Month: September 2025

  • প্রবীণ লোকসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

    প্রবীণ লোকসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

    বিনম্র শোকের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে, বাংলাদেশের বরেণ্য লোকসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ১৫ মিনিটে তিনি সমস্ত জীবনজুড়ে সম্ভাবনাময় মানুষ ছিলেন, শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি চার সন্তান ও বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

    তার মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে ইমাম জাফর নোমানী, যিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবরটি শেয়ার করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আম্মা (ফরিদা পারভীন) আজ (শনিবার) রাত ১০টা ১৫ মিনিটে ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার সব ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।’

    ফরিদা পারভীন দীর্ঘ দিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে সপ্তাহে দু’বার ডায়ালাইসিস করতে হতো। ২ সেপ্টেম্বর তিনি মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়মিত ডায়ালাইসিসের জন্য ভর্তি হন। এরপর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে, যার ফলে চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে আইসিইউতে রাখেন।

    বুধবার তার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠলে লাইফ সাপোর্ট বা ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়। অবশেষে সেখানে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    ফরিদা পারভীন বাংলাদেশের লোকসংগীতের অমলিন ঐতিহ্যের একজন অমূল্য রত্ন। তার প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও অনন্য গানের গুণাবলী চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক জগতে এক অনাকাঙ্ক্ষিত অপূরণীয় ক্ষতি বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

  • সংগীতশিল্পী দীপের মৃত্যু সংবাদ

    সংগীতশিল্পী দীপের মৃত্যু সংবাদ

    র‍াস্টফ ব্যান্ডের অসাধারণ ভোকালিস্ট আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে তিনি ডিয়েপি নামে পরিচিত ছিলেন। দীপের মৃত্যুর কারণ এখনো জানা যায়নি।

    ব্যান্ড র‍াস্টফ একটি শোকবার্তায় জানিয়েছে, এই দুঃখদায়ক মুহূর্তে সঠিক শব্দ খুঁজে পাওয়া কঠিন। প্রিয় ভোকালিস্ট, বন্ধু এবং সহযাত্রী আহরার মাসুদ “দীপ” মারা যাওয়ার সংবাদ আমাদের বেশ স্তম্ভিত করেছে। আমরা শোকের গভীরে ডুবে আছি, এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না যে তিনি আমাদের আর সাথে থাকছেন না। তিনি গত রাতেই আমাদের থেকে হারিয়ে গেলেন।

    ব্যান্ডটি আরও উল্লেখ করেছে, ‘তার পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা ও প্রার্থনা। আমরা সবাই এই অপূরণীয় ক্ষতি বোঝার চেষ্টা করছি এবং দীপের অসাধারণ প্রতিভাকে সম্মান জানাতে সচেষ্ট। তবে তার চেয়েও বড় কথা, তিনি মানুষ হিসেবে আমাদের কাছে অমূল্য ছিলেন, সেটি স্মরণে রাখার চেষ্টা করছি।’

    সবশেষে তারা অনুরোধ জানিয়েছেন, ‘এই কঠিন সময়ে সকলের প্রতি আহ্বান, দয়া করে পরিবারের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করুন এবং দীপের আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করুন। শান্তিতে ঘুমাও, দীপ। তোমার শূন্যতা চিরকাল আমাদের মনে দাগ কেটে থাকবে।’

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ‘ডি রকস্টার’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সংগীতজগতে পরিচিতি লাভ করেন দীপ। তখন তিনি ‘এক্লিপস’ ব্যান্ডের ভোকালিস্ট হিসেবে কাজ করতেন। তাদের জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘সুদূর কল্পনা’, ‘আহ্বান’, ‘পৃথিবীর প্রহর’, যা তরুণ প্রজন্মের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

    এর পরের সময়ে তিনি ‘ক্রাল’, ‘কেলিপসো’, ও ‘র‍াস্টফ’ ব্যান্ডের ফ্রন্টম্যান হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। সর্বশেষ তিনি র‍াস্টফ ব্যান্ডের ভোকালিস্ট হিসেবে থাকতেন। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যান্ডের যেমন ‘মেটালিকা’, ‘সিস্টেম অব আ ডাউন’, ‘প্যান্টেরা’, ‘এলিস ইন চেইনস’ এর গান কভার করে তিনি রক সংগীতপ্রেমীদের মনে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। তাঁর মৃত্যুর সংবাদ দেশ-বিদেশের সংগীতপ্রেমীদের শোক থামিয়ে দিয়েছে।

  • ইলিয়াস কাঞ্চনের ছবির নায়িকা বনশ্রী আর নেই

    ইলিয়াস কাঞ্চনের ছবির নায়িকা বনশ্রী আর নেই

    বিনোদন অঙ্গনে আবারও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাহিনা শিকদার বনশ্রী সোমবার ভোর ৫টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। এই দুঃখজনক খবরটি তার পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

    পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় শিকদারকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বনশ্রী। তার মৃত্যু হয় শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে।

    তিনি ১৯৭৪ সালের ২৩ আগস্ট ওই উপজেলার মাদবরের চর ইউনিয়নের শিকদারকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৪ সালে ‘সোহরাব-রুস্তুম’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি সিনেমায় পা রাখেন। এই ছবিতে তাঁর সহশিল্পী ছিলেন ঢালিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন, যার সঙ্গে তিনি প্রথম জুটি বাঁধেন।

    অভিনয় জীবনের শুরুতেই ইলিয়াস কাঞ্চনের বিপরীতে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের নজরে আসেন। ওই সিনেমা থেকে তিনি জনপ্রিয়তা পান, যা আগামীতেও আরও বেশ কিছু সিনেমায় কাজের জন্য পথ প্রশস্ত করে। বনশ্রী ছিলেন একাধিক জনপ্রিয় অভিনেতার সঙ্গে জুটি বেঁধে কাজ করেছেন, যেমন মান্না, আমিন খান, রুবেল প্রমুখ।

    নব্বইয়ের দশকে তার অভিনীত ‘সোহরাব-রুস্তম’, ‘মহা ভূমিকম্প’সহ বেশ কিছু আলোচিত সিনেমা দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়। এই সময় তিনি সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় একটি ঘরে আশ্রয় পান, যেখানে ফিরে যান নিজ এলাকা মাদারীপুরের শিবচরে। সেখানে ছেলেকে নিয়ে থাকতেন, যার নাম মেহেদী হাসান রোমিও।

    বনশ্রী এর আগে দর্শকপ্রিয় সিনেমার জন্য বিশেষ পরিচিত ছিলেন এবং তার মর্মান্তিক মৃত্যু চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য এক গভীর শোকের বিষয়।

  • বলিউডের সোনু সুদের বিরুদ্ধে জুয়া-কাণ্ডে অভিযোগ, ইডির তলব

    বলিউডের সোনু সুদের বিরুদ্ধে জুয়া-কাণ্ডে অভিযোগ, ইডির তলব

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা এবং মানবতার মানুষের জন্য কাজ করে পরিচিত সোনু সুদ। তিনি সব সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে থাকেন। কিন্তু সম্প্রতি তার নামে এক নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে, যেখানে অভিযোগ উঠেছে তিনি অনলাইন জুয়া অ্যাপের সঙ্গে জড়িত থাকার। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (ইডি) তাকে সাময়িকভাবে তলব করেছে।

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই জুয়া অ্যাপ সংস্থার সঙ্গে সোনু সুদের কী ধরনের চুক্তি হয়েছিল, শর্তাবলী কী ছিল, কত টাকা বিনিয়োগ বা পারিশ্রমিক নেওয়া হয়েছে, এবং তার সঙ্গে অন্যান্য তারকাদের সম্পর্ক কত দীর্ঘ। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের এই দপ্তর এই সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের জন্য অভিনেতার কাছ থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

    প্রসঙ্গত, গত বছর থেকে অনলাইন জুয়া ও বাজির অ্যাপের প্রচার ও ব্যবহার নিয়ে বহু বলিউড এবং দক্ষিণী সিনেমার তারকার পাশাপাশি কিছু ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়। এর মধ্যে রয়েছেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা, রানা দাগ্গুবাত্তी, প্রকাশ রাজ সহ আরও অনেকেই। অন্যদিকে, জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়রা—হরভজন সিং, উর্বশী রাওতেলা, সুরেশ রায়না—ও এই বিষয়ে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

    বিশেষ করে, গত জুন মাসে সুরেশ রায়না, হরভজন সিং প্রমুখ তারকারা এই বিষয়ে তাদের বিবৃতি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটে (ইডি) প্রদান করেন। তদন্তের অংশ হিসেবে, এই অনলাইন জুয়া অ্যাপের প্রচার ও ব্যবহার নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার তারকাদের মধ্যে সোনু সুদকে ডাক দেওয়া হয়েছে, যেখানে তাকে ২৪ সেপ্টেম্বর হাজিরা দিতে হবে।

    অন্যদিকে, এর আগে টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী ইডির ডাকে সাড়া দিয়ে হাজিরা দিয়েছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলে, যেখানে তিনি সব প্রশ্নের উত্তর দেন। ইডি এই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হয় এবং তদন্তের অগ্রগতি অব্যাহত রাখে।

  • অভিনয় ছেড়ে ধর্মের পথে তামিম মৃধার রিজিক নিয়ে মন্তব্য

    অভিনয় ছেড়ে ধর্মের পথে তামিম মৃধার রিজিক নিয়ে মন্তব্য

    বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন তামিম মৃধা। তিনি ছিলেন একজন ইউটিউবার ও গায়ক, এবং বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন এই অঙ্গনে। তবে বেশ কিছু বছর ধরেই তিনি শোবিজ থেকে দূরে সরে এসে পুরোপুরি ধর্মের পথে হাঁটছেন। তার বাহ্যিক রূপেও গভীর পরিবর্তন এসেছে, এখন তিনি রাখছেন দাঁড়ি ও ইসলামিক কর্মকাণ্ডে নিয়মিত যুক্ত হচ্ছেন। তার মুখের ভাষা ও জীবনধারায় পরিবর্তন দেখে অনেকেই বুঝতে পারছেন যে তিনি জীবনধারায় এক নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। তিনি স্লোগান দিয়ে থাকেন ধর্মীয় বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা করেন এবং রোজকার জীবনে ধর্মের দিক থেকে মনোযোগী হয়ে উঠছেন। সম্প্রতি সিনেমা ও টেলিভিশন থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বেশ কিছু ভক্ত ও অনুরাগীর মধ্যে এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—তাদের জানার আগ্রহ রয়েছে, তার রিজিকের অবস্থা কেমন। গুঞ্জন ও প্রশ্নের জবাবে তিনি এবার স্পষ্ট করে উত্তর দিলেন।

    সম্প্রতি ওমরাহ পালনের জন্য তিনি Saudi Arabia পৌঁছেছেন। সেখান থেকে তিনি তার ফেসবুক প্রোফিলে এক ছবি শেয়ার করেন, যেখানে তিনি ওমরাহরত অবস্থায় রয়েছেন। পোস্টে তিনি রিজিকের বিষয়ে বলেন, ‘অনেকেই জিজ্ঞেস করে, এখন আমার রিজিকের অবস্থা কি। তবে আমি ভাবি, রিজিক বলতে আসলে কি বোঝায়?’ তিনি লিখেন, ‘আমি যখন ভাবি, ঘুমাই, কথা বলি, হাঁটি-ফিরি, শান্তি অনুভব করি বা সন্তুষ্ট থাকি, এই সবই আমার রিজিক। এগুলো যদি আমার জীবনে থাকে, তাহলে তবেই আমি সত্যিকারে ধন্য।’

    তামিম বলেন, ‘এই সব রিজিক নিয়েই আমি নিজেকে ধৈর্য্য ধরে আল্লাহর কাছাকাছি রাখতে পারি, যা আমার জন্য বড় প্রাপ্তি। আলহামদুলিল্লাহ।’ তিনি আশীর্বাদ করেন, ‘আসুন, আমরা সবাই প্রার্থনা করি, আল্লাহ যেন আমাদের প্রত্যেককে অন্তত একবার এই পবিত্র স্থান পর্যবেক্ষণের সৌভাগ্য দেন। আমিন।’ এই বার্তায় তিনি নিজের ধর্মীয় জীবন ও দোয়ার মাধ্যমে সকলের জন্য কল্যাণের কামনা ব্যক্ত করেছেন।

  • আফগানদের হারিয়ে সুপার ফোরের আশা বজায় রাখলো বাংলাদেশ

    আফগানদের হারিয়ে সুপার ফোরের আশা বজায় রাখলো বাংলাদেশ

    তানজিদ হাসানের দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরির জোরে প্রথম ১০ ওভারে বাংলাদেশ ৮৭ রান তুলেছিলো, তবে এরপর ব্যাটিংয়ে তারা ঠিকঠাক করার রাখতে পারেনি। এই কারণে ভালো শুরু পাবার পরও ১৫৪ রানে আউট হতে পারেনি বাংলাদশের ব্যাটসম্যানরা। লক্ষ্য অনুযায়ী দ্রুত রান সংগ্রহের চেষ্টায় আফগানরা নিয়মিত উইকেট হারাতে শুরু করে। নাসুম আহমেদ ও রিশাদের দুর্দান্ত স্পিনে তাদের ১৪৬ রানে আটকে দেয় বাংলাদেশ। এর ফলে, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৮ রানে জেতা বাংলাদেশ সুপার ফোরে খেলার স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয় লিটন-তাসকিন আহমেদের দল।

    আফগানিস্তান শুরুতেই নাজুক পরিস্থিতিতে পড়ে। ইনিংসের প্রথম বলেই সেদিকউল্লাহ অটলের উইকেট হারায় তারা। নাসুম আহমেদের লেংথ ডেলিভারিতে ব্যাকফুটে গিয়ে খেলার চেষ্টায় লেগ বিফোরে আউট হন বাঁহাতি ওপেনার সেদিকউল্লাহ। একই ওভারে সেখানে মেইডেন হয় এবং উইকেটও পান নাসুম। দ্বিতীয় ওভারে বাংলাদেশ পেলো সুযোগ, ইব্রাহিম জাদরান কাট করতে গিয়ে কাটা পড়েন।

    দ্বিতীয় ওভারে স্ট্রাইক পান রিশাদ, তিনি বেশ কিছু ভালো ডেলিভারি করেন এবং ইব্রাহিমকে ফিরিয়ে দেন। ইব্রাহিমের ১২ বলে ৫ রানের ইনিংস এভাবেই শেষ হয়। আফগানরা প্রথম পাওয়ার প্লে-তে ২৭ রানে এগোতে পারেনি। তবে গুরবাজ ও গুলবাদিন বড় শট খেলার জন্য উঠে আসে, যদিও রিশাদ তাদের প্রথম জোড়া আউট করেন গুলবাদিনকে লিডিং এজে ক্যাচ করে। এরপর গুরবাজের ক্যাচ ইভেন্টে মহামূল্যবান হয়ে ওঠে।

    মোহাম্মদ নবি সঙ্গে কিছুটা ঝড় তুললেও শেষ পর্যন্ত রানের জগতে কিছুটা নীচে পড়ে। তাকে ফিরিয়েছেন মুস্তাফিজ। নবি ১৫ বলে ১৫ রানে আউট হন। এরপর আজমতউল্লাহ ওমরজাই স্বভাবতই ব্যাটে ঝড় তোলে। তিনি প্রথমে সাইফের চার ও দুই ছক্কা মারেন, পরে তাসকিনের ওভারে আবার ছক্কা মারেন। তবে ওমরজাইকে তাসকিন ফিরিয়ে দেন। করিম জানাতের রান আউটের পর রশিদ ও গাজানফারকেও ফেরান মুস্তাফিজ। আফগানদের রানের ঝুড়ি শেষ হয় ১৪৬।

    অন্যদিকে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শুরু থেকেই উজ্জীবিত হয়। পাওয়ার প্লেতে এক উইকেটও হারায়নি তারা। ওপেনার তানজিদ হাসান ও সাইফের দুর্দান্ত সূচনায় বাংলাদেশ দ্রুত শুরু করে। বিশেষ করে, তানজিদ মাত্র ২৮ বলে সাতটি ছোড়া উড়ান নিয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেন যা বাংলাদেশের বড় সংগ্রহের পথ দেখায়। তবে অন্য ব্যাটাররা অনুকরণে সক্ষম হয় না, ফলে সংগ্রহ থামে ১৫৪ রানে।

    বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের দুরন্ত চাপের মধ্যে দুটি জোড়া উইকেট নেয় আফগান স্পিনার রশিদ ও নূর আহমেদ, তারা মাত্র ৮ ওভারে ৪৯ রান খরচ করে। এই স্পিনারদের বোলিংয়ের ফলে বাংলাদেশ উড়ন্ত সূচনা সংগ্রহ করলেও ফলাফল আশা অনুযায়ী হয়নি। সাইফ ২৮ বলে ৩০ রান করে বিদায় নেন, তবে অন্যপ্রান্তে তানজিদ ঝোড়ো ব্যাটিং চালিয়ে যান। তিনি ঢুকে পড়েন নিজের সপ্তম টি-টোয়েন্টি হাফ সেঞ্চুরিতে। ১০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ৮৭/১, যা দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যায়।

    তবে মধ্যভাগে কিছুটা চাপের মুখে পড়ে। তাওহীদ হৃদয় ২০ বলে ২৬ রানসহ আউট হন, আর শামীম হোসেন ১১ বলে ১১ রান করেন। শেষের দিকে জাকের ব্যাটে চাপ বাড়িয়ে ১২ রানে ১৩ বলে ১২ রান করেন। নুরুল হাসান সোহান ৬ বলে ১২ রান করে দলের রান ১৫২ পার করেন। অবশেষে, বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ১৫৪ রান, যা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা সংগ্রহ।

  • পাকিস্তানি কিংবদন্তি সূর্যকুমারকে ‘শূকর’ বললেন

    পাকিস্তানি কিংবদন্তি সূর্যকুমারকে ‘শূকর’ বললেন

    ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের মধ্যে সাধারণত উত্তেজনা থাকেই, তবে এবার এই উত্তেজনার মাঝে একটি নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সব কিছু শুরু হয় গত রোববার দুবাইয়ে এশিয়া কাপের এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে, যেখানে ভারত পাকিস্তানকে হারালো। এই জয়ের নায়ক ছিলেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। কিন্তু ম্যাচের পরের ঘটনাগুলি যেন আলোচনার শিরোনামে উঠে এসেছে, তা খেলার উত্তেজনাকে ছাপিয়ে গেছে।

    জয়ের পর সূর্যকুমার খেলোয়াড়রা সঙ্গে হাত মিলাননি, সেটি নিয়ে অনেকেরই সমালোচনা হয়েছে। টসের সময়ও পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আগার সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করেননি। এই আচরণকে অনেকেই অখেলোয়াড়সুলভ বলে সমালোচনা করেছেন।

    এই বিতর্কের মাঝে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফের হাত ধরে। এক টিভি আলোচনায় তিনি সূর্যকুমারকে ‘শূকর’ বলে গালি দেন। সঞ্চালক বারবার তাকে থামানোর চেষ্টা করলেও, ইউসুফ নিজেও যেন থামতে রাজি হননি। তিনি বলেছিলেন, ‘ভারত সিনেমার দুনিয়া থেকে বের হতে পারছে না। তারা আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারির মাধ্যমে জিতছে। এটা নিঃসন্দেহে লজ্জাজনক!’ এরপর তিনি আরও গালাগাল করতে থাকেন।

    এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়। ভারতের ক্রিকেট ভক্তরা ইউসুফের এই অশোভন আচরণের জন্য রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

    ঘটনার দীর্ঘপরবর্তী সময়ে, ইউসুফ এক্স-এ (সাবেক টুইটারে) একটি পোস্টে বলেন, ‘আমি কাউকে অসম্মান করতেই চাইনি। আবেগে তার কথাগুলো বলে ফেলেছি। তবে এরকম পরিস্থিতি মনে করে দেখুন, যখন ইরফান পাঠান আফ্রিদিকে ‘ঘেউ ঘেউ করা কুকুর’ বলে ডেকেছিলেন, তখন ভারতের মিডিয়া সেটাকে প্রশংসা করেছিল!’

    ইউসুফ যে ঘটনা উল্লেখ করছেন, সেটি ২০০৬ সালের পাকিস্তান সফরে ইরফান পাঠানের এক পুরনো সাক্ষাৎকার থেকে নেওয়া। সেখানে পাঠান বলেছিলেন, ‘আফ্রিদি অনেকক্ষণ ধরে ঘেউ ঘেউ করছে, নিশ্চয়ই কুকুরের মাংস খেয়েছে।’ এরপর থেকে আফ্রিদি আর কখনো তার সঙ্গে কোনো বাকবিতণ্ডা করেননি। এই ঘটনাগুলি ফুটে উঠেছে শুধু ক্রীড়া নয়, বরং রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্কের পর্যায়ে।

  • বাংলাদেশের সামনে সুপার ফোরে যেতে গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ

    বাংলাদেশের সামনে সুপার ফোরে যেতে গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ

    এশিয়া কাপের ১৭তম আসরে জীবনের অন্তরবর্তীতেই বাঁচার জন্য একমাত্র পথ হলো আফগানিস্তানকে হারানো। এই জয়ে বাংলাদেশ প্রথম শর্ত পূরণ করেছে, তবে এখনো নিশ্চিত নয় তাদের সুপার ফোরের টিকিট। পঞ্চম ম্যাচের ফলাফলের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। ফলে, বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে সহজ সমাধান হলো শ্রীলঙ্কার জয় বা তার ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়া। যদি এভাবে শ্রীলঙ্কা জিতে বা ম্যাচ বাতিল হয়, তাহলে চার পয়েন্ট নিয়ে সরাসরি সুপার ফোরে পৌঁছে যাবে বাংলাদেশ।

    অন্যদিকে, যদি জিতে যায় আফগানিস্তান, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে যাবে। তিন দলের পয়েন্ট হবে সমান—৪—এবং তখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে নেট রান রেটের হিসাব। আফগানিস্তানের বর্তমান রেট +২.১৫০, শ্রীলঙ্কার +১.৫৪৬ এবং বাংলাদেশের -০.২৭০।

    এখন কী হতে পারে তার কিছু সম্ভাব্য চিত্র হলো: যদি আফগানিস্তান আগে ব্যাট করে ২০০ রান করে, আর শ্রীলঙ্কা ১২৮ রান করতে পারে—তাহলে সরাসরি বাংলাদেশ সুপার ফোরে নিশ্চিত হবে। আবার, আফগানিস্তান যদি ১৫০ রান করে, তবে শ্রীলঙ্কাকে করতে হবে কমপক্ষে ৮৪ রান।

    অন্যদিকে, যদি শ্রীলঙ্কা আগে ব্যাট করে, তাহলে আফগানিস্তান জিততেই হবে ১১-১২ ওভারেই, তখনই বাংলাদেশের সুপার ফোরে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এই সময়ে বাংলাদেশ শেষ চারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা এখন শুধুমাত্র তাকিয়ে আছেন সুপার ফোরে বাংলাদেশের পথের জন্য শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান ম্যাচের ফলাফলের দিকে।

  • অসহযোগিতা ও সমঝোতার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের এশিয়া কাপে প্রত্যাবর্তন

    অসহযোগিতা ও সমঝোতার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের এশিয়া কাপে প্রত্যাবর্তন

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)শেষ পর্যন্ত এশিয়া কাপ থেকে নিজেদের উপস্থিতি ধরে রাখার জন্য কঠোর অবস্থান থেকে সাময়িক পিছু হটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেটারদের সাথে হাত মেলানোর অস্বীকৃতিতে প্রতিবাদ জানিয়ে পিসিবি দ্ব্যর্থহীনভাবে অভিযোগ তোলে যে, ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটের ভূমিকা ছিল এই ঘটনায়। তারা দাবি করে, যদি তাদের এই অভিযোগ মানা না হয়, তবে তারা এই টুর্নামেন্ট থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করবে। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) তাদের এই অভিযোগ নাকচ করে দেয়। এরফলে, নিজস্ব দাবিতে অনড় থাকা পিসিবি একটি সংবাদ সম্মেলনও বাতিল করে দেয়, যেখানে তারা তাদের মূল বক্তব্য উপস্থাপন করার কথা ছিল।

    এর মধ্যেই ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করমর্দন বিতর্ক ও সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতির উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা হয়েছে। আইসিসি-প্রস্তাবিত আলোচনার ফলে এই চাপ কমে এসেছে এবং এশিয়া কাপের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও ওমানের ক্রিকেট বোর্ড এই আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গেছে।

    সূত্রের মতে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) দাবির প্রেক্ষিতে—অ্যান্ডি পাইক্রফটকে টুর্নামেন্ট থেকে সরানোর দাবি আইসিসি মানেনি। তবে, জানা যাচ্ছে যে, আজ (বুধবার) পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পরবর্তী ম্যাচে পাইক্রফটের বদলে অন্য আইসিসির রেফারি, রিচি রিচার্ডসন, দায়িত্ব নেবেন। তবে, পাইক্রফট টুর্নামেন্টের ম্যাচ অফিসিয়াল হিসেবে থাকবেন। এটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।

    প্রাথমিকভাবে, পিসিবি কঠোর অবস্থান নিলেও, শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে তাদের পিছু হটতে হয়। পাকিস্তানের অভিযোগ ছিল যে, ভারতীয় ম্যাচে পাইক্রফট পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছিলেন। যদিও আইসিসি এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। এরপর ওমান ও ইউএই বোর্ডের কর্মকর্তারা আলোচনা চালিয়ে যান এবং পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধানে কিছু ‘ফেস সেভিং’ পরিবর্তন আনা হয়।

    অবশ্য, এখনো পিসিবি বা আইসিসি থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষনা আসেনি, তবে গতকাল (মঙ্গলবার) পিসিবির মুখপাত্র আমির মীর জানিয়েছেন, “আলোচনThings চলছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজই জানানো হবে। পাকিস্তানের স্বার্থ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, পিসিবির প্রধান মহসিন নাকভি ইসলামাবাদ থেকে লাহোরে ফেরার পর বোর্ডের একটি জরুরি বৈঠক হয়। সেখানে সরকারের পর্যায়ে আলোচনা বাকিটা বিষয় নিয়ে চর্চা হয়, যেখানে করমর্দন বিতর্ক, পরিস্থিতির প্রভাব এবং আইসিসির সঙ্গে সম্পর্কের অচলাবস্থার বিশদভাবে আলোচনা হয়।

  • বিসিবি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

    বিসিবি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

    আগামী ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য গত সপ্তাহে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়, যা নির্বাচনের পরিচালনা করবে।

    সম্প্রতি, বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পূর্ণাঙ্গ ভোটের tফসিল প্রকাশ করা হয়েছে। নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হবে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে, যার মধ্যে রয়েছে ভোটার তালিকা প্রকাশ, মনোনয়নপত্র বিতরণ ও জমা, যাচাই-বাছাই, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা, ভোটদান এবং ফলাফল ঘোষণা।

    বিশদ বিবরণে জানা যায়:
    – ২০ সেপ্টেম্বর: ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ ও আপত্তি গ্রহণ শুরু
    – ২১ সেপ্টেম্বর, দুপুর ১টার মধ্যে আপত্তি দাখিলের সময়সীমা
    – ২১ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৪টায়: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে
    – ২২-২৩ সেপ্টেম্বর: মনোনয়নপত্র বিতরণ
    – ২৫ সেপ্টেম্বর: মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন
    – ২৬ সেপ্টেম্বর: মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ও বৈধ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ
    – ২৭ সেপ্টেম্বর: আপিল ও শুনানি
    – ২৮ সেপ্টেম্বর: প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও বৈধ প্রার্থীদের তালিকা স্থির করা হবে
    – ২৮ সেপ্টেম্বর: ডাক ও ই-ব্যালট বিতরণ
    – ৪ অক্টোবর: ভোটগ্রহণ ও প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা
    – ৫ অক্টোবর: চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা

    এটি প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এ তফসিলের মাধ্যমে বোর্ড নির্বাচনের সব প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।