Category: রাজনীতি

  • বিএনপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে কারা

    বিএনপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে কারা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিএনপি ৪১ সদস্যবিশিষ্ট একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং সদস্য সচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এড. রুহুল কবীর রিজভী। বৃহস্পতিবার রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বিএনপি এই তথ্য জানায়।

    কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে বেগম সেলিমা রহমান এবং শামসুজ্জামান দুদুকে। পাশাপাশি প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে থাকছেন মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ। কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা হলেন এড. মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিজন কান্তি সরকার, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার, ড. মওদুদ হোসাইন আলমগীর পাভেল, ড. মাহদী আমিন, সালেহ শিবলী, এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান, ড. সাইমুম পারভেজ, রেহান আসাদ, জুবায়ের বাবু, মে’ল জেঃ (অবঃ) ফজলে এলাহী আকবর, আব্দুল কাইয়ুম, ব্যারিস্টার গিয়াসউদ্দিন রিমন, হুমায়ুন কবির, এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, মোস্তাকুর রহমান, এড. বেলায়েত হোসেন মৃধা, মেহেদুল ইসলাম, ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার, প্রফেসর ড. মোর্শেদ হাসান খান, এড. কামরুল ইসলাম সজল, প্রফেসর ডাঃ হারুন অর রশিদ, প্রকৌশলী শোয়েব বাশারী হাবলু, ড. কামরুজ্জামান কায়সার, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, আব্দুল মোনায়েম মুন্না, মিসেস আফরোজা আব্বাস, মনির খান, আনম খলিলুর রহমান ইব্রাহিম, ইয়াসিন আলী, আবুল কালাম আজাদ, মাওলানা কাজী মোঃ সেলিম রেজা, রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং আনোয়ার হোসেন।

    বিএনপি এই কমিটির দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।

  • দেশের স্বার্থে অতীতে যেমন একসঙ্গে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করবো

    দেশের স্বার্থে অতীতে যেমন একসঙ্গে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করবো

    দেশের স্বার্থে বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অতীতে যেমন একসঙ্গে কাজ করেছে, ভবিষ্যতেও করব বলে ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ ও সমবেদনা জানানোর সময় তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সাক্ষাৎকালে জামায়াতের আমির বিএনপি নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। পরে বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে entering করছে। সামনে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার, আর নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন — এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে চাই আমরা। আশা করছি, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য হবে।

    ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা সবাই একমত, দেশের স্বার্থে অতীতে যেমন একসঙ্গে কাজ করেছি, সামনের দিনেও করব। তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দও একই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

    তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনীতি ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এর পাশাপাশি তাঁর সংগ্রামী ও আপসহীন জীবন সংগ্রাম ছিল অনন্য। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় তিনি জীবনদান করেছেন। নিজের বিরুদ্ধে রাজনীতি অপপ্রয়োগের বিভ্রান্তির মাঝেও তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। তার শেষ জীবন অক্লান্ত সংগ্রামেরই প্রমাণ।

    খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সময় সরকারের অবহেলা ও অবজ্ঞার সমালোচনা করে ডা. শফিকুর বলেন, গুরুতর অসুস্থ থাকাকালে বারবার বিদেশে চিকিৎসার জন্য অনুরোধ জানানো সত্ত্বেও সরকার তা উপেক্ষা করে উপহাস করেছিল। শেষ পর্যন্ত আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি বিদেশে চিকিৎসা নেন, কিন্তু তখন তার পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ব্রিটেন থেকে ফেরার পর তার স্বাস্থ্যের অবনতি দেখে দেশেই চিকিৎসা নিতে বাধ্য হন। আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন, জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন।

    তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার চমৎকার বিদায় ও জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ইতিহাস রয়ে গেছে। তার বিদায় অনুষ্ঠানে মানুষের চোখে জল ও আবেগ, যা তার রাজনৈতিক জীবনের জন্য বিশাল প্রাপ্তি। জাতির জন্য তার অবদান আজও স্মরণীয় এবং তার মাধ্যমে আমরা অনুপ্রেরণা পাই। আমরাও যদি দেশের জন্য কিছু করতে পারি, একদিন হয়তো আমাদেরকেও এভাবেই বিদায় জানানো হবে।

    ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও জাতীয় স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের জন্য তিনি বলেন, পার্থক্য থাকলেও সবাই একত্র হয়ে দেশের জন্য ভালো কিছু করার লক্ষ্য রাখতে হবে। বেগম খালেদা জিয়া যে ঐক্য ভিত্তি স্থাপন করেছেন, সেই ভিত্তিতেই আমরা দায়িত্ব পালন করব। নির্বাচনের পর সরকার গঠনের আগে আবারও বসে খোলামেলা আলোচনা করে দেশের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেব।

    শেষে তিনি বিএনপি নেতাদের, তারেক রহমান ও পরিবারের সদস্যদের, এবং জিয়াদের চিকিৎসায় নিযুক্ত চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যারা নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন বলে জানান।

  • মুরসালীন ও মুশফিকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে এনসিপির আস্থার সংকট

    মুরসালীন ও মুশফিকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে এনসিপির আস্থার সংকট

    দুই ঘণ্টার ব্যবধানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আরও দুই কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন যুগ্ম-সদস্য সচিব ও মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন, যিনি বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় দলের আহ্বায়ককে অনলাইনে পদত্যাগ পত্র পাঠান। এর আগের দিন দুপুরে নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দলের যুগ্ম-মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীনও পদত্যাগ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, এনসিপি ‘পুরোনো উপনিবেশিক ব্যবস্থার অংশীদারদের সঙ্গে আপস’ করছে, যা দলের অভ্যন্তরে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। গত আট দিনে এই প্রথম নয়জন নেতা পদত্যাগ করলেন।

  • মায়ের ত্যাগ, উদারতা ও দেশের জন্য শক্তি খুঁজে পাই: তারেক রহমান

    মায়ের ত্যাগ, উদারতা ও দেশের জন্য শক্তি খুঁজে পাই: তারেক রহমান

    দেশবাসীর গভীর মমত্ববোধে আপ্লুত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই অনুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি লিখেছেন, ‘গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতায় ভরপুর হয়ে আমি আমার প্রিয় মা, জীবনের প্রথম শিক্ষক ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আমার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করেছি। তার অনুপস্থিতির শূন্যতা ভাষায় প্রকাশের মতো নয়। তবে এই কঠিন মুহূর্তে দেশের মানুষজনের অপরিসীম উপস্থিতি আমাকে একাকিত্বের দুঃখ কিছুটা প্রশমিত করেছে।’ তারেক রহমান আরও যোগ করেন, ‘অগণিত নেতা-কর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী, পরিবার ও দেশের মানুষজনের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় আমি গভীরভাবে আবেগপ্রবণ। লক্ষ লক্ষ মানুষের সম্মান ও ভালোবাসা, এবং এই কঠিন সময়ে পাশে থাকা আমাকে আবারো ভাবিয়ে তুলেছে—তিনি শুধু আমার মা ছিলেন না, তিনি বহু দিক থেকে পুরো জাতির মা।’ তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধি, বৈশ্বিক কূটনীতিক এবং উন্নয়ন সহযোগীরা আমার মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন, এর জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। যারা এই শোকসন্তপ্ত সময়ে সমবেদনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতিও আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনারা এই সহমর্মিতা আমাদের হৃদয়ে গভীর ছোঁয়া দিয়েছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘শোকের এই মুহূর্তে আমি আমার প্রিয় বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে স্মরণ করছি। আজ এত মানুষের ভালোবাসায় ভরপুর হয়ে মনে হচ্ছে, নিকটজন হারানোর শূন্যতা কাটিয়ে বাংলাদেশ যেন পুরো পরিবারের মতো হয়ে উঠেছে।’ তিনি বলেন, ‘অব্যাহতভাবে মানুষের সেবা করে বৃথা যায়নি আমার মায়ের অর্জন। আজ আমি সেই দায়িত্ব ও উত্তরাধিকার অবিচলভাবে আপনা হাতে তুলে নেব। আমার মা যে পথচলা শেষ করেছেন, সেখানে আমি সেই পথ এগিয়ে নিয়ে যাব। তাদের জন্য, যারা ভালোবাসা ও বিশ্বাস দিয়ে তাকে জীবনশক্তি ও প্রেরণা দিয়েছেন। আল্লাহ যেন আমার মা’য়ের রুহকে শান্তি দেন, আর তিনি যে অসীম ভালোবাসা, ত্যাগ ও উদারতার দৃষ্টান্ত আমাদের দেখিয়ে গেছেন, এখান থেকেই আমরা শক্তি, ঐক্য ও দেশপ্রেম খুঁজে পাই।’

  • শেখ হাসিনা কখনই খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দায় থেকে মুক্তি পাবেন না

    শেখ হাসিনা কখনই খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দায় থেকে মুক্তি পাবেন না

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, এই নির্মম প্রকোপের দায় থেকে শেখ হাসিনা কখনোই মুক্তি পাবেন না। বুধবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে খালেদা জিয়ার জানাজার আগে তার জীবন ও কর্ম নিয়ে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নজরুল ইসলাম খান উল্লেখ করেন, ‘ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রয়ারি থেকে দুই বছরেরও বেশি সময় কারাগারে বন্দি ছিলেন খালেদা জিয়া। কারাগারে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পাওয়ায় তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। দেশের সকল মানুষ দেখছেন— তিনি হাঁটতে পারছিলেন, কিন্তু সেখান থেকে বের হেতেন অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায়।’

    তিনি আরও বলেন, ‘দেশ-বিদেশের চিকিৎসকদের মতে, পরবর্তী চার বছর গৃহবন্দি অবস্থায় থাকাকালীনই তার শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। বিদেশে উন্নত চিকিৎসা না পেলেই তার অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। অবশেষে এই নেত্রীকে মৃত্যুর কাছে হার মেনে নিতে হয়। এই মৃত্যুের জন্যই শেখ হাসিনা দায়ী, কারণ তিনি কখনোই এই দায় থেকে মুক্তি পাবেন না।’

    নজরুল ইসলাম খান উল্লেখ করেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া জনগণের কল্যাণে একের পর এক যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে গিয়ে বিশ্বে ইমার্জিং টাইগার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিল।’

    বক্তব্যে তিনি খালেদা জিয়ার জন্ম, পারিবারিক জীবন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাথে তার বিবাহ, জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর সংকটময় সময়ে তার রাজনৈতিক নেতৃত্বদান, পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনে জয় লাভ এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার সরকারের পরিচালনাসহ বিভিন্ন দিক বিশদে তুলে ধরেন।

  • মানুষের প্রত্যাশা এখন আরও উচ্চতায়: সালাহউদ্দিন

    মানুষের প্রত্যাশা এখন আরও উচ্চতায়: সালাহউদ্দিন

    বিএনপির প্রতি মানুষের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, তবে সেই প্রত্যাশা পূরণে সফলতা কেমন হবে এই নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন দলের এ স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

    সালাহউদ্দিন বলেন, ‘মানুষের অন্তরে এখনও বেগম খালেদা জিয়া রয়েছেন। তিনি গণতন্ত্রের মা হিসেবে খ্যাত, মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছেন। আজ তাঁকে হারানোর শোকের পাশাপাশি তাঁর জন্য সাধারণ জনগণের এক অম্লান ভালবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে।’

    তিনি উল্লেখ করেন, ‘খালেদা জিয়ার জানাজায় অসংখ্য মানুষ অংশ নিয়েছেন। যারা যেতে পারেননি তারা গায়েবানা জানাজায় অংশ নেন। এত বড় একটি জনসমাগমের ঘটনা সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। ভবিষ্যতে বর্ণনা বা পরিসংখ্যান দেওয়া হতে পারে, কিন্তু এই আকাশচুম্বী সাড়া সত্যি অবর্ণনীয়।’

    সালাহউদ্দিন আরও বলেন, ‘বিশ্বাস করা হয় যে, একজন সাধারণ গৃহিণীও সারা বিশ্বের গণতন্ত্র রক্ষায় নিজেদের জয়গান করতে পারেন। তিনি গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করতে করতে নিজের জীবন, পরিবার সব কিছু উৎসর্গ করেছেন।’

    তিনি যোগ করেন, ‘খালেদা জিয়ার জন্য দেশের প্রতি তার ভালবাসা, ভক্তি, এবং দেশপ্রেমের স্বভাব চিরঞ্জীব। তিনি অনেক কিছু হারিয়েছেন, কিন্তু তিনি অর্জন করেছেন যে উচ্চতায়, যা পৃথিবীর অন্য কারো নয়।’

    সালাহউদ্দিন ভবিষ্যতের লক্ষ্য করে বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রাম, ত্যাগ ও আদর্শকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের צעচেষ্টা থাকবে; যে একটি শক্তিশালী, উন্নত ও বৈষম্যহীন গণতন্ত্রের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এর জন্যই আমাদের এই পরিশ্রম। তিনি শুধু বিএনপির নেত্রী নয়, গণতন্ত্রের জন্য এক অনুকরণীয় পথপ্রদর্শক। সবাই তাকে সেই মর্যাদার সামনে দাঁড় করিয়েছে।’

    মনের গভীর থেকে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে শঙ্কা প্রকাশ করে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আজকের মানুষের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা এতটাই উচ্চতায় পৌঁছেছে যে, তা পূরণ করতে পারবো কি না, সেটা মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা আকাশের মতো বিশাল। সেগুলো কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব, সবাইকে একত্রিত রেখে কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়— এই নিয়ে আমি বেশ চিন্তিত। তবে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। সামর্থ্য ও দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যে সবাইকে একত্রিত করে এগিয়ে নিতে হবে। ভবিষ্যৎ দেখা হবে কতটুকু আলোকিত বা সফল হতে পারে।’

    বিএনপির নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ‘বেগম জিয়ার শোককে শক্তিতে রূপান্তর করতে চান। কিন্তু দলীয়ভাবে নির্বাচনের জন্য এই শোককে টুল হিসেবে ব্যবহার করার মতো আমরা সংকীর্ণ নই। তার শোককে জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য কাজে লাগাতে চাই। যেহেতু তিনি এখন আর আমাদের মাঝে নেই, তাই মনোনয়ন বা প্রতীক বাছাইয়ে প্রার্থীর পরিবর্তন হবে। নির্বাচনে যেখানে ভোটদানের আগে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, সেখানে তার প্রভাব পড়বে না।

    নির্বাচন পেছানোর কোনও আইনি সুযোগও নেই, কারণ মনোনয়ন বাছাই ও প্রতীক বরাদ্দের পর যদি সেটি হতো, তাহলে আইনী জটিলতার কারণে নির্বাচন স্থগিত হতে পারত। কিন্তু এখন সেরকম পরিস্থিতি নেই, কারণ তিনি মনোনয়নের জন্য পর্যাপ্ত সময়ের মধ্যে মারা গেছেন। সুতরাং, তার মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাবে।

    মায়ের শোকের কারণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মনোবল ভেঙে পড়েছেন কি না—এ প্রশ্নে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘তারেক রহমান একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাকে শক্ত মনোভাব নিয়ে এগোতে হবে, এর বিকল্প কিছু নয়।’

  • বিএনপি র‌্যাবকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করেনি: বাবর

    বিএনপি র‌্যাবকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করেনি: বাবর

    সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর বলেছেন, আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া জনগণের জানমাল নিরাপত্তায় অবিচল থাকতেন। তার নির্দেশনায় আমরা র‌্যাব গঠন করেছি। তবে, বিএনপি কখনোই র‌্যাবকে দলীয় স্বার্থে এক ঘণ্টা বা একদিনের জন্যও ব্যবহার করেনি। শুক্রবার (১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত শেষে তিনি এই কথা বলেন।

    বাবর বলেন, আমরা রাজনৈতিকভাবে র‌্যাবকে ব্যবহার করেছি, এটা কেউ বলতে বা প্রমাণ দেখাতে পারবে না। অন্যায় করলে বিএনপি নেতাকর্মীরাও ছাড় পেত না। তাদের মধ্যে নেত্রী খালেদা জিয়া এই সাহস ও দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন।

    তিনি আরও যোগ করেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তার নেত্রীর মধ্যে যে গুণাবলী আমি খুঁজে পেরেছি, তা অন্য কারো মধ্যে দেখিনি। অনেক পরে তার ছেলে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে আমি সেই গুণাবলী দেখতে পেয়েছি। সব মানুষ দোয়া করবেন যেন তার নেতৃত্বে জনগণের জন্য এক সুন্দর রাষ্ট্র গঠন করতে পারি।

    বাবর ব্যক্ত করেন, তিনি সকালে ঘুম থেকে উঠে এখানে এসেছেন, এটি কোনো রাজনৈতিক পরিকল্পনা নয়, ব্যক্তিগত আবেগের প্রকাশ। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুমতি নিয়ে এসেছেন।

    এছাড়া, বিএনপির এই নেতা বলেন, নেত্রীর সঙ্গে তিনি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন এবং তার দেশের জন্য গভীর প্রেম দেখেছেন। স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের দিক থেকে তিনি কখনো আপস করেননি।

  • খালেদা জিয়ার মৃত্যু বাংলাদেশের স্থিতিশীলতায় বড় আঘাত: সজীব ওয়াজেদ জয়

    খালেদা জিয়ার মৃত্যু বাংলাদেশের স্থিতিশীলতায় বড় আঘাত: সজীব ওয়াজেদ জয়

    বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর শুনে গভীর শান্তি অনুভব করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র ও গণসংযোগ উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়ার এই মৃত্যু দেশের স্থিতিশীলতা স্থাপনে এক বিশাল ধাক্কা। মঙ্গলবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে তিনি শোকপ্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেন, “বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমি শোক প্রকাশ করছি এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। এই মুহূর্তে, যখন দেশ চলমান গভীর সংকটে ভুগছে – সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় জীবন কাটাচ্ছেন, এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা বেড়ে চলেছে – তাঁর চলে যাওয়া বাংলাদেশের জন্য এক গভীর ক্ষতি।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, “অতীতে নানা বিরাজনীতি ও অসংখ্য রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখেও, খালেদা জিয়া নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য সফলতা অর্জন করেছেন এবং দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রেখেছেন। তার অবদান জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তবে তার মৃত্যু বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় এক বড় ধাক্কা বলেও তিনি মূল্যায়ন করেন।

    সবশেষে, তিনি বেগম খালেদা জিয়ার অসংখ্য সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

  • বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু: দেশের রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও শূন্যতা সৃষ্টি

    বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু: দেশের রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও শূন্যতা সৃষ্টি

    বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘোষণা দেন দলীয় নেতা ও চিকিৎসকরা। এই অপূরণীয় ক্ষতি আর শোকের ভিড়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক গভীর শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবৃতি দিয়ে জানান, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শুধু দল নয়, বরং পুরো জাতির জন্যই বড় এক হেরফের হয়ে গেল। এটা নেত্রীর আত্মার শান্তির জন্য আমাদের গভীর শোক ও দুঃখের ভাষা মেলা কঠিন। তিনি আরও বলেন, এই শূন্যতা শুধুই রাজনৈতিক নয়; এটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্যও অপূরণীয় ক্ষতি।

    মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে এই শোকের সংবাদ জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, আমরা কখনো ভাবিনি, আজ এই দিনটি দেখতে হবে। আমরা অমূল্য প্রত্যাশা করেছিলাম, সবার মতোই তিনি আবার সুস্থ হয়ে উঠবেন। কিন্তু এই দুঃসংবাদ আমাদের সবাইকে খুবই বিষন্ন করে তুলেছে। তারা ডাক্তার শাহাবুদ্দিনের ঘোষণা শুনিয়েছেন, সকাল ৬টায় আমাদের গণতন্ত্রের মা, আমাদের নেত্রী এই পৃথিবীর আলোর মুখ দেখলেন না। তার জন্য আমরা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি।

    মির্জা ফখরুল জানিয়েছেন, এই শোক অপ্রতুল, অপূরণীয়। দেশের ইতিহাসে এই নেত্রীর অবদান অপরিসীম, তার জীবন ও সংগ্রাম তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুসরণীয়। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া তাঁর সারাজীবন মানুষের অধিকার, কল্যাণ ও গণতন্ত্রের জন্য কাজ করে গেছেন। এখন তিনি আমাদের মাঝে নেই—এটা আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। রাজনৈতিক কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে আমাদের পক্ষে এই শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব নয়। দেশের রাজনীতি এক বিশাল শূন্যতা অনুভব করছে, যা পূরণ হওয়া সহজ নয়।

    বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করার জন্য একটি বিশেষ ক্যাবিনেট বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকে তার মরদেহের ব্যবস্থা, জানাজার আনুষ্ঠানিকতা ও রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হবে। সরকার ও দলের নেতারা এই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সামনে আরও কাজ করবেন এবং সব কিছু জানিয়েছেন জনগণের সামনে transparently তুলে ধরা হবে।

  • খালেদা জিয়া কোনো নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করেননি

    খালেদা জিয়া কোনো নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করেননি

    বাংলাদেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আজ আর আমাদের মধ্যে নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার ভোর ৬টায় তিনি পৃথিবীর আলোর আলো থেকে চিরবিদায় নেন। তাঁর অকাল মৃত্যু দেশের রাজনীতি ও জনগণের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে থেকে থাকবে।

    খালেদা জিয়া ছিলেন এক অসাম্প্রদায়িক, আপসহীন নেতা, যিনি জীবনে কখনো নির্বাচনে পরাজয় মেনে নেননি। প্রায় চার দশক ধরে বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে তিনি ছিলেন এক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। ১৯৯১ সাল থেকে শুরু করে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি তিনটি সংসদ নির্বাচনে প্রতিবারই জয় লাভ করেন এবং তিনি নির্বাচনী এলাকাগুলোর ইতিহাসে নিজস্ব জায়গা করে নিয়েছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবগুলোতেই জয়ী হন।

    অবাক করা বিষয় হলো, ২০১৪ সালে বিএনপি নির্বাচন বয়কট করে, এমনকি ২০১৮ সালে তার দুর্নীতির মামলার কারণে আদালতের বিধান অনুযায়ী তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারলেন না। ২০২৪ সালের নির্বাচনও বিএনপি বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলে, তিনি অনেকটা ক্ষমতা থেকে দূরে থাকলেও, তার প্রতিপত্তি ও জনপ্রিয়তা আজও অবিচল। দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যে তিনি তার আসনকে নিয়ে ভাবতে পারেননি। তবুও, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আয়োজিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি তার তিনটি আসন থেকে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর দায়িত্বকাল ছিল ছয় বছর, তবে দ্বিতীয় দফায় মাত্র এক মাসের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

    বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ১৯৯১ সালে সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে খালেদা জিয়া ও তার দল বিজয়ী হয়। ওই সময় তিনি দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর নেতৃত্বে সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনী আনা হয়, যা রাষ্ট্রপতি শাসিত থেকে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে।

    ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর একমাসের জন্য তিনি ষষ্ঠ সংসদের প্রধানমন্ত্রী থাকেন। পরবর্তীতে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরে ২০০১ সালে পুনরায় নির্বাচনে জয়ী হন, তবে ওই নির্বাচনে তার দল বিএনপি হেরে যায় এবং তিনি হন প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা।

    ২০০১ সালে তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এরপর ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর তিনি বিরোধী দলের নেতৃত্বে থাকেন। কৈশোর থেকে শুরু করে রাজনীতিতে তাঁর পথচলা ছিল সংগ্রামী, আর তার সাহস ও নেতৃত্বের জন্য তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।