Category: সারাদেশ

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধানের শীষের বিকল্প নেই: মঞ্জু

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধানের শীষের বিকল্প নেই: মঞ্জু

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেছেন যে, বাংলাদেশ দেশকে সুন্দরভাবে গঠন করতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধানের শীষের বিকল্প নেই। তিনি বলেছেন, এই নির্বাচনে দলকে জিতিয়ে আনতে আমাদের সকল নেতাকর্মীকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে নির্বাচনী প্রচার এবং কর্মসূচি পালন করতে হবে যাতে দল বিজয়ী হয়।

    সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় খুলনা জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খন্দকার, খুলনা জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার, খুলনা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোঃ রফিকুল গাজীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। পরে তিনি ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ডক্টরস পয়েন্টের চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এছাড়া, অসুস্থ অধ্যাপক হারুন-অর রশিদ, পিটিআই মসজিদের খতিব হাফেজ মাকছুদুর রহমানের বাসায় গিয়েও সাক্ষাত করেন এবং দোয়া পরিচালনা করেন।

    সন্ধ্যার পর, কেসিসি কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ গঠনের জন্য ৩১ দফা ঘোষণা দিয়েছেন। ভবিষ্যতে যদি দল ক্ষমতায় আসে, এই ৩১ দফা ভিত্তিতে একটি শান্তিপূর্ণ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্তরে নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচির সফলতার জন্য কাজ করছেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, এড. ফজলে হালিম লিটন, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মজিবর রহমান ফয়েজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, মোস্তফা কামাল, ইশহাক তালুকদার, এড. মুজিবর রহমান, মহিবুল্লাহ শামীম, রবিউল ইসলাম রবি, আব্দুল মতিন, মেশকাত আলী, আব্দুল জব্বার, রিয়াজুর রহমান, আলমগীর হোসেন আলম, মাহবুব হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, খান শহিদুল ইসলাম, মাসুদ খান বাদল, শামীম খান, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, কামাল উদ্দিন, সমীর কুমার সাহা, এড. আব্দুস সোবহান সরদার, নুরুল ইসলাম লিটন, শরিফুল ইসলাম সাগর, এড. ওমর ফারুক, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, ফিরোজ আহমেদ, আলমগীর ব্যাপারী, মুশফিকুর রহমান অভি, এস কে মাহমুদ, ওহেদুর রহমান বাবু, সেলিম বড় মিয়া, খান রাজিব, শহিদুল ইসলাম লিটন, মাহমুদ হাসান মুন্না, সজল আকন নাসিব, জাহান আলী, আবু দাউদ খান, এ আর রহমান, রুহুল আমিন রাসেল, বাবুল হোসেন, ওহেদুজ্জামান শিমুল, পারভেজ মোড়ল, রাজু আহমেদ রাজ, জামাল মোড়ল, লাল মিয়া, মামুনুর রহমান রাসেল, জুয়েল রহমান, জাহিদুল ইসলাম শেখ, আতিকুর রহমান লিটন, আসাদ সানা, নাহিদ ইসলাম, শফিউদ্দিন আহমেদ, আসমত হোসেন, আনোয়ার মোল্লা, মিজান সরদার, শহিদ ব্যাপারী, কামাল হোসেন, ইমতিয়াজ সেজান, হারুন হেলাল, রিমো চৌধুরী, আবুল কালাম, আশিকুর রহমান সেলিম, আবুল কাশেম হাবলী প্রমুখ।

  • খুলনা শিল্পাঞ্চল এখন মৃত নগরী: আ’লীগ নেতাদের মেশিনারিজ বিক্রির অভিযোগ

    খুলনা শিল্পাঞ্চল এখন মৃত নগরী: আ’লীগ নেতাদের মেশিনারিজ বিক্রির অভিযোগ

    খুলনার একসময়কার ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্যপূর্ণ শিল্পাঞ্চল খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানার এলাকা এখন হারিয়ে গেছে তার ঐতিহ্য ও জীবন্ত চেহারা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পানি সংকট, পাটকল বন্ধ হওয়া ও স্বাস্থ্যসেবা হ্রাসের কারণে এলাকা যেন এক বিশাল শোকাবহ মৃত নগরীতে পরিণত হয়েছে। এমত পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর সমালোচনায় মুখর হয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. এস এম শফিকুল আলম মনা। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নেতারা লিজের নামে পাটকলের মূল্যবান যন্ত্রাংশ খুলে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করে দিয়েছেন। এর ফলে শ্রমিকরা তাদের প্রাপ্য অর্থ পাননি, তবুও তারা অসুস্থতা ও দূর্দশায় জীবন কাটাচ্ছেন।

    সোমবার রাতে নগরীর দৌলতপুরস্থ ৩নং ওয়ার্ডে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও বিশিষ্টজনদের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের পক্ষে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এই অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, গত এক দশকে এই এলাকা পানির একটির জন্য হাহাকার চলছে। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন আশ্বাস দেয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে কিছুই পাল্টালো না। বর্তমানে খালিশপুর ও এর আশপাশের এলাকা যেন এক প্রায় মৃত নগরীতে পরিণত। দুপুর ১২টার দিকে খালিশপুরে গেলে মনে হয় যেন কেউ জীবিত নেই, পুরো এলাকা যেন শ্মশান বা মৃতপুর।

    পাটকল বন্ধের পর থেকে শ্রমিকদের জীবন দুর্বল ও অসহায় হয়ে পড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই পাট উৎপাদনকারী মিলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। লিজের জন্য মাননীয় সরকার যন্ত্রাংশগুলো স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করে দিয়ে শ্রমিকদের পাওনা টাকা পর্যন্ত পরিশোধ করেনি। এতে শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য অধিকার পাননি।

    স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার দুর্বলতাও তিনি তুলে ধরেন। সরকারি ও বেসরকারি মানসম্পন্ন হাসপাতাল না থাকায় অসুস্থ হলে মানুষকে অনেক দুরে খুলনা মেডিকেলে যেতে হয়। পথেই অনেকের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে রকিবুল ইসলাম বকুল এলাকা উন্নয়নে ব্যাপক উদ্যোগ নিবেন এবং একটি বড় হাসপাতাল নির্মাণ করবেন।

    বক্তব্যে তিনি ধর্মীয় বিভ্রান্তিকর প্রচারণারও সমালোচনা করেন। বলেন, কেউ বলছেন, ভোট দিলে বেহেশত যাবে। এটা সম্পূর্ণ ভুল ও শিরক। আল্লাহই একমাত্র যে মানুষকে বেহেশতে নেবেন। এসব বিভ্রান্তি পরিহার করতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

    সভায় আরও বক্তৃতা করেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদি, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শেখ শরিফুল আলম। সভা শেষে ‘ক্যাপ্টেন রকিবুল ইসলাম বকুল’ শিরোনামের অনুপ্রেরণামূলক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    অন্তে, শফিকুল আলম মনা ভোটারদের প্রতি অনুরোধ জানান, বিপদকালীন সময়ে পাশে থাকা নেতা হিসেবে রকিবুল ইসলাম বকুলকে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য।

  • চিতলমারীতে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ৩০৫০ কৃষককে বিনামূল্যে ধান বীজ বিতরণ

    চিতলমারীতে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ৩০৫০ কৃষককে বিনামূল্যে ধান বীজ বিতরণ

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে ধান উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ৩ হাজার ৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে হাইব্রিড ধান বীজ বিতরণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি দপ্তর থেকে এ বীজ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। তিনি এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন কমিটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোঃ সিফাত-আল-মারুফ জানান, চলতি রবি মৌসুমে উপজেলার মোট ৭টি ইউনিয়নের ৩০৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় এই ধান বীজ প্রদান করা হয়েছে। প্রতিজনের জন্য আগ্রহীদের মধ্যে ২ কেজি করে জাতের নাম হাইব্রিড এসএল-৮এইচ। এই বিতরণ বিভিন্ন ইউনিয়নে হয়, যেমন বড়বাড়িয়া ইউনিয়নে ৫৫০ জন, কলাতলা ৩৮০ জন, হিজলা ৩৯০ জন, শিবপুর ২৫০ জন, চিতলমারী সদর ৯৪০ জন, চরবানিয়ারী ২৫০ জন, ও সন্তোষপুর ২৯০ জন।

    উপজেলায় এ মৌসুমে প্রায় ২৯,৯৪৩ একর জমিতে বোরো ধান চাষের পরিকল্পনা রয়েছে, যার ফলে একযোগে হাজার হাজার কৃষক এই কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন।

    বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ আহম্মেদ ইকবাল, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ হাবিবুর রহমান এবং উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন।

  • মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলায় সুপেয় পানির অধিকার নিশ্চিতের জন্য ক্যাম্পেইন

    মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলায় সুপেয় পানির অধিকার নিশ্চিতের জন্য ক্যাম্পেইন

    বাগেরহাট জেলার উপকূলীয় মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় সুপেয় পানির অধিকার নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক এক বিস্তৃর্ণ ক্যাম্পেইন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকালেই এ কার্যক্রম শুরু হয়, যেখানে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের সৃজন প্রকল্পের উদ্যোগে উপজেলা চত্বরে এই র‌্যালির আয়োজন করা হয়। র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহসহ ব্যাপক সংখ্যক নারী-পুরুষ, স্থানীয় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিরা।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা জীবনের মৌলিক অধিকার হিসেবে নিরাপদ পানির প্রাপ্যতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোর সক্রিয়তার ওপর জোর দেন, যাতে পানির অভাব দূর হয়। এ কার্যক্রমের শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করা হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য ৯ দফা দাবি তুলে ধরেছেন। এর মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি এবং সুপেয় পানির নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

  • খুলনায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষের উদ্বোধন

    খুলনায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষের উদ্বোধন

    আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকালেও খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে এক সুন্দর ও আলোচিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষের উদযাপন শুরু হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে খুলনা জেলা প্রশাসন এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে অংশগ্রহণ করে।

    এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ হই, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করি’। এটি আমাদের সমাজে নারীর নিরাপত্তা ও সম্মান বজায় রাখতে কীভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

    নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে তারা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতন বন্ধ করতে হলে নারীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। নারীরা যখন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবেন, তখন তাদের উপর নির্যাতন স্বাভাবিকভাবেই কমে যাবে। নারীরা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠলে, সমাজে তাদের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে নারীরা ঘর ও বাইরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন, তাই তাদের সম্মান দেয়া সমাজের মূল দায়িত্ব। বক্তারা প্রার্থনা করেন, নারীরা যেন মানুষের মতো স্বাধীনভাবে জীবন যাপন করতে পারেন এবং তাদের পরিপূর্ণ অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

    উদ্যোক্তা and অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, মহিলা বিষয়ক দপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুরাইয়া সিদ্দীকা, মহিলা নেত্রী অ্যাডভোকেট শামীমা সুলতানা শিলু এবং বিভিন্ন নারী সংগঠনের প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বেসরকারি নারী সংগঠন, এনজিও ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন।

    উল্লেখ্য, এই নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষে কার্যক্রম আগামী ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এই সময়ে সমাজের প্রত্যেকটি স্তরে নারী ও মেয়েদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

  • চিতলমারীতে ঘের পাড় থেকে কৃষকের লাশ উদ্ধার

    চিতলমারীতে ঘের পাড় থেকে কৃষকের লাশ উদ্ধার

    বগেরহাটের চিতলমারী থানার পুলিশ সোমবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের উত্তর লড়ারকুল এলাকা থেকে দাউদ মাঝি (৫০) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে। দাউদ মাঝি উত্তর লড়ারকুল গ্রামের মো. সৈয়দ মাঝির ছেলে।

    স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, দাউদ মাঝি ওই এলাকার ক্ষিরোদ মাঝি ও মনি ঠাকুরের জমি নগদ ভাড়ায় নিয়ে মাছ এবং সবজি চাষ করতেন। সোমবার ভোরে তিনি মাছের ঘেরে কাজে যান। সকালে তার লাশ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখ্ছেন গ্রামবাসীরা, এরপর তারা পুলিশে খবর দেন।

    চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে এবং লাশ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ইঁদুর মারার জন্য ব্যবহার করা ফাঁদে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে দাউদ মাঝির মৃত্যু হয়েছে। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলার হাসপাতালে পাঠানো হবে, এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • কালীগঞ্জে ককটেল উদ্ধার, বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের ধ্বংস কার্যক্রম

    কালীগঞ্জে ককটেল উদ্ধার, বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের ধ্বংস কার্যক্রম

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে উদ্ধার হওয়া ১৬টি ককটেল ঢাকায় থেকে আসা বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের মাধ্যমে নিরাপদে ধ্বংস করা হয়েছে। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে শহরের নতুন বাজার এলাকার মিনি স্টেডিয়াম মাঠে এই ধ্বংসকরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

    বোমা নিষ্ক্রিয়করণে নেতৃত্ব দেন ঢাকামুখী বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের প্রধান, এবং কালীগঞ্জ থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু আজিব। এ সময় কালীগঞ্জ থানার একজন দক্ষ টিমও ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুরো প্রক্রিয়ার সহায়তা করেন।

    কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, গত ১৭ জুন জামাল ইউনিয়নের পীর গোপালপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে আব্দুর রাজ্জাক নামে একজনকে আটক করা হয়। এ সময় তার বাড়ি থেকে ১৬টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়।

    তার পর, এই উদ্ধারকৃত ককটেলগুলো নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করতে আজকের এই ধ্বংসকরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। অত্র পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর এই সফলতাকে জননিরপত্তার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছে।

  • বাগেরহাটে নারী ও যুবকের নির্বাচনী অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব বিকাশে নাগরিক সম্মেলন

    বাগেরহাটে নারী ও যুবকের নির্বাচনী অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব বিকাশে নাগরিক সম্মেলন

    বাগেরহাটে নারী ও যুবকদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্ব বিকাশের উদ্দেশ্যে এক নাগরিক সমাজ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় সোমবার (২৪ নভেম্বর) দিনব্যাপী শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে। ইনিৎয়াটিভ ফর রাইট ভিউ (আইআরভি) এর উদ্যোগে এবং একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়।

    সম্মেলনে উদ্ধার ছিলেন সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএসও)’বাগেরহাটের সভাপতি শেখ মাহবুবুর রহমান লিটন। তাঁর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক তরফদার রবিউল ইসলাম, আইআরভি এর নির্বাহী পরিচালক মেরিনা যুথি এবং বাধন মানব উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক এএসএম মঞ্জুরল হাসান মিলনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

    বিশেষ আলোচনার বিষয় ছিল, নির্বাচন ও নির্বাচনী কাজে নারীদের এবং যুবকদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণের বিভিন্ন কৌশল।

    সম্মেলনে অংশ নেওয়া যুবক মাহফুজ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভোটাররা তাদের পছন্দমত ভোট দিতে পারেন না। অনেককেই জোর করে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমাবেশে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি এ ধরনের অভিযোগ বন্ধের আহ্বান জানান।

    বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তরফদার রবিউল ইসলাম বলেন, ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রার্থীর যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে ভোট দেওয়া উচিত, যাতে নির্বাচিত ব্যক্তি জনসেবায় মনোযোগী হন।

    আইআরভির নির্বাহী পরিচালক মেরিনা যুথি বলেন, দেশের জনসংখ্যার গড়ে নারীরা বা পুরুষেরা সমান অংশ নেবে—এ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে নারীদের অংশগ্রহণ খুবই কম। তিনি নারীদের নেতৃত্ব ও সামাজিক কাজে আরও বেশি অংশগ্রহণের জন্য সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

    এছাড়াও, নাগরিক সম্মেলন উপলক্ষে আইআরভির উদ্যোগে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামের সামনে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। এই শোভাযাত্রা শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে আবার অডিটোরিয়ামে এসে শেষ হয়।

  • মোরেলগঞ্জে ১৭শ’ কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ

    মোরেলগঞ্জে ১৭শ’ কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের কৃষি পূর্ণবাসন সহায়তা প্রকল্পের আওতায় রবী/কৃষি মৌসুমে উফশী ও হাইব্রিড ফসলের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৭শ’ কৃষকের মধ্যে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ করা হয়েছে। এর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল্লাহ। সোমবার দুপুর ১২টায় উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার ডল্টন রায়, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মশিউর রহমান, শহিদুল ইসলাম, সালমা আক্তার ও অন্যান্য কৃষি কর্মকর্তারা। উপজেলা ১৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার মোট ১৭শ’ কৃষকের মধ্যে ২ কেজি করে হাইব্রিড ধানের বীজ, পাশাপাশি ২০০ কৃষকের জন্য ৫ কেজি করে উফশী বীজ, ১০ কেজি ডিওপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানশেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল্লাহ বলেন, মোরেলগঞ্জ উপজেলায় মৎস্য উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষিতেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে কৃষকরা। রবী মৌসুমে ১৭শ’ কৃষকের মাঝে এই প্রণোদনা বিতরণ করা হচ্ছে, যা কৃষকদের কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • খুলনায় মোবাইল বিক্রির বন্ধে ব্যবসায়ী মানববন্ধন

    খুলনায় মোবাইল বিক্রির বন্ধে ব্যবসায়ী মানববন্ধন

    খুলনায় মোবাইল হ্যান্ডসেটের বাজারে সিন্ডিকেট গঠনের চেষ্টা রুখতে ব্যবসায়ীরা সামগ্রিকভাবে সব মোবাইল মার্কেট বন্ধ করে দিয়েছেন। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল থেকে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ শিববাড়ি মোড়ে ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন করেছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারা মোবাইল ব্যবসায়ের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন।

    দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেটের আমদানির ওপর ৫৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে চালু হতে যাচ্ছে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) সিস্টেম—এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা প্রতিবাদ জানিয়েছেন। মোবাইল ব্যবসায়ীরা মনে করেন, এ নীতি বাস্তবায়িত হলে দেশের কোটি মানুষ প্রযুক্তিগতভাবে পিছিয়ে পড়বে, মোবাইলের দাম লাগামহীনভাবে বেড়ে যাবে এবং পুরো মোবাইল খাতের স্থিতি বিপর্যস্ত হবে।

    মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, দেশের ৬০-৭০ শতাংশ ব্যবসায়ীকে বাদ দিয়ে মাত্র ৩০ শতাংশ প্রভাবশালী ব্যবসায়ী একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলতে চাচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, বর্তমানে দেশের মোবাইল বাজারের প্রায় ৮-৯ জন লাইসেন্সধারীর দখলে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। এই অজুহাতে, ২০ কোটি মানুষের দেশে মোবাইল ব্যবসার লাইসেন্স সংখ্যাটি অযৌক্তিকভাবে খুবই কম। বাজারে স্বাভাবিক প্রতিযোগিতা ও ভারসাম্য বজায় রাখতে লাইসেন্সের সংখ্যা অন্তত পাঁচ হাজারে উন্নীত করার দাবি জানান তারা।

    বক্তারা আরও বলেন, সিন্ডিকেটের এই প্রভাব কয়েকজন প্রভাবশালী মুনাফাখোর গোষ্ঠী এনইআইআর সিস্টেমকে ব্যবহার করে বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে। এর ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, আর সাধারণ মানুষ বেশি দামে মোবাইল ফোন কিনতে বাধ্য হবে। তারা প্রশ্ন করেন, ভোক্তাদের ক্ষতি কেন? এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ চাই।

    খুলনা মহানগর মোবাইল ফোন ও অ্যাক্সেসরিজ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কায়েসুল আজাদ শাকিলের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম পল্টুর পরিচালনায় মানববন্ধনে বিভিন্ন ব্যবসায়ী নেতা ও অংশগ্রহণকারী বক্তব্য রাখেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আমিনুল ইসলাম রনি, খোরশেদ আলম, মাকসুদ রানা মুরাদ, মো. নুর ইসলাম সরদার, আজিজুল আমিন, ইমরান হাসান, মো. বেলাল হোসেন, নিহাল আহম্মদ হিরা, মোস্তফা কামাল ও শাহনাজ আলী জনি।