Category: সারাদেশ

  • ভোটাধিকার দেশের অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে

    ভোটাধিকার দেশের অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, দেশের ভবিষ্যত নিরাপদ করতে নাগরিকদের ভোটাধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটাধিকার শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে না, বরং দেশের অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতার পথ সুগম করে। তিনি বলেন, যদি জনগণ সক্রিয়ভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে, তবে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং সঠিক পথে অগ্রগতি সম্ভব হবে। বর্তমানে আমরা একটি ট্রানজিশন পর্বে আছি, যেখানে কর্তৃত্ববাদী শাসন থেকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথে এগোচ্ছি। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন মহল নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে লিপ্ত হলেও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    গতকাল বুধবার, সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর শেরে বাংলা রোডের জোহরা খাতুন শিশু বিদ্যানিকেতনে সকল শিক্ষিকাদের সঙ্গে মতবিনিময়, ফুলেল শুভেচ্ছা ও আলোচনা করেন। এছাড়াও, সিমেট্রি রোডে আর্চ্য্যপ্রফুল্লচন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    তিনি আরও বলেন, যতটা সম্ভব ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। তিনি বনানী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, এডিবি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এবং সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আলোচনা করেন। এর পাশাপাশি, তিনি সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়ীজ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন, ব্যাংক অফিসার কল্যাণ সমিতির নেতাদের সঙ্গে এবং খুলনা বাজার পোস্ট অফিসসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

    পরে, তিনি মহানগর বিএনপি’র সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম শাহজালাল বাবলু, মরহুম এম এ সালাম মন্টু এবং অসুস্থ এড. রফিকুল ইসলামের পরিবারের সাথে দেখা করেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন। সন্ধ্যায়, তিনি জনতা ব্যাংক কর্পোরেট শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর, তিনি জনতা ব্যাংক জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রার্থীকে সমর্থন দিতে সবাইকে অনুরোধ করেন।

    এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন, মজনু, মজিবর রহমান ফয়েজ, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শমসের আলী মিন্টু, কামরান হাসান, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, ইশহাক তালুকদার, রবিউল ইসলাম রবি, ওমর ফারুক, নাসির খান, মেহেদী হাসান সোহাগ, আব্দুল মতিন, মেশকাত আলী, খায়রুল ইসলাম লাল, মাহবুব হোসেন, মোস্তফা কামাল, আসলাম হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, আলমগীর হোসেন আলম, আবুল বাসার, আল বেলাল, রিয়াজুর রহমান, শামীম আশরাফ, মোল্লা আলী আহমেদ, শরিফুল ইসলাম সাগর, মাজেদা খাতুন, ওহেদুর রহমান বাবু, আসাদুজ্জামান বাদশা, সুলতান মাহমুদ সুমন, কামাল উদ্দিন, মোস্তফা জামান মিন্টু, হুমায়ুন কবির, রবিউল ইসলাম বিপ্লব, ফিরোজ আহমেদ, সাব্বির হোসেন, খান মঈনুল ইসলাম মিঠু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুশফিকুর রহমান অভি, মোল্লা ফিরোজ আহমেদ, রাজিবুল আলম বাপ্পি, সেলিম বড় মিয়া, পারভেজ মোড়ল, শামীম রেজা, মাহমুদুল হাসান মুন্না, সাখাওয়াত হোসেন, জামাল মোড়ল, ডাঃ আব্দুস সালাম, আশিকুর রহমান, শেখ আক্তারুজ্জামান, খায়রুল বাসার, মিজানুর রহমান মিজান, আসমত হোসেন, এ আর রহমান, রাজু আহমেদ রাজ, জুয়েল রহমান, শফিউদ্দিন আহমেদ, শওকত আলী, মশিউর রহমান, মোহাম্মাদ আলী, ইকবাল শেখ, সাইদ আলম ও তামিম হাসান প্রমুখ।

  • তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে

    তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে

    মহানগর বিএনপি সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেছেন, খুলনার মানুষ বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি। প্রতিদিনই খুন, সন্ত্রাস এবং অপরাধের ঘটনা বেড়ে চলেছে যা সাধারণ মানুষকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতা জনগণের দুশ্চিন্তা আরও বাড়াচ্ছে। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচির বাস্তবায়নই হবে দেশের জন্য নতুন এক আশার আলো। যদি এই দফাগুলো কার্যকর হয়, তাহলে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে, বিচারহীনতা বন্ধ হবে এবং মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার ফিরে পাবেন। এই কথা তিনি গতকাল বুধবার বিকালে খুলনায় চলমান খুন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি প্রতিরোধে বিএনপি’র ১৮নং ওয়ার্ড শাখা থেকে আয়োজিত এক সমাবেশে উল্লেখ করেন।

    মনা আরও বলেন, দুর্বৃত্তদের ছত্রছায়ায় অপরাধীরা এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। খুলনায় অর্ধশতাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনও অপরাধীকে এখনো আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়নি। জনগণের জানমাল রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন প্রয়োজন।

    সমাবেশে মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, সরকার ব্যর্থতার কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। অবিরাম হত্যা, গুম, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, মাদক ও চাঁদাবাজি রোধে নিরপেক্ষ প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণের কোন বিকল্প নেই। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, দেশের ভিতরে থাকা ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলি বিদেশে অবস্থান করে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে, যা খুলনা সহ পুরো দেশের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

    শেখ আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে এই সমাবেশে বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, সৈয়দা রেহানা ঈসা, হাফিজুর রহমান মনি, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসাদ, জাকির ইকবাল বাপ্পি, শাহিদ হাসান লাভলু, মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল, শেখ হাবিবুর রহমান, শেখ মোস্তফা কামাল, শেখ আজিজুর রহমান, মোহাম্মদ আবল ওয়ার, আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, কামরুজ্জামান রুনি, শওকত আলী বিশ্বাস লাবু, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বকশী, কাদের মল্লিক, ইয়াসিন মো্ল্লা মোহাম্মদ আবু বক্কার মীর, মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, কাজী জলিল, হেলাল ফারাজি, সিদ্দিকুর রহমান, সাইফুল মল্লিক, সুজন সিকদার, শহিদুল ইসলাম শহীদ, রিয়াজুল কবির, একরাম মোল্লা, আলী আহমেদ, দুলু মোল্লা, রাহুল চিশতী, হুমায়ুন কোভিদ, আব্দুল আলিম ও আব্দুল ওয়াদুদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ পরিচালনা করেন ওয়াহিদুজ্জামান হাওলাদার। এতে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনার নতুন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান

    খুলনার নতুন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান

    খুলনা জেলার नए পুলিশ সুপার হিসেবে মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের নিয়োগ দিয়ে অনেকের মনে আশা জেগেছে। এর আগে তিনি সিলেট জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সম্প্রতি তিনি একটি লটারির মাধ্যমে খুলনায় যোগদানের সুযোগ পেয়েছেন, যা খুবই অনন্য এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার ফল। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগের ঘোষণা দেয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এই আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর আগে গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ৬৪ জেলার এসপি নিয়োগের জন্য লটারির আয়োজন করা হয়। এই লটারিটি অনুষ্ঠিত হয় গত সোমবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে, যেখানে সবাই স্বচ্ছতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।

  • দেলুটি ইউনিয়নে ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা, বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে

    দেলুটি ইউনিয়নে ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা, বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে

    খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেছেন, দেলুটি ইউনিয়ন হলো খুলনা ও পাইকগাছার মধ্যে অন্যতম অবহেলিত ও জরাজীর্ণ এলাকা। এখানকার রাস্তাঘাট নেই বললেন তিনি, আমি আজ নিজে এসে এই অঞ্চলের অবস্থা দেখেছি, কতটা অসহায় এই জনসাধারণ। আমি এই এলাকার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে উঠেছি, আপনাদের সবাইকে আমি যেন ভোট দিয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেন। আমি এই দ্বীপপুঞ্জের তিন ভাগে বিভক্ত দেলুটি ইউনিয়নকে সুন্দরভাবে উন্নত করতে চাই। একইসঙ্গে কয়রা-পাইকগাছার সাথে খুলনাকে সংযোগ করতে দেলুটি এলাকায় একটি ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ব্যবসা-বাণিজ্য আরও প্রসারিত হবে, আর এই অঞ্চলকে বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। গতকাল মঙ্গলবার ব্যাপক গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রভাষক সুজিত কুমার মন্ডল। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডাঃ আবদুল মজিদ, পাইকগাছা পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম এনামুল হক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী এবং অন্যান্য নেতাকর্মীরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট জিএম আব্দুর সাত্তার, এস এম ইমদাদুল হক, আবুল হোসেন, সেলিম রেজা লাকী, তুষার কান্তি মন্ডল, মোস্তফা মোড়ল, টিএম সাইফুদ্দিন সুমন, শেখ মেছের আলী সানা, শেখ রুহুল কুদ্দুসসহ আরও অনেক নেতা ও কর্মী।

  • খুলনায় মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছেন নূর হাসান, তদন্তের দাবী

    খুলনায় মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছেন নূর হাসান, তদন্তের দাবী

    খুলনায় একটি মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ২৪ দিন কারাগারে বসবাস করতে হয়েছে নূর হাসান নামে এক ব্যক্তিকে। মঙ্গলবার সকালে খুলনা প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের দুঃখ এবং পরিস্থিতি তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, আমার সঙ্গে একটি গার্মেন্টস পণ্য বিক্রির ব্যবসায় একজন ব্যক্তি ফাহাদ আহমেদ তৃপ্তের সঙ্গে কাজ করতাম। ব্যবসার সময় তিনি আমার থেকে দুই মাসের comissão হিসেবে প্রায় ৫ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়েছিলেন, যা পরে সমন্বয় করার কথা ছিল। কিন্তু ঘটনার দিন, আমার অনুপস্থিতিতে তিনি ওই হিসাবের খাতা চুরি করে নিয়ে যান। আমি তখন ঢাকায় ছিলাম।

  • খুলনায় আলামিন হত্যাকাণ্ডের আসামি গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার

    খুলনায় আলামিন হত্যাকাণ্ডের আসামি গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার

    খুলনায় আলামিন হত্যা মামলার এক আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও দৌলতপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে সোমবার খুলনা সদর থানাধীন সার্কিট হাউস এলাকার কাছ থেকে আটক করে। গ্রেফতারকৃত আকাশ হাওলাদার নামে এই আসামির কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডের সাথে ব্যবহৃত ধারাল দেশীয় অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয় মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর)।

    আটকের পর তার কাছ থেকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আলামিন হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো কোথায় রাখা হয়েছে বলে সে স্বীকার করে। এরপর ডুবুরি দলসহ পুলিশ মহেশ্বরপাশা উত্তর বনিকপাড়া এলাকার একটি পুকুর তল্লাশি করে সেখানে থাকা চাপাতি, এক বড় ছোরা ও মাঝারি আকারের ছোড়া উদ্ধার করে।

    দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালত থেকে রিমান্ড নেওয়া হয় এবং পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আকাশ হাওলাদার। এছাড়াও, এতে সংশ্লিষ্ট আরেকজন আসামির দ্রুত গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, ৩ আগস্ট রাতে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার সময় মহেশ্বরপাশা উত্তর বনিকপাড়া এলাকায় পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে আলামিন হাওলাদারকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

  • চিতলমারী ব্যবসায়ীদের নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা ব্যাপক উত্তেজনাকর

    চিতলমারী ব্যবসায়ীদের নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা ব্যাপক উত্তেজনাকর

    বাগেরহাটের চিতলমারী সদর বাজারের ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে এখন জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। দীর্ঘ ১৭ বছর পর এ নির্বাচনের জন্য চলছে ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বণিক সমাজের মধ্যে এ বিষয়টি নিয়ে মুখরোচূর্ণ আলোচনা চলছে। ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়েছে বাজারের অলিগলি, যা চোখে পড়ার মতো। ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে, কেউ জেতার দৌঁড়ে জড়িয়ে পড়েছেন, আবার কেউ ভাবছেন কাকে ভোট দেবেন। কে জিতবেন এবং কে হারবেন — এ নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। মোট কথা, সদর বাজারের ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনে এখন যে উদ্দিপনা এবং আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

    নির্বাচনের তফশীল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার শেখ শাহাদাৎ হোসেন বুলু, ৮ নভেম্বর রাতে। তফশীল অনুযায়ী, এ বছর ২৮ নভেম্বর (শুক্রবার) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে পাঁচটি পদে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনী এ লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার জন্য প্রার্থী ও ভোটাররা শীতের মধ্যে চেষ্টায় লিপ্ত, দিনরাত প্রার্থনা ও শুভকামনা করছেন। ভোটারদের ধারণা, ১৭ বছর পরের এ নির্বাচনটি হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।

    প্রার্থী কেউ কেউ হচ্ছেন, সভাপতি পদে মোঃ শহর আলী গাজী, মোঃ শোয়েব হোসেন গাজী ও মোঃ মনিরুজ্জামান খান। সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন শেখ আসাদুজ্জামান ও জয়নুল পারভেজ সুমন। সাংগঠনিক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোঃ রাসেল শেখ ও সাদ্দাম শেখ। দপ্তর সম্পাদক পদে আছেন সৈয়দ সিব্বির হাসান ও অনুপম সাহা। অন্যদিকে, কোষাধ্যক্ষ পদে রয়েছেন রাজু তালুকদার ও লিটন। এ বছর মোট ৭০৮ ব্যবসায়ী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচনকে সফলভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে।

    সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে ডিসেম্বর চিতলমারী বাজারের ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির শেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তখন শেখ হাফিজুর রহমান সভাপতি এবং মোঃ শহর আলী গাজী সাধারণ সম্পাদক পদে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেন। এরপর নানা কারণে নির্বাচন না হলেও, বর্তমান পরিস্থিতি আবার নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। আটেক নতুন প্রজন্মের মধ্যেও এ নির্বাচনের প্রভাব ব্যাপকভাবে অনুভব করা হচ্ছে, যা বাজারের চলমান অর্থনৈতিক জীবন ও শ্রমিক সংগঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

  • ধানের শীষ: সকল মানুষের প্রতীক

    ধানের শীষ: সকল মানুষের প্রতীক

    বাংলাদেশ এখন গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন মহানগরীর খুলনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, সারাদেশে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা একত্রে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছে। ধানের শীষ শুধু একটি নির্বাচনী প্রতীক নয়, এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের প্রতীক। এটি হচ্ছে সমস্ত সাধারণ মানুষের প্রতীক।

    গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ১০টায় নগরীর শেরে বাংলা রোডের কিডস্ ক্যাম্পাস কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সঙ্গে কেক কেটে বই ও খেলার ক্লাসের শুভ সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আবুল বাসার এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক কাউন্সিলর শমসের আলী মিন্টু।

    এর পরে তিনি রূপসা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, রূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ঢাকা ম্যাচ ফ্যাক্টরির শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পাশাপাশি তিনি খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রাথমিক পরিকল্পনা নিয়ে এক আলোচনা সভায় অংশ নেন। সন্ধ্যার পর তিনি কেডিএ এভিনিউস্থ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সিটি ইমেজিং সেন্টার ও মিউচুয়াল ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

    অর্থাৎ, তিনি অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি ও ব্যাংক কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় আলোচনায় অংশ নেন, যেখানে তিনি ব্যাংক কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সব কর্মসূচির মধ্যে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি, যেখানে তিনি বলেছেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে তিনি পুনরায় নির্বাচিত হয়ে জনগণের সেবা করবেন। তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে এবং নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। এই নির্বাচনে যাতে সবাই একযোগে কাজ করে গণতন্ত্রের পথ ধরে সরকারের শুভ পরিবর্তন আনা যায়, সেখানে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

    অনেক প্রাকৃতিক নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন নেতা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যম কর্মীরা, যারা সব মিলিয়ে এই নির্বাচনকে শক্তিশালী ও ভোটকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে একসঙ্গে কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধানের শীষের বিকল্প নেই: মঞ্জু

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধানের শীষের বিকল্প নেই: মঞ্জু

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেছেন যে, বাংলাদেশ দেশকে সুন্দরভাবে গঠন করতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধানের শীষের বিকল্প নেই। তিনি বলেছেন, এই নির্বাচনে দলকে জিতিয়ে আনতে আমাদের সকল নেতাকর্মীকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে নির্বাচনী প্রচার এবং কর্মসূচি পালন করতে হবে যাতে দল বিজয়ী হয়।

    সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় খুলনা জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খন্দকার, খুলনা জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার, খুলনা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোঃ রফিকুল গাজীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। পরে তিনি ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ডক্টরস পয়েন্টের চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এছাড়া, অসুস্থ অধ্যাপক হারুন-অর রশিদ, পিটিআই মসজিদের খতিব হাফেজ মাকছুদুর রহমানের বাসায় গিয়েও সাক্ষাত করেন এবং দোয়া পরিচালনা করেন।

    সন্ধ্যার পর, কেসিসি কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ গঠনের জন্য ৩১ দফা ঘোষণা দিয়েছেন। ভবিষ্যতে যদি দল ক্ষমতায় আসে, এই ৩১ দফা ভিত্তিতে একটি শান্তিপূর্ণ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্তরে নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচির সফলতার জন্য কাজ করছেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, এড. ফজলে হালিম লিটন, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মজিবর রহমান ফয়েজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, মোস্তফা কামাল, ইশহাক তালুকদার, এড. মুজিবর রহমান, মহিবুল্লাহ শামীম, রবিউল ইসলাম রবি, আব্দুল মতিন, মেশকাত আলী, আব্দুল জব্বার, রিয়াজুর রহমান, আলমগীর হোসেন আলম, মাহবুব হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, খান শহিদুল ইসলাম, মাসুদ খান বাদল, শামীম খান, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, কামাল উদ্দিন, সমীর কুমার সাহা, এড. আব্দুস সোবহান সরদার, নুরুল ইসলাম লিটন, শরিফুল ইসলাম সাগর, এড. ওমর ফারুক, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, ফিরোজ আহমেদ, আলমগীর ব্যাপারী, মুশফিকুর রহমান অভি, এস কে মাহমুদ, ওহেদুর রহমান বাবু, সেলিম বড় মিয়া, খান রাজিব, শহিদুল ইসলাম লিটন, মাহমুদ হাসান মুন্না, সজল আকন নাসিব, জাহান আলী, আবু দাউদ খান, এ আর রহমান, রুহুল আমিন রাসেল, বাবুল হোসেন, ওহেদুজ্জামান শিমুল, পারভেজ মোড়ল, রাজু আহমেদ রাজ, জামাল মোড়ল, লাল মিয়া, মামুনুর রহমান রাসেল, জুয়েল রহমান, জাহিদুল ইসলাম শেখ, আতিকুর রহমান লিটন, আসাদ সানা, নাহিদ ইসলাম, শফিউদ্দিন আহমেদ, আসমত হোসেন, আনোয়ার মোল্লা, মিজান সরদার, শহিদ ব্যাপারী, কামাল হোসেন, ইমতিয়াজ সেজান, হারুন হেলাল, রিমো চৌধুরী, আবুল কালাম, আশিকুর রহমান সেলিম, আবুল কাশেম হাবলী প্রমুখ।

  • খুলনা শিল্পাঞ্চল এখন মৃত নগরী: আ’লীগ নেতাদের মেশিনারিজ বিক্রির অভিযোগ

    খুলনা শিল্পাঞ্চল এখন মৃত নগরী: আ’লীগ নেতাদের মেশিনারিজ বিক্রির অভিযোগ

    খুলনার একসময়কার ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্যপূর্ণ শিল্পাঞ্চল খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানার এলাকা এখন হারিয়ে গেছে তার ঐতিহ্য ও জীবন্ত চেহারা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পানি সংকট, পাটকল বন্ধ হওয়া ও স্বাস্থ্যসেবা হ্রাসের কারণে এলাকা যেন এক বিশাল শোকাবহ মৃত নগরীতে পরিণত হয়েছে। এমত পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর সমালোচনায় মুখর হয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. এস এম শফিকুল আলম মনা। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নেতারা লিজের নামে পাটকলের মূল্যবান যন্ত্রাংশ খুলে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করে দিয়েছেন। এর ফলে শ্রমিকরা তাদের প্রাপ্য অর্থ পাননি, তবুও তারা অসুস্থতা ও দূর্দশায় জীবন কাটাচ্ছেন।

    সোমবার রাতে নগরীর দৌলতপুরস্থ ৩নং ওয়ার্ডে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও বিশিষ্টজনদের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের পক্ষে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এই অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, গত এক দশকে এই এলাকা পানির একটির জন্য হাহাকার চলছে। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন আশ্বাস দেয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে কিছুই পাল্টালো না। বর্তমানে খালিশপুর ও এর আশপাশের এলাকা যেন এক প্রায় মৃত নগরীতে পরিণত। দুপুর ১২টার দিকে খালিশপুরে গেলে মনে হয় যেন কেউ জীবিত নেই, পুরো এলাকা যেন শ্মশান বা মৃতপুর।

    পাটকল বন্ধের পর থেকে শ্রমিকদের জীবন দুর্বল ও অসহায় হয়ে পড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই পাট উৎপাদনকারী মিলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। লিজের জন্য মাননীয় সরকার যন্ত্রাংশগুলো স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করে দিয়ে শ্রমিকদের পাওনা টাকা পর্যন্ত পরিশোধ করেনি। এতে শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য অধিকার পাননি।

    স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার দুর্বলতাও তিনি তুলে ধরেন। সরকারি ও বেসরকারি মানসম্পন্ন হাসপাতাল না থাকায় অসুস্থ হলে মানুষকে অনেক দুরে খুলনা মেডিকেলে যেতে হয়। পথেই অনেকের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে রকিবুল ইসলাম বকুল এলাকা উন্নয়নে ব্যাপক উদ্যোগ নিবেন এবং একটি বড় হাসপাতাল নির্মাণ করবেন।

    বক্তব্যে তিনি ধর্মীয় বিভ্রান্তিকর প্রচারণারও সমালোচনা করেন। বলেন, কেউ বলছেন, ভোট দিলে বেহেশত যাবে। এটা সম্পূর্ণ ভুল ও শিরক। আল্লাহই একমাত্র যে মানুষকে বেহেশতে নেবেন। এসব বিভ্রান্তি পরিহার করতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

    সভায় আরও বক্তৃতা করেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদি, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শেখ শরিফুল আলম। সভা শেষে ‘ক্যাপ্টেন রকিবুল ইসলাম বকুল’ শিরোনামের অনুপ্রেরণামূলক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    অন্তে, শফিকুল আলম মনা ভোটারদের প্রতি অনুরোধ জানান, বিপদকালীন সময়ে পাশে থাকা নেতা হিসেবে রকিবুল ইসলাম বকুলকে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য।