Month: November 2025

  • অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তানজিন তিশার পক্ষ থেকে বিস্তারিত বিবৃতি

    অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তানজিন তিশার পক্ষ থেকে বিস্তারিত বিবৃতি

    সম্প্রতি তানজিন তিশা নতুন সিনেমায় নাম লিখিয়েছেন। তিনি ইতিমধ্যে তার প্রথম সিনেমার শুটিং শুরু করেছেন। তবে এর মধ্যেই তিনি নানা ধরনের অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। দুটি ফ্যাশন হাউসের প্রতারণার অভিযোগের পর এবার ভারতীয় এক প্রযোজকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন তিশা। প্রযোজক শরীফ খানের দাবি, তিশা তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন। এই পরিস্থিতিতে সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তিশা একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছেন।

    তিশা ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, “সাম্প্রতিক সময়ে আমি ভারতের পরিচালক এম এন রাজের সঙ্গে ‘ভালোবাসার মরশুম’ সিনেমা করার পরিকল্পনা করি। তবে এই প্রসঙ্গে কিছু ভুল তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে এবং এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রটানো হচ্ছে। আমি যখন এই সিনেমার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম, তখন আমি আমার আইনজীবীর মাধ্যমে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছিলাম। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ ছিল, আমার বিদেশ ভ্রমণের সমস্ত দায়িত্ব ডিরেক্টর এবং প্রডিউসারের। এর মধ্যে ভিসা, ফ্লাইটের টিকিট, থাকা-খাওয়ার খরচ তাদের বহন করতে হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, তারা আমার ভিসা করানো সম্ভব করে না। আমি ব্যক্তিগতভাবেও প্রচেষ্টা করেছি, কিন্তু ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারেনি।

    ভিসা জটিলতার জন্য নির্মাতাদের দায়ী করে তিশা বলেন, ‘ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতা চুক্তিপত্র অনুযায়ী ডিরেক্টরের দায়িত্ব, তাই এ ব্যাপারে আমার কোনো দোষ হতে পারে না। এটি ডিরেক্টরের ব্যর্থতা। আমি দু’মাস ধরে ভিসার জন্য অপেক্ষা করেছি, কিন্তু ভিসা হয়নি। এর মধ্যে তারা অন্য একজনকে minha জন্য চুক্তিবদ্ধ করে অভিনয় করান। আমি অন্য একটি দেশের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছি, যার শুটিং বর্তমানে চলছে। এই সিনেমা আমার পেশাগত সম্মানের বিষয়, যা আমি কখনোই নষ্ট করতে চাইনি। কিন্তু ডিরেক্টর শিডিউল অনুযায়ী কাজ শুরু করতে না পেরে এবং অন্য কাউকে চুক্তিবদ্ধ করে নেয়ার কারণে আমাকে সেখান থেকে সরে আসতে হয়েছে।

    প্রযোজক শরীফ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগে তিশা বলেন, ‘তিনি একবার আমাকে বলছেন, এক-তৃতীয়াংশ টাকা ফেরত দিন, আবার অন্য সময় বলছেন কিছু টাকা ফেরত দিলেই হবে। সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন, যা এক ধরণের অপচেষ্টা।’

    তিশা আরও লিখেছেন, ‘আমার চুক্তিপত্রে কোনও শর্ত নেই যে, ডিরেক্টরের দোষের কারণে আমি টাকা ফেরত দিতে বাধ্য থাকবো। আমি আইন মান্য মানুষ। যদি তারা প্রমাণ করতে পারেন যে আমাকে টাকা ফেরত দিতে হবে এবং আদালত এমন নির্দেশ দেয়, আমি অবশ্যই তা মানতে প্রস্তুত।’

  • পুরুষ বাউলরা বিছানায় ডাকে, সাড়া দিলে গান পাওয়া যায়: নারী বাউল শিল্পীর অভিযোগ

    পুরুষ বাউলরা বিছানায় ডাকে, সাড়া দিলে গান পাওয়া যায়: নারী বাউল শিল্পীর অভিযোগ

    ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের একটি মামলায় বাউলশিল্পী আবুল সরকারকে গ্রেফতারের পর তার মুক্তির প্রত্যাশায় মানিকগঞ্জে অর্ধশতাধিক বাউলজন তাদের আন্দোলন চালাচ্ছিলেন। এ সময় কিছু দুষ্কৃতকারী তৌহিদি জনতার পক্ষ থেকে হামলার শিকার হন, যা ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার সময় এক নারী বাউল শিল্পী গুরুতর এক অভিযোগ তুলে ধরেন, যেখানে তিনি বলেন, পুরুষ বাউলরা বিছানায় ডাকে। যদি নারীরা এই ডাকে সাড়া দেয়, তবে তারাই গানের প্রোগ্রামে অংশ নেয়। অন্যথায় তারা ডাকে না। তিনি স্পষ্ট করে কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি।

    এই বিস্ফোরক অভিযোগটি করেছেন বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার। তিনি এক ভিডিও বার্তায় বাইরের দৃষ্টিকোণে এমন পরিস্থিতির কথা শেয়ার করেছেন, যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

    হাসিনা সরকার বলেন, আমি এক সময় বলতাম—আমার আর কিছু প্রোগ্রাম থাকছে না, তবে কিছু লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বলতাম। তখন তারা বলতেন—আমাদের কথা শুনতে হবে। আমি প্রশ্ন করতাম—কী হবে? তখন তারা বলে—‘এটা কি খুলে বলতে হবে?’ আমি তাদের বলতাম—মাফ চাই, দোয়া চিচ, তবে আমার এসব প্রোগ্রাম দরকার নেই। আমি চাই না আমার ইজ্জত বিক্রি করে এ ধরনের গান করতে। আমার মতে, এটি আর বাউল গান হিসাবে বিবেচিত হয় না।

    তিনি আরও বলেন, পুরুষ বাউলরা অবিবেচনাপ্রসূত প্রস্তাব দিচ্ছেন। তারা বিছানা নেয়, আর তার বদলে গান গাওয়ার সুযোগ দেয়। আমি একজন বাউল শিল্পী হিসেবে বলতে চাই, এখন বাউল সমাজে এরকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আমাকে কেউ ডেকে না শোনানো, আমার কথা কারো কানে পৌঁছায় না—এ všetি কিছু আমার জন্য গুরুত্ব দাবী করে না। আমি স্বয়ং বলছি, অনেক পুরুষ বাউল এ ধরনের কুপ্রস্তাব দিয়েছেন। তারা বলেন—‘আমাদের কথা শুন, আর তুই বায়না করলেই তোর জন্য সুবিধা হবে।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস

    হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সাউদার্ন শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘ডিজনিল্যান্ড হ্যালোইন হাফ ম্যারাথন’।Customize এই দৌড় প্রতিযোগিতা শেষ করার কিছু সময়ের মধ্যেই হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস। গত ২৩ নভেম্বর তিনি দৌড় শেষ করার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুতই স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখানে চিকিৎসকরা এক ঘণ্টার মধ্যেই তার মৃত্যু ঘোষণা করেন। তার বয়স ছিল মাত্র ৩৫ বছর।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল ভোর ৫টায়। উষ্ণ তাপমাত্রা এবং চ্যালেঞ্জিং আবহাওয়ার মধ্যেও তিনি দৌড় চালিয়ে যান। ফিনিশিং লাইন পার করার পরপরই তিনি মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবলোকনকারী এক পর্যবেক্ষক দ্রুত তার জন্য মেডিকেল সুবিধার ব্যবস্থা করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফায়ার ও রেসকিউ কর্মীরা প্রাথমিকভাবে তার হৃদরোগের আঘাত নিশ্চিত করেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু তোড়জোড়ের এক ঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যু হয়।

    ববি গ্রেভস এর আগে এক টিকটক ভিডিওতে জানান, তিনি আগামীদিনের দৌড় নিয়ে কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আগামীকাল ডিজনিল্যান্ড হাল্ফ ম্যারাথনের জন্য আমি কিছুটা চিন্তিত।’ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বর্তমানে অর্চেঞ্জ কাউন্টি করোনারের কার্যালয় ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সঠিকভাবে জানা যাবে।

    ববি গ্রেভস এর জন্মজন্মের শিক্ষা ছিল জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে। সেখান থেকে তিনি আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি পেয়েছিলেন। তিনি ‘উইলসন সন্সিনি গুডরিচ অ্যান্ড রোসাটি’ নামক এক আইনি ফার্মের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। তার অকাল মৃত্যু সমগ্র সম্প্রদায়ের মধ্যে শোকের ছায়া পড়িয়েছে, তার অনুসারীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

  • নায়িকা পপি’কে আইনি নোটিশ পাঠানো হলো

    নায়িকা পপি’কে আইনি নোটিশ পাঠানো হলো

    চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে তার চাচাতো ভাই ও জামাই মো. তারেক আহমেদ চৌধুরী আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। এই নোটিশটি বুধবার (২৬ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডলের মাধ্যমে খুলনা ও ঢাকার ঠিকানায় রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তারেক আহমেদ চৌধুরী নিজেই।

    তিনি বলেন, ‘আমার স্ত্রী ও পপির সম্পর্কের আত্মীয়তার সুবাদে, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে পপি বিভিন্ন সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছেন, যা খুবই দুঃখজনক। যদি তার কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে আমরা পারিবারিকভাবে বা আইনগতভাবে সমাধানে এগোতে পারি। কিন্তু সে না করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে, যা আমার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। আমি এ বিষয়গুলোতে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।

    তারেক আহমেদ চৌধুরী আরও উল্লেখ করেন, ‘পপি আগে ও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও অভিযোগ ছড়িয়েছেন, এজন্য আমি থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) দিয়েছি।

    আইনি নোটিস পাঠানোর বিষয়ে আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডল জানান, তার মক্কেল ঢাকায় একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে কাজ করছেন। জানা গেছে, সাদিকা পারভিন পপির প্রিয়দীপ্ত চাচা—প্রয়াত মিয়া কবির হোসেনের জামাই তারেক আহমেদ চৌধুরী। তাঁর অনুকূল সম্পর্কের ভিত্তিতেই এই পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

    নোটিশে আরও বলা হয়, ‘একটি পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। সেটি পপির প্রয়াত চাচার মালিকানাধীন ছিল, যা একটি বৈধ হেবা দলিলের মাধ্যমে তারেক আহমেদ চৌধুরীর স্ত্রী ও তার মাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা উক্ত সম্পত্তির আইনগত মালিক হন। আমার মক্কেল উক্ত সম্পত্তির কোনও উত্তরাধিকারী নন, তাঁর এতে কোনো দখল বা স্বার্থ নেই। সম্পত্তির হস্তান্তর ও বণ্টন সম্পূর্ণরূপে হেবা দলিল ও উত্তরাধিকার আইনের অধীনে হয়েছে।

    তবে, আমি বা আমার মক্কেল এই সম্পত্তির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখি না, তার পরেও গত ২১ নভেম্বর প্রচারিত টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অভিযোগকারী সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন এবং তা প্রকাশ করেছেন। এ সব অভিযোগের জন্য আমি আইনী পদক্ষেপ নিচ্ছি।

  • ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুতে তার স্ত্রী ও পাল্টা-অভিনেত্রী হেমা মালিনী প্রথমবারের মতো প্রত্যক্ষ করেন। ৮৯ বছর বয়সে ২৪ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন ধর্মেন্দ্র, যার শোকে চলচ্চিত্র জগতের সবাই শোকাহত। মৃত্যুর কয়েক দিন আগে তার শারীরিক অবস্থার নানা জল্পনা-কল্পনা চলছিল। eventuality এ, যখন তার জুহু বাসভবনের সামনে অ্যাম্বুলেন্স দেখা যায়, সকলের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, ওই দিনই তিনি চলে গেছেন। মুম্বাইয়ের পওন হানস শ্মশানে তার শেষকৃত্যে অংশ নেন প্রখ্যাত অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানসহ অসংখ্য চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব।

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু নিয়ে দীর্ঘদিন কেউ কোনও কথা বলেননি পরিবারের পক্ষ থেকে। তবে অবশেষে সে নীরবতা ভেঙে, বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে এক আবেগপূর্ণ বার্তা প্রকাশ করেন হেমা মালিনী। সেই সঙ্গে তিনি অনেক অপ্রকাশিত ছবি শেয়ার করেন, যা ভক্তদের জন্য সত্যিই স্মরণীয়।

    হেমা লিখেছেন, ধর্মজি ছিলেন তার জীবনের প্রতিটি অঙ্গনের কেন্দ্রবিন্দু—প্রেমে ভরপুর স্বামী, দুই কন্যা ঈশা ও অহনার প্রেমপাত্র, বন্ধু, দর্শনশাস্ত্রের শিক্ষামূলক নেতা, পথপ্রদর্শক, কবি, এবং জীবনের সঙ্কটের সময় ভরসার জায়গা। তিনি আরও জানান, ধর্মেন্দ্র সবসময় পরিবারের সবাইকে স্নেহ, সৌহার্দ্য ও শুভেচ্ছায় ভরিয়ে রাখতেন।

    হেমা তার বার্তায় আরও বলেছেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে ধর্মেন্দ্রর প্রতিভা, তার জনপ্রিয়তা ও বিনয় মানুষকে গভীরভাবে আকর্ষণ করত। তার বিনয়, সবজনের জন্য গ্রহণযোগ্যতা তাকে কিংবদন্তির মাঝে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে, যা চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই ব্যক্তিগত ক্ষতি ভাষায় প্রকাশের বাইরে, তার শূন্যতা সারাজীবন অনুভব করতে হবে। এত দিনের সঙ্গের স্মৃতি এই সময়ের কাছে অমূল্য, এবং সেই স্মৃতি থেকেই তাকে খুঁজে পাবেন সবাই।

    প্রসঙ্গত, বলিউডের এই প্রখ্যাত জুটির প্রেম ও বিবাহের গল্প সব সময় আলোচনায় এসেছে। ধর্মেন্দ্র তার প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরসহ চারজন সন্তান—সানি, ববি, বিজেতা ও অজিতা দেওল—অন্তর্ভুক্ত পরিবারের সাথে আছেন। সিনেমায় অভিনয়ের সময় হেমা ও ধর্মেন্দ্রের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যার ফলে তাদের মধ্যে গভীর বন্ধন তৈরি হয়। এরপর তারা ১৯৮০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, যা তখন ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করে। যদিও পরে তাদের দাম্পত্য জীবনে সুখ-শান্তি ফিরে আসে এবং চার দশকের বেশি সময় ধরে একে অন্যের প্রতি ভালোবাসা ও বিশ্বাসের বন্ধন অটুট থাকে।

    ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী একসঙ্গে অন্তত ৪০টিরও বেশি সিনেমায় কাজ করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম ‘শোলে’, ‘নসীব’, ‘আলিবাবা অউর ৪০ চোর’, ‘ছোট্ট সি বাত’, ‘তুম হাশিন ম্যায় জওয়ান’ প্রভৃতি।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • বিপিএলের আসন্ন মৌসুম শুরু হবে ১৯ ডিসেম্বর, ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি

    বিপিএলের আসন্ন মৌসুম শুরু হবে ১৯ ডিসেম্বর, ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি

    আগামী ৩০ নভেম্বর বিকেল তিনটায় হোটেল রেডিসন ব্লুতে বিপিএলের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আজ, বুধবার, এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য ঘোষণা করে। এ বছরের বিপিএল প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে মোট छह দল। নতুন করে যুক্ত হয়েছে নোয়াখালী, যা এবারের লিগে একটি নতুন দলেরূপে অন্তর্ভুক্ত। এই দলটির নাম রাখা হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস এবং তারা একটি ফ্র্যাঞ্চাইজিরূপে লিগে অংশ নিচ্ছে।

    বিসিবি আরও জানিয়েছে, বিপিএলের জন্য গত কিছুদিনে বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে ৫০০ জনের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে থেকে ২৫০ জন ক্রিকেটারকে বেছে নেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান।

    বিপিএলের শুরুর তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১৯ ডিসেম্বর, যা নিয়ে বিসিবি নিশ্চিত করেছে। ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি। এর আগে, ১৭ ডিসেম্বর ঢাকাতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের কর্মকর্তারা।

    এর আগে বিসিবি পাঁচটি দল চূড়ান্ত করেছিল। তবে, দল সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের। অবশেষে, নভেম্বরের প্রথম দিকে গৃহীত সিদ্ধান্তে ৬ দলের লিগে রূপ দেওয়া হয়েছে। গত ৫ নভেম্বর, বিপিএলের আগামী পাঁচটি আসরের জন্য পুরো ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলোর নাম ঘোষণা করা হয়েছে গভার্নিং কাউন্সিলের মাধ্যমে।

    এবারের বিপিএলে অংশ নিচ্ছে রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ক্যাপিটালস, সিলেট টাইটান্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস, রাজশাহী ওয়ারিয়ার্স এবং নবাগত নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নিলামের আগে, প্রত্যেক দল দুজন করে দেশীয় ও বিদেশি ক্রিকেটারের সরাসরি চুক্তি করার সুযোগ পেয়েছে।

    প্রতিটি দল তার-নিজস্ব প্রাথমিক দলে কয়েকজন ক্রিকেটার সই করে ফেলেছে। যেমন, ঢাকায় তাসকিন আহমেদ ও সাইফ হাসান, রাজশাহীতে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম, সিলেটে নাসুম আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ, রংপুরে নুরুল হাসান সোহান ও মোস্তাফিজুর রহমান এবং চট্টগ্রামে তানভির ইসলা এবং শেখ মেহেদীর মতো তারকা ক্রিকেটাররা দলবদলের মধ্যে রয়েছেন।

    এ ছাড়াও, বেশ কিছু বিদেশি ক্রিকেটারকেও নিজেদের দলে নিয়েছে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি। সবমিলিয়ে, এই মৌসুমের প্রত্যাশা রয়েছে রোমাঞ্চকর এবং উত্তেজনাপূর্ণ হওয়ার।

  • বিপিএল নিলামে পাথিরানা, চার্লস ও মেন্ডিসসহ ২৫০ বিদেশি ক্রিকেটার

    বিপিএল নিলামে পাথিরানা, চার্লস ও মেন্ডিসসহ ২৫০ বিদেশি ক্রিকেটার

    অবশেষে, কয়েক দফা পিছিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলাম আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও অনেক বিদেশি ক্রিকেটার নিবন্ধন করেছেন, যার সংখ্যা এখন ৫০০ এর বেশি। তবে, যাচাই-বাছাই শেষে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল চূড়ান্ত করেছে ২৫০ জন বিদেশি ক্রিকেটারের নাম।

    নিলামে থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন ভারতের পিয়ূষ চাওলা, পাশাপাশি রয়েছেন রবী বোপারা, জনসন চার্লস ও পল স্টার্লিং। এছাড়া যুক্ত রয়েছেন রায়ান বার্ল, বাস ডি লিড, সন্দীপ লামিচানে এবং জর্জ মিনজি, সালমান আলী আঘা, উইন পার্নেল ও নিরোশান ডিকওয়াল।

    শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটাররাই এই নিলামে সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ করেছেন, তাদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জন। পাকিস্তানের ৪৫, ভারতের ৩, আয়ারল্যান্ডের ৬, আফগানিস্তানের ১৮ এবং যুক্তরাজ্যের ৫৪ জন ক্রিকেটারও অংশ নিচ্ছেন এই নিলামে।

    নিলামে অংশগ্রহণকারী ক্রিকেটারদের জন্য সুনির্দিষ্ট ক্যাটাগরি নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে মার্কিন ডলারে নির্ধারিত ভিত্তিমূল্য অনুযায়ী মূল্যমান নির্ধারিত হয়েছে। মূল ক্যাটাগরি ‘এ’ এর ভিত্তিমূল্য ৩৫ হাজার ডলার, যেখানে ‘বি’ ক্যাটাগরি ২৬ হাজার, ‘সি’ ২০ হাজার, ‘ডি’ ১৫ হাজার এবং ‘ই’ ক্যাটাগরির মূল্য ধার্য হয়েছে ১৫ হাজার ডলার। প্রতিটি ক্যাটাগরিতে ডাকে বাড়বে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ।

    বিপিএলের সবচেয়ে সরদ্ধশীল সংক্ষিপ্ত তালিকায় রয়েছেন ৪০ জন ক্রিকেটার, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসেবে থাকছেন পিয়ূষ চাওলা, শোয়েব মালিক, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, জনসন চার্লস, কেসি কার্টি, জর্জ মিনজি, ওয়েন পার্নেল, উসামা মির, মোহাম্মদ হাসনাইন, জামান খান, আব্দুল সামাদ, দাসুন শানাকা, জর্জ ডকরেল, বাস ডি লিড, শান মাসুদ, সালমান আলী আঘা, দীনেশ চান্দিমাল, লাহিরু কুমারা, বিনুরা ফের্নান্দো, নিরোশান ডিকওয়ালা, চামিকা করুণারত্নে, জেফরি ভেন্ডারসি, দুনিথ ভেল্লালাগে, দুশমন্থ চামিরা, কামিন্দু মেন্ডিস, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, মাহিশ থিকশানা, মাথিশা পাথিরানা, চারিথ আসালািঙ্কা, মোহাম্মদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ হারিস ও আমের জামাল।

    ‘বি’ ক্যাটাগরিতে আছেন ২২ ক্রিকেটার, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন সন্দ্বীপ লামিচানে, আসিফ আলি, সালমান মির্জা, রিচার্ড এনগারাভা, স্কট এডওয়ার্ডস, হ্যারি টেক্টর, আলী খান, হাসমতউল্লাহ শহীদি, ইসুরু উদানা, সৌদ শাকিল, রবী বোপারা, সামিত প্যাটেল, সাদিরা সামারাবিক্রমা, শরাফউদ্দিন আশরাফ, নাজিবউল্লাহ জাদরান।

    ‘সি’ ক্যাটাগরিতে মোট ৬০ ক্রিকেটার রয়েছেন, তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নাম হলেন হায়দার আলী, জাহানদাদ খান, শন উইলিয়ামস, সামিউল্লাহ শিনওয়ারি, জেমস ফুলার, লাহিরু মিলান্থা, খুররম শেহজাদ ও উইলিয়াম বসিস্তো। এছাড়া দিলশান মুনাবিরা, প্রমোদ মাদুশান, আশেন বান্দারা, আব্দুল্লাহ শফিক, কেনার লুইস, রেইমন রেইফার, শামার স্প্রিঙ্গার, অ্যাঞ্জেলো পেরেরা, আমির হামজা হোটাক, রস হোয়াইটলি, জশ লিটল, ড্যান পেটারসন, কাসুন রাজিথা, বিজয়কান্ত বিশ্বকান্ত, লাহিরু উদারা, ইনোসেন্ট কাইয়া, অলিক অ্যাথনাজ, অ্যারন জোন্স, আকিলা ধনঞ্জয়া, ইহসানউল্লাহ খান, জশুয়া ডি সিলভা, শেলডন কটরেল, রায়ান বার্ল, কার্টিস ক্যাম্পফার ও পল স্টার্লিং উল্লেখযোগ্য।

    ‘ডি’ ক্যাটাগরির মধ্যে ২৫ জন ক্রিকেটার রয়েছেন, যেমন উসমান কাদির, ব্রায়ান বেনেট, কাশিফ আলী, দীপেন্দ্র সিং আইরে, মির হামজা, ইরফান খান নিয়াজি, শেভন ড্যানিয়েল, ব্র্যাড ইভানস, সালিম সাফি ও আহমেদ দানিয়াল। এর পাশাপাশি ‘ই’ ক্যাটাগরিতে ৯৮ জন ক্রিকেটার থাকছেন, যেমন নিমেশ বিমুক্তি, জশুয়া বিশপ, আসাদ রাজা, আসিফ শেখ, গুলশান ঝা, সোমপাল কামি, রুম্মন রাইস, মির্জা সাদ বেগ, চন্দরপল হেমরাজ, জনাথন ক্যাম্পবেল ও এডওয়ার্ড বার্নার্ড।

  • বিপিএলের নিলামে ৩ ভারতীয়, সুইডেনের এক ক্রিকেটার

    বিপিএলের নিলামে ৩ ভারতীয়, সুইডেনের এক ক্রিকেটার

    আগামী মাসে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ক্র độiব্যাপার বিপিএলের ১২তম আসর মাঠে গড়ানোর কথা রয়েছে। এর এক দফা প্রস্তুতি হিসেবে, ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটারদের নিলাম অনুষ্ঠান। আজকের দিনেই প্রকাশিত হয়েছে নিলামে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত ক্রিকেটারদের তালিকা। এই তালিকায় দেশের ১৫৬ জন ক্রিকেটার সরাসরি স্থান পেয়েছেন, আর বিদেশি ক্রিকেটার সংখ্যা প্রায় আড়াইশো।

    বিশেষ করে, বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেটাররা তিনজন রয়েছেন। সাধারণত ভারতীয় খেলোয়াড়রা বিদেশি লিগে খেলেন না। তবে এ রকম কিছু অন্যথা হলে তাদের জন্য কঠিন কিছু বাধা থাকেন। এইসব বাধা এড়াতে ভারতীয় ক্রিকেটাররা প্রায় সবাই তার দেশের জাতীয় দলের খেলোয়াড় থাকাকালীন দেশের বাইরে খেলতে চাইলে অনেক ক্ষেত্রেই অবসরে যেতে হয়। তবে এই বাধা অতিক্রম করে, সাবেক স্পিনার পিযুষ চাওলা নিলাম সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। পিয়ুষ চাওলা ভারতের হয়ে ৩টি টেস্ট, ২৫টি ওয়ানডে এবং ৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তিনি আইপিএলের গত আসরে খেলেননি। যদিও তার আগের বছরে তিনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জার্সি গায়ে ১১ ম্যাচ খেলেছিলেন এবং ১৩টি উইকেট নেন।

    নিলামের ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছেন তিনি। অন্য দুই ভারতীয় ক্রিকেটার, আরিয়ান সাক্সেনা ও আকাশ গোমেল, রয়েছেন ‘ই’ ক্যাটাগরিতে। তাদের মধ্যে গোমেল অলরাউন্ডার হিসেবে পরিচিত, তবে তিনি শুধুমাত্র একবার টি-২০ খেলেছেন। অন্যদিকে, সাক্সেনা এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি খেলেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে, সেটাও সংযুক্ত আরব আমিরাতের হয়ে।

    বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে ব্যাপক সংখ্যায় রয়েছেন ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান এবং উইেস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়রা। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা সর্বোচ্চ, যেখানে ৫৪ জন রয়েছেন। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও উইسٹ ইন্ডিজের প্রতিনিধির সংখ্যা যথাক্রমে ৫০, ৪৫ ও ৩০। এছাড়া আফগানিস্তান থেকে আছেন ১৮ জন, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ১১ জন ক্রিকেটার।

    আরও আছেন আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও নেপালের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। তবে, নিউজিল্যান্ড থেকে কেউ প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন না। এদিকে, সুইডেনের একজন ক্রিকেটার রয়েছেন, তার নাম মো. আরিফ হোসেন।

  • বিপিএল: নোয়াখালী এক্সপ্রেসে সৌম্য-হাসান, কোচ সুজন

    বিপিএল: নোয়াখালী এক্সপ্রেসে সৌম্য-হাসান, কোচ সুজন

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) আবারও নতুন উচ্ছ্বাসে ফিরতে চলেছে। আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ আসরের জমজমাট নিলাম, যা ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য এক আনন্দের অপেক্ষার নাম। শুরুতে পাঁচটি দল নিয়ে গড়া হলেও শেষ মুহূর্তে নতুন এক দল যুক্ত হয়েছে—নোয়াখালী এক্সপ্রেস। এর মধ্যে এ দলটি অভিষেকেই দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণে বাঢ়ে উৎসাহ।

    নোয়াখালীর এই দল গঠনে দেশ ট্রাভেলসের মালিকানাধীন অঙ্গনটি বেশ সচেতনভাবে দল সাজাচ্ছে। তারা কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞ দক্ষ কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনকে, যিনি জাতীয় দলের সাথে কাজের অভিজ্ঞতাও রাখেন। তাদের দলে ভিড়েছে তারকাখচিত ক্রিকেটার—সৌম্য সরকার ও পেসার হাসান মাহমুদ। সৌম্য খেলেছেন গত মৌসুমে রংপুর রাইডার্সে, আর হাসান ছিলেন খুলনা টাইগার্সের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার।

    নতুন দলটির বিদেশি খেলোয়াড় সংগ্রহেও তারা চোখ রাখছে ভালো মানের ক্রিকেটারদের। ইতোমধ্যে ক্যারিবীয় হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান জনসন চার্লসকে দলে নেওয়ার আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায় আছে বলে জানা গেছে।

    এছাড়া, অন্যান্য দলের মালিকানায় বড় পরিবর্তন এসেছে। রংপুর রাইডার্সের মালিক টগি স্পোর্টস (বসুন্ধরা গ্রুপ), ঢাকা ক্যাপিটালসের মালিক চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস (রিমার্ক-হারল্যান), রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মালিক নাবিল গ্রুপ, সিলেট স্ট্রাইকার্সের মালিক ক্রিকেট উইথ সামি এবং চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা ট্রায়াঙ্গাল সার্ভিসেস।

    নিলাম ও টুর্নামেন্টের সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর প্লেয়ার্স ড্রাফট বা নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এবারের আসরে অংশগ্রহণের জন্য ৫০০টির বেশি বিদেশি ক্রিকেটার নিবন্ধন করেছেন, যার মধ্যে চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন ২৫০ জন। মাঠের লড়াই শুরু হবে ১৯ ডিসেম্বর, এবং ফাইনালের মাধ্যমে পর্দা নামবে ১৬ জানুয়ারি। এই দ্বাদশ আসরটি নিশ্চয়ই ক্রিকেট বিশ্বের জন্য নতুন চমক অপেক্ষা করছে।

  • হৃদয়ের লড়াইয়ে মরিয়া বাংলাদেশের প্রতিরোধ, তবে শেষ হাসি আয়ারল্যান্ডের

    হৃদয়ের লড়াইয়ে মরিয়া বাংলাদেশের প্রতিরোধ, তবে শেষ হাসি আয়ারল্যান্ডের

    বাংলাদেশের জন্য প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছিল মোটেও সহজ নয়। স্বাগতিকরা যদি ১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়ার রেকর্ড গড়তে পারেন, তবে তারা সেটাই করতে পারেননি। শুরুতেই দারুণ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে তারা। ইনিংসের তৃতীয় বলেই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম উইকেট হারান। বাঁহাতি স্পিনার ম্যাথু হামফ্রিসের বলে উড়ানোর চেষ্টায় মিড অনে হ্যারি টেক্টরের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। পরের ওভারে লিটন দাসও যান। মার্ক অ্যাডায়ারের বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে ৩৯ রানের মধ্যে বাংলাদেশের দুই ওপেনারই ফিরে যান। এটি ছিল বাংলাদেশের জন্য এক বাজে সূচনা।

    অধিনায়ক লিটন দাস মাত্র ১ রান করে আউট হন। পারভেজ হোসেন ইমনও সুবিধাজনক সময়ে ঝড় তুলতে পারেননি; অ্যাডায়ারের শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে জর্জ ডকরেলের হাতে ক্যাচ দেন। তিনি ৬ বলে ১ রানের বেশি করতে পারেননি। এর আগে, সাইফ হাসানও পাওয়ার প্লে শেষে ফিরে যান। ব্যারি ম্যাকার্থির বলে পড়ে গেলে তিনি সাজানো ইনিংসের অবসান ঘটান। তিনি ১৩ বলে ৬ রান করে আউট হন।

    এর পর দ্রুত চার উইকেট হারানোর পর হৃদয় ও জাকের জুটি গড়েন। তবে ম্যাকার্থি তাদের জুটিকে খুব বেশি সুবিধা করতে দেননি। ডানহাতি পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে জাকের টেনে খেলতে চেয়েছিলেন তবে ঠিকভাবে টাইমিং করতে পারেননি, বল ব্যাটের কানায় লেগে থার্ড ম্যান এলাকায় চলে যায়। জাকেরের ব্যাটে সম্ভাব্য জোট ভাঙ্গে ২০ রানে। এই পর্যায়ে হৃদয় ও জাকেরের মধ্যে ৪৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি সৃষ্টি হয়।

    তবে জাকেরের আউটের মাধ্যমে এই জুটি ভেঙে যায়। তার আগে, জাকেরের লেগে ক্যাচ চলে যায় থার্ড ম্যানের সামনে। এরপর দ্রুতই ফিরে যান সাকিব ও রিশাদও। ব্যাট হাতে মাঠে থাকাকালীন একা লড়াই চালিয়ে যান হৃদয়। তিনি অবিশ্বাস্যভাবে ৮৩ রান করেন, কিন্তু স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ৯ উইকেটে ১৪২ রানে। আয়ারল্যান্ডের হয়ে চারটি উইকেট নেন হামফ্রিস, ম্যাকার্থি ও অ্যাডায়ার তিনটি করে উইকেট নেন।

    এর আগে, টস হারিয়ে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো পাওয়ার চেষ্টা করে। তবে দ্রুতই তারা প্রতিপক্ষের আঘাতের শিকার হয়। অধিনায়ক পল স্টার্লিং ২১ রান করে ফিরে গেলেও, টিম টেক্টর তার সাথে যোগ দেন। তিনি ২২ রান করেন। লরকান টাকার ১৮ ও কার্টিস ক্যাম্ফার ২৪ রান করে আয়ারল্যান্ডের স্কোর এগিয়ে নিয়ে যান। বাংলাদেশের প্রতি আক্রমণ চালিয়ে যান হ্যারি টেক্টর। ৪৫ বলে তিনি ৬৯ রান করে অবদান রাখেন। শেষের দিকে আয়ারল্যান্ড ১০৪ রান যোগ করে শেষ ১০ ওভারে। এর ফলে তারা ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান সংগ্রহ করে। এই স্কোর বাংলাদেশের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করে।