Month: November 2025

  • ভাড়াটিয়াদের দাপটে অসহায় ব্যবসায়ী নিক্সন মার্কেটের মালিক

    ভাড়াটিয়াদের দাপটে অসহায় ব্যবসায়ী নিক্সন মার্কেটের মালিক

    নগরীর busiest ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা কেন্দ্র নিক্সন মার্কেটের একটি দোকানের মালিক তাদের অভিযোগ করেছেন যে ভাড়াটিয়া তার দোকানটি জবরদখল করে রেখেছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার অনেক সময় পরেও ভাড়াটিয়া দোকান ছেড়ে না যাওয়ায় তিনি অসহায় হয়ে পড়েছেন। তার জন্য তিনি বাড়িওয়ালাকেও দোকান ঘরে প্রবেশ করতে পারছেন না। ইতিপূর্বে তিনি শেখবাড়ির সহায়তা নিয়ে দোকানটিকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু এখন এক মহিলাদল নেত্রীর দৌরাত্ম্যে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। দোকানের মালিক তৈয়েবুর রহমানের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম বলেন, ভাড়াটিয়া মোহাম্মদ জানু সম্প্রতি দোকান ছাড়ছেন না, বরং নানা হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। তিনি বলেন, এই দোকানটি তিনি হাজী মহসিন রোডের বাসিন্দা মোহাম্মদ জানু থেকে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছিলেন। দুই দফায় চুক্তি হলেও ভাড়াটিয়া নিয়মিত ভাড়া দিতে গড়িমসি করে, ফলে তারা নতুন করে চুক্তি করেননি। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে জানু তাদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। স্বামী অসুস্থ থাকায় তিনি নিজে দোকানে যেতে পারেননি। পরে জানু দোকানই বন্ধ করে দেয়। পরিবার বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সমাধান চেয়েও ব্যর্থ হন। জানা গেছে, মহিলাদের দল নেতা কাকলি খানের আশ্রয়ে বেড়ে ওঠা জানু এখন আর দোকান ছাড়তে চাইছে না, তার হুমকিও চলছে। তার দাবি, পূর্বে তার বাড়ি পর্যন্ত মাস্তান পাঠানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি দোকানটি পুনরুদ্ধারে সরকারি বা স্থানীয় সহায়তা চাইছেন।

  • বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রেশন কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য ইউনিট ও নদী সংযোগে ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি

    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রেশন কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য ইউনিট ও নদী সংযোগে ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি

    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এক বছরের মধ্যে দেশের এক কোটি মানুষকে কাজে লাগানো এবং অর্থনীতিকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আওয়ামি পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল। গতকাল বুধবার দিঘলিয়ার সেনহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সমাবেশে এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দিঘলিয়া থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুর রহমান মিন্টু মোল্লা এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক রকিব মল্লিক।

    আজিজুল বারী হেলাল বলেন, ‘আমরা কল্পিত কোনও দিঘলিয়া চাই না, বাস্তবের দিঘলিয়া গড়ে তুলতে চাই যেখানে মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত হবে। তিনি বলেন, আমাদের সরকার গঠন হলে স্টার জুটমিলসহ বন্ধ হওয়া শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো আবার চালু করা হবে, যাতে স্থানীয় অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা যায়। বিশেষ করে, দিঘলিয়া যেন মৃতপ্রায় এলাকা থেকে অগ্রসর হয়ে একটি শিল্পনগরীতে রূপান্তরিত হয়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

    তিনি আরও জানান, ক্ষমতায় এলে এই মিলগুলো পুনরায় চালু করে মানুষের কর্মসংস্থান ফিরে আনা হবে। পাশাপাশি, বিএনপি শুধু নির্বাচনের সময় নয়, সারা বছরই মানুষের পাশে থাকতে চায়। প্রতিটি পরিবারকে একটি করে ফলজ গাছ উপহার দেওয়া হবে, যা পুষ্টির চাহিদা পূরণ করবে এবং অতিরিক্ত ফল বিক্রি করে পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে।

    পরিকল্পনা অনুযায়ী, আমরা ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘কৃষি কার্ড’ এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘হেলথ কেয়ার ইউনিট’ চালু করবো, যেখানে সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাবে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনায় তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে পালিয়েছে, এখন তারা একটি পলাতক দলের মতো। তবে বিএনপি কোনও দল নিষিদ্ধের পক্ষে নয়; যারা গুম, খুন বা নির্যাতনে জড়িত তাদের বিচার হবে, কিন্তু কলমের খোঁচায় কোনও দল নিষিদ্ধ করা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি নয়।

    জামায়াতের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করে বলেন, জামায়াত একদিকে বলে নির্বাচন হবে না, অন্যদিকে তারা ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়। তারা আওয়ামী লীগের তৈরি রাজনৈতিক শূন্যস্থান দখলের চেষ্টা করছে এবং ধর্মকে স্বার্থে ব্যবহার করছে। দলীয় নেতাকর্মীদের আধুনিক প্রচারণার আহ্বান জানিয়ে হেলাল বলেন, আধুনিক যুগে মাঠের পাশাপাশি ভার্চুয়াল দুনতেও দলের বক্তব্য ছড়িয়ে দিতে হবে, কারণ এখন মানুষ পত্রিকার তুলনায় মোবাইল বেশি দেখে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, দিঘলিয়া একসময় ছিল শিল্পনগরী, এখন তা একপ্রকার মৃতপ্রায়। বিএনপি সরকার গঠিলে এই অঞ্চলে আবারও শিল্পখাতের বিকাশ হবে। প্রতিশ্রুতি দেন, আমরা রেশন কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য ইউনিট ও নদী সংযোগে ব্রিজ নির্মাণ করব।

    উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি বিভিন্ন বিদ্যালয় ও কলেজে বৃক্ষরোপণ করেন এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনময় করেন। এর আগে তিনি দিঘলিয়ার পথের বাজারে দোকানদারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এছাড়া, সকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিচিতি সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালিত হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, শেখ আব্দুর রশিদ, এনামুল হক সজল, নাজমুস সাকিব পিন্টু, আরিফুল ইসলাম আরিফ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজক আতাউর রহমান রনু, বাবু উজ্জ্বল কুমার সাহা, রকিব মল্লিক, মোজ্জামেল শরিফ সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

  • যুব সমাজকে রক্ষা করতে হলে স্কুল থেকেই সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে

    যুব সমাজকে রক্ষা করতে হলে স্কুল থেকেই সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে

    বিশ্ববিদ্যালয়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ইভটিজিং এবং পরিবেশ ধ্বংস আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু বলে মনে করেন বিএনপি কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, যুব সমাজকে নিরাপদ রাখতে হলে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেই সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। শিক্ষার্থীরাই পারে সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস এবং ইভটিজিংর মতো ঘৃণ্য অপরাধ নির্মূল করতে।

    গতকাল বুধবার সকালে খালিশপুর শিল্পাঞ্চলে ‘সবার আগে খুলনা’ নামে সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক বর্ণাঢ্য গণসচেতনতামূলক র‌্যালির প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। র‌্যালিটি খালিশপুর ট্যাংক-লড়ি শ্রমিক ইউনিয়ন থেকে সূচনা করে পিপলস মোড় অতিক্রম করে খালিশপুর শিশুপার্ক হয়ে ঈদগাহ ময়দানে শেষ হয়। বকুল উল্লেখ করেন, আমরা চাই না আমাদের তরুণ প্রজন্ম মাদক, সন্ত্রাস বা ইভটিজিংয়ে জড়িয়ে পড়ুক। তাই শিক্ষকদের এবং শিক্ষার্থীদের সামাজিক দায়িত্ববোধের জন্য অগ্রগতির জন্য এগিয়ে আসতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষা, সড়ক নিরাপত্তা ও মানবিক সমাজ গঠনই আমাদের মূল লক্ষ্য। র‌্যালিতে খালিশপুর থানাধীন ১২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন শেখ জাহিদুল ইসলাম এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন রকিবুল ইসলাম বকুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেখ জাহিদুজ্জামান, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ ইউনুছ আলী, মোঃ শহিদুল ইসলাম, হাসিনা খাতুন, আফরোজা পারভীন ও ইসরাত জাহান প্রমুখ।

    শেষে ঈদগাহ ময়দানে অংশ নেওয়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

  • দেশ ও দলের বিপক্ষে অপশক্তি রুখতে অঙ্গীকারবদ্ধ আমরা

    দেশ ও দলের বিপক্ষে অপশক্তি রুখতে অঙ্গীকারবদ্ধ আমরা

    আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, দেশ ও দলের বিরুদ্ধে অপশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে আমাদের দৃঢ়ভাবে লড়াই করতে হবে। তিনি আরো বলেন, ২০০৭-২০০৮ সালে ১/১১ সময়ে কিছু কুচক্রীমহল আমাদের দলের ঐক্য খণ্ডনের অপচেষ্টা চালিয়েছিল, যা এখনো তারা বন্ধ করেনি। এই ষড়যন্ত্রগুলো প্রতিহত করতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। হিংস্র হায়নাদের চোখ রাঙানীকেও উপেক্ষা করে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আগামী দিনগুলোর জন্য ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে ভোট ও দোয়া জানানো জরুরি।

    তিনি গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর সদর থানার ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মরহুম জালাল উদ্দিন জালু মিয়া, ৩১নং ওয়ার্ড মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদিকা মরহুমা রাজিয়া খাতুন সাদিয়া, ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা বাবুল কাজী ও অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি শহরের বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, আহত সাংবাদিক ও সংগঠকদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। পরে খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজের স্বজনের মৃত্যুতে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের ঐক্য ও ন্যায়নিষ্ঠ আন্দোলন সত্যিকার পরিবর্তন আনতে পারে, সেই জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা, যার মধ্যে ছিলেন জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, মেহেদী হাসান দিপু, ইউসুফ হারুন মজনু, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, আসলাম হোসেন ও আরো অনেকে। বাংলাদেশের মানুষের স্মৃতি ও সংগ্রামের স্বচেতনতা ফিরিয়ে আনতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

  • খুলনা সাব রেজিস্ট্রিতে পেট্রোল বোমা হামলা

    খুলনা সাব রেজিস্ট্রিতে পেট্রোল বোমা হামলা

    খুলনা জেলার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্বৃত্তরা পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেছে। এই হামলায় অফিসের দলিল লেখকদের জন্য ব্যবহৃত সেরেস্তায় আগুন জ্বলে উঠে, যার কারণে চেয়ার ও টেবিল পুড়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে সাড়ে তিনটার দিকে, ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা এটি পরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে।

    ঘটনার পরপরই তৎপর হয়ে উঠেন টুটপাড়া ফায়ার সার্ভিসের একদল কর্মী। তারা এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন, ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পায় অফিসের সম্পত্তি।

    সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী ওয়াহিদুর রহমান নান্নু জানিয়েছেন, পেট্রোল বোমা হামলায় অফিসের সেরেস্তায় আগুন লাগলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দলিল এবং নথি পুড়ে গেছে। তিনি বলেন, হামলাকারীরা পেছনের গ্রিলের ভিতর থেকে দু’টি পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

    দলিল লেখকদের তথ্যমতে, তাঁরা সকালে অফিসে এসে দেখেন, কিছু নথি ক্ষতিগ্রস্ত ও পুড়ে গেছে এবং অফিসের আসবাবে বিশেষ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    খুলনা সদর থানার তদন্ত বিভাগের কর্মকর্তা ওসি আব্দুল হাই জানান, এই নাশকতার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।

  • গভর্নর বললেন, রাজনীতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে

    গভর্নর বললেন, রাজনীতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে

    দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, দেশের রাজনীতি যদি স্থিতিশীল থাকে, তাহলে অর্থনীতি আরও বেশি উন্নতি করবে। তিনি এই মন্তব্য করেছেন শনিবার (০৮ নভেম্বর) বেলা দেড়টার সময়, টাঙ্গাইলে ওয়াটার গার্ডেন রিসোর্টের হল রুমে অনুষ্ঠিত মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথোরিটির আয়োজিত এক আঞ্চলিক সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময়। এই সেমিনারে তিনি মূলতพู口্যছিলেন গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের কাছে ব্যাংকের ব্যাংকের অর্থ সহজে পৌঁছে দেয়ার ওপর। তাঁরা এ উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে অর্থনৈতিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে চান। গেভর্নর আরও জানিয়েছেন, পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার জন্য বেশ কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংক ইংল্যান্ডে আইনজীবী পাঠিয়েছে এবং বিভিন্ন গ্রুপের ক্লেমগুলো স্থির করার চেষ্টা চলছে। যদি এই প্রক্রিয়া সফল হয়, তাহলে দ্রুতই ইতিবাচক ফলাফল দেখা যাবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এমআরএ’র নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান, ব্রাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল মোমেনসহ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা। এ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন এনজিওর চেয়ারম্যানরাও উপস্থিত ছিলেন।

  • পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত আগামী সরকার নেবে: অর্থ উপদেষ্টা

    পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত আগামী সরকার নেবে: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থনৈতিক পরিষদের সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের শেষে আজ রোববার (৯ নভেম্বর) অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, নতুন পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আগামী সরকারকেই দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার এখন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করছে, যা পরবর্তী সরকার চালিয়ে যাবে।

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আইএমএফের সঙ্গে আলাপ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ১৫ তারিখে তাদের সঙ্গে শেষ আলোচনা হবে, যেখানে তারা আমাদের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, আইএমএফের বেশ কিছু সুপারিশ রয়েছে, যেমন রাজস্ব আয় বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও কম থাকায় অর্থনৈতিক গতি ধীর হয়ে পড়ছে। এ বিষয়ে আমাদের কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে, বিশেষ করে করদাতাদের অনীহা and এনবিআর-এর দুই মাসের বন্ধ থাকা পরিস্থিতি মোকাবেলা।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সামাজিক সুরক্ষার জন্য আরও বেশি ব্যয় করার প্রস্তাব এসেছে, যা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা ও খাদ্য পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নির্বাচনের তিন মাস আগে আমরা এই সংস্কার ও কাজগুলো সম্পন্ন করব। এই সংস্কার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে এবং একটি সুন্দর প্যাকেজ হিসেবে পরবর্তী সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আগে আমরা যতটুকু সম্ভব কাজ করব, সবগুলোকে একত্রিত করে রাখতে চেষ্টা করব। সংস্কার কাজটি এককথায় শেষ করা সম্ভব নয়, কারণ এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা চাই এটা এমনভাবে প্যাকেজ করে দিতে যেন পরবর্তী সরকার সহজে চালাতে পারে।

    অর্থ উপদেষ্টা আরও জানান, তিনি একটি ট্যাক্স রিকমেন্ডেশন কমিটি গঠন করেছেন, যেখানে স্বতন্ত্র ইকোনমিস্টরা অংশ নিয়েছেন, যারা ভবিষ্যতের জন্য নতুন পরামর্শ দেবেন।

    অন্যদিকে, পে-কমিশনের নতুন সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তিনি বলেন, এটি এখনই কিছু বলা কঠিন কারণ দেখার বিষয় আছে। ভবিষ্যতে নতুন সরকারের জন্য এর সুফল বা পরিবর্তন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    অর্থনীতি-সংক্রান্ত অন্য এক সমস্যা, ব্যাংক সেক্টর, সম্পর্কে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এটি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। সম্প্রতি এর উন্নতি শুরু হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে অন্যান্য বিভাগগুলোও ধীরে ধীরে এগোবে।

    অর্থনৈতিক সচিবরাও আশা প্রকাশ করেন যে, এই সব উদ্যোগ ও সংস্কার আগামী সরকারের জন্য সহায়ক হবে।

    সর্বশেষে, তিনি বলেছিলেন, আইএমএফের ষষ্ঠ কিস্তি পেতে বরাবরই আমরা প্রস্তুত, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে খুব বেশি জরুরি মনে হয় না। তারা আমাদের একটি রিভিউ করবে, যেখানে দেখা হবে আমাদের ক্ষমতা এবং রাজনৈতিক স্থিতির ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে তারা বিস্তারিত মূল্যায়ন করে সিদ্ধান্ত নেবে।

  • দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে দৌড়ে নতুন উচ্চতায়

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে দৌড়ে নতুন উচ্চতায়

    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বেড়েছে, যা স্বর্ণশিল্প ও ক্রেতাদের জন্য সুখবিনোদন নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা প্রকাশ করে জানিয়েছে, এবার তারা প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করেছে। এই মূল্যবৃদ্ধি মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বর্ণের দাম আরেক ধাপ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলস্বরূপ, আগের তুলনায় ওই দাম বেশি হবে।

    নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি এখন ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের জন্য দরে কিছুটা কম, যা ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪২ টাকা।

    এর আগের ঘোষণা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর এক ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৮০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা নির্ধারিত হয়েছিল। তবে, নতুন মূল্য ধারাবাহিকভাবে বাজারে স্বর্ণের চাহিদা ও আন্তর্জাতিক মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবের কারণে আরও বাড়ছে।

  • এক লাফে স্বর্ণের দাম বাড়ল ভরিতে ৪ হাজার টাকা

    এক লাফে স্বর্ণের দাম বাড়ল ভরিতে ৪ হাজার টাকা

    একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বার দেশের সবচেয়ে মূল্যবান মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ৪ হাজার ১৮৮ টাকা বেড়েছে। এর ফলে, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির মূল্য এখন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৭১ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার একটি বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের নতুন দাম ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয় সংস্থার স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর সভায়, যেখানে সব সদস্যের সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি ও স্থানীয় বাজারের অস্থিরতার কারণে আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম এখন ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪৮ টাকা। পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ক্ষেত্রে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৮ টাকা। আরও জানানো হয়েছে, রুপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের হলমার্ক রুপার প্রতি গ্রাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৩৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৪৩৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার মূল্য ২২৩ টাকা প্রতিগ্রাম। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আসন্ন দামের এই পরিবর্তনগুলো পরবর্তী ঘোষণা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যতে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের निर्धारित ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরির যোগ কতা দিতে হবে। গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরি ভিন্ন হতে পারে।

  • নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর

    নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর

    বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্যরা বিদেশ থেকে আমদানি করা ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি এবার সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তর করা হবে। এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনায়। আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) এই বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে সংস্থাটি।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ গুলোর মধ্যে কিছু গাড়ি উচ্চ শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি হয়েছিল, যা নিয়ে চট্টগ্রামের কাস্টমস হাউস থেকে নির্দেশনা চাওয়া হয়। এর জবাবে নির্ধারিত হয়, এই গাড়িগুলোর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য নয়, এবং আমদানিকারকরা স্বাভাবিক হারে শুল্ক ও কর পরিশোধের পর গাড়িগুলো খালাস করতে পারবেন। গত বছরের ৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম কাস্টমস এই নির্দেশনা দেয়।

    প্রতিটি গাড়ির জন্য মোট শুল্ক-কর পরিশোধের পরিমাণ প্রায় ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। এই উচ্চ মূল্যের গাড়িগুলোর একক শুল্ক সর্বোচ্চ প্রায় ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা, আবার সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

    উল্লেখ্য, এই শুল্ক-কর পরিশোধের নির্দেশনা সত্ত্বেও গাড়িগুলোর আমদানির জন্য নির্ধারিত টাকাগুলো পরিশোধ করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যরা। ফলে, কাস্টমস আইন, ২০২৩ এর ধারা ৯৪(৩) অনুযায়ী, এই গাড়িগুলো নিলামে তোলা হয়। কিন্তু, কোনো নিলামকারী গাড়িগুলোর মূল্য যথাযথভাবে বিবেচনা করে বিড না করায়, এগুলো নিলামে বিক্রি হয়নি। পরবর্তীতে জনস্বার্থে এই গাড়িগুলোর ব্যবহার নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আর এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে, এসব অতি মূল্যবান গাড়িগুলো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের জন্য এই বিশেষ আদেশ জারি করা হয়।

    সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকরা ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযোজ্য সব শুল্ক ও কর পরিশোধ করে কোনও আইনানুগ প্রক্রিয়ায় গাড়িগুলো খালাস করতে চাইলে, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস সেই গাড়িগুলোর শুল্কায়নযোগ্য মূল্য নির্ধারণ ও সংশ্লিষ্ট আইন নিয়ম অনুসরণ করে গাড়িগুলো খালাসে সহায়তা করবে।

    অবশেষে, এই শুল্ক-কর আদায়পূর্বক, গাড়িগুলো ভবিষ্যতে কাস্টমসের মাধ্যমে আমদানিকারকের অনুকূলে খালাস করে, এগুলো সরকারি যানবাহন হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে এবং প্রয়োজন হলে ফেরত দেওয়া হবে।