বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পারওয়ার বলেছেন, একটি দেশের উন্নতি ও অগ্রগতি নির্ভর করে সেই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতির উপর। এজন্য একটি নির্বাচিত সরকার এর নানা দিকের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ব্যবসায়ী এবং বণিজ্য পরিবেশ মানোন্নয়ন করা, যাতে ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে, নিরাপদে এবং স্বাধীনভাবে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে। তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করবে এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে। কিন্তু আমাদের দেশে তার বিপরীত দৃশ্যপট দেখা যায়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী লাভের লোভে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কালোবাজারি করে জিনিসপত্রের কৃত্রيم সংকট সৃষ্টি করছে, যার কারণে দাম বাড়ছে। তবে সৎ ও নৈতিক মানুষ এ ধরনের কাজ করতে পারে না। জামায়াতে ইসলাম চায়, এইদেশের নৈতিকতাসম্পন্ন উজ্জ্বল ব্যক্তিরা ব্যবসায় উদ্যোক্তা হোক। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ব্যবসায়ীদের উপর চলে অবিরাম চাঁদাবাজি, কখনও কখনও চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীদের নিপীড়ন, তাদের পাথরের আঘাতে হত্যা এমন ঘটনাগুলো চরম বর্বরতা ও জাহেলিয়াতকেও হার মানায়। আমরা এ ধরনের বর্বর সমাজ চাই না। ভবিষ্যতে আল্লাহর রহমত ও আপনাদের ভালোবাসায় জামায়াত যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়, তবে ব্যবসায়ীরা পূর্ণ নিরাপদে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন। আর চাঁদাবাজি, অপপ্রচার, অরাজকতা আর অব্যাহত হিংস্রতাকে আর মোকাবেলা করতে হবে না। তিনি ব্যবসায়ী সমাজকে একত্রিত হয়ে এই দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় ফুলতলা বাজারের গামছা চান্দিনায় ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ শাহজাহান মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান, সহকারি সেক্রেটারি মিয়া গোলাম কুদ্দুস, প্রিন্সিপাল গাওসুল আযম হাদী, জেলা সদস্য মাস্টার শেখ সিরাজুল ইসলাম, এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, যুব বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা আল মুজাহিদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও জন প্রতিনিধি। এর পাশাপাশি, ডুমুরিয়া উপজেলায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার শুক্রবার দিনব্যাপী জনসংযোগ এবং ভোটার সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। হাসানপুর সরকারি প্রাইমারি স্কুল মাঠে এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ফিরোজ আহম্মেদ গাজী এবং সঞ্চালনায় ছিলেন হেদায়েত হালদার। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের খুলনা জেলা সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কার্যপরিষদ সদস্য এড. আবু ইউসুফ মোঃ নামে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
Category: সারাদেশ
-

সাতক্ষীরায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতে আটক ১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল বিএসফ
সাতক্ষীরা সীমান্তে এক গুরুত্বপূর্ণ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতে আটক বাংলাদেশের ১৫ নাগরিককে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনেন বিএসএফ। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে বাংলাদেশের সীমান্তের তলুইগাছা এলাকায় জিরো লাইনে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে বিজিবি তাদেরকে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করে। এই ঘটনাটির সূচনা হয় বৈধ পথ দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের জন্য আটক হওয়ার পর, তারা স্বেচ্ছায় ভারতের বিএসএফের ক্যাম্পে আত্মসমর্পণ করেন।
অটক ব্যক্তিদের মধ্যে নারী ও শিশুদের পাশাপাশি পুরুষরা রয়েছেন, যারা বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে কয়েকজনের নাম ও পরিচয় রয়েছে — মোঃ সেকেন্দার হোসেন (৩৩), মোঃ আব্দুলাহ গাজী (৩৮), ঝর্ণা খাতুন (৩৮), মোছাঃ নাজমা বিবি (৩৩), মাহেরা আক্তার (৬), নাজমুল হাসান নাইম (১৬), মিনা (১৩), মাফুজা খাতুন (৩৪), তানিয়া সুলতানা (১০), মাফুজ রহমান (২), মর্জিনা বেগম (৪৪), হাসিনা খাতুন (১০), রুহুল আমিন (৪০), তার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) এবং মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (৭)।
বিজিবির সঙ্গে নিশ্চিত হওয়া যায়, মঙ্গলবার রাত থেকে এই ১৫ জন সীমান্তের হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকা থেকে আটক হয়। এরপরই তাদের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনা সর্ম্পকে জানা যায়, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বেশিরভাগই পরবর্তীতে আত্মসমর্পণ করে ভারতীয় সেনাদের কাছে। বিভিন্ন স্থান থেকে তারা দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছিলেন, তবে ভারতীয় পুলিশ পুলিশের ব্যাপক ধড়পাকড়ের কারণে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
অফিসিয়ালসূত্র বলছেন, এই প্রত্যর্পণে তলুইগাছা বিওপি কমান্ডার ও বিএসএফের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, ও তাদের উপস্থিতিতে এই স্থানান্তর সম্পন্ন হয়। রাতের আনুষ্ঠানিকতার পর আটকদের কয়েকজনের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, বাকিদেরও পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শামিনুল হক জানান, এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন যে, আটক ১৫ জনকে বৃহস্পতিবার রাতে বিজিবির মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়। তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই সম্পন্নের পর ১৪ জনকে পরিবারের কাছে দিয়ে দেয়া হয়েছে, বাকি একজনের পরিবারের লোক আসলে তাকে আইনের হাতে থাকবে।
-

খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের বিদায়ী সংবর্ধনা
খুলনা জেলা প্রশাসক ও প্রেসক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম তার বদলির কারণে খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে একটি বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের আয়ব্যবস্থা নেন ক্লাবের সদস্যরা। অনুষ্ঠিত হয় এক আয়োজক অনুষ্ঠান, যেখানে সদস্যরা বিভিন্ন বক্তব্য ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে এই বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ক্লাবের সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নূরুল হাই, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আক্তার হোসেন, ক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য শেখ দিদারুল আলম ও কৌশিক দে, পাশাপাশি অন্য সদস্যরা, যেমন মোঃ এরশাদ আলী, মোঃ রাশিদুল ইসলাম, এইচ এম আলাউদ্দিন, মোস্তফা জামাল পপুলু, ইহতেশামুল হক শাওন, কে এম জিয়াউস সাদাত, আব্দুর রাজ্জাক রানা, ও মুহাম্মদ নূরুজ্জামান।
অতিরিক্ত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সদস্যবৃন্দ যেমন আহমদ মুসা রঞ্জু, কাজী শামীম আহমেদ, এস এম ইয়াসীন আরাফাত রুমী, নাজমুল হক পাপ্পু, মোঃ কামরুল হোসেন মনি, ও অন্যান্য সাংবাদিক ও সদস্যরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়, এবং শেষে তাকে ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এই সংবর্ধনা হয়ে উঠেছিল তার পরিষেবার জন্য ধন্যবাদ জানানো এবং দোয়া করেছিলেন সবাই তার সুস্থতা ও ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষতার জন্য।
-

রূপসার পল্লীতে সরকারি রাস্তা দখল ও ইট তৈরির ব্যবসা প্রত্যাহার দাবি
খুলনার আঠারোবেঁকী নদীর তীরে রূপসার নেহালপুর মিস্ত্রিপাড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি রাস্তা দীর্ঘ সময় ধরে দখল করছে মেঝুরির বেশ কয়েকটি ইটভাটা, যার ফলে এলাকায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মেসার্স এমএনএস ব্রিক্সস নামের একটি ইটভাটার মালিক এই রাস্তার অধিকাংশ অংশ কেটে নিজের ইটের পট (মাটি দিয়ে তৈরি ইটের ব্যবসা) তৈরির জন্য ব্যবহার করছে। এতে ঐতিহ্যবাহী এই রাস্তা দুঃখজনকভাবে বিলীন হয়ে যাওয়ার পথে। এলাকাবাসীর দাবি, এইরাস্তার অবিলম্বে দখল মুক্ত করে সাধারণ জনগণের চলাচলের জন্য পুনর্স্থাপন করা জরুরি। বৃহত্তর জনস্বার্থে কাজ না হলেই কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের হুমকি দিয়েছেন ক্ষোভে প্রতিবাদকারীরা।
নেহালপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, এই রাস্তা দিয়ে রামনগর, কচুয়া এবং অন্যান্য গ্রাম থেকে নেহালপুর খেয়াঘাটে আসা যায়। সেই বছরের পর বছর ধরে সরকারি এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি অবৈধ দখলে থাকায় সাধারণ মানুষ চলাচলে খুবই দুর্ভোগে পড়েছেন। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই পুরাতন রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে এমএনএস ব্রিক্সসের মালিকের স্বার্থে জবরদখল করা হয়েছে। মনোযোগ না দিলে ভবিষ্যতেও সমস্যা লাগামছাড়া থাকবে বলে আশঙ্কা এলাকাবাসীর।
অভিযুক্ত এমএনএস ব্রিক্সসের ম্যানেজার মিজানুর রহমান জানান, পাঁচ বছরের জন্য ইটভাটা পরিচালনার অনুমোদন রয়েছে তাদের। তিনি বলেন, সরকারি রাস্তা দখলে রাখার বিষয়টি নতুন নয়, তবে সরকার চাইলে আবার রাস্তা মুক্ত করে দিতে পারবে। অন্যদিকে, স্থানীয় পর্যায়ে জানানো হয়েছে, এই রাস্তা জেলা পরিষদের বলে, এবং এটি বিভিন্ন গ্রামের মানুষের নিয়মিত চলাচলের জন্য ব্যবহৃত। ভাষ্যকাররা বলছেন, রাস্তার দখল ও অবকাঠামো ধ্বংসের জন্য কোনো ধরনের নিয়মবহির্ভূত কাজ চালিয়ে যাওয়া একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা আক্তার রিক্তা বলেন, দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী বলেন, এই সরকারি রাস্তাটি অবিলম্বে উদ্ধার না হলে তাদের মানববন্ধন ও কঠোর আন্দোলন আসন্ন।
-

তুহিনের ভাষ্যে: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আবারো সক্রিয়
খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, বাংলাদেশে স্বাধীনতার বিরোধী শক্তিগুলি আবারো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন গোপন বৈঠক এবং ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতার মাধ্যমে তারা দেশের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সব শক্তি সবসময়ই গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিভ্রান্ত ও ভিন্ন পথে পরিচালিত করার পাঁয়তারা করে আসছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তুহিন আরও বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী চক্রটি আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের ভেতর অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার নীলনকশা করছে। তিনি বলেন, এই স্বতন্ত্রশক্তি কখনো গণতন্ত্র বা মানুষের অধিকারকে সমর্থন করেনি। তাদের ষড়যন্ত্র জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম জোয়াদ্দার জলি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর থানার বিএনপি সভাপতি কে.এম হুমায়ুন কবির, মোস্তফা আলম, শেখ হাফিজুর রহমান, রিপন তরফদার, শাহ আসিফ হোসেন রিংকু, নাজমুস সাকিব, মাহবুবর রহমান লিটু, সৈয়দ আজাদ হোসেন, মোঃ আলী মিঠু, কেএম বেলাল হোসেন, শেখ বেলাল, নাজমুন নাহার শিখা, জামিলা খাতুন, মোঃ ইব্রাহীম, শিল্পী আক্তার, মোঃ কামরুল ইসলাম, মোঃ নাজমুল হোসেন, নওফেল বিন মাহবুব, সাইফুল ইসলাম হাইসাম, মেহেদি হাসনাত আবির, সৌমেন সাহা ও আরও অনেকে।
-

খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা দিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
খুলনা জেলা প্রশাসক ও প্রেসক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বদলি হওয়ায় খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে এক অপূর্ব বিদায়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি হয় শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের আয়ব্যক্ত এনামুল হক এবং পরিচালনা করেন সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নূরুল হাই, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আক্তার হোসেন, খুলনা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য শেখ দিদারুল আলম, কৌশিক দে, পাশাপাশি ক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা যেমন মোঃ এরশাদ আলী, মোঃ রাশিদুল ইসলাম, এইচ এম আলাউদ্দিন, মোস্তফা জামাল পপলু, এহতেশামুল হক শাওন, কে এম জিয়াউস সাদাত, আব্দুর রাজ্জাক রানা ও মুহাম্মদ নূরুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিক সদস্য, যেমন আহমদ মুসা রঞ্জু, কাজী শামীম আহমেদ, এস এম ইয়াসীন আরাফাত রুমী, নাজমুল হক পাপ্পু, মোঃ কামরুল হোসেন মনি ও অভিজিৎ পাল।
অনুষ্ঠানের शुरुआत হয় মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে, এবং শেষে তার জন্য ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এই প্রিয় নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা ও সহানুভূতি তাঁকে বিদায়ের সময় আরও স্পেশাল করে তোলে।
-

রূপসার পল্লীতে সরকারি রাস্তা দখল ও ইট তৈরির ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
খুলনার আঠারোবেঁকী নদীর তীরে অবস্থিত রূপসার নেহালপুর মিস্ত্রিপাড়ার একটি রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ভূপৃষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হলেও চৌকি দোকানদার ও নির্মাণ ব্যবসায়ীরা জোরপূর্বক দখল করে ইট ভাটার জন্য মাটি দিয়ে পট (ইট তৈরির আংটি) বানিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তা দখল করে ব্যবসা বিলীন করার জন্য এলাকাবাসী বিভিন্ন বার চেষ্টা করলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এ নিয়ে এলাকাবাসী ও সচেতন মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
নেহালপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সরকারি এই রাস্তা জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি দখলমুক্ত করা জরুরি। তারা হুঁশিয়ার করেছেন, অবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে তারা কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেবেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তা দখল করে ইট তৈরির জন্য পট বানিয়ে ব্যবসা করায় এলাকাটির জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। এ রাস্তা দিয়ে আসা-যাওয়া করত এক সময় সৎকারের জন্য শ্রমজীবী মানুষজনও, কিন্তু এখন দখলদাররা এ রাস্তাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
এলাকাবাসীর মধ্যে ক্রীড়া সংগঠক সাধন দে বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে এটি একটি ঐতিহ্যবাহী রাস্তা। অনেক বছর আগেও এই রাস্তা দিয়ে নেহালপুরের শ্মশানে মরদেহ আনা হত, কিন্তু এখন দখল ও ব্যবসার কারণে এই সড়ক অচিরেই বিলীন হওয়ার পথে।
আরেক বাসিন্দা মোঃ রাকিব শেখ বলেন, এটি ছিল পুরাতন ঐতিহ্যবাহী রাস্তা। দীর্ঘদিন ধরে এমএনএস ব্রিকসের মালিক মিঠু এবং এর আগের মালিক সাত্তার এই রাস্তা দখল করে ইট তৈরির জন্য ব্যবহার করছেন। এর ফলে রাস্তার দখল ও ধ্বংসের কারণে এলাকাবাসির দুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়।
এমএনএস ব্রিক্সের ম্যানেজার মিজানুর রহমান দাবি করেন, মালিক মিঠু এই ইটভাটার জন্য পাঁচ বছরের জন্য লিজ নিয়েছেন এবং সরকারি রাস্তা দখলের বিষয়টি তার জানা নেই বা কোনো আপত্তি করেননি। তিনি বলেন, সরকার চাইলে রাস্তা ফিরিয়ে দিতে পারে, এতে কোনো সমস্যা হবে না।
অপরদিকে, স্থানীয় সার্ভেয়ার মোঃ খবিরুদ্দিন জানিয়েছেন, এটি একটি জেলা পরিষদের রাস্তা। মানুষের নিরাপদ চলাচলের জন্য এই রাস্তা গুরুত্বぽূর্ন। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে তিনি রাস্তার সীমানা নির্ধারণ করে লাল পতাকা টানিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু এখনও কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ ব্যাপারে খুলনা জেলা যুবদলের সদস্য ও নৈহাটী কালিবাড়ি বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুক্তাদির বিলাহ বলেছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সরকারি রাস্তা দখল করে দুই বছর ধরে ইট তৈরির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন মালিকরা, যা দ্রুত বন্ধ করার জন্য তিনি আহ্বান জানান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সাবেক সিবিআই ব্রিকসের মালিক আঃ সাত্তার সাহেব জলজ্যান্ত সময়ের বিভিন্ন সময়ে সরকারি রাস্তা দখল করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, এলাকাবাসী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির উপস্থিতিতে রাস্তা মুক্ত করার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হলেও তারা কোনো প্রতিকার পাননি। দুই বছর আগেও সিবিআই ব্রিকসের মালিকের কাছ থেকে মোঃ মিঠু এই রাস্তা লিজ নিয়ে একইভাবে দখল করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা আক্তার রিক্তা বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সরেজমিন তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
-

বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আবারও সক্রিয় হতে শুরু করেছে: তুহিন
খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনে ধানের শীষে নির্বাচনী মনোনয়নপ্রত্যাশী শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন গোপন বৈঠক এবং ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতার মাধ্যমে তারা দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারা সবসময়ই গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ভিন্ন পথে নিতে চায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তুহিন আরও বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা আসন্ন নির্বাচনের নামে দেশের ভেতরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার জন্য নীলনকশা করছে। তিনি দাবি করেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা কখনোই গণতন্ত্র বা মানুষের অধিকারকে সমর্থন করেনি। তাদের সব ষড়যন্ত্র জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে ধ্বংস হবে। ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম জোয়াদ্দার জলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর থানা বিএনপির সভাপতি কে এম হুমায়ুন কবির। এছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন মোঃ মোস্তফা আলম, শেখ হাফিজুর রহমান, রিপন তরফদার, শাহ আসিফ হোসেন রিংকু, নাজমুস সাকিব, মাহবুবর রহমান লিটু, সৈয়দ আজাদ হোসেন, মোঃ আলী মিঠু, কে.এম বেলাল হোসেন, শেখ বেলাল, নাজমুন নাহার শিখা, জামিলা খাতুন, মোঃ ইব্রাহীম, শিল্পী আকতার, মোঃ কামরুল ইসলাম, মোঃ নাজমুল হোসেন, নওফেল বিন মাহবুব, সাইফুল ইসলাম হাইসাম, মেহেদি হাসনাত আবির, সৌমেন সাহা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
-

জামায়াত সরকার গঠন করলে ব্যবসায়ীদের জন্য থাকবে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, একটি দেশের উন্নতি এবং অগ্রগতি মূলত তার ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতির উপর নির্ভর করে। তাই নির্বাচিত সরকারগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো ব্যবসায়ীদের জন্য একটি সুরক্ষিত ও সুবিধাজনক পরিবেশ সৃষ্টি করা, যাতে তারা নির্বিঘ্নে নিজেদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি সাধন করতে সহযোগিতা করে। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারলে তারা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। তবে দুঃখজনকভাবে আমাদের দেশে এর বিপরীত দৃশ্য দেখা যায়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি লাভের আশায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কালোবাজারি করে জিনিসপত্রের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেন, ফলে মূল্যবৃদ্ধি হয়। তবে সৎ, নৈতিকতা সম্পন্ন বিবেকবান মানুষ এমন কিছু করতে পারে না। জামায়াতে ইসলাম চায়, এই দেশের সৎ, নৈতিক ও বিবেকবান মানুষই ব্যবসায় যুক্ত থাকুক। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরাও অনেকবার অযৌক্তিক চাপে পড়েন। নির্দয় চাঁদাবাজি, অবৈধ টাকা আদায়ের জন্য চোরাপথে চাঁদা দাবি, এমনকি চাঁদা না পাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পাথর ছুঁড়ে হত্যার মতো ঘৃণ্য ঘটনা প্রতিদিনের সংগ্রামের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব বর্বরতা আমাদের সমাজের অশুভ দিকগুলোকে উসকে দিচ্ছে। আমরা এমন নৃশংস সমাজ চাই না। এক কথায়, আল্লাহর রহমত ও আপনাদের ভালোবাসায়, যদি জামায়াত সরকার গঠন করতে পারে, তবে ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা চালাতে পারবেন। আর কেউ চাঁদাবাজি বা হত্যা সূচক পরিস্থিতিতে পড়তে থাকবেনা। সকলের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। তিনি ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে সংগ্রামে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
-

সাতক্ষীরায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতে আটক ১৫ বাংলাদেশি ফেরত দিলো বিএসএফ
সাতক্ষীরা সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশি নারী ও শিশুসহ ১৫ জনকে ফেরত পাঠিয়েছে। ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায়, যখন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুইগাছা সীমান্তের জিরো লাইনের কাছে এই পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিজিবি তাদেরকে সদর থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এই আটকদের মধ্যে বেশিরভাগই অবৈধভাবে ভারতের হাকিমপুর ক্যাম্পে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটে। এরপর, বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।
ফেরত আসাদের মধ্যে রয়েছেন সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম কৈখালী গ্রামের মোঃ সেকেন্দার হোসেন (৩৩), নকিপুর গ্রামের কালাচাঁদ গাজীর ছেলে মোঃ আব্দুলাহ গাজী (৩৮), রাকুরঝোরার ঝর্ণা খাতুন (৩৮), কালিঞ্চি গোলাখালী এলাকার মোমিকাইল মোলার স্ত্রী মোছাঃ নাজমা বিবি (৩৩), তার মেয়ে মাহেরা আক্তার (৬), ছেলে নাজমুল হাসান নাইম (১৬), মেয়ে মিনার (১৩), নওয়াবেঁকীর পূর্ব বিড়ালক্ষীর আবিয়ার রহমান শেখের মেয়ে মোছাঃ মাফুজা খাতুন (৩৪), তার মেয়েরা তানিয়া সুলতানা (১০), মাফুজা রহমান (২), খুলনার বাটিয়াঘাটা এলাকার মৃত জিয়ারুল ইসলামের স্ত্রী মোর্জিনা বেগম (৪৪), তার মেয়েরা হাসিনা খাতুন (১০), এবং পিরোজপুরের খানাকুণ্ডিয়ারী গ্রামের রুহুল আমিন (৪০), তার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) এবং মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (৭)।
বিজিবির সূত্র জানায়, সোমবার রাতে হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকা থেকে অবৈধভাবে ভারত প্রবেশের দায়ে এই ১৫ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। এরপর, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিএসএফের আমুদিয়া কোম্পানি কমান্ডার ও বাংলাদেশের বিজিবি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে তাদের ফেরত দেওয়া হয়। পরে রাতের দিকে, বিজিবির একটি টহল দল তাদেরকে সাতক্ষীরা সদর থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
অতিরিক্ত বিবরণে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বেশিরভাগই ভারত থেকে মজুরি/jobs জন্য প্রবেশ করেছিল এবং পরিস্থিতির পরিবর্তনে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একজন বলেছিলেন, প্রায় ১৬ মাস আগে তিনি অবৈধভাবে ভারতের সীমান্ত অতিক্রম করেছিলেন ও কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় কাজ করতেন। সাম্প্রতিক ভারতের চলমান ধরা-ধামার কারণে তারা দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন।
সাতক্ষীরার সদর থানার ওসি শামীমুল হক নিশ্চিত করে বললেন, আটকদের বৃহস্পতিবার রাতে হস্তান্তর করা হয়। প্রথমে, ১৪ জনকে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, আর একজনের পরিবারের লোক এলে শুক্রবার তারাও স্বজনের কাছে পৌঁছে দেবেন।
