Category: রাজনীতি

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা সভায় বিএনপি সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে তোপ দেগে মন্তব্য করেছেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরে একটি মেধাবী শ্রেণি গঠন করে জাসদ তৈরী করেছিল; তারা অতিরঞ্জনের ফলে দেশ ও জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং নিজেদের অবস্থানও হারিয়েছে। তিনি মিশ্র অনুভূতিতে বলেন, আমাদের উচিত সবকিছু ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার সঙ্গে হজম করার তৌফিক প্রার্থনা করা।

    বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকাও স্মরণ করে মনিরুল হক বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি তাদের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং তখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক সহযোগিতা হয়েছিল। তিনি কটাক্ষ করেন, যখন আপনারা প্রশ্ন তুলেন মনে হয় যেন এই দেশে বিএনপি ১৫-২০ বছর ছিলই না। এমন কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতাকেও তিনি এখন মনে করার আহ্বান জানান।

    তিনি আরও বলেন, সংসদে কথা বলার সময় ভয়ের কথা প্রকাশ করেছেন—আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতাম তাদের চেনতাম, কিন্তু আজকের বিরোধী দলকে তিনি এখনও পুরোপুরি চিনতে পারছেন না। সাবেক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত তত্ত্ব নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান কঠিন নির্বাচনের কথা বলেছিলেন; তখন অনেকেই বুঝতে পারেননি, পরে নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় তারা কষ্টের মাত্রা বুঝেছেন।

    মনিরুল হক উল্লেখ করেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর কৃতজ্ঞতা জানানোর কথা থাকলে আলহামদুলিল্লাহ বলতে হবে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশকেও। একই সঙ্গে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, আজকের দিনে কিছু মুক্তিযোদ্ধা যারা জীবিত আছেন তাদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন ওঠায় মর্মাহত হচ্ছেন—মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে এক কাতার করে দেখানোর প্রবণতা আছে কি না তা নিয়ে সমালোচনা তোলেন। যদি ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে বিচারের নামে অন্যায় হয়ে থাকে, সেটি আলাদা বিষয় বলে তিনি জোর দিয়ে বলেন।

    শেষে তিনি সংসদে জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে একটি কথা বলেন—স্বাধীনতার পরে বা এনসিপির মতো সংগঠনের তরুণ নেতারা বয়সে কম হলে ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। কারণ, তাদের সাহসী বলে তিনি বিশ্বাস করেন এবং বলেন, তারা এই যুগের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করছে।

  • কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকেই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নানা আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন। বিভিন্ন মন্তব্য ও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে তাঁর জনপ্রিয়তা ও সমালোচনা দুটোই বাড়িয়েছে।

    আজ সকালে একটি পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কারো মন কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি এবং প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক আলোচনা হয়েছে। সবার কাছ থেকেই কিছু মূল্যবান পরামর্শ পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া।’’

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানিয়েছেন, তিনি সেই পরামর্শগুলো বিনয়ের সঙ্গে গ্রহণ করছেন এবং এখন থেকে আরও শান্ত, দায়িত্বশীলভাবে কাজ চালানোর চেষ্টা করবেন। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান তিনি।

    তিনি আবারও বলেছেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই আমার পথচলার শক্তি।’’

    পাটওয়ারী জানিয়েছেন, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইল করে তিনি এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছেন এবং আল্লাহর কাছে সবাইকে ক্ষমা ও সঠিক পথে পরিচালনা করার দোয়া চান।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিএনপি এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিএনপি এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

    জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াত ও এনসিপি সম্পর্কে কড়া প্রশ্ন রাখেন বিএনপি সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি কথা বলার সময় বিভিন্ন বিষয় স্মরণ ও সমালোচনা করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক বলেন, স্বাধীনতার পরও এক যুগে এক মেধাবী শ্রেণি গঠন করেছিল জাসদ। পরে কিছু বাড়াবাড়ি হওয়ায় দেশ-জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তাদেরও অবস্থান ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তিনি সকলে মিলে ধৈর্য ধরে ঘটনাগুলো মোকাবেলা করার তৌফিক প্রার্থনা করেন।

    দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করে তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে কাজ করেছেন। খালেদা জিয়া জামায়াতকে রাজনীতিতে আনতে যে ভূমিকা নিয়েছেন, সেটিও তিনি তুলে আনেন এবং অনুরোধ করেন সেদিকটাও মনে রাখা হোক। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু মানুষ বিএনপিকে যেন দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস থেকে অদৃশ্য করে দেখেন—মনে হয় গত দশ-পনেরো বছরে বিএনপি উপস্থিতই ছিলেন না।

    তিনি আরও বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে ইদানিং কাদেরকে বিরোধী মনে হচ্ছে, তাদের সবাইকে তিনি চেনেন না; আগে যাদের বিরুদ্ধে সাহস করে কথা বলা যেত, এখন সেই পরিচয় পাওয়া কঠিন। তারেক রহমান曾 বলেছেন—কঠিন নির্বাচন হবে—সেদিন অনেকেই তা বুঝেননি, কিন্তু পরে কষ্টসহকারে বোধ হয়েছে যে নির্বাচনের কতটা কঠিন পরীক্ষা পেরোয়েছেন তারা।

    মনিরুল হক বলেন, প্রসঙ্গে স্বীকার করে বলতে হয়, এত জন প্রতিনিধি নিয়ে সংসদে আসার পর যারা কৃতজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য তাদের মধ্যে অন্যতম ছিল জামায়াতে ইসলামী—তবে আজ তাদের বিরুদ্ধে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে কিছু মুক্তিযোদ্ধা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য ঘটনাকে একই সারিতে রাখা হচ্ছে কি না—এ ধরনের বিষয়ে মীমাংসা দরকার।

    দেশের অতীতের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে যে উত্থাপিত অভিযোগ আছে, তা নিয়ে যদি অন্যায় হয়ে থাকে সেটাও বিচারাধীন বিষয় বলে জানান তিনি। মহান সংসদে এইসব প্রশ্ন রেখে মনিরুল হক জামায়াতকে একটি আবেদন জানান և বলেন, স্বাধীনতার পর বা এনসিপির নেতাদের সবাই হয়তো তরুণ হলেও, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা উচিত কারণ তারা সাহসী ও এই যুগের দাবি অনুযায়ী রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করছে।

  • যদি কেউ অনিচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    যদি কেউ অনিচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে নানা আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বিভিন্ন মন্তব্যের সূত্রে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছিলেন।

    আজ বুধবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, তার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে সে জন্য তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানিয়েছেন, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক আলাপচারিতা হয়েছে। সেসব আলাপ থেকে আমি মূল্যবান দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    তিনি জানিয়েছেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছেন এবং bundan পর আরও শান্তি ও দায়িত্ববোধ নিয়ে পথ চলার চেষ্টা করবেন। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির লক্ষ্যে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যেতে চান তিনি।

    পাটওয়ারী আরও বলেছেন, ‘‘যদি আমার কোনো কথা বা কাজে কেউ অনিচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, তা হলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ আমার পথে চলার শক্তি।’’

    এতে তিনি যোগ করেছেন, ‘‘গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’’

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    রোববার জাতীয় সংসদের ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা সভায় বিএনপি সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী জামায়াত ও এনসিপি সম্পর্কে নানা প্রশ্ন উত্থাপন করেন এবং অতীত‑বর্তমান রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করেন। সভার সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক বলেন, স্বাধীনতার পর একটি মেধাবী শ্রেণি এসেছিল যারা জাসদ গঠন করেছিল। পরে বাড়াবাড়ি হওয়ার কারণে দেশ ও জাতির ক্ষতি হয়েছে এবং অনেকেই সরে গেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন আল্লাহ তাদের সবাইকে সবকিছু হজম করার তৌফিক দিন।

    তিনি আরও বলেন, জামায়াতকে এ পর্যন্ত রাজনীতিতে নিয়ে আসার পেছনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা মনে করে স্মরণ করা উচিত। ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি নিজে সাবেক নেত্রীর নেতৃত্বে কাজ করেছেন; সেই সহস্র মুহূর্তগুলো ভুলে যাওয়া যায় না। প্রশ্ন উঠে যে, কখনো যেন মনে হয় বাংলাদেশে বিএনপি ১৫-২০ বছর ছিলই না—এ ধরনের দাবি ইতিহাসের সঙ্গে انصاف হয় না।

    সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি জানান, আগে যারা বিরুদ্ধে ছিলেন তাদের চেনতেন, কিন্তু আজকের বিরোধীপক্ষকে তিনি পুরোপুরি চিনতে পারছেন না। দলের নেতা তারেক রহমানের কথায় ‘কঠিন নির্বাচন’ বিষয়ে অনেকে আগে বুঝতেন না, তিনি তখন বুঝেছিলেন; পরে নির্বাচনের সময় তারা বুঝেছে কতটা কঠিন ছিল।

    মনিরুল হক অভিযোগ করেন, অনেক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পরও যাদের উচিত আলহামদুলিল্লাহ বলা হয়েছে, তারা হচ্ছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। কিন্তু একই সময়ে কিছু জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে—মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনও সঙ্গে তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে কি না, এ প্রশ্ন তিনি তুলেছেন। তিনি যোগ করেন, যদি কোনো সময় ফ্যাসিস্ট শাসনের আমলে বিচারের নামে অন্যায় হয়ে থাকে, সেটা আলাদা বিষয় এবং সেটাও বিচারবিভাগীয় প্রক্রিয়ায় দেখা উচিত।

    শেষে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বা এনসিপির মতো দলের তরুণ নেতারা বয়সে ছোট হলে তাও তাদের তিনি শ্রদ্ধা করেন; কারণ তারা সাহসী সন্তান এবং এই যুগের চাহিদা মেটাচ্ছে।

  • জামায়াত আমির: বাংলাদেশ আর কোনো আধিপত্য মেনে নেবে না, জাতি ঘাড় থেকে বোঝা ফেলে দিয়েছে

    জামায়াত আমির: বাংলাদেশ আর কোনো আধিপত্য মেনে নেবে না, জাতি ঘাড় থেকে বোঝা ফেলে দিয়েছে

    সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ আর কারো আধিপত্য মেনে নেবে না এবং অতীতের অন্যায়ের বোঝা জাতি ঘাড় থেকে নামিয়ে দিয়েছে। তিনি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে উদাহরণ হিসেবে টেনে বলেন, এই গণআন্দোলনের জোরে দেশ দখলমুক্ত হয়েছে এবং আজকের যুবসমাজ মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায়।

    মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১৫ আসনে চীনের সহযোগিতায় আয়োজিত ফুডপ্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

    বক্তব্যের শুরুতেই তিনি চীনা রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান এবং চীনকে বাংলাদেশের একটি বড় ও আন্তরিক উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৬ সালে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির পর থেকে চীন বাংলাদেশের বিভিন্ন বড় স্থাপনা ও অবকাঠামো নির্মাণে নিরবচ্ছিন্ন ভূমিকা রেখেছে। মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম ও চীন–বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রকে উদাহরণ ধরে বলেন, এসব স্থাপনা চীনের অকৃত্রিম বন্ধুত্বের প্রতীক; তবে এক সময়ে ‘‘ফ্যাসিস্ট’’ শাসনামলে এসব নিদর্শন হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিল।

    চীনকে প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, চীন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেনি, সে তুলনায় অনেকে কিছু না দিয়ে সব নিলে মাঝে মাঝে হস্তক্ষেপ করে থাকেন। তিনি বলেন, ‘‘চীন অবিরত বন্ধুর পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে।’’

    তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিস্তা প্রকল্প উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের কান্না, আমরা এই কষ্টের অবসান চাই এবং অতীতের লেগেসি আর বহন করব না।

    অনুষ্ঠানে তিনি উল্লেখ করেন, চীন ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের জন্য এক হাজার বেডের দুটি হাসপাতাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য একটি বড় হল নির্মাণের ঘোষণা ও বাজেট বরাদ্দ করেছে। তিনি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে একটি ‘পাইলট প্রজেক্ট’ গ্রহণের জন্য চীনা রাষ্ট্রদূতকে বিশেষ আহ্বান জানান।

    স্থানীয়দের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘আমি আপনাদেরই একজন। এই এলাকা আমার নিজের ঘর। সরকার বা বন্ধুরাষ্ট্র থেকে যা কিছু আসবে, তা আমানত হিসেবে আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবেও আমরা আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করব।’’

    অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন দুস্থদের হাতে ফুডপ্যাক তুলে দেন। সময়ের মধ্যে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ এবং স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন; তারা শৃঙ্খলা বজায় রেখে প্রতিটি আসনে উপহার সরবরাহ করেন।

  • জামায়াত আমির: বাংলাদেশ আর কোনো আধিপত্য গ্রহণ করবে না, জাতি অতীতের বোঝা নামিয়েছে

    জামায়াত আমির: বাংলাদেশ আর কোনো আধিপত্য গ্রহণ করবে না, জাতি অতীতের বোঝা নামিয়েছে

    সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ আর কোনো দেশের আধিপত্য মেনে নেবে না এবং বিগত দিনের অন্যায়ের বোঝা জনগণ ঘাড় থেকে নামিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা দেশকে দখলমুক্ত করেছেন এবং এখন দেশের যুবসমাজ মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায়।

    মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১৫ আসনে চীনের সহযোগিতায় ফুডপ্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

    বক্তব্যের শুরুতেই তিনি চীনের রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও আন্তরিক উন্নয়ন অংশীদার। ১৯৭৬ সালে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির পর থেকে চীন দেশে বড় বড় স্থাপনা ও অবকাঠামো নির্মাণে অবদান রেখে চলেছে। তিনি মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম ও চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের উদাহরণ টেনে বলেন, এসব স্থাপনা চীনের অকৃত্রিম বন্ধুত্বের প্রতীক; তবে ‘বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে’ এসব নিদর্শন হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিল।

    চীনকে তিনি একটি দেশের মতো আখ্যায়িত করে বলেন, ‘‘চীন আজও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কোনো ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করে না। কিন্তু অনেকে কিছু না দিয়ে সব নিয়ে যায় এবং যখন-তখন হস্তক্ষেপ করে। চীন অবিচলিত বন্ধুর পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে।’’

    ডা. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, তিস্তা জলবণ্টন প্রকল্প বাস্তবায়নে ভবিষ্যতে চীন আরও উদ্যোগী ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, তিস্তা প্রকল্প উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের কান্না; আমরা সেই কষ্টের অবসান চাই এবং অতীতের লেগাসি আর বহন করতে চাই না।

    তিনি বলেন, চীন ইতিমধ্যে বাংলাদেশে দুইটি এক হাজার বেডের হাসপাতাল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশাল হল নির্মাণের ঘোষণা ও বাজেট বরাদ্দ করেছে। এছাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে একটি ‘পাইলট প্রজেক্ট’ নেওয়ার জন্য তিনি চীনা রাষ্ট্রদূতের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান।

    মিরপুরবাসীর উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমি আপনাদেরই একজন; এই এলাকা আমার নিজের ঘর। সরকার বা বন্ধু রাষ্ট্র থেকে যা কিছু আসবে, তা আমি আমানত হিসেবে আপনাদের হাতে পৌঁছে দেব। তার বাইরে ব্যক্তিগতভাবে ও আমরা আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করব।’

    অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন দুস্থদের হাতে ফুডপ্যাক তুলে দেন। местীয় জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ এবং বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি চলাকালে স্বেচ্ছাসেবকরা শৃঙ্খলা বজায় রেখে প্রতিটি আসনে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন।

  • জামায়াত-এনসিপিকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপিকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জাতীয় সংসদের ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় রবিবার বিএনপি’র সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী জামায়াত ও এনসিপি বিষয়কে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর হওয়া এ অধিবেশনে বক্তব্য দিেেন তিনি। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পরও একটি মেধাবী শ্রেণি উঠে এসেছিল, যাঁরা জাসদ গঠন করেছিলেন। পরে বাড়াবাড়ি করার কারণে দেশের ক্ষতি হয়েছে, অনেক কিছু হারিয়েছে জাতি। তিনি এখনও সবাইকে সহনশীলতার পাঠ নেয়ার আহ্বান জানান।

    তিনি সাব সুহৃদ বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আপনারা সবার সঙ্গে কাজ করেছেন। আজ যখন কিছু মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, তখন মনে হচ্ছে যেন এই দেশে গত ১৫–২০ বছর বিএনপি ছিল না। তিনি বলেন, জাতির স্বার্থে এবং বিভিন্ন সংকট উপেক্ষা করে জাতনেত্রী জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন; তাই তাদের রাজনীতিকে এ পর্যন্ত নিয়ে আসার পেছনে খালেদা জিয়ার অবদানও স্মরণ করা উচিত।

    অন্যদিকে সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি নিজের অস্বস্তির কথাও জানান। আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতেন তাদের চিনতেন, কিন্তু আজকার বিরোধীদের মধ্যে অনেককে তিনি আলাদা করে চেনেন না। তিনি তরিক রহমানের কথার উল্লেখ করে বলেন, কঠিন নির্বাচনের কথা আগে কেউ বুঝে নেনি, পরে নির্বাচন করে তাঁরা নিজেই উপলব্ধি করেছেন কতটা কঠিন ছিল।

    মনিরুল হক আরও বলেন, এতসংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে এসেছে দলগুলো — আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত এমনদের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু আজ সাম্প্রতিক সময়ে দেশের কিছু লোক বিশেষ করে যারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জীবিত আছেন, তাঁদের সম্পর্কে প্রশ্ন তুলতে হচ্ছে; মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৭৫ সালের ঘটনা এক কাতার করা হলো কি-না — এ ধরনের আলোচনা উত্তেজনা তৈরি করছে। তিনি যোগ করেন, ফ্যাসিস্ট শাসনের আমলে বিচার বলে কিছু অনিয়ম হয়ে থাকলে তা আলাদাভাবে বিচার করা উচিত।

    শেষে তিনি জামায়াত ও এনসিপির প্রতি বলেন, স্বাধীনতার পরও বা এনসিপির মতো দলগুলোর তরুণ নেতাদের বয়স কম হলেও তিনি তাদের শ্রদ্ধা করেন—কারণ তারা সাহসী এবং এই যুগের চাহিদা পূরণে যোগ্য।

  • জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান: বাংলাদেশ আধিপত্য মেনে নেবে না, জাতি অতীতের বোঝা ঝেড়ে ফেলেছে

    জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান: বাংলাদেশ আধিপত্য মেনে নেবে না, জাতি অতীতের বোঝা ঝেড়ে ফেলেছে

    সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ আর কোনো বাহ্যিক আধিপত্য মেনে নেবে না এবং অতীতের অন্যায়-অবহেলাসহ যে বোঝা ছিল, তা জাতি ঘাড় থেকে ফেলেছে। তিনি বলেন, ‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা আমাদের দেশকে দখলমুক্ত করেছেন। এখন আমাদের যুবসমাজ মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায়।’

    মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে মিরপুর-১৫ এর বাসিন্দাদের মাঝে চীনের সহযোগিতায় ফুডপ্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি بودند বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

    বক্তব্যের শুরুতেই তিনি চীনা রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান এবং চীনকে বাংলাদেশের অন্যতম বড় ও আন্তরিক উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেন। ১৯৭৬ সালে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক স্বীকৃতির পর থেকে চীন বিভিন্ন বড় অবকাঠামো নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে—যেমন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম ও চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র। ডা. শফিকুর বলেন, এসব স্থাপনা চীনের অকৃত্রিম বন্ধুত্বের চিহ্ন, কিন্তু গত কোনো ফ্যাসিস্ট শাসনামলে এসব নিদর্শন হাইজ্যাকও হয়েছিল।

    চীনকে প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘‘চীন এমন একটি দেশ যারা বাংলাদেশীর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেনি। অন্যদিকে অনেকে কিছু না দিয়ে সব নিয়ে যায় বা সময়ে সময়ে আবদ্ধ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে। চীন অবিচল, সত্যিকার বন্ধু হিসেবে কাজ করছে।’’

    তিনি আশা প্রকাশ করেন যে তিস্তা নদী নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ভবিষ্যতে চীন আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, ‘‘তিস্তা প্রকল্পটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বেদনা; এই বেদনার অবসান আমরা চাই। অতীতে কেন এটি পারেনি, তা তো শিশুরাও বুঝে—আমরা আর সেই লেগ্যাসি বহন করতে চাই না।’’

    অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান আরও জানান, চীন ইতিমধ্যে বাংলাদেশে এক হাজার বেডের দুটি হাসপাতাল নির্মাণ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশাল হল নির্মাণের ঘোষণা ও বাজেট বরাদ্দ করেছে। তিনি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য একটি ‘পাইলট প্রজেক্ট’ শুরু করতে চীনা রাষ্ট্রদূতকে বিশেষ আহ্বান জানান।

    মিরপুরবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘আমি আপনাদেরই একজন—এই এলাকা আমার নিজের ঘর। সরকার বা বন্ধু রাষ্ট্র থেকে যা কিছু আসবে, তা আমানত হিসেবে আপনাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর বাইরে আমরা ব্যক্তিগতভাবে ও সংগঠনিকভাবে আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করব।’’

    অনুষ্ঠানে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন দুস্থদের হাতে সরাসরি ফুডপ্যাক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের স্থানীয় নেতারা, বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ এবং স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত ছিলেন। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবকরা প্রতি আসনে উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

  • জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে মন্তব্য করলেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে মন্তব্য করলেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন বিএনপি সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরি। রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক বলেন, ‘‘স্বাধীনতার পরও এক মেধাবী অংশ গঠিত হয়েছিল—জাসদ। কিন্তু বাড়াবাড়ির ফলে দেশ-জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদেরও ক্ষতি হয়েছে। আমাদের উচিত ধৈর্য্য ও সহনশীলতা বজায় রাখা।’’

    তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করাতে বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। বিএনপিকে যেন এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় না যেন এই দেশে বিগত ১৫–২০ বছর বিএনপি ছিলই না। বেগম খালেদা জিয়া অনেক আপত্তি উপেক্ষা করে জামায়াতের সাথে কাজ করেছেন; রাজনীতিকে এ পর্যায়ে নিয়ে আসার পেছনে তাঁরও কিছু অবদান আছে, এটা মনে রাখতেই হবে। ইতিহাসের বিচারে দেখুন, কোথায় গিয়ে আমরা পৌঁছেছি—এই বিবেচনাও থাকা উচিত, তিনি যোগ করেন।

    সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, কী ভাষায় কথা বলব তা নিয়েও অনিশ্চয়তা আছে—আগে যাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কথা বলতাম, তাদের চিনতাম, কিন্তু আজকের বিরোধীদলকে তিনি সে পরিচয়ে চিনেন না। নেতা তারেক রহমানের কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, নেতা বলেছিলেন ‘‘কঠিন নির্বাচন’’—সেদিন অনেকে বিষয়টি বুঝতে পারেননি, পরে নির্বাচন করার সময় তাদের কষ্ট বোঝা গেছে।

    মনিরুল হক আরও বলেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে এলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিষয়ও রয়েছে; আলহামদুলিল্লাহ বলে ঠিক যাদের কথা বলা উচিত ছিল, তারা ছিলেন জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু আজ আমাদের সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন উঠছে—জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদেরকেও প্রশ্ন করতে হচ্ছে যে মুক্তিযুদ্ধ আর ২৪’র ঘটনা একই ধরনের কি না। তিনি বলেন, যদি ফ্যাসিস্ট শাসনের আমলে বিচার নামে অন্যায় ঘটিত হয়ে থাকে, সেটি আলাদা বিষয়।

    অবশেষে তিনি মহান সংসদের উদ্দেশ্যে এ প্রশ্ন রেখে জামায়াতকে একটি কথা বলেন—স্বাধীনতার পর বা এনসিপির নেতৃত্বে যারা আছেন তাদের বয়স কম হলেও তিনি তাদের শ্রদ্ধা করেন, কারণ তারা সাহসী সন্তান এবং বর্তমান যুগের দাবিকে প্রতিনিধিত্ব করছে।