Month: October 2025

  • পাঞ্জाबी গায়ক রাজবীর জওয়ান্দা নিহত ঘটনায় শোক প্রকাশ

    পাঞ্জाबी গায়ক রাজবীর জওয়ান্দা নিহত ঘটনায় শোক প্রকাশ

    প্রিয় পাঞ্জাবি গায়ক রাজবীর জওয়ান্দা তার জীবনের ঝড়ঝামেলা পার করে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর হিমাচলপ্রদেশে একটি মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনি। এরপর থেকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা চলছিল। বার্তাসংস্থা অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় বাইকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তার শরীরে মাথা ও মেরুদণ্ডে জটিল চোট লাগে। হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল কারণ তার শারীরিক পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক ছিল। দ্রুতই সেবার সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে ছিল তিনি। দুর্ঘটনার পরের দিন, তাকে ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে জীবনধারন চালাচ্ছিলেন চিকিৎসকেরা।

  • ছবি শেয়ার করে কটাক্ষের শিকার শবনম ফারিয়া

    ছবি শেয়ার করে কটাক্ষের শিকার শবনম ফারিয়া

    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। টেলিভিশন বিজ্ঞাপন দিয়ে মিডিয়া জগতে своপা পা রাখা এই তারকা ২০১৩ সালে ‘অল টাইম দৌড়ের উপর’ নাটকের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি অনেক জনপ্রিয় নাটক ও টেলিফিল্মে অভিনয় করে দর্শকদের hearts জয় করেছেন।

    অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সক্রিয় এই তারকা। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা ভ্রমণ শেষে তিনি তার ভক্ত-অনুরাগীদের জন্য বিভিন্ন ছবি শেয়ার করেন। তবে তার এই ছবি তুমুল আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

    শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, শবনম ফারিয়া কালো রঙের টি-শার্ট আর ছোট প্যান্ট পরেছেন। হাসিমুখে ক্যামেরার জন্য পোজ দিয়েছেন তিনি, যা বেশ প্রশংসিত হলেও কিছু দর্শক তা নিয়ে সমালোচনা করেছেন।

    মূলত, ছবিতে তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত স্টাইল নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়। একজন লিখেছেন, ‘এটাই তার আসল রূপ, দেশে থাকলে হয়তো শুধু ভণ্ডামি করত।’ অন্য একজন বললেন, ‘আপা, আপনি তো হাফ প্যান্ট পরে আছেন।’ আবার দেবদাস নামে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘এটাই তাদের প্রকৃত পরিচয়। এদের নষ্টামি দেখলে মনটা খারাপ হয়।’

    এই সব মন্তব্যের মধ্য দিয়ে দেখা গেছে, তার পোশাকের কারণে সামাজিক মেলোচনায় জড়িয়ে পড়েছেন শবনম ফারিয়া। তবে তিনি যেন এমন সমালোচনাকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের কাজ ও স্বাভাবিক জীবন চালিয়ে যেতে চান।

  • তানজিন তিশা ছাড়লেন কলকাতার সিনেমা

    তানজিন তিশা ছাড়লেন কলকাতার সিনেমা

    অভিনেত্রী তানজিন তিশা পর্দায় চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলতে পারদর্শী। তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। এবার তিনি ঢালিউডের মেগাস্টার শাকিব খানের আগামী সিনেমা ‘সোলজার’ এর মাধ্যমে বড় পর্দায় দেখা যাবে। তবে ভক্তদের জন্য দুঃখের সংবাদ রয়েছে—তিশা ভারতের টলিউডে আসন্ন সিনেমা ‘ভালোবাসার মরশুম’ থেকে বাদ পড়েছেন।

    এই সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করার কথা ছিল ‘থ্রি ইডিয়টস’খ্যাত অভিনেতা শরমন যোশির। এর আগে ‘ভালোবাসার মরশুম’ থেকে সরে দাঁড়ান অভিনেতা খায়রুল বাসার, পরে তার স্থান নেওয়া হয় ভারতীয় ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা গৌরব রায়ের।

    তিশাকে এই ছবিতে হিয়া চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল। তবে তার পরিবর্তে এই চরিত্রে দেখা যাবে টলিউডের বিখ্যাত অভিনেত্রী সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়কে। তিনি বলিউড ও টলিউডের বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের মনে নিজের জন্য স্থান তৈরি করেছেন।

    ‘ভালোবাসার মরশুম’ সিনেমায় সুস্মিতার বিপরীতে থাকবেন আবির। সিনেমাটিতে আবিরের চরিত্রে অভিনয় করবেন বলিউডের নায়ক শরমন জোশী, এবং তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পর্দায় দেখা যাবে। ছবির পরিচালনা করছেন এম এন রাজ, যিনি হিয়া-আবিরের মধ্যে চলমান সম্পর্কের গল্প তুলে ধরবেন।

    অন্যদিকে, তানজিন তিশার নতুন সিনেমা ‘সোলজার’ এর শুটিং ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ৫ অক্টোবর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে এ সিনেমার শুটিং চলছিল। ছবির পরিচালক লক্ষ্য করেছেন বছরের শেষে সিনেমাটির মুক্তি। গতকাল বুধবার ছবির ফার্স্ট ট্রেলারও মুক্তি পেয়েছে। তিশার ভক্তদের জন্য সুখবর হলো—তিনি শিগগিরই বড় পর্দায় দেখা যাবে ‘সোলজার’ সিনেমায়।

  • হলিউড কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুসান কেন্ডাল নিউম্যান আর নেই

    হলিউড কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুসান কেন্ডাল নিউম্যান আর নেই

    হলিউডের অন্যতম প্রখ্যাত অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী সুসান কেন্ডাল নিউম্যান আর নেই। মঙ্গলবার ২ আগস্ট তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে পরিবারের পক্ষ থেকে। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক জটিলতার কারণে তিনি এই হতাশাজনক পথ বেছে নেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

    পরিবারের একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুসান তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা, উদার মনোভাব, পরিবার এবং বন্ধুদের প্রতি গভীর ভালোবাসার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তারা আরও জানিয়েছেন, আপনারা তাঁকে অনেক মিস করবেন। সুসান ছিলেন একজন প্রশংসিত অভিনেত্রী, এমি মনোনীত প্রযোজক এবং সমাজসেবক। পাশাপাশি তিনি কিংবদন্তি অভিনেতা পল নিউম্যান এবং তার প্রথম স্ত্রীর জ্যাকি উইটের জ্যেষ্ঠ কন্যা।

    সুসানের কর্মজীবনের সূচনা ঘটে ১৯৭৫ সালে, জেরি অ্যাডলার পরিচালিত ব্রডওয়ে নাটক ‘We Interrupt This Program…’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর ১৯৭৮ সালে রবার্ট জেমেকিসের পরিচালনায় নির্মিত সিনেমা ‘I Wanna Hold Your Hand’-এ তিনি এক তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন।

    তিনি আরও বলিষ্ঠ উপস্থিতি দেখিয়েছেন নানা নাটক ও প্রযোজনায়। ১৯৮০ সালে তিনি ‘The Shadow Box’ নামে একটি প্রযোজনা নাটক তৈরি করেন, যা এবিসি থিয়েটারেও পরিবেশিত হয়। এই প্রযোজনাটি পরিচালনা করেছিলেন তাঁর বাবা পল নিউম্যান এবং এতে অভিনয় করেন তাঁর সৎ মা, অস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী জোয়ান উডওয়ার্ড।

    সুসান কেন্ডাল নিউম্যানের মৃত্যুতে বলিউড এবং হলিউডের অনেক তারকাই শোক প্রকাশ করেছেন। তারা তাকে একজন অসাধারণ প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব ও মানবতামূলক কাজের জন্য শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন। তার অকাল প্রয়াণ সেই শিল্পীসহ পরিবারের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

  • হৃদরোগে মারা গেলেন সালমানের ‘টাইগার ৩’ অভিনেতা বরিন্দর সিং ঘুমান

    হৃদরোগে মারা গেলেন সালমানের ‘টাইগার ৩’ অভিনেতা বরিন্দর সিং ঘুমান

    বিনোদন জগতে আবারও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পাড়ি জমিয়েছেন পাঞ্জাবি অভিনেতা ও বডিবিল্ডার বরিন্দর সিং ঘুমান। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। অভিনেতার ভাইপো অমঞ্জত সিং ঘুমান এই দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    জনপ্রিয় অভিনেতা ও বডিবিল্ডার বরিন্দর সিং হঠাৎ কাঁধে ব্যথা অনুভব করে অমৃতসরের এক হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে তিনি সেসময়ই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৪২ বছর।

    বরিন্দর সিং ‘টাইগার ৩’ সিনেমায় সালমান খানের সহ-অভিনেতা হিসেবে দেখা গিয়েছিল। এ ছাড়া তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘বরিন্দর রোয়ার: টাইগার্স অফ সুন্দরবনস’, ‘মরজাওয়া’ ও ‘কাবাডি ওয়ান্স এগেইন’।

    ২০০৯ সালে তিনি ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ খেতাব অর্জন করেন। এর পরে তিনি মিস্টার এশিয়া প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ হিসেবে সাফল্য লাভ করেন।

    ইনস্টাগ্রামে তার ফলোয়ার্সের সংখ্যা প্রায় এক মিলিয়নের কাছাকাছি। তিনি ২০২৭ সালের পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনাও করেছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে প্রশান্তি প্রকাশ করেছেন দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।

    পাঞ্জাবের রেল মন্ত্রীর প্রতিমন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু এক শোকবার্তায় বলেছেন, ‘পাঞ্জাবের গর্ব, ভারতের হেভেন বরিন্দর সিং ঘুমানের মৃত্যু দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। কঠোর পরিশ্রম, শুদ্ধ জীবনাচার ও ফিটনেসের মাধ্যমে তিনি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। তাঁর জীবনশৈলী তরুণ প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার स्रोत হয়ে থাকবে।’

    কংগ্রেস সাংসদ ও সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী সুখজিন্দর সিং রন্ধাওয়া বলেছেন, ‘পঞ্জাবের নামকরা এই বডিবিল্ডার ও অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যু সত্যিই দুঃখজনক। কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও বহুমুখী প্রতিভার মাধ্যমে তিনি পঞ্জাবের গর্ব বজায় রেখেছিলেন। ওঁর আত্মা চিরশান্তি লাভ করুক। এই অপূরণীয় ক্ষতি মোকাবেলা করার জন্য তাঁর পরিবারের শক্তি দেবেন’।

  • শেষ মুহূর্তের গোলে স্তব্ধ বাংলাদেশ, হংকংয়ের নাটকীয় জয়

    শেষ মুহূর্তের গোলে স্তব্ধ বাংলাদেশ, হংকংয়ের নাটকীয় জয়

    বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচটি ছিল খুবই নাটকীয় এবং হতাশার। শক্তির দিক থেকে হংকংয়ের চেয়ে অনেক গুণ এগিয়ে থাকা দলটির কাছে শেষ মুহূর্তের গোলে হার মানলো বাংলাদেশ। দীর্ঘ সময় ৩-১ গোলের পিছিয়ে থাকার পর ৮৪ মিনিটের দিকে স্ট্রাইকার শেখ মোরসালিনের গোলের মাধ্যমে বাংলাদেশের চেহারা বদলে যায় এবং তারা সমতা আনতে সমর্থ হয়। তবে শেষ মুহূর্তে হংকংয়ের রাফায়েল মার্কিসের হ্যাটট্রিকের জন্য সমস্ত মনোযোগ কেড়ে নেন। ফলে বাংলাদেশ হারার ব্যবধান বজায় রইল ৪-৩ সালি।

    ম্যাচের শেষ অংশ ছিল একের পর এক নাটকীয়তা বিধায়। ইনজুরি সময়ে সামিত সোমের গোলে বাংলাদেশ ৩-৩ সমতা ফিরিয়ে আনে। পুরো স্টেডিয়াম তখন উৎসবে ভরে ওঠে। কিন্তু এই আনন্দ বেশ দুর্বাসহ ছিল না। হংকংয়ের রাফায়েল মার্কিসের জোড়া গোলে দেশের গ্যালারী স্তব্ধ হয়ে যায়। তখন এই জয়ের জন্য হংকং দেশটি ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজানোর মুহূর্তে কুয়েতির রেফারি সওদ আলসামহান ম্যাচ শেষ ঘোষণা করেন।

    বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা হতাশ হন। জার্সি টেনে মুখের কাছে রাখেন, কেউ বা দাঁড়িয়ে থাকায় মনোবল হারান। হোম ম্যাচে একবার লিড নিয়ে সমতাও ফিরে পেলেও শেষ পর্যন্ত হারই বরণ করে নিতে হয়। এই হারে বাংলাদেশের এশিয়া কাপের স্বপ্ন বহু দূরে ঠেকে গেল। তিন ম্যাচ শেষে হংকং সাত পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে, যেখানে বাংলাদেশ এক পয়েন্টে টেবিলের তলানিতে। বাকি তিন ম্যাচে ইতিমধ্যে অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখের সম্মুখীন হতে হবে বাংলাদেশকে।

    বাংলাদেশের প্রথম গোলটি আসে হামজা চৌধুরির থেকে। তিনি ১৩ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি কিকে এই ম্যাচে দলকে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধে এই লিড বজায় রাখতে পারলে, বাংলাদেশ সহজেই ড্রেসিংরুমে ফিরে যাওয়ার অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু ইনজুরি সময়ে হংকং একটি কর্নার থেকে জটলা সৃষ্টি করে গোল করে ফেরে। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম দিকে হংকং দ্রুত দুটো গোল করে স্কোরলাইনে এগিয়ে যায়, যার একটি বাংলাদেশের ডিফেন্সের ভুলে হয়।

    এরপর বাংলাদেশের প্রতিপক্ষের ভুলই কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে তারা প্রথমে ৩-১ তে এগিয়ে যায়। তখন বাংলাদেশ জেগে উঠে। বিকল্পদের মধ্যে সামিত সোম, জামাল ভূঁইয়া, জায়ান আহমেদ ও ফাহমিদুল নামের খেলোয়াড়রা মাঠে নামেন এবং মনোবলের পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যায়। ৮৪ মিনিটে শেখ মোরসালিন গোল করে পরিস্থিতি বদলে দেন। তিনি বল পেয়ে সহজে গোল করেন, যদিও হংকং গোলরক্ষক কাউন্টার করতে পারেননি।

    ইনজুরি সময়ে ধারাভাষ্যকাররা ৯ মিনিট যোগ করেন। সেই সময়ে আরও একবার কর্নার থেকে বাংলাদেশ গোল করে, যার জন্য কানা প্রবাসী সামিত সোম এগিয়ে যান ও হেডে বল জালে পাঠান। বাংলাদেশের দর্শকরা আনন্দে ভাসে। কিন্তু সেই দারুণ সাফল্যের এক মিনিটের মাথায় আবার ভুলে হংকং গোল করে, যা ম্যাচের ফলাফল স্থির করে দেয়।

  • রদ্রিগো ও এস্তেভোর জাদুতে ব্রাজিলের ৫-০ বড় জয় সিউলে

    রদ্রিগো ও এস্তেভোর জাদুতে ব্রাজিলের ৫-০ বড় জয় সিউলে

    লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শেষ হয়ে যাওয়ার কদিন পর, ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে দলগুলো এবার আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এশিয়ান সফরের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়া দলের মুখোমুখি হয়। কোচ কার্লো আনচেলত্তি চেয়েছিলেন দারুণ এক ফুটবল প্রদর্শনী, এবং সেলেসাওরা সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী দারুণ খেলেছে।

    শুক্রবার সিউলের ওয়ার্ল্ড কাপ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই প্রীতি ম্যাচটি ৫-০ গোলে জয় Get করে ব্রাজিল। ম্যাচে দুজন খেলোয়াড় করে দুটি করে গোল করেন এস্তেভো ও রদ্রিগো, ενώ ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একটি গোল করেন।

    ম্যাচের ১৩তম মিনিটেই ব্রাজিল প্রথম আক্রমণে এগিয়ে যায়। ব্রুনো গুইমারেসের রক্ষণভাগ পাসে ডি বক্সের ভেতর হ্যান্ডেল করেন এস্তেভো, তখন তার সামনে কেবল দক্ষিণ কোরিয়া গোলরক্ষকই ছিল। আলতো করে বল জালে পাঠিয়ে দলকে লিড এনে দেন।

    এর কিছুক্ষণ পর আরও একটি গোলের সুযোগ তৈরি হয়, যখন কাসেমিরো হেডে বল জালে পাঠানোর চেষ্টা করেন, তবে তিনি অফসাইডে থাকায় গোলটি বাতিল হয়। বিরতির আগে ৩২তম মিনিটে রদ্রিগো একটি দারুণ গোল করেন, যা দলের ব্যবধান বাড়ানোর অন্যতম কারণ।

    রদ্রিগোর গোলটি দলীয় সমন্বয় ও নিবেদন দিয়ে একত্রে সম্ভব হয়। ডি বক্সের বাইরে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র থেকে পাস পেয়ে তিনি বলটি নিয়ে ডিফেন্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে লক্ষ্যভেদ করেন।

    দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিল তাদের আক্রমণ আরও ভয়ঙ্কর করে তুলল। প্রথমে এস্তেভো ৪৭তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন, যেখানে ক Kim মিন-জেরোক ক্লিয়ার করতে গিয়ে বল নিজের পায়ে নিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন। এরপর রদ্রিগো আরও একবার জাল খুঁজে নেন, যেখানে ডি-বক্সের মাঝে ক্যাসেমিরোর পাসে তিনি গোল করেন।

    মাত্র কিছুক্ষণ পর, ৭৭তম মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কির বাস্তবায়ন করেন এক দুর্দান্ত গোল। ম্যাথিউস কুনহার লম্বা পাসে মধ্যমাঠ থেকে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ পেরিয়ে ভিনিসিয়ুস গোলরক্ষককে ফঁাকিয়ে বল জালে পাঠান। এই গোলের মাধ্যমে ব্রাজিলের জয়ের ব্যবধান আরও বাড়ে এবং ম্যাচের ফলাফল চূড়ান্ত হয়।

    সার্বিকভাবে, ব্রাজিলের এই জয় প্রমাণ করে তাদের ব্যালেন্সড ও আক্রমণাত্মক ফুটবল কিভাবে প্রতিপক্ষকে প্রতিমুহূর্তে ধাক্কা দেয়। কোচ আনচেলত্তির প্রত্যাশা অনুযায়ী, এই ম্যাচে দলের বিভিন্ন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স খুবই সন্তুষ্টিজনক। এই জয়ে তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়বে, যা আসন্ন বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বড় হার বাংলাদেশ নারী দল

    বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বড় হার বাংলাদেশ নারী দল

    বাংলাদেশ নারী ওয়ানডে দলের জন্য শুক্রবারের দিনটি ছিল হতাশাজনক। দ্বিতীয় ম্যাচে তাদের karşı করা হয় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারে, যেখানে তারা ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে হার মানেছিল। এই পরাজয়ের কিছুক্ষণ পরই, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ড নারী দলের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে তারা আরও বড় ক্ষতির মুখোমুখি হয়। গোয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা বেশ কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হন এবং টিকে থাকতে পারেননি।

    নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ২২৮ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশের ব্যাটাররা শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায়। পুরো ৫০ ওভারে তারা শুধুমাত্র ১২৭ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হন, ফলে শতভাগের বেশি ব্যবধানে হেরে যায়। ম্যাচের শুরুতেই ওপেনার রুবায়া হায়দার ও শারমিন আক্তার দ্রুতই বড় রানের প্রেক্ষাপটে পৌঁছাতে পারেননি, মাঝ পথে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট চলে যায়। এর মধ্যে সোবহানা মোস্তারিও মাত্র ২ রান করে আউট হয়ে যান। দলের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসে, যখন ২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তারা চাপের মুখে পড়ে। এরপর অধিনায়ক জ্যোতি (৪ রান) ও সুমাইয়া আক্তার (১ রান) দ্রুতই ফিরে যান, এবং দলের ইনিংস আরও শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে পড়ে।

    বাংলাদেশের পক্ষে ফাহিমা খাতুন ও নাহিদা আক্তার এই মুহূর্তে দলের হাল ধরেন। তবে নাহিদা ১৭ রান করে আউট হলে ম্যাচের পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। অপরদিকে, ফাহিমা ৩৪ এবং রাবেয়া ২৫ রান করে দলের স্কোরটিকে ভারসাম্য দিতে চেষ্টারত ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত, যখন তাদের বিদায় হয়, তখনই বাংলাদেশের হার নিশ্চিত হয়ে যায়। কিউই দলের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নেন জেস কার ও লিয়া তাহুহু।

    অভিযোগের বিষয় হলো, দিনের শুরুতে নিউজিল্যান্ড ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২২৭ রান সংগ্রহ করে, যেখানে সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ব্রুক হালিডের ৬৯ ও সোফি ডিভাইন এর ৬৩। বাংলাদেশের জন্য রাবীয়া খান সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন। এই ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের দক্ষতা এবং সফলতা স্পষ্টভাবে প্রতিপন্ন হয়, যারা সহজে জয় পায় এবং বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দেয়।

  • মেসিকে ছাড়া ভেনেজুয়েলাকে হারাল আর্জেন্টিনা

    মেসিকে ছাড়া ভেনেজুয়েলাকে হারাল আর্জেন্টিনা

    বিশ্বকাপে স্থান নিশ্চিত হওয়ার পর আর্জেন্টিনা এখন তার শিরোপা ধরে রাখার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে তারা পশ্চিমা ফুটবলারদের নিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে, যেখানে তাদের সামনে আরও দুটি ম্যাচ রয়েছে দক্ষিন আমেরিকার এই দলটির। আজকের ম্যাচটি ছিল সেই প্রস্তুতি পর্বের প্রথমটি। লিওনেল মেসি ও তরুণ তারকা ফ্রাঙ্কো মাসতানতুয়োকে মাঠে না নামিয়ে, দলের দায়িত্ব হাতে তুলে নেন জিওভান্নি লো সেলসো। তাঁর একমাত্র গোলেই জয় পায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

    ভেনেজুয়েলার রক্ষণভাগের বিপক্ষে শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা বলের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তরুণ ফুটবলাদের ছন্দময় খেলায় তারা বেশ কিছু আক্রমণ নিয়ে তোলে। নিখুঁত এক শটে নিকো পাজ গোলের খুব কাছে পৌঁছেও যান, কিন্তু ভেনেজুয়েলার গোলরক্ষক সেটি রক্ষা করেন। পরে বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এর কিছু সময় পর, ভেনেজুয়েলা রক্ষণভাগের ভুলে গোলের সুযোগ পায়। তাদের শট গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের গোপন ঢিলে বলটি গোলবারের অনেক কাছাকাছি থাকা সত্ত্বেও তারা জালসুতে জড়াতে সক্ষম হয়নি।

    খেলায় ৩১ মিনিটে জুলিয়ান আলভারেজের পাসে লাউতারো মার্টিনেজ বল দেন লো সেলসোকে, এবং তিনি নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করে আর্জেন্টিনাকে ১-০ এগিয়ে দেন। এই গোল ছিল লো সেলসোর জাতীয় দলে চতুর্থ গোল। দ্বিতীয়ার্ধে কোচ স্কালোনি কিছু পরিবর্তন করেন এবং মাঠে নামায় নিউক্যাসল ইউনাইটেডের নিকোলাস গনসালেস ও টালিয়াফিকো। এরপরও ম্যাচে কিছু গোলের সুযোগ নষ্ট হয়।

    গোলে আরও বিশদে বলতে গেলে, জুলিয়ানো সিমিওনে নিচু পাস পাঠান ডি-অবস্থায় থাকা লো সেলসোকে, কিন্তু পাজ সেটি নিতে পারেনি। মার্টিনেজ কাছ থেকে শট নেন, তবে গোলরক্ষক দুর্দান্ত সেভ করেন। ম্যাক অ্যালিস্টারও দূর থেকে শট হিসাব করেন, কিন্তু সেটিও অতিক্রম করে যায়। ফ্রি-কিকের দায়িত্ব নেওয়া দে পল ক্রস করেন, যেখানে বালারদি ফাঁকা জায়গায় হেড করেন, কিন্তু বল পোস্টের বাইরে চলে যায়।

    সর্বশেষ, লো সেলসোর একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনা ১-০ ব্যবধানে জিতেছে। আগামী মঙ্গলবার মায়ামিতে তাদের পরবর্তী ম্যাচ হবে পুয়ের্তো রিকোর বিরুদ্ধে।

  • বিশ্বকাপের টিকিটের দাম ৪ বছরে ১০ গুণ বেড়েছে

    বিশ্বকাপের টিকিটের দাম ৪ বছরে ১০ গুণ বেড়েছে

    বিশ্বকাপের টিকিটের অর্থাৎ খেলা দেখার আধিকারিক পত্রে যেন সোনার হরিণ। তবে সেটার প্রাপ্যতা পড়ে সাধারণ মানুষের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিটের দাম বাড়ার সঙ্গে যোগ হয়েছে তার আরও বাড়তি দামের বিষয়টি, যা এতটাই বেশি যে, ২০২২ বিশ্বকাপের চেয়ে ১০ গুণ বেড়ে গেছে। এর ফলে, যেখানে আগে কিছু মানুষের জন্য সবচেয়ে দামী আসনে খেলা দেখা সম্ভব ছিল, এবার সাধারণ দর্শকদের জন্য কম দামের আসনেও গুণতে হবে বেশি টাকা। এসব তথ্য দেখিয়ে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, এটি হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ।

    ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় এবারের টিকিটের দাম ব্যাপকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে ‘ক্যাটাগরি ৪’ বা সাধারণ দর্শকদের জন্য নির্ধারিত টিকিটের দাম প্রায় দশগুণ বেড়েছে। কাতারে উদ্বোধনী ম্যাচের সস্তা টিকিটের দাম ছিল ৫৫ ডলার, কিন্তু ২০২৬ সালের জন্য এই দাম দাঁড়িয়েছে ৫৬০ ডলার। অর্থাৎ, সবচেয়ে সস্তা টিকিটের দামই এখন আগের আসরের সবচেয়ে দামী ‘ক্যাটাগরি ১’ টিকিটের কাছাকাছি।

    এছাড়া গ্রুপ পর্বের টিকিটের দামও নয়গুণ বেড়েছে। যেখানে আগে সেটি ছিল মাত্র ১১ ডলার, এখন দাঁড়িয়েছে ১০০ ডলার। ফাইনাল ম্যাচের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি বেশ নজরকাড়া। ২০২২ সালে ফাইনালের সবচেয়ে সস্তা টিকিটের মূল্য ছিল ২০৬ ডলার, আর এবারে সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৩০ ডলারে। এর মানে, এই বছর সবচেয়ে সস্তা আসনের মূল্য আগের সবচেয়ে দামী আসনের কাছাকাছি বা তার চেয়েও বেশি হয়ে গেছে।

    এই বিশাল টিকিটের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশ্বব্যাপী ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ফুটবলপ্রেমীরা বলছেন, ফিফা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যেখানে সাধারণ দর্শকের জন্য মাঠে গিয়ে খেলা দেখার সুযোগ একেবারে কমে এসেছে। কেউ কেউ মত প্রকাশ করেছেন, ‘এমন দামে বিশ্বকাপ এখন কেবল ধনীদের বিনোদন।’

    এছাড়া নতুন ‘ডাইনামিক প্রাইসিং’ নীতি এতে যুক্ত হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, যে ম্যাচে চাহিদা বেশি, সেই ম্যাচের টিকিটের দাম আরও বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ব্যবস্থা মূলত উত্তর আমেরিকার বাজারে চালু, যা শেষ মুহূর্তে কম দামে টিকিট পাওয়ার সুবিধা দেবে, তবে বিদেশি ভক্তদের জন্য এটি তুসম্পন্ন হবে। কারণ, তাঁরা আগে থেকে ভ্রমণ এবং দর্শকের পরিকল্পনা না করে হঠাৎ টিকিট কিনতে পারবেন না।

    ফিফা আবার টিকিটের পুনর্বিক্রিতে ক্রেতা ও বিক্রেতা দুই পক্ষ থেকেই ১৫ শতাংশ ফি নেবে, যা টিকিটের দাম আরও বাড়িয়ে দেবে।

    বিশ্বকাপের ফাইনালের সাধারণ টিকিটের দাম এখন শুরু হচ্ছে ২০২০ ডলার থেকে এবং সর্বোচ্চ ৬৩৭০ ডলার পর্যন্ত। এখনও আতিথেয়তা বা হসপিটালিটি টিকিটের বিক্রি শুরু হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এই সব দিক বিবেচনা করে, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল আসর হতে চলেছে।