Month: September 2025

  • বিশাল বিজয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু আফগানিস্তানের

    বিশাল বিজয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু আফগানিস্তানের

    ২০২৫ এশিয়া কাপের টি-টোয়েন্টি মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচে আফগানিস্তান দারুণ প্রচুর আভিজাত্য দেখিয়েছে। হংকংকে ৯৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে তারা টুর্নামেন্টের শুভ সূচনা করেছে। আবুধাবিতে প্রথমে ব্যাট করে আফগানিস্তান ৬ উইকেটে ১৮৮ রানের মারকুটে স্কোর তৈরি করে। জবাবে হংকং পুরো ২০ ওভার খেলেও মাত্র ৯৪ রানের বেশি করতে সক্ষম হয়নি। এতে তারা ২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়। চার ব্যাটারের মধ্যে দুজন রানআউটের কারণে খেলার ধারায় বাধা পড়ে। বাবর হায়াত এবং অধিনায়ক ইয়াসিম মোর্তজাই কিছুটা লড়াই করলেও বেশির ভাগ ব্যাটাররা দ্বিশতক ছুঁতে পারেননি। বল হাতে আফগানিস্তানের গুলবাদিন নাইব ৮ রান দিয়ে ২ উইকেট লাভ করেন, ফজলহক ফারুকি ১৬ রানে ২ উইকেট শিকার করেন। এর আগে, আফগান ব্যাটসম্যান সেদিকুল্লাহ অতল প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে খেলেছেন, শেষে ব্যাটিং ঝকমকিয়ে উঠেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। দুজনের ফিফটির ওপর ভর করে আফগানিস্তান ৬ উইকেটে ১৮৮ রানের দুর্দান্ত স্কোর সংগ্রহ করে। আবুধাবিতে টসে জিতে আফগানরা আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে অতলের ব্যাটে উন্নত সূচনা পাওয়া গেলেও এরপর টানা দুই ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে তারা কিছুটা চাপের মধ্যে পড়ে যায়। প্রথম ওভারে মেইডেন দেন হংকং পেসার। এরপর তৃতীয় ওভারে আয়ুশ শুক্লার প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তারপরই রহমানুল্লাহ গুরবাজ (৫ বলে ৮) আউট হন। পরের ওভারে আতিক ইকবাল উইকেট কিপার ক্যাচ নিয়ে ফিরে যান। এই ওভারেও মেইডেন যান হংকং। প্রথম ৬ ওভারে মাত্র ৪১ রান করে ২ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। পরে, তৃতীয় উইকেটে অতল ও মোহাম্মদ নবি ৫১ রানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ১০ ওভারে ৭৭ রান নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আফগানিস্তান বেশ কিছু সময় ধরে স্থির থাকলেও ১১তম ওভারে গুলবাদিন নাইব ২৬ বলে ৩৩ রান করে ফেরেন। দ্বিতীয় ওভারে কিনচিত শাহ ২৬ বলে ৩৩ রান করে নিয়েছেন। অতল ৪১ বলে ফিফটি পূরণ করেন এবং অপরাজিত থাকেন ৫৩ বলে ৭৩ রানে, যেখানে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ইনিংস সাজিয়েছেন। আজমতউল্লাহ ওমরজাই এক জায়গায় এসে ঝড় তুলেন এবং ২০ বলে ৫৩ রান করেন। এই দুর্দান্ত ইনিংসের মধ্যে চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কা ছিল। তার পর, তিনি ৫২ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন। হংকংয়ের কিনচিত শাহ ও আয়ুশ শুক্লা দুইজন করে উইকেট নেন।

  • বিশ্বকাপে সকল ম্যাচই নারী অফিসিয়াল, একা বাংলাদেশি জেসি উপস্থিত

    বিশ্বকাপে সকল ম্যাচই নারী অফিসিয়াল, একা বাংলাদেশি জেসি উপস্থিত

    ক্রিকেটে নারীর ক্ষমতায়নে এক ঐতিহাসিক দৃষ্টি আকর্ষণীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আইসিসি। নারী ক্রিকেটের জন্য এই প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নারী ম্যাচ অফিসিয়ালসদের একটি দল দায়িত্ব পালন করবে আন্তর্জাতিক আসরে। এর ফলে এই ঘটনাকে ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। চলমান নারী বিশ্বকাপে ম্যাচ অফিসিয়ালসদের তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে, সামনের বিশ্বকাপে নারীদের এই ভূমিকা আরও শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে জানানো হয়েছে।

    বিশ্বকাপের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে ১৪ জন আম্পায়ারের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো প্রতিনিধিত্ব করছেন সাথিরা জাকির জেসি। এ ছাড়া, ক্লেয়ার পোলসাক, জ্যাকুলিন উইলিয়ামস এবং সু রেডফার্ন এই ত্রয়ীর তৃতীয়বারের মতো দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে, লরেন এগেনব্যাগ ও কিম কটন তাদের দ্বিতীয় নারী বিশ্বকাপে আম্পায়ার হিসেবে কাজ করবেন। এই দুই নারী আম্পায়ার ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম শিরোপা জয়ের সময় দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    ম্যাচ রেফারি দলের মধ্যে রয়েছে ট্রুডি অ্যান্ডারসন, শান্দ্রে ফ্রিটজ, জি.এস. লক্ষ্মী ও মিশেল পেরেইরা। তারা ভারতের শীর্ষস্থানীয় নারী ক্রিকেটের এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন।

    আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ এই ঐতিহাসিক ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, নারীদের জন্য এই পূর্ণাঙ্গ অফিসিয়াল প্যানেল একটি নতুন দিগন্তের সূচনা। এটি লিঙ্গ সমতা অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যতে নারী ক্রিকেটের উন্নয়নে সাহস জোগাবে। তিনি বলেন, ‘এটি একটি মাইলফলকের মুহূর্ত, যা ক্রিকেটের বিভিন্ন ক্ষেত্রেই আরও অনেক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। নারী ম্যাচ অফিসিয়ালসদের অন্তর্ভুক্তি আইসিসির লিঙ্গ সমতা ও সমান সুযোগের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।’

    প্রতিবেদনে জানা গেছে, এই তালিকায় রয়েছে নারায়ণ জননী, নিমালি পেরেরা, গায়ত্রী ভেনুগোপালান ও নারায়ণ জননীসহ আরও বেশ কয়েকজন প্রখ্যাত মহিলা আম্পায়ার। বাংলাদেশ থেকে একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে আছেন সাথিরা জাকির জেসি, যিনি এই ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্রিকেট বিশ্বে নারীর অবস্থান আরও দৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ৭ উইকেটের জয় নিয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশ

    ৭ উইকেটের জয় নিয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশ

    হংকংয়ের বিপক্ষে একমাত্র প্রতিপক্ষের সাথে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দল বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেছে। এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের সংগ্রামরত শত্রু হংকংয়ের বিরুদ্ধে মাঠে শক্তিশালী উপস্থিতি দেখিয়েছে। আবুধাবির আবু জায়েদ স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় যেখানে হংকংয়ের দেয়া ১৪৪ রানের লক্ষ্য সহজেই অর্জন করে টাইগাররা।

    ম্যাচের শুরুতেই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন উড়ন্ত ইনিংস শুরু করেছিলেন। তবে কিছুক্ষণ পরই তিনি ১৪ বলে ১৯ রান করে আয়ুশ শুকলার বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর তানজিদ তামিমের সাথে লিটন দাস দলের পরিস্থিতি সামাল দেন। তামিমের বিদায়ের পরে তানজিদ ১৪ রান করার পরে ফিরে যান, তবে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় দলের জন্য পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে থাকেন।

    দলের ৫০ রানের জুটি গড়ে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন অধিনায়ক লিটন দাস, যার জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ১৪ রান। হৃদয় দলের জয় নিশ্চিত করতে সহায়তা করেন এবং অবসান ঘটান ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ টস জিতে আগে বল করতে চয়ন করে, যেখানে হংকংয়ের দল নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান তোলে। তাদের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন নিজাকাত খান, ৪২ রান। বাংলাদেশের জন্য সেরা বোলার ছিলেন তানজিম সাকিব, যিনি ২ উইকেট নেন।

    তাসকিন আহমেদ তার প্রথম ওভারেই প্রতিপক্ষে ব্যাটসম্যান অংশুমান রাথকে ক্যাচ ধরিয়ে ফেরান। এরপর তিনি আরও দু’টি উইকেট লাভ করেন, যার মধ্যে বাবর হায়াত ও জিসান আলীর গুরুত্বপূর্ণ উইকেট রয়েছে। তানজিম সাকিব আরও দুটি উইকেট নেন, একেবারে শেষ ওভারে আইজাজ খানকে আউট করেন।

    পরবর্তী ম্যাচে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার সাথে মুখোমুখি হবে, যা আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। এই জয় দিয়ে বাংলাদেশি দল এশিয়া কাপের শুভ সূচনা করেছে, সতেজ আত্মবিশ্বাসের সাথে পরবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুত হচ্ছে।

  • বাংলাদেশের সামনে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর সুযোগ, সুপার ফোরে যেতে পারবে কি?

    বাংলাদেশের সামনে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর সুযোগ, সুপার ফোরে যেতে পারবে কি?

    সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটে এশিয়ার এক রাইভালরি হিসেবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার লড়াই আরও উত্তেজনাময় হয়ে উঠেছে। এশিয়া কাপে একই গ্রুপে থাকায় এই দুটি দলের মধ্যে ম্যাচের প্রত্যাশা করছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। হংকংয়ের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করে টাইগাররা এখন পরের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান ও ক্রিকেট বিশ্লেষক ওয়াসিম জাফর মনে করেন, শ্রীলঙ্কাকে হারাতে পারলেই বাংলাদেশ সুপার ফোরের পথে এগিয়ে যাবে।

    অতীতে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচগুলি ছিল উত্তেজনাময় পরিস্থিতি তৈরি করে। বিশেষত ২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফির পর থেকে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। ২০২৩ সালে আচমকাই হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন, যখন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের টাইমড আউটের ঘটনা ঘি ঢেলে দেয়। এশিয়া কাপের সুপার ফোরে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার জয় খুবই জরুরি।

    বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে সহজেই হংকংকে হারিয়েছে। পরবর্তীতে তাদের মুখোমুখি হবে আফগানিস্তানের সঙ্গে। এর অর্থ, শ্রীলংকার বিপক্ষে জয়টি দলের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ইতিমধ্যেই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের জন্য একটু দেরিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসেছে, এর আগে জিম্বাবুয়েতে সিরিজও খেলেছে তারা।

    শ্রীলঙ্কার প্রথম ম্যাচ হতে যাচ্ছে ১৩ সেপ্টেম্বর, যেখানে প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। অন্যদিকে, বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ হবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশকে এক ধরণের সুবিধা দিচ্ছে বলে মনে করেন ওয়াসিম জাফর। তিনি বলেন, ‘আমার ধারণা, এই সূচি বাংলাদেশকে অনেকখানি সুবিধা দিয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই এক জয় পেয়েছে এবং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারেও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তাই এই ম্যাচটি শ্রীলঙ্কার চেয়ে বাংলাদেশের জন্য অনেক সহজ।’

    তবে, কন্ডিশনের সুবিধা হলেও তরুণ লিটন দাসদের জন্য যেখানে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অপার পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যানও গুরুত্বপূর্ণ। তবুও জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর সেই চেহারা খানিকটা বদলে গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশ সুপার ফোরে যেতে পারে যদি তারা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভালো করার সুযোগ নিতে পারে।

    উল্লেখ্য, ওয়াসিম জাফর মনে করেন, ‘বাংলাদেশকে কখনই আপনি সুপার ফোরের হিসেবের বাইরে রাখতে পারবেন না। তারা ইতিমধ্যে কন্ডিশন জানে, এক ম্যাচ খেলেছে। শ্রীলঙ্কা প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে। যদি বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে এই ম্যাচে হারিয়ে দেয়, তাহলে তারা স্বয়ং সুপার ফোরের প্রবেশের পথ খুলে যাবে।’

  • পাকিস্তানের দাপুটে বোলিংয়ে ওমানের উড়ন্ত পারফরম্যান্স শেষ

    পাকিস্তানের দাপুটে বোলিংয়ে ওমানের উড়ন্ত পারফরম্যান্স শেষ

    এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান শক্তির ঝাঁঝ দেখিয়েছে। ব্যাটিং আর বোলিংয়ে দারুণ পারফরম্যান্স করে ওমানের প্রতিরোধভঙ্গ করে তারা ৯৩ রানের বড় ব্যবধানে জয় লাভ করে। সালমান আগার দল শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠে।

    পাকিস্তান প্রথমে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা করে। ওপেনার সাইম আইয়ুব দ্রুত আউট হয়ে গেলে কিছুটা শঙ্কায় পড়ে দল। তবে সাহিবজাদা ফারহান ও মোহাম্মদ হারিসের মধ্যে ৮৫ রানের উল্লেখযোগ্য জুটি গড়ে ওঠে। হারিস ছিলেন আক্রমণাত্মক, ৬৬ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে দলের অর্ধেক স্কোরে পৌঁছে দেন। ফারহান আরও ২৯ রান যোগ করেন।

    একপর্যায়ে পাকিস্তানের স্কোরে ধস নামে। অর্ধেক দলের মধ্যে ১20 রানে তাদের ছয় উইকেট পড়ে যায়। তবে শেষ মুহূর্তে ফখর জামান ২৩ রানের আর মোহাম্মদ নেহাজের ১০ বলে ১৯ রানের ক্যামিও ইনিংস পাকিস্তানকে ১৬০ রান ডাকে, যেখানে ২০ ওভারে তারা ৭ উইকেটে পৌঁছে।

    অন্য দিকে ওমানের হয়ে শাহ ফয়সাল ও আমির কলিম তিনটি করে উইকেট নেন, তবে পাকিস্তানের ধারাবাহিক বোলিং আক্রমণে তুলে নেন তাদের বিরাট ক্ষতি। ব্যাটসম্যানদের কঠোর দাপটে ওমানের ইনিংস শেষ হয় মাত্র ৬৭ রানে গুটিয়ে। সাইম, মুকিম ও ফাহিম দুটি করে উইকেট নেন, আর শাহীন শাহ আফ্রিদি, আবরার আহমেদ ও নেওয়াজের ঝুলিতে যায় একেকটি উইকেট।

    সর্বশেষ, পাকিস্তানের এই উজ্জ্বল জয় এশিয়া কাপের প্রথম দিনেই দর্শকদের মন মাতিয়ে সর্বত্র প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাদের এই শক্তিশালী পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য উৎসাহ যোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • কাতারের থেকে মুসলিম ঐক্যের ডাক, পাকিস্তানের পূর্ণ সমর্থন

    কাতারের থেকে মুসলিম ঐক্যের ডাক, পাকিস্তানের পূর্ণ সমর্থন

    ফিলিস্তিনসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের মাঝে ঐক্যের ডাক দিয়েছে কাতার। এই আহ্বানে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তান, যা অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। পাশাপাশি, পাকিস্তান বিশ্ব পরিবেশে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের কড়া সমালোচনা করেছে এবং সব দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য হুঁশিয়ারি জারি করেছে।

    শুক্রবার এক প্রতিবেদনে আরব নিউজ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমদ বলেন, হামাসের সঙ্গে আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীদের উদ্দেশ্যে কাতার যে ইসরায়েলি হামলার সম্মুখীন হয়েছে, তা শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে বড় এক প্রতিবন্ধকতা। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এই ধরনের হামলা শান্তি প্রচেষ্টায় বিঘ্ন তৈরি করছে এবং ভেতরকার নিরাপত্তা হুমকিতে পরিণত হচ্ছে।

    আসিম ইফতিখার আরও বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের অঙ্গীকারের প্রতি সম্মান জানিয়ে সমস্ত পক্ষের উচিত শান্তি ও সংলাপের মাধ্যমে মতানৈক্য সমাধান করা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পাকিস্তান এই অবৈধ ও উসকানিমূলক ইসরায়েলি আগ্রাসনের কঠোর নিন্দা জানাচ্ছে, যা সার্বভৌম কাতারের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত।

    প্রতিনিধি উল্লেখ করেন, ইসরায়েলি হামলা একটি সাধারণ আবাসিক এলাকায় চালানো হয়েছে, যা অসংখ্য নিরপরাধ নাগরিকের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। এ ধরণের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং অঞ্চলটির শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ধ্বংসের জন্য নেপথ্যে কাজ করছে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে আঞ্চলিক সমাধান অসম্ভব হয়ে পড়ছে, তা স্পষ্ট।

    এ সময় পাকিস্তান কাতারের সরকার ও জনগণের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করে, তাদের সার্বভৌমত্ব ও নাগরিকদের নিরাপত্তা রক্ষায় যে কোনও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার ও আন্তর্জাতিক সম্মতিগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে।

    আসিম ইফতিখার সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েলের এই দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লংঘন, যা এই অঞ্চলে অস্থিরতা বাড়াচ্ছে। গাজায় নির্মম সামরিক অভিযান, সিরিয়া, লেবানন, ইরান ও ইয়েমেনে বারবার সীমান্ত অতিক্রম করে হামলা— এই সবই জাতিসংঘের সংজ্ঞায় উল্লেখিত নিয়মে লঙ্ঘন।

    তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রস্তাব নম্বর ৩৩১৪ অনুযায়ী, এই ধরনের আগ্রাসন ভয়াবহ দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে, আইনি শাসনকে দুর্বল করছে এবং দায়মুক্তির সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক।

    এর আগে, দোহার রাষ্ট্রপতি শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানির সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এই বৈঠকে এই অঞ্চলে ইসরায়েলি আক্রমণের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিকার ও মুসলিম সম্প্রদায়ের বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীও কাতারকে পুরোপুরি সমর্থন ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন, এবং প্রয়োজন হলে সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ব্যক্ত করেন।

    অন্যদিকে, দোহায় এক যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলি বিমান হামনার কঠোর নিন্দা জানানো হলেও, সরাসরি এই হামলার নাম উল্লেখ না করায় পাকিস্তান উদ্বেগ প্রকাশ করে। পাকিস্তানের প্রতিনিধি বলেন, এই ধরণের কার্যকলাপ আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য এক বিপজ্জনক সংকেত, এর মাধ্যমে সার্বিক অস্থিতিশীলতা বাড়ছে এবং জাতিসংঘের দুর্বল প্রতিক্রিয়া উসকে দিচ্ছে।

  • ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট বলসোনারোর ২৭ বছরের কারাদণ্ড

    ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট বলসোনারোর ২৭ বছরের কারাদণ্ড

    অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোকে আদালত ২৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এই রায়ের মধ্যে তিনি সহ সাবেক মন্ত্রী ও সামরিক প্রধানসহ আরও সাতজন ব্যক্তিও দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করে, যেখানে পাঁচ বিচারপতি মধ্যে চারজন এই সিদ্ধান্তে সম্মত হন, তবে একজন তাঁকে খালাসের পক্ষে মতামত দেন।

    ২০২২ সালে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ষড়যন্ত্রসহ পাঁচটি অভিযোগে বলসোনারোকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। এই সিদ্ধান্তের ফলে বলা হচ্ছে, ৭০ বছর বয়সী বলসোনারোকে বাকি জীবন কারাগারে কাটাতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এদিকে, বলসোনারোর সঙ্গে অন্য সাবেক মন্ত্রী ও সামরিক প্রধানেরাও এ মামলার দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তবে নিজের দোষ স্বীকার না করেই বলসোনারো দাবি করেছেন, তিনি রাজনৈতিক দমন-পীড়নের শিকার।

    জাইর বলসোনারো ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, যা লাতিন আমেরিকার বৃহত্তম দেশের শাসনক্ষমতা।

  • নেপালের সংসদ ভেঙে দেওয়া হলো, নির্বাচন আগামী মার্চের মধ্যে

    নেপালের সংসদ ভেঙে দেওয়া হলো, নির্বাচন আগামী মার্চের মধ্যে

    নেপালের রাজনৈতিক প্রবাহিত ঘটনায় বড় পরিবর্তন ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর, নতুন অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান সুশীলা কার্কির সুপারিশে প্রেসিডেন্ট সংসদ ভেঙে দিয়েছেন। আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের প্রেস উপদেষ্টা কিরণ পোখরেল বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছেন, গত শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে সংসদ ভাঙার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন নির্বাচনের নির্ধারিত তারিখ হলো ৫ মার্চ, ২০২৬।

    সুশীলা কার্কি, দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হিসেবে, শপথ গ্রহণ করেন গত রাতে। এর আগে, তিনি ন্যায়বিচারের জন্য কঠোর সংগ্রাম করেছিলেন ও দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় গড়ে উঠেছেন। নতুন এই সরকার গঠিত হয়েছে একটি ছোট মন্ত্রিসভার মাধ্যমে, যার মেয়াদ থাকবে ছয় মাস। এই সময়ের মধ্যে তারা নতুন নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন।

    শপথ নেওয়ার পরে, তিনি একজন ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়েছেন, কারণ তিনি নেপালের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। এর আগে, দেশটির পরিস্থিতি ছিল অস্থিতিশীল। সীমাহীন দুর্নীতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের প্রতিবাদে চলমান আন্দোলন ও এর জেরে সৃষ্ট অস্থিরতা নানা রকম চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল। গত সপ্তাহে এ আন্দোলন আরও জোরালো হলে একে কেন্দ্র করে এক তরুণ বিক্ষোভের দিকে আগাতে দেখা গেছে, যার মাঝে গুলি চালিয়ে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী নিহত হন। এর প্রতিবাদে, গত মঙ্গলবার কেপি শর্মা অলি প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করেন ও গা ঢাকা দেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে অনেক মন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতা আক্রান্ত হন।

    সুশীলার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সময় ছিল ২০১৬ থেকে ২০১৭ সাল, যখন তিনি নেপালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হিসেবে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন। তার বিচারপতিকালীন সময়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন, যা গ্রামীণ জনগণের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়েছে।

    পূর্বের একটি সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে, ভারত তাঁর জন্য অনেক সহায়তা করেছে। তিনি ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। এই পুরো ঘটনাবলির মধ্য দিয়ে, নেপাল নতুন দিশা খুঁজে বের করার প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • ইসরায়েলি সাবেক সেনা প্রধানের দাবি, গাজার ১০ শতাংশ মানুষ আহত বা নিহত

    ইসরায়েলি সাবেক সেনা প্রধানের দাবি, গাজার ১০ শতাংশ মানুষ আহত বা নিহত

    আগ্রাসী ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যাকা। ইসরায়েলি সাবেক সেনাপ্রধান হের্জি হালেভি স্বীকার করেছেন, গাজার মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ—প্রায় দুই লাখের বেশি মানুষ এই হামলার ফলে আহত বা নিহত হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে মহামারীতে আক্রান্ত রাজ্যটির পরিস্থিতি তুলে ধরে।

    ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়, যা চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত চলতে থাকে। তখন প্রধান সেনাপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন হালেভি। তবে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে দ_Mskন্দ শুরু হলে তিনি মার্চে পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে তিনি অবসর নিয়ে বিভিন্ন আলোচনায় নিজের মতামত প্রকাশ করছেন।

    গত সপ্তাহে দক্ষিণ ইসরায়েলে এক কমিউনিটি মিটিংয়ে হালেভি বলেন, গাজার প্রায় ২২ লাখ মানুষের মধ্যে কমপক্ষে ১০ শতাংশ—অর্থাৎ প্রায় দুই লাখ মানুষ—হতাহত হয়েছে বা নিহত হয়েছে। এই তথ্যের প্রত্যক্ষ প্রমাণ পেয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান, যা গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত হিসাবের সঙ্গে অতীতের তথ্যের সঙ্গে খুবই সঙ্গতিপূর্ণ।

    অথচ, দখলদার ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই সংখ্যা অস্বীকার করে আসছে, বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এই হিসাবের সত্যতা স্বীকার করেছে। এরপরও, গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৭১৮ জন। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৫৯ জন।

    ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়ে থাকায়, মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে বিভিন্ন সংস্থা। গতকাল শুক্রবারও ইসরায়েলি সেনারা গাজায় আরও ৪০ জনকে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহতদের তালিকা প্রকাশ করলেও, জঙ্গি ও সাধারণ নাগরিকদের আলাদা করে বিবরণ দেয় না। তবে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ফাঁস হওয়া গোয়েন্দা তথ্য অনুসারে, নিহতদের প্রায় ৮০ শতাংশই সাধারণ মানুষ। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির ইয়ত্তা বলতে উপকরণ ও টেকসই সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সুদূরপ্রসারী ভাবনা ও উদ্যোগের প্রয়োজন অনুভূত হয়েছে।

  • নেপালের মতো এবার পশ্চিমবঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের ডাক

    নেপালের মতো এবার পশ্চিমবঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের ডাক

    নেপালের সঙ্গে তুলনা এনে পশ্চিমবঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের আহ্বান জানিয়েছেন বিজেপির সাবেক সংসদ সদস্য অর্জুন সিং। এই খবরটি শুক্রবার ভারতের দৈনিক দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে নেপালে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশকে অচল করে দিয়েছে, যেখানে কিছুদিন আগে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভে মন্ত্রী-এমপির বাসভবন ও সরকারি ভবনগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন, সরকারের বেশিরভাগ মন্ত্রী either দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন বা গোপনে রয়েছেন। একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। সেখানে বর্তমান বিক্ষোভের মাধ্যমে জনজনের অধিকার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার ডাক দিয়েছেন অর্জুন সিং। তিনি বলেছেন, নেপালের যুবসমাজ দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে অভূতপূর্ব সাহস দেখিয়েছে, সেই দৃঢ়তা তাদেরকে বাংলার তরুণরাও দেখানো উচিত। তার এই বক্তব্য ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। অনেকের অভিযোগ, অর্জুন সিং উসকানিমূলক কথা বলে রাজ্যে হিংসা ছড়াতে চাইছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন। এ ব্যাপারে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখされています।