Category: রাজনীতি

  • প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া

    প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরের সূচনায় এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলীয় জোট শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করলো। সূর্যোদয়ের কিছু সময় পর, রাত ১২টা ১ মিনিটে তারা রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হন। এর কিছুক্ষণের মধ্যে, ১২টা ১০ মিনিটের দিকে, আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের সংসদ সদস্যরা শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদে বিরোধীদলের স্পিকার নাহিদ ইসলাম, বিভিন্ন সংসদ সদস্য ও দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা। রাষ্ট্রীয় ভাবগাম্ভীর্য լի এই অনুষ্ঠানে তারা শহীদদের প্রতি সম্মান দিয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে মাগফিরাতের জন্য দোয়া করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর, দোয়া ও শান্তিকামনা শেষে তারা শহীদ বেদিতে কিছু সময় নীরবে থাকেন। এরপর, তারা রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে যান যেখানে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় দলটির নবনির্বাচিত সাংসদ ও শীর্ষ নেতা-কর্মীরা معهم ছিলেন। কবরস্থানে পৌঁছানোর পর, শহীদদের রূহের মাগফিরাত ও শান্তির জন্য কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া করা হয়, যা পরিচালনা করেন জামায়াতের আমির নিজেই। জানা গেছে, এর পূর্বে জামায়াতের পক্ষ থেকে এভাবে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া হয়নি; এটি এই প্রথম দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। এর আগে, রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতৃত্বও শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, এর মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। একুশের প্রথম প্রহর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও তার আশপাশে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। দিবসটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করা হচ্ছে, যা স্মরণে রংবেরঙের ভাষা-স্মারক অঙ্গনে উত্তেজনা ও সম্মানজনক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

  • একুশের চেতনায় নতুন দেশের যাত্রা: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

    একুশের চেতনায় নতুন দেশের যাত্রা: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ দিন একাদশশতাব্দীর স্বৈরশাসনের কারণে একটি স্বপ্নের মতো একুশ ছিল অবরুদ্ধ। এখন সেই অবরুদ্ধ চেতনা মুক্ত। এই অনুভূতি নিজের মতো করে তুলে ধরছেন তিনি।

    শুক্রবার রাতের শুরুতেই একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করার সময় মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।

    তিনি আরও জানান, নতুনভাবে গঠিত বিএনপির সরকার, নেতাক্রমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে, জনগণের বহু প্রত্যাশাকে সামনে এনে কাজ শুরু করেছে। আমাদের লক্ষ্য হলো, একটি সত্যিকার অর্থে জনগণের আস্থা ও ইনসাফের ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক সমাজ তৈরি করা, যেখানে বৈষম্য থাকবে না।

    মির্জা ফখরুল বলেন, একুশের মূল চেতনাই ছিল বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠন। এই চেতনা পরবর্তী দিনেও আমাদের পথে পরিচালিত করবে। আমরা এই নতুন একুশের অনুপ্রেরণায় দেশবাসীর জন্য কাজ করে যাব, মাতৃভাষা ও সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবো। সাংস্কৃতিক ও জাতীয় অঙ্গনে আরও এগিয়ে যাবো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবো। আমাদের আশা, এই চেতনা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য নতুন সূর্যোদয় এনে দেবে।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, সেলিমা রহমানের পরিবারের পক্ষ থেকে ও বিএনপির পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া চাওয়া হয়েছে। সেলিমা রহমান ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন বিএনপি সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি দলের যুগ্ম মহাসচিব এবং ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। জীবনের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথে নানা অত্যাচার ও নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে তাকে, বিশেষ করে কারা অভিজ্ঞতা তার জন্য স্বাভাবিক ছিল। বেশ কয়েকবার তাকে কারাবরণও করতে হয়েছে। এই কঠিন সময়েও তিনি সাহস ও শক্তির সঙ্গে দেশের জন্য কাজ করে গেছেন।

  • নিষিদ্ধ আ.লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে পতাকা উত্তোলন ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা

    নিষিদ্ধ আ.লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে পতাকা উত্তোলন ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা

    মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্মরণে জামালপুরের বকশীগঞ্জে বগারচর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিশেষ এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এদিন তারা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক দোয়াও পড়েন। উল্লেখ্য, এটি ছিল একটি অনানুষ্ঠানিক উদ্যোগ যেখানে তারা ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন। এই ঘটনার সূত্রে প্রকাশ, ওই সময় তারা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের জন্য মোনাজাত করেন। তবে, এই উত্তোলন নিজেই ছিল অসাধু পান্ডিত্যের পদক্ষেপ, কারণ এই এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা দলীয় নেতাকর্মীরা কাজ করছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ কাদির সাজু, সদস্য রেজাউল করিম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী, তাঁতী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল, এবং নিষিদ্ধ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিয়ামত উল্লাহ। পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি তাঁরা ভাষা শহীদদের জন্য প্রার্থনা করেন। কিন্তু পতাকা উত্তোলনের পর নেতাকর্মীরা সতর্কভাবে স্থান ত্যাগ করেন। এই ঘটনা এলাকায় ক্ষোভ ও চাপের মুখে পড়েছে। সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বকশিগঞ্জের গণঅধিকার পরিষদের নেতা শাহরিয়ার আহমেদ সুমন। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, “আজ ভোরে বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে নিষিদ্ধ দলীয় নেতাকর্মীরা পতাকা উত্তোলন এবং নানা স্লোগান দিয়েছিলেন। এটি মূলত তাদের দুঃশ্চিন্তার ফলাফল, কারণ বিগত এক বছর দেড়ের বেশি সময় ধরে এই দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তিনি আরও জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই অনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করা না হলে ছাত্রজনতা তার ক্ষোভ প্রকাশ করবেন। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বকশীগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু নেতাকর্মীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তিনি জানান, ঘটনার তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সরকারের অনুমোদন নেই, আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত বাতিল: মির্জা ফখরুল

    সরকারের অনুমোদন নেই, আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত বাতিল: মির্জা ফখরুল

    এখন পর্যন্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে নতুন করে দলীয় কার্যালয় খুলে থাকলেও সেটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনাগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করে বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে এই সকল কার্যালয় খোলার কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি নজরদারিতে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়টি দেখছেন।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক আলাপে এ কথা জানান তিনি। এর আগে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর এই প্রথম তিনি দলীয় কার্যালয়ে যান।

    আলোচনার সময় মির্জা ফখরুল স্মৃতিচারণ করে বলেন, তিনি দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছেন এই কার্যালয়ে। তিনি তার আত্মার শান্তি কামনা করেন।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগতভাবে কোনও অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তারা জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী এই কার্যক্রম সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ। তাই আমরা এটি পরিচালনা করছি না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়টি দেখবে, যাতে অবিলম্বে প্রকৃত সুরাহা হয়।

    মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষ যেমন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, তেমনি এই পরিস্থিতিতে তাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। দেশের জনতা তার নেতৃত্বে এক জোড়া পরিকল্পিত, সুসংগঠিত ও সফল পরিবর্তনের আশা করছে। 벌ের বিকাশে সাংবাদিকদের ভূমিকা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলে তিনি মনে করেন।

    স্থানীয় নির্বাচন বিষয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের কিছু প্রথা রয়েছে। সে প্রক্রিয়া শেষ হলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি, দলের নারীদের মনোনয়নও দেওয়া হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মুনির হোসেন, মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানসহ আরও বেশ কয়েকজন।

  • প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া

    প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলীয় জোট পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় গভীর দোয়া করেন জামায়াত আমিরসহ ১১ দলের সংসদ সদস্যরা।

    রাত ১২টা ১ মিনিটের দিকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছান জামায়াত নেতারা, এবং ঠিক ১২টা ১০ মিনিটের সময় শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদে বিরোধীদলের হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য হাসনাত, এটিএম আজহারসহ অন্যান্য জোট নেতা-কর্মীরা।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সবাই কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন। এরপর তারা নগরীর আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারত করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও নবনির্বাচিত সাংসদরা।

    কবরস্থানে গিয়ে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবতা পালনের পাশাপাশি কোরআন তেলাওয়াত হয় এবং শহিদদের রুহের শান্তি কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন জামায়াতের আমির নিজেই। জানা গেছে, আজকের এই আনুষ্ঠানিকতা জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো এভাবে শহীদ মিনারে ফুল উৎসর্গ ও শ্রদ্ধা নিবেদনের উদাহরণ।

    প্রথমে প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর ধাপে ধাপে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।

    একুশের প্রথম প্রহর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। দিবসটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে, যাতে ভাষা শহীদদের স্বরণে বিভিন্ন ধরণের আনুষ্ঠানিকতা ও উৎসবের আয়োজন দেখা যায়।

  • আওয়ামী লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে পতাকা উত্তোলন ও অভিযান

    আওয়ামী লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে পতাকা উত্তোলন ও অভিযান

    মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের উপলক্ষে জামালপুরের বকশীগঞ্জে বগারচর ইউনিয়ন এলাকায় বিশেষ এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া পরিচালনা করেছেন। সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে তারা আওয়ামী লীগের অঘোষিত কার্যালয়ের সামনে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর এক মোনাজাতে ভাষা আন্দোলনে শহীদ ব্যক্তিদের জন্য শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করা হয়। এই পতাকা উত্তোলন ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সংবিধিবদ্ধভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা, যার মধ্যে ছিল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ কাদির সাজু, সদস্য রেজাউল করিম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী, তাঁতী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল, এবং নিষিদ্ধ দলের ছাত্রলীগ সভাপতি নিয়ামত উল্লাহসহ আরও কয়েকজন। তবে এই কর্মসূচির শেষের দিকে নেতাকর্মীরা দ্রুতই কার্যালয় থেকে বিদায় নেন। এই ঘটনার পর থেকে বগশীগঞ্জের বকশীগঞ্জ ইউনিয়নে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই এই ঘটনার নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করে থাকেন। বিশিষ্ট সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা বলেন, এটি কোনও অপ্রত্যাশিত ঘটনার অংশ নয়, বরং এক ধরনের অসাধু পদ্ধতি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন এখন তদন্ত শুরু করেছে। বকশীগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর নেতাকর্মীরা পালিয়ে গেছে, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর ফলে বিষয়টি পুলিশের নজরে এসেছে এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।

  • একুশ অন্যতম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নতুন প্রেরণা: স্থানীয় সরকার ও বিএনপি নেতা

    একুশ অন্যতম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নতুন প্রেরণা: স্থানীয় সরকার ও বিএনপি নেতা

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ দিন ধরেই একুশ ছিল ফ্যাসিস্ট শাসনের জাঁতাকলে আবদ্ধ। কিন্তু এবার সেই চেতনাকে মুক্ত করে আন্তরিকতার সঙ্গে উদযাপন করা হচ্ছে, যার ফলে এবারের একুশের অনুভূতি বেশ আলাদা ও উদ্দীপনাময়। এই কথা তিনি ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে শুক্রবার দিবাগত রাতে তাদের স্মৃতির প্রতি গভীর احترام জানাতে গিয়ে বলেন।

    মন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন করেছে তারেক রহমানের নেতৃত্বে। এই সরকারের সামনে অসীম প্রত্যাশা রযেছে দেশের সাধারণ মানুষের। তারা চান, ভবিষ্যতে একটি সত্যিকার গণতান্ত্রিক ও সুবিচারভিত্তিক বাংলাদেশ রূপদান হবে।

    মির্জা ফখরুল বলেন, একুশের মূল চেতনা ছিল সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশে একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই চেতনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তারা আগামী দিনে দেশকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করে তুলবেন। নতুন এই একুশের মধ্যে তারা পাবেন নতুন উৎসাহ ও প্রেরণা, যার মাধ্যমে তারা জনগণের কল্যাণে কাজ করতে সক্ষম হবেন।

    তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের মাতৃভাষা, সংস্কৃতি এবং স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে আরও শক্তিশালী করব। আমাদের লক্ষ্য, একটি মুক্ত, গণতান্ত্রিক ও সুবিচারভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে সবাই সমান অধিকার পাবে এবং দেশের উন্নয়ন হবে ধীর ও স্থির পথে।

  • আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলায় সরকারের অনুমতি নেই: মির্জা ফখরুল

    আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলায় সরকারের অনুমতি নেই: মির্জা ফখরুল

    কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে দলীয় কার্যালয় খুলে থাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সরকারের অনুমতি না থাকায় এই কার্যালয়গুলোর খোলার নীতিগত কোনো অনুমোদন নেই। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়টি দেখবে।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানী নয়াপল্টনের বিএনপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর এটি তার প্রথমবারের মতো দলের কার্যালয় পরিদর্শন।

    এ সময় তিনি দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ করে বলেন, এই কার্যালয়ে তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছেন। আপনার আত্মার শান্তি কামনা করে তার মাগফেরাতের জন্য দোয়া করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের আইন অনুযায়ী আওয়ামী লীগের কার্যালয়গুলো কার্যত নিষিদ্ধ, তাই তারা এগুলো খোলেনি। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ যদি বিষয়টি দেখবে, তাহলে সমাধান সম্ভব।

    তিনি আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারেক রহমানের প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তার নেতৃত্বে দেশ নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দল ও সরকার তার নেতৃত্বে সুসংগঠিত হয়ে এগিয়ে যাবে।

    গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য সাংবাদিকদের ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

    অপর দিকে, স্থানীয় নির্বাচন বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে মির্জা ফখরুল বলেন, মন্ত্রণালয়ের কিছু প্রথা রয়েছে, সেটি শেষ হলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি, দলের নারীদের মনোনয়নও দেওয়া হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মুনির হোসেন, মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউয়ে চিকিৎসাধীন আছেন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়। ওই পোস্টে বলা হয়, তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে। সেলিমা রহমান ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে তৎকালীন বিএনপি সরকারে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাকে নানা ধরনের অত্যাচার ও নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে। বেশ কয়েকবার তাকে কারাবরণ করতে হয়েছে, যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনকে করে তোলে আরও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।