানে তুষারপাত, কঠিন ঠান্ডা ও অক্সিজেনের অভাব ছিল। এই কঠিন পরিস্থিতির মাঝেও, সালমানের এই লুক পরিবর্তন অনেকের কাছে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চিহ্ন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণত তার গোঁফ ও এক ধরণের গillian লুকের জন্য পরিচিত দর্শকদের জন্য এটি ছিল এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।

    একজন ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছেন, দীর্ঘ শুটিংয়ের পর সালমান নিজে কিছুটা বিশ্রামের পরিকল্পনা করেছেন। এর পর তিনি আবার মুম্বাইয়ে ফিরে আসবেন এবং পরবর্তী কাজে মনোযোগ দেবেন। 60-এর কাছাকাছি হলেও এই পরিবর্তনপ্রিয় লুক প্রমাণ করে যে, সালমানের গ্ল্যামার এবং জীবনশৈলী এখনও অটুট। তার এই নতুন চেহারার ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই কুন্ডল ভক্তরা ব্যাপক প্রশংসা ও শুভকামনা জানিয়েছেন।

    বর্তমানে তার পরবর্তী প্রকল্পের জন্য সকলের আগ্রহ অনেক 높ছে। ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, আর সালমানের নতুন এই লুকের খবরে তারা উৎসাহিত হচ্ছেন।

  • ইডেনের ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের ছয় মাস পরে নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনয়ন

    ইডেনের ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের ছয় মাস পরে নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনয়ন

    বাসায় অবরুদ্ধ করে ইডেন কলেজের এক ছাত্রীর সঙ্গে দুষ্কর্মের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর-gকর্তৃপক্ষ গায়ক নোবেলের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেছেন। ২৯ নভেম্বর ডেমরা থানার উপপরিদর্শক এসআই মুরাদ হোসেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেন।

    নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিভাগে কর্মরত উপপরিদর্শক ইলামনি আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) জানান, এই বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর আদালত এই অভিযোগ পত্রের শুনানি করবে, যা পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচার করতে পাঠানো হবে।

    নোবেলের আইনজীবী মোসতাক আহমেদ প্রকাশ করেন, এই মামলার বাদীকে তিনি বিয়ে করেছেন। তাদের সংসার নিয়মিত চলছে।

    ২০২৩ সালের ১৯ মে ইডেন কলেজের ওই ছাত্রী নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার হওয়ার পর আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার শর্তে বিয়ে করেন নোবেল। ১৯ জুন ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে ১০ লাখ টাকার দেনমোহরে তিনি আবারও ওই ছাত্রীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

    মামলা থেকে জানা যায়, নোবেল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ছাত্রীর সঙ্গে পরিচিত হন। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে নভেম্বর ১২, ২০২৪ তারিখে নোবেল তার স্টুডিও দেখানোর কথা বলে ওই ছাত্রীকে ডেমরার বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে আটকে রাখেন, মোবাইল ফোন ও অর্থ ছিনিয়ে নেন, এবং ধর্ষণ করেন। সেই সঙ্গে ভিডিও ধারণ করেন। যদি তার অনুঅযোগী না হন, তাহলে এই ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়।

    অভিযোগে আরও জানা গেছে, ওই তরুণীকে ছয় মাস ধরে ডেমরার সেই বাসায় আটকে রাখা হয়, প্রায়ই মারধর করা হয়। নোবেল দু-জনের সহায়তায় তাকে চুল ধরে টেনে একটি কক্ষে আটকে রাখতেন। ঘটনা ভিডিও করলে পরিবারের লোকজন শনাক্ত করতে পারেন, এই ভয়ে পরিবারের সহায়তায় ওই তরুণী ১৯ মে উদ্ধার করেন এবং পুলিশ নোবেলকে গ্রেপ্তার করে।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, নোবেল তাকে আটক করে ধর্ষণ করেন এবং সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। বাসার বাইরে থাকলে এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নানা সময় তাকে মারধরও করেন।

    প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। বর্তমানে নোবেল জামিনে থাকলেও, তদন্ত চলমান রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বাদীকে মারধর ও ধর্ষণে অন্য কেউ সহযোগিতা করেছেন, তবে তাদের নাম-ঠিকানা এখনও জানানো যায়নি। শীঘ্রই এ বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করে সম্পূরক অভিযোগ দাখিল করা হবে।

    অর্থাৎ, এখন কী হবে? নোবেলের আইনজীবী বলছেন, তিনি ইতোমধ্যে বাদীকে বিয়ে করেছেন এবং সংসার চালাচ্ছেন, তাই এই মামলার ফলাফল তার জন্য খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না। আদালত যদি বাদীর আপসনামা গ্রহণ করেন, তাহলে মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে যাবে এবং নোবেল খালাস পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, এই গায়ক ‘সা রে গা মা’ নামের একটি ভারতের সংগীত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন। এর আগে মাদকাসক্ত হয়ে সংগীত ছাড়ার কথা বললেও, দীর্ঘ বিরতির পরে আবার গানের জগতে ফিরে আসেন। এর মধ্যে ওই বছর তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা ও অন্যান্য নানা ঝামেলা দেখা গিয়েছিল। ১৬ মে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ব্যাচ ২০১৬ এর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এক লাখ ৭২ হাজার টাকা অগ্রিম নেওয়ার বরখাস্তের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরে বেশ কয়েকটি মামলায় তিনি জেল খাটেন ও পরে আপসের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পান।

  • হলিউড নির্মাতা রব রেইনারসহ স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউড নির্মাতা রব রেইনারসহ স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউডের জনপ্রিয় নির্মাতা ও অভিনেতা রব রেইনার (৭৮) ও তার স্ত্রী মিশেল সিঙ্গার রেইনারের (৬৮) মরদেহ লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি বাড়িতে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তাদের মৃতদেহ বাড়ির ভেতরে পাওয়া যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্কাই নিউজের সহকারী প্রতিবেদক এনবিসি নিউজের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে তাদের শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পরিবারের এক সূত্র জানিয়েছে, রব ও তার স্ত্রীর শরীরে ছুরিকাঘাতের ক্ষত ছিল, যা তদন্তের জন্য নতুন করে রহস্য সৃষ্টি করেছে। লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ ডিপার্টমেন্টের একজন কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় ডেকতা ও হত্যার তদন্ত চলছে। পুলিশ এক বিবৃতিতে বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গোয়েন্দা দল কাজ করছে। লস অ্যাঞ্জেলেসে বর্তমানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকলেও পুরো বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শহরটির মেয়র ক্যারেন বাস রব রেইনারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, এটি শহরের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। রব রেইনার হলিউডের একজন কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ‘স্লিপলেস ইন সিয়াটেল’, ‘দ্য উলফ অফ ওয়াল স্ট্রিট’, ‘দিস ইজ স্পাইনাল ট্যাপ’, ‘দ্য প্রিন্সেস ব্রাইড’, ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’, ও ‘এ ফিউ গুড মেন’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয়ের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। রব রেইনার ১৯৮৯ সালে মিশেল সিঙ্গার রেইনারের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ’হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় তাদের পরিচয় ঘটে। এই দম্পতির তিন সন্তান রয়েছে।

  • অভিনব পোশাকে জয়া আহসানের চমকপ্রদ উপস্থিতি

    অভিনব পোশাকে জয়া আহসানের চমকপ্রদ উপস্থিতি

    অভিনেত্রী জয়া আহসান সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন এক צילום শেয়ার করেছেন, যেখানে তাঁর পোশাক এবং চোখের এক অনন্য রূপ দেখতে পাওয়া যায়। ছবিগুলোতে দেখা যায়, তাঁর চোখে সানগ্লাস এবং ঠোঁটে বাঁকা হাসি, যা যেন কোনও বিশেষ বার্তা দিচ্ছে। সেইসঙ্গে তিনি নার্গিসের জনপ্রিয় গান ‘পিরিতের পেট্রোল ঢাইলে আগুন জ্বালাইসে গায় / সোনা বন্ধু কুনজাগায়…’ Toast করে কোনও ভাবনাকে বোঝাতে চাইছেন।

    বুধবার, ১০ ডিসেম্বর রাত ৯টা ১৪ মিনিটে তিনি মোট sixটি নতুন ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। মুহূর্তে সেই ছবি ভাইরাল হয়ে যায়, হাজারো রিয়্যাকশন ও মন্তব্যে ভরে ওঠে সোশ্যাল মিডিয়া। ছবিতে জয়া পরেছেন একটি ব্লাউজ এবং ডেনিম প্যান্ট, যার মধ্যে তাঁর স্টাইল প্রকাশ পাচ্ছে আধুনিক ও ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য।

    আমরা দেখতে পাচ্ছি, লাল রঙের ব্লাউজের সঙ্গে কপালে পরেছেন লাল টিপ, আর মাথায় রয়েছে লাল-সাদা ফুলের খোপা। এটি দেখে মনে হয়, কিছু নতুন ও রোমান্টিক খবর আসতে পারে, যার সূচনা এই ছবির মাধ্যমে। ছবির এই উপস্থিতি বেশ আলোচনা ও সমালোচনার মধ্যেও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে, যা দেখার মতোই।