Category: রাজনীতি

  • গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খাঁন বিএনপিতে যোগ দিলেন

    গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খাঁন বিএনপিতে যোগ দিলেন

    গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন প্রত্যাহার করে বিএনপি দলে যোগ দিয়েছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতি ঘটে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে। সেখানে তিনি দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে ফুলের তোড়া দিয়ে বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।

    এর আগে, রাশেদ খাঁন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ভবিষ্যতের নির্বাচনী পরিকল্পনা হিসেবে রাশেদ বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনে ভোটে লড়বেন বলে জানিয়েছেন। এর জন্য তিনি গণঅধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাশেদের যোগদান অনুষ্ঠানে বলেন, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন এখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যুক্ত হচ্ছেন। তিনি জানান, বিএনপি সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঝিনাইদহ-৪ আসনে (কালীগঞ্জ ও ঝিনাইদহ সদরের চারটি ইউনিয়ন) ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তিনি সব নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির সকল নেতাকর্মী একসাথে কাজ করে রাশেদ খাঁনকে বিজয়ী করতে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করবেন।

    পদত্যাগপত্রে রাশেদ খাঁন লিখেছেন, “আমার সালাম ও শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। আমি আপনার সাথে রাজপথের সহযোদ্ধা হিসেবে ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং এরপরের আন্দোলন-সংগ্রামে দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করছি। যদি আমার কোনো আচরণ বা বক্তব্যে কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আমি তার জন্য ক্ষমা চাচ্ছি। দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আপনার স্বীকৃতি ও সম্মতি পাওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ। আমার এই সিদ্ধান্তের মাঝে ব্যক্তিগত কারণ নিহিত থাকলেও — আশা করি, আমাদের বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্ব চিরন্তন থাকবে। আমি আপনার কাছে দোয়া ও শুভকামনা রইল।

    অতীতে, শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে নুরুল হক নুরের ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, নির্বাচনে জয়লাভের জন্য দলের সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদের নেতৃত্বে ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন। একই সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর দলীয় প্রতীক ট্রাক নিয়ে পটুয়াখালী-৩ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

  • গণঅধিকার থেকে বাদ পড়ে বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন রাশেদ খাঁন, নির্বাচনে ধানের শীষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা

    গণঅধিকার থেকে বাদ পড়ে বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন রাশেদ খাঁন, নির্বাচনে ধানের শীষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা

    গণঅধিকার পরিষদ ছাড়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। জানা গেছে, তিনি ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চ পর্যায়ের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। তিনি জানান, রাশেদ খাঁন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন। বিএনপিতে যোগ দিয়ে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন। একই সময়ে, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কে হবেন, সেটি নির্বাহী পরিষদ ও উচ্চতর পরিষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে ঝিনাইদহের ৪ আসনে মনোনয়ন বদলের দাবিতে বিএনপির জোটের প্রার্থী রাশেদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তারা কাফনের কাপড় পরে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এই বিক্ষোভ শুক্রবার বিকালে অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মুর্শিদা জামান বেল্টু এই বিক্ষোভে অংশ নেন। রাশেদ খাঁনের যোগদান বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মিডিয়া সেল সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, এই বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে এক সূত্রে জানা গেছে, তিনি আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে বিএনপিতে যোগ দিতে পারেন। উল্লেখ্য, এর আগে নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান করেছেন বিএলডিপির সভাপতি শাহদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমদে, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ এবং এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ।

  • তরুণদের জন্য চাকরির সুযোগ, বেকার ভাতা নয়: জামায়াত আমিরের আহ্বান

    তরুণদের জন্য চাকরির সুযোগ, বেকার ভাতা নয়: জামায়াত আমিরের আহ্বান

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান এক বক্তৃতায় ঘোষণা করেন যে, যুবকদের জন্য বিনা বেতনে ঈপ্সিত ভাতা নয়, বরং প্রত্যেকের হাতে কাজ তুলে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, অনেকেই সংখ্যার ভিত্তিতে বলছেন, আমি কোটি কোটি যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবো। কিন্তু এর পরের প্রশ্ন হলো, যারা চাকরি পায় না তাদের কি হবে? তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তাদের জন্য বেকার ভাতা দেওয়া হবে না। তিনি চান, যুবকদের হাতকে দেশের উন্নয়নের হাত বানানো হোক। প্রতিটি যুবক যেন নিজের হাতে দেশের সমৃদ্ধি গড়ে তুলতে পারে, এটাই আমরা চাই। তিনি আরও বলেন, বেকার ভাতা নয়, বরং কাজে উৎসাহিত করে এই তরুণ প্রজন্মকে দেশের বিপ্লবী শক্তিতে পরিণত করতে হবে। যুবকদের মধ্যে বিপ্লবের বাণী পৌঁছে দিতে এবং তাদের মনোবল বাড়াতে চাই। তিনি বলেন, তোমরা তৈরি হও, ইনশাআল্লাহ তুমি পারবেন। আমরা সর্বদা তোমাদের পাশে আছি। শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

  • আজ তারেক রহমান যাবেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে, কঠোর নিরাপত্তায়

    আজ তারেক রহমান যাবেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে, কঠোর নিরাপত্তায়

    আজ শুক্রবার বাদ জুমা সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির বীর সন্তানদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশের এলাকা কঠোর নিরাপত্তা বলয় দ্বারা সুরক্ষিত করা হয়েছে। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দীর্ঘ ১৭ বছর পর স্বদেশে ফিরেছেন তিনি। আগামীকাল তিনি প্রথমে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন, তারপর সাভারের স্মৃতিসৌধে এসে শহীদদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাভার ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে দলীয় নেতাকর্মীরা। বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা-১৯ আসনের দলীয় প্রার্থী ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পরে দেশে ফিরে তারেক রহমান। তিনি শনিবার সকালে সাভারের স্মৃতিসৌধে জাতির বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এ অনুষ্ঠানে আশপাশের প্রায় এক লাখ নেতাকর্মী উপস্থিত থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনোয়ার খান আনু জানিয়েছেন, নেতাকর্মীদের নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, সবার জন্য স্মৃতিসৌধটি উন্মুক্ত থাকবে কি না, সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি এবং আগামীকাল সকালেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক, ক্রাইম এ্যান্ড অপস) আরাফাতুল ইসলাম বলেন, তারেক রহমানের উপস্থিতির কারণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং চার স্তরের নিরাপত্তা প্রস্তুত করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার জুমার নামাজের পর তারেক রহমান বাসভবন থেকে প্রথমে শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন, এরপর সাভারের স্মৃতিসৌধে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।

  • ৯ জানুয়ারি ঢাকায় ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশ

    ৯ জানুয়ারি ঢাকায় ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশ

    আসন্ন ৯ জানুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর বড় ধরনের মহাসমাবেশ। এই মহাসমাবেশের মূল লক্ষ্য হল শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, এবং জনগণের মধ্যে জুলাই সনদের পক্ষে জনমত গঠন।

    বৃহস্পতিবার বিকালে পুরানা পল্টনস্থ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলনের আমির ও পীর সাহেব চরমোনোনাই, মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

    বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনায় শহীদ ওসমান হাদিসহ আরও অনেক হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত খুনিদের ধরা না পড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এজন্য এই মহাসমাবেশের মাধ্যমে জনমত গঠন করতে চাইছে সংগঠনটি।

    সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর নেতৃবৃন্দ, যেমন মহাসচিব অধ্যাপক হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন নেতারা এবং আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের এখনও আইনের আওতায় আনতে পারেনি সরকার। তারা এজন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।

  • তারেক রহমানের দেশবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীকে ধন্যবাদ

    তারেক রহমানের দেশবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীকে ধন্যবাদ

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশবাসী এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর তিনি সুদূর লন্ডন থেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছেন। এই ঐতিহাসিক ভাষ্য অনুযায়ী, তাকে অভ্যর্থনা জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যাপক মুসল্লি ও সমর্থকদের সমাগম হয়, যার ফলে বিমানবন্দর পরিণত হয় এক ঢেউয়ে বইয়ে যাওয়া জনসমুদ্রে। এই অনুসারে, তারেক রহমান দেশবাসীকে তার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।

    অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপি, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠনের নেতা ও কর্মীরা, সব মিলিয়ে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্যাপনে পরিপূর্ণ ছিল। এর পাশাপাশি, সমাপনীভাবে নিরাপত্তার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

    এছাড়াও, অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের তিনি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। এভাবেই তারেক রহমান তার স্বদেশে ফিরে আসার এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি আরও স্মরণীয় করে তুলেছেন এবং দেশবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীকে অশেষ কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করেছেন।

  • তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের জন্য আরও শক্তিশালী আশার বার্তা

    তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের জন্য আরও শক্তিশালী আশার বার্তা

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বাগত প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে আরও সুসংহত করবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলে এক ফেসবুক পোস্টে এই মন্তব্য করেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, তারেক রহমান এবং তার পরিবারের ওপর রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে রাষ্ট্রীয় নির্যাতন চালানো হয়েছিল, এবং তাদের দীর্ঘ সময় নির্বাসিত থাকতে হয়েছিল। হাজারো শহীদের রক্তদান ও অসংখ্য রাজনৈতিক কর্মীর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশ যখন গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়েছে, তখন তারা দেশে ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, আমরা একটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী দেশ চাচ্ছি যেখানে কোনো ভিন্নমতের জন্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের মুখে পড়তে হবে না। গত দেড় দশকের অবরুদ্ধ রাজনৈতিক পরিবেশ ব্রেকেঁ এখন আমরা এক মুক্ত বাংলাদেশের পথে হাঁটছি, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের আইনের শাসন এবং রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

    নাহিদ মনে করেন, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে আরও মজবুত করবে। তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহাবস্থান এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতেই এখন আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ। দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে এই অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ এবং ফলপ্রসূ হোক।

  • তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ও পরিকল্পনা নিয়ে চোখ থাকবে জামায়াতের

    তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ও পরিকল্পনা নিয়ে চোখ থাকবে জামায়াতের

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক শীর্ষ ব্যক্তি তারেক রহমানের ফেরার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে জামায়াতের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি তারেক রহমানকে সাদরে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘জনাব তারেক রহমান, সপরিবারে সুস্বাগতম!’ এদিন দুপুরে ঢাকার মিন্টু রোডের বাসভবন থেকে তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। তার সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী জুবাইদ রহমান ও একমাত্র মেয়ে জাইমা রহমান। তারা লন্ডন থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০২ ফ্লাইটে সিলেট হয়ে ঢাকায় আসেন। তাঁদের আগমনের ঘণ্টা দেড়েক পরে জামায়াতের আমির ফেসবুকে তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে এক পোস্ট করেন। জামায়াতের এই নেতা বিবিসি বাংলাকে জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমান সরাসরি রাজনীতির মাঠে ফিরে এসেছেন, যা দলটির জন্য এক ইতিবাচক ঘটনা। তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের ভবিষ্যৎ ভূমিকা ও পরিকল্পনা বিষয়ক সব ঘটনায় জামায়াতের নজর থাকবে। এর আগে, দুপুরে এক ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির লিখেছিলেন, ‘জনাব তারেক রহমান, সপরিবারে সুস্বাগতম!’ জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারও বিবিসিকে বলেছেন, তিনি তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে এক ইতিবাচক ঘটনা হিসেবে দেখছেন। তবে তিনি মনে করছেন, তারেক রহমান কিভাবে নিজেকে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক অঙ্গনে রাখেন, সেটা তার ওপর নির্ভর করে দেশের রাজনীতিতে তার অবস্থান কেমন হবে। তাদের এই ফেরাকে অন্যান্য রাজনৈতিক দলও ইতিবাচক বলে মনে করছে, তারা বলছেন, এর ফলে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। এক সময় ভোটের মাধ্যমে ও সরকারে বিএনপি জোটের অন্যতম পার্টনার ছিল জামায়াত। শেষ বার গত এপ্রিল মাসে তারেক রহমানের লন্ডন সফরকালে দেখা হয় জামায়াত আমিরের সাথে। সে সময় তারেকের মায়ের, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার, লন্ডনে চিকিৎসার জন্য থাকা অবস্থায় এই সাক্ষাৎটি ঘটে। তবে চলতি মাসে জামায়াতের আমিরের লন্ডন সফরে তাদের দেখা হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। এক সময়ে রাজনৈতিক শত্রু হলেও এখন তারা ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী। এসব বিবেচনায়, বিশেষ করে তারেক রহমানের ফেরার পরিপ্রেক্ষিতে, দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটের পরিবর্তন কতটা হয়, এই নিয়ে সকলের নজরে রয়েছেন।

  • দেশে প্রত্যাবর্তনের পর তারেক রহমানের অংশগ্রহণে নানা কর্মসূচি

    দেশে প্রত্যাবর্তনের পর তারেক রহমানের অংশগ্রহণে নানা কর্মসূচি

    নেতাকর্মীদের জন্য আনে সুখবর, কারণ কিছু সময়ের মধ্যেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। দেশের মাটি স্পর্শ করার পরপরই তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

    তিনি বলেছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে, যা দেশের মানুষ সহ্য করে দেখবে। তবে এই কর্মসূচির ফলে কিছুটা অসুবিধা হবে বলে তিনি আগেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন, কারণ জনদুর্ভোগ এড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন আহমদ তারেক রহমানের পুরো প্রত্যাবর্তন প্রস্তুতির বিস্তারিত বিবরণ দেন। তিনি জানান, তারেক রহমান বিমানযোগে বাংলাদেশে আসছেন। মধ্যরাতে তিনি নিয়মিত ফ্লাইটে রওনা হবেন এবং বৃহস্পতিবার সকাল ১১:৫০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবেন। বিমানবন্দরে তার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা থাকলেও এভারকেয়ারে গিয়ে তিনি খুব সংক্ষিপ্ত ভাষণে সাধারণ জনতার উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলবেন। অনুষ্ঠান শেষে তিনি বাসায় ফিরে যাবেন।

    তারেক রহমানের বাংলাদেশে প্রবেশের পরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২৬ তারিখ জুমার নামাজের আগে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে এবং সাভার স্মৃতিসৌধে যাবেন। ২৭ তারিখ তিনি নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ভোটার ও এনআইডি কার্ডের কার্যক্রম নিশ্চিত করবেন এবং শহীদ ওসমান হাদীর কবর জিয়ারত করবেন। পরে, তিনি পঙ্গু হাসপাতালে আহত যোদ্ধাদের দেখতে যাবেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, মানুষ যেন সময় অসম্পূর্ণ হয় এবং অসুবিধায় পড়েন, সেজন্য রাজধানীর কেন্দ্রবিন্দুতে, যেমন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বা মানিক মিয়া এভেনিউতে সমাগম না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি সাধারণ মানুষের কষ্টের জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা চায়। কারণ, বিএনপির এই কার্যক্রমে যারা অংশ নিচ্ছেন, তারা মানুষের দুর্ভোগ বুঝতে পারেন। তিনি আরও বলেন, নির্দেশনা অনুসারে পুরোপুরি চেষ্টা করেও জনসমাগম ও অনুষ্ঠানকে সফল করতে পারছেন না, কারণ মানুষের আবেগ এতটাই বেশি।

    তিনি উল্লেখ করেন, এই বিশাল আয়োজনটি সম্পন্ন করার জন্য ত্রুটির সম্মুখীন হওয়া স্বাভাবিক, তা শৃঙ্খলার সাথে সম্পন্ন করতে হলে আরও শ্রম দিতে হবে। এই জন্য তিনি সবাইকে শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতেও আহ্বান জানান।

    প্রস্তুতি সংক্রান্ত বিস্তারিত জানিয়ে, সালাহউদ্দিন বলেন, অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের জন্য ২০টি মেডিকেল টিম, অ্যাম্বুলেন্স, ছয় শয্যার মেডিকেল ক্যাম্প ও আইসিইউ সুবিধা সম্বলিত অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই সমারোহ যেন শৃঙ্খলার মধ্যে হয় এবং মানুষের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত হয়, সেটাই লক্ষ্য।

  • ড. কর্নেল অলি আহমেদ ঘোষনা দিলেন এককভাবে নির্বাচন

    ড. কর্নেল অলি আহমেদ ঘোষনা দিলেন এককভাবে নির্বাচন

    বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে মগবাজারের নিজস্ব কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন। তিনি সেখানে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, এবারের সংসদ নির্বাচন তিনি এককভাবে পরিচালনা করবেন, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা করবেন না।

    অলি আহমেদ বলেন, বিএনপি আমাদের মূল্যায়ন করেনি। আমরা তাদেরকে ১৪ জনের শর্ট লিস্ট দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা গুরুত্ব দেয়নি। আমাদের নেতাকর্মীরা দুই ঘণ্টার মতো বসেও মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে পারেনি। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি আমাদেরকে অবমূল্যায়ন করেছে এবং এই পরিস্থিতিতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এককভাবে নির্বাচন করব।

    সংবাদ সম্মেলনের আগে, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেন, যা আলোচনায় আসে।

    অলি আহমেদ দৃষ্টান্তমূলক রাজনীতির একজন নেতা। তিনি চারদলীয় জোটের সরকারে মন্ত্রী ছিলেন, তবে জামায়াতের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে মন্ত্রিত্ব হারান। এরপর তিনি বিএনপি থেকে বিরতির পথে যান এবং নিজের দল এলডিপি গঠন করেন। এর পরে বেশ কিছু সময় তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তবে তার ব্যক্তিত্ব ও নীতির কারণে তিনি স্বতন্ত্র পথ বেছে নেন। তাঁর এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তিনি আবারও স্পষ্ট করে দিলেন, এবার তিনি এককভাবেই নির্বাচনে অংশ নেবেন।