Category: রাজনীতি

  • প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া

    প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এবারই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে বিরোধীদলীয় জোট পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তারা ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে মাতৃভাষার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনায় প্রার্থনা করেন। এই দোয়ার মধ্য দিয়ে তারা ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্বীকৃতি এবং গুরুত্ব আবারও প্রমাণ করলেন।

    রাত ১২টা ১ মিনিটে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছান জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান নেতৃত্বাধীন ১১ দলের জোট। এরপর কিছুক্ষণ পর, ১২টা ১০ মিনিটের দিকে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। এই সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদে বিরোধীদলের হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য হাসনাত, এটিএম আজহা সহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা শহীদ বেদিতে কিছুক্ষণ নীরব অবস্থায় দাঁড়িয়ে দোয়া করেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে কোরআন তেলাওয়াত এবং দোয়া পরিচালনা করেন জামায়াতের আমির নিজেই।

    অতীতে এমন মর্যাদাপূর্ণ শ্রদ্ধা জানানোর ঘটনা ঘটেনি, এটি প্রথমবারের মতো দলীয়ভাবে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির।

    এছাড়া, পুষ্পস্তবক অর্পণের পাশাপাশি জামায়াত নেতারা আজিমপুর কবরস্থানে যান ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারত করতে। সেখানে তারা শহীদদের রূহের জন্য দোয়া ও কোরআন তেলাওয়াত করেন এবং কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।

    উল্লেখ্য, এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধানরা যথাক্রমে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান। একুশের প্রথম প্রহরে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা ভাষা শহীদদের স্মরণে বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। দিবসটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে আজকের এই দিনে।

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াত আমির

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াত আমির

    আগামীকাল শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সকাল ১২টা ১ মিনিটে দিবসের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে তিনি শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এই সময় তিনি তার সঙ্গে দেশের ১১ দলের ঐক্য জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়েও উপস্থিত থাকবেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ডা. শফিকুর রহমান আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের সমাধিতে যাবেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাতের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করবেন। এই সব কার্যক্রমের বিষয়টি নিশ্চিত করে। জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

  • নিষিদ্ধ আ.লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে পতাকা উত্তোলন

    নিষিদ্ধ আ.লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে পতাকা উত্তোলন

    মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জামালপুরের বকশীগঞ্জের বগারচর ইউনিয়নে একটি অসাধারণ ও বিতর্কিত ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা ‘নিষিদ্ধ’ ঘোষণা করা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিশেষ একটি দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেছেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই অনুষ্ঠানে তারা ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়েছিলেন, যা অনেকের কাছে উদ্বেগ ও প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। এই কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ কাদির সাজু, ইউনিয়ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা, তাঁতী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্ৰলীগের নেতাসহ বেশ কয়েকজন। পতাকা উত্তোলনের পর তারা ভাষা আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগাফেরাত কামনায় মোনাজাত করেন। অনুষ্ঠান শেষে নেতাকর্মীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। এ ঘটনার ফলে স্থানীয় মানুষের মধ্যে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বকশিগঞ্জের গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক শাহরিয়ার আহমেদ সুমন এই ঘটনার কঠোর সমালোচনা করেছেন, তিনি লিখেছেন, ‘নিষিদ্ধ দলে পতাকা উত্তোলন ও স্লোগান দেওয়ার জন্য দায়ী নেতাকর্মীদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে, নাহলে ছাত্রজনতা নিজে উপযুক্ত জবাব দেবে।’ তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশও আশ্বাস দিয়েছে। বকশীগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন বলেছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও বিতর্কের ঝড় বইছে এবং বিভিন্ন মহল থেকে নানা ধরনের মতামত প্রকাশিত হচ্ছে।

  • অবরুদ্ধ একুশ থেকে মুক্তি পেল বাংলা ভাষা ও সুবিধাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন

    অবরুদ্ধ একুশ থেকে মুক্তি পেল বাংলা ভাষা ও সুবিধাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ সময় ধরে ফ্যাসিস্ট শাসনের কারণে একুশের ভাষা শহীদ দিবসটি ছিল একপ্রকার অবরুদ্ধ। এবার সেই রুদ্ধদ্বার পর্দা সরিয়ে বাংলার মহান ভাষা ও স্বাধীনতার স্বপ্ন মুক্তির মুখ দেখলেও। এই পরিবর্তন আমাদের জন্য এক নতুন অনুভূতির সৃষ্টি করেছে।

    শুক্রবার রাতে একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে তিনি এই কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, এই নতুন সরকার গঠিত হয়েছে বিএনপি নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে, এবং আমাদের আশার আকাশ এখন অনেক ঊর্ধ্বে। আমাদের প্রত্যাশা, দেশের জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী, একটি সত্যিকার গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে যেখানে ন্যায্যতা, স্বাধীনতা ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হবে।

    মির্জা ফখরুল বলেন, একুশের মূল চেতনা ছিল বাংলাদেশে একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। এই চেতনা আমাদের সামনে আলোকদীপের মতো উজ্জ্বল। ভবিষ্যতে আমরা এই মূল মূল্যবোধের ভিত্তিতে এগিয়ে যাবো। নতুন একুশের অনুপ্রেরণায় আমরা জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাবো, মাতৃভাষা ও সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করব। পাশাপাশি, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবো।”}

  • বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা: পুনর্বিন্যাস ও সাংগঠনিক গতি বৃদ্ধি

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা: পুনর্বিন্যাস ও সাংগঠনিক গতি বৃদ্ধি

    আগামী তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি দলটির আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল বৈঠকে নেওয়া হয়, যেখানে ২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য নতুন নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে।

    নতুন কমিটিতে আবারও সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে চারজন নায়েবে আমির, সাতজন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, ২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, ৫৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা এবং ৮৮ সদস্যের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ গঠন করা হয়েছে।

    এছাড়াও, দলটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে দেশের ১৪টি সাংগঠনিক অঞ্চলে বিভক্ত করে প্রত্যেক অঞ্চলের জন্য পর্যাপ্ত অঞ্চল পরিচালক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে সংগঠনটির কার্যক্রমের গতি আরো বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কমিটির মেয়াদ চলবে ২০২৮ সাল পর্যন্ত।

    শুক্রবার ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্যদের সাথে পরামর্শে দায়িত্বশীলদের নির্বাচন ও শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করেছেন। সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীগণ সশরীরে অংশগ্রহণ করেন।

    ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে ডা. শফিকুর রহমানকে দলের আমির নির্বাচিত করার প্রায় তিন মাস পরে এই পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    নতুন কমিটিতে চার জন নায়েবে আমির হচ্ছেন— এটিএম আজহারুল ইসলাম (এমপি), অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (এমপি), ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের (এমপি) এবং মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম।

    সাত জন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের মধ্যে রয়েছেন— মাওলানা এটিএম মাছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান (এমপি), ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান এবং অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

    কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট নেতাদের সমন্বয়ে ২১ জন সদস্য রয়েছেন, যারা সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন। নারী সদস্য সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে— কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে ২১ জন নারী রয়েছে, এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা বিভাগে ১৭ জন নারী সদস্য থাকবেন, যা সংগঠনে নারীর অংশগ্রহণের উন্নতি নির্দেশ করে।

    ডিপ্লোম্যাটিক কার্যক্রম ও নির্বাচন পরিচালনার জন্য পাঁচ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে, যার প্রধান হচ্ছেন মাওলানা এটিএম মাছুম।

    সারাদেশের সাংগঠনিক কার্যক্রমের আরও গতিশীলতা আনার জন্য বিভাগীয় স্তরে ১৪টি অঞ্চল নির্ধারণ করে প্রত্যেকের জন্য পরিচালক নিয়োগ করা হয়েছে। তারা রংপুর-দিনাজপুর, বগুড়া, রাজশাহী, কুষ্টিয়া-যশোর, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, ঢাকা মহানগর, ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, ফরিদপুর, সিলেট, কুমিল্লা-নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের দায়িত্বে থাকবেন।

    সংগঠনের এই নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির মাধ্যমে সংগঠনটি তার সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করে আগামী নির্বাচনী আন্দোলন ও কর্মসূচির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, ২০২৮ সাল পর্যন্ত এই কাঠামো বজায় রেখে মাঠ পর্যায়ের পুনর্গঠন, কর্মসূচি সমন্বয় ও রাজনৈতিক কৌশল বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

  • বিএনপি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিএনপি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপি একান্তই সময়ের দাবি অনুযায়ী ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, জনগণ যে প্রত্যাশা নিয়ে বিএনপিকে একতন্য সমর্থন দিয়েছে, সেই আশানুরূপ উন্নয়ন ও পরিবর্তনের জন্য দল দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। জুলাই সনদে যে অঙ্গীকারগুলি করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকার গঠন করার পর থেকেই নিরলস কাজ শুরু হবে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া বারোটার দিকে জাতীয় সংসদে শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ ব্যাখ্যা করেন, এই ‘জুলাই সনদ’ এক ধরনের রাজনৈতিক ঐতিহাসিক দলিল, যা দেশের বিভিন্ন অংশের মতামত ও স্বার্থের সমন্বয়ে স্বাক্ষরিত। তিনি বলেন, জনগণের রায় ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে ও দেশের উন্নয়নে সংসদই হবে মূল কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু। সেই জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া অগ্রসর করা হবে।

    তিনি আরও জানান, সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর কোনও সদস্যের শপথ পড়ানোর ক্ষমতা নেই। এজন্য এ ধরনের কোনও প্রক্রিয়াও গ্রহণ করা হয়নি। আমরা সবকিছু সাংবিধানিক নিয়মনীতি মেনেই করেছি। ভবিষ্যতেও মানসম্পন্ন সাংবিধানিক পদ্ধতিতেই রাষ্ট্র পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

    সালাহউদ্দিন বলেন, নির্বাচনের পর শপথ গ্রহণ, সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনা — সবই সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি জানান, সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে দলের নেতা ঘোষণা করে রাষ্ট্রপতির কাছে সরকারের গঠনের জন্য চিঠি প্রদান করা হয়েছে।

    শপথপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গণভোট ও জনমতের প্রতিফলন ঘটাতে হলে সংসদে গিয়ে সংশ্লিষ্ট আইন ও সংবিধান সংশোধন করতে হবে। তারপর তৃতীয় তফসিলে শপথের ফরম যোগ করার বিষয়টি সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ ২(ক) ধারায় বলা আছে, যদি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াতে অক্ষম হন বা অনুপস্থিত থাকেন, তবে তিন দিনের মধ্যে তাদের মনোনীত প্রতিনিধি শপথ পড়াবেন। এর না হলে, পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাংবিধানিকভাবে এই কাজ করবেন। এই বিধান অনুযায়ীই শপথ পড়িয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

    শপথ গ্রহণের পর অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে তারেক রহমানকেই দলীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্তির জন্য চিঠি পাঠানো হয়। সালাহউদ্দিন জানিয়ে geven, এই সিদ্ধান্তে দলের সকল সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।

    সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর তারেক রহমান সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে দুটি নির্দেশনা দেন — প্রথম, কোনও সংসদ সদস্য ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি নেবেন না; দ্বিতীয়, সরকারি প্লট বা জমি গ্রহণ করবেন না। তিনি বলেন, আজ থেকে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। সংসদ সদস্য হিসেবে বিশেষ সুবিধা গ্রহণের ধারণা এখন থেকে বদলে যেতে হবে। এই সিদ্ধান্তে দৃঢ় বিশ্বাস, জনস্বার্থের উন্নয়নের জন্য সকলকে দায়িত্বশীল হতে হবে।

  • হাসিনাসহ আসামিদের ফেরত এনে বিচার করা সরকারের জরুরি দায়িত্ব

    হাসিনাসহ আসামিদের ফেরত এনে বিচার করা সরকারের জরুরি দায়িত্ব

    জুলাইয়ের গণআভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সব আসামিকে দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করাই সরকারটির অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার অগ্রগতি সম্পর্কিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    আখতার হোসেন বলেন, ‘শেখ হাসিনাসহ সকল আসামিকে বিদেশ থেকে ফিরিয়ে এনে দেশের বিচারালয়ে আনা অপরিহার্য। এটি সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। কোনভাবেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া ধীরগতি বা বাধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়।’

    তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মূল আসামিদের এখনও গ্রেফতার করে বিচার কার্যক্রম শুরু না করা আমাদের ব্যর্থতা। এই দায় এড়ানোর জন্য বিএনপি সরকারকে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে।’

    এছাড়াও, সংবিধান সংস্কার বিষয়ে বিএনপির শপথ না নেওয়ার বিষয়ে আখতার হোসেন বলেন, ‘শপথ না নেওয়া প্রমাণ করে যে, বিএনপি শুধু নিজেদের পক্ষে সংস্কার প্রস্তাব আনবে। তারা শুরু থেকেই সংস্কারের বিরোধী ছিল। জনরোষের মুখে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার জন্য তারা প্রচারণা চালিয়েছে।’

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াতের আমির

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াতের আমির

    আগামীকাল শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, মহান একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। অর্থাৎ, তিনি এই বিশেষ দিনে ভাষা শহীদদের সমাধিতে সমবেত হবেন। রাত ১২ টা ১ মিনিটে দিবসের প্রথম প্রহরে, রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে, ওই শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে তিনি ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকবেন ১১ দলীয় ঐক্য জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও, যারা এই মহান দিবসে শহীদদের স্মৃতিকে সম্মান জানাবেন।শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর, ডা. শফিকুর রহমান আজিমপুর কবরস্থানে যান ভাষা শহীদদের মাজার জিয়ারত করতে। সেখানে তিনি তাদের রুহের শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করবেন। এই ধরণের কর্মসূচির বিষয়টি নিশ্চিত করে জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলম একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সব তথ্য প্রকাশ করেছেন।

  • সরকারি দল গণরায়কারীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে মন্তব্য

    সরকারি দল গণরায়কারীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে মন্তব্য

    নানামুখী রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের মধ্যে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের স্বপ্ন ছিল দেশের সংসদ ও সংবিধানের সংস্কার। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী, তারা গণভোটের মাধ্যমে একটি সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যা দেশের গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা ও গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু সম্প্রতি প্রকাশিত এক মন্তব্যে বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকারী দল সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের প্রথমদিন থেকেই গণপ্রত্যাশার সঙ্গে প্রতারণা চালিয়েছে। তিনি বলেন, সংবিধান ও মন্ত্রিসভার শপথের দিনজনকেই স্বীকৃতি দিয়ে, মূলত তাদের নিজেদের স্বার্থে আদর্শিক অসঙ্গতিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে, যারা জনগণের خيار হিসেবে গণভোটে হ্যাঁ বলে মত দিয়েছিল, তাদের সবার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, যা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক একটি পর্ব। এই নির্বাচনের মাধ্যমে বহু শহীদের রক্তের মূল্য দিয়ে আমরা একটি গণতান্ত্রিক পথের ওপর অগ্রসর হয়েছি বলে তার অভিমত। তিনি আশা করেছিলেন, এ দিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও সমাজ সংস্কার হবে, ফ্যাসিবাদ ও দুর্নীতির হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, নানা প্রতিকূলতার কারণে সেই স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলে কিছু কারচুপির অভিযোগও আনেন তিনি, তবে সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও, দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হয় বলে তারা এসে নির্বাচনের ফল মানছেন।

    তবে, তিনি জানান, বিশেষ করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের সময় এক ধরনের অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। সংবিধান অনুসারে, সংসদ সদস্য ও এই পরিষদের সদস্যরা একই দিনে শপথ নেবে—এমনটাই নির্ধারিত ছিল। এই শপথে একই ব্যক্তি পতাকা হাতে থাকবেন, ওয়ার্ডের প্রতিনিধিরা সম্মিলিতভাবে এই পরিষদ গঠন করবেন যাতে তারা দেশের সংস্কার প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংশোধন করতে পারেন। কিন্তু, নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, কিছু ভুল ব্যাখ্যা ও বিভ্রান্তির কারণে এই প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। সংবিধানের প্রতি অবমাননা করে মূলত সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যরা শপথ না নিয়ে বিরত থাকেন। এর ফলে, দেশের স্বপ্নের বাংলাদেশ তৈরির কাজে অকার্যকর হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

    তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে শপথ নেবেন এবং এই সংবিধান সংস্কারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে—প্রতিটি নাগরিকের প্রত্যাশা পূরণ করবে। অন্যথায়, তিনি আরও বলেছেন, এই জাতীয় সংসদ ও সংসদীয় কার্যক্রমের মূল্য অনেক কম। তিনি অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন, সেই দিনের জন্য যখন এই প্রতারণা অবসান হবে, দেশের স্বার্থে সত্যিকার পরিবর্তন আসবে, এবং বাংলাদেশের মানুষ আবার নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন উপভোগ করবে।

  • জামায়াত আমিরের অভিযোগ: গণমাধ্যমের ওপর নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ চলছে

    জামায়াত আমিরের অভিযোগ: গণমাধ্যমের ওপর নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ চলছে

    সরকার বিরোধী দলগুলোর পরামর্শ না মানলেও সংসদে কঠোর protest গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেছেন যে, গণমাধ্যমের ওপর অপ্রয়োজনে এবং নির্লজ্জভাবে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ঢাকা-১৫ সংসদীয় আসনে এতিমদের জন্য আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন, কেউ যদি কেবল দলের পরিচয় বা স্বার্থের কারণে শিকার হন জুলুমের, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, শুধুমাত্র দলীয় স্বার্থের কারণে যেন কেউ অন্যায়ের শিকার না হয়, সে জন্য সতর্ক থাকতে হবে। যদি কেউ জুলুমের শিকার হন, আমরা সেই অন্যায়কে সহ্য করবো না, বরং এর বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে প্রতিবাদ করব।

    তিনি আরও বলেন, সরকার এবং বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করলে দেশের মানুষের অধিকার আরও ভালভাবে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। সাধারণ মানুষের স্বার্থে দু’পক্ষকেই কাজ করে যেতে হবে বলে আস্থা প্রকাশ করেন।

    এই অনুষ্ঠানে তিনি আরও যোগ করেন, যে কাজগুলো আল্লাহ সন্তুষ্টি অর্জন করে— সেগুলোই আমাদের করার চেষ্টা চালিয়ে যাব। বিশেষ করে এতিম শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা চাই তাদের থেকে মনোমুগ্ধকর তরুণ তৈরি করতে, যারা দেশ ও জাতির উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের আমির বলেন, সম্প্রতি চারজন টিভি সাংবাদিকের চাকরি হারানো বিষয়টি তার কাছে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, এটা সাংবাদিকদের স্বাধীনতার ওপর এক ভয়ঙ্কর আঘাত। তিনি সরকারকে আহ্বান জানান, এই চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের আবার চাকরি দেওয়া হোক। তা না হলে তিনি মনে করেন, সরকার একনায়কতন্ত্রের পথে হাঁটছে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক।

    সেলিম উদ্দিন বক্তৃতায় উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ ইসলাম ও কোরআনের প্রতি গভীর আসক্ত। তারা বিশ্বাস করে, কোরআনের চেতনাই দেশের উন্নতির মূল চালিকা শক্তি।

    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অবু.) আখতারুজ্জামান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগর উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগর উত্তরের প্রচার সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, থানা আমির ও সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।