Month: October 2025

  • খুলনা-৬ আসনের জনগণের প্রতি জামায়াতের নেতৃত্বের আহবান: আগামীর বাংলাদেশ গড়ার জন্য একত্রিত হোন

    খুলনা-৬ আসনের জনগণের প্রতি জামায়াতের নেতৃত্বের আহবান: আগামীর বাংলাদেশ গড়ার জন্য একত্রিত হোন

    খুলনা-৬ আসনের জনগণকে ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে এগিয়ে আসার জন্য জামায়াতে ইসলামী নেতারা আহবান জানিয়েছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আজাদ বলেন, জামায়াত ফ্যাসিস্ট অপশক্তির বিরুদ্ধে সাহসের সাথে লড়াই করে বুকের উপর বুকে দাঁড়িয়ে প্রতিহত করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াত একমাত্র আল্লাহর ভয় করে, অন্য কাউকে ভয় করেনা বা করবে না। তিনি বলেন, জনগণের সমর্থনে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির সকল অপশক্তির মোকাবিলা করে নতুন, মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারবদ্ধ। বর্তমান যুগে বাংলাদেশকে আরও সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উন্নয়নশীল করতে এই নেতারা খুলনা-৬ আসনের জনগণকে ইসলামী নেতৃত্বে এগিয়ে আসার স্বাগত জানাচ্ছেন। শুক্রবার সকালে কয়রা উপজেলা মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চৌকুনি মৎস্য আড়ত এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ এই আহবান জানান।

    গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা সাইফুল ইসলাম, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন আমীর আবু সাঈদ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এছাড়া স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মৎস্য বিক্রেতারা নেতাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান, এবং ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামী মোক্ষম বিজয় অর্জনে বিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সকল প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরংকুশ বিজয় অর্জন হবে।

    এছাড়া, তিনি মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের তেতুল তোলার চরসহ আশপাশের এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যান ও সরকারি রাস্তা, বাজার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও জীবনমান উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, জামায়াত চায় একটি সৎ নেতৃত্বে পরিচালিত, আল্লাহর আইনের বাস্তবায়ন নিশ্চিত রাষ্ট্র। তারা বলেন, নির্বাচন হলে সকল সম্প্রদায়ের সমর্থন অর্জনের পাশাপাশি সমাজের উন্নয়নমূলক কাজে একসাথে কাজ করতে চান। নেতারা বলেন, তারা ন্যায়ের প্রতীক দণ্ডাপাল্লা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করছেন, যাতে একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে উঠতে পারে।

  • নগরীর ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে মঞ্জুরের পক্ষে ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ

    নগরীর ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে মঞ্জুরের পক্ষে ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ

    শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় সড়ক রাস্তার উপড় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাংলার বিস্তারিত লিফলেট বিতরণ করা হয় সদর থানার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের মিস্ত্রিপাড়া বাজার এলাকায়। এই কর্মসূচিতে মূলত সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জুর পক্ষে নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হাসান মেহেদী রিজভীর সভাপতিত্বে এবং আব্দুল জব্বারের পরিচালনায় এক সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মেহেদী হাসান দিপু, আনোয়ার হোসেন, মজিবর রহমান ফয়েজ, রবিউল ইসলাম রবি, শামসুজ্জামান চঞ্চল, ইশহাক তালুকদার, মোস্তফা কামাল, রিয়াজুর রহমান, আসলাম শেখ এবং আল বেলালসহ আরো অনেকে। বক্তব্যে বক্তারা বলেন, দেশের উন্নয়নে সংবিধান ও প্রশাসনিক সংস্কার জরুরি। তাই বিএনপি এই দফাগুলো জনগণের মধ্যেও পৌঁছে দিচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগে এলাকার জনগণ বেশ উৎসাহিত এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছেন।

  • দেশে দায়বদ্ধ ও নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে

    দেশে দায়বদ্ধ ও নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে

    বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, যারা নির্বাচনের জন্য ভয় পায়, তারা আসলে দেশের উন্নয়ন চায় না। যারা ভোট দেয়াকে ভয় করে, তারা জানেন যে জনগণের রায়ের মুখোমুখি হলে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের একটি দায়বদ্ধ ও নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের সবাইকে একত্রে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি আরও ঘোষণা দেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে খুলনা-৩ আসনে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে—এটি তার প্রতিশ্রুতি।

    আজ শুক্রবার দুপুরে দৌলতপুর থানার ৬নং ওয়ার্ড বিএল কলেজ সেন্টারের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন বকুল। সভায় সভাপতিত্ব করেন কালাম খান। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ভোটের রাজনীতি বিশ্বাস করেন না কারণ তিনি জানেন, ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হলে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। যারা নির্বাচনের জন্য বাতিল বা ভন্ডুল করতে চায়, তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না। তিনি স্পষ্ট করেন যে, খুলনা-৩ আসনে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাস করে, কিন্তু সেখানে আজও একটি আধুনিক হাসপাতাল নেই। সাধারণ মানুষকে চিকিৎসার জন্য অনেক দূরে যেতে হয়, যা অস্বাভাবিক। তিনি বলেন, আমরা সকল মিলেই একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।

    বকুল তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমি নিশ্চিত করছি, ক্ষমতায় এলে এক কোটি যুবকের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির ব্যবস্থা করা হবে।

    মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার জন্য তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে অর্ধেক তরুণকে মাদক থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। বাকিদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও সামাজিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা সম্ভব, যা কেবল প্রশাসনের নয়, বরং একটি সামাজিক আন্দোলনের বিষয়।

    বক্তব্যের শেষে বকুল বলেন, বিএনপি অতীতে জনগণের জন্য কাজ করেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দুর্ভিক্ষপীড়িত দেশকে স্বনির্ভর বাংলাদেশে রূপান্তর করেছিলেন। বর্তমানে আমরা সেই ধারাবাহিকতায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের উন্নয়ন চাই।

    সভায় মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক এড. মোমরেজুল ইসলাম, মোঃ বারেক খান, খন্দকার কামরুল ইসলাম, মোঃ তৈয়বুর রহমান, মোবারেক হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • দলের আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে একত্রে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে

    দলের আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে একত্রে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে

    মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা সতর্ক বার্তা দিয়ে বলেছেন, যারা বিগত সময়ে দলের নির্দেশনা অমান্য করে নিজস্ব বলয় গঠন করেছেন, শীর্ষ নেতৃত্বকে অবহেলা করেছেন এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশ্য উপেক্ষা করে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন, তাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিএনপির দুঃসাময়িক সময়ে ওইসব নেতারা দলের জন্য কোনো কাজে আসেনি; বরং তারা দলের ব্যানার ছেড়ে ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য আলাদা ব্যানার নিয়ে নিজেদের স্বতন্ত্রতা প্রকাশের চেষ্টা করেছিলেন। গতকাল শুক্রবার দলের নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ ও গণমিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। ২২ নম্বর ওয়ার্ডে এই কর্মসূচিরপর্যায়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    শফিকুল আলম মনা বলেন, বর্তমানে শহরের দলের নেতৃত্ব আগের তুলনায় বেশি একচেটিয়া এবং সব ধরনের গোষ্ঠীবাজি কঠোরভাবে দমন করা হবে। তারা যদি দলের নাম ব্যবহার করে প্রধান নেতাদের নির্দেশ অমান্য করে, তাহলে তাদেরকে সদস্য বলে গণ্য করা হবে না। নেতা-কর্মীদের উচিত দলের আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে চলা, যাতে আগামী নির্বাচনে দল একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

    একই কর্মসূচির সময় সন্ধ্যায় ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন সবাইকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান এবং বিভাজন ও বিভ্রান্তিকর কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, দলের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠীর দোসরদের সবাইকে সর্তক থাকতে হবে। এ ছাড়াও যারা ‘জান্নাতের টিকিট বিক্রির’ নাম করে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মা-বোনদের সঙ্গে প্রতারণা করছে, তাদের প্রচণ্ড সতর্ক থাকতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই দলের বিতর্কিত ভূমিকা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। যুদ্ধকালীন তাদের সেই কার্যক্রমের জন্য ক্ষমা চাইলেও, ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ ও দুই লক্ষ মা-বোনের অম্লান স্নেহফলের মূল্য নিরূপণ করা সম্ভব নয়।

    ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে এই প্রচারণামূলক মিছিল শুক্রবার সন্ধ্যায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দিয়ে হাফিজ নগর মোড়ে এসে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভায় সমাপ্ত হয়। মিছিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু। এ ছাড়াও মিছিল ও পথসভায় উপস্থিত ছিলেন শেক ফারুক হোসেন, শেখ আজিজুর রহমান, মোঃ সাইফুল ইসলাম, আহসান মৃধা খোকন, ইয়াজুল ইসলাম অ্যাপোলো ও ইয়াসিন মোল্লা, হাসনা হেনা, মুন্নি জামানসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও অঙ্গসংগঠনের কর্মীবৃন্দ।

    ২২ নম্বর ওয়ার্ডে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বদরুল আনাম খান, নুর আলম জিয়া, জহিরুল ইসলাম জুয়েল, জিয়াউর রহমান, মাহফিজুল ইসলাম, আলী হোসেন সানা, ময়েজ উদ্দিন চুন্নু, গোলাম কিবরিয়া, সাহারুজ্জামান মুকুল ও সুলতানা রহমান ন্যান্সিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ ও ধানের শীষের পক্ষে প্রচার কাজ পরিচালিত হয়। ওয়ার্ডের কেন্দ্রীয় রোড ও মোয়লা বাড়ি এলাকায় এই কার্যক্রম চলে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ২৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মোল্লা মশিউর রহমান নান্নু, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, সহ-সভাপতি আলমগীর আজাদ মিলন, মোঃ মাসুম হোসেন, খালেকুজ্জামান, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ মোস্তফা শেখ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মঞ্জুর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদ হোসেনসহ আরও বহু নেতা-কর্মী। এছাড়াও এই ওয়ার্ডের মহিলা দল, কৃষক দল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। এ ধরনের কর্মসূচি সারা মহানগরীতে বিভিন্ন ওয়ার্ডে একইভাবে পালিত হয়েছে।

  • দিঘলিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন স্থগিত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সিদ্ধান্ত

    দিঘলিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন স্থগিত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সিদ্ধান্ত

    খুলনার দিঘলিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের আগামী ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠানের কথা ছিল নির্বাচন। এর জন্য আজ শনিবার (২৫ অক্টোবর) মনোনয়ন ফরম বিতরণের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু হঠাৎ কাজের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যক্ষ মনিরুল হক বাবুল কোনও আলোচনা বা ঘোষণা ছাড়াই ফরম বিতরণের কার্যক্রম ও নির্বাচনের তারিখ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছেন বলে মৌখিকভাবে জানানো হয়। অনুষ্ঠানে স্থগিতের কোনও কারণ স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি।

    প্রেসক্লাবের সদস্যরা মনে করছেন, একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের দিকে লক্ষ্য করে নির্বাচনের ধারাবাহিকতাকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপজেলা স্তরের সাংবাদিক, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলও এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার মৌখিকভাবে জানান, অনিবার্য কারণবশত ফরম বিতরণ এবং নির্বাচনের কার্যক্রম আগামী সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তবে এই স্থগিতের কারণের বিস্তারিত ব্যাখ্যা না মেলার কারণে সংশ্লিষ্টরা হতাশ হলেও, তারা আশা করেন যে, খুলনা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রেসক্লাবের পরিবেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে অব্যাহত রাখতে সকলের প্রত্যাশা রয়েছে।

  • অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবর মাসের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসী পাঠানো অর্থের পরিমাণ reaching ১৫৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২১.৭৫ টাকায় গণনা)। এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসী আয় পুরানো বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় ছিল ১৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। যদিও, সেপ্টেম্বরের তুলনায় এই মাসে সামান্য কম রেমিট্যান্স এসেছে; সেপ্টেম্বরে প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসী আয় ছিল ১৬১ কোটি ১৫ লাখ ডলার। একই সময়ে, জুলাই থেকে অক্টোবরের প্রথম ১৮ দিনে, মোট প্রবাসী আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৩.৬ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে বাংলাদেশে প্রবাসী আয় এসেছে ৯১৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যেখানে গত বছর একই সময়ে ছিল ৮০৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সাম্প্রতিক এই ধারা অব্যাহত থাকায় দেশে রেমিট্যান্সের মাধ্যমে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী হচ্ছে।

  • কার্গো টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানি খাতে ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    কার্গো টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানি খাতে ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেশের রপ্তানি খাতে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক ধারনা অনুযায়ী, এই ঘটনায় প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বা অর্থাৎ বারো হাজার কোটি টাকার পণ্যের ক্ষতি হয়েছে। আজ (২০ অক্টোবর, সোমবার) রপ্তানি ও শিল্পখাতের নানা সংগঠনের মিলিত প্ল্যাটফর্ম, এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি), এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করে। এই সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তিনি বলেন, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে শুধু ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, বরং সরকারের আকারেও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা নষ্ট হয়েছে এবং মূল বাজার হারানোর আশঙ্কা গড়িয়ে আসছে। মোহাম্মদ হাতেম আরও বলেন, আমরা চাই এই ঘটনার সুষ্ঠু ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সম্পন্ন করে সরকার ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করে দ্রুত পুনরুদ্ধারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। শাহজালাল বিমানবন্দর দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের হৃদয়ের কেন্দ্রবিন্দু—এখানে এমন অঘটন ফের বলতে চাই না। সংবাদ সম্মেলনে ইএবি নেতারা বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং অঞ্চল দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। এখানে প্রতিদিন কোটি কোটি ডলারের পণ্য ওঠানামা করে। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে অগ্নিকাণ্ড নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুতর দুর্বলতার ঝলকানি। তারা প্রশ্ন তোলে—এখানে কি কোনো স্বয়ংক্রিয় ফায়ার ডিটেকশন বা ফায়ার প্রোটেকশন সিস্টেম ছিল? অগ্নিকাণ্ডের সময় বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং টিম কী অবস্থানে ছিল? বাইরে থেকে ফায়ার সার্ভিস আসতে এতটা সময় কেন লেগে গেল? নেতারা অভিযোগ করেন, সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ (সিএএবি), কাস্টমস হাউস ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স—এই তিন সংস্থা বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালের দেখভাল অভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এই অগ্নিকাণ্ডে পোশাক, চামড়া, হিমায়িত মাছ, কৃষিপণ্য, ফলমূল, ওষুধের কাঁচামালসহ বিভিন্ন ধরনের রপ্তানি পণ্য পুড়ে গিয়েছে। অনেক ক্রেতা তাদের অর্ডার বাতিল করেছেন এবং বিদেশি ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে ছয় দফা দাবি জানানো হয়, যার মধ্যে রয়েছে— ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত বিমা দাবি নিষ্পত্তি, বীমার আওতার বাইরে থাকা পণ্যগুলোর জন্য বিশেষ সরকারি তহবিলের ব্যবস্থা, বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং আধুনিক ও নিরাপদ করার উদ্যোগ, রপ্তানি পণ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়নের পদক্ষেপ, আধুনিক স্ক্যানার ও মনিটরিং সিস্টেমের স্থাপন, কার্গো ব্যবস্থাপনার ডিজিটালাইজেশন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার। তারা আরও দাবি করেন, এই অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ—সিভিল এভিয়েশন, কাস্টমস ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠন করা দরকার। এতে এই ধরনের দুর্ঘটনা ভবিষ্যতে আর যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করার প্রত্যাশা রয়েছে।

  • রেকর্ডের পর স্বর্ণ-রুপার দাম কমলো

    রেকর্ডের পর স্বর্ণ-রুপার দাম কমলো

    বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবার কমানো হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দামের পতন। দেশের স্বর্ণের বাজারে এ মূল্য কমার ফলে আমদানিকারক, বিক্রেতা এবং সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এটি সুখবর। আজ বৃহস্পতিবার থেকে নতুন দরের কার্যকর হবে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

    বাজারে স্বর্ণের দাম এই প্রথমবারের মতো এত বেশি কমলো, যার ফলে মানুষ আরো বেশি স্বর্ণ কেনার উৎসাহ পাচ্ছেন। এই দাম কমানোর সিদ্ধান্তটি বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠক শেষে নেওয়া হয়, যেখানে এই মূল্যস্খাৎ নিশ্চিত করা হয়েছে। আবারও এটা জানানো জরুরী যে, এর আগে ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল, যার ফলে স্বর্ণের দাম সব রেকর্ড ভেঙে গিয়েছিল। সেই মুহূর্তে, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা।

    নতুন দরে, বিশেষ করে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক ভরি কমে দাঁড়ালো ২ লাখ ৮ হাজার ৩৮২ টাকা। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা, যা আগে ছিল ২ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়াও, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমে ১ লাখ ৭০ হাজার ৯৯৪ টাকায় দাঁড়িয়েছে, আর সনাতন পদ্ধতিতে এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ১৪২,২২৯ টাকা।

    উল্লেখ্য, এর আগেও ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল, যেখানে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা বেড়েছিল। তবে এই নতুন পরিবর্তনের মাধ্যমে বাজারে স্বর্ণের মূল্য আরও স্বস্তির জোড়ালো বার্তা পাঠিয়েছে।

    অন্যদিকে, রুপার দামের ক্ষেত্রেও এই মূল্যস্খাৎ দেখা গেছে। ২২ ক্যারেটের রুপার দাম এক ভরি কমে ৫ হাজার ৪৭০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫,২১৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৬৭ টাকা আর সনাতন পদ্ধতিতে ৩ হাজার ৩৫৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে, ২০ অক্টোবর ৬ হাজার ২০৫ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্যারেটের রুপার দাম বাড়ানো হয়েছিল, কিন্তু এখন মোট মূল্য ফের কমেছে।

    সার্বিক পরিস্থিতিতে, এই দাম কমানোর ফলে ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনাকাটার সুযোগ আরও সুগম হচ্ছে এবং বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে।

  • বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত কয়েক মাসের ধারাবাহিক উন্নতির ফলস্বরূপ বর্তমানে ৩২.১০ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শক্তিশালী রিজার্ভের এই প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে রেমিট্যান্স প্রবাহের বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালিত ডলার বিক্রির নিলাম কার্যক্রম।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২.১১ বিলিয়ন ডলার। এফএমএফের অর্থনৈতিক ফরমুলা অনুযায়ী (আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি) গণনায় রিজার্ভের পরিমাণ বর্তমানে ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, গত ৯ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩১.৯৪ বিলিয়ন ডলার, আর আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী তা ছিল ২৭.১২ বিলিয়ন ডলার।

    রিজার্ভের এই বৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, দেশের উচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার বিক্রির নিলামে কার্যক্রম। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে মোট ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার কিনেছে, যা ১৩ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে।

    বর্তমানে এই সব অভিন্ন কার্যক্রমের ফলস্বরূপ বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রস রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে, এবং আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ২৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এই শক্তিশালী রিজার্ভ বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে দাঁড়ানো।

  • বাংলাদেশে ৫০ হাজার মোবাইল ব্যাংকের জোয়া ও প্রতারণামূলক অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত

    বাংলাদেশে ৫০ হাজার মোবাইল ব্যাংকের জোয়া ও প্রতারণামূলক অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত

    বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জননিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) জুয়া ও প্রতারণায় জড়িত থাকা ৫০ হাজারেরও বেশি মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট স্থগিত করেছে। এই অ্যাকাউন্টগুলো ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি মাস পর্যন্ত সময়ে ফ্রিজ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে অনুষ্ঠিত ‘অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক এক সভায় বিএফআইইউর প্রতিনিধির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

    সভায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, ডিজিএফআই (ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স), এনএসআই, এনটিএমসি, সিআইডি, বিএফআইইউ, মোবাইল অপারেটরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। একজন বিএফআইইউ কর্মকর্তা নাম প্রকাশের শর্তে জানান, জুয়া ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম রোধে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টগুলো ব্লক করে বার্তা প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের অ্যাকাউন্টগুলো থেকে একে অপরের মধ্যে টাকা লেনদেনের বিষ্ময়কর বিশ্লেষণ করা হচ্ছে, এবং প্রয়োজনীয় তথ্য নির্ভর করে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাদের কাছে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

    অতিরিক্ত ডিবেঙ্গু কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনলাইন জুয়া ও আর্থিক প্রতারণার জন্য বেনামি সেনের ব্যবহার বাড়ছে। ভুয়া সিম বিক্রি, মানুষের আঙুলের ছাপের ব্যবহার, বিকাশের নকল অ্যাপ, এবং ডার্ক ওয়েবে ব্যক্তিগত ডেটা উপলব্ধ হওয়ার মতো নানা অপরাধের খবরও উঠে এসেছে।

    সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, বলেন, সরকার বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়েও এখনো কিছু গণমাধ্যমের অনলাইন পোর্টাল জুয়া ও অনিরাপদ কনটেন্ট প্রচার করছে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি আর چنین অপরাধমূলক বিজ্ঞাপন প্রচার চলতে থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট মিডিয়া পোর্টালগুলো অচিরেই বন্ধ করে দেওয়া হবে। গত ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত জুয়া বিজ্ঞাপন বন্ধের জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল, তবে অনেক মিডিয়া এতে complied করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানিয়েছেন, গত মে মাস থেকে এই পর্যন্ত সরকার মোট ৪,৮২০টি এমএফএস নম্বর এবং ১,৩৩১টি ওয়েব পোর্টালের লিংক শনাক্ত ও বন্ধ করেছে। তবে, নতুন করে সিগন্যাল বা আইপি পরিবর্তন করে এই চক্রগুলো আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। নম্বর বা ওয়েবসাইট ব্লক করলেও তারা নতুন অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল গ্রুপ গঠন করে আবার জুয়া ও প্রতারণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আধুনিক টেকনোলজি ব্যবহারের মাধ্যমে এ ধরনের প্রতারণার মোকাবেলার জন্য স্বতন্ত্র চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয় সরকার। এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এই প্রতারণা এক উপায়ে বন্ধ করলেও নতুন উপায়ে আবার চালিয়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। তবুও, সরকারের অঙ্গীকার এই ধরনের জাল ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম কঠোর ব্যবস্থায় নিষিদ্ধ ও বন্ধ করার।