Category: রাজনীতি

  • নওগাঁ-৫ আসনের নির্বাচনে সরে দাঁড়ালেন এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন

    নওগাঁ-৫ আসনের নির্বাচনে সরে দাঁড়ালেন এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন নওগাঁ-৫ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মনিরা শারমিন। 그러나 তিনি রোববার সন্ধ্যায় তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে জানিয়ে দিলেন, তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী মনোনয়ন ১০ ডিসেম্বর নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক মনিরা শারমিনকে দেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি তিনি তাঁর ফেসবুক দর্শকদের কাছে প্রকাশ করেন, দলীয় পরিবর্তনের কারণে তিনি নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। তিনি লিখেছেন, ‘নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আকাক্সক্ষায় গড়া দল জাতীয় নাগরিক পার্টি গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী একমাত্র মধ্যপন্থি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে পরিচিত। আগে আমি বিশ্বাস করেছিলাম, এই দল থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে আমি নওগাঁ-৫ থেকে মনোনীত হতে পারব। তবে পোস্টের মাধ্যমে তিনি জানিয়ে দেন, দলের সঙ্গে জেএমএফের ৩০ আসনের সমঝোতা এবং নির্বাচনী সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট। তিনি বলেন, যেহেতু এখন দলের অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে, তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। তার মতে, তিনি এনসিপির স্বতন্ত্র শক্তিতে বিশ্বাসী এবং দলের প্রতি তাঁর অনুরাগ ও দায়বদ্ধতা অটুট থাকলেও, এখন তাঁর দেশের জন্য ও জনসাধারের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ—গণঅভ্যুত্থান ও দেশের মানুষের পাশে থাকা। মনিরা শারমিন আরও জানান, তিনি এখনও দল থেকে পদত্যাগের কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি বলেন, ‘এনসিপি কারো একার সম্পত্তি নয়। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের থেকেও আমার বেশি বিশ্বাস ও ভালোবাসা রয়েছে। আজ পর্যন্ত আমি এমন কিছু বলি নাই বা করি নাই যা দলকে বিতর্কের ঝুঁকিতে ফেলবে। আমি ব্যক্তিগত নৈতিকতা বিক্রি করে রাজনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে চাই না। ক্ষমতায় যেতে আমি আগ্রহী নই।’ এই ঘোষণা তার রাজনৈতিক চরিত্র ও স্বাধীনচেতা মনোভাবের প্রতিফলন বলে মনে করছেন many pundits।

  • নুসরাত তাবাসসুমের ঘোষণা: নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য এনসিপি থেকে অবসর

    নুসরাত তাবাসসুমের ঘোষণা: নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য এনসিপি থেকে অবসর

    প্রাথমিকভাবে নির্বাচনকালীন সময়ে এনসিপির কার্যক্রম থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম-আহবায়ক নুসরাত তাবাসসুম। রোববার নিজ ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে তিনি এই ঘোষণা দেন।

    নুসরাত তাবাসসুম লিখেছেন, আমি সংক্ষেপে কিছু বিষয় স্পষ্ট করতে চাই। এনসিপি তার জন্মলগ্ন থেকেই আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়সংগত সমাজের গড়নার। এই স্বপ্নের মধ্যে রয়েছে নয়া বন্দোবস্ত, মধ্যপন্থা, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ব্যবস্থা, সভ্যতাকেন্দ্রিক সাম্রাজ্য বিস্তার এবং বাংলাদেশের স্বতন্ত্রতা। এই প্রতিটা ভাবনা আমার মন, মগজ ও যাপনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

    তিনি আরও বলেন, এনসিপির ঘোষণাপত্র ও তার সব লেখা এই স্বপ্নগুলোকে ধারণ করে। গঠনকালে এনসিপি ছিলো সেই পথচলার অবিচল হাতিয়ার যা আমি চাইছিলাম।

    কিন্তু আজ, ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর, নয় মাসের মধ্যে, জামায়াতে Islami দলসহ ১০ দলীয় জোটে বিভিন্ন শর্তে অংশগ্রহণের মাধ্যমে, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে এনসিপির সর্বোচ্চ নেতৃবৃন্দ ও নীতিনির্ধারকরা মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছেন।

    নুসরাত আরও যোগ করেন, বিশেষ করে, বিভিন্ন সময়ে আহবায়ক মহোদয় এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের কাছ থেকে ৩০০টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা শুনেছি। তদ্ব্যতীত, এই জোটের ঘোষণা এবং মনোনয়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৃণমূল স্তরে যারা মনোনয়নপ্রাপ্ত, তাঁদের সাথে প্রবঞ্চনা হয়েছে বলে মনে করি।

    স্মৃতি ও পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, আমি নিজেকে সংক্ষিপ্তভাবে জানাচ্ছি যে, আমি বর্তমানে নির্বাচনী সময়ের জন্য পার্টির কার্যক্রম থেকে নিজেকে বিরত রাখছি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি ও সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে যে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকছি।

  • মির্জা ফখরুলের বলেন, দীর্ঘ সময় পরে ভোটাধিকার ফিরে পেল জনগণ

    মির্জা ফখরুলের বলেন, দীর্ঘ সময় পরে ভোটাধিকার ফিরে পেল জনগণ

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘোষণা করেছেন, দীর্ঘ দিন পরে বাংলার জনগণ তাদের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে তিনি বলেছেন, এখন সময় এসেছে একটি গণতান্ত্রিক ও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে তার মনোনয়নপত্র দাখিলের পর তিনি এই মন্তব্য করেন। সাংবাদিকদের তিনি জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে তিনি এই আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।

    মির্জা ফখরুল তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অবদানেই তাকে এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি আন্তরিকভাবে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    তিনি বলেন, “পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে আমি শুকরিয়া আদায় করছি। এই এলাকা মানুষের সেবা করার এই সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। যদি জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন পাই, তাহলে ঠাকুরগাঁওয়ের সার্বিক উন্নয়নে নানামুখী কাজ করে যাব।”

    মির্জা ফখরুল আশ্বাস দেন, “যদি আমাকে ভোট দেন এবং ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন, তাহলে উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করবো। আমি মনে করি, এ অঞ্চলের সামাজিক, শিক্ষা, অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আমি কাজ করবো। সব ধরনের সমস্যা সমাধানে আমি অগ্রাধিকার দিবো, যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষকদের সমস্যার সমাধানসহ আরও অনেক কিছু।”

    তিনি জেলা বাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আগের চেয়ে এবারও আপনারা আমাকে সমর্থন দিয়ে ভোট দিন। ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করলে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবো এই এলাকার উন্নয়নের জন্য।”

    আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ধানের শীষ প্রতীকে ভোটদান করবেন।”

    মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পরিপূর্ণ উৎসাহ-উদ্দীপনায় পরিণত হয়। নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ দেখা যায়। এই সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    জেলা নির্বাচন অফিসের সূত্রে জানা গেছে, এই জেলায় মোট তিনটি সংসদীয় আসনের জন্য রোববার বিকেল ৫টার মধ্যে বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের থেকে মোট ২৪ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৩ জন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ১০ জন ও ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন।

  • এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন তাজনূভা জাবীন

    এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন তাজনূভা জাবীন

    তাজনূভা জাবীন এবার নিজ অবস্থানে থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ ঘোষণা করেছেন। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাসে নিজের সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেন। এনসিপি থেকে তাঁকে ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও, শেষ মুহূর্তে ঘটে যাওয়া কিছু রাজনৈতিক գործընթացে তিনি হতবাক ও ক্ষুব্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত নেন বিদায়ের।

    স্ট্যাটাসে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অনেকের ধারণা হয়তো জামায়াতের সঙ্গে জোটের ঐতিহাসিক অর্থ কিংবা নারী বিষয়ক প্রস্তাবের জন্য তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তার মতে, এর চেয়েও ভয়ঙ্কর বিষয় হলো এই জোটের গোপন প্রক্রিয়া এবং ষড়যন্ত্র। তিনি বলেন, এটি পরিকল্পনা করে সাজানো হয়েছে এবং বিশ্বাসের বিনিময়ে এভাবে এগুচ্ছে, যা তার জন্য একেবারে অপ্রত্যাশিত নয়। কিছুদিন আগে পুরো জাতীয় মনোনয়নপ্রক্রিয়ার সময় তিনি মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন, অথচ শেষ মুহূর্তে দেখা গেল, অন্যরা মনোনয়ন পেলে তিনি নিজের লড়াই চালিয়ে যেতে পারছেন না।

    তাজনূভা আরও উল্লেখ করেন যে, বিভিন্ন মাধ্যমে নানা খবর প্রকাশিত হচ্ছে, তাঁর মনোনয়ন হারানোর ভয়েই তিনি জোটের বিরোধিতা করেছিলেন। তিনি বলেন, যতই কষ্ট হোক, তিনি আগেও বলেছিলেন, প্রতিপক্ষ কঠিন হলেও তিনি নির্বাচন করবেন। কিন্তু তারা তার প্রত্যাশাগুলোর সম্পূর্ণ বিপরীত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এর মধ্যে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা হয়ে যাচ্ছে, চরমোনাই পীরের ৭০টি আসনে এরা একত্রে কাজ করছে, এবং গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত দলের ৩০টি আসনে রাজনৈতিক সমঝোতা চলছে।

    তাজনূভা জানাচ্ছেন, শুরু থেকেই তিনি গণপরিষদ, সেকেন্ড রিপাবলিক, এবং নারীর অধিকারসহ বিভিন্ন জাতিসত্তার স্বার্থে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। তিনি সেই পার্টির একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, যার মূল নীতি ও ভাবনা ছিল রাজনীতি একান্তভাবে গণবিরুদ্ধ নয়। কিন্তু বছর কয়েকের মধ্যে পার্টির ভেতরে সংকট এবং অরাজনৈতিকতা অপ্রত্যাশিত অন্ধকারে ডুবতে শুরু করে। তাঁর মতে, পার্টির অনেক শীর্ষ নেতা নিজেদের মধ্যে রাজনীতি করে নিজেদের স্বার্থ লুকানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং দেশের জন্য নতুন ও প্রকৃত আঞ্চলিক ও গণনীতির উন্নয়নের পরিবর্তে ব্যর্থতার রাজনীতি চালাচ্ছেন।

    তিনি বলেন, “এনসিপি এখন বিলীন হয়ে যাচ্ছে এই ভণ্ডামির মধ্যে। আমি আছি, তবে এখন অনেকটাই হতাশ এবং বিরক্ত। আমি চাই, পার্টির আসল নীতি, গণমুখী রাজনীতি ফিরে আসুক। আমি সেই জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিলাম।”

    জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার পর থেকেই তিনি ভাবছিলেন, শেষ পর্যন্ত তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে। কিন্তু অবশেষে আজ ঘোষণা দিলেন, কারণ প্রক্রিয়া ও বিশ্বাসের অভাব তাঁর মনকে ভেঙে দিয়েছে। তিনি বলেন, “নেতৃত্বের শুরুতেই গঠনের প্রক্রিয়া অন্যায় ও অনিশ্চিত ছিল। এখন বুঝতে পারছি, পার্টি অনেক বড় হলেও এর ভিতরকার অসংগতি ও বিশ্বাসের ঘাটতিই একদিন বড় বিপদ ডেকে আনবে।”

    উপসংহারে তাজনূভা জানান, তিনি আজ নিজেকে শক্ত করে রাজনৈতিক দলের বাইরে ঘোষণা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমি এখন আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেব না, কারণ আমি বিশ্বাস করি না, এই জোট ও এই প্রক্রিয়া দেশের জন্য শুভ নয়। আমি আমার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই, যারা আমাকে সমর্থন করেছেন। আমি আমার সমস্ত অর্থ, সময় ও আত্মসম্মানকে আগের মতো মূল্য দিচ্ছি। আপনাদের সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”

    তিনি জানান, সকল অনুদান ফিরিয়ে দেবেন এবং ধীরে ধীরে তার সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে আসন ফিরিয়ে দেবার পরিকল্পনা রয়েছে। শেষবারের মতো বলেন, “আমি আগামী দিনগুলোতেও জনগণের জন্য কাজ করবো, গণতন্ত্রের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবো। আমার লক্ষ্য থাকবে, সত্য ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে উন্নত বাংলাদেশ গঠন।”

    উল্লেখ্য, শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা প্রথম আধ্যাত্মিকভাবে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন। এই সিদ্ধান্তের পর আজ তাজনূভা জাবীনও দল ছাড়ার ঘোষণা দেন।

  • বিএনপি বলল, কুরআন-সুন্নাহর বাইরে কোনো আইন হবে না: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি বলল, কুরআন-সুন্নাহর বাইরে কোনো আইন হবে না: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি কখনো কুরআন ও সুন্নাহর বাইরে কোনও আইন গ্রহণ করবে না। তিনি আজ রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের মানবকল্যাণ পরিষদ প্রাঙ্গণে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের ভিত্তিতে দেশের আইন করা আমাদের অঙ্গীকার, যা কুরআন ও সুন্নাহর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিছু বিভ্রান্তি ছড়ানো চেষ্টা করছে যে আমরা ধর্মের বাইরে যাব, কিন্তু আমরা সর্বদা কোরআন ও সুন্নাহর পক্ষে আছি এবং থাকবো।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান দেশে ক্রান্তিকাল চলছে, কিছু অসাধু ব্যক্তির পেছন থেকে দেশের স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। নির্বাচন বানচাল করার জন্য নানা ছত্রচালনা চলছে। তাই সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    মির্জা ফখরুল আরো বলেন, আগের সরকার ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্য বিভিন্ন অবৈধ আইন পাস করেছিল, মানুষের অধিকার হরণ করেছিল এবং আলেম-ওলামাদের জঙ্গি বলে ভয় দেখানো হয়েছিল। অনেককেই ধরে নিয়ে যাওয়া হতো। এই অন্ধকার সময় আমরা পেরিয়ে এসেছি। এখন নতুন করে দেশ গড়ার সময়।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলী, আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা, স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

    আলোচনায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সামাজিক স্থিতিশীলতা, ধর্মীয় মূল্যবোধের রক্ষা ও ভবিষ্যত উন্নয়নের পথ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত ব্যক্ত করা হয়।

  • প্রথমবারের মতো গুলশানে তারেক রহমানের প্রবেশ

    প্রথমবারের মতো গুলশানে তারেক রহমানের প্রবেশ

    ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনের আগে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। সেই সময়ে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি দীর্ঘকাল যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত ছিলেন, এজন্য তারেক রহমান গুলশানের কার্যালয়ে কোনোদিন যাননি। তবে ১৭ বছর পর ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফেরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে। এর মাত্র তিন দিন পরে, তিনি গুলশানের বিএনপি কার্যালয়ে উপস্থিত হন।

    গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে তারেক রহমান গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যান, যা অনুসারে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান নিশ্চিত করেছেন।

    দুপুর ২টার পর, গুলশানের এই কার্যালয়ে গেলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা তারেক রহমানকে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানান।

    প্রায় ১৭ বছর পর গত বৃহস্পতিবার তিনি দেশে ফিরেছেন। তার ফিরে আসার দিন, দলের পক্ষ থেকে রাজধানীর ৩শ’ ফিট এলাকার মধ্যে ব্যাপক সংবর্ধনা দেয়া হয়।

    দেশে ফেরার পর, তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে দুই দফায় অসুস্থ তার মা’কে দেখতে যান। এর পাশাপাশি, তিনি প্রয়াত বাবা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন, জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এছাড়াও তিনি ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো, শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর, শ্বশুরের কবর ও পিলখানা ট্রাজেডিতে শহীদ ৫৭ সেনা কর্মকর্তার কবর জিয়ারত করেন। তদ্ব্যতীত, তিনি ধানমন্ডিতে শ্বশুরের বাসাতেও যান।

  • আটটি দল জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে

    আটটি দল জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে

    দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামি সহ মোট আটটি সমমনা রাজনৈতিক দল। এই সভা অনুষ্ঠিত হবে রোববার, ২৮ ডিসেম্বর, বিকাল সাড়ে ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় অবস্থিত আবদুস সালাম হলে। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজনের বিষয়ে জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী মহাসচিব ও কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নানা লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও আন্দোলনরত দলের পক্ষ থেকে এই জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে। এই সভায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।

  • তারেক রহমান office কার্যক্রম শুরু করলেন

    তারেক রহমান office কার্যক্রম শুরু করলেন

    দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরেই তারেক রহমান তৃতীয় দিনেই তার রাজনৈতিক কার্যালয় দিয়ে অফিস কার্যক্রম শুরু করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এসে নতুন নির্মিত চেম্বারে বসেন। এদিন বেলা ১টা ৪৮ মিনিটে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়ি থেকে তিনি পৌঁছান চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে। অফিসে প্রবেশের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা—খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সেলিমা রহমান ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। সবাই সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পরে তিনি কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় প্রস্তুত বিশেষ চেম্বারে গিয়ে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন। বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এক সূত্র জানায়, এটি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রথম অফিস হিসেবে চিহ্নিত। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন– দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, উপদেষ্টা মাহাদী আমিনসহ আরও অনেকে। এছাড়া বগুড়া জেলা বিএনপির নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, শুধু গুলশানের কার্যালয়ই নয়, নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও তার জন্য একটি আলাদা চেম্বার প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি, গুলশানে একটি পৃথক বাসা ভাড়া নেওয়া হয়েছে, যেখানে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে তারেক রহমান ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তারেক রহমানই দেশের প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন হবেন। গত বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় ফিরেই ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। প্রথম দিন সংবর্ধনা ও বক্তৃতার পর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতাল গিয়ে মা খালেদা জিয়াকে দেখেন। শুক্রবার তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে যান, শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শনিবার তিনি কাজী নজরুল ইসলাম মাজার ও পিলখানা ট্র্যাজেডিতে নিহত সেনা কর্মকর্তা ও নিহতদের কবর জিয়ারত করেন। একই দিন তিনি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে গিয়ে ভোটার হওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

  • ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম

    ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে নুরুল ইসলাম সাদ্দামকে মনোনীত করা হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সম্মেলন, যা রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই বিশাল সম্মেলনে প্রায় ৬ হাজারেরও বেশি সদস্য অংশগ্রহণ করেন। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া এই সম্মেলনে সংগঠনটির নতুন ২০২৬ মেয়াদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে নুরুল ইসলাম সাদ্দামকে নির্বাচিত করা হয়। সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচিত সভাপতি পরবর্তীতে সেক্রেটারি জেনারেল নিয়োগ দেওয়ার জন্য প্রক্রিয়া শুরু করবেন, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। জানা গেছে, নুরুল ইসলাম সাদ্দাম খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে, এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত উদ্যোক্তা অর্থনীতিতে পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা কোর্সে অধ্যয়নরত। তাঁর এই দৃঢ় নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনটি আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি সাদ্দাম, সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ

    ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি সাদ্দাম, সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, আর নতুন সেক্রেটারি জেনারেল পদে মনোনীত হয়েছেন সিবগাতুল্লাহ সিবগা। এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলের নেতারা তাদের নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করেন।

    অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বলা হয়েছে, “২০২৬ সালের জন্য বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রेटারি জেনারেল নির্বাচনের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা দায়িত্ব পালন ও নেতৃত্ব দিতে সহায়তা করুন।”

    নির্বাচনে নবনির্বাচিত সভাপতি, নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, এর আগে সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন উদ্যোক্তা অর্থনীতিতে পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমায় পাঠরত।

    অন্যদিকে, সেক্রেটারি জেনারেল পদে নির্বাচিত সিবগাতুল্লাহ সিবগা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ছিলেন। তবে, ২০২৫ সালের সেশনে তিনি কেন্দ্রীয় শাখার দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে লেখাপড়া শেষ করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগে স্নাতকোত্তর করছেন।