জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে ছাত্রদলসহ মোট পাঁচটি প্যানেল ভোট বর্জন করেছে। তারা এই নির্বাচন বাতিল করে নতুন করে নির্বাচনের দাবি তুলেছেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রত্যেকটি প্যানেল হলো— ‘সম্প্রীতির ঐক্য’, ‘সংশপ্তক পর্ষদ’, ‘স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ’ এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আংশিক প্যানেল। এর সঙ্গে বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও তাদের সঙ্গে একমত হয়ে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার বিকেল চারটার দিকে, ভোট চলাকালে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল ভোট বর্জন করে। সেই সঙ্গে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ প্যানেল ভোটের ফলাফল বর্জন করে। একই সময়ে, স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ ও সজীব আহমেদ জেনিচের ফ্রন্টের আংশিক প্যানেলও ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে। এর আগে বিকেল ৫টার দিকে শংসপ্তক পর্ষদ নির্বাচনের ফলাফল বর্জন করে অন্য কয়েকটি প্যানেল। তবে, কিছু প্যানেল ভোট বর্জন করেনি, যেমন— বাগছাস সমর্থিত শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম, শিবিরের সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট ও স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মেলন। সম্প্রীতির ঐক্য প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী শরণ এহসান বলেন, “আমরা এই অনিয়মের নির্বাচনের বয়কট করেছি এবং দ্রুত সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় নতুন নির্বাচন নিশ্চিত করতে তফসিল ঘোষণা ও পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।” অন্যদিকে, ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে চারটি প্যানেলের প্রার্থীরা পুনরায় নির্বাচনের জন্য দাবি জানান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার কিছু সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি উপস্থাপন করা হয়। সেই সময়ে উপস্থিত ছিলেন সম্প্রীতির ঐক্য, সংশপ্তক পর্ষদ, অঙ্গীকার পরিষদ ও ছাত্র ফ্রন্টের কিছু প্রার্থী। সংবাদ সম্মেলনে সম্প্রীতির ঐক্য প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী শরণ এহসান বলেন, “আমরা অনিয়মের এই নির্বাচনের নিন্দা জানাই এবং দ্রুত সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য ফলাফলের জন্য নতুন করে নির্বাচন গ্রহণের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে নতুন করে গঠন করতে হবে এবং নতুন নির্বাচন ও তফসিল ঘোষণা করতে হবে।’
Month: September 2025
-

দুদকের তলবে সাবেক ৭ সচিবসহ ১২ জনের নাম উত্থাপন
ঢাকার ধানমন্ডিতে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারির ঘটনায় নাম এসেছে বেশ কিছু বিশিষ্ট سابق কর্মকর্তাদের। তাদের মধ্যে আরও রয়েছে সাতজন সাবেক সচিব, দুদকের দুজন সাবেক কমিশনার, দুইজন সাবেক বিচারক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের একজন সাবেক মহাপরিচালক। অভিযোগ উঠেছে, এই জনপ্রতিনিধিরা নিয়মের তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে দামি ফ্ল্যাট হাতিয়ে নিয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই অভিযোগের বিষয়ে গভীর অনুসন্ধান চালাচ্ছে। তদন্তের অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার সংগঠনটি ১২ জনের নামের তালিকা করে তাদের आगामी ১৭, ১৮ ও ২১ সেপ্টেম্বর হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে। দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, “অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে অনুসন্ধান দলের এক পর্যায়ে এই জিজ্ঞাসাবাদ। এই সময় তাদের উপস্থিত থাকতে হবে এবং নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।” ভবিষ্যত সাক্ষাৎকারে তলবপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক খান ও মোঃ জহুরুল হক, সাবেক সিনিয়র সচিব মোঃ ইউনুসুর রহমান, সাবেক সচিব এম এ কাদের সরকার, সাবেক সিনিয়র সচিব এম আসলাম আলম, মোঃ আনিছুর রহমান, এস এম গোলাম ফারুক, আকতারী মমতাজ, মোঃ সিরাজুল হক খান, মোঃ মঞ্জুরুল বাছিদ, সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক নেহাল আহমেদ। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, গৃহায়ন অধিদপ্তরের ‘গৃহায়ন ধানমন্ডি (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতায় নিয়মবিরুদ্ধভাবে উচ্চমূল্যের ফ্ল্যাট বরাদ্দ করা হয়। ধানমন্ডি এলাকার ১৩ নম্বর (নতুন ৬/এ) রাস্তার ৭১১ নম্বর (নতুন ৬৩) প্লটে ১৪ তলা ভবন নির্মিত, যেখানে ১৮টি ফ্ল্যাট ছিল। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ (১২টি) সরকারি কোটা ও ৪০ শতাংশ (৬টি) বেসরকারি কোটার অধীন বলে গণ্য হলেও, রাজ্যের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। অভিযোগে আরও ওঠে, ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রঙিন ভোটের রাতের পরিস্থিতির জন্য কিছু কর্মকর্তাকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুপ্রেরণায় এই বিলাসবহুল ফ্ল্যাট দেওয়া হয়। ৫ মে একটি টেলিভিশন চ্যানেল অবকাশে প্রতিবেদন প্রকাশের পর দুদক বিষয়টির অনুসন্ধানে নামে, এবং ১২ মে তদন্তের সত্যতা নিশ্চিত করে। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ধানমন্ডি-৬ নম্বর প্লটে থাকা জমির মূল্য অত্যন্ত বেশি। অভিযোগ করা হয়, শেখ হাসিনার নির্দেশে ওই জমি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করে সেখানে ডুপ্লেক্সসহ ১৪ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়। এই ভবনে দুজন সাবেক কমিশনারের জন্য থাকছে দু’টি ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটের পাশাপাশি নিচে দুটি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। অভিযোগের মতে, মোজাম্মেল হক খান ও জহুরুল হক নিজস্ব ডুপ্লেক্স পান। অন্য দশজন বরাদ্দপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হলেন মোঃ ইউনুসুর রহমান, কাদের সরকার, এম আসলাম আলম, আকতারী মমতাজ, মোঃ সিরাজুল হক খান, মোঃ মঞ্জুরুল বাছিদ, সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, এম গোলাম ফারুক ও আনিছুর রহমান।
-

বরিশালে আধিপত্যের কারণে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মারামারি, আহত ২৫
বরিশালের মুলাদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্র শিবিরের মধ্যে মারামারি ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ২৫ জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে ছাত্র শিবিরের ২০ জন এবং ছাত্রদলের ৫ জন। এ ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার দুপুরে মুলাদী সরকারি কলেজে।
আহত শিবির কর্মীরা জানান, ঘটনাস্থলে কলেজে অনুষ্ঠিত হতে পারা শিবিরের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সভার মুহূর্তে হামলা চালায় ছাত্রদলের একদল নেতা-কর্মী। এ সময় তারা বাংলার অভিমানে শ্লোগান দেয় এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নেতৃত্বে হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ৬ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অপরদিকে, মুলাদী উপজেলা ছাত্রদল নেতাদের দাবি, কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশে বাধা দিয়ে শিবিরের নেতারা স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের মারধর করেছে। এ ঘটনার ফলে কলেজে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সফিকুল ইসলাম বলেন, গতকাল কলেজে একাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের অনুষ্ঠানে কিছু ছাত্রদল নেতা মঞ্চে থাকায় ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। এরপর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাঁধে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগে এ হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি আরও জানান, আহতের ঘটনা পুলিশ আসার আগেই ঘটেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য তারা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
-

শেষ মুহূর্তে ছাত্রদলের বর্জনে কেন্দ্রে প্রার্থী প্রবেশের বিধি বাতিলের সিদ্ধান্ত অব্যাহত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত খসড়া আচরণবিধি নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে ডাকা হয়। এই সভা দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়। তবে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করতে ও মতামত জানাতে বেশি সুবিধা না পাওয়ার অভিযোগে শেষ মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল সভা প্রত্যাখ্যান করে চলে যান।
সভা অনুষ্ঠিত হয় সমাজবিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে। উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনির উদ্দিনের নেতৃত্বে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ কামাল উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা ও অন্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। সভায় প্রথমে আলোচনা করেন নির্বাচন কমিশনার আমির মুহাম্মদ নসরুলাহ, সেখানে উত্তপ্ত আলোচনা এবং প্রশ্নোত্তরপর্ব হয়। বেলা প্রায় ২টার দিকে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা পুরো সভা ছেড়ে চলে যান, তাঁদের অভিযোগ ছিল যে, শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করার যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হয় নি।
সভায় উপস্থিত ছাত্রশিবির, ছাত্রদল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ সহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, আচরণবিধি নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষার্থী নানা প্রশ্ন করেছেন, কিন্তু নির্বাচন কমিশন তেমন সুযোগ করে দেননি। এ কারণেই তাঁরা আলোচনা থেকে বাদ পড়ে চলে গেছেন। তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কেউ চাইলে লিখিতভাবে অভিযোগ বা মতামত জানাতে পারে, যা তারা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
সভা পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনির উদ্দিন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা আচরণবিধি, গঠনতন্ত্র, প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ, সুষ্ঠু নির্বাচন ও অন্যান্য বিষয়ে মতামত ও প্রশ্ন করেছেন। কিছু শিক্ষার্থী প্রশ্ন করার সুযোগ পাননি।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের এক শিক্ষার্থী মিজानুর রহমান প্রশ্ন করেন, স্বাধীনতার বিরোধী শক্তির উত্তরসূরিরা কি চাকার মধ্যে চাকসু নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না, কারণ এ বিষয়গুলো গঠনতন্ত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়টি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নির্বাচন কমিশনের বিবেচনায় থাকবে।
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) যুগ্ম-সদস্য সচিব আশরাফ চৌধুরী বলেন, প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ সহ মোট পাঁচজন শিক্ষার্থী আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কোন আলোচনা বা সিদ্ধান্ত না নিয়ে আচরণবিধি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, যা তাঁরা স্বাভাবিক মনে করেন না। এ সময় সঞ্চালক অধ্যাপক আরিফুল হক বলেন, এটি পূর্বনির্ধারিত সভা, পেছানোর সুযোগ নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি বিবেচনায় নেবে।
অর্থনীতি বিভাগের স্নাতকোত্তর ছাত্র হাসান আহমেদ প্রশ্ন করেন, প্রক্টর মোহাম্মদ তানভীর হায়দার বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেন কি না, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করছেন যে, প্রক্টর এই প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করছেন। তিনি প্রশ্ন করেন, কি তাঁদের দাবি বাস্তবায়ন হলে, প্রক্টরের পদত্যাগ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে?
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনির উদ্দিন এই প্রশ্নের জবাব দেন, বলেন, নির্বাচন পরিচালনা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব তাদের।
সভায় আরও বক্তব্য দেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাহিত্য সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব, তিনি বলেন, ডোপ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ হলে প্রার্থী প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে। আগে হলে ডোপ টেস্টের জন্য নমুনা নেওয়া হলেও, রক্ত পরীক্ষা সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন পেজে চরিত্রহনন, কুৎসা প্রচার ও অপপ্রচার চলছে, যা নির্বাচনের পরিবেশ নাজুক করে তুলছে। তারা চাইছেন, নির্বাচনের সময় সাইবার সেল গঠন করে এ বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে। এছাড়াও, সম্প্রতি ভিন্ন গ্রাম জোবরা গ্রামের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনাও সংঘটিত হয়েছে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে পারেনি বলে মত আদানপ্রদান হয়।
সভার সমাপ্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, শিক্ষার্থীদের মতামত ও প্রশ্নগুলো লিপিবদ্ধ হয়েছে। এ অনুযায়ী চূড়ান্ত আচরণবিধি তৈরি ও প্রকাশ করা হবে।
খসড়া আচরণবিধিতে মোট ১৭টি বিধি রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলের সময় কোনও প্রকার মিছিল বা শোভাযাত্রা করতে পারবে না। প্রার্থীরা পাঁচজনের বেশি সমর্থক নিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে পারেন না। একইভাবে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাদের পক্ষে মনোনয়নপত্র, প্রচারণা ও নির্বাচনী কার্যক্রমের জন্য কোনও যানবাহন বা রথযান ব্যবহার নিষিদ্ধ।
নির্বাচনী বিধির ১২ নম্বর বিধির খির ধারায় বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে প্রার্থী ও অন্য কেউ অনুমোদন ছাড়া প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে এক শিক্ষার্থী প্রশ্ন করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য ಜಿಲ್ಲায়ও এই বিধি চুরি দেখা যাচ্ছে। পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, এই প্রবেশের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই আলোচনা করে নেয়া হবে।
-

প্রবাসীরা আগামী নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়া 가능: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত প্রবাসী ভোটার ও জাতীয় পরিচয়পত্রধারী (এনআইডি) বাংলাদেশিরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। তিনি আরও জানান, এ জন্য ‘পোস্টাল ব্যালট বিডি’ নামে একটি অ্যাপ তৈরির কাজ চলমান রয়েছে যা এই ব্যবস্থাকে আরও সহজতর করবে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল টরন্তো আয়োজিত এক আলোচনা সভায়, যেখানে ‘স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণের কার্যক্রমের উদ্বোধন ও প্রবাসীদের ভোট প্রদানে উদ্বুদ্ধকরণ’ বিষয়টি ছিল মূল আলোচ্য, তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি প্রবাসীরা নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার ঢাকায় প্রকাশিত এক তথ্যবিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে।
সিইসি বাংলাদেশের নির্বাচনের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করেন। তিনি আরও বলেন, প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নিবন্ধন প্রক্রিয়া, ভোটার তালিকা ও আসন্ন নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে।
প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে কানাডা সফরে এসে তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার জন্য ধন্যবাদ জানান। তারা একইসঙ্গে এ ধরনের সভা আয়োজনের জন্য কনস্যুলেটের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
কনসুল জেনারেল মো. ফারুক হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন, যারা বিভিন্ন পেশার সদস্য— ব্যবসায়ী, ডাক্তার, প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা— এই আলোচনা ও প্রশ্নোত্তরে অংশ নেন।
এ সময় প্রবাসীরা তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন ও মতামত ব্যক্ত করেন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন। এই ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে ভোটের ব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
-

প্রকাশ্য নারী অপহরণের অভিযোগে জনপ্রিয় অভিনেত্রী লক্ষ্মী মেননের বিরুদ্ধে মামলা
সম্প্রতি ভারতের কোল্লাম জেলার এনার্কুলাম এলাকায় একটি বার থেকে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় নারীর অপহরণ ও লাঞ্ছনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় নারী প্রযুক্তিবিদ আলিয়া শাহ সলিম এনার্কুলাম থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম is জনপ্রিয় মালায়ালাম সিনেমার অভিনেত্রী লক্ষ্মী মেনন। অভিযোগ অনুযায়ী, এই ঘটনার মূল হোতা হিসেবে তিনি ছিলেন। সেইসঙ্গে তাঁর তিন বন্ধু ও অন্যান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার নেপথ্যে ছিল বার থেকে শুরু হওয়া একটি ঝগড়া। হাতাহাতির পরিণতিতে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী ও তার বন্ধুদের ওপর চড়াও হন এবং তাদের অপহরণের চেষ্টা করেন। ঘটনাটি রাত সাড়ে ১১টার দিকে এনার্কুলাম রেলওয়ে ওভারব্রিজের কাছাকাছি ঘটে। অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর গাড়ি থামিয়ে তাকে জোরপূর্বক বের করে আনে এবং মুখ বেঁধে মারধর করে।
পুলিশ চালানো তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে ঘটনার সময় ব্যবহৃত গাড়িটি শনাক্তের কাজ চলছে। তবে এখন পর্যন্ত অভিযুক্তদের মধ্যে লক্ষ্মী মেনন আত্মগোপনে রয়েছেন, তবে তার তিন সহকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, লক্ষ্মী মেনন ২০১১ সালে পরিচালক বিনয়নের ‘রাঘাবন্তে স্বত্তম রাজিয়া’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মালায়ালাম সিনেমায় আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর থেকে তিনি ‘সুন্দরপান্ডিয়ান’, ‘কুট্টি পুলি’, ‘জিগারথান্ডা’, ‘মিরূথান’ প্রভৃতি বলিউড ও মালয়ালাম সিনেমাতে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন।
-

আবাসিক হোটেল থেকে টিকটকার মাহিয়া মাহি গ্রেপ্তার
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেল থেকে আলোচিত টিকটকার মাহিয়া মাহিকে আটক করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ। ঘটনা ঘটে বুধবার রাতের দিকে, যখন নগরীর পোর্ট রোডের হোটেল রোদেলায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশ জানায়, নিয়মিত নিরাপত্তা অভিযান চলাকালে হোটেল রোদেলার এক কক্ষে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে থাকতে থাকা এক ব্যক্তির সাথে মাহিয়া মাহিকে দেখা যায়। এ সময় তাদের সহযোগিতা হিসেবে আরও একজন তরুণীকে আটক করা হয়। প্রাথমিকভাবে, মাহিয়া মাহি নিজের পরিচয় স্বামী-স্ত্রী হিসেবে দিলেও তিনি কোন বৈধ পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি। ফলে তদন্তের জন্য তাকে ও তার সঙ্গে থাকা দুই ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, ‘আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজন পুরুষ ও দুই তরুণী রয়েছে। স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেওয়া ব্যক্তির ব্যাপারে তদন্ত চালানো হচ্ছে।’ এই ব্যাপারে পুলিশ আরও বিস্তারিত খোঁজখবর নিচ্ছে।
-

সাবিনা ইয়াসমিনকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান
সাবিনা ইয়াসমিন, অত্যন্ত প্রতিপত্তিশালী এবং প্রিয় সংগীতশিল্পী, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা লাভ করেন। গত রোববার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটি ছিল এক সাংস্কৃতিক জাকজমকপূর্ণ সন্ধ্যা, যেখানে দেশের প্রখ্যাত শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তিনি সাবিনা ইয়াসমিনকে উত্তরীয় পরিয়ে ও ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আজকে যাকে আমি সম্মাননা দিচ্ছি, তিনি আমাদের গুণী ও কিংবদন্তি শিল্পী, দেশের জন্য গর্বের বিষয়।’
এ ছাড়া, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
প্রায় ছয় দশকের দীর্ঘ সংগীত ক্যারিয়ারে স্বীকৃতি ও সম্মাননা পেয়েও সাম্প্রতিক সময়ে অসুস্থতার কারণে মূল ধারার সংগীত থেকে কিছুটা দূরে ছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন। তবে এই দিন যেন তার জন্য ছিল এক ঐতিহাসিক পুনর্জন্মের দিন। তিনি নিজস্ব একক সংগীতানুষ্ঠানে তাঁর প্রিয় গানের সঙ্গে উপস্থিত দর্শকদের মন জয় করেন। অনুষ্ঠানটি ছিল এক আবেগপূর্ণ সন্ধ্যা, যেখানে তার জীবনের স্মৃতিচারণা ও গানের পরিবেশনা ভরে ওঠে।
এর পাশাপাশি প্রদর্শিত হয় সাবিনা ইয়াসমিনের জীবন ও সঙ্গীত জীবন নিয়ে নির্মিত ডকুমেন্টারি ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’। এটি শিল্পীর জীবনের সংগ্রাম, সফলতা ও দেশপ্রেমের গল্প তুলে ধরে দর্শকদের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলেছে। এই সন্ধ্যার আয়োজনটি সময়ের জন্য হয়ে উঠেছিল এক অনন্য স্মরণীয় ঘটনা।
-

বিশ্বের ১২ শতাধিক শিল্পীর ইসরায়েল বর্জনের ঘোষণা
সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী সরকার যখন এই সহিংসতায় নীরব সমর্থন জানাচ্ছে, তখন নিজেদের নিরপেক্ষ রাখার সুযোগ নেই। মানুষের অধিকার রক্ষা করতে হলে অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা দৃঢ় বার্তা পাঠিয়েছেন যে, সমাজে সত্য ও মানবাধিকারের পক্ষে তাঁদের প্রত্যক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি এখন আরও শক্তিশালী।
-

মাদককাণ্ডে এক বছর পরে মুখ খুললেন সাফা কবির
মাদককাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের তদন্তের এক বছর পর অবশেষে মুখ খুলেছেন জনপ্রিয় ছোটপর্দার অভিনেত্রী সাফা কবির। গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেফতার করা হয় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক ছাত্র, অরিন্দম রায় দীপকে। তার জিজ্ঞাসাবাদে প্রকাশ পায় দেশের কয়েকজন নামজাদা অভিনেত্রীর নাম, তাদের মধ্যে সাফা, টয়া, তিশা এবং সুনিধি থাকছেন।
প্রথম দিকে এই মাদককাণ্ডের ব্যাপারে ব্যাপক অনুসন্ধান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (নারকোটিক্স)। তখনই তানজিন তিশা ও টয়া এই বিষয়ে সরব হন। তবে এক বছর পরে অভিনেত্রী সাফা কবির গণমাধ্যমের সামনে আসছেন এবং তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন। তিনি বলেন, “ঘটনাটি যখন প্রকাশিত হয়, তখন আমার জন্য অনেক কঠিন সময় পার হয়েছিল। সেদিন খবর বের হলে আমি ছিলাম খুবই উদ্বিগ্ন। রোববার একটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি করার কথা ছিল, কিন্তু এই খবরের কারণে সেই চুক্তি বাতিল করে দিতে হয়। আমি তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম যে, আমি এই সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও সম্পৃক্ততা নেই, কিন্তু কিভাবে প্রমাণ করব তা বুঝতে পারছিলাম না।”
অভিনেত্রীর ভাষায়, “আমার কাছে নিজেকে প্রমাণের কিছু ছিল না, শুধু বলার মাধ্যমে বুঝিয়ে দিতে হতো। অনেক সিনিয়র শিল্পীও আমার সঙ্গে কাজ বাতিল করে দিয়েছিলেন। এই কারণে বেশ কিছু দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাকে নিয়ে ট্রোল ও আলোচনা চলছিল।” তিনি আরও বললেন, “তবে এই কঠিন সময়ে শোবিজের কয়েকজন বন্ধু আমাকে সমর্থন দিয়েছিলেন। তৌসিফ মাহবুব ও জোভান আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, সিয়ামও মানসিকভাবে পাশে ছিলেন। আমার এই বন্ধুদের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি বলি, মিডিয়ার মানুষজন সাধারণত সত্যি বন্ধু হয় না, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে আমি বাড়তি সৌভাগ্যবান, কারণ আমার সত্যিই ভালো বন্ধু আছে।”
এদিকে, তদন্তের ব্যাপারে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অরিন্দম রায় দীপের মোবাইলের কললিস্ট ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট পরীক্ষার মাধ্যমে বেশ কয়েকজন তারকার মাদক ব্যবসার যোগসূত্র উন্মোচিত হয়েছে। বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে তাদের কাছ থেকে মাদক অর্ডার দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা গেছে, দীপের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাফা, টয়া, তিশা ও সুনিধির ব্যক্তিগত নম্বর থেকে নিয়মিত মাদক আদান-প্রদান হতো। নম্বরগুলোর রেজিস্ট্রেশন নামও দেখা গেছে, যেখানে সাফা ও টয়ার নম্বর সিস্টেমে তাদের নিজের নামের সঙ্গে যুক্ত। তবে, তানজিন তিশার নম্বর মা উম্মে সালমার নামে রেজিস্ট্রেড।
নির্দেশকরা বলছেন, এই প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। যদিও এখনও এই বিষয়ে স্পষ্ট কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে প্রমাণপত্রের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
