Month: November 2025

  • হংকংয়ে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি বেড়ে ৪৪, নিখোঁজ ২৭৯

    হংকংয়ে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি বেড়ে ৪৪, নিখোঁজ ২৭৯

    হংকংয়ের উত্তর হংকংয়ের টাই পো জেলায় অবস্থিত ওয়াং ফুক কোর্ট নামের এক বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই অগ্নিকাণ্ডে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এখনও খোঁজ মিলছে না ২৭৯ জনের, যারা সম্ভবত ভবনের ভিতরে আটকা পড়ে রয়েছেন। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন অনেক বাসিন্দা। আহত ও দগ্ধ ২৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যার মধ্যে সাতজনের অবস্থা গুরুতর। খবর আল-জাজিরা সংবাদ সংস্থার।

    বুধবার রাতে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে, যখন ওই ভবনের ৩১ তলা বিভিন্ন আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আবাসিক ভবনগুলো থেকে প্রচণ্ড কালো ধোঁয়া ও শিখা আকাশে উড়তে দেখা যায়। আগুনের ভয়াবহতায় দমকল বিভাগ ‘লেভেল-ফাইভ অ্যালার্ম’ ঘোষণা করে, যা সর্বোচ্চ সতর্কতা নির্দেশ করে।

    হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী জন লি বৃহস্পতিবার সকালে এই অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করেন। এর আগে, ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছিলো ন’জনের মৃত্যুর কথা।

    ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক ডেরেক আর্মস্ট্রং চ্যান জানান, রাতের অন্ধকার ও প্রচণ্ড তাপমাত্রার কারণে আগুনে প্লাবিত ভবন দুটিতে প্রবেশে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। ধসে পড়া স্ক্যাফোল্ডিং ও ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারকাজে বড় বাধা হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, অনেক বাসিন্দা নিজেদের ফ্ল্যাটে আটকা পড়ে থাকতে পারেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। তবে তাদের কাছে কী অভিযোগ আনা হয়েছে, তা নিশ্চিত করে জানানো হয়নি।

    ১৯৯৬ সালে, কাঁউলুনের গার্লি বিল্ডিংয়ে আগুনে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যা হংকংয়ে এর আগে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ড। এই দুর্ঘটনাও নেচে আসে বাঁশের স্ক্যাফোল্ডিং থেকে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে। ধ্বংসাবশেষ পড়ার শব্দে আশপাশের মানুষ ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। অগ্নিনির্বাপণ কাজের জন্য ১২৮টি ফায়ার ট্রাক ও ৫৭টি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পাশাপাশি কাছাকাছি দুটি কমিউনিটি সেন্টারে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

    টাই পো জেলায়, যেখানে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, সেখানে জনসংখ্যা প্রায় ৩ লাখ। রেকর্ড অনুযায়ী, এই কমপ্লেক্সে প্রায় দুই হাজার ফ্ল্যাটে থাকতেন মোট ৪৮০০ ব্যক্তি। অগ্নিকা-ের কারণে এই এলাকাটি এখন শোকাবহ ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।

  • ইন্দোনেশিয়ায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় ভূমিকম্প, কাঁপল দেশটি

    ইন্দোনেশিয়ায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় ভূমিকম্প, কাঁপল দেশটি

    ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ইন্দোনেশিয়া। এই ভূমিকম্পটি বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) উত্তর সুমাত্রার পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানে। আশঙ্কা করা হচ্ছে না সুনামির। একটি প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, আচেহ প্রদেশের কাছাকাছি সুমাত্রা দ্বীপে এই ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়েছে। দেশটির ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা বলছে, ভূমিকম্পের আকর্ষণ ছিল ভূ-পৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। একই সময়ে চীনা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, জার্মান গবেষণা কেন্দ্র ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) এর তথ্যে দেখা গেছে, সুমাত্রার পশ্চিম উপকূলে ৬ দশমিক ২ মাত্রার এই ভূমিকম্পও হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এর উৎপত্তিস্থল ছিল ২.৬৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৯৫.৯৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে, ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটারের বেশি। এরআগে বড় একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাত ১২টায়, যেখানে নর্থ সুলাওয়েসিতে ৫ দশমিক ১ মাত্রার ভূকম্পন ঘটে। ইউএস জিওলজিকাল সার্ভার (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নর্থ সুলাওয়েসির তন্দানার ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং গভীরতা ছিল ১২০.৯ কিলোমিটার। এদিকে,বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে গত শুক্রবার ৫ দশমিক ৭ শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যা বিগত বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত। ভূমিকম্পের সময় বিভিন্ন মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ঘর ছেড়ে রাস্তায় নামতে শুরু করেন। বহুতল ভবনগুলো থেকে মানুষ দ্রুত নিচে নেমে আসেন, যার ফলে শহরে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। নরসিংদীতে এই ভূমিকম্পে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। সূত্র: ভলকানো ডিসকভারি

  • হংকংয়ে বহুতল ভবনে ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা ৫৫, আটক ৩

    হংকংয়ে বহুতল ভবনে ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা ৫৫, আটক ৩

    হংকংয়ের তাই পো এলাকায় একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এ ঘটনার সূত্রপাতের পর বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বার) ভোরে এখনও ধোঁয়া উঁচুতে দেখা গেছে। দেশটির ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, চারটি ভবনের আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে পুরোপুরি নিভাতে তাদের আরও সারা দিন সময় লাগবে বলে ধারণা। ওয়াং ফুক কমপ্লেক্সের আটটি ভবনের মধ্যে চারটি আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে, অন্য তিনটি ভবন আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় আশপাশের ১৩টি স্কুল স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

    ফায়ার সার্ভিসের সর্বশেষ আপডেটে নিশ্চিত করা হয়েছে, এই দাহ্য অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন ৫১ জন, আর বাকি চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৪৫ জন, যেখানে আটজন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী রয়েছেন। আরো নিখোঁজ রয়েছেন ২৭৯ জন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন হংকং শহরের প্রধান নির্বাহী জন লি।

    অগ্নিকাণ্ডের প্রথম খবর পেয়ে বুধবার বেলা ২:৫১ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আগুন লাগার পর শত শত বাসিন্দা দ্রুতই আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরিত হন। যাঁরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের জন্য জরুরি পুনর্বাসন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

    বিবিসি জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টায়ও ভবনগুলো থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যাচ্ছে। এখনো কোথাও কোথাও ছোট ছোট শিখা দেখা যাচ্ছে, ফায়ার সার্ভিসের বেশ কয়েকটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

    এদিকে, আগুন লাগার পর থেকেই অনেক বাসিন্দা ঘটনাস্থলে ভিড় করেছেন। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগে তারা দ্রুত ভবন থেকে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন। অনেকে রাতে বন্ধু বা পরিবারের বাড়িতে থাকার কারণে ভোরে এসে নিজের প্রিয় গৃহের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে থাকেন।

    প্রাথমিকভাবে কি কারণে অগ্নিকাণ্ডের সূচনা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। তবে, ঘটনা তদন্তে পুলিশ একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের দুই পরিচালক ও একজন প্রকৌশলীকে গ্রেপ্তার করেছে।

    বিশ্লেষকদের ধারণা, আগুন অস্বাভাবিকভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অসচেতনতা বা নিরাপত্তা মানের অভাব দেখা দিয়েছে। ভবনের ভিতর পলিস্টাইরিনসহ অন্যান্য দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন আরও দ্রুত বিস্তার করে। এছাড়াও, ভবনের নিরাপত্তা জাল, ক্যানভাস ও প্লাস্টিকের কভারগুলো মান অনুযায়ী না থাকার কারণেও এই বিপর্যয় ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

  • এবার ভারতের পাশাপাশি ভূমিকম্পে কাঁপলো অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলো

    এবার ভারতের পাশাপাশি ভূমিকম্পে কাঁপলো অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলো

    ভারতে সম্প্রতি ৩.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ভোর ৫টা ৪২ মিনিটে দেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে শক্তিশালী এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে glücklicherweise, এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    এর আগে ভুটান ও বঙ্গোপসাগরেও ক্ষুদ্র মাত্রার আরও দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রাত ২:৫৯ মিনিটে বঙ্গোপসাগরে ৪.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। পাশাপাশি, গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাতে ভুটানে ঘটে ৩.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প।

    অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়াও মাঝারি শক্তির এক ভূমিকম্পে কাঁপে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাত ১২টায় দেশটির উত্তর সুলাওয়েসি অঞ্চলে ৪.৫ মাত্রার এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর ফলে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভের (ইউএসজিএস) তথ্যমতে, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর সুলাওয়েসির তন্দানার ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণে, যার গভীরতা ছিল ১২০.৯ কিলোমিটার।

    আরও একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্প ঘটে গত রোববার (২৩ নভেম্বর), যেখানে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর মালুকু প্রদেশের হালমাহেরা অঞ্চলে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই ভূমিকম্পেও কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া ‘রিং অব ফায়ার’ বরাবর অবস্থিত, যেখানে বেশ কয়েকটি টেকটোনিক প্লেট মিলিত হয়ে অবস্থিত। এই অঞ্চলে প্রায়শই ভূমিকম্প ও অগ্ন্যুৎপাৎ ঘটে থাকে।

  • হংকংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা ৭৫ ছাড়ালো, নিখোঁজ আরও ২৭০ জন

    হংকংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা ৭৫ ছাড়ালো, নিখোঁজ আরও ২৭০ জন

    হংকংয়ের বেশ কয়েকটি উঁচু বিল্ডিংয়ে বিভীষিকাময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৭৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এই ভয়াবহ ঘটনার মধ্যে শহরটির ইতিহাসে ছয় দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় অগ্নিকাণ্ড বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এখনও প্রায় ২৭০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, অন্যদিকে হাজার হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অনেক ভবনে এখনও আগুন জ্বলছে এবং ঘন ধোঁয়া সীমান্ত পেরিয়ে চীনের আকাশেও ছড়িয়ে পড়ছে।

    স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের বয়স ৫২ থেকে ৬৮ বছরের মধ্যে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে দু’জন একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক এবং একজন প্রকৌশল পরামর্শদাতা আছেন। পুলিশ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, কোম্পানিটির দায়িত্বে গুরুতর অবহেলার প্রমাণ মিলেছে।

    চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, চীনের রাষ্ট্রপতি শি চিন পিং হতাহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। নিহতদের মধ্যে এক ফায়ারফাইটারও রয়েছেন, যিনি দায়িত্ব পালনের সময় প্রাণ হারিয়েছেন।

    ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুর ২টা ৫১ মিনিটে, হংকংয়ের উত্তরাঞ্চলীয় তাই পো এলাকায় অবস্থিত একটি বৃহৎ আবাসন কমপ্লেক্স ওয়াং ফুক কোর্টে। এই ৩১ তলার আটটি ভবনের এই কমপ্লেক্সে প্রায় ৪,৬০০ জন বাসিন্দা থাকেন, যার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশের বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি।

    বলা হচ্ছে, ১৯৮৩ সালে নির্মিত এই ভবনগুলোর সংস্কার কাজ চলাকালীন সময়েই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত সাতটি ব্লক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার ফলে স্থানীয় কমিউনিটিতে ও দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

  • কয়রা-পাইকগাছায় জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলেও জনকল্যাণে কোনো কাজ করেননি

    কয়রা-পাইকগাছায় জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলেও জনকল্যাণে কোনো কাজ করেননি

    খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। তবে এসব ষড়যন্ত্র কখনোই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। তিনি নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। বাপ্পি আরও বলেন, পাইকগাছা-কয়রা অঞ্চলের আগের জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হলেও তারা এলাকার মানুষের জন্য সত্যিই জনকল্যাণমুখী কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেনি। ফলস্বরূপ, এই অঞ্চলের জনগণ ভোটের গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেছে। তিনি তাদের বললেন, আপনারা ভোট কেন্দ্রে আসুন, আমাকে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিন, যেন আমি আপনারাের এলাকার উন্নয়ন করতে পারি। আমি আমার না, আপনারা ও আপনার এলাকাবাসীর উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চাই। গতকাল বৃহস্পতিবার কয়রা উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের বামিয়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথাবার্তা বলেন তিনি। ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আব্দুর রহিম সানা সভার সভাপতিত্ব করেন। আসন্ন নির্বাচনে সবাইকে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে জেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব বলেন, গত ১৭ বছর ধরে জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এবার নিজ ভোট নিজেকেই দিতে হবে। বিএনপি যদি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পায়, তাহলে উন্নয়ন ও সাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবে। সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করা হবে। কাউকে দখলদারি, চাঁদাবাজি বা অত্যাচার করার সুযোগ দেওয়া হবে না। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য আশরাফুল আলম নান্নু, এমএ হাসান, মনিরুজ্জামান বেল্টু, আবু সাঈদ বিশ্বাস, কয়রা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক নুরুল আমিন বাবুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শহিদ, বিএনপি নেতা টিএম মঞ্জুর আলম নান্নু, জিএম আব্দুল গফফার, জিএম সিরাজুল ইসলাম, ওসমান গনি খোকন, সাইফুজ্জামান, মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জি এম গোলাম রসুল, মহতাশিম বিল্লাহ, বুলবুল আহমেদ, বিল্লাল হোসেন, গোলাম মোস্তফা, আব্দুস সোবহান গাজী, নাজমুল হুদা, মোস্তাফিজুর খোকন, হাবিবুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, স্বরোজিত ঘোষ, জামাল জাফরিন, আবুল কালাম কাজল, মেহেদী হাসান সবুজ, সাব্বির রহমান বাবু, মামুন হোসেন, ইমরান হোসেন, শহিদুল ইসলাম, রুহুল আমিন গাজী, সাইদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও ইয়াসিন আরাফাত সহ আরও অনেকে।

  • খুলনা শহরের বায়ু দূষণের স্তর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ কেসিসি প্রশাসকের

    খুলনা শহরের বায়ু দূষণের স্তর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ কেসিসি প্রশাসকের

    খুলনা মহানগরির বায়ু দুষণের মাত্রা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মোখতার আহমেদ। তিনি বলেন, অসংক্রামক রোগের প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন অপরিহার্য৷ তাঁরা এই বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে, তিনি শিক্ষকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে নারীবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপনের অনুরোধ জানান এবং খুলনাকে একটি স্বাস্থ্যকর শহরে পরিণত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • দেশের মুক্তির সনদ তারেক রহমানের ৩১ দফা

    দেশের মুক্তির সনদ তারেক রহমানের ৩১ দফা

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, পতিত আওয়ামী সরকার বিগত ১৬ বছরে দেশের রাষ্ট্র কাঠামোকে ধ্বংস করে ফেলেছে। এই বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে নতুন করে সুসাজিয়ে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তাঁর মতে, রাষ্ট্রের সংস্কারে আমাদের নেতা তারেক রহমান দুই বছর আগে ৩১ দফা প্রণয়ন করেছিলেন। এই দফাগুলোর মধ্যেই দেশের মূল সমস্যা ও সমাধানের পথ স্পষ্ট হয়েছে। এই ৩১ দফা হচ্ছে দেশের মানুষের মুক্তির মূল পাথেয়। বৃহস্পতিবার খুলনায়Running খুন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে একটি প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এই সভাটির আয়োজন করে বিএনপি’র ১৬ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে। মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, যিনি বলেন, ‘জুলাই মাসের অভ্যুত্থান দিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর প্রকৃত চেহারা উন্মোচিত হয়েছে। ক্ষমতার লোভে তারা কতটা নির্মম হতে পারে, দেশবাসী সেটাই দেখেছে। দেশের স্বনামখ্যাত রাজনৈতিক ইতিহাসকে হার মানান এই দুঃশাসন এক যুগে আইয়ামে জাহেলিয়ার সাথে তুলনা করা যায়। তিনি আরও বলেন, ৩৬ জুলাই ছাত্র-জনতার গণআবেগের মাঝে খুলনার আইনশৃঙ্খলা ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। পঞ্চদশ মাসে খুলনা জেলার বিভিন্ন প্রান্তে কমপক্ষে ৯৪ জনের খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অসংখ্য খুন মাদক ব্যবসার চক্রান্তে, যারা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। বেপরোয়া কিশোর গ্যাংয়ের দমন না করতে পারা এই নগরীর জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সকলের ঐক্য অপরিহার্য। সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ মোস্তফা কামাল, পরিচালনা করেন শওকাত আলী বিশ্বাস লাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফিজুর রহমান মনি, মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ, মোঃ মুজিবুর রহমান, জাকির ইকবাল বাপ্পি সহ অনেকে। অন্যান্য উপস্থিত ছিলেন সাজ্জাদ আহসান পরাগ, কাজী আব্দুল জলিল, মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল, আলহাজ্ব শেখ হাবিবুর রহমান, শেখ মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, মোহাম্মদ কাজী নজরুল ইসলাম, আবুল ওয়ারা, কামরুজ্জামান রুনু, ওয়াহিদুজ্জামান হাওলাদার, আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, সাইফুল ইসলাম, কাদের মল্লিক, ইয়াসিন মোল্লা, আবু বক্কার মীর, মনিরুল ইসলাম, সোহরাব মোল্লা, শেখ হায়দার আলী, আল আমিন দেওয়ান ও মোহাম্মদ চঞ্চলসহ আরও অনেকে।

  • অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিএনপি

    অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিএনপি

    জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত গণঅভ্যুত্থানে অর্জিত বিজয়কে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য নানা ধরনের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলছেন, বিএনপি একমাত্র দল যার দীর্ঘ দিনের রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা রয়েছে। জনগণের সমর্থন পেলে, এই অভিজ্ঞতাগুলো দেশের কল্যাণে বৈপ্লবিক পরিবর্তনে কাজে লাগানো হবে। পাশাপাশি অতীতের ভুলমুক্ত শিক্ষা থেকে শিক্ষা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমাদের লড়াইকে বিভ্রান্ত করার অনেক চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু তা সফল হয়নি। সেই অপচেষ্টার মোকাবিলা করতে হবে।’ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনায় বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসে প্রবেশের সময় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সবাই তাকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর নির্বাহী পরিচালকসহ ব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তারা এই শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তার পরে তিনি ২১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম জামাল উদ্দিন, হান্নান মোল্লা ও হীরা মিয়ার বাসায় গেছেন এবং পরিবারে খোঁজ-খবর নিয়ে দোয়া কামনা করেন। সেই সঙ্গে তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপকূলের মানুষের সংকট নিরসনে নির্ধারিত প্রতিশ্রুতি ঘোষণার জন্য খুলনা প্রেসক্লাবে নাগরিক সংলাপে অংশ নেন। এছাড়া তিনি সাউথ সেন্ট্রাল রোডস্থ খান-এ-সবুর মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এর পাশাপাশি তিনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার কর্মকর্তাদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতুরাজ্জামান মর্তুজা, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, কাজী মোঃ রাশেদ, আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, ইউসুফ হারুন মজনু, আনোয়ার হোসেন, গিয়াস উদ্দিন বনি, মজিবর রহমান ফয়েজ, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, ওহিদুজ্জামান খসরু, ইশহাক তালুকদার, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, মাহবুব হোসেন, মেশকাত আলী, রবিউল ইসলাম রবি, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, আসলাম হোসেন, রিয়াজুর রহমান, ইকবাল হোসেন, আলমগীর হোসেন আলম, খান মইনুল ইসলাম মিঠু, জাহাঙ্গীর হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, খান শহিদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম লিটন, মাজেদা খাতুন, ফিরোজ আহমেদ, ওহেদুর রহমান বাবু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শহিদুল ইসলাম লিটন, খান রাজিব, রাজিবুল আলম বাপ্পি, এ আর রহমান, সেলিম বড় মিয়া, শামসুল আলম বাদল, জামাল মোড়ল, তরিকুল আলম, পারভেজ মাড়ল, সাখাওয়াত হোসেন, জাহিদুল ইসলাম খোকন, মোল্লা আলী আহমেদ, মাসুদ রুমী, রবিউল আলম, শফিউদ্দিন আহমেদ, আসমত হোসেন, শামীম রেজা, মামুনুর রহমান রাসেল, ইমতিয়াজ সেজান, সোহেল খন্দকার, নজমা আক্তার ও লাকি আক্তার সহ বিভিন্ন নেতাকর্মী।

  • সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কে খুলনা সিটি কর্পোরেশন ও কেডিএ’র যৌথ উচ্ছেদ অভিযান

    সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কে খুলনা সিটি কর্পোরেশন ও কেডিএ’র যৌথ উচ্ছেদ অভিযান

    খুলনার সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কে অবৈধ দখলদারদের দখল মুক্ত করতে বৃহস্পতিবার এক যৌথ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানটি পরিচালনা করে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) এবং খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)। সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত চলে এ অভিযান, যেখানে সড়কের পাশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং একাধিক পরিবহন কাউন্টার ভেঙে ফেলা হয়। এই কার্যক্রমের সময় কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

    কেন্দ্রীয়ভাবে জানানো হয়েছে, এই সড়কটি শহরে প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ হিসেবে বিবেচিত। তবে দীর্ঘদিন ধরে সড়কের এক বড় অংশ দখল থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষে এই সড়কটি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। জনস্বার্থে এই অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং সড়কটি দখলমুক্ত করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

    অভিযানে ৩০টিরও বেশি অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, সামনে আরও শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেটি চালিয়ে যাওয়া হবে।

    কেসিসির পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আবিরুল জব্বার বলছেন, নগরীর অন্যতম প্রবেশপথ সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কের পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে, কারণ অবৈধ দখলদাররা এই সড়কটি দখল করে রেখেছিল। সড়কের কর্মক্ষম প্রয়োজন ৬০ ফুট প্রশস্ততা হলেও দোকান ও বাস কাউন্টার গড়ে ওঠায় এই কাজ ব্যাহত হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে জনস্বার্থে দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে এই উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

    তবে স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, তারা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ইজারা ও ভাড়া নিয়েই বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। হঠাৎ করে এই উচ্ছেদে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি করে, তারা ক্ষতিপূরণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।