Category: রাজনীতি

  • সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি

    সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি

    সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন চাপে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট।

    মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির কথা জানান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, সংবিধান ও গণভোট সম্পর্কিত জনগণের ম্যান্ডেটকে সরকার উপেক্ষা ও অবহেলা করছে এবং নির্বাচনের আগে দলগুলোর মধ্যে গড়া ঐকমত্যকে ধীরে ধীরে নস্যাৎ করা হচ্ছে।

    মামুনুল হক অভিযোগ করেন সরকার একদলীয় শাসনের দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং জনআকাঙ্ক্ষার কণ্ঠরোধ করার জন্য বিরোধিদের গ্রেফতারের মতো পদক্ষেপ নিচ্ছে। তবে তিনি/asserted বলেন, নব্য ফ্যাসিবাদের এই প্রবণতাকে ১১ দলীয় জোট যে কোনো মূল্যে রুখে দাঁড়াবে।

    জোটের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী ৯ এপ্রিল বিকেলে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ শুরু হবে। এরপর ১১ এপ্রিল সারা দেশের উপজেলা ও থানা পর্যায়ে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ১২ এপ্রিল প্রতিটি জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল হবে এবং ১৩ এপ্রিল ঢাকায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে জাতীয় সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে।

    এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার বিরোধীদলকে রাজপথে নামতে বাধ্য করছে। তিনি বলেন, সংসদে কিছু কর্মকাণ্ডের কারণে বিএনপি-র উপর অনভিপ্রেতভাবে সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং গণভোট সংক্রান্ত বিএনপির আপত্তির নোটটি বাস্তবে কার্যত অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে বলে দাবি করেন।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও অভিযোগ করেন যে জ্বালানি সংকট নিয়ে সংসদে বিরোধীদলকে মত প্রকাশের সুযোগ দেয়া হয় না এবং যারা দিল্লির আগ্রাসনবিরোধী অবস্থান নেন তাদের সরকারি প্যারামিত্রে ‘রাজাকার’ বলে আখ্যা দেয়া হচ্ছে।

    বৈঠকে জামায়াতের নেতারা বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ করার আহ্বান জানান এবং সংগঠিতভাবে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্দোলন ত্বরান্বিত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

  • বিভাজন ঘটাতে চায় কিছু শক্তি, সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল

    বিভাজন ঘটাতে চায় কিছু শক্তি, সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাজে নানা বিভাজন ও বিদ্বেষের ঊর্ধ্বে উঠে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধের ওপর ভিত্তি করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার呼 আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং সেটি রুখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানি অ্যাভিনিউয়ে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘আমাদের সমাজ থেকে ‘ঘৃণা’ শব্দটিকে চিরতরে বিদায় জানাতে হবে। ঘৃণা নয়, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যই হোক আমাদের পথচলার মূল শক্তি।’’

    তিনি বাংলাদেশকে সমস্যাহীন না বলা ঘাড়িয়ে, বলছেন এই দেশ হলো সব ধর্মের মানুষের এক অনন্য উদাহরণ—এখানে ইসলাম ছাড়াও হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধসহ সব ধর্মের মানুষ মিলে এই ভূমিকে সমৃদ্ধ করেছে। অতীতেও এখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করেছেন এবং সেই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে হবে।

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, এক সময়ে ধর্মভিত্তিক বিভাজনের অপপ্রচেষ্টা হয়েছিল, সেটার দুষ্পরিণাম আমাদের প্রত্যেকেরই বুঝতে হবে এবং এ ধরনের অপচেষ্টা থেকে সবাইকে মুক্ত হতে হবে।

    খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আপনাদের সমর্থন ও সহযোগিতায় আমরা একটি সমৃদ্ধ সরকার গঠন করতে চাই। আমাদের সামনে অনেক কাজ রয়েছে; সেগুলো সবাইকে নিয়ে মিলিতভাবে সম্পন্ন করতে হবে।’’

  • সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    সংবিধান সংস্কার পরিষদ আহ্বান এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট দেশের প্রতিটি অঞ্চলে চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

    মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে যৌথ বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, সরকার জনগণের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা ও সমালোচনার মুখে উপহাস করছে এবং নির্বাচনের আগে দলের মধ্যে গঠিত ঐকমত্য ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

    মামুনুল হক অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসনের পথে এগোচ্ছে। সাধারণ মানুষের কষ্ট-দুঃখ তুলে ধরলে গ্রেফতারের মতো কার্যক্রম করা হচ্ছে। এসবের বিরুদ্ধে নব্য ফ্যাসিবাদ রুখে দিতে তারা সব ধরনের সংগ্রাম চালিয়ে যাবে।

    তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করা হবে। কর্মসূচির সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল বিকেলে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ কাজ শুরু হবে। ১১ এপ্রিল সারা দেশের উপজেলা ও থানায় বিক্ষোভমিছিল করা হবে। ১২ এপ্রিল প্রতিটি জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে এবং ১৩ এপ্রিল ঢাকায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে একটি জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার বিরোধীদলকে রাজপথের আন্দোলনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিএনপির কর্মকাণ্ডে জাতি হতবাক ও বিস্মিত বলে তিনি মন্তব্য করেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেন যে গণভোটের রায় সংক্রান্ত বিএনপির ‘নোট অব ডিসেন্ট’ ইতিমধ্যেই স্থগিত রয়েছে এবং সংসদে একাধিক ব্যক্তির আচরণই এখন সংবিধান সংকটের সৃষ্টি করছে।

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, জ্বালানি সংকটের মতো বিষয় নিয়ে সংসদে বিরোধীদলকে বক্তব্য রাখতে দেয়া হয় না এবং দিল্লির বিরোধী অবস্থান গ্রহণকারীদের অপসংস্কার বা ‘রাজাকার’ খেতাব দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। শেষে মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ করার আহ্বান জানান।

  • কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করছে, রুখে দিতে হবে: মির্জা ফখরুল

    কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করছে, রুখে দিতে হবে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সব ধরনের বিভাজন ও বিদ্বেষকে উল্টে দিয়ে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধের ওপর ভর করে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং সেটি রুখে দিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানি অ্যাভিনিউয়ে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ‘ইস্টার সানডে’ উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে তিনি প্রত্যেককে ঘৃণার সংস্কৃতি ত্যাগ করে সৌহার্দ্য ও মানবিকতার মূল্যবোধকে অটুট রাখার আহ্বান জানান। “আমাদের সমাজ থেকে ‘ঘৃণা’ শব্দটিকে চিরতরে বিদায় দিতে হবে। ঘৃণা নয়, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যই হোক আমাদের পথচলার শক্তি,” তিনি বলেন।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি বহুধর্মীয় সমাজের অনন্য উদাহরণ—এখানে ইসলাম ছাড়াও সনাতন ধর্মাবলম্বী, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধসহ সকল ধর্মের মানুষ মিশে বেড়ে উঠেছে এবং দেশের অঙ্গ হয়ে আছে। অতীতেও ভিন্ন ধর্মের মানুষ এখানে মিলেমিশে বসবাস করে এসেছে, তাই ধর্মভিত্তিক বিভাজনের যে কোনো চেষ্টা সমাজের জন্য ক্ষতিকর।

    তিনি বলেন, একসময় ধর্মের নাম করে বিভাজন সৃষ্টি করার অপচেষ্টা হয়েছে; সেইসব বিভাজনকে কাটিয়ে উঠতে হবে এবং সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “আপনাদের সমর্থন ও সহযোগিতায় আমরা ভবিষ্যতে একটি সমৃদ্ধ সরকার গঠনের লক্ষ্যে কাজ করতে চাই। আমাদের সামনে অনেক কাজ রয়েছে, তা সফল করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে।”

  • সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েই গণভোট ইস্যুতে ১১ দলীয় ঐক্যের কঠোর সতর্কতা

    সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েই গণভোট ইস্যুতে ১১ দলীয় ঐক্যের কঠোর সতর্কতা

    গণভোটের রায়ের প্রতিবাদ এবং তার অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে কঠোর বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের প্রাঙ্গণে আয়োজিত মিছিল পূর্ব সমাবেশে ঐক্যের নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, গণভোটের সিদ্ধান্ত এবং সরকারের গভীর বৈরী মনোভাব অবস্থানরত তারা সরকারের গণতন্ত্রের পথে হঠাৎ ফ্যাসিবাদী উদ্যোগের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন, যদি ফ্যাসিবাদ কায়েমের চেষ্টা চালানো হয়, তবে অতীতের মতই কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বিএনপি ও অন্যান্য দলগুলি।

    অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে নজর দিলে দেখা যায়, দুপুরের পর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল করে সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন। তারা হাতে বহির্মুখী প্ল্যাকার্ড নিয়ে উপস্থিত হন, যেখানে লেখা ছিল ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চাই’ এবং ‘গণভোট মানতে হবে’সহ নানা দাবির কথা। নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সরকারের গণভোটের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

    এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম। সভায় দলের শীর্ষ নেতারা পর্যায়ক্রমে বক্তব্য দেন এবং সরকারের রাজনৈতিক নীতির প্রতি সমালোচনা উচ্চারিত হয়।

    বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকার জনগণের দাবিকে গুরুত্ব না দিয়ে গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক সাধারণশক্তির উপর আঘাত। তারা পরিষ্কার করে বলেন, যদি এই রায় তৎকালীন সময়ের মতো দ্রুত বাস্তবায়িত না হয়, তবে কঠোর আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। পাশাপাশি, বক্তারা সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংস্কার করে জনগণের ভোটাধিকার এবং মতামতের স্বীকৃতি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। ফলশ্রুতিতে, তারা বলেন, দেশ পরিচালনায় গণতন্ত্রের মূলনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে হলে এই দাবিগুলোর দ্রুত সমাধান ঘটাতে হবে।

  • কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

    কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

    সব ধরনের বিভাজন ও বিদ্বেষের ঊর্ধ্বে উঠে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার পরিকল্পনা করছে, যা কঠোরভাবে রুখে দিতে হবে।

    রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানি অ্যাভিনিউয়ে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব ‘ইস্টার সানডে’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘‘কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের উচিত এই বিভাজনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং সমাজ থেকে ঘৃণা শব্দটিকে চিরতরে বিদায় করা। আমাদের পথচলা যেন শুধু প্রেম ও সৌহার্দ্য দ্বারা চলতে থাকে।’’

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ হল এমন এক দেশ যেখানে সব ধর্মের মানুষ একসাথে বাস করে। এই দেশ ইসলাম, হিন্দু, খ্রিস্টান এবং বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের জন্য এক সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলন ক্ষেত্র। এই ভূখণ্ডের ইতিহাসে দেখা যায়, সব ধর্মের মানুষেরা একসঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করে এসেছে, যা এই দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রমান।

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মন্তব্য করেন, একসময় ধর্মের ভিত্তিতে সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল, কিন্তু সেই সময়ের মত এখন সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই অপচেষ্টাকে প্রতিহত করতে হবে।

    খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষজনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘আপনাদের সহায়তা ও সহযোগিতায় আমরা ভবিষ্যতে একটি সমৃদ্ধ সরকার গঠন করতে চাই। আমাদের সামনে অনেক কাজ রয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব তা সম্পন্ন করতে সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।’’

  • ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    সংবিধান সংস্কার পরিষদে স্মরণসভা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চার দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামি ও তার নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই তথ্য মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে বাংলাদেশ খিলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সাংবাদিকদের কাছে জানান।

    মামুনুল হক অভিযোগ করেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বর্তমানে সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্বের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা করছে এবং এর উপহাস করছে। তিনি বলেন, সংস্কার ও গণভোটের জন্য স্বচ্ছ আলাপ-আলোচনা ও ঐক্যমতের উপরে ভিত্তি করে রাজনৈতিক নেতারা এগোলে দেশের উন্নতি হতো, কিন্তু বর্তমান সরকারের অমানবিক রাজনীতি সেই পথ রুদ্ধ করে দিচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসনের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যেখানে জনদুর্ভোগ ও গণআন্দোলনকে দমন করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে এই নব্য ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ১১ দলীয় ঐক্য অটুট রেখে, যেকোনো মূল্যে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    অপরদিকে, আগামী ৯ এপ্রিল বিকেলে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে সাদা পত্র বিলির কর্মসূচি শুরু হবে। এছাড়াও, ১১ এপ্রিল সারা দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানায় বিক্ষোভ মিছিল, ১২ এপ্রিল জেলায় জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল এবং ১৩ এপ্রিল ঢাকায় এক বিশাল জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে গণভোটের রায়ের বাস্তবায়নের জন্য জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে আলোচনা হবে।

    সরকারের নীতির কঠোর সমালোচনা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিরোধী দলকে জনগণের রাজপথের আন্দোলনের পথে ঠেলে দিয়েই সরকার ভুল পথে হাঁটছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপির অপ্রকাশ্য কার্যকলাপের কারণে জাতি হতবাক ও বিস্মিত, কারণ বিএনপি’র নোট অব ডিসেন্ট মুলত আলাদা কিছু নয়, বরং এর মাধ্যমে সংবিধান নিয়ে সংকট সৃষ্টি হচ্ছে।

    তাঁরা জ্বালানি সংকট ও সংসদে বিরোধীদের বক্তৃতা বন্ধের অভিযোগও দায়ের করেন এবং বলেন, দিল্লির আগ্রাসবাদের বিরোধী অবস্থান নিচ্ছে এমন ব্যক্তিদের উপর সরকার রাজাকার ট্যাগ দিচ্ছে। শেষদিকে, জামায়াতের এই নেতারা বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার আন্দোলনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান, যেন দেশের রাজনীতিতে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয় এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুদৃঢ় হয়।

  • সংসদ মানুক বা না মানুক, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করব: জামায়াত আমির

    সংসদ মানুক বা না মানুক, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করব: জামায়াত আমির

    জামায়াতে ইসলামীর এমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংসদ মানুক বা না মানুক, তিনি গণভোটের রায় নিজ উদ্যোগে বাস্তবায়ন করে ছাড়বেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের ফল হাইজ্যাক করা হয়েছে এমন অভিযোগ করে, ‘70% জনগণ হ্যাঁ ভোট দিয়েছে। আমি হ্যাঁ এর পক্ষেই ছিলাম, এবং থাকবো। জনগণের প্রত্যাশা ও গণতান্ত্রিক ইচ্ছার প্রতি আমরা সম্মান জানাচ্ছি। এই সংসদ মানুক বা না মানুক, গণভোটের রায় আমরা বাস্তবায়ন করব এবং আদায় করেই ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ।’ তিনি বলেন, সোমবার (6 এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) 46তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, একটি দেশের সত্যিকার ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রথমে নিজেদের মধ্যে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার চালু করতে হবে। যারা নিজেদের দলীয় নেতৃত্বে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে পারে না, এমনকি নেতাকর্মীদের নিরাপত্তাও দিতে পারে না, তারা ১৮ কোটি মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার সুদৃঢ়তা দিতে পারবে না। ফলে তারা জনগণের গণতন্ত্রের উপহারও দিতে অক্ষম।

    তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের রায় স্পষ্ট, তারা চব্বিশে বুঝে গেছে। হয়তো প্রশ্ন ওঠে, তাহলে রায় দেওয়ার পরও কেন সরকার গঠন করতে পারছে না? এর কারণ হলো, জনগণের ভোট হাইজ্যাক করা হয়েছে, ভোট ডাকাতির মাধ্যমে তাদের মতামত উপেক্ষা করেছে ক্ষমতাসীনরা। জনগণকে অপমান করা হয়েছে এবং এর প্রতিফলন ইতোমধ্যে দেখাও গেছে।’

    জামায়াতের আমির বলেন, ‘হ্যাঁ, ঘুঘু বারবার আসে ধান খেতে, কিন্তু কপাল মন্দ হলে জালে ধরা পড়ে যায়। এবারও ঠিক তাই হবে। জনগণের ধান খেয়ে তুমি গেছে, এখন তোমার লেজ, পা ও ডানাও ঠিকভাবে কাজ করবে না।’ তিনি বলেন, যদি সংসদ যদি জনগণের স্বার্থে ব্যর্থ হয়, তাহলে আন্দোলনের মাধ্যমেই সেই রায় বাস্তবায়ন করা হবে। আগে ‘কেয়ারটেকার’ ব্যবস্থার জন্য সংসদে প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা ব্যর্থ হওয়ায় এখন জনগণের শক্তির উপর ভর করে দাবি আদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    জ্বালানি সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সংকটের কারণে জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে ও কৃষি উৎপাদনে প্রভাব পড়ছে। এর ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রেও এই জ্বালানি সংকটের কারণ দেখিয়ে সব শিক্ষাব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হলে আগামী প্রজন্মের জন্য তা অনেক ক্ষতিকর হবে। শিক্ষাকে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করতে হবে, এর আগে নয়।

    তিনি আরও বলেন, ‘সংসদে আমাদের প্রতিনিধিরা দেশের মানুষজনের স্বার্থ রক্ষা করবে এবং কোনো অন্যায়ের কাছে নতি স্বীকৃতি দেবে না।’ এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জাগপার মুখপাত্র প্রকৌশলী রাশেদ, প্রধান বক্তা ছিলেন পার্টির সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান। বিশেষ অতিথির মধ্যে ছিলেন ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমানসহ অনেকে।

  • আসিফের সতর্কতা: ২০২৬ বা ২০২৭ সালে আবারো অভ্যুত্থানের আশঙ্কা

    আসিফের সতর্কতা: ২০২৬ বা ২০২৭ সালে আবারো অভ্যুত্থানের আশঙ্কা

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বর্তমান সরকারের ২৪ সালের অর্জন কিংবা চেতনা যদি রক্ষা না করা যায়, তবে ২৬ বা ২৭ সালে আবারো একই ধরনের অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ইতিহাসে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের সফলতা তখনই রক্ষা পায়নি, যখন এর ফলাফল पुनরুদ্ধ করা সম্ভব হয়নি। তেমনি, ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত লক্ষ্যে অবিচল থাকলে ভবিষ্যতে আরেকটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন ঘটতে পারে। রোববার (৫ এপ্রিল) দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকার বিভিন্ন সময় গণভোটের রায় উপেক্ষা করে, জনসমর্থন না থাকা সত্ত্বেও নানা ধরনের রাষ্ট্র সংস্কারমূলক জরুরি অধ্যাদেশ জারি করছে। তিনি বলেন, প্রতিবারের মতো এবারো সংবিধানের কথা কেবল আলোচনায় উঠে, কিন্তু সরকার নিজেরাই সংবিধান লঙ্ঘন করে প্রশাসক নিয়োগের ক্ষেত্রে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। সংবিধানে স্পষ্ট উল্লেখ থাকলেও, বর্তমান প্রশাসন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠায় ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধির পরিবর্তে অবৈধভাবে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করছে। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপসারণের ভয় দেখিয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ সংবিধানবিরোধী।

    অন্যদিকে, ফোনে অডিও অপারেশনসংক্রান্ত উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বললেন, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকার ১৮-১৯টি এজেন্সির মাধ্যমে ব্যক্তিগত ফোনে আড়ি পাতার ক্ষমতা রাখত, যার ওপর কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল না। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই ক্ষমতা কমিয়ে ৪টি প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট করে দেয়া হলেও, বর্তমান সরকার তা আবারো বহাল করে আনছে, ফলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সম্ভাবনা বাড়ছে।

    আসিফ মাহমুদ বলেছেন, বর্তমানে স্বৈরাচারী স্বভাবের লক্ষণ স্পষ্ট। তিনি বলছেন, যদি এই সরকার গণভোটের রায় মানতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে তারা নিজেরাই ‘অবৈধ’ ঘোষণা করবেন। বলেন, শুরু থেকে তারা যদি আমাদের অর্জনগুলো ধুলিসাৎ করতে সচেষ্ট থাকে, তাতে আমরা তাদের অবৈধ বলতে সময় নেব না।

    শেষে, তিনি জানান, গণভোট নিয়ে তৈয়ার স্বেচ্ছাচারী নাটকীয়তা দেখে নিজেরা রাজপথে নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এই আন্দোলন দেশের জন্য শুভ হবে না বলে সতর্কতা দেন তিনি। সাধারণ জনগণ ও বিভিন্ন অংশীর সঙ্গে বসে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া জন্য প্রস্তুত হলেও, এখন অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে আন্দোলন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সংস্কার কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট জাবেদ রাসেল, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারসহ আরও নেতৃবৃন্দ।

  • সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি

    সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি

    সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান এবং গত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে চার দিনের সর্বভৌম কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামিসহ ১১ দলীয় জোট।

    মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকার মগবাজারে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর সাংবাদিকদের কাছে এই তথ্য জানান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, সরকার জনগণের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা করছে এবং সংস্কারসংক্রান্ত আগে থেকে হওয়া ঐকমত্যকে ধীরে ধীরে নষ্ট করা হচ্ছে।

    মামুনুল হক অভিযোগ করেন, বর্তমান শাসনব্যবস্থা একদলীয় ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং যারা সরকারের সমালোচনা করছেন তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এই নব্য ফ্যাসিবাদকে যে কোনো মূল্যে রুখে দেবে ১১ দলীয় ঐক্য।

    জোটের কার্যক্রম সূচি অনুযায়ী আগামী ৯ এপ্রিল বিকেলে গণভোট রায় বাস্তবায়নের পক্ষে সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ শুরু হবে। ১১ এপ্রিল সারা দেশের উপজেলা ও থানায় বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ১২ এপ্রিল সব জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করা হবে এবং ১৩ এপ্রিল ঢাকায় গণভোট রায় বাস্তবায়নের পক্ষে জাতীয় সেমিনারের আয়োজন করা হবে।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারই বিরোধীদলকে রাজপথে নেমে আন্দোলন করার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপির কিছু কর্মকাণ্ডে জাতি হতবাক ও বিস্মিত হয়েছে; গণভোটের রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট ইতিমধ্যেই স্থগিত রয়েছে এবং সংসদে একক ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের কারণে বিএনপি সংবিধান নিয়ে সংকট তৈরি করছে।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে সংসদে বিরোধীদলকে কথা বলার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না এবং যারা দিল্লির আগ্রাসনবিরোধী অবস্থান নিচ্ছেন, তাদের নাম করে রাজাকার হিসেবে ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে। তিনি বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

    জোটের তরফ থেকে বলা হয়েছে, তারা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ কিন্তু জোরালো কর্মসূচি চালিয়ে যাবে এবং সরকারের নীতির বিরুদ্ধে সংগঠিতভাবে প্রতিরোধ বজায় রাখবে।