Category: রাজনীতি

  • বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ও সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাস

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ও সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাস

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সোমবার নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছে, যা আগামী তিন বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। দলটির আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা বৈঠকে এই কমিটি গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়।

    নতুন কমিটিতে আবারও সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। কমিটিতে চারজন নায়েবে আমির, সাতজন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, ২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, ৫৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা এবং ৮৮ সদস্যের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ গঠন করা হয়েছে।

    এছাড়া, দেশের বৃহৎ সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও সুসংগঠিত করতে ঢাকাসহ সারাদেশকে ১৪টি অঞ্চলেঅভিভাজন করে প্রতিটি অঞ্চলের জন্য অঞ্চল পরিচালক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কমিটির মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত থাকবে।

    সভায় প্রধানমন্ত্রী দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্যদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে দায়িত্বশীলদের নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন এবং শপথ পরিচালনা করেন। যদিও সভাপতি ও অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দরা ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশ নেন, কিছু দায়িত্বশীলের উপস্থিতিতে সশরীরে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    গত বছরের ২ নভেম্বর ডা. শফিকুর রহমানের আমির নির্বাচনের প্রায় তিন মাস পরে এই পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণা আসে।

    নতুন কমিটির চার নায়েবে আমির হলেন– এটিএম আজহারুল ইসলাম (এমপি), অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (এমপি), ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের (এমপি) এবং মাওলানা আ. ন. ম শামসুল ইসলাম।

    সাতজন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল পদে রয়েছেন– মাওলানা এটিএম মাছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান (এমপি), ডা. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

    কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে অন্তর্ভুক্ত সদস্যরা হলেন– সবাই, যার মধ্যে এমপি, অধ্যাপক, ডক্টর, আইনজীবীসহ অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ।

    দলের নারী প্রতিনিধিত্বের বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ৮৮ সদস্যের কর্মপরিষদে নারী সদস্য সংখ্যা ২১ জন, এবং ৫৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ১৭ জন। এটি দলটির নারী অংশগ্রহণে অগ্রগতির সূচক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এদিকে, দলটি একটি ৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে, যার প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন মাওলানা এটিএম মাছুম। অন্যান্য কমিশনাররা হলেন– অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, আবদুর রব, মোবারক হোসাইন এবং মাওলানা আ. ফ. ম. আবদুস সাত্তার।

    সারাদেশকে বিভিন্ন সাংগঠনিক অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রংপুর-দিনাজপুরে মাওলানা আবদুল হালিম, বগুড়ায় এটিএম আজহারুল ইসলাম, রাজশাহীতে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কুষ্টিয়া-যশোরে মোবারক হোসাইন, খুলনায় মো. ইজ্জত উল্লাহ, বরিশালে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, ময়মনসিংহে মো. শাহাবুদ্দীন, ঢাকা মহানগরে মিয়া গোলাম পরওয়ার, ঢাকা উত্তরে সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা দক্ষিণে আবদুর রব, ফরিদপুরে ড. হামিদুর রহমান আযাদ, সিলেটে অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কুমিল্লা-নোয়াখালীতে মাওলানা এটিএম মাছুম এবং চট্টগ্রামে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

    নতুন এই কেন্দ্রীয় কমিটির মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি আনা, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও নির্বাচনী প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছে দলটি। ভবিষ্যতে মাঠপর্যায়ে পুনর্গঠন, কর্মসূচির সমন্বয় ও রাজনৈতিক কৌশল বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

  • প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত ও দোয়া পাঠ

    প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত ও দোয়া পাঠ

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে আজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথমবারের মতো ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলীয় জোট। তারা ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া করেন। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের সংসদ সদস্যরা।

    রাত ১২টা ১ মিনিটে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছেন জামায়াত ও অন্যান্য দলীয় নেতারা। এরপর ১২টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদে বিরোধীদলের হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য হাসনাত ও এটিএম আজহারসহ অন্যান্য নেতারা।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা শহীদ বেদিতে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করে দোয়া করেন, যাতে ভাষা শহীদদের রূহের মাগফিরাত হয়। দৃশ্যের মধ্যে ছিল আনুষ্ঠানিকতা ও গভীর শ্রদ্ধা।

    শ্রদ্ধা নিবেদনের পর জামায়াত নেতারা রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে যান, যেখানে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের কবর জিয়ারত করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলের নবনির্বাচিত সাংসদ ও শীর্ষ নেতারা। তারা শহীদদের জন্য নীরবতা পালন, কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া পরিচালনা করেন, যা জামায়াতের উপস্থিত নেতারা নিজেই পরিচালনা করেন।

    জানা গেছে, এই ধরনের প্রথমবারের মতো দলীয়ভাবে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জামায়াত। এ ধরনের আনুষ্ঠানিকতা আগে কখনো দেখা যায়নি।

    অতীতে প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতা বিভিন্ন সময় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধানও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    একুশের প্রথম প্রহর থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও আশপাশে উপস্থিত হন। এবারে এই দিবসটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে।

  • দীর্ঘদিনের ফ্যাসিস্ট শাসনে একুশ ছিল অবরুদ্ধ: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

    দীর্ঘদিনের ফ্যাসিস্ট শাসনে একুশ ছিল অবরুদ্ধ: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন, দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট শাসনের কারণে একুশের ভাষা আন্দোলন ছিল অবরুদ্ধ। এখন সময় বদলেছে; সেই অবরোধ মোকাবিলা করে একুশের মূল চেতনা মুক্ত হয়েছে। এ জন্যই এবারের অনুভূতিগুলো ভিন্ন রকম, স্বাভাবिकভাবেই নতুন আবেগে পূর্ণ।

    তিনি শুক্রবার গভীর রাতে, একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনকালে এই কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, নতুন সরকারের নেতৃত্বে বিএনপি ফের ক্ষমতায় এসেছে, সেখানে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিয়েছেন। এর ফলে আমাদের প্রত্যাশাও নতুন করে বেড়ে গেছে। আমরা চাই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করে, সত্যিকারভাবে একটি ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গড়ার মাধ্যমে দেশের সব অংশের সমতা প্রতিষ্ঠা করতে।

    ফখরুল আরো বলেন, একুশের মূল চেতনা ছিল, বাংলাদেশে এক বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। আগামী দিনগুলোতে আমরা সেই চেতনার ভিত্তিতে এগিয়ে যাব। এই নতুন একুশের অনুপ্রেরণা নিয়ে আমাদের লক্ষ্য হলো জনগণের কল্যাণে কাজ করা, মাতৃভাষাকে আরও সমৃদ্ধ করা, সংস্কৃতিকে বিকশিত করা। আমরা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই উদ্যোগে আমরা বিশ্বাস করি, আগামী দিনগুলোতে আমরা আরও ভালভাবে এগোতে সক্ষম হবো।

  • বকশীগঞ্জে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানসহ অপ্রাপ্তবয়স্ক নেতাকর্মীদের পতাকা উত্তোলন

    বকশীগঞ্জে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানসহ অপ্রাপ্তবয়স্ক নেতাকর্মীদের পতাকা উত্তোলন

    মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জামালপুরের বকশীগঞ্জের বগারচর ইউনিয়নে এক বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। এই দিনে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাতের জন্য দোয়া মাহফিল আয়োজিত করে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে দলীয় কার্যালয়ের সামনে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে তারা পতাকা উত্তোলন করেন। এই অনুষ্ঠানে ভাষা আন্দোলনে শহীদদের রুহের শান্তি কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন নেতাকর্মীরা। সাধারণত এই ধরনের আয়োজনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো নিয়মিত হলেও here, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা এই ঘটনার মাধ্যমে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ঘটনাক্রমে, পতাকা উত্তোলনের পর নেতাকর্মীরা দ্রুত কার্যালয় থেকে সরে যান। এই ঘটনা বগারচর ইউনিয়নে বিভিন্ন মহলে আলোচনার মুখরিত করে তুলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বিষয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পেয়েছে। বকশিগঞ্জের গণঅধিকার পরিষদের নেতা শাহরিয়ার আহমেদ সুমন তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘‘আজ ভোরে বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অবৈধ নেতাকর্মীরা পতাকা উত্তোলন ও নানা স্লোগান দেয়। এ ধরনের ঘটনার পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের অবহেলা ও বিচারহীনতা, যেখানে আওয়ামী লীগের অপ্রভাশালী নেতাকর্মীদের বিচার হয়নি। তিনি আরও বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই দুষ্কৃতকারীদের বিচারের দাবি জানাচ্ছেন এবং এ ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। বিষয়টি নজরে নিয়ে বগশীগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই ঘটনায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে অসন্তোষ ও উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তির খবর

    হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তির খবর

    হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিএনপির সুপ্রকাশিত নেতা ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান। বর্তমানে তিনি হাসপাতালটির সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যেখানে তার চিকিৎসা চলমান।

    রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই খবর জানানো হয়। পোস্টে বলা হয়েছে, সেলিমা রহমানের পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে।

    সেলিমা রহমান ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন বিএনপি সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দলের নেতৃত্বে রয়েছেন।

    দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কখনো কখনো তাকে কারাবরণও করতে হয়েছে। তার অসুস্থতার খবর পেয়ে দলের সমর্থকেরা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা দোয়া ও প্রত্যাশা জ্ঞাপন করছেন, যেন তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেন।

  • বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ও সাংগঠনিক পুনর্গঠন

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ও সাংগঠনিক পুনর্গঠন

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি আগামী তিন বছরের জন্য নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণা দেন দলের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ভার্চুয়াল বৈঠকে এটি সম্পন্ন হয়, যেখানে ২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য নতুন কমিটি গঠন ও শপথ নেওয়া হয়।

    নতুন কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদে আবারও দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, যারা দলটির সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও, চারজন নায়েবে আমির, সাতজন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, ২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, ৫৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা ও ৮৮ সদস্যের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ গঠিত হয়েছে।

    এছাড়া, দলটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাংগঠনিক কর্মক্রমকে আরও জোরদার করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের সার্বিক কর্মকাণ্ডের জন্য ঢাকাসহ ১৪টি সাংগঠনিক অঞ্চল ভাগ করা হয়েছে এবং প্রত্যেক অঞ্চলে পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাতে সংগঠন আরও সুসংগঠিত হয়ে ওঠে। এই নতুন কমিটির মেয়াদ চলবে ২০২৮ সাল পর্যন্ত।

    শুক্রবার ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্যদের সঙ্গে পরামর্শ করে দায়িত্বশীলদের নির্বাচন করেন এবং শপথ গ্রহণ করান। উল্লেখ্য, নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলরা সরাসরি উপস্থিত ছিলেন, অন্যরা ভার্চুয়ালি যোগ দেন।

    গত বছর ২ নভেম্বর ডা. শফিকুর রহমানকে দলটির আমির নির্বাচনের প্রায় তিন মাস পর এই নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    নতুন কমিটিতে চার জন নায়েবে আমির আছেন, যাদের মধ্যে আছেন– এটিএম আজহারুল ইসলাম (এমপি), অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (এমপি), ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের (এমপি) ও মাওলানা আ. ন. ম শামসুল ইসলাম।

    সাতজন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন– মাওলানা এটিএম মাছুম, রফিকুল ইসলাম খান (এমপি), ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, মোহাম্মাদ শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

    কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে মোট ২১ সদস্য রয়েছেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন– মিয়া গোলাম পরওয়ার, ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, মাওলানা এটিএম মাছুম ও অন্যান্য নারী ও পুরুষ নেতৃবৃন্দ।

    দলীয় ঘোষণা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সদস্যদের মধ্যে নারীর প্রতিনিধিত্বও উল্লেখযোগ্য, যেখানে ৮৮ সদস্যের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে ২১ জন নারী সদস্য রয়েছেন এবং ৫৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় মজলিসে ১৭ জন নারী সদস্য রয়েছে। এই অংশগ্রহণের মাধ্যমে দলের সংগঠনের মধ্যে নারী অংশগ্রহণের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    নির্বাচনী পরিবেশে আরও সুসংহত ও গতিশীল করার জন্য ৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। এই কমিশনের প্রধান হলেন মাওলানা এটিএম মাছুম, অন্যান্য কমিশনাররা রয়েছেন অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, আবদুর রব, মোবারক হোসাইন ও মাওলানা আ. ফ. ম. আবদুস সাত্তার।

    সারাদেশকে ১৪টি সাংগঠনিক অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলের পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, রংপুর-দিনাজপুরে মাওলানা আবদুল হালিম, বগুড়ায় এটিএম আজহারুল ইসলাম, রাজশাহীতে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কুষ্টিয়া-যশোরে মোবারক হোসাইন, খুলনায় অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ, বরিশালে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, ময়মনসিংহে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দীন, ঢাকা মহানগরীতে মিয়া গোলাম পরওয়ার, উত্তরে সাইফুল আলম খান মিলন, দক্ষিণে আবদুর রবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ দায়িত্ব পালন করবেন।

    এভাবে, নতুন কমিটি ও সাংগঠনিক পুনর্গঠন চালিয়ে জেলার ও দলের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও পরিকল্পিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে জামায়াত। ২০২৮ সাল পর্যন্ত এই কাঠামো অনুসারে মাঠ পর্যায়ে সংগঠন, কর্মসূচির সুচারু সমন্বয় ও রাজনৈতিক কৌশল বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে দলীয় সূত্র জানায়।

  • প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া

    প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হলো। দেশটির বিরোধীদলীয় জোটের এই কর্ণধার ডা. শফিকুর রহমানসহ দলের অন্যান্য নেতারা শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তারা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    রাত ১২টা ১ মিনিটের দিকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছে যান জামায়াতের নেতারা। এরপর ১২টা ১০ মিনিটের দিকে ডা. শফিকুর রহমান পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদে বিরোধীদলের হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য হাসনাত, এটিএম আজহার ও জোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা শহীদ বেদিতে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে দোয়া ও প্রার্থনা করেন।

    শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে যান আজিমপুর কবরস্থানে, যেখানে ভাষা আন্দোলনের শোকার্ত শহীদদের কবর রয়েছে। সেখানে উপস্থিত হন ডা. শফিকুর রহমান ও তার দলীয় নেতাকর্মীরা। তারা কবরস্থানে পৌঁছে ভাষা শহীদদের জন্য কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন, কোরআন তেলাওয়াত করেন এবং শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া চালিয়ে যান। দোয়া পরিচালনা করেন জামায়াতের আমির নিজেই।

    উল্লেখ্য, এটি প্রথমবারের মতো যে জামায়াতের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে এত বড় আকারে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুল দেওয়া হলো। এর আগে দেশের কোনও রাজনৈতিক দল এই ধরনের উপস্থিতি দেখায়নি।

    অন্যদিকে, গভীর শ্রদ্ধা জানাতে প্রধানমন্ত্রীও শহীদ মিনারে পৌঁছে ফুল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে পরপর অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী যেমন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর শীর্ষ নেতাদের হাতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

    একুশের প্রথম প্রহর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা টা রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের ভিড়ে পরিপূর্ণ হয়েছে। মাতৃভাষা দিবসটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করছে দেশ।

  • দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট শাসনে একুশ ছিল অবরুদ্ধ: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

    দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট শাসনে একুশ ছিল অবরুদ্ধ: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

    স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ দিন ধরে একুশের ভাষা আন্দোলন ছিল ফ্যাসিস্ট শাসনের জুলুমের শিকার। এখন সেই কঠিন সময় শেষ হয়েছে, একুশের প্রকৃত অর্থ মুক্তি পেয়েছে। এটি আমাদের জন্য একটি নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে অনুভবের বিষয়।

    শুক্রবার রাতারাতি, একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন শেষে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের ঘোষণা হয়েছে। এ সরকারের নেতৃত্বে দেশের মানুষের প্রত্যাশাও অপ্রতিরোধ্যভাবে বাড়ছে। তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো একটি সত্যিকার গণতান্ত্রিক সমাজ গঠন, যেখানে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সবাই সমান অধিকার পাবে।

    তিনি emphasizing করেন, একুশের মূল চেতনা ছিল বাংলার স্বাধীনতা ও সাংস্কৃতিক মুক্তির আন্দোলন। সেই চেতনা অনুপ্রেরণা হিসেবে ধরে রেখে, আমরা ভবিষ্যতে এগিয়ে যেতে চাই। আমাদের এই নতুন একুশের প্রেরণাকে কেন্দ্র করে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ চালিয়ে যাবো। মাতৃভাষাকে সমৃদ্ধ করতেই আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে, পাশাপাশি সংস্কৃতির বহুমুখী বিকাশেও মনোযোগ দেবো।

    তিনি আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে সক্ষম হবো। এই একুশের অনুভূতি আমাদের নতুন উদ্দীপনা দিচ্ছে দেশের উন্নয়নে অদম্য সমর্থন দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার।

  • নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে পতাকা উত্তোলন

    নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে পতাকা উত্তোলন

    মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সুযোগে জামালপুরের বকশিগঞ্জে বগারচর ইউনিয়নে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করেন এবং ভাষা শহীদদের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন। এই ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন সংগঠন নানা ধরনের মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছে।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে, নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ও পতাকা উত্তোলন করেন। তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ কাদির সাজু, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিয়ামত উল্লাহ ও আরও অনেক নেতাকর্মী। তারা পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের জন্য মোনাজাত পরিচালনা করেন।

    উল্লেখ্য, এই ঘটনার পর নেতাকর্মীরা দ্রুত কার্যালয় থেকে সটকেন, যা স্থানীয়দের মাঝে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা শুরু হয়। বিশিষ্ট মানবাধিকার সংগঠনের বকশিগঞ্জ শাখার আহ্বায়ক শাহরিয়ার আহমেদ সুমন ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, ‘আজ ভোরে বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নানা স্লোগান ও পতাকা উত্তোলন করেছেন। এটি এক বিশাল চ্যালেঞ্জ ও গৌরবের বিষয় নয়, বরং অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিগত এক দেড় বছরে এই নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যা দুর্বলতার পরিচায়ক। চলতি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।’

    অন্যদিকে, স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা মকবুল হোসেন বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তারা পালিয়ে যায়। তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি), বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই খবর নিশ্চিত করা হয়। সেই পোস্টে বলা হয়, সেলিমা রহমানের পরিবার এবং বিএনপির পক্ষ থেকে দেশের মানুষের কাছে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করা হচ্ছে। সেলিমা রহমান ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন। তার রাজনৈতিক জীবনে নানা সংগ্রাম ও নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে, বেশ কয়েকবার কারাবরণও করতে হয়েছে। তবে তার অবদানের মাধ্যমে তিনি দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নিয়েছেন।