Month: October 2025

  • আপনার লেখায় আমার ভালো লাগে না, শাওনের পোস্টের পর গুলতেকিনের মন্তব্য

    আপনার লেখায় আমার ভালো লাগে না, শাওনের পোস্টের পর গুলতেকিনের মন্তব্য

    প্রয়াত খ্যাতিমান নাট্যকার ও লেখক হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক বই ‘নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ’ এর এক অংশ নিজের ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন। এই বইটি হুমায়ূন আহমেদ নিউইয়র্কে ক্যানসারে আক্রান্ত থাকার সময় লিখেছিলেন, যেখানে মানসিক অসুস্থতা ও বিকৃত মানসিকতার মানুষের নির্মমতা ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাও উঠে এসেছে।

    রোববার (৫ অক্টোবর) নিজের ফেসবুকে শাওন শেয়ার করেছেন, কিভাবে তাঁর স্বামী হুমায়ূন আহমেদের অসুস্থতার সময় এক ব্যক্তি ফেসবুকে বিদ্রূপমূলক মন্তব্য করেছিলেন। একজন কমেন্টারে লিখেছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে আল্লাহ তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে তোমাকে শিক্ষা দিলেন।’

    শাওন উল্লেখ করেছেন, কীভাবে সেই সময় তিনি দেখলেন তার স্বামী কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে অশ্রু অঁকুর ফেলছিলেন। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কী সমস্যা। স্বামী বললেন, মন খারাপ। তিনি তাঁর পাশে বসে সহযোগিতা করার চেষ্টা করলেন, কিন্তু হুমায়ূন বললেন, ‘আমি চাই না, তুমি আমার মন খারাপটা বুঝো।’ এরপর তিনি জানতে চান, কী লিখেছিল সেই ব্যক্তি। শাওন পড়লেন, সেখানেই ঘোষণা ছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে আল্লাহ তোমাকে শাস্তি দিলেন।’ এটি এমনই একটি বার্তা যা হুমায়ূনের বিরল সময়েও শুনতে হয়েছে, আর তার মেয়ে লীলাবতীর মৃত্যুর সময়ও এই ধরনের মন্তব্য তাকে হতবাক করেছিল। এই নোংরা মন্তব্যগুলোতে লেখা ছিল, ‘তোমার কঠিন শাস্তি হল, আরও শাস্তি হবে।’

    শাওন লেখেন, এই ধরনের তুচ্ছ মন্তব্যে তিনি খুবই ভেঙে পড়েন, কিন্তু স্বামীর জন্য তিনি শক্তি খুঁজে বের করেন। একজন লেখক এবং তার স্ত্রী হিসেবে তিনি তাঁদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করেন, যে মানুষের মানসিক অসুস্থতাকে তাঁদের চিন্তার যোগ্য মনে করেন, এবং এই সময়টিতে মানুষের ভাল ও সুন্দর দিকগুলোই দেখতে থাকেন। তিনি বলেন, “আমাদের আশেপাশে মানসিকভাবে বিকৃত অনেক মানুষ রয়েছে। তবে আমাদের মনোযোগ থাকা উচিত সুস্থ মানুষের দিকে। অনেক চমৎকার মানুষ প্রতিদিন নানা সুন্দর কথা লিখছেন। থাকলে তারাও জানাতে চান, তাদের সুস্থ দিকগুলো।”

    শেওন আরও বলেন, তাঁর একজন প্রিয় বন্ধু মক্কায় কাবা শরিফ থেকে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আমি আপনার জন্য দোয়া করছি। আপনি একটুও চিন্তা করবেন না। আপনি সুস্থ থাকবেন।’ তিনি এটাই তুলে ধরেছেন, এই কঠিন সময়ে মানুষের মানবিক গুণাবলী এবং শুভ আশা দেখার গুরুত্ব।

    বইয়ে হুমায়ূন আহমেদ আরও একটি অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেছেন, যেখানে তিনি বিকৃত মানসিকতার এক যুবকের মুখোমুখি হয়েছেন। এই যুবক তাকে দেখা করার জন্য প্রচণ্ড হাস্যরসিক কাণ্ডকারখানা করে, এবং শেষ পর্যন্ত গেটের সামনে এমন অবস্থা হয় যেন তারা ঝগড়া করছে। যুবকের বয়েস আনুমানিক ২৩-২৪ বছর, চোখ-মুখ কঠিন। হুমায়ূন তাকে জিজ্ঞেস করেন, কেন এত ব্যস্ত হয়ে তাকে দেখা করতে চাইছেন। যুবক তখন বলেছিলেন, ‘তোমার লেখাটা আমার জঘন্য লাগে।’ এই মন্তব্য শুনে হুমায়ূন অবাক হন এবং জিজ্ঞেস করেন, ‘এত ঝামেলা করে এই কথাটা বলার জন্য।’ যুবক উত্তরে জবাব দেয়, ‘হ্যাঁ, কারণ সরাসরি বলতে সাহস করে না, সবাই তো তোমার চামচা।’ এরপর যুবক ইংরেজিতে বলে, ‘আই ওয়ান্ট ইউ টু ডাই সুন’ অর্থাৎ, ‘আমি চাই তোমার দ্রুত মৃত্যু হোক’। হুমায়ূন শান্তভাবে উত্তর দেন, ‘আমি আশা করি, তোমার জীবন দীর্ঘ ও অর্থপূর্ণ হবে।’ এই ঘটনায় তিনি বোঝাতে চান, হিংসে ও বিদ্বেষের মানুষ নানা রকম অপ্রত্যাশিত কথা বলে যেতে পারে, তবে আমাদের মনোযোগ থাকা উচিত সুন্দর ও ইতিবাচক মানুষের দিকে।

  • আমি ব্যর্থ হয়েছি: অভিনেত্রী বাঁধন

    আমি ব্যর্থ হয়েছি: অভিনেত্রী বাঁধন

    ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকে শুরু করে সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। তিনি সরাসরি রাজপথে নেমেছিলেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একত্রীকরণ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন। তার এই সরব উপস্থিতি এখনো অব্যাহত রয়েছে, যেখানে তিনি সময়ের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেন। এবার তিনি নিজের একজন ব্যক্তিগত উপলব্ধি শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি জানালেন তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

    আজ রোববার তিনি নিজের ফেসবুকে এক দীর্ঘ পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি এমন এক মেয়েকে হতে চেয়েছিলাম, যে সবাইকে খুশি রাখতে পারে— যে অবাধ্য নয়, বাধ্যতামূলক, শান্তভাবে মানিয়ে নিয়ে চলতে পারে। কিন্তু আমি ব্যর্থ হয়েছি। আমি সেই মানুষটা হতে পারিনি, যেভাবে সবাই দেখতে চেয়েছিল। আমি সত্যিই চেষ্টা করেছি, সামর্থ্য দিয়ে চেষ্টা করেছি। পরিবার ও সমাজের প্রত্যাশিত ‘নারী’ হওয়ার জন্য সংগ্রাম করেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমি ব্যর্থ হলাম। এই ব্যর্থতার জন্য আমি নিজেকে ধন্যবাদ জানাই।’

    তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি অন্য কারও স্ক্রিপ্টে বাঁচার জন্য জন্মই নেই। আমার কথা অনেকের কাছে অস্বস্তিকর, আমি যা বলি বা করি তা অনেকের সান্ত্বনার সীমা ভেঙে দেয়। আমি সহজ মানুষ নই, তবে কঠোর নয়। আমি কাউকে আঘাত দিই না, অসম্মানও করি না— যদিও অনেকেই আমার প্রতি অশোভন আচরণ করে।

    বাঁধনের কথায়, চলতি মাসের শেষে তার জন্মদিন। তিনি ভাবছেন, এখন তিনি নিজেকে সুখি করে জীবন কাটাবেন— স্বচ্ছন্দে, সৎভাবে, কোনও ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন ছাড়া। তিনি বলেন, ‘যদি কেউ আমার সঙ্গে অসন্তুষ্ট হন, কষ্ট পান বা আমাকে ভয় পান, ব্লক করে দেন বা ঘৃণ্য ভাবেন, তার জন্য আমার কিছু যায় আসে না। কারণ, যারা আমাকে যত না পছন্দ করে, তার চেয়েও অনেক বেশি মানুষ আমাকে ভালোবাসে, বুঝতে পারে, এবং আমার সত্যে শক্তি পায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমি নিজের প্রতি ভালোবাসি।’

    সবশেষে, তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘আমি ভাঙা নই। আমি শুধু এক পৃথিবীর কাছে অস্বস্তিকর, যেখানে আজও নারী হিসেবে আসল ভূমিকায় থাকতে ভয় পায়। আমি তোমায় ভালোবাসি, আজমেরী হক বাঁধন। তুমি যে নারী হতে চেয়ো, শেষ পর্যন্ত তুমি সেই নারীই হয়ে উঠেছেন।’

  • প্রেমিক নয়, শেখ সাদী আমার ছোট ভাই: পরীমনি

    প্রেমিক নয়, শেখ সাদী আমার ছোট ভাই: পরীমনি

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের নানা গুঞ্জনের মধ্যেও তার স্বাভাবিক জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে এসে তিনি নিজের সম্পর্কের ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা ব্যক্ত করেছেন। শুরুতে বিভিন্ন গুঞ্জন আর আলোচনা চললেও এখন তিনি নিজের মনোভাব পরিষ্কার করে বলেছেন, তার বন্ধু শেখ সাদী কোনও প্রেমিক নয়, বরং তিনি তাকে ছোট ভাইয়ের মতো মনে করেন।

    বছরের শুরুর দিকে শো বয়েজের গায়ক শেখ সাদীর সঙ্গে পরীমনি অনেক ঘনিষ্টতার খবর শোনা যায়। এমনকি একবার আদালতেও তাদের দেখা যায়, যেখানে শেখ সাদী পরীমনির জামিনদার ছিলেন। এরপর সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের রোমান্টিক ছবি ও পোস্ট দেখা যায়। তবে দুই তারকার প্রেমের সম্পর্ক বেশি দিন টেকেনি এবং এপ্রিলে খবর আসে, তারা আলাদা হয়ে গেছে।

    তবে এতদিন কেউই সরাসরি কিছু বলেননি। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের প্রশ্নে পরীমনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘শেখ সাদী আমার প্রেমিক নয়, ও আমার ছোট ভাই।’ তিনি যোগ করে বলেন, ‘সে আমার ছোট ভাইয়ের মতো। আমি ওকে ছোট ভাই বলেই ডাকি।’

    অন্য এক সাক্ষাৎকারে পরীমনি বলেছেন, ‘বিপদে পাশে থাকা মানুষটাই জীবনে আসলে আশীর্বাদ। আমি অনেক বিপদে প্রিয়জনের সাহচর্য পেয়েছি। এই সম্পর্কগুলো আমাকে মানসিকভাবে শক্তি দেয়।’

    শেখ সাদীও তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেছেন, ‘আমি দীর্ঘদিন এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি। পরীমনির অনেক গুণ রয়েছে। সে সত্যিই মানুষের পাশে থাকেন। আমি সবসময় তার সুখ-দুঃখের সঙ্গী হতে চাই।’

    প্রসঙ্গক্রমে, যখন প্রত্যেককে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘তুমি কি এখন সিঙ্গেল?’ পরীমনি হেসে উত্তর দেন, ‘না। আমাকে যদি কেউ বলে যে আমি সিঙ্গেল, আমি নিজের কথাও বিশ্বাস করতে পারি না। আমার মনে হয় প্রেমের মধ্যে থাকতেই ভালো’।

    বিয়ের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘আমি একবার বিয়ে করেছি’। আর যখন সঞ্চালক বলেন, ‘শরীফুল রাজের কথা বলছো, তাহলে অন্য বিয়ের কথা শুনে কি বলবে?’ পরীমনি হেসে বলেছিলেন, ‘ভালোই জানি না, ওরা হয়তো মনে করেন সৎস্বামী, যাদের সঙ্গে ডিভোর্স হয়নি।’

    এর আগে তার খালাতো ভাই ইসমাইলের সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জন খুবই আলোচিত হয়। শোবিজে তার পথচলার সঙ্গী হয়ে তিনি তখনই বিয়ের কথাও শোনা যায়, যা গত বছর এক সড়ক দুর্ঘটনায় ইসমাইলের মৃত্যুতে আরও জোরালো হয়। এই প্রসঙ্গে, সঞ্চালক জানতে চান, ‘তুমি কি ওকে স্বামী বলো?’ উত্তরে পরীমনি বলেন, ‘হ্যাঁ, ও আমার সৎস্বামী ছিল।’

    এক পর্যায়ে সঞ্চালক মজা করে জিজ্ঞেস করেন, ‘তুমি কতবার বিয়ের পরিকল্পনা করো?’ পরীমনি হেসে বলেন, ‘আমার মনে হয়, ১২ বার বিয়ে করব! ছোটবেলা থেকেই বলতাম, এক ডজন বিয়ে করবো। তবে এখন মনে হয়, সে রুমারও বিশ্বাস ছিল না যে আমি এতো স্বপ্ন দেখছি। এখন আর আমি সেসব বলি না।’

    পরীমনি দীর্ঘ দশকের বেশি সময় ধরে ঢালিউডে কাজ করছেন। তার অভিনয় যেমন জনপ্রিয়, তেমনি তার ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম, বিবাহ এবং বিচ্ছেদের খবর নিয়েও তিনি বেশ আলোচনায় থাকেন। তার কারো সঙ্গে প্রেম, বিয়ের সম্পর্ক বা বিচ্ছেদ—সবই হয়েছে নিয়মিত আলোচনার বিষয়। শরীফুল রাজের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে শুরু করে সিয়াম আহমেদের সঙ্গে গুঞ্জন, সবই তার জীবনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তিনি এসব সম্পর্কের ব্যাপারে স্পষ্টতা রেখে তার বক্তব্য ব্যক্ত করেছেন।

  • নুসরাত ফারিয়া স্ক্রিনশট শেয়ার করে বললেন, ‘এটি সম্পূর্ণ প্রতারণা’

    নুসরাত ফারিয়া স্ক্রিনশট শেয়ার করে বললেন, ‘এটি সম্পূর্ণ প্রতারণা’

    প্রতারণার শিকার হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। বিষয়টি তেমন সাধারণ নয়; তিনি গুরুতর প্রতারণার শিকার হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, তার নাম ও ছবির ব্যবহার করে একটি ভুয়া প্রোফাইল তৈরি করা হয়েছে এবং সেই আইডি থেকে মানুষদের কাছে টাকা চাওয়া হচ্ছে।

    সোমবার দুপুরে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ওই ভুয়া আইডির একটি স্ক্রিনশট প্রকাশ করে সবাইকে সতর্ক করেন নুসরাত ফারিয়া। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন, ‘কেউ আমার ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া নম্বর দিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা চাইছে। এটা সম্পূর্ণ প্রতারণা। আমার সঙ্গে এর কোন সম্পর্কই নেই।’

    এছাড়াও, তিনি ভক্ত ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দেন, যেন কেউ ওই ভুয়া প্রোফাইলের পোস্টে প্রতিক্রিয়া না দেয়, কারো কথায় টাকা পাঠানো থেকে বিরত থাকেন। পাশাপাশি, সবাইকে আহ্বান জানান, এমন ভুয়া প্রোফাইল রিপোর্ট করে দ্রুত বন্ধ করে দেয়ার জন্য।

    চিত্রনায়কদের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি ও হোয়াটসঅ্যাপের ঘটনায় নতুন কিছু নয়। মাঝে-মধ্যে এরকম ঘটনা শোনা যায়, যা সাধারণ মানুষের জন্য উৎকণ্ঠাজনক। এই পরিস্থিতিতে নিজেকে সুস্থ, সুরক্ষিত ও সচেতন রাখার জন্য নুসরাত ফারিয়া সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

    এর আগে অন্যান্য তারকাদের যেমন অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা ও বরিষ্ঠ চিত্রনায়ক আলমগীরও ভুয়া আইডির বিড়ম্বনায় পড়েছিলেন। আলমগীরের ক্ষেত্রে তার মেয়ে আঁখি আলমগীর সতর্ক করেছিলেন, আর প্রভা নিজেই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছিলেন।

  • শিল্পা শেঠিকে প্রতারণার মামলায় পাঁচ ঘণ্টা জেরা

    শিল্পা শেঠিকে প্রতারণার মামলায় পাঁচ ঘণ্টা জেরা

    প্রায় দুয়েক মাস আগে বিশাল অর্থের জালিয়াতির একটি মামলায় শিল্পা শেঠি এবং তার স্বামী রাজ কুন্দ্রার নাম উঠে এসেছে। বর্তমানে এই মামলার তদন্ত চলছে। মুম্বাইয়ের অর্থনৈতিক অপরাধ দফতর (ইকনমিক অর্ফেন্সেস উইং) শিল্পাকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসা করে।

    একটি সূত্র জানিয়েছে, তদন্তকারীরা শিল্পার মালিকানাধীন একটি সংস্থার অ্যাকাউন্টে ১৫ কোটি টাকা ট্রান্সফার সম্পর্কিত বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এখনো পর্যন্ত, এই মামলায় শিল্পা শেঠি ও আরও পাঁচজনের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে।

    এর আগে সেপ্টেম্বরে, মুম্বাই পুলিশ ওই অর্থনৈতিক অপরাধ শাখা রাজ কুন্দ্রার কথাও গ্রহণ করে। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়, ৬০ কোটি টাকার জালিয়াতির অভিযোগে শিল্পা ও তার স্বামী রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি, মুম্বাই পুলিশ রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে একটি সমনও জারি করেছে।

    অপরদিকে, গত ২ থেকে ৫ অক্টোবর, রাজ এবং শিল্পা থাইল্যান্ডের ফুকেটে পারিবারিক ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। এই বিস্তারিত বেড়াতে যাওয়ার জন্য তারা মুম্বাই হাইকোর্টের কাছ থেকে ছুটির অনুরোধও করেন। তবে, আদালত তাদের সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। তারা মুম্বাই পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখার জারি করা লুকআউট নোটিশ স্থগিত করার জন্য অপিল করেছিলেন।

    শিল্পা ও রাজের আইনজীবী নিরঞ্জন মুন্ডারগি ও কেরাল মেহতা আদালতকে জানান, ২০২১ সালে মামলার থাকা সত্ত্বেও দম্পতি অনেকবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। তারা বলেন, তদন্তে সহযোগিতা করতে তারা দেশে ফিরে এসেছেন। তাই, যুক্তি দেখানো হয়, চলমান তদন্তের সময় তাদের ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া উচিত।

  • ২০২৬ বিশ্বকাপে কি নেইমার থাকছেন ব্রাজিলের জার্সিতে? আশঙ্কায় ফুটবলপ্রেমীরা

    ২০২৬ বিশ্বকাপে কি নেইমার থাকছেন ব্রাজিলের জার্সিতে? আশঙ্কায় ফুটবলপ্রেমীরা

    গত সেপ্টেম্বরে উসমান দেম্বেলের ব্যালন ডি’অর জয় উদযাপন চলছিল যখন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তার তৃতীয় চোটের কারণে তিনি মাঠের বাইরে থাকলেও, তিনি হতাশ হননি। চোটের সঙ্গে সংগ্রাম করলেও, তিনি অনলাইন पोকার টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে প্রায় ৭৪ হাজার পাউন্ড পুরস্কার জিতেছেন। তবে দেম্বেলের সাফল্যের দিনে সেই অর্থ ছিল নেইমারের জন্য এক সামান্য সান্ত্বনা মাত্র।

    নেইমার এই বছরের শুরুর দিকে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরে আসেন। কাক্সিক্ষত ছিল, ইউরোপ ও সৌদি আরবে অসফল অধ্যায়ের পর এবার তিনি নিজের সেরা ফর্মে ফিরবেন। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ধারাবাহিক চোট, মাঠের বাইরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে থাকা এবং ফর্মে অনিয়মের কারণে মাঠে তার পারফরম্যান্স অনেকটাই নিম্নগামী। সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা এখন—২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জার্সিতে খেলবেন কি না? সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।

    বিশ্বের কিংবদন্তি ফুটবলার তোস্তো বলেছেন, ‘তারকারাও নিজেদের ফিটনেস প্রমাণ করতে হয়। তখনই তাদের সত্যিকারের মূল্য খরা হয়।’ ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বিপক্ষে দল ঘোষণা করেছেন, যেখানে নেইমারের নাম নেই। সর্বশেষ ম্যাচ ছিল ২০২৩ সালের অক্টোবরে উরুগুয়ের বিপক্ষে, যেখানে ব্রাজিল ২-০ গোলে হেরেছিল।

    অতঃপর, আগামী নভেম্বরে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ম্যাচ রয়েছে। তবে সেগুলিতে নেইমারকে খেলতে দেখা নিয়ে এখনও সন্দেহ আছে। যদি এই সুযোগও না পান, তবে তার সামনে থাকবে কেবল মার্চ ২০২৬ এর আগে দুটি প্রীতি ম্যাচ, যেখানে নিজেকে উপযুক্ত প্রমাণের শেষ সুযোগ।

    দীর্ঘ সময় জাতীয় দল থেকে দূরে থাকায় কোচ আনচেলত্তি শারীরিক অবস্থাকেও দায়ী করেছেন। তবে পরে তিনি বলেছেন, নেইমারকে বাদ দেওয়ার পেছনে মূল কারণ প্রযুক্তিগত। এই বিষয়টি নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলেছে। সাবেক অধিনায়ক কাফু বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ জেতানোর জন্য যে খেলোয়াড়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়, তার টেকনিক্যাল সমস্যা থাকলে বড় সমস্যা বোঝা উচিত।’

    সান্তোসে ফিরে এসে ও চোট থেকে মুক্তি না পাওয়ায় এখনও পর্যন্ত দলের মোট ম্যাচের প্রায় অর্ধেকেই মাঠে নামতে পারেননি নেইমার। চলতি মৌসুমে তিনি ৯টি গোল করলেও, অধিকাংশই নিচের সারির দলের বিপক্ষে। ড্রিবলিংয়ে তার অবস্থান লিগের ৫০তম, যা তার জন্য অস্বাভাবিক।

    ডেটাফোলহার জরিপে দেখা গেছে, ব্রাজিলিয়ানরা এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না যে, নেইমারকে বিশ্বকাপে নেওয়া উচিত কি না। সেখানেও দ্বিধা, ৪৮% তার পক্ষে, আবার ৪১% বিপক্ষে।

    মাঠে আচরণগত পরিবর্তনও দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি বেশ কিছু ম্যাচে সমর্থকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েছেন তিনি। ভাস্কো দা গামার কাছে ৬-০ গোলে হারের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন, যা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় পরাজয়। অনেকের চোখে এখনো তার শেষ ভরসা ২০০২ সালের রোনালদোর মতো করে ফিরে আসার অভিপ্রায়। গুরুতর চোট ও সমালোচনার মধ্যেও, সেই বিশ্বকাপ জিতেছিলেন রোনালদো ‘ফেনোমেনন।’ এক্ষেত্রেও কি সম্ভব হবে সেই মতো ফিরে আসা?

    রোনালদো বলছেন, ‘নেইমার তো আরেকরকম। যারা ভাবছেন সে নিজের ফিটনেসে গাফিলির কথা, তারা ভুল করছেন। সে সঠিক পথে আছে।’ আগামী কিছু মাস তৈরির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাকে প্রমাণ করতে হবে, তিনি এখনও ব্রাজিলের ‘যুবরাজ’, লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। যদি পারেন, তাহলে ২০২৬ বিশ্বকাপে তার উপস্থিতি দেখা যেতে পারে। আর যদি না পারেন, তবে তার নাম ইতিহাসের পাতায়ই রয়ে যাবে এক অপূর্ণ সম্ভাবনার গল্প হিসেবে।

  • ইসফাকের পরিবর্তে বিসিবির নতুন পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত রুবাবা দৌলা মতিন

    ইসফাকের পরিবর্তে বিসিবির নতুন পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত রুবাবা দৌলা মতিন

    নির্বাচনের একদিন পরই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত দুই পরিচালকের মধ্যে একজনের পরিবর্তে নতুন একজনকে মনোনীত করা হয়েছে। এ পদে যোগ দিচ্ছেন প্রখ্যাত করপোরেট ব্যক্তিত্ব ও নারী ক্রীড়া সংগঠক রুবাবা দৌলা মতিন।

    বিসিবির নির্বাচনের দিন, সোমবার, এনএসসি থেকে ইসফাক আহসান ও ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক দুজনকেই পরিচালক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল। তবে এরপর রাতের মধ্যে কিছু কারণে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়। আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে ইসফাকের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তার বদলে নতুন পরিচালক হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয় রুবাবা দৌলাকে। তার এই মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন রুবাবা দৌলা নিজেই।

    করপোরেট অঙ্গনে সুপরিচিত এ নারী খেলার ক্ষেত্রেও বেশ সক্রিয় ছিলেন। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতিত্ব করেছেন। সাথে ছিলেন স্পেশাল অলিম্পিকসের বোর্ড সদস্যও। ২০০৭ সালে গ্রামীণফোন ও বিসিবির যৌথ উদ্যোগে মিরপুরে জাতীয় ক্রিকেট একাডেমি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার।

    অতিরিক্তভাবে, রুবাবা দৌলা এখন একটুখানি টেলিকম খাতে ওরাকল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। এর আগে গ্রামীণফোন ও এয়ারটেলের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলিতে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    সূত্রমতে, বিসিবিতে রুবাবা দৌলা মহিলা উইংয়ের দায়িত্বেও থাকতে পারেন। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, বিডিসিবি পরিচালনা পর্ষদে মোট ২৫ জন সদস্য থাকেন, এর মধ্যে ২৩ জন নির্বাচিত ও ২ জন মনোনীত। গত ৬ অক্টোবর ঘোষণা করা হয় নির্বাচনের ফলাফলে, যেখানে ইসফাক আহসান মনোনীত পরিচালক হিসেবে ঘোষণা হয়। তবে তার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও অতীত কর্মকাণ্ডের কারণে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার পর, এনএসসি তার মনোনয়ন বাতিল করে দেয়।

    তাদের স্থলে নতুন পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন রুবাবা দৌলা। তিনি বাংলাদেশের কর্পোরেট জগতে এক আলোচিত নাম, যেখানে তিনি গ্রামীণফোন ও এয়ারটেলে শীর্ষ পদে ছিলেন। ব্যাডমিন্টনে তার অবদান স্বীকৃতি পায় ২০০৬ সালে অনন্যা শীর্ষ দশ নারী পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে। তিনি দেশের নারীদের উন্নয়নে অবদান রেখে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।

  • বিসিবির নব্য পরিচালনা পর্ষদে বুলবুল নিজেই তিন কমিটির দায়িত্বে, অন্যদের দায়িত্ব বাইরেঃ নতুন তালিকা প্রকাশ

    বিসিবির নব্য পরিচালনা পর্ষদে বুলবুল নিজেই তিন কমিটির দায়িত্বে, অন্যদের দায়িত্ব বাইরেঃ নতুন তালিকা প্রকাশ

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন পরিচালনামণ্ডল বুধবার প্রথমবারের মতো একটি সাধারণ বোর্ড সভা সম্পন্ন করেছে। এই সভায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমিটির দায়িত্বের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এই বার্ষিক পরিকল্পনা ও কাঠামো অনুযায়ী, বিভিন্ন বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজেদের কাজের ভার গ্রহণ করেছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল নিজেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটির দায়িত্ব নিয়েছেন, যেখানে তিনি ওয়ার্কিং কমিটি, টেস্টিং কমিটি এবং গ্রাউন্ডস কমিটিগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অন্যদিকে, সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ কোনও কমিটিতে দায়িত্ব পাননি। দেশের ক্রিকেটের উন্নয়ন ও প্রশাসনের জন্য গঠিত এই কমিটিগুলোর মধ্যে অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন: ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের দায়িত্বে নাজমুল আবেদীন ফাহিম, মিডিয়া কমিটির আমজাদ হোসেন, হাই পারফরম্যান্সের দায়িত্বে খালেদ মাসুদ পাইলট, অর্থ কমিটিতে এম নাজমুল ইসলাম, ভাইস-চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, এবং পাকিস্তান ও বাংলাদেশ উভয় ক্রিকেট গেম ডেভেলপমেন্টের জন্য ইশতিয়াক সাদেক।

  • খুলনা টানা পাঁচ জয় দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে

    খুলনা টানা পাঁচ জয় দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে

    জাতীয় ক্রিকেট লিগের টি-টোয়েন্টি আসরে খুলনা বিভাগ নিয়মিত পারফর্ম করে যাচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেলে বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের শেষের দিকে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে খুলনা ১১ রানে সিলেট বিভাগকে পরাজিত করে। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে সিলেট বিভাগ ১৬ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৬ রান সংগ্রহ করে। জবাবে, খুলনা ১১ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৩ রান করতে সক্ষম হয়। বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি আর এগোয়নি, তবে বৃষ্টি আইনে খুলনা জয় লাভ করে। খুলনার টপ অর্ডারের খেলোয়াড়রা আবারও দুর্দান্ত পারফর্ম করেন। ইমরানুজ্জামান ২২ বলে ৪টি চারের সাহায্যে ৩১ রান করেন, সৌম্য সরকার ১২ বলে ৪টি চার ও ১ ছক্কায় ২৪ রান করেন, আর এনামুল হক বিজয় ১৯ বলে ৩টি চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত ৩৩ রানে মাঠ ছাড়েন। বল হাতে সিলেটের নাবিল সামাদ ৩ ওভারে ২৬ রানে ২ উইকেট শিকার করেন, এবং নাঈম হোসেন সাকিব ৩ ওভারে ২৫ রানে ২ উইকেট পান। সিলেটের ইনিংসে অধিনায়ক খালিদ হাসান ২৩ বলের মধ্যে ৩১ রান করেন, যার মধ্যে ৪টি চার ও ১ ছক্কা রয়েছে। এছাড়া, অমিত হাসান ২৭ রান, আসাদুল্লাহ আল গালিব ২৬, ও খালেদ আহমেদ ২৬ রান করেন। খুলনার বল руки ধারাবাহিক পারফর্ম করেন শেখ পারভেজ জীবন, ৪ ওভারে ১৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হন। জিয়াউর রহমান ২ ওভারকে ২২ রানে শেষ করে অন্য উইকেটটি সংগ্রহ করেন। এই জয় দিয়ে খুলনা তাদের পঞ্চম ধারাবাহিক জয় সম্পন্ন করে। এর ফলে তারা ৭ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে, এখনও নেট রান রেটে পিছিয়ে রয়েছে।

  • সংগ্রাম সত্ত্বেও হারল বাংলাদেশ

    সংগ্রাম সত্ত্বেও হারল বাংলাদেশ

    বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল ধৈর্য্য ও লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিভা দেখালেও শেষ পর্যন্ত হারের গ্লানি এড়াতে পারেনি। ব্যাটাররা পুঁজি বড় করে তুলতে পারেননি, যার জন্য মাঝারি মানের স্কোর গড়ায়। রাজনৈতিকভাবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তারা লড়ে গেছেন, তবে ব্যাটসম্যানদের সেই ক্ষুদ্র প্রাথমিক সংগ্রহকে শক্তিতে রূপান্তর করতে পারেননি। তবে বোলাররা দুর্দান্তভাবে লড়েছেন, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অবদান রেখেছেন। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হেদার নাইট, যিনি দুইবার আম্পায়ার সিদ্ধান্তে জীবন বাঁচিয়ে ম্যাচে টিকে থাকেন, কিন্তু শেষপর্যন্ত এই একজন পরিণতি বান্ধব হিসেবে কাজ করেছেন। তার অসাধারণ খেলায় বাংলাদেশ দলের সম্ভাবনাগুলো হারায়, কারণ তিনি একাই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং শেষ পর্যন্ত জয়কে তাদের কাছ থেকে ছুটে দেন। কারণ এই হার সত্ত্বেও বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা সাহসিকতা দেখিয়েছেন, তবে ইংল্যান্ডের দম্ফন আক্রমণ ও পরিকল্পনা সফল হয়।