Month: November 2025

  • ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ১২ নিহত

    ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ১২ নিহত

    পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের এক জেলা আদালতের বাইরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, ঘটনাটি ঘটে জি-১১ এলাকার ওই আদালতের প্রবেশদ্বারসংলগ্ন স্থানে। পুলিশ পরিস্থিতি নিশ্চিত করে বলছে, আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

    ইসলামাবাদ পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে জানা গেছে, এই হামলাকে পরিকল্পিত ও ভয়াবহ আঘাত হিসেবে বিবেচনা করছে প্রশাসন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এবং রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি উভয়ই এই হামলাকে আত্মঘাতী হামলা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাদের মতে, এটি একটি জোড়ালো বার্তা যে পাকিস্তানের নিরাপত্তা সিস্টেম এখনো ঝুঁকির মধ্যে আছে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (পূর্বে টুইটার) পোস্টে রাষ্ট্রপতি শোক প্রকাশ করে নিহত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন, আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতা প্রশংসা করেছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসিফ এই ঘটনাকে দেশজুড়ে একটি সতর্কবার্তা এবং জাগরণের ডাক হিসেবে দেখছেন। তিনি আরও বলেছেন, আমরা যুদ্ধের পরিস্থিতিতে আছি এবং যারা ভাবেন পাকিস্তান সেনাবাহিনী শুধুমাত্র সীমান্তে লড়াই করছে, তাদের জন্য এই হামলা একটি বড় সাবধানবাণী।

    অপরদিকে, কবারুলের পরিস্থিতির ওপর গভীর আলোচনা চালিয়ে তিনি বলেছেন, এখনকার পরিস্থিতি থেকে সফল আলোচনা প্রত্যাশা করা অসম্ভব, কারণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি চরমقেই পৌঁছেছে।

    ঘটনার আরও বিস্তারিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যায়, নিরাপত্তা ব্যারিকেডের পিছনে একটি পোড়া গাড়ির ধ্বংসাবশেষ থেকে আগুনের শিখা এবং ধোঁয়ার কুণ্ডলী বাতাসে উঠছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের পর তারা ভয়াবহ বিশৃঙ্খলার সম্মুখীন হন; অনেকে দ্রুত দৌড়াতে শুরু করেন, কিছু গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়, এবং ঘটনাস্থলে মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও বলেছেন, গেটের কাছে বেশ কয়েকটি গাড়ির ক্ষতি হয় এবং কিছু গাড়িতে আগুন লেগে যায়। পরিস্থিতির উন্নতি ও তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ শুরু করেছে। সব ধরনের খবর ও আপডেট ধীরে ধীরে প্রকাশ করা হবে, কারণ মিডিয়া রিপোর্ট কখনো কখনো ভুল হতে পারে। আমরা বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সঠিক সংবাদ পরিবেশনে সচেষ্ট থাকব।

  • ইসলামাবাদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ: পাকিস্তান ভারতের দিকে আঙুল তুলল

    ইসলামাবাদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ: পাকিস্তান ভারতের দিকে আঙুল তুলল

    পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে এক আত্মঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনায় দেশের বিবৃতি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ অভিযোগ করেছেন যে, এই হামলার পেছনে ভারতের হাত রয়েছে। তিনি বলেছেন, এই ঘটনায় জড়িত চরমপন্থি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে ভারতের সক্রিয় সমর্থন রয়েছে বলে তার ধারণা। মঙ্গলবার দুপুরে ইসলামাবাদের জেলা ও দায়রা আদালতের বাইরে এই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১২ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছে বলে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে। এই ঘটনায় দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে শাহবাজ শরিফ বলেছেন, ‘ভারতের সন্ত্রাসী প্রক্সির মাধ্যমে পাকিস্তানের নিরস্ত্র নাগরিকদের উপর আঘাত হানা দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য। ভারত যেন এই অঞ্চলে সন্ত্রাস ছড়িয়ে বোঝাতে পারে এমন অপচেষ্টা বন্ধ করে।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, এই ঘটনার যথাযথ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং দোষীদের খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ আফগানিস্তানের দিকে ইঙ্গিত করে মন্তব্য করেছেন, ‘কাবুলের শাসকরা পাকিস্তানে সন্ত্রাস বন্ধ করতে পারে, তবে এই ঘটনার মাধ্যমে কারা ইসলামাবাদে যুদ্ধ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে তা পাকিস্তান বুঝতে পেরেছে, এবং এর জবাব দেওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’ ভারতীয় পক্ষ থেকে এই অভিযোগের কোন প্রতিক্রিয়া এখনো স্পষ্টভাবে আসেনি। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির লাল কেল্লা পাশে ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণে আটজনের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে এই বিস্ফোরণের কারণ এখনো জানা যায়নি, শুধুমাত্র সন্দেহ করা হচ্ছে এটি সন্ত্রাসী হামলা। বেশ কিছু ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, এই ঘটনায় পাকিস্তানের рук রয়েছে। অন্যদিকে, বর্তমানে ভূটানে সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাই আইনের আওতায় আসবে এবং কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘আমাদের তদন্ত সংস্থা এই ষড়যন্ত্রের মূল রহস্য উদঘাটন করবে। যারা এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত, তাদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।’ এই ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেছে বিবিসি ও এনডিটিভি।

  • ছত্তিশগড়ে ভয়াবহ সংঘর্ষে ছয় মাওবাদী নিহত

    ছত্তিশগড়ে ভয়াবহ সংঘর্ষে ছয় মাওবাদী নিহত

    ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের বিজাপুর জেলায় সম্প্রতি আরও একবার ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে অন্তত ছয়জন মাওবাদী বিদ্রোহী নিহত হয়েছেন। এই সংঘর্ষের সূচনা হয়েছিল, যখন ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী স্থানীয় জঙ্গলের মধ্যে অভিযান চালাচ্ছিল। এই ঘটনাটি ঘটে কয়েক সপ্তাহ আগে, যেখানে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে যে, দশকের পর দশক ধরে চলা সশস্ত্র আন্দোলন বন্ধের পথে রয়েছে। তবে সেই ঘোষণার কিছু দিন পরে, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের বড় ধরনের লড়াই শুরু হয়। ভারতীয় পুলিশের সহায়তায় নিযুক্ত সংবাদ সংস্থা এএফপি জানায়, মঙ্গলবার ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় নিয়মিত অভিযানে এনজিও ও সশস্ত্র বিদ্রোহীদের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়। এই ঘটনায় অন্তত ছয় মাওবাদী নিহত হন এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়, যার মধ্যে আধুনিক অস্ত্রও রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, নিহতদের মধ্যে আঞ্চলিক কমান্ডারসহ জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের সদস্যরা রয়েছেন। এদিকে, কয়েক দশক ধরে চলা এই সশস্ত্র সংগ্রাম, যা গত দুই মাস আগে সরকার ও মাওবাদীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার পর স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, আবারও সংঘর্ষের মুখে পড়েছে। গত মাসে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, যারা আত্মসমর্পণ করতে ইচ্ছুক, তাদের স্বাগত জানানো হবে; তবে যারা অস্ত্রধারণে থাকবেন, তাদের কঠোর প্রতিমুখীন হতে হবে। মাওবাদীরা চীনা বিপ্লবী নেতা মাও সেতুংয়ের আদর্শের অনুপ্রেরণায় ১৯৬৭ সালে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু করে। মূলত আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার দাবি করে তাদের এই আন্দোলন শুরু হয়, যা দেশের ইতিহাসে একটি বড় বিদ্রোহ হিসেবে বিবেচিত। সেই থেকে এখন পর্যন্ত এই বিদ্রোহে হাজারো জীবন হারিয়েছে—বিদ্রোহী, সেনা ও সাধারণ নাগরিক। ২০০০-এর দশকে মাওবাদীরা দেশের এক-তৃতীয়াংশ অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করেছিল, তবে গত কয়েক বছরে তাদের শক্তি অনেক কমে গেছে। গত অক্টোবরের মধ্যে, বিজেপি সরকারের তথ্যানুযায়ী, দুই দিনব্যাপী অভিযানে ২৫০ জনেরও বেশি মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন, যার মাধ্যমে তাদের নেতাদের উপর চাপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    ২০২৬ সালের পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য সময়সূচি নির্ধারণ করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিদরা। এই তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ। যদিও ইসলামি বিধান অনুযায়ী রমজান মাসের শুরু চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে প্রকৃত তারিখ নির্ধারিত হয়, তারপরও প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী এই বছর রোজা শুরু ও ঈদের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্ট (আইএসিএডি) হিজরি-টু- গ্রেগরিয়ান তারিখ রূপান্তর ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৬ সালের রমজান মাসের শুরু হতে পারে ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি, যেখানে প্রথম রোজা হতে পারে ১৯ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার। পৃথক ক্যালেন্ডার সূচক বলছে, রমজান শেষ হবে ১৮ মার্চ (বুধবার), এরপর ২০ মার্চ (শুক্রবার) সংযুক্ত আরব আমিরাতে উদযাপন করা হতে পারে ঈদুল ফিতর।

    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রাত হল শবে কদর বা লাইলাতুল কদর, যা রমজানের শেষ দশকের মধ্যে পালিত হয়। পন্ডিতদের মতে, ২০২৬ সালে এই রাতটি পড়তে পারে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার)। মুসলমানরা এই রাতে নৈশপ্রার্থনা, কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া-মোনাজাত করেন, কারণ এ রাতেই প্রাচীন কোরআন অবতীর্ণ হয়েছিল বলে বিশ্বাস।

    তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, হিজরি মাসের দৈর্ঘ্য কখনো ২৯ দিন আবার কখনো ৩০ দিন হয়। ফলে, রোজা ও ঈদের প্রকৃত তারিখ নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর। এই জন্য আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে, যা চাঁদ দেখা সাপেক্ষ।

    সূত্র: গালফ নিউজ।

  • পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি: আফগানিস্তানে ফের হামলা হতে পারে

    পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি: আফগানিস্তানে ফের হামলা হতে পারে

    আফগানিস্তানে আবারো নতুন করে হামলার আশঙ্কা জাগিয়ে উঠেছে, যেখানে পাকিস্তান সতর্ক করে দিয়েছে যে তারা ভবিষ্যতে এসকল হামলা চালাতে পারে। ইসলামাবাদ ও দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে 최근 সন্ত্রাসী হামলার পর এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, সাম্প্রতিক এই আক্রমণের পর পাকিস্তানকে আশঙ্কা রয়েছে যে তারা আফগানিস্তানের ভেতরে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালাতে পারে। তিনি আঞ্চলিক শক্তি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, যারা আফগান তালেবান সরকারকে আশ্রয় দেয় এবং পাকিস্তানে হামলার পিছনে এই গোষ্ঠীগুলোর হাত রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ এই খবর প্রকাশ করেছে। সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, গত দুই দিনে পাকিস্তানে দুটি বড় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি হলো দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের ওয়ানাকা ক্যাডেট কলেজে, অন্যটি হলো রাজধানী ইসলামাবাদে। এই দুই ঘটনার ফলে পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে দেশটি একটি পরমাণু শক্তিধর দেশ। প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এই অনুষ্ঠানে আরও বলেছেন, এই হামলার পর সীমান্ত পেরিয়ে আফগানিস্তানের ভেতরে অভিযান চালানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তিনি আরও বলেন, আফগান তালেবান সরকার এই হামলার নিন্দা না করে বরং সাফল্য দেখাচ্ছে যে তারা সন্ত্রাস দমনে যথাযথ উদ্যোগ নিচ্ছে না। আক্রমণগুলো নিয়ে তিনি বলেন, তালেবানের আশ্রয়ে থাকা গোষ্ঠীগুলিই বারবার পাকিস্তানের নিরাপত্তা নীতিকে চ্যালেঞ্জ করছে। আরও উল্লেখ করেন, ভারতের মতো দেশ বা আরও অন্য কোনো শক্তি অমনোযোগী হলে পাকিস্তান কখনোই হামলার জবাব দেওয়ার ব্যাপারে পিছপা হবে না। তিনি দৃঢ়ভাবেপ বলে উল্লেখ করেন, পাকিস্তান কখনো আগ্রাসন না চালিয়ে শুধুই প্রতিশোধ নেবে যদি তাদের ওপর হামলা হয়। ইতোমধ্যে, ইসলামাবাদের আত্মঘাতী বোমা হামলায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত এবং আরও ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতে খাজা আসিফ এক পোস্টে বলেছেন, “আমরা এখন এক ধরনের যুদ্ধের মধ্যে আছি। যারা ভাবছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কেবল সীমান্তের গাদর লড়াই করছে, তারা এই জন্যই ভুল ধারণা করছে— এই আত্মঘাতী হামলার মাধ্যমে তাদের চোখ খুলে গেছে।” তিনি বলেন, এই সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইটি পুরো পাকিস্তানের যুদ্ধ, আর সেনাবাহিনীর sacrificesই যেন এই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। এছাড়াও, হামলার পর একটি বিবৃতিতে খাজা আসিফ বলেন, কাবুলের নেতৃত্ব চাইলে পাকিস্তানের সন্ত্রাস মোকাবেলায় সফলতা পেতে পারে, তবে এই হামলার পিছনে থেকেছে কাবুলের বার্তা। তিনি বলেন, “কাবুলের শাসকদের যদি ইচ্ছে হয়, তারা পাকিস্তানে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে। কিন্তু ইসলামাবাদের ওপর হামলার বার্তাগুলো কেবলমাত্র কাবুল থেকেই এসেছে।” তিনি আরও বলেন, রাজধানীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময়, পাকিস্তান আগেই এই ধরনের হামলার আশঙ্কা করেছিল। তিনি সংক্ষেপে বলেন, এই হামলার মাধ্যমে স্পষ্ট বার্তা—“তোমাদের সব অঞ্চল আমাদের নাগালের মধ্যে”। শেষ বর্ষে, তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, পাকিস্তান কোনোক্রমে সীমান্ত বা শহরগুলোতে সন্ত্রাস সহ্য করবে না, এবং প্রতিটি হামলার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

  • প্রাইভেট ও কোচিংয়ের পাশাপাশি খেলাধুলা ও মানবিক গুণাবলি গুরুত্বের আহবান হেলালের

    প্রাইভেট ও কোচিংয়ের পাশাপাশি খেলাধুলা ও মানবিক গুণাবলি গুরুত্বের আহবান হেলালের

    শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট টিউশন ও কোচিং সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে খেলাধুলা ও সৃজনশীল চর্চায় এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল। তিনি বলেন, যত বেশি খেলাধুলা করবে, তোমাদের পড়াশোনার মনে রাখতে সুবিধা হবে। সত্যিকার শিক্ষা ও জীবনের মূল মূল্যর সংজ্ঞা নিহিত রয়েছে খেলাধুলা, চরিত্র গঠন এবং মূল্যবোধের মধ্যে।

    মঙ্গলবার দুপুরে বেলফুলিয়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও বেলফুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ‘একটি বাড়ি, একটি গাছ, সবুজায়নের অঙ্গীকার’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, “এই মাঠে আমরা খেলাধুলা করতাম ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিতাম। ভোরবেলা থেকে দুপুর পর্যন্ত নানা ধরনের খেলাধুলা করতাম। এখন সেই মাঠ আর নেই, আমাদের দাদার সময়কে মনে করে আনন্দে ভরে উঠতাম। সেটাই এখন শুধুই স্মৃতি, কারণ এখন দেখতে পাই খেলাধুলার জায়গাও কমে যাচ্ছে। যা আমাদের সন্তানের মানসিক বিকাশে বড়ই ক্ষতি।”

    বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় চাপের কথাও তিনি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বিকেলে কেউ কোচিংয়ে যায়, কেউ প্রাইভেট পড়তে যায়, এতে ছাত্ররা যেন একটা যন্ত্রে পরিণত হচ্ছে। আমাদের সময় মা আমাদের বলতেন, ‘বেলা পড়ে গেলে বই পড়ো না, মাঠে যাও ও খেলাধুলা কর।’ শারীরিক সক্ষমতা ছাড়াই জ্ঞান আদৌ কাজে আসে না।”

    শিক্ষার শুধু পরীক্ষায় প্রথম বা দ্বিতীয় হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমার সময়ের ক্লাসের যারা ফার্স্ট-সেকেন্ড হতো, তারা অনেকেই আজ সফল হয় নি। লক্ষ্য ঠিক না থাকলে সাফল্য ধরা দেয় না। দেশ ও সমাজের জন্য বড় মানুষ হতে হলে চারিত্র্য, নৈতিকতা ও পরিশ্রম সবচেয়ে বড় সম্পদ।

    শিক্ষকদের মর্যাদা মূল্যবান বলে মনে করেন হেলাল। তিনি বলেন, “শিক্ষকরা মা-বাবার সমান আসল। যারা শিক্ষকের আদেশ মানে না, তারা যতই পড়াশোনা করুক, ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাবে।” তিনি শিক্ষার্থীদের গল্প, উপন্যাস, ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্বের জীবনী পড়ার আহবান জানান।

    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, শেখ আব্দুর রশিদ, নাজমুস সাকিব পিন্টু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনু, আরিফুজ্জামান আরিফ, আজিজুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান বেলাল, রেজাউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম বাচ্চু ও মোশারেফ শিকদারসহ আরও অনেকে।

  • একতা আমাদের শক্তির মূল উৎস, বিভেদ নয়

    একতা আমাদের শক্তির মূল উৎস, বিভেদ নয়

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, আমরা সকলে আমাদের দলের স্বার্থে একত্রিত হয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশानুযায়ী ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করে দেশের জন্য কাজ করবো। ব্যক্তির থেকে দলের বড়, এবং দলের থেকে দেশের বড় এই মানসিকতা আমাদের প্রেরণার উৎস। বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের এই উক্তিটি সামনে রেখে, আমাদের দেশকে বিভিন্ন অপশক্তি থেকে রক্ষা করতে ঐক্যবদ্ধ থাকাই গুরুত্বপূর্ণ। দলের মত, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একত্রে দাঁড়িয়ে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাই, যেন অপপ্রচারের কাছে হার না মানি। একতা আমাদের প্রাণের বন্ধন, বিভেদ নয়।

    গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টায়, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম এস এম মোরশেদ আলম, যুবদল নেতা মরহুম ইফতেখার বিশ্বাস এবং পুরাতন ইসলামাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আতিয়ার রহমান আতির বাসায় বেড়াতে গিয়ে তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও দোয়া করেন। পাশাপাশি খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সদস্য অসুস্থ আব্দুর রশিদ সরদার এর বাড়িতে যান এবং তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। এই সময় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেয়র ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, সাদিকুর রহসান সবুজ, ইউসুফ হারুন মজনু, তৈবুর রহমান, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, রবিউল ইসলাম রবি, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, মেহেদী হাসান সোহাগ, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, নাহিদ মোড়ল, আব্দুল হালিম, তুষার আলম, শামীম খান, মনিরুল ইসলাম, এ আর রহমান, মিজানুজ্জামান মিজান, আকিরুন ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন সুমন, রাজিবুল আলম বাপ্পি, হাবিব খান, খান আবু দাউদ, সজল আকন নাসিব, আসমত হোসেন, জোবায়ের আলম তোয়াজ, মুশফিকুর রহমান অভি, ফয়সাল মাহমুদ, শামীম রেজা, মিজান মিয়া, শেখ আব্দুস সাত্তার, জুয়েল রহমান, শরিফুল ইসলাম, গিয়াস উদ্দিন, সোহেল খন্দকার, মুর্শিদা বেগম, সেলিম বড় মিয়া, মোস্তফা জামান নোমান, পারভেজ মোড়ল, শফিউদ্দিন আহমেদ, হারুন মোল্লা, বাবুল হোসেন, রকিব শিকদার, এসএম হোসেন সজল, সালাউদ্দিন সান্নু, মিনহাজুল ইসলাম হিরা, ওহেদুজ্জামান শিমুল, রফিক শিকদার ও মোফাজ্জেল হোসেনসহ আরও অনেকে।

  • খুলনায় এনসিপি কার্যালয়ে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের হামলা

    খুলনায় এনসিপি কার্যালয়ে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের হামলা

    খুলনা জেলার নিউ কনসেপ্ট পার্টি (এনসিপি) এর দলীয় কার্যালয়ে অপ্রত্যাশিত এক হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) গভীর রাতে শহরের টাইগার গার্ডেনের পাশে অবস্থিত এই কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনা সম্পর্কে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাত আনুমানিক ১টার সময় একদল অচেনা দুর্বৃত্ত হঠাৎ করে কার্যালয়ে প্রবেশ করে ভাঙচুর শুরু করেন এবং আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত করেন। স্থানীয়রা যখন বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন এবং এগিয়ে আসেন, তখন হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যান। উল্লেখ্য, এর ঠিক যে দিনটি ছিলো, তারই কিছুক্ষণ আগে আওয়ামী লীগের ঘোষিত হরতাল বা শাট ডাউন কর্মসূচির কারণে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ধর্মঘটের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে এনসিপি কার্যালয়েও অপ্রত্যাশিত ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ ও এনসিপির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করেন। এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের হয়নি। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট authorities বিষয়টি আরও তদন্ত করছে।

  • চিত্রলমারীতে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ব্যবসায়ী নির্বাচন: পাঁচ পদের বিপরীতে ১৩ মনোনয়নপত্র বিক্রি

    চিত্রলমারীতে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ব্যবসায়ী নির্বাচন: পাঁচ পদের বিপরীতে ১৩ মনোনয়নপত্র বিক্রি

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে দীর্ঘ ১৭ বছর পর। এবারের নির্বাচনে পাঁচটি পদে নির্বাচন হবে, যেখানে মোট ১৩ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বিক্রি চলে, আর এই সময়ে প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা ও উৎসাহ দেখা যায়। এই দিনটি সম্পূর্ণ একটি উৎসবের পরিবেশে পরিণত হয়, যেখানে ব্যবসায়ী সমাজের মানুষেরা তাদের প্রার্থীদের সমর্থনে উপস্থিত ছিলেন।

    বুধবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে চিতলমারী বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার শেখ শাহাদাৎ হোসেন বুলু বলেন, এবার ব্যবসায়ীদের পাঁচটি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন পরিচালনার জন্য তফশীল ঘোষণা করা হয় ৮ নভেম্বর। মূলত মনোনয়নপত্র বিক্রিসহ অন্যান্য ধাপের নির্ধারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১২ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১৫ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্দ হবে ১৬ নভেম্বর এবং নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৮ নভেম্বর।

    নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য জনপ্রিয় প্রার্থীরা হলেন: সভাপতি পদে মোঃ শহর আলী গাজী, মোঃ শোয়েব হোসেন গাজী ও মোঃ মনিরুজ্জামান গাজী। সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ আসাদুজ্জামান, মোঃ রাজু আহমেদ মুন্সি ও জয়নুল পারভেজ সুমন। সাংগঠনিক পদে মোঃ রাসেল শেখ ও সাদ্দাম শেখ। কোষাধ্যক্ষ পদে লিটন শেখ ও রাজু তালুকদার। দপ্তর সম্পাদক হিসেবে মনোনয়নপত্র কিনেছেন অনুপম সাহা, সৈয়দ সিব্বির ও মোঃ মুরাদ হোসেন মুন্সি।

    উল্লেখ্য, গত বারের নির্বাচন ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়। তখন শেখ হাফিজুর রহমান সভাপতি এবং মোঃ শহর আলী গাজী সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে কিছুদিন পর ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি শহীদুল ইসলাম লিটন মৌলিকভাবে অভ্যুত্থান চালিয়ে নেতৃত্বে যান। দীর্ঘদিন ধরে এই পদগুলো আর নির্বাচন হয়নি। আর বর্তমান সময়ের পরিস্থিতি বিবেচনায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মোঃ সোয়েব হোসেন গাজীকে আহবায়ক ও মোঃ মনিরুজ্জামানকে সদস্য সচিব করে একটি নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়, যাতে বর্তমান নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

  • শিক্ষকদের মর্যাদা আদর্শ জাতি গঠনে প্রধান ভূমিকা: বকুল

    শিক্ষকদের মর্যাদা আদর্শ জাতি গঠনে প্রধান ভূমিকা: বকুল

    কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, একজন জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য গুণীজনের প্রতি সম্মান দেখানো অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, যে জাতি গুণী ও কৃতী ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করতে জানে না, তার উন্নয়ন অসম্ভব। আদর্শ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে হলে আমাদের সবাইকে শিক্ষকদের মর্যাদা ও সম্মান নিশ্চিত করতে হবে। যদিও আমরা ভালো ফলের প্রত্যাশা করি, কিন্তু ফলাফলের কারিগর — অর্থাৎ শিক্ষকদের জীবনযাত্রা ও সম্মান— সে বিষয়টি এখনো আমাদের সমাজের বড় দুর্বলতা হিসেবে রয়ে গেছে।

    মঙ্গলবার দুপুরে খুলনার খানজাহান আলী থানার ফুলবাড়ী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘‘এসএসসি ২০২৫ কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা’’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ অনুষ্ঠানে আটটি স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অংশ নেন। নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতি শেয়ার করে বকুল বলেন, এক সময় আমরা যখন শিক্ষকদের দেখতাম, তখন শ্রদ্ধা ও ভক্তি প্রকাশে মাথা নত করতাম। সেই শাসন এবং স্নেহের শিক্ষা আমাদের মানুষ করে তুলেছে। আজকে সেই সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনাটাই এখন আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

    বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি সরাসরি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। একজন ছাত্র হৃদয় আহমেদ জানায়, সে বড় হয়ে একজন পুলিশ অফিসার হয়ে দুর্নীতিমুক্ত society গড়ে তুলতে চায়। অন্যদিকে, কুয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক তরুণী ছাত্রী আশফাকুস সুরাইয়া বলেন, তিনি একজন আদর্শ শিক্ষক হয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে চান। শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের কথা শুনে উপস্থিত সবাই করতালিতে মুখরিত হন।

    বকুল মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃজনশীল কাজের প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। এতে তরুণরা শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী হবে, এবং সমাজও মাদকমুক্ত হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আবু সাঈদ হাওলাদার, সফল পরিচালকমণ্ডলের সভাপতি। উপস্থিত ছিলেন মো. মনিরুল ইসলাম, আয়েশা সিদ্দিকা, শাহিনুল ইসলাম, আবু জাফর, জাহিদ হোসেন, অরবিন্দু কুমার মন্ডল ও এসএ রহিমসহ আরো অনেকে।

    অনুষ্ঠানে ফুলবাড়ী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মিরেরডাঙ্গা আলিম মাদ্রাসা, সরকারি ল্যাবরেটরি স্কুল, কেডিএ স্কুল, আর আর এফ স্কুল, তেলিগাতী হাই স্কুল ও সোনালী জুট মিলস স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।