Month: November 2025

  • চার দিনে ২০ যানবাহনে আগুন, ৫০টির বেশি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে

    চার দিনে ২০ যানবাহনে আগুন, ৫০টির বেশি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে

    রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একের পর এক অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ঝটিকা মিছিলের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। এ সব ঘটনার পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকদিন ধরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ধরনের আন্দোলনের নামে নাশকতা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ আসছে। বিশেষ করে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার আগেই এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এর ফলে ঢাকাজুড়ে নানা অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। গত চার দিনে ঢাকাসমলিত বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ২০টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগ এবং ৫০টির বেশি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অনেক স্থানেই সন্ধ্যা পর্যন্ত অবিরত অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের ঘটনা দেখা গেছে। অন্যদিকে, গত ১০ দিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গণগ্রেফতার চালিয়ে মোট ১৯৫জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই আটকদের মধ্যে বেশির ভাগই নাশকতা, ককটেল বিস্ফোরণ ও ঝটিকা মিছিলের পরিকল্পনায় জড়িত বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে, ১১ ও ১২ নভেম্বরের অভিযানে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। তারা অনিরাপদ পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রের অস্থিতিশীলতা লক্ষ্য করে বিভিন্ন স্থানে একত্রিত হয়ে নাশকতা কর্মকাণ্ড চালাতে চেয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে গজারিয়া, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মিরপুর, গাজীপুরসহ অন্যান্য এলাকা। এর মধ্যে অনেকজনই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের পদে থাকেন। ডিবির ধারণা, এসব কর্মকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল জনমনে ভয়াবন্ত আতঙ্ক সৃষ্টি করা। ১৩ নভেম্বরের দিন ঢাকায় নিরাপত্তার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, যাতে কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। তবে, এই অস্থিরতা উর্ধ্বমুখী থাকায় রাজনীতি ও সাধারণ জীবনপ্রবাহে প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। গত এক সপ্তাহে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ২০টি যানবাহনে আগুন লাগানো এবং অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আশুলিয়া, গাজীপুর, যাত্রাবাড়ী, সূত্রাপুর, সায়েন্সল্যাব, মিরপুর ও উত্তরা এলাকায় এ ঘটনা বেশিরভাগই ঘটে। বুধবার ভোরে আশুলিয়ায় আলীফ পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়, যা সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। একই দিন গাজীপুরের বাসন ও কাশিমপুর থানার বাসগুলোতে আগুন ধরানো হয়। মঙ্গলবার রাতে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় আলম এশিয়া পরিবহনের বাসে আগুন দিয়ে একজন হেলপার মারা যান। এর আগে, সোমবার বাড্ডা ও নতুনবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা জুড়ে যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকালে আরো চারটি স্থানে এই ধরনের ঘটনা দেখা গেছে। এর সাথে সাথে ককটেল ও হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনাও বেড়ে গেছে। বিশেষ করে, মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলে দুটি পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ এবং শাহবাগ, ধানমন্ডি, মিরপুর, ফার্মগেট ও মালিবাগের মতো এলাকার বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৫০টি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া বিভাগের ডিসি মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, ১ নভেম্বর থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর ১৫টি স্থানে ২৭টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে, যেগুলো মূলত দেশীয় তৈরি পটকার মতো সরল বিস্ফোরক। তিনি বলেন, এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের জন্য পুলিশ তৎপর। তিনি আরও বলেন, যেকোনো ধরনের নাশকতা রোধে পুলিশ কঠোরভাবে কাজ করছে এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক এই ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও প্রকাশ্য সহিংসতা সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ছড়িয়ে দিচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেছেন, এই ধরনের পরিস্থিতি যদি অব্যাহত থাকে এবং রাজনীতি বিভক্তি বৃদ্ধি পায়, তাহলে বিপদ আরও সংগঠিত হবে। তাদের মতে, সহিংসতার এই সংস্কৃতি থামানোর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত দুর্বৃত্তায়ন থেকে বিরত থেকে সংলাপ ও সমঝোতার পথে এগোানো। ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিসি (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান আরও বলেন, পুলিশ সব সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ ঠেকানোর জন্য কঠোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, এ সব ঘটনায় বেশ কিছু ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীও গ্রেফতার হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানানো হয়েছে। সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন।

  • ডিপজলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলার তদন্ত শুরু পিবিআইয়ের দ্বারা

    ডিপজলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলার তদন্ত শুরু পিবিআইয়ের দ্বারা

    অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও তার সহযোগী মো. ফয়সালের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগের নতুন মামলা দায়ের হয়েছে ঢাকার আদালতে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর কাছে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঘটনাটি ঘটেছে মনোয়ারের স্ত্রী রাশিদা আক্তারের দাবি অনুযায়ী।

  • ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়াল ও স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

    ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়াল ও স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

    আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য উপ-কমিটির সদস্য এবং ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগারওয়াল ও তাঁর স্ত্রী সবিতা আগারওয়ালের আয়কর নথি জব্দের জন্য আদালত নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশনা তিনি ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের করা তদন্তযোগ্য আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি করা হয়েছে। সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোঃ সাব্বির ফয়েজ এ নির্দেশ প্রদান করেন।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে দুইটি আলাদা দরখাস্তে এই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত এই আদেশ দেন। দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, দিলীপ কুমার আগারওয়াল অসাধু উপায়ে অবৈধভাবে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১২ কোটি ৪৭ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন ও তা ভোগদখলে রেখেছেন। এছাড়া তিনি নিজের ও তাঁর স্বার্থবিশিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে ৩৪টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৭৫৫ কোটি ৩০ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন। এসব অর্থ তিনি দুর্নীতি, ঘুষ, এবং মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অর্জন করেছেন বলে দুদকের অভিযোগ।

    অন্য আবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর স্ত্রী সবিতা আগারওয়ালও অসাধু উপায়ে ৪৫ কোটি ৭০ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে তা ভোগদখলে রেখেছেন। তার নামে ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে পাওয়া গেছে আটটি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ২১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন। এসব অর্থও দুর্নীতি, ঘুষের টাকা ও মানি লন্ডারিংয়ে ব্যয় করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    উভয়ের বিরুদ্ধে তদন্তের স্বার্থে তাদের আয়কর পর্যালোচনার জন্য এসব নথি তদন্ত কর্মকর্তার হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য প্রয়োজন আদালতের অনুমোদন ও নির্দেশনা, যাতে তাদের আয়কর নথিগুলি জব্দ করে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়।

  • একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেনাপ্রধানের সক্ষমতা অর্জনের আহবান

    একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেনাপ্রধানের সক্ষমতা অর্জনের আহবান

    সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে যাতে আমরা একবিংশ শতাব্দীর কঠিন চ্যালেঞ্জগুলির সাথে সামনের দাঁড়াতে পারি। তিনি সম্প্রতি রাজশাহী সেনানিবাসে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট’ এর ২০তম বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহবান জানান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশের স্বার্থে তাদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। এছাড়া, তিনি অধিনায়কদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা, পেশাদারী দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোকপাত করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আধুনিক আর্মির বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, যার মধ্যে রয়েছে এ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের (আর্টডক) জিওসি, বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের কমান্ড্যান্ট, ১১ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, বগুড়া এরিয়া কমান্ডার এবং অন্যান্য উচ্চস্তরের সেনা কর্মকর্তা। এ অনুষ্ঠানে সব ইউনিটের অধিনায়ক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের আগের দিন, সেনাবাহিনী প্রধানকে সম্মেলন কক্ষে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানিয়ে অভ্যর্থনা জানান আর্টডকের জিওসি, বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের কমান্ড্যান্ট, ১১ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং বগুড়া এরিয়া কমান্ডার। এর মাধ্যমে, সেনাবাহিনী নতুন করে নিজের প্রস্তুতি ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে, যাতে তারা দেশের জন্য ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়।

  • বিটিভি রাজনীতির হাতিয়ার নয়, সংস্কারের পথে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে: মাহফুজ আলম

    বিটিভি রাজনীতির হাতিয়ার নয়, সংস্কারের পথে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে: মাহফুজ আলম

    তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে বিটিভিকে স্বায়ত্তশাসিত করার কাজ চলমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে বিটিভিকে পুনর্গঠিত করা হচ্ছে, যাতে এটি কোনো দলের বা রাজনৈতিক শক্তির স্বার্থের হাতিয়ার হয়ে না ওঠে।

    মাহফুজ আলম আরও বলেন, বিটিভিতে নতুন করে আরও আধুনিক রিয়েলিটি শো এবং প্রতিযোগীদের নিয়ে নতুন অনুষ্ঠান শুরু করা হবে, যা ভবিষ্যতেও চালু থাকবে। এখন থেকে বিটিভি হবে সবার, সব দলের এবং সব মানুষের জন্য।

    বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর শাপলা হলে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    তথ্য উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, নতুন বাংলাদেশে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এটি একটি সাংস্কৃতিক উপলক্ষ নয় শুধু, বরং তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি নতুন দিগন্তের সূচনা। এটি তরুণদের স্বপ্ন, সৃজনশীলতা এবং প্রতিভা প্রকাশের জন্য একটি অসাধারণ প্ল্যাটফর্ম। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত পদ্ধতিতে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিশু-কিশোর ও তরুণরা নির্বাচিত হয়েছে। ধর্ম, বর্ণ, অঞ্চল বা অর্থনৈতিক অবস্থা নির্বিশেষে এই সব তরুণরা নতুন বাংলাদেশের পতাকা বহন করবে, নিজেদের প্রতিভা ও পরিশ্রম দিয়ে আমাদের সংস্কৃতি, সমাজ ও সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। জুলাই মাসের শহীদ ও আহতদের স্মরণে এই প্রতিযোগিতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটিও তিনি 강조 করেন।

    মাহফুজ আলম বলেন, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশকে একক ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। যদিও বাংলাদেশ বহুবিভিন্ন সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্যের দেশ, কিন্তু এ বৈচিত্র্যের পূর্ণ সৌন্দর্য আগে আমরা উপভোগ করতে পারিনি। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অংশগ্রহণ অনেকাংশে বাধা পেয়েছে, যার ফলে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক ধরনের স্বৈরশাসন বা ফ্যাসিবাদ নেমে আসে।

    তিনি আরও বলেন, এখন থেকে আমাদের সাংস্কৃতিক কাঠামোতেও সকলের স্থান নিশ্চিত করতে হবে। জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের সংস্কৃতি হবে শক্তির উৎস। অন্তর্ভুক্তি, বৈচিত্র্য ও মানবতার শান্তিপূর্ণ মিলনের মধ্য দিয়েই আমাদের সভ্যতা বিকাশ পাবে। বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক সম্পদ ও অনন্য অবদানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই অনন্যতার অনুসরণে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথে accelerated হয়ে চলছি।

    ২০২৫ সালের প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে মাহফুজ আলম আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই প্রতিযোগীতায় অংশ নেওয়া তরুণদের প্রতিভা, নিষ্ঠা ও উদ্ভাবনী শক্তি আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়। তিনি উল্লেখ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহের সময়সীমায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নতুনভাবে মানেবাস জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তিনি আশা করেন, তরুণ প্রতিভাবানরা এই সৃজনশীল যাত্রা অব্যাহত রাখবে এবং দেশের গৌরব আরও বৃদ্ধি করবে। তিনি বিশেষ করে জোর দেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের এই যাত্রা যেন অব্যাহত থাকে, নতুন বাংলাদেশের জন্য এই অঙ্গীকার ও মানসিকতা বজায় রাখা জরুরি।

  • জেমস বন্ড নির্মাতা লি তামাহোরি আর নেই

    জেমস বন্ড নির্মাতা লি তামাহোরি আর নেই

    নিউজিল্যান্ডের খ্যাতনামা চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং জেমস বন্ড সিরিজের জনপ্রিয় সিনেমা ‘ডাই অ্যানাডার ডে’ এর পরিচালক লি তামাহোরি মারা গেছেন। দ্য গার্ডিয়ানের খবর অনুযায়ী, তিনি শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বয়সের ৭৫ বছর পুর্ণ করে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার পরিবারের বরাত দিয়ে রেডিও নিউজিল্যান্ড জানায়, দীর্ঘদিন পারকিনসনের রোগে ভোগার পর তিনি নিজ বাসায়ই শান্তিপূর্ণভাবে চলে যান।

    পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, লির রেখে যাওয়া সৃষ্টিশীলতা ও অনুপ্রেরণা অব্যাহত থাকবে তার উত্তরাধিকার, তার নাতি-নাতনিদের পাশাপাশি আরও তরুণ নির্মাতাদের জন্য যাদের তিনি অনুপ্রাণিত করেছেন। তিনি ছিলেন এক কথায় দৃঢ়চেতা নেতা ও প্রবল সৃজনশীল একজন শিল্পী, যিনি পর্দার সামনে এবং পেছনে মাওরি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সম্মানে ও শ্রদ্ধায় তুলে ধরেছেন।

    জানানো হয়, লি তামাহোরি ১৯৫০ সালে ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণ করেন। তার মাওরি ও ব্রিটিশ বংশের সংমিশ্রণে তাকে গড়ে উঠতে দেখা গেছে। তার ক্যারিয়ার শুরু হয় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের চলচ্চিত্র শিল্পে, যেখানে তিনি সােআর গুডবাই পার্ক পাই ও দ্য কোয়ায়েট আর্থের মতো সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। পাশাপাশি নাগিসা ওশিমার বিশ্ববিখ্যাত সিনেমা ‘মেরি ক্রিসমাস’ ও ‘মিস্টার লরেন্স’-এ তিনি প্রথম সহকারী পরিচালক হিসেবে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

    তাদের পরিচালনায় ১৯৯৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওয়ান্স ওয়ার ওয়ারিয়র্স’ ছিল নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে অন্যতম দর্শকপ্রিয় সিনেমা, যা সেই সময় সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড গড়েছিল। এরপর তিনি মুলহল্যান্ড ফলস, দ্য এজ, অ্যালং কেইম আ স্পাইডারসহ বেশ কিছু হলিউড সিনেমার নির্মাতা হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসিত হন।

    ২০০২ সালে পিয়ার্স ব্রসনানের সঙ্গে জেমস বন্ড সিরিজের ‘ডাই অ্যানাডার ডে’ সিনেমাটি তার ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়। হলিউডের ব্যবসা শেষে তিনি আবার নিউজিল্যান্ডে ফিরে আসেন এবং সেখানে ‘মাহানা’ এবং সাম্প্রতিক সময়ে ‘দ্য কনভার্ট’ সিনেমাগুলি পরিচালনা করেন, যাতে ব্রিটিশ মিশনারির চরিত্রে অভিনয় করেন গাই পিয়ার্স।

  • ধর্মেন্দ্র মৃত্যুর গুঞ্জনে স্ত্রীর কঠোর প্রতিক্রিয়া: যা ঘটছে তা ক্ষমার অযোগ্য

    ধর্মেন্দ্র মৃত্যুর গুঞ্জনে স্ত্রীর কঠোর প্রতিক্রিয়া: যা ঘটছে তা ক্ষমার অযোগ্য

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। প্রবীণ এই তারকা বর্তমানে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন, এবং তার মৃত্যু নিয়ে ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এসব গুজবের মাঝে অবশেষে মুখ খুলেছেন ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী হেমা মালিনী এবং মেয়ে এষা দেওল, যারা এইসব খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অতি অপ্রিয় বলে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন।

    কথা হচ্ছে, যখন গুঞ্জন চেপে বসেছিল, তখন ধর্মেন্দ্রর মেয়ে এষা দেওল তার অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন। এতে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তার বাবার অবস্থা এখন স্থিতিশীল এবং তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তালেবাদ দিয়ে তিনি সকলকে অনুরোধ করেছেন, আমাদের পরিবারের গোপনীয়তা রক্ষা করার, এবং বাবার দ্রুত আরোগ্যের জন্য প্রার্থনা করতে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্রর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে ভুয়া খবর ছড়ানোর ঘটনায় আরও বেশি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী হেমা মালিনী। তিনি এক পোস্টে কঠোর ভাষায় এইসব গুজবের নিন্দা জানিয়েছেন। হেমা লিখেছেন, ‘যা ঘটছে তা ক্ষমার অযোগ্য। একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, যেখানে আমরা জানিনা সত্যিটা। আমি কোনো ধারণা করি না কীভাবে এই ধরনের ভুয়া খবর ছড়ানো হতে পারে, যখন দেখা যায় যে, অভিনেতা চিকিৎসার প্রতি সাড়া দিচ্ছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। এটা অত্যন্ত অসম্মানজনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। কেউ দয়া করে পরিবারের গোপনীয়তার প্রতি সম্মান দেখান।’

    পরিবারের নিশ্চিতকরণ মতে, বলিউডের ‘হি-ম্যান’ খ্যাত এই অভিনেতা বর্তমানে সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং চিকিৎসার প্রতিও যথাযথভাবে মনোযোগ দিচ্ছেন। গুজবে কান না দেওয়ার এবং পরিবারের গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য ধর্মেন্দ্রর পরিবার সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

  • ৩,৮০০ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করে গিনেসে নাম পলক মুচ্ছলের

    ৩,৮০০ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করে গিনেসে নাম পলক মুচ্ছলের

    গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে তার নাম উঠে এসেছে বলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা পলক মুচ্ছলের। তবে তার এই সাফল্য সুরের জন্য নয়, বরং মানবসেবা ও দৃষ্টান্ত স্থাপনায়। পলক মুচ্ছল তার নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দিয়ে প্রায় ৩,৮০০ দুস্থ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করেছেন, যা তাকে এই বিশ্ববিখ্যাত রেকর্ডে নাম লেখানোর সুযোগ করে দিয়েছে। এটি সত্যিই এক অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প।ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ছোট থেকেই মানবসেবায় মনোযোগী পলক। তিনি নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘পলক পলাশ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন ২০১১ সালে। এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি অসংখ্য শিশুর হার্টের জীবন রক্ষা করেছেন। সেই প্রচেষ্টার জন্য তিনি গিনেস বুকে এবং লিমকা বুক অফ রেকর্ডস-এ স্থান পেয়েছেন।অল্পসংখ্যক শিশু দিয়ে শুরু হওয়া এগুলো বর্তমানে তার life’s biggest mission। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি কনসার্ট এখন আমার এই সংস্থার জন্য হয়, যাতে দরিদ্র শিশুদের হার্ট সার্জারির জন্য অর্থ সংগ্রহ করা যায়।’ এই সংগঠন চালু করার পেছনে তাঁর দীর্ঘতর গল্প রয়েছে। সাত বছর বয়সে, যখন তিনি দুস্থ শিশুদের কষ্ট দেখতে পেতেন, তখন থেকেই মানবসেবা করার প্রতিশ্রুতি নেন। কার্গিল যুদ্ধের জখম সৈন্যদের চিকিৎসার জন্য রাস্তায় গান গেয়ে তিনি ২৫ হাজার টাকা উপার্জন করেন। এই সব চেষ্টা ও শ্রম তাকে আজকের স্বীকৃতি এনে দিয়েছে, যা শুধু তার নয়, বরং হাজারো শিশুর জীবনে নতুন আলো জ্বালিয়েছে।

  • নিজ বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ

    নিজ বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ

    বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা গোবিন্দ বুধবার (১২ নভেম্বর) ভোরে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকাল থেকে আচমকা মাথা ঘোরা ও অচেতন হয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেন। তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আইন উপদেষ্টা ললিত বিন্দাল জানিয়েছেন, বর্তমানে গোবিন্দ স্থিতিশীল আছেন এবং চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।

    ললিত আরও বললেন, মঙ্গলবার সকালে থেকেই গোবিন্দ কিছুটা দুর্বলতা অনুভব করছিলেন। বিকেলে নয়-সাতটার দিকে তিনি হঠাৎ দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েন এবং অচেতন হয়ে যান। এরপর পারিবারিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু ওষুধ খান তিনি। রাত সাড়ে আটটা থেকে নয়টার মধ্যে ওষুধ খেয়ে বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করেন।

    তবে মধ্যরাতের দিকে আবারও তার শ্বাসকষ্ট ও মাথা ঘোরা শুরু হয়। তখন গোবিন্দ তার বন্ধু ললিতকে ফোন করেন। পরে তিনি পরিস্থিতি বুঝতে পেরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটে তার বাসায় পৌঁছে যান ও দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। রাত ১টার দিকে তাঁকে ক্রিটিকেয়ার এশিয়া মাল্টিপারGyশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    প্রাথমিকভাবে গোবিন্দকে জরুরি বিভাগের আইসিইউতে নেওয়া হলেও পরে তাকে সাধারণ কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হলেও এখনো রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকদের ধারণা, রিপোর্ট হাতে পেলে আরও নির্দিষ্ট العلاج নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। গোবিন্দের বন্ধু ললিত বলেছেন, ‘আজ সকালে আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি এখন অনেকটা ভালো আছেন বলে জানিয়েছিলেন।’

    উল্লেখ্য, হাসপাতালের ভর্তির সময় গোবিন্দের স্ত্রী সুনীতা আহুজা বা তাঁর মেয়ে টিনা কেউই তার সঙ্গে ছিলেন না। ললিত জানান, সুনীতা তখন শহরে ছিলেন না, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। এরপর রাতে মুম্বাই ফিরে এসে হাসপাতালে আসেন। তাঁর মেয়ে টিনা তখন চণ্ডীগড়ের দিকে ছিলেন, তিনি পথে আছেন এবং সন্ধ্যার মধ্যে বাবার সঙ্গে দেখা করবেন।

    অন্যদিকে, একদিন আগে অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে দেখতে যান গোবিন্দ। সম্প্রতি তিনি ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন। এই ঘটনার পরই গোবিন্দ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। অস্তিত্বের এই সংক্ষিপ্ত ঘটনায় তাঁর সুস্থতা কামনায় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মনে আশার আলো জ্বলজ্বল করছে।

  • হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় একটি মামলায় সাবেক স্ত্রী রিয়া মনির হত্যা ও মারধরসহ ভয়ভীতি দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম, যিনি হিরো আলম হিসেবে পরিচিত, এবং তার সহযোগী আহসান হাবিব সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান এ আদেশ দিয়েছেন।

    মামলার ভারপ্রাপ্ত আইনজীবী জিয়াউর রহমান চৌধুরী বলেন, আসামিরা জামিনের শর্ত ভঙ্গ করে আদালতে হাজিরা দিচ্ছিলেন না, এ কারণে তাদের জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

    এ বছর ২৩ জুন দাখিল করা মামলার এজাহারে জানা যায়, মনোমালিন্যর ঘটনায় হিরো আলম তার স্ত্রী রিয়া মনিকে বাসা থেকে বের করে দেন। পরে মীমাংসার জন্য হাতিরঝিল থানার এক বাসায় রিয়া মনিকে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে অজ্ঞাতনামা প্রকৃতির ১০-১২ জনের সঙ্গে আসামিরা তাকে মারধর করেন এবং গলার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন। উল্লেখ্য, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রিয়া মনির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।