Month: November 2025

  • সত্যি কি তাহসান খান রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন?

    সত্যি কি তাহসান খান রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন?

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে নিজের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। কয়েক সপ্তাহ আগে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে এক কনসার্টে অংশ নিয়ে তিনি সংগীতকে বিদায় জানানোর ইঙ্গিত দেন, যা শুনে তার ভক্তরা বেশ মন ভেঙেছিল। অনেকেই তখন প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাহসান কি সত্যিই ইসলামী রাজনৈতিক দলে শরিক হচ্ছেন?

    ব্যাপক আলোচনার মধ্যে তিনি সম্প্রতি বলেছেন, তিনি আমেরিকা বা অস্ট্রেলিয়ায় প্রিয় স্থানগুলোতে গানের পাশাপাশি নিজেকে অন্য পথেও দেখতে চান। তাদের আর একটা লক্ষ্য, শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জন। তিনি বলেন, ‘মেলবোর্নের কনসার্টে যখন আমি গান ছাড়ার কথা বলেছিলাম, তখন খুব কম মানুষই ছিল। আমি কখনো ভাবিনি, আমার এই কথা এতটা ছড়িয়ে পড়বে। আসলে আমি অভিনয় থেকে ধীরে ধীরে বিরতী নিয়েছি, গান থেকেও নিচ্ছি। আমি একজন ইমোশনাল এবং কবি মানুষ, তাই হয়তো একটু বেশি বলেছি। এই কথার ফলে অনেক কিছু পরিবর্তিত হয়েছে। একজনের ছবি নিয়ে টুপি পরে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। আমি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছি না।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটি আমার জন্য একটি খেলার মতো; একটি প্রকারের পার্ট অব দ্য গেম। আজকাল কিছু মানুষ ভাইরাল হওয়ার জন্য একদমই ঝাঁপিয়ে পড়ে। পৃথিবীব্যাপী এটি একটা প্রবণতা, তাই আমি বুঝতে পারি বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সচেতন থাকতে হয়।’

    গান ছাড়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, এখন তিনি পড়াশোনা নিয়ে মনোযোগী হতে চান। তাহসানের ভাষায়, ‘প্রত্যেক মানুষের জীবনে বিভিন্ন অধ্যায় আসে। প্রথমে মনে হয়, আমি অনেক কিছু জানি। পরে আমি মনে করি, আমি সবকিছুর ওপরে। সম্প্রতি বুঝতে পারি, আমি কিছুই জানি না। জীবনের সফরে আরও বেশি পড়াশোনা করা দরকার।’ তাহসান বলেন, তিনি ভবিষ্যৎ জীবনসহ আরও বিস্তৃত জ্ঞান অর্জনে প্রস্তুত।

  • প্রখ্যাত নিউজিল্যান্ডি নির্মাতা লি তামাহোরি আর নেই

    প্রখ্যাত নিউজিল্যান্ডি নির্মাতা লি তামাহোরি আর নেই

    নিউজিল্যান্ডের পরিচিত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও জেমস বন্ড সিরিজের নাটকীয় চলচ্চিত্র ‘ডাই অ্যানাডার ডে’ এর পরিচালক লি তামাহোরি মারা গেছেন। দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকার প্রতিবেদনে জানা যায়, তিনি শুক্রবার (৭ নভেম্বর) ৭৫ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার পরিবারের সূত্রে রেডিও নিউজিল্যান্ড জানিয়েছে, দীর্ঘদিন পারকিনসন রোগে ভোগার পর তিনি শান্তিপূর্ণভাবে বাড়িতেই মারা গেছেন।

    পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তার রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার কেবল তার পরিবারের মধ্যেই থাকবে না, বরং তার স্বপ্ন ও অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হওয়া প্রজন্মের নতুন পরিচালক ও শিল্পীরা তার স্মৃতিকে স্মরণ করবেন। তিনি ছিলেন একজন দৃঢ়চেতা নেতা ও উজ্জ্বল সৃজনশীল মন, যিনি চলচ্চিত্রের পর্দার সামনে ও পিছনে মাওরি সাংস্কৃতিক প্রতিভাকে অনেক উন্নত করেছেন।

    লি তামাহোরি ১৯৫০ সালে নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাওরি ও ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত। তার চলচ্চিত্রে আগ্রহ ৭০ ও ৮০ এর দশকে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সিনেমা শিল্পে কাজ শুরু করার মাধ্যমে শুরু হয়। তিনি জিওফ মারফির ‘গুডবাই পার্ক প্লেস’ ও ‘দ্য কোয়ায়েট আর্থ’ সিনেমার ক্রু হিসেবে কাজ করেছেন। নাগিসা ওশিমার আন্তর্জাতিক প্রশংসিত সিনেমা ‘মেরি ক্রিসমাস’ ও ‘মিস্টার লরেন্স’ এর প্রথম সহকারী পরিচালক হিসেবে তিনি প্রথম পা রাখেন মূলধারার চলচ্চিত্রে।

    তাদের পরিচালনায় প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ওয়ান্স ওয়ার ওয়ারিয়র্স’ ১৯৯৪ সালে মুক্তি পায়। এটি তখন নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ আয়ের সিনেমা হয়ে উঠেছিল। এরপর তিনি ‘মুলহল্যান্ড ফলস’, ‘দ্য এজ’, ‘অ্যালং কেইম আ স্পাইডার’সহ বেশ কয়েকটি হলিউড সিনেমা পরিচালনা করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেন।

    ২০০২ সালে পিয়ার্স ব্রোসনান অভিনীত ‘ডাই অ্যানাডার ডে’ সিনেমা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত কাজ। এরপর তিনি আবার নিউজিল্যান্ডে ফিরে গিয়ে ‘মাহানা’ এবং ‘দ্য কনভার্ট’ এর মতো সিনেমা পরিচালনা করেন, যেখানে ব্রিটিশ মিশনারির চরিত্রে অভিনয় করেন গাই পিয়ার্স। এই আত্মপ্রকাশ তার চলচ্চিত্র জীবনের এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। তাদের স্বপ্ন ও দক্ষতা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

  • ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর গুঞ্জনে স্ত্রী বললেন, যা ঘটছে তা ক্ষমার অযোগ্য

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর গুঞ্জনে স্ত্রী বললেন, যা ঘটছে তা ক্ষমার অযোগ্য

    বলিউডের শক্তিশালী অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর শারীরিক অবস্থার খবর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। জানা গেছে, প্রবীণ this তারকা ভেন্টিলেশনে রয়েছেন এবং তার মৃত্যুর ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আরও তোলপাড় সৃষ্টি করে। এই গুজবের মধ্যে অবশেষে মুখ খুলেছেন ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী হেমা মালিনী এবং মেয়ে এষা দেওল, তারা এই খবরগুলিকে ‘অসত্য’ ও ‘অক্ষম্য’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন।

    গুঞ্জন যখন দানা বাঁধে, তখন ধর্মেন্দ্রর কন্যা এষা দেওল তার অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি তথ্যবহুল বিবৃতি দেন। এতে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তার বাবার অবস্থা স্থিতিশীল এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তিনি সকলকে অনুরোধ করেন, পরিবারের গোপনীয়তা বজায় রাখতে এবং বাবা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে প্রার্থনা করতে। তিনি লেখেন, ‘ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে, আমার বাবার অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। সকলের প্রতি অনুরোধ, আমাদের পারিবারিক গোপনীয়তা রক্ষা করুন।’

    অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী হেমা মালিনী ভুয়া খবরের বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তিনি একাধিক পোস্টে বলেছেন, ‘এত বড় একজন শিল্পী নিয়ে এ ধরনের গুজব ছড়ানো কতটা অশোভন, সেটি আমি বুঝতে পারছি না। এই ধরনের অনৈতিকতা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতা অত্যন্ত দুঃখজনক। এইসব খবর বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, যা অসম্মানজনক। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, সত্যের নির্মলতা রক্ষা করুন এবং পরিবারের গোপনীয়তার জন্য সম্মান দেখান।’

    পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, বলিউডের ‘হি-ম্যান’ হিসেবে পরিচিত ধর্মেন্দ্র বর্তমানে নিরাপদ আছেন, চিকিৎসার প্রতিও যথাযথ সাড়া দিচ্ছেন। গুজবে কান না দিতে এবং পারিবারিক গোপনীয়তা রক্ষা করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • নিজ বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অভিনেতা গোবিন্দ

    নিজ বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অভিনেতা গোবিন্দ

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দের অপ্রত্যাশিত অসুস্থতার খবর এখন আলোচনায়। বুধবার ভোরে তিনি মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন, যেখানে তার শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আইন উপদেষ্টা ললিত বিন্দাল। তিনি জানান, গোবিন্দ এখন স্থিতিশীল আছেন এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

    ললিত বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকেই গোবিন্দ কিছুটা দুর্বলতা অনুভব করেছিলেন। বিকেলে কয়েক সেকেন্ডের জন্য তিনি দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েন এবং অচেতন হয়ে যান। এরপর পারিবারিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী একটি ওষুধ গ্রহণ করেন। রাত সাড়ে আটটা থেকে নয়টার মধ্যে ওষুধ খেয়ে তিনি বিশ্রামে যান।

    তবে মধ্যরাতের দিকে আবার তার শ্বাসকষ্ট ও মাথা ঘোরা শুরু হয়, যে কারণে তিনি ললিতকে ফোন করেন। ললিত বলেন, ‘আমি রাত ১২টা ১৫ মিনিটে তার বাসায় পৌঁছেছিলাম এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। রাত ১টার দিকে তাকে ক্রিটিকেয়ার এশিয়া মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’

    প্রাথমিকভাবে তিনি জানিয়েছেন, গোবিন্দের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হলেও বর্তমানে তাকে সাধারণ কক্ষে স্থানান্তর করা হয়েছে। বিভিন্ন পরীক্ষা চালানো হয়েছে, কিন্তু ফলাফল এখনও পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকরা রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। ললিত বলেন, ‘আজ সকালে আমি গোবিন্দের সঙ্গেও কথা বলেছি। তিনি বলছেন, এখন অনেকটা ভালো অনুভব করছেন।’

    গোবিন্দের হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন তার স্ত্রী সুনীতা আহুজা ও মেয়ে টিনা উপস্থিত ছিলেন না। জল্পনা সৃষ্টি হলে ললিত স্পষ্ট করেন, ‘সুনীতা তখন শহরে ছিলেন না, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। তবে রাতের মধ্যে মুম্বাই ফিরে এসে হাসপাতালে আসবেন। তাদের মেয়ে টিনা তখন চণ্ডীগড়ে ছিলেন, তিনি পথে আছেন এবং সন্ধ্যার মধ্যে বাবার পাশে উপস্থিত হবেন।’

    উল্লেখ্য, মাত্র একদিন আগে তিনি বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন, যিনি সম্প্রতি ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গোবিন্দের এই অপ্রত্যাশিত অসুস্থতা ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে, যা বলিউডের অনুরাগীদের উদ্বেগে ফেলেছে।

  • পলক মুচ্ছল গিনেস বুকের নাম অন্তর্ভুক্ত, ৩,৮০০ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করে

    পলক মুচ্ছল গিনেস বুকের নাম অন্তর্ভুক্ত, ৩,৮০০ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করে

    নতুন কিছু নয় কণ্ঠশিল্পীদের গিনেস বুকে নাম ওঠা। তবে এবার বলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা পলক মুচ্ছল তার এই সম্মান অর্জন করেছেন অন্য রকম এক কারণে। তিনি ৩,৮০০ দুঃস্থ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করে জীবনযাত্রায় আলো এনেছেন, যা তার নাম গিনেস ও লিমকা বুক অফ রেকর্ডে স্থান করে দিয়েছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ছোট থেকেই মানবসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন পলক। তার নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে তিনি এই শিশুগুলোর হৃদরোগের চিকিৎসা সম্পন্ন করেছেন। এই অবদানই তাকে পৌঁছে দিয়েছে গিনেস বুকে।

    ‘পলক পলাশ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন’ নামে এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম দিকে খুবই ছোট আকারে শুরু হলেও তা এখনো ব্যাপক আকারে চলমান, যা ইতিমধ্যে এক শিশুর জীবন বাঁচিয়েছে। পলকের মতে, এখন এটি তার জীবনের সবচেয়ে বড় মিশনে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি আমার সব কনসার্ট এই শিশুগুলির হার্ট সার্জারির জন্য অর্থ সংগ্রহের জন্য করি। যারা অর্থের যোগান দিতে পারেন না, তাদের জন্যই এই সংগঠন পরিচালনা করি।’

    প্রথমে যখন ৭-৮ বছর বয়সে নিজেকে মানবসেবায় নিয়োজিত করলেন, তখন থেকেই দুস্থ শিশুদের কষ্ট অনুভব করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে শুরু করেন পলক। তার এই পথচলা শুরু হয় কার্গিল যুদ্ধের আহত জওয়ানদের চিকিৎসার জন্য গান গেয়ে ২৫ হাজার টাকা সংগ্রহের মাধ্যমে। আজ তার সেই অমূল্য শ্রম যথার্থ স্বীকৃতি পেয়ে গর্বিত করেছেন পুরো বিশ্বকে।

  • অভিমান ভেঙে টেস্ট নেতৃত্বে ফিরলেন শান্ত

    অভিমান ভেঙে টেস্ট নেতৃত্বে ফিরলেন শান্ত

    গত জুনে টেস্ট অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ান নাজমুল হোসেন শান্ত। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, ওয়ানডে নেতৃত্ব হারানোর পর তিন ফরম্যাটে আলাদা আলাদা অধিনায়কের বিরূপ জটিলতা তার উপর প্রভাব ফেলেছে। তবে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন সিরিজের শুরুর মুহূর্তের আগ মুহূর্তে নাটকীয়ভাবে আবার নেতৃত্বে ফিরলেন তিনি। আগামীকাল (মঙ্গলবার) সিলেটে সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে এসে শান্ত তার এই প্রত্যাবর্তনের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।

    শান্ত বলেন, ‘তিন ফরম্যাটে আলাদা আলাদা অধিনায়ক থাকায় আমি আগেই সরে গিয়েছিলাম। তবে এখন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে সব কিছু পরিষ্কার হয়েছে। আমি মনে করি, এখন আমি আত্মবিশ্বাসী এবং কোনও জটিলতা থাকছে না। আমার সঙ্গে অন্য দুই অধিনায়ক (লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ) এর কথাও পাকা। আমাদের মধ্যে যোগাযোগের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। এই কারণেই আমি মনে করি, এখন ফিরার ঠিক সময়।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘অধিনায়কত্ব থেকে সরে যাওয়ার সময়টাও আমি ইতিবাচকভাবে দেখছি। এই সময়ে আমি ভালোই ছিলাম; এখন বোর্ডের মনোভাব এবং যোগাযোগ আমাকে অনুপ্রাণিত করছে। আমি বিশ্বাস করি, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দল। সাবেক ক্রিকেটারদের চিন্তাধারা আমাকে খুব ভালো লেগেছে, তাই আমি ফিরে এসেছি।’

    এমনকি এই সিরিজে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্ট খেলার মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছেন (দ্বিতীয় টেস্টে)। এই অনন্য অর্জনকে সৌন্দর্য্যের সাথে উদযাপন করতে চান শান্ত। তিনি বলেন, ‘মুশফিক ভাইকে নিয়ে আমার খুব ভালো লাগা কাজ করছে। তার অভিজ্ঞতা আমাদের ড্রেসিং রুমে অনেক কাজে লাগে। আমরা চাই, এই দুটো টেস্টের সিরিজ জয়ের মধ্য দিয়ে সেই উদযাপনে অংশগ্রহণ করতে।’

  • বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের টিকিট মাত্র ছয় মিনিটে শেষ

    বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের টিকিট মাত্র ছয় মিনিটে শেষ

    আজ দুপুর ২টায় এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের বাংলাদেশের ম্যাচের জন্য টিকিট বিক্রি শুরু হয়। এই ম্যাচটি ১৮ নভেম্বর জাতীয় স্টেডিয়ামে হবে, এবং ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা ব্যাপক। মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যে সাধারণ গ্যালারির সব টিকিটই sold out হয়ে যায়।

    বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সদস্য সাবেক জাতীয় ফুটবলার গোলাম গাউস জানিয়েছেন, সাধারণ গ্যালারির সব টিকিটই মাত্র ছয় মিনিটে বুকিং হয়ে যায়। এখন গ্রাহকরা পেমেন্ট করছে, এবং ইতোমধ্যে অর্ধেকের বেশি টাকা পরিশোধও হয়েছে। সাধারণ গ্যালারির টিকিটগুলো এখন আর অবিক্রিত থাকেনি, তবে রেড বক্স এবং হসপিটালিটি ক্যাটাগরির টিকিট এখনও উপলব্ধ রয়েছে।

    পূর্বের বছরগুলোতে সিঙ্গাপুর ও হংকং ম্যাচের টিকিটের মূল্য ছিল ৪০০ টাকা। তবে ভারত ম্যাচের জন্য বাফুফে সেটি বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করেছে। দাম বাড়লেও সমর্থকদের আগ্রহ কমেনি। টিকিট উন্মুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অনেক দর্শক তা সংগ্রহ করেন। এত দ্রুত সময়ে সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট শেষ হলেও, এখনো দর্শকদের কাছ থেকে গালিম বা টিকিট না পাওয়া নিয়ে তেমন কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

    এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ১৩ নভেম্বর নেপালের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। এই ম্যাচের টিকিটও প্রায় এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে। তবে এই টিকিট বিক্রিও ধীর হওয়ায়, আশা করা হচ্ছে দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। গাউস বলেন, ‘ভারত ম্যাচের সব টিকিটই শেষ। আজ সেখানে অনেক গ্রাহক আসতেও শুরু করেছেন। এখন নিশ্চয়ই নেপাল ম্যাচের টিকিটও সংগ্রহ করবেন।’

    নভেম্বরের শুরুতে, ১০ জুন, বাফুফে অনলাইনে টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু করে। প্রথমে টিকিফাই প্ল্যাটফর্মে টিকিট সংগ্রহের ক্ষেত্রে অনেক ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়েছিল। পরে, অক্টোবরের উইন্ডোতে বাফুফে কুইকেটকে টিকিটিং পার্টনার হিসেবে নিযুক্ত করে। ৯ অক্টোবর ঢাকায় ঐ ম্যাচের টিকিট মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে বিক্রি হয়ে যায়।

    অক্টোবরের উইন্ডোতে ফুটবলপ্রেমীরা ভোগান্তিতে না পড়ায় নভেম্বরের উইন্ডোতেও সেই কুইকেটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সহজে অনলাইনে বিক্রি হওয়ায় দর্শকরা ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে টিকিট কিনে থাকেন। তার পরেও, চার মাস পেরিয়ে গেলেও, বাফুফে এখনও সিঙ্গাপুর ম্যাচের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করতে পারেনি।

  • নেতিবাচক ফুটবল মন্তব্যে বিসিবি-বাফুফের ঝঞ্ঝা

    নেতিবাচক ফুটবল মন্তব্যে বিসিবি-বাফুফের ঝঞ্ঝা

    বিসিবি পরিচালকের ফুটবল বিষয়ক কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে। গতকাল আসিফ আকবর সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্য করেন, যা দ্রুতই ব্যাপক আলোচনা ও নিন্দার জন্ম দেয়। এই পরিস্থিতিতে আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে ঘটনার সঙ্গে Brü ।চিঠিতে বাফুফে জানিয়েছে, ক্রিকেট কনফারেন্সে আসিফের অশোভন মন্তব্য দেশের ক্রীড়া মহলে দারুণ আঘাত হেনেছে। তারা বলেছেন, “অভিজাত” ও “মারামারি” শব্দের ব্যবহার যেন বৈষম্য ও হুমকির অনুভূতি জাগিয়ে তোলে, যা মূলত দেশের প্রতীকী মানচিত্রে ভিন্নতা সৃষ্টির অপপ্রয়াস। তারা আশা করছেন, আপনি এই বিষয়গুলোর স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেবেন।

  • শেষ বিকেলে স্পিনারদের দাপটে স্বস্তি ফিরল টাইগার শিবিরে

    শেষ বিকেলে স্পিনারদের দাপটে স্বস্তি ফিরল টাইগার শিবিরে

    দিনের শুরুতেই বাংলাদেশের বোলাররা প্রথম ওভারেই উইকেট নিয়ে দুর্দান্ত সূচনা দেয়, যা ম্যাচে একটা আশার ভাস্কর্য ছিল। তবে এরপরের সেশনে তারা আর উইকেট তুলতে পারেননি, আর আইরিশ ব্যাটাররা পল স্টার্লিং ও কেড কারমাইকেলের জোড়া ফিফটিতে বড় রানের ভিত তৈরি করে। দিনের প্রথম দিকে বেশ কিছু ভুল ফিল্ডিং ও ক্যাচ ছুঁড়ে ফেললেও দিনশেষে স্বস্তি ফিরে এসেছে বাংলাদেশের স্পিনারদের দৃঢ় পারফরম্যান্সের কারণে। হাসান মুরাদ ও মেহেদি মিরাজের অসাধারণ বলিংয়ে তারা দিন শেষ করে শান্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে।

    সিলেট টেস্টের প্রথম দিন শেষে আইরিশরা ৮ উইকেটে ২৭০ রান করে। এর মধ্যে বেন ম্যাকার্থি ২১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের পক্ষে তিনটি উইকেট লাভ করেন মেহেদি মিরাজ।

    এই ম্যাচের জন্য টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে আইরিশরা শুরুতেই প্রত্যাশিত হারিয়ে ফেলে উইকেট। প্রথম ওভারেই পেসার হাসান মাহমুদ অপরাজিত অ্যান্ডি বালবির্নিকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে স্বস্তি দেয়। তবে দ্রুতই ফিল্ডারদের ভুল ও বেশ কিছু সুযোগ নষ্টের কারণে আইরিশ ব্যাটাররা রানের গতি বাড়াতে থাকে। স্টার্লিং ৫৬ বলে ২১ রান করে জীবন পেয়ে যান। এরপর, ৯৪ রানে ১ উইকেটের ক্ষতিপূরণ করতে গেলে স্টার্লিংকেই আউট করেন নাহিদ রানা। এরপর হ্যারি টেক্টর এলবিডব্লিউ হন মাত্র ১ রান করে।

    অপরদিকে, কুর্টিস ক্যাম্ফার ও কারমাইকেল জুটি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ নেন। এই জুটিতে তারা ৫৩ রান যোগ করেন। তবে দ্রুতই এই জুটি ভেঙে যায়, কারমাইকেলর বিপদে পড়ে ড্রাইভে ক্যাচ দেন লেগ স্লিপে। এরপর, নাজমুল হোসেন শান্ত ডাইভ দিয়ে ক্যাচটি সংগ্রহ করেন। রিভিউয়ে সিদ্ধান্ত পাল্টে যায়, ফলে কারমাইকেল আউট হন।

    ১৯৩ রানের মধ্যে ক্যাম্ফার নামে ৫৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর, লরকান টাকার ও জোড়া মারফত দলের স্কোর এগিয়ে যায়। তবে, দলীয় ২০৩ রানে ক্যাম্ফার ফিরে যান, আর তার সঙ্গে টাকারও আউট হন। জোড়া উইকেট হারানোর পরে, ম্যাকার্থি ও নিলের যোগফলে কিছুটা ধারাবাহিকতা দেখান। দিনশেষে, বাংলাদেশের স্পিনাররা চাপ বেড়ে যাওয়ার পথে থাকলেও, জয়প্রাপ্তির জন্য প্রস্তুত। দিন শেষে আইরিশরা ৮ উইকেটে ২৭০ রান করে খেলা শেষ করেন।

  • মাহেদির ব্যাটিং জাদুতে খুলনা চট্টগ্রামকে হারিয়ে শীর্ষে

    মাহেদির ব্যাটিং জাদুতে খুলনা চট্টগ্রামকে হারিয়ে শীর্ষে

    জাতীয় ক্রিকেট লিগের ২৭তম আসরে তৃতীয় রাউন্ডের শেষ ম্যাচে খুলনা বিভাগ শীর্ষে উঠে এসেছে। স্পিন অলরাউন্ডার মাহেদি হাসানের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে তারা চট্টগ্রাম বিভাগকে ২ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে। এর ফলে তিন ম্যাচে দু’জয় ও এক হারে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার প্রথম স্থান দখল করে নিল খুলনা। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিভাগ সমান সংখ্যক ম্যাচে এক জয়, এক হার ও এক ড্র’সহ মোট ১০ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে।

    চট্টগ্রাম শহরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট সার্জেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে চতুর্থ ও শেষ দিন জেতার জন্য খুলনার দরকার ছিল ১৮৫ রান, আর চট্টগ্রামের ছিল সারা দিন ১০ উইকেটের বাধা। প্রথমে ব্যাট করে খুলনা বিভাগের পক্ষ থেকে উদ্বোধনী জুটি গড়ে ৮৫ রান, যেখানে অমিত মজুমদার ১০ রানে ও সৌম্য সরকার ৭১ রান করে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে থাকেন। সৌম্য ৯০ বলের মধ্যে ৭১ রান করে ৬টি চার এবং ২টি ছক্কা হাঁকান।

    দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে ১০৬ রান স্কোর করার পরে, সৌম্য ফেরার পর চট্টগ্রামের স্পিনার নাইম হাসানের ঘূর্ণিত বলে খুলনা দলের উইকেট পতনের ধারা শুরু হয়। সপ্তম উইকেট পতনের পরে তারা ১৬৯ রানে কমে যায়। এরপর অমিত ও সৌম্যর পর, তিন ব্যাটারকে ফিরিয়ে মাঠে নিয়মিত উইকেটের পতন ঘটান নাইম হাসান। অষ্টম উইকেটে মাহেদি হাসান ও নাহিদুল ইসলাম দলীয় ৫৭ রানের জুটি গড়তে সক্ষম হন; এই সময়, দল থেকে ১১ রান দূরে থাকাকালে মাহেদি ও নাহিদুল বিচ্ছিন্ন হন। শেষ দিকে, নাহিদুল ১০৫ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হন।

    মাহেদি হাসান অপরাজিত ৫০ রান করেন ৪৯ বলের মধ্যে, যেখানে ৭টি চার ও ১টি ছক্কা হাঁকান। রানার ২ রানে অপরাজিত থাকেন। চট্টগ্রামের নাইম হাসান ১০৫ রানে ৫ উইকেট নেন। এই জয়ের ফলে খুলনা বিভাগ দ্রুত টেবিলের শীর্ষে উঠে আসে, আর সৌম্য সরকার ম্যাচের সেরা হন।