Month: September 2025

  • ডাকসু নির্বাচন: ২৮ পদে ২৩টিতেই শিবিরের জয়

    ডাকসু নির্বাচন: ২৮ পদে ২৩টিতেই শিবিরের জয়

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি, জিএসসহ মোট ২৮টি গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচনের ফলাফলে ২৩টিতেই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ ছাত্রজোটের প্রার্থীরা জয় লাভ করেছেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাবির সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিক ফলাফলে তাদের নাম ঘোষণা করেন ডাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

    ভিপি পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪২ ভোট, যার মাধ্যমে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। একইভাবে, এসএম ফরহাদ ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল নেতা তানভীর বারী হামীম পেয়েছেন ৫ হাজার ২৮৩ ভোট। প্রতিরোধ পর্ষদের প্রার্থী মেঘমল্লার বসু পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৪৯ ভোট, যারা তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

    এছাড়া, এজিএস পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রশিবিরের প্রার্থী মুহা. মহিউদ্দীন খান, যিনি ১১ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়েছেন। ছাত্রদলের প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৪ ভোট। আরও ২০ পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থীরা জয় লাভ করেছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতেমা তাসনিম জুমা, যারা ১০ হাজার ৬৩১ ভোট পান। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ইকবাল হায়দার ৭ হাজার ৮৩৩ ভোট, আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান জসিম ৯ হাজার ৭০৬ ভোট লাভ করেন।

    অন্য পদে নির্বাচিতরা হলেন ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ (৯ হাজার ৬১ ভোট), ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসাইন (৭ হাজার ২৫৫ ভোট), কমন রুম, রিডিং রুম ও কাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে ছালমা (৯ হাজার ৯২০ ভোট), মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক সাখাওয়াত জাকারিয়া (১১ হাজার ৭৪৭ ভোট), স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক এমএম আল মিনহাজ (৭ হাজার ৩৮ ভোট), ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম (৯ হাজার ৩৪৪ ভোট)।

    এছাড়া, ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজয়ী হয়েছেন সাবিকুন্নাহার তামান্না (১০ হাজার ৪৮ ভোট), সর্বমিত্র (৮ হাজার ৯৮৮ ভোট), আনास ইবনে মুনির (৫ হাজার ১৫ ভোট), ইমরান হোসেন (৬ হাজার ২৫৬ ভোট), তাজিনুর রহমান (৫ হাজার ৬৯০ ভোট), মেফতাহুল হোসেন আল মারুফ (৫ হাজার ১৫), বেলাল হোসাইন অপু খান (৪ হাজার ৮৬৫ ভোট), রাইসুল ইসলাম (৪ হাজার ৫৩৫ ভোট), মো. শাহিনুর রহমান (৪ হাজার ৩৯০ ভোট), মোছা. আফসানা আক্তার (৫ হাজার ৭૪৭ ভোট) এবং রায়হান উদ্দীন (৫ হাজার ৮২ ভোট)।

    বাকি পাঁচ পদে জয়ী হয়েছেন অন্য প্রার্থীরা, যার মধ্যে সমাজসেবা সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী যুবাইর বিন নেছারী; সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ; গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্বী; সদস্য হিসেবে হেমা চাকমা ও উম্মু উসউয়াতুন রাফিয়া।

    প্রথম দফা ভোটগ্রহণ গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়, যাতে কোন বড় ধরনের ঘটনা ঘটে নি। এবারের নির্বাচনে আক্রান্ত প্রার্থীরা ৪৭১ জন। সাধারণ ছাত্র সংসদের ২৮ পদে প্রার্থী ছিলেন ৪৭১ জন, আর হল সংসদে ১৮টি পদে প্রার্থী ছিলেন ১৩ হাজার ৫ জন।

    বিপুল ভোটারসংখ্যা ছিলো ৩৯,৮৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র হলে ২০ হাজার ৯১৫ এবং ছাত্রী হলে ১৮ হাজার ৯৫৯ জন ভোটার ভোট দেন।

  • পূবালী ব্যাংকে শেখ হাসিনার লকার জব্দ

    পূবালী ব্যাংকে শেখ হাসিনার লকার জব্দ

    জনপ্রিয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি লকার জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা এলাকা (সিআইসি)। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় অবস্থিত এই লকারটি সন্দেহজনকভাবে জব্দ করা হয় বলে সিআইসির মহাপরিচালক আহসান হাবীব জানিয়েছেন। তিনি আরো বলেছেন, শেখ হাসিনার নামে নির্দিষ্ট করে সৌজন্য হিসেবে থাকা একটি লকারের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার নম্বর ১২৮। এই লকারের দুটি চাবির মধ্যে একটি শেখ হাসিনার কাছে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। গোয়েন্দা দলের একটি টিম দ্রুত এই লকারটিকে জব্দ করে। ভবিষ্যতে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। এনবিআরের সূত্র বলছে, এই লকারে স্বর্ণালংকার ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র থাকতে পারে, তবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক ধারণা, এই লকারে গুরুত্বপূর্ণ বা সন্দেহজনক নথিপত্র বা মূল্যবান জিনিস থাকতে পারে। আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় লকারটি খোলা হবে এবং প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান চালানো হবে।

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডাকসু নির্বাচনে ২৮ পদে বিজয়ীদের ভোটের ফলাফল প্রকাশ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডাকসু নির্বাচনে ২৮ পদে বিজয়ীদের ভোটের ফলাফল প্রকাশ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ঐতিহাসিক এক ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। মোট ২৮ পদের মধ্যে ২৩টিতে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ ছাত্র জোট বিজয় লাভ করে, যেখানে শীর্ষ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদসহ বিভিন্ন সম্পাদকীয় ও সদস্য পদে তাদের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। অবশিষ্ট পাঁচটি পদে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

    বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাবির সিনেট ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন এই ফলাফল ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্য কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।

    শীর্ষ তিনটি পদের মধ্যে ভিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট পেয়েছেন: কমিউনিটি পরিষেবার জন্য ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, ঐক্যবদ্ধ ছাত্রজোটের ভিপি প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) সর্বমোট ১৪,০৪২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত মো. আবিদুল ইসলামের খান মোট ৫,৭০৮ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৩,০৩৮ ভোট, এবং শামীম হোসেন পেয়েছেন ৩,৬৮১ ভোট।

    জিএস পদের জন্য এস এম ফরহাদ ১০০৭৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী তানভীর বারী হামীমের ভোট সংখ্যা ৫,২৮৩। অন্যপ্রার্থী মেঘমল্লার বসু পেয়েছেন ৪,৯৪৯ ভোট, এবং বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী পরিষদ থেকে আবু বাকের মজুমদার পেয়েছেন ২,১৩১ ভোট।

    এজিএস পদে মহিউদ্দীন খান ১১,৭৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ৫,৬৪ ভোট।

    অন্য গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর ফলাফলও অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। মিত্রপ্যানেলের প্রার্থীরা বিভিন্ন পদে জয়লাভ করেছেন, যেমন গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিভাগের ফাতেমা তাসনিম জুমা ১০,৬৩১ ভোট, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইকবাল হায়দার ৭,৮৩৩ ভোট, কমন রুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা ৯,৯২০ ভোট, এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক জসীমউদ্দিন খান ৯,৭০৬ ভোট। বিশেষ করে, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ ৭,৩৮ ভোট, এবং মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক সাখাওয়াত জাকারিয়া ১১,৭৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

    প্যানেলের বাইরে থেকে অন্য প্রার্থীরা বিভিন্ন পদে জয়লাভ করেন। কেউ তাঁর মধ্যে সংযোজিত হন, কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। এই বিজয়ীদের মধ্যে সমাজসেবা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি, গবেষণা ও প্রকাশনা, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীও এগিয়ে আসেন। সর্বমোট ১৩ জন সদস্য পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থীরা ১১ জন, যারা সাবিকুন্নাহার তামান্না, আনাস ইবনে মুনির, ইমরান হোসেন, তাজিনুর রহমান, মেফতাহুল হোসেন আল মারুফ, বেলাল হোসাইন অপু খান, রাইসুল ইসলাম, মো. শাহিনুর রহমান, মোছা. আফসানা আক্তার ও রায়হান উদ্দীন।

    অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন হেমা চাকমা (৪,৯০৮ ভোট) ও উম্মা উসউয়াতুন রাফিয়া (৪,২০৯ ভোট)।

    এমন ফলাফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জীবন আবার এক নতুন চেহারা পেয়েছে এবং ভবিষ্যতের রাজনীতির দিক নির্ধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে।

  • বিপুল ভোটে জয়ী জুলাই আন্দোলনের আলোচিত মুখ তন্বি

    বিপুল ভোটে জয়ী জুলাই আন্দোলনের আলোচিত মুখ তন্বি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগের জুন মাসে আহত হওয়া তন্বি। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে তিনি ১১,৭৭৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।

    বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

    গত বছর ১৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ ক্যাম্পাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের ছাত্র ছাত্রী সানজিদা আহমেদ তন্বি। অসুস্থতার কারণে কিছু দিন চিকিৎসাধীন থাকলেও তিনি আন্দোলনে অটুট থাকেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ফলে ছাত্রদল এবং গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদসহ অন্যান্য প্রাথমিক প্যানেলগুলো তার জন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি। নিজেকে সমর্থন দিয়ে মোট ছয়টি প্যানেল অংশ নেয়নি ওই পদে। এই ছয়টি প্যানেল হল- ছাত্রদল ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে গড়ে উঠা গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ, বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’, জামালুদ্দীন মুহাম্মাদ খালিদের নেতৃত্বাধীন ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদ’, ‘অপরাজেয় ৭১-অদম্য ২৪’ প্যানেল এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলন।

    এদিকে ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ভিপি প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) মোট ১৪,০৪২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত মো. আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫,০৬৫৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমার পেয়ে ৩,০৩৮৯ ভোট ও শামীম হোসেন পেয়েছেন ৩,০৬৮১ ভোট।

    জিএস পদে ছাত্রশিবিরের সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী এস এম ফরহাদ সর্বমোট ১০,৮৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের তানভীর বারী হামীম পেয়েছেন ৫,২৮৩ ভোট। অপরাজেয় পর্ষদের মেঘমল্লার বসু পেয়েছেন ৪,৯৪৯ ভোট।

    এছাড়া এজিএস পদে ছাত্রশিবিরের সমর্থিত প্রার্থী মহিউদ্দীন খান পেয়েছেন ১১,৭৭২ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ৫,০৬৪ ভোট।

    বিশ্লেষণে জানা যায়, এবারের ডাকসুতে মোট ৪৭১ জন প্রার্থী ২৮টি পদের জন্য প্রতিযোগিতা করছেন। একই সঙ্গে ১৮টি হল সংসদে ১৩টি করে পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। হল সংসদে মোট ২৩৪ পদের জন্য ১,০৩৫ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    অর্থাত্‍ এই নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৩৯,০৮৭ জন। এর মধ্যে ১৮,৯৫৯ জন ভোটার রয়েছে পাঁচটি ছাত্রী হলে এবং ২০,৯১৫ জন ভোটার ছাত্র হলে। এই নির্বাচনে মোট ভোটপ্রাপ্তি এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেন বিভিন্ন পদে মোট ৪৭১ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে ৬২ জন ব্যক্তি ছাত্রী প্রার্থী। বিভিন্ন হলে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৮টি হলে, যেখানে মোট পদ সংখ্যা ২৩৪। এসব পদে ভোটে অংশ নিয়েছেন মোট এক হাজার তিনজন প্রার্থী।

  • সরকার বাতিল করল ১৩ ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন

    সরকার বাতিল করল ১৩ ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন

    সরকার এখন অস্বাভাবিক এয়ার টিকির মূল্য বৃদ্ধি এবং সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩টি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন বাতিল করেছে। এসব এজেন্সি থেকে কোনও ধরনের এয়ার টিকিট ক্রয়-বিক্রয় বা অন্যান্য ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা থেকে সাধারণ মানুষকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কর্তৃক, যা এয়ার ট্রাভেলএজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ, এ কে এম মনিরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত পৃথक আদেশে এই বাতিলকরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়। বাতিল হওয়া এসব ট্রাভেল এজেন্সির মধ্যে রয়েছে কাজী এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, সিটিকম ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল এজেন্সি, আরবিসি ইন্টারন্যাশনাল, মেঘা ইন্টারন্যাশনাল এয়ার সার্ভিস, মাদার লাভ এয়ার সার্ভিস, জে এস ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরস, হাসেম এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, ফোর ট্রিপ, কিং এয়ার এভিয়েশন, বিপ্লব ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল, সাদিয়া ট্রাভেলস, আত-তাইয়ারা ট্রাভেলস এবং এন এম এস এস ইন্টারন্যাশনাল। সরকার জানিয়েছে, এয়ার টিকিটের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, এই এজেন্সিগুলো বেআইনি ভাবে গ্রুপ বুকিংয়ের নামে রুটের এয়ার টিকিট ব্লক করে রাখছে, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, সাব-এজেন্টের মাধ্যমে উচ্চ দামে টিকিট বিক্রি করছে। তারা বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে টিকিটের দাম বাড়াচ্ছে, অতিরিক্ত মুনাফা লুটছে, কালোবাজারি এবং প্রতারণামূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত তারা। এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ এর ৯ ধারার আওতায় তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শুনানির সময় দু’টি এজেন্সি কাগজপত্র দাখিল করে, তবে অন্য ১১টি এজেন্সি কোনও তথ্য বা জবাব দেয়নি, যা নাগরিক অধিকার ও আইন লঙ্ঘনের শামিল। তদন্তে দেখা গেছে, তাদের কার্যকলাপ জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকারক ও নিয়ম-নীতির বিরোধী। ফলে, এই সকল কার্যকলাপে জড়িত থাকার জন্য কাজী এয়ার ইন্টারন্যাশনালসহ মোট ১৩ ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আকাশ পথে যাত্রীর স্বার্থ রক্ষায় নানা সতর্কবার্তা দেয়া সত্ত্বেও যেসব ট্রাভেল এজেন্সি, জিডিএস বা এয়ারলাইন্সের সঙ্গে সিন্ডিকেট করে বেআইনি কার্যক্রমে জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে সরকার।

  • দেশে মাথাপিছু আয় ২৫৯৩ ডলার এলো

    দেশে মাথাপিছু আয় ২৫৯৩ ডলার এলো

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও সুদৃढ़ হলো, যেখানে দেশের গড় মাথাপিছু আয় এখন ২৫৯৩ ডলার। এটি প্রতিফলিত হয়েছে নতুন বিশ্বব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে, যা বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে।প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ার ২০টি দরিদ্র দেশের মধ্যে অন্যতম শীর্ষে থাকা জর্ডানের মাথাপিছু আয় ৪৬১৮ ডলার, যা বাংলাদেশ থেকে অনেক বেশির। অন্যদিকে, বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম, যেখানে এর নির্ভরযোগ্য হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় ২৫৯৩ ডলার। উল্লেখ্য, ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে কিছু সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ৩ হাজার ডলার দেখিয়ে ছিল, যা এখনকার বাস্তব পরিসংখ্যানের সঙ্গে ততটা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।বিশ্বব্যাংকের রিপোর্টে আরও দেখা গেছে, প্রতিবেশী দেশ ভারতের মাথাপিছু আয় এখন ২৬৯৩ ডলার, যা বাংলাদেশের তুলনায় মাত্র ১০০ ডলার বেশি। শ্রীলংকার ক্ষেত্রে, এই সংখ্যা প্রায় ৫৫০০ ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে বেশি। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে, রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে তার মাথাপিছু আয় প্রায় ১৬৪০ ডলার, যা বাংলাদেশ থেকে প্রায় এক হাজার ডলার কম।অন্যদিকে, এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে কম মাথাপিছু আয় যোগ্য আফগানিস্তান, যেখানে এই সংখ্যা মাত্র ৪১৩ ডলার। সততার সাথে জানা গেছে, দেশের অর্থনীতির সাম্প্রতিক অবস্থা উন্নতির পথে, তবে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

  • অগাস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে অস্বস্তি রয়ে গেছে

    অগাস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে অস্বস্তি রয়ে গেছে

    গত আগস্ট মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা হ্রাস পেয়েছে, যা জুলাইয়ের তুলনায় কমেছে। তবে বেশ অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে খাদ্য বিভাগের মূল্যবৃদ্ধি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) আজ রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

    তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে সার্বিক মূল্যমূল্য সূচক ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা জুলাই মাসে ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ, অর্থাৎ এই মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি প্রায় ০.২৬ শতাংশ কমেছে।

    তবে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে। আগস্টে খাদ্য উপাদানের মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ০৪ শতাংশ বেড়েছে এবং বর্তমানে এটি ৭ দশমিক ৬০ শতাংশে পৌঁছেছে। جولাই মাসে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

    বিবিএসের তথ্যমতে, জুলাই মাসে সার্বিকভাবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা আগস্টে কমে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে। এটি প্রায় ০.৪৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

    এছাড়াও, আগস্ট মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশে নেমে এসেছে, যেখানে খাদ্য বিষয়ক মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ। অন্যদিকে শহরে এই হার ৮ দশমিক ২৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যেখানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

    অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে মূল্যস্ফীতি কমানোর চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) একটি অনুষ্ঠানে বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। এটা এক রাতের কাজ নয়, সময় নেয়। চালের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আগস্টে কিছুটা মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, তবে আমাদের লক্ষ্য ৫ শতাংশের নিচে মূল্যস্ফীতি রাখা।

  • স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে গেল

    স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে গেল

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এক নতুন নজির সৃষ্টি করেছে। সবচেয়ে জনপ্রিয় ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম দুই হাজার ৭১৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা। এই আপডেটের মাধ্যমে স্বর্ণের দাম অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে, এটি এখন একেবারে ‘মূল্যবান’ থেকে যেন ‘মহামূল্যবান’ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) রবিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য উল্লেখ করে। নতুন মূল্যู দাবি আজ সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৩ হাজার ৩০৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে এক লাখ ২৩ হাজার ৬৩ টাকা। তবে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রূপার দাম এখন এক ভরি জন্য নির্ধারিত ২ হাজার ৮১১ টাকা। অন্য ক্যারেটের জন্য যথাক্রমে, ২১ ক্যারেটের রূপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম এক হাজার ৭২৬ টাকা।

  • অর্থমন্ত্রী: জলবায়ু পরিবর্তনে ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, মাত্র ২ বিলিয়ন পেলে যায় জান বাজি

    অর্থমন্ত্রী: জলবায়ু পরিবর্তনে ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, মাত্র ২ বিলিয়ন পেলে যায় জান বাজি

    অর্থনৈতিক উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আমাদের প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। তবে, দুঃখজনকভাবে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে এক থেকে দেড় বিলিয়ন ডলার আদায়ের সময় আমাদের জান বের হয়ে যায়। আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর), রাজধানীর পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত তিনদিনব্যাপী ‘নেভিগেটিং ক্লাইমেট ফাইন্যান্স: মিডিয়া রিপোর্টিং’ নামে প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, দুটি ধরণের দুর্যোগের মধ্যে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ কম নয় আর প্রকৃতি ও মানুষের ক্ষতি একসঙ্গে বাড়ছে। তরুণরা এগিয়ে আসছে জানিয়ে সেটি ইতিবাচক দিক, তবে শুধুমাত্র ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের লোক পাঠানো উপায় নয়। আগুন লাগলে সাধারণ মানুষই প্রথম এগিয়ে আসে, সেটা দৃশ্যমান। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এ বিষয়গুলো আরও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আরও কার্যকর করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের মতো প্রবল দুর্যোগপ্রবণ দেশে, জলবায়ু পরিবর্তনের সংকট মোকাবিলায় বছরে ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, যেখানে আগামীতে আইএমএফের সঙ্গে পাঁচ বিলিয়ন ডলার নিয়ন্ত্রণের আলোচনা রয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংবাদ বেশি তুলে ধরতে হবে। জাপানের ছাত্ররা এ নিয়ে সচেতন, আমাদেরও এখন থেকে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই বিষয়টি বোঝানো দরকার। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ, এখানে প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের প্রকোপ বেশি। এজন্য আমাদের মধ্যে সচেতনতা ও প্রস্তুতি আরও বাড়াতে হবে। এর পাশাপাশি, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ডেঙ্গু, পানি বৃদ্ধি, মাতৃমৃত্যুসহ নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানো ও বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বিষয়গুলো তুলে ধরার গুরুত্ব স্বীকার করেন অতিথিরা। আজকের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৬০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেছেন, যারা ভবিষ্যতে জলবায়ু সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

  • স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ডে পৌঁছেছে, আবার বৃদ্ধি

    স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ডে পৌঁছেছে, আবার বৃদ্ধি

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দর আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) স্বর্ণের নতুন দামের ঘোষণা দিয়েছে। এই তথ্য জানানো হয় বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে। নতুন দাম আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    প্রতিটি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২৬০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) বিক্রি হবে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকায়। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দামে রয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২৭১৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস, যা তখন সর্বোচ্চ দাম ছিল।