Category: রাজনীতি

  • কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পর থেকেই নানা প্রসঙ্গে আলোচিত-সমালোচিত ও আলোচিত হয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু মন্তব্যও দ্রুত ভাইরাল হয়েছে।

    আজ বুধবার সকালে এক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, যদি তাঁর কোনো কথা বা কাজ অনিচ্ছাকৃতভাবে কাউকে কষ্ট দিয়েছে তাহলে তিনি তার জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথা বলার সুযোগ হয়েছে। সবার কাছ থেকেই মূল্যবান দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা সীমাবদ্ধ রাখা এবং গঠনমূলক আলোচনায় বেশি মনোযোগ দেওয়া।’’

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানিয়েছেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করেছেন এবং আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথচলা চালাবেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যেতে চান।

    তিনি আবারও জানিয়েছেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ আমার পথচলার শক্তি।’’

    পাটওয়ারী আরো জানান, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে তিনি এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছেন এবং সবাইকে মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও সঠিক পথের জন্য দোয়া করার অনুরোধ করেছেন।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে মনিরুল হক চৌধুরীর অভিযোগ, খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করার আহ্বান

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে মনিরুল হক চৌধুরীর অভিযোগ, খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করার আহ্বান

    জাতীয় সংসদে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে ধারালো মন্তব্য করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর মেধাবী একটি শ্রেণি উঠে আসে যারা জাসদ গঠন করে। ‘‘অতিরিক্ত ভালোলাগা বা বাড়াবাড়ি করতে গিয়ে দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা নিজেও শেষ পর্যন্ত হারিয়েছে,’’ যোগ করেন তিনি।

    অধিবেশনটি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মনিরুল হক চৌধুরী বেগম খালেদা জিয়ার নাম স্মরণ করে বলেন, ১৯৯১-এর সংসদে তিনি দলের সদস্যদের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং দেশনেত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার অবদানকে উপেক্ষা করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, ‘‘আপনারা যখন প্রশ্ন করেন মনে হয় গত ১৫-২০ বছর বিএনপি এই দেশে ছিল না। বেগম খালেদা জিয়া নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন—রাজনীতিকে এ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার পেছনে তারও ভূমিকা রয়েছে, সেটুকু স্মরণ করুন।’’

    তিনি আরো বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে কখনও কখনও বলবো কী—এই ভয় কাজ করে। আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতাম তাদের চিনতাম, কিন্তু আজ যারা বিরোধী দল তাদের চেনাই কষ্টসাধ্য। দলের নেতা তারেক রহমান যে ‘কঠিন নির্বাচন’ সম্পর্কে বলেছিলেন, তখন অনেকে বুঝতে পারেননি; পরে নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় তাদেরই কথার সঠিকতা বোঝা গেছে।

    মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর আমরা যে বিষয়গুলো আলহামদুলিল্লাহ বলে ভাবতাম, তাদের মধ্যে এক হওয়া উচিত ছিল জামায়াতে ইসলামী। তবু আজ আমাদের সম্পর্কে এমন প্রশ্ন উঠছে—কিছু জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন করা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধ ও ‘‘২৪’র যুদ্ধ’’কে এক কাতারে দেখা হচ্ছে কি না—এ ধরনের আলোচনা চলছে। যদি ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে বিচারের নামে অন্যায় হয়ে থাকে, তা আলাদা বিষয়; এই প্রশ্নগুলো নিয়ে সময় ও হিসেব করা উচিত।

    শেষে তিনি জামায়াত ও এনসিপির প্রেক্ষাপটে বলেন, স্বাধীনতার পরের প্রজন্ম, যদিও বয়সে তরুণ, তাদের সাহসও আছে এবং সেই সাহসকে শ্রদ্ধা করা উচিত।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াত ও এনসিপিকে নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর একটি মেধাবী তরুণশ্রেণি এসেছিল যারা জাসদ গঠন করেছিলেন, কিন্তু পরে অতিরিক্তভাবে এগোতে গিয়ে দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি সবাইকে সবকিছু সহ্য করার তৌফিক দেয়ারও আবেদন জানান।

    অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। মনিরুল হক চৌধুরী বঙ্গবন্ধু যুগ পরবর্তী রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করে বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলের সঙ্গে কাজ করেছেন। বিরোধী দল cuando প্রশ্ন করলে মনে হয় দেশে বিএনপি যেন অপ্রতিষ্ঠিত ছিল—এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতনেত্রী বহু বিরোধ উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং যারা আজ রাজনীতিতে আসছেন তাদের পেছনে দলের বহু তৎপরতা রয়েছে, সেটাও স্মরণ করা উচিত।

    তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, কখনো কখনো বুঝতে কষ্ট হয় যে কার বিরুদ্ধে কথা বলব; আগে যারা বিরোধী ছিল তাদেরকে চিনতাম, কিন্তু আজকের কিছু বিরোধীকে তিনি এখনও চিনে উঠতে পারেননি। মনিরুল হক বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমানই কঠোর নির্বাচন নিয়ে সতর্ক করেছিলেন—সেই সতর্কতা অনেকেই তখন বুঝতে পারেননি, পরে নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় তারা কী কঠিন পরীক্ষা পেরোতে হয়েছে তা বোঝা গেছে।

    তিনি আরো বলেন, এতসংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর যাদের জন্য আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত, গতকালে তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশও ছিল, কিন্তু আজ আমাদের সম্পর্কে প্রশ্ন উঠে থাকে। জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যে প্রশ্ন করা হচ্ছে—মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনো সময়ের ঘটনার সঙ্গে সমান করে দেখা হচ্ছে—এটি উদ্বেগের বিষয়। যদি ফ্যাসিস্টদের আমলে বিচারের নাম করে অন্যায় করা হয়ে থাকে তা অবশ্য আলাদা বিষয়।

    শেষে মনিরুল হক সংসদে একটুকু কথা রেখে জামায়াতকে বলেন, স্বাধীনতার পর বা এনসিপির মতো দলের নেতারা বয়সে ছোটও হতে পারেন, তবু তাদের তিনি শ্রদ্ধা করেন। কারণ তারা সাহসী কণ্ঠস্বর, আর এ যুগের দাবি এমন সাহস।

  • কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরিচিতি বাড়ানো জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    বুধবার সকালটিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরে নানা প্রসঙ্গে তিনি আলোচিত-সমালোচিত হয়েছেন এবং কিছু মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরালও হয়েছে। এসব আলোচনার প্রেক্ষিতে তিনি নিজেকে পুনর্বিচার করার প্রতিশ্রুতি জানিয়েছেন।

    পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক আলোচনা হয়েছে। সবার কাছ থেকেই অনেক মূল্যবান দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    তিনি বলেন, ‘‘আমি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি এবং আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করব। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’’

    পাটওয়ারী আরও বলেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ যদি কষ্ট পান, তবে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি। আপনারা দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ দিলে আমি শক্তি পাই।’’

    তিনি জানিয়ে দেন, ‘‘গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে আমার এই আত্মিক যাত্রা এক নিরিবিলি সূচনায় শুরু করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’’

  • জামায়াত–এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিএনপি এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত–এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিএনপি এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

    রবিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে খোঁজখবরমূলক মন্তব্য করেন বিএনপি সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরও একটা মেধাবী অংশ গঠন করেছিল জাসদ; পরে কিছু বাড়াবাড়ির ফলে দেশ ও জাতি যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটি পুরোপুরি অগ্রাহ্য করা যায় না। এমন সময়ে আমাদের সকলের জন্য তিনি এক অন্তর্যামী কামনা জানান—‘‘আল্লাহ আমাদের যেন সবকিছু হজম করার তৌফিক দেন।’’

    মনিরুল হক চৌধুরী বেগম খালেদা জিয়ার নাম স্মরণ করে বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি নিজে তাদের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কঠোর অবস্থান সত্বেও কখনো দলগত রাজনীতি ছেড়ে দেননি। তিনি দলের অভ্যন্তরে যারা প্রশ্ন করেন তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশে যেন ১৫-২০ বছর বিএনপির অবস্থা ছিল না—এই মনোভাব ঠিক নয়; দেশনেত্রীর সেই নীতি ও অবদানের কথাও অনুধাবন করা উচিত।

    তিনি আরও বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে কখনো কখনো ভয় হয় বলে অনুভব করেন—আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতাম, তাদের চিনতাম; আজকের বিরোধীদের কেউ কেউ এখনও চিনিনা। তারেক রহমানের কথার উল্লেখ করে তিনি বলেন,‘‘আমাদের নেতা বলেছিলেন—কঠিন নির্বাচন। তখন অনেকে বোঝেনি, পরে নির্বাচন করে আমরা বুঝেছি কতটা কঠিন পরিবেশ পেরোতে হয়েছে।’’

    এছাড়া তিনি দাবি করেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত ছিল জামায়াতে ইসলামীর মতো সংগঠনের কথাও মনে রাখা। কিন্তু আজ চারপাশে তাদের সম্পর্কে নানা প্রশ্ন ওঠছে—কিছু জীবিত মুক্তিযোদ্ধার ভূমিকা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, এমনকি মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে এক কাতারে আনা হচ্ছে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

    শেষে তিনি বলেন, ‘‘যদি কোনো সময় ফ্যাসিস্ট শাসনামলে বিচারের নামে অন্যায় করা হয়ে থাকে, সেটা আলাদা বিষয়।’’ মহান সংসদকে এই প্রশ্ন রেখে তিনি জামায়াত ও এনসিপি সম্পর্কে একটি ব্যক্তিগত মতও জানান—স্বাধীনতার পরে বা এনসিপির মতো কিছু সংগঠনের নেতা-প্রতিনিধির বয়স কম হলেও তিনি তাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কারণ তারা সাহসী এবং বর্তমান যুগের দাবি মেটায়।

  • কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি — নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি — নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচন জানার পর থেকে নানা মন্তব্য ও কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচনা ও সমালোচনার মুখে রয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সবসময়ের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু কথা ভাইরাল হওয়ায় তিনি জনপ্রিয়তার সঙ্গে সঙ্গে বিতর্কেও জড়ান।

    আজ বুধবার সকালে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, যদি তার কোনো বক্তব্য বা কাজ অনিচ্ছাকৃতভাবেই কারো কষ্টের কারণ হয়ে থাকে তবে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক আলোচনা হয়েছে। সবার কাছ থেকেই আমি সুন্দর ও যত্নশীল দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা পরিহার করা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    তিনি আরও বলেছেন, ‘‘আমি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি এবং bundan পর আরো শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা চালাব। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’’

    পাটওয়ারী তার পোস্টে বলেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালবাসা ও পরামর্শই আমার পথচলার শক্তি।’’

    তিনি জানালেন, ‘‘গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন—এই দোয়া করি।’’

    পাঠক ও সমর্থকদের প্রতি তার আহ্বান ছিল—সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে গণসেবা ও দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে সক্রিয় থাকতে।

  • মনিরুল হকের অভিযোগ—জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন, খালেদার অবদান স্মরণ করার আহ্বান

    মনিরুল হকের অভিযোগ—জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন, খালেদার অবদান স্মরণ করার আহ্বান

    রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি সাংসদ মনিরুল হক চৌধুরী জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর যে মেধাবী শ্রেণি গঠন করেছিল জাসদ, তারা বাড়াবাড়ি করে দেশের ও জাতির ক্ষতি করেছে এবং ফলাফল স্বরূপ তাদের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘‘এ ধরনের ঘটনা আমাদের শিক্ষা হওয়া উচিত—আমাদের যেন সবকিছু সহ্য করার ধৈর্য ও বিচক্ষণতা দেয়া হয়।’’

    আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। মনিরুল হক চৌধুরী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জামায়াতকে রাজনীতিতে এতদূর নিয়ে আসার সরাসরি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের আহ্বান জানান। তিনি স্মরণ করান যে তিনি ১৯৯১ সালের সংসদে দেশের জন্য কাজ করেছেন এবং তখনও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নানা বিরোধকে উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন। মনিরুল বলেন, ‘‘আপনারা যখন আজ প্রশ্ন তোলেন, মনে হয় ১৫-২০ বছর বিএনপি এখানে ছিল না। তবে যা কিছু রাজনীতি আজদিনে-এভাবে এসেছে, তার পেছনে খালেদা জিয়ারও অবদান ছিল—এটুকুও স্মরণ করা উচিত।’’

    তিনি আরও বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে কাকে সামনে নিয়ে কথা বলা যায় তা জানতেই কষ্ট হয়। আগে যাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতাম, তাদের চেনতাম; কিন্তু এখন যারা বিরোধী দল হিসেবে আছেন, তাদেরকে এখনও চিনতে পারছি না। দেশের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে যে ধরনের পরিবর্তন এসেছে, সেটাও বিবেচনা করার মতো বিষয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    মনিরুল হক বলেন, দলের নেতা তারেক রহমান কঠিন নির্বাচন হওয়ার কথাই বলেন—তৎকালীন অনেকেই সেটা বোঝেননি, তিনি বুঝেছিলেন, পরে নির্বাচন পার হওয়ার সময় সেটা স্পষ্ট হয়েছে।

    সংসদে তিনি আরও প্রশ্ন তুলেন যে এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে আসার পর যাদের আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত ছিল, তাদের সম্পর্কে আজ নানা প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে কিছু জীবিত মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে—মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৭১ সালের ঘটনা এক কাতায় ধরা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তার বক্তব্য, যদি ফ্যাসিস্ট আমলে বিচারের নামে অন্যায় হয়েছে তাহলে সেটার আলাদা বিচার করা উচিত।

    শেষে মনিরুল হক বলেন, এক কথায় তিনি জামায়াতের প্রতি কিছু কথা বলবেন না—তবু এনসিপি বা স্বাধীনতার পরে উঠে আসা কম বয়সীদের তিনি শ্রদ্ধা করেন। তার মতে, বর্তমান যুগের চাহিদা অনুযায়ী যে সাহস দেখা যায়, সেই সাহসই তাদের স্মরণীয় করে তোলে।

  • যদি কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    যদি কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পর থেকে নানা জনসমক্ষে মন্তব্য ও কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচিত-সমালোচিত হয়ে এসেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার কিছু বক্তব্য দ্রুত ভাইরাল হয়েছে।

    বুধবার সকালে দেওয়া এক পোস্টে পাটওয়ারী জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনে তিনি বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও সহযোদ্ধাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কিছু আন্তরিক কথোপকথন করেছেন। সেখান থেকে তিনি ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ পেয়েছেন।

    তিনি লিখেছেন, ‘‘আমি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি এবং 앞으로 আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করব। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’’

    পাটওয়ারী আরও বলেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনারাও দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ দিয়ে আমাকে পথ দেখালে আমি কৃতজ্ঞ থাকব।’’

    জানা গেছে, তিনি গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইল থেকে একটি নীরব আত্মিক যাত্রা শুরু করেছেন। পোস্টে তিনি সবাইকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও সঠিক পথে পরিচালনার জন্য দোয়া করেছেন।

  • কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচিত-সমালোচিত ও জনপ্রিয় হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর একাধিক মন্তব্যไวরাল হয়েছে এবং নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

    আজ সকালে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, যদি তাঁর কোনো কথা বা কাজের কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে নাসীরুদ্দীণ পাটওয়ারী উল্লেখ করেছেন, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথোপকথনের সুযোগ হয়েছে। সবার কাছ থেকেই একটি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    তিনি বলেছেন, ‘‘আমি বিনয়ের সহিত সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি এবং bundanপর আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করব। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’’

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও যোগ করেছেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আবারও আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই আমার পথচলার শক্তি।’’

    আত্মিক অনুশোচনার অংশ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই যাত্রার নীরব সূচনা করেছেন এবং সবাইকে আল্লাহর কাছে দোয়াবারে আহ্বান জানিয়েছেন—‘আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’

  • জামায়াত-এনসিপি প্রশ্নে সংসদে মনিরুল হক চৌধুরীর মন্তব্য

    জামায়াত-এনসিপি প্রশ্নে সংসদে মনিরুল হক চৌধুরীর মন্তব্য

    জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিএনপি এমপি মনিরুল হক চৌধুরী। রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা সভায় (সভা সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ) তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করেন।

    মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পরে একটি মেধাবী শ্রেণি এসে জাসদ গঠন করেছিল। পরে অতিরঞ্জনের কারণে দেশ, জাতি ও রাজনীতিই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বললেন, এই সব পটপট পরিবর্তন সহ্য করার ধৈর্য আমাদের থাকা উচিত।

    বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করার কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৯১-এর সংসদে তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আপনাদের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। অনেক সময় মনে হয় যেন দেশে বিএনপি পাঁচ–পনেরো বছর ছিল না—কিন্তু দেশনেত্রী বিরোধিতা উপেক্ষা করে জাতি ও দেশের স্বার্থে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাই যারা এখন পর্যন্ত রাজনীতিকে এগিয়ে এনেছেন, তাদের পেছনে তারও অবদান ছিল; সেটি স্মরণ করা উচিত।

    তিনি আরও বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলতেও এখন ভয় লাগে—আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতাম, তাদের চিনতাম, কিন্তু এখন যারা বিরোধী বলে পরিচিত, তাদের এখনও আমি চিনিনি। দলের সিনিয়র নেতারা যেমন—তারেক রহমান বলেছিলেন কঠিন নির্বাচন হবে; তখন অনেকে তা বুঝেননি, পরে নির্বাচন করে বোঝা গেছে কত কঠিন ছিল।

    মনিরুল হক চৌধুরী উল্লেখ করে বলেন, এ সংখ্যা নিয়ে সংসদে আসার পর আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত ছিল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো। কিন্তু আজ আমাদের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে; এমনকি জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে—এগুলো ন্যায়পরায়ণতা ও ইতিহাসের বিচারের আলোকে হওয়া উচিত।

    শেষে তিনি বলেন, মহান সংসদে এই প্রশ্ন রেখে জামায়াতকে একথা বলছি—স্বাধীনতার পর কিংবা এনসিপির মতো সংগঠনে যে নেতারা ঊর্ণোত্থান করেছেন, যদিও তাদের বয়স কম, তবুও তাদের সাহসকে তিনি সম্মান করেন; এগুলোই সময়ের দাবি।

    (সভায় প্রদত্ত বক্তব্যের সংক্ষিপ্ত করণ থেকে সংবাদটি রূপরেখা করা হয়েছে।)