Month: November 2025

  • আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বৃদ্ধি পেয়েছে

    আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বৃদ্ধি পেয়েছে

    অর্থনৈতিক উপস্থিতির সুবিধার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় এক মাস বৃদ্ধি করা হয়েছে। করদাতরা এখন আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের রিটার্ন জমা দিতে পারবেন, যেখানে সাধারণত শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর। ব্যবসায়ী ও করদাতাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। আজ রোববার (২৩ নভেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

    একজন এনবিআর কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ২০২৫-২৬ করবর্ষের জন্য বিভিন্ন শ্রেণির করদাতা, যেখানে কোম্পানি অন্তর্ভুক্ত নয়, তাদের জন্য রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর। করদাতাদের পক্ষ থেকে আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমার বাড়ানো হয়েছে।

    এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, এই বছর ইতিমধ্যেই ১০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে তাদের আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন। ৪ আগস্ট ২০২৫ তারিখে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট www.etaxnbr.gov.bd এর মাধ্যমে এই সুবিধার উদ্বোধন করেন।

    এই বছর, এনবিআর বিশেষভাবে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ করদাতা, শারীরিকভাবে অসক্ষম বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তির জন্য, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার পরিবারের সদস্য এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে। তবে, যারা এই বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন, তারাও ইচ্ছা করলে অনলাইনে রিটার্ন দিতে পারেন।

    বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরা পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং ই-মেইল ঠিকানা দিয়ে [email protected] এ আবেদন করলে তাদের জন্য OTP ও রেজিস্ট্রেশন লিংক পাঠানো হয়, যার মাধ্যমে সহজে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল সম্ভব। ই-রিটার্ন পদ্ধতিতে কোনো কাগজপত্র আপলোড করতে হয় না; কেবল আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্বীকৃতি সনদ ও আয়কর সনদ ডাউনলোড করা যায়। ফলে দেশে ও বিদেশে থাকা করদাতাদের মধ্যে এই পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

    রিটার্ন সংক্রান্ত সহায়তার জন্য এনবিআর একটি কল সেন্টার (০৯৬৪৩ ৭১ ৭১ ৭১) চালু করেছে, যেখানে করদাতারা দ্রুত টেলিফোনিক সহায়তা পাচ্ছেন। পাশাপাশি, www.etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটের e-Tax সার্ভিস অপশন এবং দেশের প্রতিটি কর অঞ্চল থেকে সরাসরি সেবা দেওয়া হচ্ছে।

  • আগামী জুলাই থেকে সব প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেনের পরিকল্পনা ঘোষণা

    আগামী জুলাই থেকে সব প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেনের পরিকল্পনা ঘোষণা

    ২০২৭ সালের জুলাই মাসের মধ্যেই ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), বীমা এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যেও সম্পূর্ণ ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা চালু হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এই ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এ পদক্ষেপের ফলে আর কোনও প্রতিষ্ঠানে ক্যাশআউটের প্রয়োজন থাকবে না।

    সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। গভর্নর উল্লেখ করেন, লেনদেনে স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণের জন্য ডিজিটাইজেশন অপরিহার্য। এ জন্য আন্তঃলেনদেন ব্যবস্থার গুরুত্ব অপরিসীম। এ ব্যবস্থায় প্রবেশের ফলে লেনদেনের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে, দুর্নীতি কমবে এবং রাজস্ব সংগ্রহের প্রক্রিয়া আরও জোরদার হবে।

    নতুন এই আন্তঃলেনদেন প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক গেটস ফাউন্ডেশনের মোজোলুপের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তি নিরাপত্তার জন্য ভার্চুয়ালি সম্পন্ন হয়। গভর্নর জানান, এই চুক্তির আওতায় মোজোলুপের প্ল্যাটফর্মের নাম হবে ইনক্লুসিভ ইনস্ট্যান্ট পেমেন্ট সিস্টেম (আইআইএসপি)। এই উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক পরিষরণে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে তুলে ধরা বাংলাদেশের দারিদ্র্য ঝুঁকি ও সমাধানের পথ

    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে তুলে ধরা বাংলাদেশের দারিদ্র্য ঝুঁকি ও সমাধানের পথ

    বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি মানুষ, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বিশেষ করে অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অপ্রত্যাশিত বিপর্যয়ের সময় এই মানুষগুলো আবারও দারিদ্র্যের গ্লানি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও বৈষম্য মূল্যায়ন ২০২৫’ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাপকভাবে দারিদ্র্য হ্রাস করেছে। এই সময়ে দুই কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে, পাশাপাশি ৯০ লাখ মানুষ অতি দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছে। এর ফলে তাদের জীবনমানের উন্নতি হয়েছে; বিদ্যুৎ, শিক্ষাব্যবস্থা, পরিষ্কার পানির সুবিধা এবং স্বাস্থ্যসেবাসহ অন্যান্য জরুরি সেবা সহজে পৌঁছেছে। তবে, ২০১৬ সাল থেকে দারিদ্র্য কমার গতি ধীর হয়ে এসেছে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও কমে গেছে, আর তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অন্তর্ভুক্তিমূলক নয়।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চরম দারিদ্র্য ১২.২ শতাংশ থেকে কমে ৫.৬ শতাংশে নেমে এসেছে। পাশাপাশি, মাঝারি দারিদ্র্যও ৩৭.১ শতাংশ থেকে ১৮.৭ শতাংশে অপ্রত্যক্ষভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে, উন্নয়ন এই ধারা অব্যাহত রাখতে হলে নীতিতে পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে।

    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১৬ সালের পর থেকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি অনেকটাই কমে গেছে, যার ফলে ধনী ও নিম্নবিত্তের মধ্যে বৈষম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রামীণ এলাকাগুলো এখনো দারিদ্র্য কমাতে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে কৃষিখাতের ভিত্তি শক্তিশালী হওয়ার ফলে ঝুঁকিপূর্ণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনধারা উন্নত হচ্ছে। অন্যদিকে, শহর এলাকায়, বিশেষ করে ঢাকার বাইরে, দারিদ্র্য কমার হার বেশ ধীর হয়ে গেছে। ২০২২ সালের মধ্যে প্রতি চারজনের মধ্যে একজন শহরে বসবাস করছে।

    জঁ পেম, বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগীয় পরিচালক, বলেছেন, বাংলাদেশের দারিদ্র্য দূরীকরণে দীর্ঘ দিন ধরে সফলতা এসেছে, তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও কর্মসংস্থান কমে যাওয়ায় শ্রম আয় কমছে। তিনি বলেন, দারিদ্র্য কমানোর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যুবক, নারী ও ঝুঁকিপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর জন্য। একই সঙ্গে, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য দরিদ্রবান্ধব, জলবায়ু গ্রহণক্ষম ও কর্মসংস্থান কেন্দ্রিক নীতি প্রয়োজন।

    প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে যে, উৎপাদনশিল্পে কর্মসংস্থান কমে গিয়ে কম উপার্জনশীল খাতে কাজের সম্ভাবনা বাড়ছে, যা নারী ও তরুণদের জন্য বেশ চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি পাঁচজন নারীর মধ্যে একজন বেকার, আর শিক্ষিত নারীদের মধ্যে কর্মসংস্থান নেই একটি মারাত্মক সমস্যা। শহরের বাইরে ও ঢাকায় শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ কমে গেছে, ফলে শ্রমশক্তির কার্যকর ব্যবহার ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন বয়সের তরুণদের অর্ধেকই কম মজুরিতে কাজ করছেন, যা শ্রমবাজারে দক্ষতার অভাব ও চাহিদার অসঙ্গতির ইঙ্গিত দেয়।

    অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন বাংলাদেশে দরিদ্রতা থেকে মুক্তির অন্যতম পথ। প্রবাসী আয় দরিদ্র পরিবারগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে সাহায্য করছে, তবে শহরের ঘিঞ্জি এলাকাগুলোর জীবনমান এখনো খুবই নিম্ন। বিদেশে যাওয়ার জন্য pré exige প্রচুর অর্থ, তাই দরিদ্ররা সাধারণত এই সুযোগ নিতে পারেন না। সত্ত্বেও, সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন হলেও এর তদারকি ও কার্যকারিতা এখনও সমস্যা।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালে সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৩৫ শতাংশ ধনী পরিবারের, যেখানে অর্ধেক অতি দরিদ্র সমাজ এই সুবিধায় হিসেবে উপকৃত হয়নি। ভর্তুকির বেশিরভাগটাই ধনী পরিবারগুলোর পক্ষে যায়, যা লক্ষ্যভিত্তিক নয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি subsidies এর ক্ষেত্রেও একই সমস্যা দেখা যায়।

    নীতিগতভাবে, দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমানোর জন্য চারটি মূল পথ চিহ্নিত করা হয়েছে: উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থান বাড়ানো; ঝুঁকিপূর্ণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বেশি কাজের বিকাশ; আধুনিক শিল্পে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি; এবং শক্তিশালী রাজস্ব ও লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু।

    সার্জিও অলিভিয়েরি, বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ও প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক, বলেছেন, বাংলাদেশ পূর্ব-পশ্চিমের আঞ্চলিক বৈষম্য কমানোর পাশাপাশি জলবায়ু ঝুঁকির কারণে শহর ও গ্রাম এলাকা বৈষম্য বাড়ছে। তিনি বলেন, উদ্ভাবনী নীতি, যোগাযোগ উন্নয়ন, গুণগত কর্মসংস্থান ও দরিদ্রবান্ধব মূল্য-শৃঙ্খল নিশ্চিত করতে পারলে বাংলাদেশ দারিদ্র্য হ্রাসের গতি ত্বরান্বিত করতে পারে এবং সকলের জন্য সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশনা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশনা

    বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংক ও ব্যাংকিং সংস্থার কর্মকর্তাদের শুধুমাত্র খুবই জরুরি ব্যক্তিগত ও কর্ম related কারণে দেশের বাইরে যেতে পারবে, এমন স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে।

    আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এই নির্দেশনা জারি করে বলেছে, নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ব্যাংকিং খাতে কোনো ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি বা প্রশাসনিক ব্যাঘাত না ঘটে, সেজন্য এই সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

    নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনকালীন পরিস্থিতিতে ব্যাংকিং কার্যক্রম যাতে নির্বিঘ্নে চালানো যায়, সেজন্য এই সীমিত ভ্রমণনীতির প্রয়োগ। এতে ব্যাংক-অফিসার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং অন্যান্য উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের অতি জরুরি প্রয়োজনে ছাড়া দেশের বাইরে যেতে বাধা দেয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তটি ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারা অনুসারে নেওয়া হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ভ্রমণ ও অন্যান্য কার্যক্রমের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে, যাতে নির্বাচনকালীন পরিস্থিতিতে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা স্থিতিশীল থাকে।

  • বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছল

    বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছল

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে দেশের ব্যাংকগুলো থেকে প্রদানকৃত মোট ঋণের মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরের শেষে এই সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ, মাত্র ৯ মাসের মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেজে গেছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা।

    আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর), বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালক ও মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ব্যাংকিং খাতে এই খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ার জন্য বিভিন্ন কারণ দায়ী। এর মধ্যে একটার হলো, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নামে-বেনামে অর্থ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, যা এখন খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এছাড়া, আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে ঋণ পুনঃনবায়ন ও ঋণ আদায়ে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক ঋণের নবায়নও নিস্পত্তি না হওয়ায় ব্যাংকগুলো খেলাপি হিসেবে তালিকাভুক্ত করছে। এর ফলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বাড়ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শেষে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ। গত বছর একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরেই খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা। এই সব তথ্য স্পষ্ট করে দেয়, দেশে ব্যাংকিং সেক্টরে খেলাপি ঋণের ঘটনায় উদ্বেগের বিষয়।

  • তারেক রহমানের ভাষণে দেশি-বিদেশি চক্রান্তের الإهতিয়াত

    তারেক রহমানের ভাষণে দেশি-বিদেশি চক্রান্তের الإهতিয়াত

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘‘৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনকে সফল করে আমরা নতুনভাবে স্বাধীনতা লাভ করেছি, কিন্তু এমনকি এরপরও আমাদের দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য বিদেশি ও দেশীয় ষড়যন্ত্র থামছে না।’’’ শহীদ ডা. মিলন দিবসের অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য তিনি করেন এক বাণীতে।

    তারেক রহমান বলেন, ‘‘পতিত আওয়ামী সরকার গত ১৬ বছরে তার দুর্বৃত্তশাসনে মানুষের সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে, গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছে। মানুষের স্বাধীনতা ও মর্যাদাকে অকার্যকর করে দেশের মালিকানা থেকে জনগণকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে।’’

    তিনি আরও দাবি করেন, ‘‘আমরা একত্রিত থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই সফল হতে পারবে না। শহীদ ডা. মিলনের আত্মত্যাগ আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।’’

    শহীদ ডা. মিলনসহ সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘‘৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের এক সাহসী সৈনিক শহীদ ডা. শামসুল আলম মিলনের স্মৃতিকে আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।’’

    তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার আত্মদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ৯ বছর ধরে স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ফলে গণতন্ত্রের বিজয় এসেছে।’’

    তারেক রহমান যোগ করেন, ‘‘স্বৈরাচারকে উৎখাত করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতেই তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তার রক্তের বিনিময়ে দেশের স্বৈরাচার পতনের পাশাপাশি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে। এই ধারাবাহিক স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশর গণতন্ত্রের নতুন সূচনা হয়, যেখানে নেত্রীর নেতৃত্বে দেশের স্বৈরাচার পতন ঘটেছে।’’

    বাণীটি বুধবার দুপুরে (২৬ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত হয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

    অপরদিকে, শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও নিজের ভাষণে স্মরণ করেন শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের বিপ্লবী অবদান। তিনি বলেন, ‘‘৮০’র দশকে স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ডা. মিলনের নাম স্মরণীয় হয়ে উঠে।’’ তিনি বলেন, ‘‘১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, তৎকালীন সরকার গুলিতে শহীদ হন ডা. মিলন। তার শাহাদাতের দিনটি প্রতিরোধের ইতিহাসে দাবি করে দাগ কেটে রাখবে। আমি তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি।’’

    তিনি আরও বলেন, ‘‘গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন ডা. শামসুল আলম খান মিলন। তার আত্মদান দেশের গণতন্ত্রের জন্য অনুপ্রেরণা।’’

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘বিজয়ী গণতন্ত্রের পথে না ফিরতে স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে সংগ্রামে শহীদ ডা. মিলনের ভূমিকা আমরাও স্মরণ করে যাবো। ১৬ বছরের ভয়ঙ্কর দুঃশাসনে ভোট, বাক ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হারিয়েছে দেশের মানুষ।’’

    তিনি বলেন, ‘‘৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কারণে স্বৈরাচার মুক্ত হলেও ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো দেশের অস্থিতিশীলতার চেষ্টা করছে। তবে দেশের জনগণ এখন একত্র, তাই তারা সফল হবে না।’’

    শেষে, তিনি বলেন, ‘‘শহীদ ডা. মিলনের আত্মত্যাগ আমাদের অনুপ্রেরণা, আর গণতন্ত্রের শক্ত ভিত্তি শক্ত করতে পারলেই তার স্বপ্ন সফল হবে।’’

  • নির্বাচনে ভুল সিদ্ধান্ত জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, সচেতন থাকুন

    নির্বাচনে ভুল সিদ্ধান্ত জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, সচেতন থাকুন

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আগামী নির্বাচন বাংলাদেশে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্ত। এই নির্বাচন দেশের ভবিষ্যত ও গণতন্ত্রের বিভিন্ন দিকের জন্য অমূল্য—এটি আমাদের সকলের collective দায়িত্ব। যদি আমরা এই নির্বাচনে ভুল পদক্ষেপ নিই বা অসর্তকতা প্রদর্শন করি, তাহলে আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব এবং জনমানুষের স্বাধিকার অনেকটাই compromised হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি বিশ্বাস ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এই ভুলের ফাঁদে পা দেবে না। বুধবার ঠাকুরগাঁও শহরে ন্যাশনাল এসোসিয়েশন অফ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অফিসের (ইএসডিও) কার্যালয়ে এক বিশেষ সুধী সমাবেশে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস হচ্ছে সংগ্রামের, প্রতিরোধের এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ইতিহাস। এদেশের মানুষের সেই ঐতিহ্য আজও একইভাবে জাগরুক। ১৯৭১ সালে যাদের জন্য আমরা লড়াই করেছিলাম, যুদ্ধে ঝাঁপিয়েছিলাম, সেটি ছিল একটি সত্যিকারের অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের নির্মাণের উদ্দেশ্য। তিনি আরও বলেন, আমরা এখনও সেই পথে অটল আছি এবং এই পথে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষও অনড়।

    তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, সত্যের জয় হবে এবং এর উদাহরণ হিসেবে তিনি দেখিয়েছেন বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও জানিয়েছেন, এই দিন দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি, তিনি ঢাকা কড়াইল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকা ও তাদের জন্য সরকারের আরও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানান।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অগ্নিনির্বাপণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা, দায়িত্বশীলতা ও সমন্বয় থাকলে এমন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কমে আসবে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন, সম্প্রতি বাউলদের ওপর হামলার জন্য। এই ঘটনা তিনি উল্লেখ করেন উগ্র ধর্মান্ধ অপশক্তির দ্বারা পরিচালিত একটি বরং অপ্রত্যাশিত দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, বাউলরা মাঠ-ঘাটে গান গেয়ে দেশের সংস্কৃতি বিকাশে অবদান রাখে, তাদের ওপর হামলা অপপ্রচার ও হিংসার ফল। এই ধরনের হামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

    সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

  • এনসিপি প্রকাশ করলো ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের অফিসিয়াল ছবি

    এনসিপি প্রকাশ করলো ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের অফিসিয়াল ছবি

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের দলের নির্বাচনী প্রতীক ‘শাপলা কলি’ এর অফিসিয়াল এবং অনুমোদিত ছবি প্রকাশ করেছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) এর ওয়েবসাইটে এখন থেকে এই প্রতীকের ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে, যেখানে এনসিপিকে দেশের ৫৮ নম্বর রাজনৈতিক দল হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় এনসিপির পক্ষ থেকে এই প্রতীকের ছবি গণমাধ্যমের কাছে পাঠানো হয়। ছবিতে একটি অঙ্কুরিত শাপলা ফুলের কলি দেখা যায়, যা গোলাকার শাপলা পাতার ওপর সোজা ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দলের মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন জানান, এখন থেকে গণমাধ্যমে এই ছবি ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ইসির কাছ থেকে দলীয় প্রতীরকের চূড়ান্ত এবং অনুমোদিত ছবি নিশ্চিত হয়ে নিয়েছেন, এবং এরই ফলে এটি ইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে, গত ৯ নভেম্বর ইসি এনসিপিকে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়।

  • রিজভী বললেন, এরশাদ ও শেখ হাসিনার চারিত্রিক বৈষম্য নেই

    রিজভী বললেন, এরশাদ ও শেখ হাসিনার চারিত্রিক বৈষম্য নেই

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এরশাদ এবং শেখ হাসিনার চরিত্রের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তিনি এই মন্তব্য করেন আজ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে। রিজভী বলেন, এই দুই নেতা প্রকাশ্যে মুখোমুখি থাকলেও শেষ মুহূর্তে তারা হাত মিলিয়েছেন, এক হয়ে গেছেন, যা গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। তারা বারবার ইতিহাসের ভয়ঙ্কর অধ্যায়ে গণতন্ত্রকে দমন ও গলা কেটে হত্যা করেছেন। উভয় শাসনামলেও দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছিল।

    রিজভী আরও বলেন, ইকোনোমিক্স শীর্ষক শব্দ থাকলেও শেখ হাসিনার সারে ১৫ বছরের শাসনে যা হয়েছে তা মোটেও উন্নয়ন নয়, বরং এটি বলা যেতে পারে ‘হাসিনোমিক্স’। ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে তা ফেরত না দিলেও কোন বাধা ছিল না—এটাই তার শাসনের মূল নীতির অংশ। পরিশোধ না করেও নতুন ঋণ নেওয়ার যেনো একটি সুবিধা তৈরি হয়ে গিয়েছে তার আমলে।

    তিনি জানান, বর্তমানে দেশ সাড়ে ছয় লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণের বোঝা নিয়ে চলতে বাধ্য হচ্ছে। নতুন সরকারকে এই অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে মুক্তি পেতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। যদিও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিছু উদ্যোগ নিয়েছে, তবে একদিকে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে অর্থনীতির পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে। কর্মসংস্থান কমছে, বেকারত্ব বেড়ে চলেছে, যা সরকারকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

    অন্যদিকে, সম্প্রতি ব্যাংকের ভল্টে স্বর্ণের জালিয়াতির ঘটনা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ব্যাংকের দুটি ভল্ট থেকে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার হয়েছে। কীভাবে এই স্বর্ণগুলো এখনো ব্যাংকের ভল্টে রয়ে গেছে, তা নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। এই স্বর্ণ কি শেখ হাসিনা বা তার দলের ঘনিষ্ঠ কারো কাছে থাকতে পারে, এমন ধারণাও উঠছে এবং বিষয়টি শিগগিরই প্রকাশ পাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি নেতা নাজিম উদ্দীন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলসহ বিভিন্ন নেতা কর্মী।

  • খালেদা জিয়ার জন্য আজ দোয়া ও মোনাজাতের কর্মসূচি বিএনপির

    খালেদা জিয়ার জন্য আজ দোয়া ও মোনাজাতের কর্মসূচি বিএনপির

    বাংলাদেশের বিএনপি নেতা ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এই কর্মসূচি পালনের জন্য শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) জুমার নামাজের পর দেশব্যাপী বিক্ষিপ্তভাবে দোয়া এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। একই সময়ে কেন্দ্রীয় দলীয় কার্যালয় নয়াপল্টনে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ আরও সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থাকবেন। সোমবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে মিডিয়া দলের এক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।