Month: September 2025

  • আগস্টে সামান্য কমলেও খাদ্যে মূল্যস্ফীতি উদ্বেগের কারণ

    আগস্টে সামান্য কমলেও খাদ্যে মূল্যস্ফীতি উদ্বেগের কারণ

    সাম্প্রতিকdata অনুযায়ী, দেশের শতকের আগস্ট মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জুলাই মাসের তুলনায় কিছুটা কমে ეროვნন ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে এসেছে। যদিও এই সময় অর্থনীতির সাধারণ পরিস্থিতির কিছুটা স্থিরতা দেখা দিলেও, খাদ্যবিশ্লেষণে বুঝা যাচ্ছে যে সেখানে এখনও অস্বস্তি বিরাজ করছে। আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে, যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ, যেখানে জুলাই মাসে এটি ছিল ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ কমে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ হয়েছে। এর আগে Juli মাসে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

    অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি জুলাই মাসে ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা আগস্টে কমে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে, অর্থাৎ ০ দশমিক ৪৮ শতাংশের পতন।

    প্রতিরক্ষামূলকভাবে, গ্রামাঞ্চলে আগস্ট মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশে নেমে এসেছে, যেখানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ। শহরাঞ্চলে এই হার যথাক্রমে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ, যেখানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

    অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলছেন, ‘মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যেতে হবে, এটা একদিনের কাজ নয়, সময় দরকার। চালের দাম বাড়ায় আগস্টে কিছুটা মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, তবে আমাদের লক্ষ্য এই হার ৫ শতাংশের নিচে নামানো।’

  • স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ড ছাড়ালো

    স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ড ছাড়ালো

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) জন্য ২৭১৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা। এই দামটি পূর্বের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে, ফলে স্বর্ণ এখন শুধুই মূল্যবান নয়, বরং ‘মহামূল্যবান’ বলে পরিচিতি পেয়েছে।

    রোববার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। নতুন মূল্য আজ, সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    অতিমাত্রায় দাম বাড়লেও রূপার দাম অপরিবর্তিত থাকছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮১১ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেটের রূপার জন্য দাম ২৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২৯৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রূপার মূল্য ১৭২৬ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

  • অর্থ উপদেষ্টার আহ্বান: জলবায়ু অর্থায়নে ৩০ বিলিয়ন ডলার দরকার, তবে সমস্যা পাচ্ছেন আইএমএফ থেকে

    অর্থ উপদেষ্টার আহ্বান: জলবায়ু অর্থায়নে ৩০ বিলিয়ন ডলার দরকার, তবে সমস্যা পাচ্ছেন আইএমএফ থেকে

    অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা ও কার্যক্রমের মধ্যে পার্থক্য থাকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার, তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে এক থেকে দেড় বিলিয়ন ডলার আনতে গিয়ে আমরা যেন জানই বের হয়ে যায়। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) যৌথ আয়োজনে ‘নেভিগেটিং ক্লাইমেট ফাইন্যান্স: মিডিয়া রিপোর্টিং’ শীর্ষক তিন দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, জলবায়ু সংকটের মোকাবিলায় মানবসৃষ্ট দুর্যোগ কম নয়, বরং মানুষের কারণেই প্রকৃতির ক্ষতি বেশি হয়। সালেহউদ্দিন আহমেদ মনে করেন, এই সংকট মোকাবিলার জন্য পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ একসাথে থাকতে হবে: বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, প্রতিষ্ঠান, অর্থের সংস্থানকারী ও সাধারণ জনগণ। তিনি বাংলাদেশের মানুষের দুর্যোগ মোকাবিলায় অগ্রসর হওয়ার প্রশংসা করে বলেন, স্থানীয় উদ্যোগ আর নিজস্ব প্রচেষ্টায় দুর্যোগে মোকাবিলা হয়। এ জন্য বাইরে থেকে প্রত্যাশা করে অপেক্ষা না করাই ভালো। তিনি বলেন, আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীর আগে স্থানীয় লোকেরা এসে সাহায্য করে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সেজন্য এই সচেতনতাকে আরও বাড়াতে হবে। সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। প্রাকৃতিক ও মানুষের তৈরি দুর্যোগ, উভয়ই আমাদের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। তিনি উল্লেখ করেছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় বছরে প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার, এবং আগামি সময়ে আইএমএফের সঙ্গে পাঁচ বিলিয়ন ডলার অর্থের নেগোশিয়েশন করা হবে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ; জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কার্যক্রমে তাঁরা সচেতনতা বাড়াতে হবে। জাপানের শিক্ষার্থীরা কিভাবে দুর্যোগের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, আমাদেরও শিশুদের ছোটবেলা থেকে সচেতন করতে হবে। অনুষ্ঠানে পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন এই শতাব্দীর সবচেয়ে বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জ। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। বিশেষ অতিথির মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, ‘জলবায়ু তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। এজন্য আমাদের ক্ষতির গল্পগুলো তুলে ধরতে হবে, যাতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা দরকার।’ আরেক বিশেষ অতিথি, প্রধান উপদেষ্ঠার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘ডেঙ্গু বাড়ছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই। সিলেটে পানি বাড়া, মাতৃমৃত্যু—এমন অনেক ক্ষেত্রেই জলবায়ুর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। তবে এ সব ঘটনাগুলোকে বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে তুলে ধরতে পারছি না, তখনই অর্থের জন্য দরজা বন্ধ হয়ে যায়।’ তিন দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৬০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেছেন।

  • স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, নতুন রেকর্ড তৈরি

    স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, নতুন রেকর্ড তৈরি

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারও বেড়েছে, যার ফলে নতুন রেকর্ড গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘোষণা দেয়। এতে জানানো হয়, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর from মঙ্গলবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

    নতুন দামে এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৬০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি হয়েছে। এর ফলে, সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের দীর্ঘমেয়াদী মূল্য ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতিতে চিরচেনা স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়েছে। এই প্রেক্ষিতে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল ৭ সেপ্টেম্বর, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল, যার ফলে সেটি দাঁড়িয়েছিল ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকায়। এটাই ছিল তখন পর্যন্ত স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। এই বৃদ্ধির ফলে স্বর্ণবাজারে নতুন দিক নির্দেশনা ও ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।

  • স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়েই চলেছে, টানা তৃতীয় দিনের মতো skyrocketed

    স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়েই চলেছে, টানা তৃতীয় দিনের মতো skyrocketed

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বিন্দু প্রগতিতে বাড়ছে। মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, ভরিতে ৩ হাজার ১৩৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। এটি যেন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণের দাম।

    বাজুসের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই দাম বাড়ির পেছনে মূল কারণ হলো তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি। এটি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, ১১.৬৬৪ গ্ৰাম বা এক ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক ভরি হিসেবে হবে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ লাখ ৫২ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে বিক্রির জন্য স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ১৪৬ টাকায়।

    অতীতে, গতকালই বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল। তখন ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা নির্ধারিত হয়, যা দেশের ইতিহাসে একদম সর্বোচ্চ। এর আগে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ছিল ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা।

    প্রথমে, ৯ সেপ্টেম্বর, স্বর্ণের দাম বিখ্যাতভাবে বাড়ানো হয়েছিল ২৭১৮ টাকা করে। এই গিয়র স্বর্ণের দাম তখন ছিল ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩২ টাকা। এরপর, চলতি বছর মোট ৫২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম বাড়ানোর সংখ্যা ৩৬ এবং কমানোর সংখ্যা কেবল ১৬ বার।

    তবে, অন্যদিকে রূপার দাম স্থিতিশীল রয়ে গেছে। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২৮১১ টাকা। এই দামে অন্যান্য ক্যাটেগরিতেও ঠিকই স্থিরতা দেখা গেছে, যেমন ২১ ক্যারেটের রুপা ২৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ২২৯৮ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে বিক্রি হচ্ছে ১৭২৬ টাকা। স্বর্ণের দামের এই ধারাবাহিক বাড়তি প্রভাব দেশের বাজারে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উপর স্পষ্টভাবে পড়ছে।

  • বেলা নিশ্চিত: টিএসসিতে নির্বাচনী ব্যালটে আগে থেকেই ক্রস চিহ্ন দেওয়া

    বেলা নিশ্চিত: টিএসসিতে নির্বাচনী ব্যালটে আগে থেকেই ক্রস চিহ্ন দেওয়া

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) শিবির সমর্থিত পরিস্থিতিতে ভোটের শুরুতে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান জানান, এখানকার নির্বাচনী ব্যালটে শিবির সমর্থিত প্রার্থী সাদিক কায়েম ও জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদের পক্ষে আগে থেকেই ক্রস চিহ্ন দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি তিনি আশঙ্কাজনক বলে মনে করছেন।

    মঙ্গলবার দুপুরে টিএসসি কেন্দ্রে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই অভিযোগ করেন। সে সময় তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে রোকেয়া হলের নারী শিক্ষার্থীরা ভোট দিচ্ছেন।

    আবেদুল ইসলাম খান বলেন, “টিএসসি কেন্দ্রে শিবির সমর্থিত এই দুই প্রার্থীকে নিয়ে আমাদের অভিযোগ সত্য, কারণ ব্যালটে তাদের জন্য আগে থেকেই ক্রস চিহ্ন দেওয়া হয়েছে। এটি দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য খুবই উদ্বেগজনক ও অপরাধ।”

    অভিযোগের বিষয়ে তিনি আরও জানান, তিনি কেন্দ্রে প্রবেশের জন্য চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েছেন। কোনও ধরনের বাধা বা আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা তার হয়নি। তিনি বাইরের কিছু ব্যক্তির প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হলেও ভোটের স্বচ্ছতা রক্ষার জন্য প্রার্থীদের কেন্দ্রে থাকার অধিকার রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    আবিদুল আরও বলেন, “আমরা সকাল থেকেই অনিয়মের অভিযোগ করতে পারতাম, তবে আমি মনোযোগ কেন্দ্রিক করেছি যাতে সঠিক তথ্য অনুসন্ধান করা যায়। আমি দেশের ভোটাধিকার ও স্বাধীনতাকে সম্মান করি।”

    অতিথি তিনি শেষের দিকে অমর একুশে হলের ভোট কারচুপির ব্যাপারেও জানান, তিনি সেখানে যাননি এবং বিষয়টি বিশ্লেষণ করে পরে মন্তব্য করবেন।

  • ডাকসুর ফলাফল প্রত্যাখ্যান ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থীর

    ডাকসুর ফলাফল প্রত্যাখ্যান ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থীর

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান নির্বাচনের ফলাফলে সুস্পষ্টভাবে পিছিয়ে থাকায় তা প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, এটি একটি পরিকল্পিত প্রহসন। মঙ্গলবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন। আবিদুল বলেন, ‘পরিকল্পিত কারচুপির এই ফলাফল আমি আগে থেকেই অনুমান করেছিলাম। নিজেদের মতো করে সংখ্যা সাজানো হয়েছে। আমি এই প্রহসনকে হত্যা করছি।’ একই সময়ে ছাত্রদলের আর এক প্রার্থী, জিএস পদে শেখ তানভীর বারী হামিম, তার ফেসবুক পোস্টে বলেছিলেন, শিক্ষার্থীরা যদি মনে করেন এটি তাদের রায়, তবে তিনি সেটাকে সম্মান জানাচ্ছেন। তবে তিনি আরও জানান, আজকের ভোটে কিছু কেন্দ্রে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ উঠেছে, বিশেষ করে গণনার ক্ষেত্রে মেশিনের ত্রুটি ও জালিয়াতির ঘটনা দেখা গেছে। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে মিছিল করে ‘ভোট চোর ভোট চোর’, ‘প্রশাসন ভোট চোর’ সহ নানা স্লোগান দেন। কর্মসূচির পাশাপাশি সন্ধ্যায় তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ আনেন এবং বলেন, এই নির্বাচন হাসিনা ফ্যাসিস্টের নির্বাচনকেও হার মানাচ্ছে। ক্যাম্পাসে মিছিল চলাকালীন তারা বলেন, ‘কারচুপির নির্বাচন, মানি না-মানি না।’ যদিও পূর্ণাঙ্গ ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি, তবে বিভিন্ন হলে ফলাফলে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা প্রাধান্য পাচ্ছেন। প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে দেখা গেছে, কার্জন হল, অমর একুশে হল, সুফিয়া কামাল হল, ভূতত্ত্ব বিভাগের কেন্দ্র ও জিয়া হলে ভিপি পদে সাদিক কায়েম বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। এছাড়া জিএস পদে ফরহাদ হোসেন এবং এজিএস পদে মহিউদ্দিন খান এগিয়ে আছেন। অমর একুশে হলে আবু সাদিক কায়েম ৬৪৪ ভোট পেয়েছেন, যেখানে আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন মাত্র ১৪১ ভোট। অন্যান্য হলেও সাদিক কায়েমের নেতৃত্ব দেখা যাচ্ছে, যেমন ভূতত্ত্ব কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১২৭০ ভোট, জিয়া হলে ৮৪১ ভোট। এর ফলে ধারণা করা হচ্ছে, এই ফলাফলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

  • উমামা ফাতেমা ঘোষণা দিলেন ডাকসু বর্জনের

    উমামা ফাতেমা ঘোষণা দিলেন ডাকসু বর্জনের

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী উমামা ফাতেমা ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি এই নির্বাচন বর্জন করবেন। তিনি মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া তিনটার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‘বয়কট! বয়কট! আমি ডাকসু বর্জন করলাম।’ এই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ডাকসু নির্বাচনকে ‘সম্পূর্ণ নির্লজ্জ কারচুপির নির্বাচন’ বলে অভিহিত করেছেন। উমামা ফাতেমা উল্লেখ করেন, ‘৫ আগস্টের পরে ছাত্ররাজনীতির ছলে জাতির মুখে লজ্জার ধরণের আচরণ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিবির পন্থী প্রশাসনের দ্বারা এই ধরনের অবিচার চালানো হয়েছে।’

    এর আগে রাত দেড়টার দিকে একটি অন্য পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘চলমান এই নির্বাচন একটি সার্কাসের মতো। কে দেখতে আসছেন?!’ এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়া ও অবিচারজনিত পরিস্থিতির প্রতি তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

    এদিকে, ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী মো. আবিদুল ইসলাম খানও ডাকসু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিত কারচুপির ফলে এই ফলাফল আমি দুপুরের পরই অনুমান করেছি। নিজের মতো করে সংখ্যা গুণে নিন। আমি এই পরিকল্পিত প্রহসন প্রত্যাখ্যান করছি।’

    উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। রাত দেড়টার দিকে বিভিন্ন কেন্দ্রে ফলাফলের ঘোষণা শুরু হয়। বেশিরভাগ কেন্দ্রে ফলাফল ইতোমধ্যে জানা গেছে, যেখানে দেখা যায় ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। এই প্রথমবারের মতো, ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের প্রার্থী একটি ভূমিধস বিজয় লাভের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

  • এ বিজয় ব্যক্তিগত নয়, শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত জয়: ভিপি সাদিক কায়েম

    এ বিজয় ব্যক্তিগত নয়, শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত জয়: ভিপি সাদিক কায়েম

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী সাদিক কায়েম। বিজয়ের পরদিন বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, এই বিজয় কোনো ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত সাফল্য।

    সাদিক কায়েম বলেন, ডাকসু নির্বাচনে কেউ হেরেছেন না; এখানে জয়ী হয়েছে সকল শিক্ষার্থী, জয়ী হয়েছে জুলাইবিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা, জয়ী হয়েছে শহীদদের স্বপ্ন। এটি আমাদের সকলের collective victory এবং এটি শহীদদের আত্মত্যাগের ফসল। তিনি স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শহীদ, আধিপত্যবিরোধী সংগ্রামের শহীদ এবং বিশেষ করে শহীদ আবরারকে, যিনি ছাত্ররাজনীতির সহিংসতার শিকার হয়ে প্রাণ হারান। আল্লাহ তাদের সবাইকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন বলে কামনা করেন।

    নিজের দায়িত্ববিষয়ক বক্তব্যে সাদিক কায়েম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাকে এবং আমার সহযোদ্ধা এস এম ফরহাদ ও মহিউদ্দিন খানসহ পুরো প্যানেলকে যে আস্থা দিয়েছেন, আমরা সেই আস্থার মর্যাদা রাখার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, আমরা যে স্বপ্নের ক্যাম্পাস গড়ার অঙ্গীকার করেছি, তা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না।

    তিনি আরও বলেন, আমি চাই না শিক্ষার্থীরা শুধু আমাকে ভিপি হিসেবে দেখুক; বরং তারা আমাকে বন্ধু, ভাই ও সহপাঠী হিসেবে জানুক। আমার আচরণ বা ভাষা যেন কোনোভাবেই অহংকার বা গর্বের প্রকাশ না হয়, সেজন্য আমি গুরুত্ব সহকারে খেয়াল রাখব।

    একটি পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক ইনস্টিটিউটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর করার লক্ষ্য ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমরা চাই একটি এমন ক্যাম্পাস, যেখানে শিক্ষার্থীরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উন্নত পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারবে। সেখানে গবেষণার সুযোগ থাকবে, আবাসন নিশ্চিত হবে, খাবার ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত হবে। নারীদের জন্য থাকবে নিরাপদ ও সমানাধিকারের পরিবেশ।

    তিনি নারী শিক্ষার্থীদের অবদানকে বিশেষভাবে স্বীকার করেন এবং বলেন, ডাকসু নির্বাচনের সফল আয়োজন ও জুলাইবিপ্লবের সময় নারীদের সাহসী অংশগ্রহণ আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। এটি তাদেরও অধিকার।

    সাদিক কায়েম বলেন, নির্বাচনে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তারা কেউ আমাদের শত্রু নয়; তারা সবাই এখন পরামর্শদাতা। সব মতপক্ষে থাকা সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে কাজ করতে চান তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে এক গণমাধ্যমকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন এবং বলেন, আমি তার পরিবারকে গভীর সমবেদনা জানাই। পাশাপাশি যারা এই নির্বাচনের কাভারেজ করেছেন, তাদের সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    সাদিক কায়েম আরও বলেন, এই দায়িত্ব একটি কঠিন পরীক্ষা। আমরা চাই, এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হব। শিক্ষার্থীদের অধিকার সংরক্ষণ ও আধুনিক, মানবিক ক্যাম্পাস গড়ার জন্য সবাইের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

  • ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি’

    ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি’

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে গত মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনের সময় কিছু অসুবিধার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের ভোটকক্ষে কিছু প্রার্থী ও সমর্থক নিয়ম ভেঙে ঢুকের চেষ্টা করেছেন। তবে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও ভিপি পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান দাবি করেছেন, তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই কেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তিনি কার্জন হলে ভোটকেন্দ্রের সামনের আলাপচারিতায় এ কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কোনো কার্ড প্রদান করেনি। এজন্য তাকে মেয়েদের হলে অবস্থিত ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আবিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এই ভোটে অংশ নেওয়ার জন্য আসিনি, বরং ভোটের উৎসব উপভোগ করতে আসছি। আমি কোনো অভিযোগ করতে চাই না।’ তবে শুরু থেকেই নির্বাচনের পরিবেশে কিছু অসুবিধার অভিযোগ উঠে আসছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই কেন্দ্রে জগন্নাথ হলে থাকা শিক্ষার্থীরা ভোট দিচ্ছেন। পাশাপাশি কাজের জন্য তিনি ও তার সমর্থকদের ভোটের প্রচার ও প্রচারপত্র বিলি করতেও দেখা যায়। ওই সময় অনেক নারী ভোটার এ বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ ও বিরক্তি প্রকাশ করেন। তবে আবিদুল ও তার সমর্থকেরা দাবি করেছেন, তারা ভোট প্রার্থী বা প্রচার করতে আসেননি, কেবল ভোটের ব্যালট নম্বর সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করছেন, কারণ বেশিরভাগ ভোটার তা মনে রাখতে পারেন না। এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনো প্রার্থী কেন্দ্রে ঢুকে ভোটের জন্য প্রার্থনা বা প্রচারণা করতে পারবেন না। কেন্দ্রের ১০০ মিটার মধ্যে কোনো ভোটারও স্লিপ বা প্রচারপত্র বিলি করতে পারবে না। খবর গেছে, নির্বাচনী কেন্দ্রের কাছেই বুথ ও টেবিল স্থাপন করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তৎপরতা চালাচ্ছেন। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তারা কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করেনি। তিনি বলেন, ‘আমাদের হেল্প ডেস্ক কেন্দ্র থেকে অন্তত ১৫০ মিটার দূরে রয়েছে।’ এই ঘটনার মধ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয় তা নিশ্চিত করতে সকল পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।