মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে নতুন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ রাশিদুল ইসলাম, যিনি দৈনিক মানবজমিনের খুলনা ব্যুরো প্রধান। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক রানা, যিনি দৈনিক সংগ্রামের খুলনা বিভাগীয় প্রধান। কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ রকিবুল ইসলাম মতি, যিনি এসএ টিভির খুলনা প্রতিনিধি। এই তিনজন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন কারণ অন্য কোনো প্রার্থী ছিলেন না। এছাড়াও, অন্যান্য পদে নির্বাচিত হন মোঃ নূরুজ্জামান (বাসস, খুলনা জেলা প্রতিনিধি), আশরাফুল ইসলাম নূর (সময়ের খবর, সিনিয়র রিপোর্টার), মোঃ এরশাদ আলী (নয়াদিগন্ত, খুলনা ব্যুরো প্রধান) ও কে এম জিয়াউস সাদাত (প্রবর্তন, নির্বাহী সম্পাদক)। গত রোববার অনুষ্ঠিত দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে মোট ৭ পদে অন্য কেউ প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করায় নির্বাচন কমিশন তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে। নির্বাচনের পরিচালনা করেন ইউনিয়নের সিনিয়র সদস্য ও ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের খুলনা ব্যুরো প্রধান জি এম রফিকুল ইসলাম। অপর সদস্যরা হলেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কালের কণ্ঠের খুলনা ব্যুরো প্রধান এইচ এম আলাউদ্দিন ও দৈনিক খুলনাঞ্চলের সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলটন। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবের ইউনিয়ন কার্যালয়ে বর্তমান সভাপতি মোঃ আনিসুজ্জামান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন হিমালয় ছেড়ে নবনির্বাচিত নেতাদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন। এর পাশাপাশি, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতৃবৃন্দ নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিএনপি নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলছেন, নতুন এই কমিটি পেশাদার সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার রক্ষা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সার্বিক কল্যাণে কাজ করবে। তারা আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে সংগঠনটি মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের স্বাধিকার ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। গণহত্যাকারী ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার চেষ্টা যেন কেউ না করে, সে জন্য মিডিয়াগুলোকে দেশের জনগণের পক্ষে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে উদ্বুদ্ধ করা হবে। নেতৃবৃন্দ এই দীর্ঘ পথচলায় সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা আ“`}
Month: November 2025
-

আমি যেন শেখ হাসিনার ফাঁসি কার্যকর দেখার স্বপ্ন দেখি
জুলি শহীদ রাকিবুল হোসেনের বাবা-মা মানছেন, দ্রুত শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করতে হবে। তারা দাবি করেন, গত গণঅভ্যুত্থানে গনহত্যা ও মানবতাবিরোধী অসংখ্য অপরাধের জন্য আদালতে দেওয়া রায় প্রমাণিত হয়েছে। সোমবার বিকেলেও তারা এই দাবি প্রকাশ করেন। শহীদ রাকিবুলের মা হাফিজা খাতুন বলেন, শেখ হাসিনা তার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আদালতের রায়ে সব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আমি কিছুটা সন্তুষ্ট। আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানাচ্ছি, তিনি যেন আমাকে এ দেখার সৌভাগ্য দেন যে, কবে আমি শেখ হাসিনার ফাঁসি কার্যকর হতে দেখতে পারবো। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আছাদুজ্জামান খান কামালসহ সকল প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দফতর পক্ষের সাথে যুক্ত সবাইকে ফাঁসি দিতে হবে। যারা এই গণহত্যার সঙ্গে জড়িত হয়ে বিদেশে পালিয়ে গেছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির দণ্ড কার্যকর করতে হবে। আজ আমরা খুশি, কারণ সমাজের এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের জন্য তারা দায়ী। ১৮ জুলাই ঢাকার মিরপুর ১০ নম্বর ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিলেন ইঞ্জিনিয়ার রাকিবুল হোসেন। আন্দোলনরত অবস্থায় পুলিশ তার উপর গুলি চালিয়ে তাকে নিহত করে। তিনি ঢাকার বনানীর একটি জুট মিলের ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। তার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামে।
-

শেখ হাসিনার বিচারপ্রাপ্ত রায় দেশে আইনের শাসন ফিরিয়ে আনছে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের পথ এখন সুস্পষ্ট মনে করছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল। তিনি বলেন, জুলাই সনের মাধ্যমে শুরু হওয়া সংস্কার প্রক্রিয়া এখন কার্যকর রূপ পাচ্ছে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গুম-খুনের ঘটনায় আদালতের বিচারে প্রাপ্ত রায় এটিই প্রমাণ করে যে, দেশের আইন শাসন আবার ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। গতকাল সোমবার আইচগাতীতে বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন হেলাল। তিনি আরও বলেন, এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো অবাধ, সুষ্ঠু এবং সবার গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আয়োজন করা। এই নির্বাচনই সিদ্ধান্ত নেবে দেশের ভবিষ্যৎ কেমন দাঁড়াবে। অনেক বছর ধরে জনগণ যা চেয়েছে, সেটি বাস্তবে রূপ দিতে এবার সুযোগ এসেছে। বিএনপি সবসময় শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কার্যকলাপ ও গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। জনগণই আমাদের শক্তির উৎস, এবং গণতন্ত্রই আমাদের পথ, আনলেন তিনি।
হেলাল উল্লেখ করেন, যারা দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন চালিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে আদালত ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনে ষড়যন্ত্রের জন্য সমস্ত অপশক্তি এখনই প্রতিরোধের মুখে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া বানচাল করার জন্য যেসব ষড়যন্ত্র চলছে, তা সবই ব্যর্থ হবে।
জনগণের ভোটাধিকার সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ ঢের আন্দোলন করেছে, সংগ্রাম করেছে, তাদের নিজের ভোট নিজে দেওয়ার জন্য, পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য।” আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের দিকে লক্ষ্য করে বিএনপি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করবে না বলে জানানো হয়। তিনি বলেন, “রাজনীতি মানে মানুষের সুবিধা বাড়ানো, কষ্ট দেওয়া নয়। বিএনপি পরিবর্তনের রাজনীতি চায়—সংঘাতের নয়।” এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু। এতে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র অন্যান্য নেতারা, যেমন খায়রুল মোল্লা, কামরুজ্জামান টুকু, শেখ আব্দুর রশিদ, এনামুল হক সজল, নাজমুস সাকিব পিন্টু, আব্দুস সালাম মল্লিক, রিয়াজ মোল্লা, আরিফুর ইসলাম আরিফ, আলী আজগর, খান সাহানুর রহমান আর্জু, শেখ আনিসুর রহমান ও অন্যান্য নেতারা। সভা শেষে নেতাকর্মীরা নির্বাচনী প্রস্তুতি, কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি ও প্রচারণার কৌশল বিষয়ক পরবর্তী পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
-

দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নির্বাচনকে বিলম্বিত করার চেষ্টাও চলমান। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ গত ১৬ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার শাসনামলে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন সাধারণ মানুষ। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলকে শক্তিশালী করে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম আব্দুল জলিল বিশ্বাস, ২৩নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মরহুম আব্দুল আজিজ, যুবদলের সাবেক নেতা মরহুম আরাফত রহমান মাসুম, সাংবাদিক মরহুম এটিএম আব্দুর রফিক, ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মরহুম মোজাফফর হোসেন, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক মরহুম শেখ ফারুক হোসেনসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীর বাসভবনে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এছাড়াও, অসুস্থ বিএনপি নেতাদের সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া এবং তাঁদের ভরসা দিয়ে দোয়া করেন। এ সময় তিনি সকলকে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য উদ্যোগী ও একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন, সাদিকুল রহমান সবুজ, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, ইশহাক তালুকদার, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, রবিউল ইসলাম রবি, আসলাম হোসেন, আলমগীর হোসেন আলম, ইকবাল হোসেন, রিয়াজুর রহমান, মাসুদ খান বাদল, আব্দুল হাকিম, আতিকুর রহমান, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, অরিফুর রহমান আরিফ, আমির হোসেন বাচ্চু, এম এ সালাম, বাবুল হোসেন, সুলতান মাহমুদ সুমন, শহিদুল ইসলাম খোকন, জাহিদুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান টুটুল, আবু তালেব, ওহেদুর রহমান বাবু, সমির কুমার সাহা, শুকুর আলী, সজল আকন নাসিব, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আসাদ সানা, আবুল কাশেম, জাহিদুল ইসলাম শেখ, সেলিম বড় মিয়া, আলাউদ্দিন আলম, জাহান আলী সরদার, হারুন মোল্লা, খান রাজিব, খন্দকার সোহেল, শামীম রেজা, পারভেজ মোড়ল, মেজবাউল আলম পিন্টু, ফিরোজ আহমেদ, সোহরাব হোসেন, এড. এনামুল কবির, আবুল কালাম গাজী, জুয়েল রহমান, আক্তারুজ্জামান, ফারুক হোসেন, আব্দুর রহিম, ইউনুচ সরদার, আব্দুল করিম, পারভেজ আহমেদ, জাহিদল ইসলাম জিহাদ, মামুনুর রহমান রাসেল, শফিক উদ্দিন, তানভীর প্রিন্স, মো: মুন্না, মারুফ হোসেন, মহিউদ্দিন মঈন, ফিরোজ হোসেন প্রমুখ।
-

ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল নেতা ও গণআন্দোলনের মহা নায়ক মওলানা ভাসানী
খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, মওলানা ভাসানীর জীবন আমাদের জন্য মহান শিক্ষা- সাধারণ জীবন ও উচ্চ ভাবনাকে সম্পৃক্ত করতে। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আফ্রো-এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার মানুষের কাছে একজন ‘মজলুম জননেতা’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ এবং গণআন্দোলনের মুখপাত্র। বিভিন্ন সাধারণ ও স্থানীয় নির্বাচনে জয়ী হলেও কখনো ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আকৃষ্ট হননি। তার নেতৃত্বের মূল ভিত্তি ছিল কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য অবিরাম সংগ্রাম। ১৯৪৭ সালে সৃষ্ট পাকিস্তান এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরবর্তী রাজনীতিতে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া পল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন, তার পিতা হাজি শারাফত আলী। নিজ শিশু ও কিশোর বয়সেই পিতা-মাতাকে হারান। গতকাল সোমবার সকালে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা ও জাতির পিতা মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর বিএনপি’র আয়োজিত আলোচনায় সভাপতির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। এড. মনা বলেন, তার ডাকনাম ছিল চেগা মিয়া, ছোটবেলায় তিনি ছাচা ইব্রাহিমের আশ্রয়ে থাকতেন। তখন সিরাজগঞ্জে আসেন ইরাকের একজন আলেম ও ধর্মপ্রচারক নাসির উদ্দিন বোগদাদী, যিনি হামিদকে কিছু সময়ের জন্য আশ্রয় দেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি টাঙ্গাইলের কাগমারিতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন এবং পরে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের কালা গ্রামে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। আপশোসের সঙ্গে বলে রাখতে চাই, অসহায় মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় মওলানা ভাসানী প্রতিনিয়ত আমাদের অনুপ্রেরণা। তার অগাধ দেশপ্রেম, দেশের স্বার্থ রক্ষা ও গণতন্ত্র ও মানবতার বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে অবিরাম সংগ্রাম আমাদের জন্য চিরস্মরণীয়। তার আদর্শ অনুসরণ করে আমাদের প্রত্যাশিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। মনা আরও বলেন, অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি এ দেশের মানুষের সাহস জুগিয়েছেন তার নির্ভীক ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে। তার হুঁশিয়ারি ও হুঁশিয়ারিতে অত্যাচারী শাসক ও শোষকগোষ্ঠীর মসনদ কাঁপত। কঠিন সময় ও দুর্দিনে জনস্বার্থে মানুষের পাশে থাকার জন্য তিনি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছিলেন। অনুষ্ঠানে মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, মওলানা ভাসানী আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় নাম, যিনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে উপমহাদেশের নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের অধিকার আদায়, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অমোঘ নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মেহনতি জনতার ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় এক আলোকবর্তিকা। সভা শেষে বিশেষ দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন, নগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, থানা সভাপতি কেএম হুমায়ূন কবির, সেখ হাফিজুর রহমান মনি, মুর্শিদ কামাল, কাজী মিজানুর রহমান, বদরুল আনাম খান, সাবেক নেতা জামাল উদ্দিন তালুকদার, থানা সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার, আসাদুজ্জামান আসাদ, বিএনপি’র বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও অঙ্গ সংগঠনের কর্মীরা।
-

নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর
বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের বিদেশ থেকে আমদানি করা ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি এখন থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তর করা হবে। এই নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), যা আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) একটি বিশেষ আদেশের মাধ্যমে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, এ গাড়িগুলোর শুল্কমুক্ত সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস নির্দেশনা চায়। এর জবাবে জানা যায়, বিলুপ্ত সংসদ সদস্যদের ওই গাড়িগুলো শুল্কমুক্ত সুবিধায় খালাস হয় না এবং আমদানিকারকদেরকে স্বাভাবিক শুল্ক-কর পরিশোধ করে গাড়ি খালাস করতে হবে। গত বছর ৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম কাস্টমসকে এমন নির্দেশনা দেয় এনবিআর।
শুল্ক-কর বাবদ মোট ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা পরিশোধ করেছে গাড়িগুলোর আমদানিকারী। এই উচ্চ মূল্যের গাড়িগুলোর একক শুল্ক-কর সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা, এবং সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।
তবে সব শুল্ক-কর পরিশোধ সত্ত্বেও, গাড়িগুলোর আমদানিকারকরা এগুলো খালাস করেননি। তাই আইন অনুযায়ী, কাস্টমস আইন, ২০২৩ এর ধারা ৯৪(৩) অনুসারে, গাড়িগুলোর নিলাম ঘোষণা করা হয়। কিন্তু নিলামের সময় কোনো ক্রেতা তাদের যৌক্তিক মূল্য প্রস্তাব না করায় গাড়িগুলো বিক্রি হয়নি। পরবর্তীতে বিষয়টি জনস্বার্থ বিবেচনায় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আলোচনা হয় এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, এই অতি মূল্যবান গাড়িগুলোর যথাযথ ব্যবহারের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে হস্তান্তর করা হবে।
এক্ষেত্রে, ভবিষ্যতে আমদানিকারকরা সব শুল্ক-কর পরিশোধের মাধ্যমে আইনানুগভাবে গাড়িগুলো খালাস করতে পারলে, চট্টগ্রাম কাস্টমস তাদের নির্ধারিত মূল্য থেকে শুল্কায়ন করে গাড়িগুলো তাদের হস্তান্তর করবে। এরপর গাড়িগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি যানবাহন বিভাগে ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা হবে।
-

সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫৪৪৭ টাকা
দেশের বাজারে কয়েক দফা মূল্যবৃদ্ধির পর হঠাৎ করে সোনার দাম কমলো। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার (১৫ নভেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এখন থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরিতে ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। এর আগে এই দাম ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা। প্রস্তুতকারক ও বিক্রেতাদের জন্য এই তথ্য কার্যকর হবে আগামীকাল রোববার থেকে।
বর্তমানে স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা ভালো মানের সোনার মূল্য কমেছে। ফলে সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতির ভিত্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে প্রস্তুত সোনার প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।
বাজুসের তথ্যমতে, এই দামসমূহের সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরির যোগ দিতে হবে। তবে ডিজাইন এবং মানের পার্থক্য অনুযায়ী মজুরির পরিমাণে পরিবর্তন হতে পারে।
অন্যদিকে, রুপার দামের মধ্যে কোনও পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের রুপার এক ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়, ২১ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে রুপার দাম রয়েছে ২ হাজার ৬০১ টাকা প্রতি ভরি।
-

বাংলাদেশের মোট ঋণ প্রথমবারের মতো ২১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল
দীর্ঘ সময় ধরে দেশের রাজস্ব আয় ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যয় বেড়ে চলায়, বাংলাদেশ সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ প্রথমবারের মতো ২১ ট্রিলিয়ন টাকা বা ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত অর্থ বিভাগের ঋণ বুলেটিনে জানানো হয়েছে, জুন মাসের শেষে এই পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা এক বছরের মধ্যে ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি। এটি মূলত দেশের অর্থনীতি বিভিন্ন দিক থেকে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে বাধ্য করছে।
বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়ে ৯ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা হয়েছে, যা মোট ঋণের ৪৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। গত পাঁচ বছর ধরে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। ২০২১ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ২০ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৭ শতাংশ।
অভ্যন্তরীণ ঋণও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গত অর্থবছরের ১০ দশমিক ৭৬ ট্রিলিয়ন টাকার থেকে বেড়ে ১১ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন টাকা।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ দেশের অভ্যন্তরীন ঋণের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, করোনাকালীন মহামারির পর দেশীয় ও বৈদেশিক উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপক ব্যয় ও সহযোগী দেশগুলো থেকে পাওয়া বাজেট সহায়তা এই ঋণবৃদ্ধির মূল কারণ। উল্লেখযোগ্য প্রকল্পের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঢাকা মেট্রোরেল, মতিরবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, এবং অন্যান্য বড় প্রকল্পগুলো রয়েছে, যার জন্য অর্থের প্রয়োজন পড়েছে।
-

২০২৬ সালে মোট কতটি দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে জানা গেল
আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে ব্যাংকগুলোর জন্য মোট ২৮ দিন ছুটি থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই ছুটির তালিকা বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) প্রকাশ করেছে, যা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য প্রযোজ্য। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইড সুপারভিশন এই তালিকা প্রকাশ করে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা এবং প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।
নতুন এ তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রথম ব্যাংক বন্ধ থাকবে শবে-বরাতে, যার জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি একদিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। মার্চ মাসে শবে কদর উপলক্ষে ১৭ মার্চ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বন্ধ রাখবে। ঈদুল ফিতরের জন্য ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ঈদের আগের দুই দিন, ঈদের দিন ও ঈদের পরের দুদিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে, যাতে এই সময়ে সাপ্তাহিক ছুটির দিনও অন্তর্ভুক্ত।
এরপর, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের জন্য ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এ ছাড়াও, চৈত্র সংক্রান্তির জন্য রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার জন্য এক দিন বন্ধের ব্যবস্থা থাকবে ১৩ এপ্রিল। বাংলা নববর্ষের দিন, অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল ব্যাংক বন্ধ থাকবে। মে মাসে ১ মে বঙ্গবন্ধুর স্মরণে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এছাড়াও, ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ব্যাংক বন্ধ থাকবে, যেখানে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি অন্তর্ভুক্ত আছে।
জুলাই মাসে আশুরার জন্য ২৬ জুন এবং ১ জুলাই ব্যাংক হলিডে থাকবে। ৫ আগস্ট গৌরবময় গণঅভ্যুত্থানের দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উপলক্ষে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। একইভাবে, ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ২০ ও ২১ অক্টোবর দুর্গাপূজা, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন এবং ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক বন্ধের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৯ নভেম্বরের নির্দেশনা অনুযায়ী এই ছুটির তালিকা কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ব্যাংকের ছুটি ছিল ২৪ দিন, ২০২৫ সালে ২৭ দিন। আর ২০২৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়ালো মোট ২৮ দিন।
-

স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার মূল্য বেড়েছে
আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের ঊর্ধ্বগতিénের কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার মূল্য পুনঃনির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স এ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নতুন মূল্য ঘোষণা করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্মারক স্বর্ণ মুদ্রার (বাক্সসহ) নতুন বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। একইভাবে, স্মারক রুপার মুদ্রার (বাক্সসহ) নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ৮ হাজার ৫০০ টাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের দামের পরিবর্তনের কারণে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য কার্যকর হবে ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের জনগণ ও গণমাধ্যমকে এই তথ্য প্রচারে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে।
অপর দিকে, দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকায়, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮০১ টাকায়, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকায়। এছাড়া, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৮ টাকায়।
