Category: সারাদেশ

  • বিএনপির বিশ্বাস পরিবর্তনের রাজনীতিতে, প্রতিহিংসার নয়: হেলাল

    বিএনপির বিশ্বাস পরিবর্তনের রাজনীতিতে, প্রতিহিংসার নয়: হেলাল

    প্রধান অতিথি হিসেবে দিঘলিয়ার চন্দনী মহলে অংশগ্রহণ করে তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাসী বা মাদক ব্যবসায়ীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না। আমরা প্রতিহিংসা নয়, পরিবর্তনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি।’ বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বুধবার দিঘলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জনসংযোগ, সুধী সমাবেশ, বৃক্ষরোপণ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়সহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। তিনি সেখানে ‘একটি বাড়ি, একটি গাছ’ শ্লোগান নিয়ে সবুজায়ন ও পরিবেশ রক্ষা করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছ লাগানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিবেশের প্রতি সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। গণসংযোগকালে হেলাল বলেন, দিঘলিয়ায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য কোনো ঠাঁই নেই। বিএনপি কখনো অপরাধীদের পৃষ্টপোষকতা করে না। অপরাধীর পরিচয় তাকে তার অপরাধ; সে সেটা কোনো রাজনৈতিক দলের হতে পারে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। হেলাল আরও বলেন, স্টার জুট মিলসহ এই অঞ্চলের বন্ধ হয়ে থাকা সব শিল্প-কারখানা পুনরায় চালু করা হবে, যাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়। অ্যাকসেসের বিশুদ্ধ পানির সংকট দুরু করতে আধুনিক ওয়াটার প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে। পুরো এলাকাটি পরিকল্পিতভাবে উন্নত নগরায়নের আওতায় নিয়ে আসা হবে। তিনি সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাদের ফ্যাসিস্ট মাফিয়া চেহারা এবং বিদেশে পালানো নেতারা ব্যর্থ। এ সুযোগে জামায়াতও নিজেদের বিকল্প হিসেবে দেখাচ্ছে, কিন্তু জনগণ বিএনপিকেই পরিবর্তনের আস্থা হিসেবে ধরা đang। সুধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শেখ মোসলেম উদ্দিন, উপস্থিত ছিলেন জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

  • গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর আহ্বান

    গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর আহ্বান

    প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, বরং শইভাবে গণতন্ত্রের জন্য সুদৃঢ় ভিত্তি নির্মাণের ওপর জোর দেন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, আমাদের যদি আসল অর্থে টেকসই ও শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হয়, তাহলে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হওয়া থেকে বিরত রাখতে হবে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার উদ্দেশ্য হলো, গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত ও সুদৃঢ় করার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিএনপির উপর এই বিষয়ে বেশি দায়িত্ব আসে, তাদের প্রত্যেকের উচিত এমন একটি শক্তিশালী মোর্চা গঠন করা, যা অতীতে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে, ভবিষ্যতেও লড়বে এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিকে সাংগঠনিক রূপ দেবে। তিনি মনে করেন, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে পথ চলতে হবে।

    গতকাল বুধবার বোর্ডের আহসানউল্লাহ কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সিটি গার্লস কলেজ, খুলনা কলেজ ও পল্লীমঙ্গল স্কুলে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এতে অংশ নেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। এরপর তিনি নগরীর ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম খন্দকার আবু সিদ্দিক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ মরহুম সৈয়দ রফিকুল ইসলাম মিনু, অসুস্থ ইসমাইল হোসেন ও অন্যান্য দলের নেতাকর্মীর বাসভবনে যান এবং তাদের সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন।

    বেলা শেষে তিনি তেঁতুলতলা মোড়ে সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি’র কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জনতা ব্যাংক জাতীয়তাবাদী অফিসার কল্যাণ সমিতি ও সোনালী ব্যাংক খুলনা জেলা জিয়া পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। নেতৃবৃন্দ তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে উৎসাহ ব্যক্ত করেন।

    সাক্ষাৎকালে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আমরা সবসময় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি এবং এর জন্য সংগ্রাম করে এসেছি। বাংলাদেশের মানুষও শত শত বছর ধরে তাদের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে এসেছে। তাই, গণতন্ত্রের এই ভিত্তিকে মজবুত করার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এই সংগ্রাম ও লড়াই শুধু বর্তমানে নয়, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যও অপরিহার্য।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিশিষ্ট নেতা, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তারা সবাই তাঁকে শুভেচ্ছা ও আয়োজিত নির্বাচনে সফলতার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। সাথে ছিল উন্মুক্ত আলোচনা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের পরিকল্পনা। নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, দেশের ইতিহাস আর সংগ্রামের ধারায় গণতন্ত্রের প্রতিটি সোপানই আমাদের অর্জন। এ লক্ষ্য সামনে রেখে, সকলের ঐক্য ও উদ্যোগ এই সংগ্রামের মূল শক্তি।

  • নির্বাচিত সরকারই পারে জনগণের প্রকৃত সমস্যার সমাধান

    নির্বাচিত সরকারই পারে জনগণের প্রকৃত সমস্যার সমাধান

    জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ছাড়া মানুষের মূল সমস্যা কোনোদিনই সমাধান হবে না—এই কথা বলেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, দেশের মানুষ আজ সুস্থভাবে জীবনযাপন করতে পারছেন না কারণ বর্তমান বা পূর্ববর্তী কোনো সরকারই ভোটে নির্বাচিত হয়নি। একটি নির্বাচিত সরকারই জনগণের কাছে জবাবদিহিতার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন তথা সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করতে পারে।

    বুধবার বিকালে নগরীর খালিশপুর থানার আলমনগর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নবনির্বাচিত পরিষদ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, আমাকে যখন বলা হয়, ভালো আছি—আসলে আমরা যতটা ভালো থাকার কথা, ততটা পরিবার, ব্যবসা ও শ্রমিকেরা ভালো নেই। বেকার যুবক, ব্যবসায়ীরা এবং শ্রমিক সমাজ আজ সংকটে পড়েছে কারণ অনির্বাচিত সরকার দেশের কল্যাণে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, অতীতে যে সরকার ছিল, তারা নির্বাচিত ছিল না, এখনকার সরকারও আসলে নির্বাচনপ্রার্থী নয়। এই অপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে না। তারা আমাদের বন্ধ মিলে কাজ করতে পারেনি, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান দিতে পারেনি, শিক্ষিত তরুণদের জন্য কর্মক্ষেত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়নি এবং বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি।

    সমাধানের জন্য তিনি বলেন, ভোটে নির্বাচিত সরকারই হবে মূল প্রতিশ্রুতিশীল। তারা হলে বন্ধ ব্যাবসাগুলি পুনরায় চালু হবে, চাকরি বাড়বে, ঘরে ঘরে সাশ্রয়ী মূল্যেসামগ্রী পৌঁছাবে এবং চিকিৎসা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন ঘটবে। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বকুল বলেন, ইনশাল্লাহ, সকলকেই সতর্ক থাকতে হবে এবং ভোটের মাধ্যমে নিজের পছন্দের সরকার নির্বাচিত করতে হবে, যারা সত্যিই জনগণের সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন আলমনগর বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ বাহারুল ইসলাম বাহার। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, খালিশপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি এড. শেখ মোঃ আলী বাবু, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বিশ্বাস। সভায় সঞ্চালনা করেন আলমনগর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এফ. এম. হাদিউজ্জামান আরিফ। আরও উপস্থিত ছিলেন আলমনগর বাজার বনিক সমিতির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক আঃ সালাম মোল্লা, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি কাজী একরাম মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক গাজী মোঃ সালাহউদ্দিন, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • কলারোয়া উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান লাল্টু ঢাকায় গ্রেফতার

    কলারোয়া উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান লাল্টু ঢাকায় গ্রেফতার

    সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকার মোহাম্মদপুরের তাঁর বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সাদা পোশাকধারী কয়েকজন ব্যক্তি তাকে তুলে নিয়ে যান। এ ঘটনা দেখে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি নিজে জানিয়েছিলেন। তার বড় ছেলে আশিক জানান, স্থানীয় কিছু আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা তার বাবাকে ধরিয়ে দেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন, বাসায় ফেরার সময় সাদা পোশাকধারী ডিবি পুলিশ তার বাবাকে তুলে নিয়ে যায়। তার খালাতো ভাই জিল্লুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগে থেকেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে মোহাম্মদপুরে থাকছিলেন লাল্টু। এর আগে ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি সেখানে বসবাস করছিলেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং বহুল প্রত্যাশিত এই গ্রেফতারে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন মহলের মতামত প্রতিবেদন তৈরি হচ্ছে।

  • নবাগত বিভাগীয় কমিশনার কেসিসির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন

    নবাগত বিভাগীয় কমিশনার কেসিসির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন

    খুলনায় সদ্য যোগদানকারী নতুন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ গতকাল বুধবার দুপুরে নগর ভবনে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয় শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে। এতে সিটি কর্পোরেশনের সব বিভাগ ও শাখা প্রধানের সঙ্গে কেসিসি পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষকগণও উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতে কর্মকর্তারা নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুলের তোরা দিয়ে অভিনন্দন জানান।

    সভায় কেসিসি’র রাজস্ব আদায়, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, এবং খুলনা মহানগরে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মোকাবেলাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি আলোচনা হয়। বিভাগ ও শাখা প্রধানগণ তাদের সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের বিবরণ ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তারা বলেন, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কোনো বাধা নেই, এজন্য প্রশাসক প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন বলে আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনকে একটি সেবা কেন্দ্র হিসেবে উন্নীত করতে হবে এবং নগরবাসীর প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের জন্য সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ প্রাইভেসির বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন, যেন তথ্য ও গোপনীয়তার লংঘন না হয়।

    সভার গুরুত্বপূর্ণ আলোচকদের মধ্যে ছিলেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শরীফ আসিফ রহমান, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর জাহান, পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শরীফ শাম্মীউল ইসলাম, বাজেট ও একাউন্টস অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিচুজ্জামান, শেখ মোঃ মাদুস করিম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, ভেটেরিনারী অফিসার ডাঃ পেরু গোপাল বিশ্বাস, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা এসকে এম তাছাদুজ্জামান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, চীফ এ্যাসেসর শেখ হাফিজুর রহমান, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, বাজার সুপার শেখ শফিকুল হাসান, কেজি কাজী মোঃ ইমরুল হাসান, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম, স্টোর সুপার উজ্জ্বল কুমার সাহা, নিরাপত্তা সুপার মোঃ আলমগীর কবির বিশ্বাস, লাইসেন্স অফিসার খান হাবিবুর রহমান ও মোঃ দেলওয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কর্মকর্তা ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা এসব আলোচনা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করে ভবিষ্যতের কার্যক্রমে সফলতা প্রত্যাশা করেন।

  • বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে বিএনপির বিকল্প নেই

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে বিএনপির বিকল্প নেই

    দিঘলিয়া উপজেলায় সারাদিনব্যাপী নির্বাচনী ও জনসেবা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে বিএনপির বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটেই ভুলে গিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি, আর সেই ভোটে জনগণের বিপ্লব হবে, ইনশাআল্লাহ।

    বুধবার সকাল থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত দিঘলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, বৃক্ষরোপণ, পথসভা, মতবিনিময় ও নির্বাচনী প্রচার চালান তিনি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে আরুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে “একটি বাড়ি একটি গাছ, সবুজায়নের অঙ্গীকার” শ্লোগানে শিক্ষার্থীদের সাথে বৃক্ষরোপণ করেন। পরে স্কুলে শিক্ষকদের সাথে বিশেষ আলাপচারিতায় বলেন, পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ভাষ্য, যদি বিএনপি সরকার গঠন করে, তবে শিক্ষায় এবং পরিবেশের ক্ষেত্রে উন্নত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    দুপুরে তিনি পূর্ব আমবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সাথে আবারও বৃক্ষরোপণ করেন এবং শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করেন। সাথে দূরবর্তী মাঠে মাধপুর ওয়ার্ডের নির্বাচনী পথসভায় বলেন, ভোটাধিকার থেকে দীর্ঘদিন মানুষ বঞ্চিত হলেও এবার ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। জনগণ বুঝতে পেরেছে, বিএনপি হলো সাধারণ মানুষের দল। এ সময় তিনি confidently জানিয়েছেন, জনগণের রায় অনুযায়ী বিএনপি সরকার গঠন করবে।

    দুপুর দেড়টায় রাধা মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আবারো বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম চালানো হয়, যেখানে তিনি উপস্থিত ছিলেন। এরপরে তিনি কামারগাতী বাজারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়, দোকানপঠে লিফলেট বিতরণ এবং নঈম মোল্লার কবর জিয়ারত করেন। লাখোহাটি বাজারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের সাথে আলোচনা করেন, তাদের সমাধান ও উন্নয়নের বিষয়ে। বিকালে বারাকপুরে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা উপভোগ করে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

    সন্ধ্যায় একটি মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতায় তিনি বলেন, রূপসা, দিঘলিয়া ও তেরখাদার মানুষদের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং মানবিক উন্নয়নের স্বার্থে বিএনপির ওপর আস্থা রাখতে হবে। বিএনপি সরকার মার্কা হলে অবহেলিত এলাকা উন্নত, বেকারত্ব কমবে, আধুনিক সড়ক, ব্রিজ, হাসপাতাল ও অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে দিঘলিয়া এক আধুনিক এলাকায় পরিণত হবে।

    বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যেমন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোল্লা সাইফুর রহমান মিন্টু, অর্থাৎ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মীরা।

  • খুলনা নদ-নদী থেকে অর্ধশতাধিক লাশ উদ্ধার, হত্যার রহস্য রহস্য উন্মোচন হয়নি

    খুলনা নদ-নদী থেকে অর্ধশতাধিক লাশ উদ্ধার, হত্যার রহস্য রহস্য উন্মোচন হয়নি

    খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু বলেছেন, দেশের মানুষের মধ্যে দেড় যুগ পর আবারও নির্বাচনের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আওয়ামী লীগ লকডাউনের নামে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করছে, যা সরকারের ভিতরে থাকা স্বতঃস্ফূর্ত গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ব্যাহত করছে। ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাসী গ্রুপের এই অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ জানান তিনি। আওয়ামী লীগ ইন্ধনে দেশের বিভিন্ন এলাকাতে অরাজকতা, নৈরাজ্য ও খুনের ঘটনা বেড়েই চলেছে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উদাসীনতার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিক দিয়ে এগোচ্ছে়। তিনি আরও বলেন, গত ১৬ বছর ধরে গড়ে উঠা অন্ধকারাচ্ছন্ন ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসীদের দ্বারা দেশবাসীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে, যাতে সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের মানুষ এই সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে ইনশাআল্লাহ। এই মন্তব্য করেন তিনি, খুলনার জিরো পয়েন্ট এলাকায় শনিবার বিকালে এক বিক্ষোভ মিছিলের পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা খুলনার আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, খুন, ছিনতাই ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।

  • মায়ের কোলই সন্তানের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়

    মায়ের কোলই সন্তানের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, সন্তানের প্রথম শিক্ষা স্থানের নাম হলো মায়ের কোলে। সন্তানের ভালোবাসার স্পর্শে মায়ের চোখে যে অশ্রু ঝরে, তা অত্যন্ত মূল্যবান এবং অকৃত্রিম। গতকাল মঙ্গলবার সকালে খুলনার বঙ্গবাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মা দিবসের উপলক্ষে আয়োজিত এক ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা মঞ্চে উঠে তাঁদের মায়েদের পা ধুয়ে দেয়, যা পুরো পরিবেশটিকে এক আবেগঘন ও স্মরণীয় মুহূর্তে রূপান্তর করে। বকুল বলেন, মায়ের চোখের জল সাধারণ নয়; এটি ভালোবাসার অমূল্য প্রকাশ। একজন মা কতটা আবেগাপ্লুত হন তা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অনন্য আয়োজন নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জীবনে যত বড়ই হও না কেন, মনে রাখো যে প্রতিটি সাফল্যের পেছনে মা-ই থাকেন, তার ত্যাগ, দোয়াসহ নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। শুধু মা দিবসেই নয়, প্রতিদিন মা কে সম্মান জানানো শিখো। বঙ্গবাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগকে তিনি ‘যুগান্তকারী’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, যে সমাজে মায়ের সম্মান সর্বোচ্চ স্থান পায়, সেই সমাজ কখনও পিছিয়ে যেতে পারে না। অনুষ্ঠান শেষে বক্তারা শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা করেন। এতে অংশ নেন সহকারী প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, গার্ডিয়ানের সাবেক সভাপতি মৃধা জামাল হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক ও অভিভাবকগণ। এই কর্মসূচি পুরো পরিবেশে এক আবেগপূর্ণ ও আনন্দময় মুহূর্তে সম্পন্ন হয়। পরে রকিবুল ইসলাম বকুল দৌলতপুর মুহসীন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২৫ সালের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। এ সময় মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা উপস্থিত ছিলেন।

  • আমরা শান্তিময় বাংলাদেশ চাই

    আমরা শান্তিময় বাংলাদেশ চাই

    বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার এবং ভবিষ্যত নির্বাচনকে বানচাল করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে জনগণের ঐক্যবদ্ধ রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা। আজ মঙ্গলবার খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, দেশের সার্বভৌমত্বের উপর কখনো কোনো চাপ বা অঙ্গীকার মানা যায় না। দেশের সর্বোচ্চ সার্বভৌম শক্তি হলো জাতীয় সংসদ, যেখান দিয়ে মানুষ প্রার্থী নির্বাচন করে তাদের প্রতিনিধি মনোনীত করে। জনগণ ভোটের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তিনি আরো বলেন, আমরা চাই একটি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ, যেখানে সকল মতের মানুষ اپنی মতামত সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে পারবে এবং ভোটযন্ত্রের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    গতকাল মঙ্গলবার সকালে নগরীর ২৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম এড. মহসীন মোল্লা, সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম আব্দুস সাত্তার পিনু, সাবেক মন্ত্রী মরহুম এস এম আমজাদ হোসেন, মরহুম মমিন উদ্দিন, বিশিষ্ট সমাজসেবক মরহুম টগর কাজী, এনজিও ব্যক্তিত্ব মরহুম কাজী ওহেদুজ্জামান সহ বেশ কিছু পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যান এবং তাদের পরিবারের স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন। পাশাপাশি অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা খেজের আহমেদ, ক্রীড়া সংগঠক ইকবাল হোসেন, অধ্যাপক ফকির রেজাউদ্দিন, জনকল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান ও অন্যান্য পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করে তাদের সুস্থতা কামনা করেন এবং দোয়া চান।

    এ সময় তারা থানা, ওয়ার্ড, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। সাক্ষাৎকালে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বিএনপি দেশের আইনশৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই সংকটময় সময়ে জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে গুম, খুন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার শহীদদের আত্মারা শান্তি পাবে, তাদের পরিবার পরিজনদের ক্ষোভ কিছুটা হলেও প্রশমিত হবে। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিদায় নিয়ে শান্তিপূর্ণ ও স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য সবাই একত্রে কাজ করবে।

    সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদসহ আরও অনেক নেতাকর্মী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তারা সবাই নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে আন্তরিক শুভকামনা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

  • বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে সাড়ে ১৩ হাজার টন চাল আমদানির নজির

    বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে সাড়ে ১৩ হাজার টন চাল আমদানির নজির

    ভারতীয় পেট্রাপোল বন্দরের মাধ্যমে বাংলাদেশে চালের আমদানি আবার শুরু হয়েছে। গত ২১ আগস্ট প্রথম চালান হিসেবে নয়টি ট্রাকে ৩১৫ মেট্রিক টন চাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। এরপর একে একে গত ৮৮ দিনে প্রায় ১৪৫টি চালান, মোট ১৩ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন মোটা চাল বেনাপোল বন্দরে পৌঁছেছে। এই সময়ের মধ্যে ৩৯৫টি ট্রাকের মাধ্যমে চাল আমদানি হয়েছে।

    দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সরকার সব বন্দর দিয়ে চাল আমদানি করতে অনুমতি দেয়। ফলে অগাস্টে ১২৬০ মেট্রিক টন, সেপ্টেম্বরেআ ৫ হাজার ৪৩৫ মেট্রিক টন, অক্টোবারে ৫ হাজার ১৮৮ মেট্রিক টন আর নভেম্বরে ১৬৪৫ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়। আমদানির এসব চাল বেনাপোলের কাস্টমস হাউজে চার থেকে পাঁচটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কাজ করে চালের খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

    সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বাবলুর রহমান জানান, ‘চাল আমদানি শুরু থেকে আমরা কাস্টমসের মাধ্যমে চালের ছাড়করণের কাজ করে আসছি। ২১ আগস্ট থেকে আবার ভাইয়া এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে চালের আমদানি শুরু হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘চাল আসার পরিমাণ কিছুটা কমে গেছে, তবে বিভিন্ন বন্দর দিয়ে চালের আমদানি অব্যাহত থাকায় বাজার স্থিতিশীল। যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তবে চালের দাম তেমন পরিবর্তনের কারণে উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই।’

    বেনাপোল আমদানি রফতানিকারক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মহসিন মিলন বলেন, ‘চাল আমদানির পরিমাণ গত আগস্ট থেকে বেড়ে গেছে। তবে বর্তমানে এটি কিছুটা কমে এসেছে। দেশের অন্য বন্দরে চালের আমদানি চালিয়ে গেলে বাজারের পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে ও চালের দাম স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কৃষকরা ধান কাটতে শুরু করেছে, ফলে বাজারে নতুন ধান আসার সঙ্গে করেও চালের দাম কমবে, যা বাজারের চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।’

    বেনাপোলের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানিয়েছেন, ‘তিন মাসে ভারত থেকে ১৪৫টি চালানে ট্রাকের মাধ্যমে মোট ১৩ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন চাল বেনাপোল বন্দরে এসেছে। আমদানির চাল পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’