Month: November 2025

  • নিজের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে মুখ খুললেন জ্যোতি

    নিজের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে মুখ খুললেন জ্যোতি

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়িকা নিগার সুলতানা জ্যোতির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন পেসার জাহানারা আলম। তবে বিসিবি ওই অভিযোগগুলোকে অস্বাভাবিক ও ভিত্তিহীন বলে বিবৃতি দেওয়া হয়। এবার নিজেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন জ্যোতি। তিনি অভিযোগগুলো অ্যাভোড করে সরাসরি উষ্ণ বাক্যে পাল্টা আঘাত করেছেন।

    অভিযোগের তালিকায় ছিল সিনিয়র ক্রিকেটারদের অপমান, জুনিয়র ক্রিকেটারদের গায়ে হাত তোলা এমন গুরুতর বিষয়গুলো। জ্যোতি এখন পরিষ্কারভাবে এসব বিষয়ে নিজের মনোভাব প্রকাশ করেছেন। নিজের ফেসবুক পাতায় তিনি কোনও ব্যক্তির নাম না উল্লেখ করে লিখেছেন, “কিছু বলছি না মানে এই না আমি বলতে পারি না, আবার বলার কিছু নেই—এমন!” তিনি আরও জোর দিয়ে বলেছেন, দেশের এই দলটা আমাদের সবার। আমাদের দলের সফলতা যখন খুব ভালো চলছিল, তখনই কিছু নেগেটিভ মন্তব্য, ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা, ক্ষোভ ও আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার হচ্ছে!

    তিনি বলেন, দলের বাইরে থাকায় কেউ কেউ বিষোদগার করছে, যা সত্যিই অবাক করার মতো। তিনি বলেন, যারা এই ধরনের মন্তব্য করছেন, তারা এক সময় দলের ভালোবাসায় থাকতেন, দলটাকে অনেক কিছু দিয়েছেন। অনেক ওঠানামা দেখেছেন, অনেক অর্জন ও ব্যর্থতা সম্মিলিত। কিন্তু যখন কেউ দল থেকে বাদ পড়ে বা ফর্মে থাকেন না, তখন তারা অপ্রিয় হয়ে যায়, এবং সেই দলে থাকা মানুষ, পরিবেশ সবকিছুই খারাপ লাগতে শুরু করে।

    জ্যোতি এই সময়ে পাশে থাকা সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তাদের প্রতি আস্থা এবং শ্রদ্ধা থেকেই এই দল গড়ে উঠেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, গুজব ও অপপ্রচারে সাময়িক আলোচনার জন্য কিছু হলেও ফলাফল হবে না।

    এর আগে বিসিবি এক বিবৃতিতে জানায়, বর্তমান জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক, খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া ও অসত্য। বোর্ড এ ধরনের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে, বিশেষ করে এমন সময়ে যখন বাংলাদেশ নারীর দল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং একতা দেখিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপ শেষে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল দেশে ফিরেছে। দলটি এই আসরে বিশেষ পারফরম্যান্স করতে পারেনি। ৭ ম্যাচ খেলেও কেবল একটিতে জয় পেয়েছে। টুর্নামেন্টের শেষে তারা আট দলের মধ্যে সপ্তম স্থানে থেকে প্রত্যাবর্তন করেছে।

  • বিসিবি স্বীকার করলো কোচ সালাউদ্দিনের পদত্যাগ

    বিসিবি স্বীকার করলো কোচ সালাউদ্দিনের পদত্যাগ

    ক্রিকেট কাণ্ডপ্রাঙ্গণে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের পদত্যাগের ব্যাপার। বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষের সাথে সাথে তিনি দায়িত্বে থাকছেন না। বিসিবির একটি সূত্র জানান, তারা তাকে সরিয়ে রাখার জন্য চেষ্টা চালিয়েছে, তবে কিছু সময় পরই বোর্ড নিশ্চিত করে যে সালাউদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে।

    আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করে। এই মাসের মধ্যে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ মাঠে নামবে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য, এবং এই সিরিজের পরই শেষ হবে সালাউদ্দিনের কোচিং অধ্যায়। তিনি গত নভেম্বর মাসে দ্বিতীয় বার বাংলাদেশের সহকারী কোচ হিসেবে যোগদান করেছিলেন, এই দায়িত্বে তিনি প্রথমবারের মতো ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সহকারী ও ফিল্ডিং কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরে ২০১০-১১ সালে তিনি বিসিবির ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমির বিশেষজ্ঞ কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন।

    বিসিবি সূত্র জানায়, ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির সভাপতি নাজমুল আবেদীন ফাহিমের ভাষায়, ‘আয়ারল্যান্ড সিরিজের পর তিনি পদত্যাগ করতে চান বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা অভ্যন্তরীণ আলোচনা করছি।’ এটি নিশ্চিত করে বোর্ডের নির্বাহী সদস্যরা।

    প্রথমবারের মতো ২০০৬ সালে বাংলাদেশ দলের সহকারী ও ফিল্ডিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর, ২০১০-১১ সালে আবারো দায়িত্ব পালন করেন সালাউদ্দিন। তার অধীনে অনেক সময় দলের ব্যাটিংয়ের পারফরম্যান্স প্রত্যাশিত মানের ছিল না। সাম্প্রতিক সিরিজে তার শুরুর সময়ের তুলনায় দলের ব্যাটিং অত্যন্ত অনিয়মিত।

    সোমবার বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে জানানো হয়, আয়ারল্যান্ড সিরিজের জন্য ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলকে। এই সময়ে সালাউদ্দিনের সঙ্গে বোর্ডের চুক্তির মেয়াদ ছিল ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত, তবে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

  • দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগ ২০২৪-২৫-এর উদ্বোধনী দিনে বর্ণমালা স্পোর্টিং ক্লাব জয়ী

    দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগ ২০২৪-২৫-এর উদ্বোধনী দিনে বর্ণমালা স্পোর্টিং ক্লাব জয়ী

    খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগ ২০২৪-২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বুধবার সকাল ৯টার দিকে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার জেলা প্রশাসক ও ক্রীড়া সংস্থার আহবায়ক জনাব মোঃ তৌফিকুর রহমান, যিনি লীগের উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেন এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক মোঃ জুলফিকার আলী খান। এছাড়া অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাস, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা ও ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ আলীমুজ্জামান, সদস্যরা মোল্লা খায়রুল ইসলাম, শাহ্ আসিফ হোসেন রিংকু, মোঃ সাইফুল ইসলাম, শাহনাজ খাতুন, বিসিবি প্রশিক্ষক সামছুল আলম রনি, বিভিন্ন দলের কর্মকর্তা ও অংশগ্রহণকারীরা। সভার সভাপতিত্ব করেন ২য় বিভাগ ক্রিকেট লীগ পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান এস এম জাকির হোসেন এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মোঃ আজিজুর রহমান জুয়েল।

    উদ্বোধনী ম্যাচে খুলনা স্টেডিয়ামে বর্ণমালা স্পোর্টিং ক্লাব প্রথমে ব্যাট করে ৪৭ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ২২৮ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ইয়ং বয়েজ ক্লাব ২১ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৭৩ রান করে। বর্ণমালা স্পোর্টিং ক্লাবের সাকিব হোসেন অপরাজিত ৫৭ রান ও ফয়সাল জাহান ৪১ রান করেন। অন্যদিকে, ইয়ং বয়েজের আল মামুন ২৪ রানে ২ উইকেট নেয়। খেলায় সর্বোচ্চ ১৫ রান করেন আল মামুন, শুরু থেকে দুর্দান্ত দক্ষতায় ৪ উইকেট লাভ করেন বর্ণমালা স্পোর্টিং ক্লাবের আবু রায়হান, যিনি ২০ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন।

    আজকের খেলা হচ্ছে ২৯নং ওয়ার্ড ক্রীড়া চক্র বনাম খুলনা রয়েল বেঙ্গল দলের মধ্যে। খেলাটি যথাযথভাবে অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশ ও ক্রীড়া অনুরাগীদের জন্য এই প্রতিযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উত্তেজনাপূর্ণ আসরে রূপ নিয়েছে।

  • দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটে খুলনা রয়েল বেঙ্গলের জয়

    দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটে খুলনা রয়েল বেঙ্গলের জয়

    খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগে দুর্দান্ত এক জয় অর্জন করেছে খুলনা রয়েল বেঙ্গল। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই খেলায় তারা ৬ উইকেটে ২৯ নম্বর ওয়ার্ড ক্রীড়া চক্রকে হারায়। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২৯ নম্বর ওয়ার্ড ক্রীড়া চক্র নির্ধারিত ২০ ওভারে সব wickets হারিয়ে মাত্র ৫৮ রান সংগ্রহ করে। পাল্টা আক্রমণে খুলনা রয়েল বেঙ্গল ১৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৫৯ রানের লক্ষ্য সফলভাবে অর্জন করে। এই জয়ে দলের খেলোয়াড় হাফিজ ৭ রানে ৩ উইকেট সংগ্রহ করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, আর নাহিয়া অপরাজিত থেকেও সর্বোচ্চ ২৯ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। আগামীকাল শুক্রবার নতুন ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে নিউ ইয়ং মুসলিম স্পোর্টিং ক্লাবের বিরুদ্ধে, যা রঘুনাথপুর রয়েল এ্যাশ ক্রিকেট একাডেমির সঙ্গে হবে।

  • পাওয়েল-শেফার্ডের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    পাওয়েল-শেফার্ডের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সহজ জয়ের পথে ছিল নিউজিল্যান্ড। শুরুতে, তারা ২০৮ রানের বড় লক্ষ্য নিয়েছিল। ১৩তম ওভারে যখন রোস্টন চেজকে ফেরান মিচেল স্যান্টনার, তখন স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ৯৩ রান, যা সহজ জয়ের প্রত্যাশা তৈরি করেছিল। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় পাওয়েল ও শেফার্ডের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে। তারা সপ্তম উইকেটে যোগ করেন ৬২ রান। শেফার্ড ১৬ বলে ৩৪ রান করে আউট হলে, ম্যাথু ফোর্ড পুঁজি বাড়াতে শুরু করেন। শেষ ওভারে উইন্ডিজের দরকার ছিল মাত্র ১৬ রান। এই সময়ের মধ্যে পাওয়েল ষোলো বলে ৪৫ রান করে দারুণ এক ইনিংস খেলেন। প্রথম তিন বলে দুটো চার মেরে পরিস্থিতি আবার চাপের বাইরে নিয়ে যান ফোর্ড। তবে চতুর্থ বলেই পাওয়েলকে ফিরিয়ে স্বস্তিতে ফেরান স্পিনার শর্ট। এর পরে, ক্যারিবিয়ানের জয় নিশ্চিত করে কাইল জেমিসন দুটি রান দিয়ে শেষ করেন। ফোর্ড ইনিংস খেলেন ১৩ বলে ২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। এর আগে, আলিক অ্যাথানেজ ৩৩ রান করেন। ক্যারিবিয়ানের দল ৮ উইকেটে ২০৪ রানে থামে। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে তারা প্রথমে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে। তবে ইয়্যাশ পাওয়েল ঝড়ো batting করে দলের স্কোর টেনে তুলেন। তিনি ১৬ বলের ব্যবধানে ৪৫ রান করেন, যেখানে ১টি চার ও ছয় ছয়ে তিনি দারুণভাবে ব্যাটিং করেন। শেষ দিকে ড্যারিল মিচেল ১৪ বলে ২৮ ও স্যান্টনার ৮ বলে ২ ছয়ে ১৮ রান করেন। ফলে স্বাগতিকরা ২০৭ রানে অলআউট হয়ে যায়। ফলে, সিরিজে সমতা ফেরে ১-১ এ। এই ম্যাচে পাওয়েল ও শেফার্ডের অসাধারণ পারফরম্যান্স হুগ করে ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয়।

  • রাহুল গান্ধীর অভিযোগ : হরিয়ানায় প্রতি ৮ জনের মধ্যে ১ জন ভুয়া ভোটার

    রাহুল গান্ধীর অভিযোগ : হরিয়ানায় প্রতি ৮ জনের মধ্যে ১ জন ভুয়া ভোটার

    ভারতের বিহার রাজ্যে প্রথম দফা নির্বাচনের একদিন আগে ভোট চুরির বিষয়ে ফের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস নেতা Rahul Gandhi। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক ভোট চুরি হয়েছে। তার দাবি, হরিয়ানার দুই কোটি ভোটারদের মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ ভোটার ভুয়া, অর্থাৎ প্রতি ৮ জনের মধ্যে একজন জাল বা ভুয়া ভোটার।

    এর আগে বিভিন্ন রাজ্যে ভোটচুরি নিয়ে সরব হয়েছেন রাহুল গান্ধী। এবার তিনি হরিয়ানার ভোট চুরির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরছেন। তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, হরিয়ানার ভোটার তালিকায় ২৫ লাখ ভুয়া ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে তিনি একটি ব্রাজিলিয়ান মহিলার ছবি দেখিয়ে বলেন, ছবিটির নারী একজন ব্রাজিলের মডেল। এই ছবিটি ওই মহিলার অনেক বার ভোটার তালিকায় ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে তার নামকরণ হয়েছে নানা ভিন্ন নামে, যেমন সীমা, সুইটি, সরস্বতী।

    ২০২৪ সালে হরিয়ানায় বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিজেপি দুর্বল কংগ্রেসকে মাত্র ২২ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে ক্ষমতায় আসে। রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, বিজেপি এই নির্বাচনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নষ্ট করার জন্য পরিকল্পিতভাবে ভোট চুরির কৌশল অবলম্বন করেছে এবং নির্বাচন কমিশন এই বিষয়গুলো জানে। তিনি বলেন, হরিয়ানার নির্বাচনে কংগ্রেসের জন্য জয় নিশ্চিত ছিল, বহু বুথফেরত সমীক্ষাও সেই প্রত্যাশাই দেখিয়েছিল। কিন্তু ফলাফলের পর দেখা গেল উল্টো ছবি। তিনি আরও বলেন, হরিয়ানায় পোস্টাল ব্যালটের ফলাফল ঐতিহাসিকভাবেই প্রকৃত ভোটের সঙ্গে মেলে না।

    এদিকে, নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের বিষয়টি অবহিত করে জানায়, যদি ভোটার তালিকায় ভুয়া ভোটার থাকার সন্দেহ থাকে, তবে কেন আগে কেউ অভিযোগ করেননি? নির্বাচন কমিশন আরও জানায়, হরিয়ানার ভোটার তালিকার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দাখিল হয়নি এবং কোনো মামলা ঝুলে আছে কিনা তা পাঞ্জাব ও হরিয়ানার হাই কোর্টে মাত্র ২২টি মামলা চলমান রয়েছে।

  • মামদানি জয় যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি: ট্রাম্প

    মামদানি জয় যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি: ট্রাম্প

    নিউইয়র্কের নতুন মেয়র জোহরান মামদানি বিজয়ীর হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে, এই বিজয়যুক্ত শহরটি এখন থেকে ‘সার্বভৌমত্ব হারিয়ে ফেলেছে’ যুক্তরাষ্ট্রের। ট্রাম্পের মতে, এই পরিবর্তনের কারণে নিউইয়র্ক এখন ‘কমিউনিস্ট শহরে’ রূপান্তরিত হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

    প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, তিনি মামদানির সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয় ইস্যুতে আলোচনা করতে প্রস্তুত। বুধবার (৬ নভেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমরা পরিস্থিতি দেখব,” তবে তিনি জানাননি কিভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, এখন নিউইয়র্ক ‘কমিউনিস্ট শহর’ হয়ে উঠছে।

    মামদানির বিজয়ের একদিন পর মায়ামিতে এক বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, “ফ্লোরিডা খুব শিগগিরই নিউইয়র্কের কমিউনিজম থেকে পালাতে আসা মানুষের জন্য আশ্রয় নিয়ন্ত্র স্থান হয়ে উঠবে।” তিনি আরও বলেন, “আমেরিকার নাগরিকদের জন্য এখন স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়— কমিউনিজম বেছে নেব, না সমঝোতা?” তিনি আবেগপ্রবণভাবে বলেন, “আমরা অর্থনৈতিক দুর্দশা চাই না, বরং অর্থনৈতিক অলৌকিকতা চাই।”

    তবে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, “আমরা চাই না নিউইয়র্ক ব্যর্থ হবে। হয়তো কিছুটা সহায়তা দেওয়া হতে পারে মামদানিকে। ওকে আমরা সামান্য সাহায্য করব।

    প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যের পর তিনি নিজের নির্বাচনী জয়ের এক বছর পূর্তিতে ভাষণে উল্লেখ করেন, “আমরা আমাদের অর্থনীতি উদ্ধার করেছি, স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি, এবং সেই মহামারী রাতে দেশকে রক্ষা করেছি।”

    অপরদিকে, ব্যবসায়ী মহল, রক্ষণশীল গণমাধ্যম এবং ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনাকে উপেক্ষা করে, নিউইয়র্কের বর্তমান মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন মামদানি। তিনি বলেছেন, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বিষয়ে আলোচনা করতে চান।

    অভিবাসী মুসলিম এই রাজনীতিক, যিনি কার্যত আউটসাইডার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন, সবাইকে驚িয়ে দিয়েছেন। তিনি মজার ছলে বলেন, “হোয়াইট হাউস থেকে এখনো আমাকে অভিনন্দন জানানো হয়নি।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “আমি চাই যে আমরা কিভাবে নিউইয়র্কবাসীর আরো ভালো সেবা দিতে পারি, সেই বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করতে চাই। বিশেষ করে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহী।”

    মামদানি বলেন, ট্রাম্পের মতোই তিনি জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়, মুদ্রাস্ফীতি ও বাজারের মূল্য বৃদ্ধির কেন্দ্রীয় বিষয়গুলোকে তুলে ধরেছেন। তার ভাষ্য, “প্রেসিডেন্টের জন্য শেখার জিনিস হলো— শুধুই শ্রমজীবী মানুষের সংকট চিহ্নিত করলেই হবে না, সেই সংকটের সমাধানে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে।”

  • ফিলিপাইনে ‘কালমায়েগি’ ঝড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪০

    ফিলিপাইনে ‘কালমায়েগি’ ঝড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪০

    ফিলিপাইনে সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় ‘কালমায়েগি’ এর আঘাতে মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে এখন ১৪০ জনে পৌঁছেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত এই মৃত্যুর সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। তদ্ব্যতীত, এখনও ১২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যা উদ্ধার কাজের জন্য উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই ঝড় বর্তমানে ভিয়েতনামের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। খবর এএফপির।

    এই সপ্তাহে সেবু প্রদেশের বিভিন্ন শহরে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যার কারণে রাস্তা-ঘাট ভেসে গেছে, বহু গাড়ি পুরোটাই পানির নিচে ডুবে গেছে, এছাড়াও নদীর ধারের স্থাপনা ও বিশাল জাহাজের কন্টেইনারের বেশ কয়েকটি ভেসে গেছে।

    দেশটির জাতীয় নাগরিক প্রতিরক্ষা অফিস বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তারা ১১৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। তবে সেবু প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষের রেকর্ড হিসেব অনুযায়ী, আরও ২৮ জনের মৃত্যু সংবাদের মধ্যে যোগ হওয়ার পরে এই সংখ্যা ১৪০ ছাড়িয়ে যাবে।

    মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে একটি সামরিক হেলিকপ্টারের ছয়জন ক্রু-ও রয়েছেন। গত মঙ্গলবার, সেবুর দক্ষিণে মিন্দানাও দ্বীপে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য হেলিকপ্টারটি পাঠানো হচ্ছিল, কিন্তু আগুসান দেল সুর এলাকার কাছে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।

    ফিলিপাইন বিমানবাহিনী জানিয়েছে, হেলিকপ্টারটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তারা দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালায়। পরে বিমানবাহিনীর একজন মুখপাত্র নিশ্চিত করেন, পাইলটসহ ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই হেলিকপ্টারটি ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া চারটি হেলিকপ্টারের মধ্যে একটি ছিল।

    জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা এক প্রতিবেদনে বলেছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে চার লাখের বেশি মানুষ তাদের ঘর থেকে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে এবং নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন।

  • বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে ভারতের উদ্বেগ

    বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে ভারতের উদ্বেগ

    বাংলাদেশে আগামী এক বছরের জন্য এক বিলিয়ন ডলারের সমমূল্যের সয়াবিন আমদানি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশের তিনটি শীর্ষ সয়াবিন প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান এ চুক্তির আওতায় উল্লেখিত সময়ে বড় পরিমাণে সয়াবিন সংগ্রহ করবে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের সয়াবিনের উপস্থিতি বাড়বে, যা ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ভারতের শিল্পমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতের সয়ামিলের রপ্তানি আগের তুলনায় কম ছিল। এখন বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যাপক পরিমাণে সয়াবিন কিনতে শুরু করলে ভারতের সয়ামিলের বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছর বাংলাদেশে ভারতের সয়ামিলের রপ্তানি কমে ১.৬৩ লাখ টনে আచ్చেছে, যা আগে থাকত তার থেকে ৪৬ শতাংশ কম। এই পরিস্থিতিতে ডিএন পাঠক, ভারতের সয়ামিল প্রক্রিয়াকরণ শিল্প সংস্থার একজন নেতা বলছেন, ‘বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কমদামে অনেক সয়াবিন কিনছে। ফলে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে আমাদের রপ্তানি অনেক কমে গেছে। বাংলাদেশ একদিকে বিশাল পরিমাণে সয়াবিন কিনছে, যা আমাদের জন্য চিন্তার বিষয়।’

    মঙ্গলবার ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ঘোষণা করে, বাংলাদেশের তিনটি অভিহিত শীর্ষ সয়াবিন প্রক্রিয়াজাতকারী সংস্থা আগামী ১২ মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক বিলিয়ন ডলারের সয়াবিন কিনবে।

    এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক চুক্তি, কারণ চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উত্তেজনার ফলে সয়াবিন আমদানির পরিমাণ অর্ধেকে নিয়ে এসেছিল। তখন চীন বিকল্প বাজার খুঁজছিল; এর মধ্যে বাংলাদেশের সয়াবিন আমদানির সুযোগ তৈরি হয়। এটি বোঝায়, বাংলাদেশ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় পরিমাণে সয়াবিন কিনছে, যা ভারতের জন্য একটি প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • পুতিনের নির্দেশ: পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুতি গ্রহণের ঘোষণা

    পুতিনের নির্দেশ: পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুতি গ্রহণের ঘোষণা

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘অবিলম্বে’ পারমাণবিক পরীক্ষা শুরুর ঘোষণা দেওয়ার জবাব হিসেবে পারমাণবিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে তিনি ক্রেমলিনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একটি জ্যেষ্ঠ বৈঠকে বসে, এই বিষয়ের জন্য প্রাথমিক পরিকল্পনা তৈরি এবং বাড়তি তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেন। পুতিনের এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশ থেকে যদি কেউ পারমাণবিক পরীক্ষা চালাতে চান, তাহলে রাশিয়াকে সমান প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হওয়ার আশঙ্কা। একাধিক সচেতন ব্যক্তি জানিয়েছেন, রুশ প্রশাসন এখন প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে যাতে পরিস্থিতি বিরূপ হলে শিগগিরই পরীক্ষায় নেমে পড়া যায়। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর থেকে রাশিয়া আর কখনো পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়নি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বমঞ্চে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় নতুন করে এই বিষয়ে ভাবনা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও অর্থনৈতিক ও সামরিক অভিনিবেশ বাড়ছে, যার কারণেই পরমাণু অস্ত্র নিয়ে নতুন দিক নির্দেশনা আসছে। ট্রাম্পের গত অক্টোবরের এক ঘোষণায় তিনি বলেছিলেন, “আমরা এখনই পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর নির্দেশ দিয়েছি। যাতে আমাদেরও শক্তিধর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায়।” এর পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেছিলেন, রাশিয়ার নতুন পরীক্ষা নিয়ে সমালোচনাবোধ প্রকাশ করেছেন। ক্রেমলিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে একাধিক উচ্চপর্যায়ের পরামর্শ বৈঠক করেছেন, যেখানে প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাশিয়ার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জানান, অপ্রকাশিত দুর্যোগ বা সংকট এড়াতে রাশিয়ার আর্কটিক অঞ্চলের নোভাইয়া জেমলাইয়া ঘাঁটিতে প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বে বর্তমানে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তি বহুমুখী অস্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে বড় শক্তির আধিপত্য রয়েছে। রাশিয়ার কাছে প্রায় ৫ হাজার ৪৫৯টি পারমাণবিক ওয়ারহেড আছে, যার মধ্যে এক হাজার ৬০০টি সক্রিয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ারহেডের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ৫৫০, এর মধ্যে সক্রিয় প্রায় ৩৮০০। অতীতের কথায় গেলে, ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ছিল বিশাল সংখ্যক ৩১ হাজারের বেশি ওয়ারহেড। চীনও দ্রুত তার পারমাণবিক শক্তির ভাণ্ডার বাড়িয়ে চলেছে, বর্তমানে তাদের হাতে রয়েছে প্রায় ৬০০ ওয়ারহেড, যা প্রতিবছর গড়ে ১০০টি করে বাড়ছে। অন্যান্য দেশের মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, ব্রিটেন, ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া। মাত্র কয়েক দশক আগে, ১৯৯২ সালে, যুক্তরাষ্ট্র শেষবার পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছিল। পরে ১৯96 সালে বিস্তৃত পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (সিটিবিটি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে এই ধরনের পরীক্ষার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। তবে, ভারতের, পাকিস্তানের এবং উত্তর কোরিয়ার পরীক্ষা তাদের পারমাণবিক শক্তির সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। ট্রাম্প এখনও স্পষ্ট করেননি যে, তিনি যেসব পারমাণবিক পরীক্ষার কথা বলেছেন, তা হচ্ছে বিস্ফোরণমূলক পরীক্ষা নাকি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা। বিশ্লেষকদের মতে, যদি পারমাণবিক বিস্ফোরণ হয়, তাহলে দেখা দিতে পারে বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংকটের আশঙ্কা। কারণ অন্য দেশগুলোও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিতে পারে। জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ গবেষণা সংস্থার জ্যেষ্ঠ গবেষক আন্দ্রে বাকলিৎসকি সতর্ক করে বলেছেন, পারমাণবিক পরীক্ষার পরিসর বাড়লে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা আরও গাঢ় হয়ে উঠবে এবং এটা সার্বভৌম বিশ্ব শান্তির জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে। তিনি আরও যোগ করেছেন, “ক্রেমলিনের এই প্রতিক্রিয়া এককথায় নতুন এক পারমাণবিক প্রতিযোগিতার সূচনা করতে পারে, যা শেষমেষ সামগ্রিক বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা ধাঁচবেয়েও পড়তে পারে।” এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববাসীর জন্য একটাই আশঙ্কা, পারমাণবিক শক্তির আধিপত্য আর বিস্তার ক্ষতিকর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।